Tag: TMC Corruption

TMC Corruption

  • Suvendu Adhikari: ‘‘আমার কাছে নথি রয়েছে’’, মদনের ‘তৃণমূলে পদ বিক্রি’ মন্তব্যকে সমর্থন শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘আমার কাছে নথি রয়েছে’’, মদনের ‘তৃণমূলে পদ বিক্রি’ মন্তব্যকে সমর্থন শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০ লক্ষ টাকায় বিক্রি হচ্ছে তৃণমূলের জেলা কমিটির পদ। দুদিন আগে এমন বিস্ফোরক মন্তব্য করতে শোনা গিয়েছিল শাসকদলের কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রকে। এবার মদনের এই মন্তব্যকে সমর্থন করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর বক্তব্য, মদন মিত্র ঠিক কথা বলছেন। শাসকদলে পদের জন্য টাকা নেওয়া (TMC Corruption) কয়েক বছর আগেই শুরু হয়েছে বলে দাবি শুভেন্দুর।

    কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    মদনের বক্তব্যকে সমর্থন করে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘একদম ঠিক কথা বলেছেন মদন মিত্র। কাকদ্বীপের এক ঠিকাদার ২০২১ সালে আইপ্যাকের অ্যাকাউন্টে ১১ কোটি টাকা দিয়েছেন। আইপ্যাকের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্টে উনি ওই টাকা দিয়েছেন। আমার কাছে নথি রয়েছে।’’ তৃণমূলের অন্দরে টাকা দিয়ে পদ পাওয়া কবে থেকে শুরু হয়েছে, তাও জানিয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, ‘‘ষোলোর পর থেকে শুরু হয়েছে। আঠারোর পর থেকে প্রধান, অঞ্চল সভাপতির পদ-সহ সব বিক্রি হয়েছে।’’ প্রসঙ্গত, তৃণমূল ক্ষমতায় আসে ২০১১ সালে। সেই সময় যুব তৃণমূলের সভাপতি ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এনিয়ে বর্তমান বিধানসভার বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘‘আমাকে তাড়িয়ে এগারো সালে যুবা তৃণমূল হয়। তারাই এই টাকা সংগ্রহ করে (TMC Corruption)। সব জেলায় তিনজন-চারজন করে নাম রয়েছে। যারা যুবা তৃণমূলের। যেমন হুগলিতে শান্তনু, কুন্তল ছিল।’’ এই ইস্যুতে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    ঠিক কী বলেছিলেন মদন?

    এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মদন মিত্র (Madan Mitra) বলেছিলেন, ‘‘আমাদের পার্টিতে এসব কিছু ছিল না। এই একটা এজেন্সি আমাদের পার্টিতে ঢুকল। ভোটকুশলী সংস্থা তারা নাকি জিতিয়ে দেবে। কামারহাটিতে আমাকে শেখানো হচ্ছে, সকালে উঠে কীভাবে ব্রাশ করবে। তারপর ডানদিকে তাকাবে, না বাঁদিকে তাকাবে। অনেক গুরুত্বপূর্ণ-নামীদামি ছেলের কাছেও আমি শুনেছি, কেউ ২৫ লাখ, কেউ ৫০ লাখ দিয়েছেন (TMC Corruption)। এই এজেন্সির ছেলেদের কাছে দিয়েছে। ভোটে তাঁরা কেউ নমিনেশন পাননি। লজ্জায় কাউকে বলতেও পারছেন না। এত বড় বড় নাম তাঁদের।’’

