Tag: TMC INNER CLASH

TMC INNER CLASH

  • Krishnanagar: প্রার্থীর সামনেই সম্মুখসমরে দুই গোষ্ঠী, চাপে মহুয়া

    Krishnanagar: প্রার্থীর সামনেই সম্মুখসমরে দুই গোষ্ঠী, চাপে মহুয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহুয়া মৈত্রর (Mahua moitra) নির্বাচনী প্রচারে ভরদুপুরে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। তৃণমূল নেতা (TMC) জেবের শেখের নামে গো ব্যাক স্লোগান দিল তৃণমূল কর্মীরা। এদিন কৃষ্ণনগর (Krishnanagar) লোকসভা কেন্দ্রের চাপড়া (Chapra)  থানার হাতিশালা (hatishala) জিদা এলাকায় চলছিল মহুয়া মৈত্রের নির্বাচনী প্রচার(Election campaign)। এরপরই তাঁর গাড়িতে দেখা যায় জেবের শেখকে। জেবের শেখ দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল করলেও ২০২১ এর বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের বিরুদ্ধে নির্দল হয়ে লড়াই করেছিলেন। জমানত বাজেয়াপ্ত হওয়া নির্দল (Independent) জেবের শেখকে মহুয়া মৈত্র জেলা সভাপতি হওয়ার পর পুনরায় তৃণমূলে যোগদান করিয়েছিলেন।

    আরও পড়ুন: ‘দলের কোনও দিশা নেই, সনাতন ধর্ম বিরোধী’, ইস্তফা দিলেন কংগ্রেস মুখপাত্র গৌরব বল্লভ

    তৃণমূল কর্মীকে হুমকি মহুয়ার

    এদিন মহুয়া মৈত্রের পাশে তাঁকে দেখতে পেয়েই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে অন্যান্য তৃণমূল নেতৃত্ব। জানা যায়, গাড়ি থেকে জেবের শেখকে নামিয়ে দেওয়া হয়। এরপরেই জেবের শেখের নামে গো ব্যাক স্লোগান দিতে থাকে তারা। যদিও ক্ষুব্ধ কর্মীদের থামাতে দেখা যায় মহুয়া মৈত্রকে। কর্মীদের থামানোর সময় মহুয়াকে ধমক দিতে দেখা যায়। সেই সময়কার ঘটনা ক্যামেরাবন্দী করছিলেন এক তৃণমূল কর্মী। মহুয়া তাঁকে হুমকির সুরে বলেন, “ক্যামেরা বন্ধ কর। ছবি ডিলিট কর। নাহলে আমার কাছে খাবে এক।”

    সাংবাদিকদের  ‘দু-পয়সার’ বলেছিলেন মহুয়া 

    মহুয়া মৈত্রর উগ্র মেজাজের কথা সকলেরই জানা। ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্ন কাণ্ডের তদন্তচলাকীন তদন্তকারীদের মেজাজ হারিয়ে অনেক কথা বলেছিলেন তিনি। পরে দোষী সাব্যবস্ত হয়ে তিনি তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন।  সাংবাদিকদের  ‘দু-পয়সার’ মন্তব্য করে নিন্দা কুড়িয়েছিলেন তিনি। এবার তার এলাকায় গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে নিজেদের দলের নেতাকেই তাড়ানো এবং ধমকের ঘটনায় তৃণমূলের নড়বড়ে সংগঠনের বিষয়টি প্রকাশ্যে চলে এল। যদিও এ বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের আধিকারিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ‘ইউসুফ পাঠানের হয়ে প্রচার করব না’, ফিরহাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাফ জানালেন হুমায়ুন

    Murshidabad: ‘ইউসুফ পাঠানের হয়ে প্রচার করব না’, ফিরহাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাফ জানালেন হুমায়ুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী ইউসুফ পাঠানকে প্রথমদিন থেকে মেনে নিতে পারেননি ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। নির্দল হিসেবে ভোটে দাঁড়ানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তিনি। বিদ্রোহ সামাল দিতেই রাজ্যের মন্ত্রী তথা জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা ফিরহাদ হাকিম তাঁর সঙ্গে বৈঠক করেন। কিন্তু, তাতে বরফ গলেনি। বহরমপুরের প্রার্থী নির্বাচনে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সিলমোহর দিয়েছেন। সেই শীর্ষ নেতৃত্বকে ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়ে হুমায়ুন সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইউসুফের হয়ে তিনি প্রচার করবেন না। মুর্শিদাবাদ জেলা তৃণমূলের পর্যবেক্ষক ফিরহাদ হাকিম বলেন, “বড় সংসারে ছোটখাটো ভুল বোঝাবুঝি থাকে। আলোচনায় সবটা মিটে গেছে। দলের হয়ে সবাই প্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়বে।”

