Tag: Tmc Conflict

Tmc Conflict

  • TMC Conflict: দলীয় কর্মীকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে খুন করলেন তৃণমূল নেতা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    TMC Conflict: দলীয় কর্মীকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে খুন করলেন তৃণমূল নেতা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলীয় এক কর্মীকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামীর বিরুদ্ধে। বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুরের  সুজালি গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম মজিবুর রহমান (৬০)। তাঁর বাড়ি সুজালি গ্রামে। মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় তৃণমূল নেতা শেখ ফরাজুলসহ বেশ কয়েকজনের নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এই ঘটনায় তৃণমূলের কোন্দল (TMC Conflict) একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (TMC Conflict)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিবাদ চলছিল নিহত ওই তৃণমূল কর্মী মজিবুর রহমানের সঙ্গে পঞ্চায়েত সদস্যা হুসনেরা খাতুনের স্বামী শেখ ফরাজুলের মধ্যে। মজিবুরের নামে কয়েক বিঘা জমি ছিল। ক্ষমতার জোরে সেই জমি জোর করে দখলে রেখেছিলেন ফরাজুল। পরে, মজিবুর সেই জমি নিজের দখলে আনার চেষ্টা করলে বিবাদ (TMC Conflict) শুরু হয়। জানা গিয়েছে, এদিন সকালে ফরাজুল দলবল নিয়ে জমি দখলের চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে মজিবুর একাই তাঁদের বাধা দেন। জমির মধ্যেই তৃণমূল নেতা ফরাজুলের নেতৃত্বে ওই তৃণমূল কর্মীকে প্রকাশ্যে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে খুন করা হয়। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে ইসলামপুর থানার পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ইসলামপুর (North Dinajpur) মহকুমা হাসপাতালের পুলিশ মর্গে পাঠানো হয়। ঘটনার তদন্তে নেমে দুজনকে গ্রেফতার করেছে ইসলামপুর থানার পুলিশ। পাশাপাশি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছে বিরাট পুলিশ বাহিনী।

    আরও পড়ুন: চাকরি ছেড়ে ব্যবসা, এখন ১১০০ কোটি ডলারের মালিক এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    স্থানীয় তৃণমূল নেতা জাহিদুল ইসলাম বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে একটি বিবাদ চলছিল। মজিবুর রহমান একজন সক্রিয় তৃণমূল কর্মী ছিলেন। বুধবার সেই জমি দখলকে কেন্দ্র করে ফের সংঘর্ষ হয়। তাতে মজিবুর রহমানকে খুন করা হয়। আমরা দলগতভাবে এই ধরনের ঘটনা সমর্থন করি না। দ্রুত দোষীদের গ্রেফতার করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ-প্রশাসনকে (North Dinajpur) জানিয়েছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: খাসতালুকে তৃণমূলের পার্টি অফিস থেকে সরানো হল কেষ্টর ছবি, কোন্দল প্রকাশ্যে

    Anubrata Mondal: খাসতালুকে তৃণমূলের পার্টি অফিস থেকে সরানো হল কেষ্টর ছবি, কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের কি বীরভূমে ব্রাত্য হয়ে গেলেন অনুব্রত মণ্ডল? নানুরের পার্টি অফিস থেকে তাঁর ছবি সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় এই বিষয় নিয়ে ফের চর্চা হতে শুরু করেছে। এমনিতেই কেষ্ট জেলে যাওয়ার পর জেলায় কাজল শেখ গুরুত্ব পেতে শুরু করেন। লোকসভা ভোটের কয়েকমাস আগেই জেলাজুড়েই অনুব্রতের ছবি সরিয়ে ফেলা হয়েছিল। যদিও তৃণমূল নেত্রী কেষ্টর (Anubrata Mondal) প্রশংসা করায় লোকসভা নির্বাচনে কেষ্ট তিহার জেলে থাকলেও তাঁর ছবি নিয়ে দড়ি টানাটানি করেননি দলেরই বিরোধী গোষ্ঠীর লোকজন। বরং, জেলাজুড়ে (Birbhum) কেষ্টর ছবিতে ছয়লাপ করে দেওয়া হয়েছিল।

    ঠিক কী ঘটেছে? (Anubrata Mondal)