  • Sukanta Majumdar: ‘‘মন্ত্রীদের জেল যাত্রায় সাংবিধানিক সংকট তৈরি হলে হস্তক্ষেপ করবে কেন্দ্র’’, জানালেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: ‘‘মন্ত্রীদের জেল যাত্রায় সাংবিধানিক সংকট তৈরি হলে হস্তক্ষেপ করবে কেন্দ্র’’, জানালেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতির অভিযোগে রাজ্যে তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীদের জেলযাত্রা শুরু হয়েছে গত বছর থেকেই। সম্প্রতি, রেশন দুর্নীতিকাণ্ডে গ্রেপ্তার করা হয় রাজ্যের আরেক মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। ‘‘পরপর মন্ত্রীদের এমন জেল যাত্রায় যদি সাংবিধানিক সংকট তৈরি হয়, তাহলে হস্তক্ষেপ করবে কেন্দ্র।’’ সোমবার সল্টলেকে দলের রাজ্য দফতরে বসে একথা বলতে শোনা যায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar)। এর পাশাপাশি বালুরঘাটের সাংসদের দাবি, এরপরে পালা রয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর। কারণ সেখানেও দেদার দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।

    কী বললেন সুকান্ত মজুমদার?

    এদিন দুর্নীতি ইস্যুতে রাজ্যের শাসক দলকে তীব্র আক্রমণ করেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, ‘‘আমরা তো কেন্দ্রের দৃষ্টি আকর্ষণ করবোই। কিন্তু যে পরিস্থিতির দিকে বাংলা যাচ্ছে, আগামী দিনে বাংলার সরকার কোথা থেকে চলবে এটা সব থেকে বড় প্রশ্ন। জেলের ভিতর থেকে না জেলের বাইরে থেকে? কালীঘাট থেকে চলবে, না তিহাড় থেকে চলবে, না কি প্রেসিডেন্সি থেকে চলবে, সেটা আগামী দিনে বাংলার মানুষ দেখবে। বাংলা সাংবিধানিক সংকটের সম্মুখীন হলে কেন্দ্র অবশ্যই পদক্ষেপ নেবে। তখন তো কেন্দ্রের পদক্ষেপ নেওয়া ছাড়া আর কোনও জায়গা থাকবে না।’’

    স্বাস্থ্য দফতরের দুর্নীতি ইস্যুতে রাজ্যপালকে চিঠি সুকান্তর

    রাজ্যের প্রায় সব সরকারি মেডিক্যাল কলেজে দুর্নীতি ও অনিয়ম চলছে বলে অভিযোগ সুকান্তর। স্বাস্থ্য ভবনেও দেদার দুর্নীতি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বালুরঘাটের সাংসদ। স্বাস্থ্য দফতরে হওয়া দুর্নীতির তদন্তের আর্জি জানিয়ে সিভি আনন্দ বোসকে চিঠি দিলেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, ‘‘রাজ্যে বেহাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। প্রতিটি মেডিক্যাল কলেজে দালাল রাজ চলছে। তৃণমূলের নেতাদের মধ্যেও দ্বন্ধ রয়েছে। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের সুপারের বিরুদ্ধে রয়েছে হাজার হাজার অভিযোগ তবু তাঁকে সেখানে রাখা হয়েছে। আগামীদিনে স্বাস্থ্য মন্ত্রী জেলে যেতে পারেন এতো দুর্নীতির কারণে। এই কারণে আমি সব অভিযোগ ও তথ্য জানিয়ে রাজ্যপালকে চিঠি লিখেছি।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC Corruption: মোদি জমানায় রাজ্যের বরাদ্দ বেড়েছে কয়েক গুণ, তারপরেও দিল্লিতে দরবার!