    ফিরহাদের সঙ্গে বৈঠকেও কাটল না জট (Murshidabad)

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) তিনটি লোকসভা আসনে তৃণমূলের সাংগঠনিক প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে সাংগঠনিক নেতৃত্ব, বিধায়ক এবং সাংসদদের নিয়ে একটি বৈঠক করেন ফিরহাদ হাকিম। স্বাভাবিকভাবে তাতে আমন্ত্রিত ছিলেন মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান তথা হরিহরপাড়ার বিধায়ক নিয়ামত শেখ এবং ভরতপুরে বিধায়ক হুমায়ুন। বহরমপুরের প্রার্থী পছন্দ-না হওয়ায় প্রথমে ওই দু’জনই দলের লোকসভা প্রস্তুতি বৈঠকে যোগ দেবেন না বলে জানিয়েছিলেন। ঘটনাক্রমে প্রস্তুতি বৈঠক থেকে মুর্শিদাবাদের তাঁদের নাম না করে হুঁশিয়ারি দেন ফিরহাদ। তিনি বলেন, “যারা এখন বিদ্রোহ করছেন, তাঁরা যেন এটা ভুলে না-যান ২০২৬ সালে তাঁদেরও ভোট আছে।” সাংগঠনিক বৈঠক শেষে দলের জেলা চেয়ারম্যান নিয়ামত শেখ এবং বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে একটি বেসরকারি হোটেলে একান্তে বৈঠকও করেন ফিরহাদ। কিন্তু, সেই বৈঠক শেষেও দেখা গেল নিজেদের অবস্থানে অনড় দুই তৃণমূল বিধায়ক। বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রে দলীয় প্রার্থী হিসাবে প্রাক্তন ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠানকে কোনও ভাবেই তাঁরা মেনে নেবেন না বলে জানিয়ে দিলেন দু’জন।

    আরও পড়ুন: তৃণমূলে মোহভঙ্গ,ভোটের মুখে একঝাঁক ছাত্র-যুব নেতা যোগ দিলেন বিজেপিতে

    কী বললেন বিক্ষুব্ধ বিধায়ক?

    তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন বলেন, “রাগ-অভিমান কারও ওপর করিনি। তাই সেটা ভঞ্জন হওয়ারও কারণ নেই। আমার কাছে অনেক ‘অফার’ রয়েছে। তবে অন্য কোনও দলে আমি যাব না। এই দলেই থাকব এবং এই দলেরই অন্যায় দেখলে, ভুল দেখলে প্রতিবাদ করব। বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থীর হয়ে আমি কখনও প্রচার করব না। অন্য প্রার্থীর হয়ে প্রচার করব, না কি নিজের জন্যই প্রচার করব, সেটা সময় বলবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: ভোটের মুখে তৃণমূলে ভাঙন! দল ছাড়ার হুমকি দিলেন শিলিগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্য়ান

    Siliguri: ভোটের মুখে তৃণমূলে ভাঙন! দল ছাড়ার হুমকি দিলেন শিলিগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্য়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দল বিরোধী কার্যকলাপের জন্য বহিষ্কৃত নেতাকে দলে ফেরানোয় লোকসভা ভোটের আগে শিলিগুড়িতে (Siliguri) তৃণমূলে বিদ্রোহ শুরু হয়েছে। দার্জিলিং জেলা (সমতল) তৃণমূলের প্রথম সভাপতি ও রাজ্যের অন্যতম সাধারণ সম্পাদক প্রতুল চক্রবর্তী দল ছাড়ার হুমকি দিয়েছেন। তৃণমূল পরিচালিত শিলিগুড়ি পুর নিগমের চেয়ারম্যান পদ থেকেও সরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। সব মিলিয়ে লোকসভা নির্বাচনের মুখে শিলিগুড়িতে ভাঙনের মুখে তৃণমূল।