    ২১ জুলাই পর ২৭ জুলাই নানুরে শহিদ দিবস পালন করা হয়। যেখান ২০১১ সালে আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খোদ নিজে এসেছেন। এমনকী তিহার যাওয়ার আগে অনুব্রত মণ্ডলও (Anubrata Mondal) তৃণমূলের এই শহিদ স্মরণ সভার প্রধান বক্তা হিসেবে গণ্য হতেন। তবে, ২০২৪ সালে দেখা গেল অন্য চিত্র। নানুরের বাসাপাড়ার তৃণমূল কার্যলয় থেকে অনুব্রত মণ্ডলের ছবি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই কার্যালয়ের দায়িত্ব রয়েছেন কেষ্ট ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ কেরিম খানের। কেন সরে গেল অনুব্রত মণ্ডলের ছবি তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

    আরও পড়ুন: সুকান্ত লিড পাওয়ায় বালুরঘাটে বন্ধ নাগরিক পরিষেবা! মহকুমা শাসককে নালিশ পুরবাসীর

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    লোকসভা নির্বাচনের আগে বীরভূম সফরে মুখ্যমন্ত্রী এসে কেষ্টর প্রশংসা করেছিলেন। এতদিন তাঁকে নিয়ে দলের অন্দরে চর্চা ছিল না। তবে, নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয় লাভের পর আবারও তাঁর ছবি সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় দলীয় কোন্দল ফের প্রকাশ্যে চলে এসেছে। তৃণমূলের মুখপাত্র জামসেদ আলি খান বলেন,অনুব্রতর (Anubrata Mondal) ছবি বা পোস্টার সরিয়ে নিলে গোটা বীরভূমের (Birbhum) মানুষের মন থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া অসম্ভব। এখানে অনুব্রত মণ্ডলের বাইরে কিছু নেই। কিন্তু, পার্টি অফিস থেকে কেন সরিয়ে ফেলা হল তাঁর ছবি, তা দেখছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TMC Conflict: দলেরই নেতার হাতে মার খেলেন তৃণমূল শিক্ষক সংগঠনের জেলা সভাপতি, কোন্দল প্রকাশ্যে

    TMC Conflict: দলেরই নেতার হাতে মার খেলেন তৃণমূল শিক্ষক সংগঠনের জেলা সভাপতি, কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২১ জুলাইয়ের ঠিক আগেই পার্টি অফিস চত্বরে নিজেদের মধ্যে মারপিটে জড়ালেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা স্তরের দুই নেতা। তৃণমূল শিক্ষক সংগঠনের (মাধ্যমিক) জেলা সভাপতি ভাস্কর মজুমদারের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল দলেরই জেলা সাধারণ সম্পাদক অনুপ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে। তিনি আবার প্রাক্তন ডিপিএসসির চেয়ারম্যানও। তিনি হাইস্কুলের ক্লার্কে চাকরি করেন। প্রকাশ্যে জেলার দুই নেতাকে মারপিট করতে দেখে সাধারণ মানুষ হাসাহাসি করেছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের কোন্দল (TMC Conflict) প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (TMC Conflict)

    শুক্রবার বিকেলে একুশে জুলাইয়ের জন্য একটি বাসে করে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরা ধর্মতলার উদ্দেশে রওনা হতে দলের জেলা কার্যালয়ে এসেছিলেন। সেখানে দলের জেলা নেতারা ওই কর্মীদের জল ও শুকনো খাবার তুলে দেন। ওই কর্মসূচি চলাকালীন দলের জেলা কার্যালয় চত্বরে ভাস্কর মজুমদার ও অনুপ চক্রবর্তী দুজনেই বচসায় জড়িয়ে পড়েন। তাঁদের বচসার মূল বিষয়বস্তু ছিল, কে স্কুলে যান, কে স্কুলে যান না, তা নিয়ে বাক বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন দুই নেতা। পরবর্তীতে যা হাতাহাতি পর্যন্ত গড়িয়েছে। ভাস্করবাবুর ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে অনুপবাবুর বিরুদ্ধে। শাসকদলের জেলার দায়িত্বশীল নেতাদের মধ্যে প্রকাশ্যে এই ধরনের মারধরের ঘটনায় চরম বিড়ম্বনায় জেলা নেতৃত্ব। হাতাহাতির ঘটনার সময় দুই নেতাকে সামাল দিতে শাসকদলের অন্যান্য কর্মী-সমর্থকরা এগিয়ে আসেন। দুজনকেই শান্ত করার চেষ্টা করেন তাঁরা। ভাস্করবাবু বলেন, “সামান্য কথা নিয়ে বচসা হয়। অনুপবাবু আচমকা আমার ওপর হামলা চালায়।” অন্যদিকে, অনুপবাবু বলেন, “ভাস্করবাবু আমাকে মারতে এগিয়ে আসেন। আমি তাতে বাধা দিয়েছি। হামলা চালাইনি।”