    TMC Corruption: মোদি জমানায় রাজ্যের বরাদ্দ বেড়েছে কয়েক গুণ, তারপরেও দিল্লিতে দরবার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঞ্চনার অভিযোগ তুলে দিল্লিতে তৃণমূল (TMC Corruption) নাটকবাজি করছে, এমন অভিযোগ বারবার উঠেছে। বাস্তবেও দেখা যাচ্ছে, আসল তথ্য অন্য কথা বলছে। বিগত ইউপিএ জমানার থেকে এ রাজ্যে ফান্ডের পরিমাণ কয়েক গুণ বাড়িয়েছে মোদি সরকার। রিপোর্ট বলছে, রাজ্যের উন্নয়নের গতিকে ত্বরান্বিত করতে ২০১৪ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে মোদি জমানায় পশ্চিমবঙ্গকে দেওয়া হয়েছে ৫.১৬ লক্ষ কোটি টাকা। ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ইউপিএ-২ সরকার রাজ্যের জন্য বরাদ্দ করেছিল ৮৯ হাজার কোটি টাকার কিছু বেশি। মনমোহন সরকারের থেকে মোদি জমানায় রাজ্যের উন্নয়ন খাতের বরাদ্দ যে অনেক বেশি, তা পরিসংখ্যানেই স্পষ্ট। পরিসংখ্যান বলছে, বরাদ্দ অর্থের পরিমাণ ৪৭৪ শতাংশ বেড়েছে মোদি সরকারের আমলে। ওয়াকিবহাল মহলের প্রশ্ন, তাহলে কীসের ভিত্তিতে দিল্লিতে বাজার গরম (TMC Corruption) করতে গেলেন অভিষেক ও তাঁর দলবল?

    কেন্দ্রীয় সরকার টাকা দিতে দরাজ হস্ত

    কেন্দ্রীয় রিপোর্ট অনুযায়ী, বরাদ্দের পরিমাণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে শাসক দলের (TMC Corruption) নেতাদের দুর্নীতি পরিমাণও। কেন্দ্রীয় টিমও বিভিন্ন সময় রাজ্যে এসে হদিশ পেয়েছে বিভিন্ন প্রকল্পের দুর্নীতির। ২০২২ সালে কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করে যে আগামী তিন বছরে রাজ্যকে উন্নয়নের জন্য ১.৫ লক্ষ কোটি টাকা দেওয়া হবে। ওই ঘোষণায় এও বলা হয়, বিভিন্ন প্রকল্পের বাস্তবায়নের জন্য অতিরিক্ত দু’ লাখ কোটি টাকা রাজ্য সরকার পাবে, যদি প্রকল্পের কাজে জমি অধিগ্রহণ এবং পরিকাঠামো রাজ্য দেখাতে পারে (TMC Corruption)।

    আরও পড়ুন: বহু কেন্দ্রীয় প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যর্থ রাজ্য, বঞ্চিত পরিযায়ী শ্রমিকরাও, বলছে রিপোর্ট

    সড়ক নির্মাণেও ঢেলে বরাদ্দ

    এরাজ্যে সড়ক নির্মাণে ঢেলে বরাদ্দ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। রিপোর্ট বলছে, ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে ১,৮৬৮ কিলোমিটার সড়কপথ নির্মাণের জন্য। ২০১৪ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে এই বিপুল অর্থ বরাদ্দ করেছে কেন্দ্র। চলতি বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি ৩,২৬২ কোটি টাকা কেন্দ্র সরকার বরাদ্দ করেছে ২০২২-২৩ আর্থিক বছরে, ‘স্কিম ফর স্পেশাল অ্যাসিস্ট্যান্ট টু স্টেটস ফর ক্যাপিটাল ইনভেস্টমেন্ট’ প্রকল্পে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: বিহারে রাজনৈতিক সংকট, বাংলা সফর বাতিল করলেন অমিত শাহ

    Amit Shah: বিহারে রাজনৈতিক সংকট, বাংলা সফর বাতিল করলেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাতিল হল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) বাংলা সফর। রবিবারই তাঁর কলকাতায় পা রাখার কথা ছিল। সোমবার একাধিক দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার কথা ছিল শাহের। যারমধ্যে সায়েন্স সিটির নাগরিক কনভেনশন, বারাসাত ও মেচেদাতে কর্মীসভাও ছিল। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে সেই সভা বাতিল হল। তার কারণ ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিবেশী রাজ্য বিহারে রাজনৈতিক সংকট দেখা দিয়েছে। এবং সেখানে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার আবার বিজেপির সহযোগী হতে পারেন বলে খবর ছড়িয়েছে।

    বিহার সফরে অমিত শাহ?