     কেন এই বিদ্রোহ? (Siliguri)

    গত পুরসভা নির্বাচনে টিকিট না পেয়ে ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতুল চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে নির্দল প্রার্থী হয়েছিলেন তৃণমূলের দার্জিলিং জেলা যুব সভাপতি বিকাশ সরকার। দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে নির্দল প্রার্থী হওয়ার জন্য তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। সেই বহিষ্কৃত নেতাকে শুক্রবার সন্ধ্যায় শিলিগুড়িতে (Siliguri) রাজসিক সংবর্ধনা দিয়ে দলে ফিরিয়ে নেওয়ায় তৃণমূলে বিদ্রোহ দেখা দিয়েছে। সরাসরি মুখ খুলেছেন প্রতুল চক্রবর্তী। শুধু প্রতুলবাবুই নন, দলের একটি বড় অংশ বিকাশ সরকারকে ফেরানোয় বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন। তাঁরা তৃণমূল ছাড়ার প্রস্তুতি শুরু করেছেন। প্রতুলবাবু বলেন, বিকাশ সরকারকে দল বহিষ্কার করার পর থেকে বিকাশ সরকার যেভাবে দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দল সম্পর্কে কুৎসা রটিয়েছে, আমাকে শারীরিকভাবে হেনস্থা করেছেন, আমার সম্পর্কে নানা ধরনের অপপ্রচার চালিয়েছেন। বিজেপি ঘনিষ্ঠও হয়েছিলেন। তারপর তাঁকে দলে ফেরানোটা তৃণমূল নেত্রী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সমগ্র তৃণমূলের কাছে অসম্মানজনক। তাঁর সঙ্গে কাজ করতে পারব না। বিকাশ সরকারকে আমি ঘৃনা করি। ও ফিরলে আমি সমস্ত পদ থেকে পদত্যাগের পাশাপাশি দলও ছেড়ে দেব। 

     অভিষেকের নির্দেশে বিকাশ ফের তৃণমূলে!

    বিকাশ সরকারকে দলে ফেরনোর সিদ্ধান্ত নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে বিতর্ক মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। দলের জেলা সভানেত্রীও নেননি। তৃণমূলের মমতা পন্থীদের বক্তব্য, দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে দলনেত্রীকে অসম্মান করার জন্য বিকাশ সরকারকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। সেই নেতাকে দলে ফেরানো কখনই উচিত কাজ হয়নি। এই বিতর্ক সামাল দিতে দার্জিলিং জেলা( সমতল) সভানেত্রী পাপিয়া ঘোষ বলেন, এবার  ময়নাগুড়িতে  এসে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিকাশ সরকারকে দলে নিতে বলেছেন। তাই তাঁকে দলে ফেরানো হয়েছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার মেয়র ও তৃণমূলের রাজ্য নেতা গৌতম দেব বলেন, প্রতুল চক্রবর্তী দার্জিলিং জেলা তৃণমূলের প্রথম সভাপতি। দলের সর্বস্তরের নেতা কর্মীদের কাছে তিনি শ্রদ্ধার আসনে রয়েছেন। তাঁর হাত আমরা ছাড়তে চাই না। তাঁর ভাবাবেগে আঘাত লেগেছে, তাই এই ধরনের কথা বলছেন। আমি তাঁর সঙ্গে আলোচনায় বসবো। অভিমানে দল এবং পুরসভার চেয়ারম্যান পদ না ছাড়ার জন্য অনুরোধ করব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: “দলের কাউন্সিলররা ভোটে আন্তর্ঘাত করবে”, আশঙ্কা মালদার তৃণমূল প্রার্থীর