    আরও পড়ুন: ৬ মাস আত্মগোপনের ছক কষেছিলেন সোনারপুরের জামাল! অবশেষে গ্রেফতার

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    যদিও বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক মহল থেকে শহরের আনাচে-কানাচে এখন একটাই চর্চা, নেতারাই যদি আক্রান্ত হন, সাধারণ কর্মীদের নিরাপত্তা কোথায়? বিজেপির জেলা সভাপতি তথা আলিপুরদুয়ারের (Alipurduar) সাংসদ মনোজ টিগ্গা বলেন, “শাসক দলের নিজেদের গোষ্ঠী কোন্দল এতটাই চরমে যে আলিপুরদুয়ারে তার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। রাজ্যজুড়েই ওরা নিজেদের মধ্যে ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়বে, এটাই স্বাভাবিক।” তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা (Alipurduar) সভাপতি প্রকাশ চিক বরাইক বলেন,”দুজনের কাছেই অভিযোগ শুনেছি কেন এমন ঘটনা ঘটল তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ১০ বছরে রেজিনগরের তৃণমূল বিধায়ক কোনও কাজ করেননি, বললেন দলেরই নেতা

    Murshidabad: ১০ বছরে রেজিনগরের তৃণমূল বিধায়ক কোনও কাজ করেননি, বললেন দলেরই নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২১ জুলাইয়ের আগে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রেজিনগর বিধানসভায় তৃণমূলের কোন্দল ফের প্রকাশ্যে চলে এল। রীতিমতো সাংবাদিক সম্মেলন করে তৃণমূল বিধায়ক এবং দলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি একে অপরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনলেন। যা নিয়ে জেলাজুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ করেছেন তৃণমূল বিধায়ক? (Murshidabad)

    বেলডাঙ্গা-২ নম্বর (Murshidabad) ব্লকের তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি আতাউর রহমান দলের বিধায়ক রবিউলআলম চৌধুরীর বিরুদ্ধে টেন্ডারের দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন। এই প্রসঙ্গে তৃণমূল বিধায়ক বলেন,  দুর্নীতির কোনও অভিযোগ প্রমাণ করতে পারলে বিধায়ক পদ ছেড়ে দেব। আসলে ওই তৃণমূল নেতার স্ত্রী পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। তিনি অবৈধভাবে টেন্ডার প্রক্রিয়া করতে চাইছেন। যার ফলে বেলডাঙ্গা ২ নম্বর ব্লকের টেন্ডারে অনিয়ম হচ্ছে। উন্নয়নের থমকে গিয়েছে। যদি তাঁদের মন মতো টেন্ডার না হয় তাহলে তাঁরা বাতিল করছেন। ফেরিঘাটে টেন্ডার করা হয়নি। এর দায় পঞ্চায়েত সমিতির। যতদিন থাকব এই অবৈধ টেন্ডার মেনে নেব না, তারজন্য যেখানে যা করার দরকার আমি করব। ভাটির ব্যবসা, থানার দালালি যে দলের লোক করুক না কেন, যদি আমাদের দলের লোকও করে থাকে তাদের জন্য উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা আমি করব।

    আরও পড়ুন: পুলিশের নাকের ডগায় মাছের ভেড়িতে আত্মগোপনে সাদ্দাম, তিনদিন পর গ্রেফতার

    ১০ বছরে বিধায়ক কোনও কাজ করেননি!

    বিধায়কের সাংবাদিক বৈঠকের পর পাল্টা সাংবাদিক বৈঠক করেন তৃণমূলের (Trinamool Congress) বেলডাঙ্গা ২ নম্বর ব্লকের (Murshidabad) প্রাক্তন সভাপতি আতাউর রহমান। তিনি বলেন, বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিধায়ক তৃণমূল প্রার্থীদের হয়ে ভোট করেন নি। বিধায়কের চোখের সামনেই দুর্নীতি হচ্ছে, তিনি চোখ বন্ধ করে আছেন। বিধায়কের (Trinamool Congress) উন্নয়ন তহবিলের টাকার কাজের নিয়ম মতো টেন্ডার হচ্ছে না। তিনি রবিউল আলামের কাজ নিয়েও অনেক প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, সরকার প্রতিবছর বিধায়কদের ৬০ লক্ষ টাকা করে উন্নয়ন খাতে দেন। বিগত  দশ বছরের ব্যবধানে আমরা দেখতে পাইনি কোনও পঞ্চায়েতে বা কোনও ব্লকে বিধায়ক তহবিলের টাকায় কাজ হয়েছে। বিগত ১০ বছর কোথায় কাজ করেছেন তার কোনও প্রমাণ আমাদের কাছে নেই। এখন অনলাইন ব্যবস্থা হওয়ার পর আমরা জানতে পারি বিধায়কসাহেব যে বছরের ৬০ লক্ষ টাকা পান, সেটা আন্ডারটেকিং ওয়েস্ট বেঙ্গল এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে টেন্ডার করানো হচ্ছে। তবে, এই টেন্ডার কবে হচ্ছে কোথায় হচ্ছে? কে কাজ পাচ্ছেন? সেই কাজ দেখভালের জন্য ইঞ্জিনিয়ার কবে আসছেন, কাজের পরিধি কী রয়েছে তার কোন কিছুই জানা নেই।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Asansol: আসানসোলে কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে তাল ঠুকছে তৃণমূলের দুই সংগঠন, ভর্তি শিকেয়