    শোনা যাচ্ছে, আজ শনিবারই বিহারের রাজ্যপালের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা করতে পারেন নীতীশ। সুত্র মারফত খবর পাওয়া গিয়েছে, রবিবার জেডি(ইউ) পরিষদীয় দলের বৈঠক ডেকেছেন নীতীশ কুমার। মনে করা হচ্ছে সোমবারই বিজেপির সমর্থন নিয়ে ফের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে পারেন তিনি। বিহারের এমন পরিস্থিতিতে সে রাজ্যে সফর করতে পারেন অমিত শাহ এবং সে কারণেই তাঁর বাংলা সফর বাতিল করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এর সবটাই অনুমান। তার কারণ অমিত শাহের (Amit Shah)  বঙ্গ সফর বাতিল নিয়ে কোনও রকমের কারণ এখনও পর্যন্ত জানানো হয়নি।

    গত ২৯ নভেম্বর কলকাতায় সভা করেন অমিত শাহ

    এর আগে, গত ২৯ নভেম্বর বাংলা সফরে এসেছিলেন অমিত শাহ। সে সময়ে ধর্মতলায় এক বড় জনসভায় বক্তব্য রাখেন শাহ। লোকসভা ভোটের আগে এমনিতেই শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস দুর্নীতি ও সন্ত্রাস ইস্যুতে কোণঠাসা হয়ে রয়েছে। সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বইছে পরিবর্তনের হাওয়া। ঠিক এই আবহে দলীয় কর্মীদের অক্সিজেন দিতে ফের আসার কথা ছিল অমিত শাহের (Amit Shah) । তবে শেষ মুহূর্তে তা বাতিল হল। তবে লোকসভা ভোটের আগে বেশ কয়েকবার তিনি বাংলা সফর করতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • West Bengal BJP: রাজ্যের ‘বঞ্চিত’দের নিয়ে ২৯ নভেম্বর ধর্মতলায় বিজেপির মহাসমাবেশ

    West Bengal BJP: রাজ্যের ‘বঞ্চিত’দের নিয়ে ২৯ নভেম্বর ধর্মতলায় বিজেপির মহাসমাবেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগে গত অগাস্টেই দিল্লিতে একপ্রস্থ নাটক দেখিয়েছিলেন অভিষেক ও তাঁর দলবল। এরপরেই বিজেপি ঘোষণা করে, কেন্দ্রের প্রকল্পে রাজ্যের যাঁরা বঞ্চিত তাঁদের নিয়েই বড়সড় সমাবেশ করা হবে। সেইমতো আগামী ২৯ নভেম্বর শহরে বড়সড় সমাবেশের পরিকল্পনা নিল রাজ্য বিজেপি (West Bengal BJP)। অভিযোগ,কেন্দ্রীয় প্রকল্প থেকে নানাভাবে বঞ্চিত করা হচ্ছে বিরোধীদের। শুধু তাই নয়, শাসকদলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা থাকলেই মেলে আবাস যোজনার ঘর এবং অন্যান্য সুবিধা। সাধারণ মানুষকে পরিষেবা দিতে তৃণমূল নেতারা কাটমানি নেন, এই অভিযোগও দীর্ঘদিনের। এবার এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হবে রাজ্য বিজেপি।