    Malda: “দলের কাউন্সিলররা ভোটে আন্তর্ঘাত করবে”, আশঙ্কা মালদার তৃণমূল প্রার্থীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটে রাজ্যের সব কেন্দ্রে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে তৃণমূল। অন্যান্য জেলার মতো মালদা (Malda) দক্ষিণ কেন্দ্রে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে চমক দিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। এবার দলীয় কর্মীদের নিয়ে জোটবদ্ধ হয়ে চুটিয়ে জনসংযোগ করার কথা তৃণমূল প্রার্থীর। এই আবহে মালদা দক্ষিণের তৃণমূল প্রার্থী শাহনওয়াজ আলি রাইহান দলের কাউন্সিলর এবং বিধায়কের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। তাঁদের ভূমিকা নিয়ে তিনি প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছেন। আর এই ঘটনায় তৃণমূলের কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী অভিযোগ করেছেন তৃণমূল প্রার্থী? (Malda)

    দক্ষিণ মালদার (Malda) তৃণমূল প্রার্থী শাহনওয়াজ আলি রাইহান বলেন, তৃণমূল কাউন্সিলররাই ভোটের আগে সমর্থন করেন অন্য দলকে। মালদার ইংরেজবাজারের তৃণমূল কাউন্সিলররা দলীয় প্রার্থীকে জেতানোর বিষয়ে কোনও উদ্যোগই গ্রহণ করছে না। বরং, দলের মধ্যেও হয়ে থাকে অন্তর্ঘাত করার চেষ্টা চলছে। এমনকী দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও বিষয়টি নিয়ে অবগত রয়েছেন। তাঁর সঙ্গে এই বিষয়ে কথা হয়েছে। আসলে এই সব কাউন্সিলররা ভোটে দাঁড়ানোর সময় নিজেরা ভোট করিয়ে নেয়। তখন জেতার জন্য মরিয়া চেষ্টা চালান। আর অন্য ভোটে তাঁদের ভূমিকা ঠিক নয়। বিশেষ করে লোকসভা ভোটে দায়সাড়া কাজ করছেন তাঁরা। শুধুমাত্র ইংরেজবাজার পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলররাই নয়, সুজাপুর বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক আবদুল গণির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। ভোটের কাজে বিধায়কের কোনও সাহায্য ঠিকমতো পাচ্ছেন না বলে তৃণমূল প্রার্থীর অভিযোগ। ভোটের মুখে তাঁর এই বক্তব্য ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। সার্বিক বিষয় নিয়ে অভিষেকের কাছে রিপোর্ট পাঠাবেন তৃণমূল প্রার্থী। তাঁর এই বক্তব্য নিয়ে মুখ খুলছেন না কোনও তৃণমূল নেতা। এলাকার কাউন্সিলররাও কেউ কিছু বলতে চাননি। তবে, এই ঘটনায় তৃণমূল বেশ কিছুটা ব্যাকফুটে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: ভোটের আগেই বাড়ির কাছে তৃণমূল কর্মীকে কুপিয়ে খুন, প্রশ্নের মুখে পুলিশ

    Nadia: ভোটের আগেই বাড়ির কাছে তৃণমূল কর্মীকে কুপিয়ে খুন, প্রশ্নের মুখে পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল কর্মীকে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। শুক্রবার রাতে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) থানারপাড়া থানা এলাকার মোক্তারপুর গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম সাইদুল সেখ (৩৭)। তিনি তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত। এই খুনের ঘটনার পিছনে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল রয়েছে কি না তা নিয়ে দলের আন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে। তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই খুন করেছে। শনিবার রাত পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকেই গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, খুনের ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nadia)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নদিয়ার (Nadia) থানারপাড়া থানা এলাকার মোক্তারপুর গ্রামে গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে সাইদুলসাহেব সক্রিয়ভাবে দলীয় প্রার্থীর হয়ে খেটেছিলেন। মিটিং, মিছিলে তিনি নিয়মিত অংশগ্রহণ করতেন। লোকসভা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর হয়ে তিনি দেওয়াল লিখন শুরু করেছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার অন্যান্য দিনের মতোই কাজে গিয়েছিলেন সাইদুল। কিন্তু, নির্দিষ্ট সময়ে বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা তাঁকে ফোন করতে থাকেন। কিন্তু ফোনেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। এরপর শুক্রবার রাতেই পরিবারের সদস্যরা তাঁকে খুঁজতে বের হন। বাড়ির অদূরেই রক্তাক্ত অবস্থায় তৃণমূল কর্মীকে পড়ে থাকতে দেখেন তাঁরা। পরিবারের দাবি, সাইদুলের সারা শরীরে ক্ষত ছিল। রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁকে খুন করা হয়েছে। সাইদুলকে দ্রুত উদ্ধার করে নতিডাঙ্গা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় কংগ্রেস আশ্রীত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে পরিবার। দুষ্কৃতীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। ঘটনার দায় অস্বীকার করেছে কংগ্রেস। কংগ্রেস নেতৃত্বের বক্তব্য, পুরনো কোনও শত্রুতাতেই খুন হয়ে থাকতে পারেন সাইদুল। দলের কোন্দলের কারণে এই ঘটনা ঘটতে পারে। এর সঙ্গে কংগ্রেসের কোনও যোগ নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: ‘হাওড়া স্টেশনে তোলাবাজি করেন তৃণমূল বিধায়ক’, সরব প্রাক্তন কাউন্সিলর