    Asansol: আসানসোলে কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে তাল ঠুকছে তৃণমূলের দুই সংগঠন, ভর্তি শিকেয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসানসোলে (Asansol) কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে তুঙ্গে উঠেছে তৃণমূলের ছাত্র সংগঠন বনাম তৃণমূলের শিক্ষাবন্ধু সমিতির দ্বন্দ্ব। প্রশাসনিক ভবনে অচলাবস্থা তৈরি করেছে ছাত্র সংগঠন। গত সাতদিন ধরে উপাচার্য এবং রেজিস্ট্রারের দফতরে তালা দিয়ে আন্দোলন চালাচ্ছে তৃণমূল ছাত্রপরিষদ। পাল্টা আন্দোলন করছে তৃণমূলের শিক্ষাবন্ধু সমিতি। তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    তৃণমূলের আন্দোলনে ব্যাহত ভর্তি প্রক্রিয়া (Asansol)

    বিশ্ববিদ্যালয়ে (Asansol) তৃণমূলের (Trinamool Congress) দুই সংগঠনের আন্দোলনের জেরে মঙ্গলবার থমকে গেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ভর্তি প্রক্রিয়া। যদিও ভর্তি হতে আসা ছাত্রছাত্রী এবং অভিভাবকদের একাংশ প্রশাসনিক ভবনে টিএমসিপি-র লাগানো তালা ভেঙে দেন। তাঁরা কী করবেন বুঝতে পারছেন না। দূর থেকে আসা এক অভিভাবকের বলেন, ভর্তি কবে হবে বুঝতে পারছি না। চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছি। অভিভাবকদের দাবি, অবিলম্বে ভর্তির ব্যবস্থা করতে হবে। কড়া হাতে আন্দোলন দমন করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার যাঁরা ভর্তি হতে পারেননি, তাঁদের জন্য অনলাইনের ব্যবস্থা করা হবে।

    তৃণমূলের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

    তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতারা বলেন, ছাত্র ভর্তির টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (Asansol) বিভিন্ন আইনি লড়াইয়ের খাতে খরচ করা হয়েছে।  বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিল থেকে আইনি খরচ বাবদ প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা ব্যয় করাহয়েছে। ওই টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে ফেরত দিতে হবে।  কখন,কোথায়, কী কারণে এই টাকা খরচ করা হয়েছে- তা শ্বেতপত্র প্রকাশ করে উপাচার্যকে জানাতে হবে। অন্যদিকে, তৃণমূল ছাত্র সংগঠনের এই আন্দোলনকে ‘বহিরাগতদের আন্দোলন’ বলে অভিহিত করে পাল্টা আন্দোলনে নামে তৃণমূলেরই শিক্ষাবন্ধু সমিতি। প্রশাসনিক ভবনের গেটের সামনে বিক্ষোভ অবস্থানে বসেন সমিতির সদস্যেরা। সারা বাংলা শিক্ষাবন্ধু সমিতির যুগ্ম সম্পাদক দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “অনৈতিক দাবি নিয়ে কিছু বহিরাগত ছাত্রছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্বস্তিকর পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন। ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করতে বিশ্ববিদ্যালয়কে কালিমালিপ্ত করতে দেব না।”  পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি অভিনব মুখোপাধ্যায় বলেন, “আসানসোলের যাঁরা ভালো চান, ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থে তাঁদের এই আন্দোলন চলছে। আর দল ঠিক করবে কারা প্রকৃত তৃণমূল (Trinamool Congress)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ranaghat: কাটমানি নিয়ে কি দ্বন্দ্ব! রানাঘাটে দলীয় কর্মীদের মারে রক্ত ঝরল তৃণমূল নেতার