    ২৯ অক্টোবর বসেছিল বিজেপির কোর কমিটির বৈঠক

    গেরুয়া শিবিরের অন্দরের খবর, এ নিয়ে গত ২৯ অক্টোবরের বৈঠকে বসে বিজেপির কোর কমিটি। সেই বৈঠকেই স্থির করা হয় ২৯ নভেম্বর হবে বড়সড় সমাবেশ। জানা গিয়েছে, ২১ জুলাই প্রতিবছর যে জায়গায় তৃণমূল শহিদ দিবস পালন করে সেখানেই বাঁধা হবে মঞ্চ। তার জন্য আগাম কলকাতা পুলিশের কাছে অনুমতিও চেয়েছে গেরুয়া শিবির। তবে কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে এখনও কোন রকমেরই সংকেত দেওয়া হয়নি। অতীতে দেখা গিয়েছে বারংবার রাজ্য বিজেপির ছোটবড় সমাবেশে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে পুলিশ। এক্ষেত্রে হাইকোর্টের নির্দেশে সম্পন্ন করতে হয়েছে সমাবেশ। ২৯ নভেম্বরের সমাবেশে পুলিশ যদি অনুমতি না দেয় সেক্ষেত্রে হাইকোর্টে যাওয়ার রাস্তাও খোলা রাখছে বিজেপি (West Bengal BJP)। এ নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের মত, ‘‘কলকাতায় তৃণমূল নেতারা অনেক সম্পত্তি বৃদ্ধি করলেও ওই জায়গার দলিল বানিয়ে ফেলেছেন বলে তো শুনিনি। তবু দলদাস পুলিশ নানা অজুহাত দেখিয়ে অনুমতি না-দিলে অবাক হওয়ার কিছু নেই। সে ক্ষেত্রে আদালতের দরজা তো খোলাই রয়েছে।’’

    বিজেপির সমাবেশ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে

    গেরুয়া শিবিরের (West Bengal BJP) অন্দরের খবর, যদি কোনওভাবেই ধর্মতলায় ভিক্টোরিয়ার সামনে সমাবেশ করা না যায়, সেক্ষেত্রে তা হবে রানি রাসমণি অ্যাভিনিউয়ে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত হল, ‘‘বছর ঘুরলেই লোকসভা ভোট রয়েছে, অন্যদিকে দুর্নীতি ইস্যুতে তৃণমূল কোনঠাসা। তাদের একের পর এক নেতা-মন্ত্রীরা জেলে যাচ্ছেন। এই আবহে বিজেপির এই সমাবেশ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হতে চলেছে।’’ ২৯ অক্টোবর কোর কমিটির বৈঠকের পর বুধবার বিজেপির সল্টলেকে সেক্টর ফাইভের অফিসে বসে রাজ্য নেতৃত্ব। সমাবেশের পরিকল্পনা ছাড়াও জেলায় জেলায় চলছে প্রস্তুতি বৈঠক। রাজ্য বিজেপির পরিকল্পনা বৈঠকগুলিতে দলের যুব শাখা, মহিলা শাখা থেকে সমস্ত মোর্চা যোগ দিচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC Corruption: এবার তৃণমূল পুর-চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে উদ্ধার ৮০ লক্ষ নগদ! কে এই রাজু সাহানি?

    TMC Corruption: এবার তৃণমূল পুর-চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে উদ্ধার ৮০ লক্ষ নগদ! কে এই রাজু সাহানি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee), কেষ্ট মণ্ডলের (Anubrata Mondal) কাণ্ডের রেশ এখনও কাটেনি। তার মধ্যেই এবার আরেক তৃণমূল নেতার বাড়ি থেক উদ্ধার হল বাণ্ডিল বাণ্ডিল টাকা। ফিরে এল ইডি হানায় অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের (Arpita Mukherjee) বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া কোটি কোটি টাকার স্মৃতি। এই ঘটনায় নতুন চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে গোটা রাজ্যে। 

    ফের প্রকাশ্যে শাসক দলের আরেক কীর্তিমান। শুক্রবার, হালিশহর পুরসভার (Halisahar Municipality) চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল (TMC) নেতা রাজু সাহানির (Raju Sahani) নিউটাউনের ফ্ল্যাটে হানা দেয় সিবিআই। সেখান থেকেই প্রায় নগদ ৮০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেন তদন্তকারীরা। এরপরই রাজু সাহানিকে গ্রেফতার করে সিবিআই (CBI)।

    আরও পড়ুন: মমতার ‘গদ্দার’ কটাক্ষের জবাব দিলেন শুভেন্দু, কী বললেন জানেন?