    Howrah: ‘হাওড়া স্টেশনে তোলাবাজি করেন তৃণমূল বিধায়ক’, সরব প্রাক্তন কাউন্সিলর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আগে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে। তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে মুখ খুলতেই হামলার শিকার হলেন তৃণমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলর এবং তাঁর স্বামী। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাওড়ার (Howrah)১৪ নম্বর ওয়ার্ডে ব্যাপক চাঞ্চল্য  ছড়িয়ে পড়েছে। ভোটের মুখে শাসকদলের অন্দরে এই ঘটনায় প্রশ্নের মুখে পড়েছেন তৃণমূল নেতারা।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Howrah)

    হাওড়ার (Howrah) ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন লক্ষ্মী সাহানি। তবে, ভোট না হওয়ায় আপাতত হাওড়া পুরনিগম প্রশাসক চালাচ্ছেন। বুধবার উত্তর হাওড়ার গোলাবাড়ি থানার মাছ বাজার এলাকায় প্রাক্তন কাউন্সিলর লক্ষ্মী সাহানি ও তাঁর স্বামীকে মারধরের অভিযোগ ওঠে স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক গৌতম চৌধুরীর অনুগামীদের বিরুদ্ধে। পাল্টা তৃণমূল কাউন্সিলররা প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। দু’পক্ষের সংঘর্ষে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। প্রকাশ্যে তৃণমূল নেতাদের মধ্যে মারামারি করতে দেখে সাধারণ মানুষ হাসাহাসি করেন।

    আক্রান্ত তৃণমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলর কী বললেন?

    তৃণমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলর লক্ষ্মী সাহানির বক্তব্য, “এখানে অসামাজিক কাজ করে। ১০ বছর ধরে আমি এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। গৌতম চৌধুরী বিধায়ক হওয়ার পর হাওড়া স্টেশন এলাকায় যেতেই পারি না। এলাকায় ক্রমেই বাড়ছে বেআইনি, অসামাজিক কাজকর্ম। ওখানে অন্যায়ভাবে টাকা তোলা হয়। পায়খানা, বাথরুমের পয়সা গৌতম চৌধুরী খান। আজ আমি বলেছি বলে মারতে বলেছে। উত্তর হাওড়ার বিধায়কের ভূমিকাও এ ক্ষেত্রে খতিয়ে দেখা দরকার বলে দাবি করেন তিনি। লক্ষ্মীর স্বামী সন্তোষ সাহানিকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় গোলাবাড়ি থানার পুলিশ।

    তৃণমূল বিধায়ক কী বললেন?

    তৃণমূল বিধায়ক গৌতম চৌধুরী বলেন, আমি কোনও অন্যায়কে মেনে নিই না। প্রাক্তন কাউন্সিলরকে মারধরের ঘটনায় আমরা কেউ জড়িত নই। আমার নাম কেন জড়ালো তা বুঝতে পারছি না। তৃণমূলের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই। আসলে মেয়ে বউয়ের এসব মারামারি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: “ইউসুফ পাঠানের বিরুদ্ধে ভোট করব”, নির্দল প্রার্থী হয়ে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়ে বিস্ফোরক হুমায়ুন