    Ranaghat: কাটমানি নিয়ে কি দ্বন্দ্ব! রানাঘাটে দলীয় কর্মীদের মারে রক্ত ঝরল তৃণমূল নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও নদিয়ার তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে। এবার রানাঘাটের (Ranaghat) আনুলিয়া পঞ্চায়েত এলাকায় তৃণমূলের বুথ সভাপতিসহ তিন তৃণমূল কর্মীকে মারধর করার অভিযোগ উঠল দলেরই নেকা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। কাটমানি নিয়ে গন্ডগোলের জেরেই কি হামলা? দলের অন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে। 

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Ranaghat)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে আনুলিয়া (Ranaghat) এলাকায় গেঞ্জি মিলের কাছে স্থানীয় পঞ্চায়েতের নন্দীঘাট বুথের সভাপতি আবীর আলি মণ্ডলকে রাস্তা আটকে মারধর করে কিছু তৃণমূল নেতা-কর্মী। অভিযোগ, বন্দুকের বাঁট দিয়ে মারধর করার পাশাপাশি তাঁকে প্রাণনাশেরও হুমকি দেওয়া হয়। অভিযোগ, আক্রান্ত তৃণমূল নেতাকে বাঁচাতে এসে আক্রান্ত হন আরও দুই তৃণমূল কর্মী। ঘটনায় আক্রান্ত তিনজনকেই রানাঘাট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনায় রানাঘাট থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। হামলা চালানোর অভিযোগে ২জনকে আটক করেছে রানাঘাট থানার পুলিশ। কী কারণে তারা এই হামলা চালালো তা জানতে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: ইউরোপের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস জয়, ভারতীয় হিসেবে নজির গড়লেন হুগলির শুভম

    আক্রান্ত তৃণমূল নেতার কী বক্তব্য?

    এ বিষয়ে তৃণমূল (Trinamool Conflict) বুথ সভাপতি আবির আলি মণ্ডল বলেন, আমি রাতে বাড়ি ফিরছিলাম। হঠাৎ রানাঘাট (Ranaghat) গেঞ্জি ফ্যাক্টরির কাছে আমাকে দেখে ওই এলাকারই দুজন আটকায়। তাঁরাও তৃণমূল করে। সঙ্গে আরও কয়েকজন ঘটনাস্থলে আসে। কোনও কারণ ছাড়়াই হামলা চালাই। তারা ঘটনাস্থলে এলেই আমাকে ছয়-সাত জন মিলে বেধড়ক মারতে থাকে। বন্দুকের বাদ দিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয় আমার। যেহেতু আমি এলাকায় সাধারণ মানুষের হয়ে কাজ করি সেই কারণে ওই দুষ্কৃতীরা আমাকে হামলা চালিয়েছে বলে আমার অনুমান। তবে, ওদের মধ্যে কেউই তৃণমূলের কোনও পদে নেই। অন্যদিকে, এই ঘটনায় আবারও অস্বস্তিতে রানাঘাটের তৃণমূল। প্রকাশ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব হওয়ায় কুলুপ পেতেছে রানাঘাটের প্রথম সারির তৃণমূল (Trinamool Conflict) নেতৃত্ব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TMC Conflict: জমি বিক্রি করে তোলা না দেওয়ায় তৃণমূল নেতার বাড়ি ভাঙচুর করল দলেরই লোকজন

    TMC Conflict: জমি বিক্রি করে তোলা না দেওয়ায় তৃণমূল নেতার বাড়ি ভাঙচুর করল দলেরই লোকজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তোলাবাজির টাকা না দেওয়ায় দলের কর্মীদের হাতেই আক্রান্ত হলেন তৃণমূলের বুথ সভাপতি। রাতের অন্ধকারে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তৃণমূল নেতার বাড়ি ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠল দলেরই অন্য গোষ্ঠীর লোকজনের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের কোতোয়ালি থানার নলুয়াপাড়া এলাকায়। এই ঘটনায় তৃণমূলের কোন্দল (TMC Conflict) প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (TMC Conflict)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত তিনদিন আগে নলুয়াপাড়া (TMC Conflict) এলাকার ৭৬ নম্বর বুথ সভাপতি সৌমিত্র সাহা  পৈত্রিক জমি বিক্রয় করেন। জমিটি কেনেন মোহাবুল শেখ নামে এক ব্যক্তি। জমিটি বিক্রয় করার পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের কিছু দুষ্কৃতী তাঁর কাছে তোলা চেয়ে হুমকি দিতে থাকে। তারা এক লক্ষ টাকা দাবি করে। তৃণমূল নেতা তা দিতে অস্বীকার করেন। বুধবার রাত তিনটে নাগাদ ৪০ জন দুষ্কৃতী তৃণমূল নেতার বাড়িতে আগ্নেয়াস্ত্র এবং দা নিয়ে গিয়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। বাড়ির দরজা-জানলা ভাঙচুর করে। সৌমিত্র সাহা সঙ্গে সঙ্গে প্রাক্তন কাউন্সিলর স্বপন সাহাকে ফোন করে জানান। পুলিশেও খবর দেওয়া হয়। কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। তৃণমূলের বুথ সভাপতি সৌমিত্র সাহা বলেন, নিজের জমি বিক্রি করেছি। তারজন্য ১ লক্ষ টাকা তোলা চেয়েছিল। আমি তা দিতে রাজি হইনি বলে আমাদের বাড়িতে হামলা চালিয়েছে। আমার ছেলের চাকরির পরীক্ষা ছিল বৃহস্পতিবার। আতঙ্কে সে চাকরির পরীক্ষা দিতে যেতে পারল না। আমরা দোষীদের শাস্তি চাই।