    কে এই রাজু সাহানি? হালিশহরের এক সময়ের দাপুটে সিপিএম নেতা ছিলেন লক্ষ্মণ সাহানি। ১১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে দু’বার কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। রাজু হলেন সেই লক্ষ্মণ সাহানির ছেলে। কয়েকবছর আগে তিনি তৃণমূলে যোগ দেন লক্ষ্মণ। সেইসঙ্গে দলবদল করেন ছেলেও। স্রেফ প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা নন, তিনি এখন হালিশহর পুরসভার চেয়ারম্যানও। সিবিআই সূত্রের খবর, গত কয়েক দিন ধরে পুরসভার আসছিলেন না রাজু। কলকাতায় নিজের ফ্ল্যাটে কার্যত গা-ঢাকা দিয়েছিলেন। 

    কেন সিবিআই রেডারে চলে আসেন রাজু? সিবিআই সূত্রে খবর, সনমার্গ কো অপারেটিভ চিটফান্ড মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন তৃণমূল পরিচালিত হালিশহর পুরসভার চেয়ারম্যান। রাজু সাহানি দীর্ঘদিন ধরেই ওয়াচ লিস্টে ছিল। অভিযোগ, সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে বর্ধমান সনমার্গ ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন চিটফান্ড থেকে প্রচুর টাকা ‘প্রটেকশন মানি’ হিসাবে নিয়েছেন রাজু সাহানি। মাঝে মাঝেই তার কাছে পৌঁছে যেত মোটা টাকার বাণ্ডিল।

    আরও পড়ুন: প্রকল্প ছিল কেন্দ্রের, রূপ দিয়েছিলেন তপতী গুহ-ঠাকুরতা, দুর্গাপুজোর ইউনেস্কো স্বীকৃতির নেপথ্যে এঁরাই?

    কী মিলেছে তল্লাশি থেকে? শুক্রবার কলকাতার নিউটাউনের ফ্ল্যাট থেকেই রাজুকে গ্রেফতার করেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় নগদ ৮০ লক্ষ টাকা। ধৃতকে নিয়ে আসা হয় হালিশহরে। সেখানকার বাড়ি থেকে কয়েক কোটি টাকা সম্পত্তি ও একটি দেশি পিস্তল পাওয়া যায়। এমনকী তাইল্যাণ্ডের ব্যাংক একাউন্টের হদিশও মিলেছে। দাবি, সেই ব্যাংক একাউন্টে রয়েছে বিপুল পরিমাণ টাকা।
     
    সাম্প্রতিককালে, শাসক দলের একের পর এক নেতার বিরুদ্ধে উঠেছে বিস্তর দুর্নীতির অভিযোগ। পার্থ ও তাঁদের ঘনিষ্ঠদের বাড়ি থেকে বিপুল নগদ থেকে শুরু করে প্রচুর নামী-বেনামী সম্পত্তির হদিশ উঠে এসেছে ইডি-সিবিআইয়ের (ED-CBI) হাতে। পার্থ, অনুব্রত ও তাঁদের ঘনিষ্ঠরা এখন শ্রীঘরে। তাঁদের বিরুদ্ধে চলছে মামলা। তার মধ্যেই শাসক দলের আরেক মূর্তিমানের আবির্ভাব ঘটায় রাজ্য রাজনীতিতে রীতিমতো হইচই পড়ে গিয়েছে। শনিবার রাজুকে আসানসোল সিবিআই আদালতে পেশ করা হলে, তাঁকে পাঁচদিনের সিবিআই হেফাজতে পাঠিয়ে দেন বিচারক। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Suvendu Attacks Abhishek: ‘৮ ব্যাগ সোনা ছিল, একটা আটকেছে কাস্টমস…’, অভিষেককে আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Attacks Abhishek: ‘৮ ব্যাগ সোনা ছিল, একটা আটকেছে কাস্টমস…’, অভিষেককে আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লাকাণ্ডে (Coal Smuggling scam) অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) একহাত নিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুক্রবার খয়রাশোলের (Khairasol) সভা থেকে তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে তুলোধনা করেন। ফের উত্থাপন করেন সোনা পাচারের বিষয়টি।