    Murshidabad: “ইউসুফ পাঠানের বিরুদ্ধে ভোট করব”, নির্দল প্রার্থী হয়ে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়ে বিস্ফোরক হুমায়ুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাকপুরে তৃণমূল প্রার্থী পার্থ ভৌমিককে মানতে পারেননি সাংসদ অর্জুন সিং। দলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন অর্জুন। এবার বহরমপুরের তৃণমূলের প্রার্থী তথা প্রাক্তন ক্রিকেটার ইউসুফ পাঠানকে না পসন্দ  মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের। তাঁকে বহিরাগত তকমা দিয়ে নির্দল হিসেবে বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে ভোটে দাঁড়ানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন হুমায়ুন। প্রার্থী নিয়ে অসন্তোষের পাশাপাশি দলীয় নেতৃত্বকে তোপ দাগলেন তিনি। তিনি বলেন, ২০১৬ সালে আমার বিরুদ্ধে তৃণমূলের একটা অংশ চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছিল, যাতে তিনি বিধানসভার টিকিট না পান। তবে দলের শীর্ষ নেতাদের তো অনেক ক্ষমতা। তাই প্রার্থী ঘোষণার আগে কারও সঙ্গে আলোচনার প্রয়োজনই মনে করেনি।

    ইউসুফ পাঠানের বিরুদ্ধে ভোট করব (Murshidabad)

     অর্জুনের মতো মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ বিধায়ক হুমায়ুন কবীর বলেন, “ইউসুফ পাঠানকে প্রার্থী মানতে আমার কোনও আপত্তি ছিল না। কিন্তু রাজ্য নেতৃত্ব যদি আমাদের মতো লোকজনকে একবার বলতেন এটা মানতে হবে, এটা আমাদের সিদ্ধান্ত, অবশ্যই আমি মাথা নত করে মেনে নিতাম।”এরপরই সুর চড়ান হুমায়ুন। তিনি বলেন, “আমি বলছি, বহিরাগত প্রার্থীকে আমি মানছি না। তারজন্য নির্বাচন কমিশন ভোটের দিনক্ষণ জানালে কী করব তা গোটা রাজ্যের মানুষ দেখতে পাবেন। আমি ইউসুফ পাঠানের বিরুদ্ধে ভোট করব। এবার কি তবে দল বদলের পালা হুমায়ুনের? তিনি বলছেন, “আমি কোনও দলে যাব না। আমি নিজেই পার্টি খুলব। নিজেই সেই পার্টির হয়ে লড়ব।”

    আরও পড়ুন: ঘর থেকে সরল মমতার ছবি, মজদুর ভবনে মোদি বন্দনায় অর্জুন

    পদে পদে অপমানিত হয়েছি

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলা নেতৃত্বের দলীয় বৈঠক ছিল। সেখানেই দলের বর্ষীয়ান নেতা তথা হরিহরপাড়ার তৃণমূল বিধায়ক নিয়ামত শেখকে পাশে নিয়ে হুমায়ুন কবীরের বক্তব্য, “আমরা পদে পদে অপমানিত হয়েছি। সময়মতো সেটা বুঝিয়ে দেওয়া হবে। জেলার অনেক বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা বসে গিয়েছেন। নির্দল প্রার্থী হিসেবে আমার ভোটে লড়ার সম্ভাবনা প্রবল। তাতে যে দলীয় নেতৃত্ব কড়া ব্যবস্থা নিতে পারে, তা নিয়ে আদৌ ভাবিত নন হুমায়ুন। সাফ জানালেন, “ওসব নিয়ে ভাবছি না। সব কিছুর জন্য আমি প্রস্তুত।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: অভিষেকের সফরে আসার আগেই কাউন্সিলর সহ তৃণমূলের বহু নেতার ইস্তফা

    Jalpaiguri: অভিষেকের সফরে আসার আগেই কাউন্সিলর সহ তৃণমূলের বহু নেতার ইস্তফা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জেলা সফরে আসার আগেই জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার বেশ কয়েকজন আদি তৃণমূল নেতা পদত্যাগ করলেন। ব্রিগেডে তৃণমূলের প্রার্থী ঘোষণার পরই তৃণমূলের আদি নেতারা পদত্যাগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। জলপাইগুড়ি জেলার নেতৃত্ব ও ময়নাগুড়ি টাউন ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের বেশ কিছু নেতা পদ থেকে ইস্তফা দিলেন। তালিকায় উল্লেখযোগ্যভাবে একজন তৃণমূল কাউন্সিলরও রয়েছেন। এই ঘটনায় তৃণমূলের কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। লোকসভা ভোটের আগে শাসক দলের পুরানো নেতাদের পদত্যাগে জেলাজুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    তৃণমূল কংগ্রেসে একনায়কতন্ত্র চলছে (Jalpaiguri)