    আরও পড়ুন: শীতলকুচিতে তৃণমূলের বিজয় মিছিল থেকে ছোড়া হল বোমা! রক্তাক্ত বিজেপি কর্মীর দুই মেয়ে

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    নদিয়া (Nadia) জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র দেবাশিস রায় বলেন, এই ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনকে বলা হয়েছে। নদিয়া (Nadia) জেলা উত্তরের বিজেপির মুখপাত্র সন্দীপ মজুমদার বলেন, এই রাজ্যে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার পাশাপাশি তৃণমূল নেতাদেরও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এই হামলার ঘটনায় দলের লোকজনই জড়িত। আমরা ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TMC Conflict: দলের পুর-চেয়ারম্যানকে ফের অপসারণের দাবি! আন্দোলনে তৃণমূলেরই কাউন্সিলররা

    TMC Conflict: দলের পুর-চেয়ারম্যানকে ফের অপসারণের দাবি! আন্দোলনে তৃণমূলেরই কাউন্সিলররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাঁইহাট পুরসভার চেয়ারম্যানের অপসারণকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের কোন্দল (TMC Conflict) ফের প্রকাশ্যে। পুর চেয়ারম্যান প্রদীপ রায়ের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ তুলে রাজ্য নেতৃত্বের কাছে আগেই পদত্যাগের দাবি জানিয়ে এসেছিলেন সিংহভাগ তৃণমূল কাউন্সিলর। এবার রীতিমতো পথসভা করে পুর-চেয়ারম্যান প্রদীপ রায়ের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন তাঁরা। তাঁর পদত্যাগের দাবি জানালেন দলের কাউন্সিলররা। এই ঘটনায় অস্বস্তিতে পড়েছেন দলের নেতৃত্ব।

    ২১ জুলাইয়ের সমর্থনে মিছিলে নেই পুর-চেয়ারম্যান (TMC Conflict)

    দাঁইহাট পুরসভার মোট ১৪ টি ওয়ার্ড রয়েছে। সবকটিই শাসকদলের দখলে। বিগত একবছর ধরেই পুরসভার চেয়ারম্যান প্রদীপ রায়ের বিরুদ্ধে কাউন্সিলরদের একাংশ ক্ষোভপ্রকাশ করে আসছিলেন। সম্প্রতি ভাইস চেয়ারম্যান অজিত বন্দোপাধ্যায় সহ ১১ জন কাউন্সিলর প্রদীপ রায়ের পদত্যাগের (TMC Conflict) দাবিতে অভিযোগ জানিয়ে আসেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমসহ দলের রাজ্য নেতৃত্বের কাছে। বিগত প্রায় একবছর ধরেই পুরসভার বোর্ড মিটিংগুলিতেও অংশ নেওয়া ছেড়ে দিয়েছিলেন কাউন্সিলরদের একাংশ। সোমবার বিকেলে  একুশে জুলাইয়ের সভার সমর্থনে দাঁইহাটে মিছিল করা হয়। মূলত, ভাইস-চেয়ারম্যান সহ ১১ জন কাউন্সিলর এই মিছিলে ছিলেন। তবে, এই মিছিলে দেখা যায়নি দাঁইহাট শহর তৃণমূলের সভাপতি রাধানাথ ভট্টাচার্য এবং পুরসভার চেয়ারম্যান প্রদীপ রায়কে। দাঁইহাটের স্টেশনবাজার তৃণমূল কার্যালয় থেকে এই মিছিল শুরু হয়। শেষ হয় পুরমার্কেটের সামনে। শেষে পথসভা হয়। এই পথসভায় ভাইস চেয়ারম্যান অজিত বন্দোপাধ্যায়ের বক্তব্যের আগাগোড়াই ছিল দলীয় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। দাঁইহাট পুরসভার চেয়ারম্যান প্রদীপ রায়ের দাবি, ” আমি চেয়ারম্যান থাকবো, না কি সরে যাব, সেটা দলই ঠিক করবে। একুশে জুলাইয়ের সমর্থনে প্রচার মিছিলের বিষয়ে আমাকে কিছু জানানো হয়নি।”

    আরও পড়ুন: রায়গঞ্জে বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে সুকান্ত-শুভেন্দুর মিছিলে পড়ল ডিম, অভিযুক্ত তৃণমূল

    পথসভা করে কী দাবি জানালেন তৃণমূল কাউন্সিলররা?