    ঠিক কী বলেছেন শুভেন্দু? গতকাল অভিষেক দাবি করেছিলেন, ইডি-সিবিআই-কে বিরোধীদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে। এপ্রসঙ্গে জবাব দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। শুক্রবার খয়রাশোলের গোষ্ঠডাঙাল মাঠে সভা ছিল শুভেন্দুর। সভা শেষে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, এখানে প্রতিহিংসা বা রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। যা হচ্ছে, আদালতের নির্দেশে ও নজরদারিতে। শুভেন্দু জানিয়ে দেন, ইডি কারও বিরুদ্ধে এমনি-এমনিই ব্যবস্থা নেয় না। 

    আরও পড়ুন: এবার তৃণমূল পুর-চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে উদ্ধার ৮০ লক্ষ নগদ! কে এই রাজু সাহানি?

    বিরোধী দলনেতার প্রশ্ন, যিনি (অভিষেক) সিজিও কমপ্লেক্সে গিয়ে এত বড় বড় কথা বলছেন, তিনি এটা আগে বলুন যে, রুজিরা নারুলার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কী? প্রত্যেক মাসে তাইল্যান্ড থেকে ভাট (তাইল্যান্ডর টাকা) ব্যাংক ট্রান্সফার হয়েছে। গত লোকসভা নির্বাচনের আগে রুজিরা ও মানেকা গম্ভীর তাঁদের সব অ্যাকাউন্ট বন্ধ করেন। ২৪টা কলকাতা-ব্যাংকক ফ্লাইটের টিকিট রয়েছে। 

    এখানেই থেমে থাকেননি শুভেন্দু। তিনি বলেন, ‘’কলকাতায় আটটা সোনার ব্যাগ নিয়ে আসা হয়েছিল। একটা ধরা পড়ে কাস্টমসের হাতে। সেই সময় বিধাননগর কমিশনারেটের প্রধান ছিলেন জ্ঞানবন্ত সিং (Gyanwant Singh)। তিনি গ্রিন করিডর করে তাঁদের বের করে এনেছিলেন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা জানান, ৮টি সোনা ভর্তি ব্যাগ সব গিয়ে ওঠে কালীঘাট (Kalighat) অঞ্চলের ‘শান্তিনিকেতন’-এ।’

    আরও পড়ুন: মানিকের অপসারণ বহাল, এখনই চাকরি পাবেন না ২৬৯ জন, নির্দেশ হাইকোর্টের

    কয়লা পাচারকাণ্ডে শুক্রবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা সংক্ষেপে ইডির দফতরে সাত ঘণ্টা জেরার মুখোমুখি হওয়ার পর বেরিয়ে এসে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন যে এই মামলায় ফেরার বিনয় মিশ্রর সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর নিয়মিত যোগাযোগ আছে। খয়রাশোল থেকে পাল্টা দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। জানিয়ে দেন, যিনি এধরনের অভিযোগ করছেন, তা প্রমাণ করার দায়ও তাঁরই। নন্দিগ্রামের বিধায়ক বলেন, ‘বিনয় মিশ্রকে যুব ভাইস প্রেসিডেন্ট করেছিলেন অভিষেক। যুব দলের সাধারণ সম্পাদকও করেছিলেন। বিনয় মিশ্রের সঙ্গে ওঁর কী সম্পর্ক, সবাই জানে। আমার ফোন নম্বরও সবাই জানে।’

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

LinkedIn
Share