    পদত্যাগ করার তালিকায় রয়েছেন, জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সম্পাদক সমীরণ চৌধুরী, ময়নাগুড়ি টাউন ব্লক কমিটির সম্পাদক অপু রাউত, ময়নাগুড়ি পঞ্চায়েত সমিতি সদস্য তথা তৃণমূল কাউন্সিলর অমিতাভ চক্রবর্তী সহ বেশ কয়েকজন পদাধিকারী। এদিন জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সম্পাদক সমীরণ চৌধুরী জেলা নেতৃত্বের ওপর একরাশ ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, ‘তৃণমূল কংগ্রেসে একনায়কতন্ত্র চলছে। দলের জন্মলগ্ন থেকে আমরা পদে আছি। গত পঞ্চায়েত ভোট থেকে লোকসভা ভোেট চলে এল, অথচ এখনও পর্যন্ত আমরা কোনও কর্মসূচিতে ডাক পাচ্ছি না। কোনও সিদ্ধান্ত নিলেও তা আমাদের জানানো হচ্ছে না। এ-ব্যাপারে কথা বলেও কোনও পরিবর্তন হয়নি। তাই পদত্যাগ করছি।’ এই একই অভিযোগ তুলে ময়নাগুড়ি টাউন ব্লক কমিটির সম্পাদক অপু রাউত বলেন, ‘আমরা পদে থেকে কোনও কর্মসূচির খবর বা সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনও খবর পাই না। তাই আমরা পদ থেকে ইস্তফা দিলাম। তবে, যদি আমাদের লোকসভার প্রার্থী ডাকেন, আমরা ভোটের প্রচার করব।’এছাড়াও ময়নাগুড়ি পঞ্চায়েত সমিতি সদস্য তথা অমিতাভ চক্রবর্তীও একই অভিযোগ করেন। সবাই সাধারণ সদস্য বা ভোটার হিসাবে থাকবেন বলেই জানিয়েছেন।

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    অভিষেকের আসার আগেই এই ধরনের ঘটনায় শাসক দলের কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে। এদিকে ময়নাগুড়ি-১ নং ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বের বক্তব্য, কারা পদত্যাগ করেছে তা আমাদের জানা নেই। আর দলে কোনও কোন্দল নেই।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panihati: বিজেপি ভোট চাইতে এলে ঝাঁটা হাতে বিদায় করুন, নিদান তৃণমূল কাউন্সিলরের

    Panihati: বিজেপি ভোট চাইতে এলে ঝাঁটা হাতে বিদায় করুন, নিদান তৃণমূল কাউন্সিলরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি প্রার্থী ও কর্মীরা বাড়িতে ভোট চাইতে এলে ঝাঁটা হাতে বিদায় দেওয়ার নিদান দিলেন পানিহাটি (Panihati) পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর প্রদীপ বড়ুয়া। বিশেষ করে মহিলাদের কাছে তিনি এই আবেদন রাখেন। পানিহাটি তৃণমূল কাউন্সিলরের এই বক্তব্যে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। একজন জনপ্রতিনিধি এভাবে বক্তব্য রাখতে পারেন তা নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল কাউন্সিলর? (Panihati)