    ভাইস চেয়ারম্যান (Dainhat) অজিত বন্দোপাধ্যায় বলেন,” আমরা ১১ জন কাউন্সিলর উপস্থিত হয়েছি। বর্তমান চেয়ারম্যান সবাইকে নিয়ে চলতে পারছেন না। চেয়ারম্যানের কাছে এঁরা কেউ সম্মান পান না। মহিলা কাউন্সিলররা সম্মান পাচ্ছেন না বলে তাঁরা চেয়ারম্যানের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। দাঁইহাটের পরিষেবা এখন একদম বন্ধ। রাস্তাঘাট, নর্দমা, ডাষ্টবিন পরিষ্কার করা হয় না। দুর্গন্ধ ছড়ায়। জল দিয়ে পোকা বের হচ্ছে, সেদিকে লক্ষ্য রাখেন না চেয়ারম্যান। আমরা চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবি করছি।

    তৃণমূলের জেলা নেতৃত্ব কী বললেন?

     একুশে জুলাইয়ের সমর্থনে প্রচার মিছিল থেকে এভাবে দলেরই চেয়ারম্যানের (Dainhat) পদত্যাগ দাবি ওঠায় অস্বস্তিতে দলের জেলা নেতৃত্ব। পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়  বলেন,”দলের মধ্যে ক্ষোভ -বিক্ষোভ থাকলেও দলীয় নেতৃত্বকে জানানো দরকার। এভাবে রাস্তায় এসে ঝগড়া করা দলবিরোধী কাজ। ওরা ভুল করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: বাঁশবেড়িয়ায় দলের পুর-চেয়ারম্যানে অনাস্থা! পদত্যাগ করলেন ১২ জন তৃণমূল কাউন্সিলর

    Hooghly: বাঁশবেড়িয়ায় দলের পুর-চেয়ারম্যানে অনাস্থা! পদত্যাগ করলেন ১২ জন তৃণমূল কাউন্সিলর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলির (Hooghly) তৃণমূল পরিচালিত বাঁশবেড়িয়া পুরসভার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দলেরই ১২ জন কাউন্সিলর এর আগে প্রকাশ্যে মুখ খুলেছেন। চেয়ারম্যানের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করেছেন। দাবি আদায়ের জন্য বিক্ষোভও দেখিয়েছেন তাঁরা। যদিও কাউন্সিলরদের দাবি মেনে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। অবশেষে এবার পুরসভার স্ট্যান্ডিং কমিটি থেকে পদত্যাগ করলেন বাঁশবেড়িয়ার ১২ জন তৃণমূল কাউন্সিলর। তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    ভোটে তৃণমূল হারতেই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ! (Hooghly)

    লোকসভা ভোটে বাঁশবেড়িয়া (Hooghly) পুরসভা এলাকায় সাড়ে ১১ হাজার ভোটে বিজেপির কাছে হারতে হয়েছে তৃণমূলকে। তারপরই দেখা যায় তৃণমূল কাউন্সিলরদের একাংশ চেয়ারম্যান আদিত্য নিয়োগীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে শুরু করেন। সূত্রের খবর, যারা স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি, তাঁরা মিটিং ডাকেন না। তাই প্রথম বোর্ড মিটিংয়ে বিভিন্ন দফতরের ৬ ‘টি স্ট্যান্ডিং কমিটি তৈরি হলেও তা নিষ্ক্রিয়। বাঁশবেড়িয়া পুরসভার শাসকদলের কাউন্সিলররা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বারবার এই ধরনের পদক্ষেপ করায় দল বিড়ম্বনায় পড়ছে বলে মনে করছেন তৃণমূল কর্মীরা। এই বিষয়ে পুরসভার চেয়ারম্যান আদিত্য নিয়োগী কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি।

    আরও পড়ুন: সোনারপুরে বিজেপি কর্মীর ওপর হামলা, স্ত্রী-পুত্রকে ধারালো অস্ত্রের কোপ, অভিযুক্ত তৃণমূল

    কী বললেন দলের বিক্ষুব্ধ কাউন্সিলররা?