     লোকসভা নির্বাচনে ৪২ টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে তৃণমূল কংগ্রেস। তারপর থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রার্থীদের জীবন লিখনের কাজ শুরু করে দেন তৃণমূলের কর্মী সমর্থকেরা। সোমবার সকালে পানিহাটি (Panihati) পুরসভার ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড এইচ বি টাউন এলাকায় দেওয়াল লিখনের কাজ শুরু করা হয়। দেওয়াল লিখনে পুরসভার কাউন্সিলর প্রদীপ বড়ুয়া সহ মহিলা কর্মী সমর্থকেরাও সামিল হন। দেওয়াল লিখনের সেই জায়গায় পানিহাটি পুরসভার ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রদীপ বড়ুয়া বিজেপি প্রার্থী ও কর্মীদের উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, “বিজেপি প্রার্থী ও কর্মীরা বাড়িতে ভোট চাইতে আসলে মহিলারা ঝাঁটা হাতে তাদেরকে বিদায় করুন।” এমনিতেই পানিহাটি পুরসভা এলাকা দলীয় কোন্দলে জর্জরিত। চেয়ারম্যানকে সরানোর জন্য দলের সিংহভাগ কাউন্সিলর জোটবদ্ধ হয়েছেন। নাগরিক পরিষেবা ব্যাহত হয়েছে। স্থানীয় কাউন্সিলরদের কাছে বার বার বলার পরও কোনও কাজ হয়নি। ফলে, তৃণমূলের ওপর তিতি বিরক্ত সাধারণ মানুষ। এখন তৃণমূল কাউন্সিলর এই ধরনের কথা বলে মানুষের আস্থা আদায়ের চেষ্টা করছেন বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    তৃণমূলকে পাল্টা কটাক্ষ করেছে বিজেপি। বিজেপি নেতা জয় সাহা বলেন, মহিলারা ঝাঁটা হাতে নিয়ে কাদের সম্বর্ধনা দেওয়ার জন্য দাঁড়িয়ে আছেন, সেটা পশ্চিমবঙ্গের মানুষ দেখেছেন সন্দেশখালিতে। তৃণমূলকে শুধু একটাই কথা বলব,২০২৪ এর পরে বাড়িতে থাকতে হলে বিজেপিকে সহযোগিতা করা শুরু করুন এখন থেকেই।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: তৃণমূলের যুব নেতাকে এলোপাথাড়ি কোপ, দলীয় কোন্দল প্রকাশ্যে

    Murshidabad: তৃণমূলের যুব নেতাকে এলোপাথাড়ি কোপ, দলীয় কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে ফের রীতিমতো উত্তপ্ত হয়ে উঠল মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রঘুনাথগঞ্জ-২ নম্বর ব্লকের সেকেন্দ্রা এলাকা। বিগত বেশকিছু দিন ধরে সেখানে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বারবার প্রকাশ্যে এসেছে। রবিবার সকাল গড়াতেই ফের দুই পক্ষের মধ্যে বাধে বচসা। শুরু হয় হাতাহাতি। ঘটনাস্থলে রঘুনাথগঞ্জ ব্লক যুব তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি ইশানুল শেখ যেতেই তাঁকে বেধড়ক মারধর করে দলেরই অন্য গোষ্ঠীর লোকজন। হাঁসুয়া দিয়ে কোপানো হয়। এই ঘটনায় এলাকায় চা়ঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৮ই ফেব্রুয়ারি থেকে ১০০ দিনের কাজের টাকা দেওয়ার জন্য সহায়তা কেন্দ্র খোলা হয়েছিল। এদিন তার শেষ দিন। সেখানেই তৃণমূলের দুপক্ষের মধ্যে বচসা বাধে। বিষয়টি জানার পরই যুব তৃণমূলের কার্যকরী সভাপতি ইশানুল শেখ সেখানে যাওয়ার সময় তাঁর ওপর দলের অন্য গোষ্ঠীর লোকজন হামলা চালায়। লাঠি এবং লোহার রড দিয়ে হামলা চালানোর পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়। বর্তমানে তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। রঘুনাথগঞ্জ থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী এলাকা শান্তি আইনশৃঙ্খলা যাতে বিঘ্নিত না হয় তারজন্য এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জঙ্গিপুর এসডিপিও প্রবীর মণ্ডলের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী এলাকায় টহল মারছে। অপরদিকে আহত হন দলের বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর এক কর্মীও। তাঁকে ইতিমধ্যেই উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বর্তমানে বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে ওই এলাকায়।

    তৃণমূলের অ়ঞ্চল সভাপতি কী বললেন?

    তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি মোতাহার হোসেন বলেন, দলের সহায়তা কেন্দ্রে প্রথমদিন থেকে ইশানুল সেখানে ছিলেন। বাড়ি বাড়ি কর্মীদের ডাকেন তিনি। সেই কাজে বাধা দেওয়া হয়। তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে। এই ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share