    তৃণমূল (Trinamool Congress) কাউন্সিলর বিশ্বজিৎ দাস বলেন, “চেয়ারম্যান আমাদের কথা শোনেন না। নিজের পছন্দের কয়েকজন লোক দিয়ে কাজ করান। আমাদের কোনও গুরুত্ব দেন না। চেয়ারম্যানের অসহযোগিতার কারণে নিজেদের ওয়ার্ডে পরিষেবা দিতে পারি না। যার ফলে লোকসভা ভোটে আমাদের হার হয়েছে। এমনকী আমরা কাউন্সিলর হিসেবে এলাকার কোনও কাজ করতে পারছি না। স্ট্যান্ডিং কমিটি আমাদের কাছে অলঙ্কার ছাড়া আর কিছুই নয়। কারণ, স্ট্যান্ডিং কমিটির কোনও মিটিং হয় না। যা কিছু সিদ্ধান্ত চেয়ারম্যান নিজেই নেন।” কাউন্সিলর (Trinamool Congress) প্রিয়াঙ্কা দাস বলেন, “তিনটি স্ট্যান্ডিং কমিটির মাথায় রয়েছেন চেয়ারম্যান। কিন্তু, তিনিও কোনও মিটিং ডাকেন না। সমস্ত বিষয়ে আমরা দলের নেতৃত্বকে জানিয়েছি, তারা নিশ্চয়ই কোনও ব্যবস্থা নেবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি নিয়ে বাঁকুড়ায় তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর কাজিয়া প্রকাশ্যে

    Bankura: ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি নিয়ে বাঁকুড়ায় তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর কাজিয়া প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি নিয়ে বাঁকুড়া  (Bankura) পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বনাম দলের ওন্দা ব্লক সভাপতির মধ্যে প্রকাশ্যে লড়াই শুরু হয়ে গিয়েছে। ব্লক সভাপতি এবং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নিজেদের উদ্যোগে প্রস্তুতি সভা করেছেন। কিন্ত, কেউ অন্য গোষ্ঠীর নেতা-কর্মীদের ডাকেননি। আর এই ঘটনায় তৃণমূলের কোন্দল (TMC Conflict) একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Bankura)

    বাঁকুড়ার (Bankura) ওন্দা বিধানসভা একসময় ছিল তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিধানসভাটি তৃণমূলের হাতছাড়া হলেও ২০২৩-এর পঞ্চায়েত নির্বাচনে ওন্দা পঞ্চায়েত সমিতি তৃণমূলের দখলেই থাকে। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পদে বসেন ওন্দার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অরুপ খাঁ-র ভাইপো অভিরূপ খাঁ। তৃণমূলে একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিরূপ খাঁ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হতেই তৃণমূলের ব্লক সভাপতি উত্তম বিটের সঙ্গে শুরু হয় বিবাদ। ২১ জুলাইয়ের আগে যা একেবারে প্রকাশ্যে চলে আসে।  জানা গিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যায় ওন্দায় তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক ও নিজের অনুগামীদের নিয়ে ২১ শে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা করেন ওন্দা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অভিরূপ খাঁ। এই ঘটনায় তৃণমূলের ব্লক সভাপতিদের ডাকা হয়নি।

    আরও পড়ুন: “এত সহজে সরানো যাবে না”, নামফলক সরাতেই শওকতকে বার্তা আরাবুলের

    ব্লক সভাপতির কী বক্তব্য?

    তৃণমূলের ব্লক সভাপতি উত্তম বিট বলেন, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি প্রস্তুতি সভা করেছেন কি না তা তাঁর জানা নেই। দলে কোনও কোন্দল (TMC Conflict) নেই। তবে, দলের ব্লক নেতৃত্বকে বাদ দিয়ে এভাবে দলীয় কর্মসূচি করার অধিকার অন্য কারও নেই। ওন্দার সাংগঠনিক কোনও পদে না থেকেও প্রাক্তন বিধায়ক সংগঠনে অযথা নাক গলানোর চেষ্টা করছেন। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ওন্দা ব্লকে তৃণমূলের সংগঠনকে শেষ করার চেষ্টা করছেন।

    পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কী বললেন?

    পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অভিরূপ খাঁ বলেন, দলের ব্লক সভাপতি ২১ শে জুলাইয়ের যে প্রস্তুতি সভা করেছেন তাতে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সহ কর্মাধ্যক্ষদের কাউকে ডাকা হয়নি। তাই আলাদাভাবে আমাদের প্রস্তুতি বৈঠক করতে হয়েছে। ফলে, সভাপতির নীতি আমরা শুধু মেনে চলেছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share