Tag: TMC minister Moloy Ghatak

TMC minister Moloy Ghatak

  • Moloy Ghatak: কয়লাকাণ্ডে ফের মলয় ঘটককে দিল্লিতে তলব ইডি-র, এবার সঙ্গী লালা-ও

    Moloy Ghatak: কয়লাকাণ্ডে ফের মলয় ঘটককে দিল্লিতে তলব ইডি-র, এবার সঙ্গী লালা-ও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার মামলায় (Coal Smuggling Case) ফের রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককে (Moloy Ghatak) দিল্লিতে ডেকে পাঠাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। জানা গিয়েছে, ২৬ জুন কয়লাকাণ্ডে তাঁকে দিল্লিতে ডাকা হয়েছে। মন্ত্রীর পাশাপাশি দিল্লিতে তলব করা হয়েছে কয়লা পাচারকাণ্ডে অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত অনুপ মাজি ওরফে লালাকেও। তাঁকে ২৯ জুন তলব করা হয়েছে।

     বারবার হাজিরা এড়িয়েছেন রাজ্যের আইন মন্ত্রী!

    এর আগে একাধিকবার দিল্লিতে তলব করা হয়েছিল মন্ত্রীমশাইকে (Moloy Ghatak)। কিন্তু, প্রতিবারই তিনি তা এড়িয়ে গিয়েছেন। চলতি মাসে মলয় ঘটককে দুবার তলব করেছিল ইডি। গত ৫ জুন কয়লা পাচার কাণ্ডে মলয় ঘটককে হাজিরার নোটিশ পাঠিয়েছিল ইডি। তবে সেই ডাকে সাড়া দেননি রাজ্যের আইনমন্ত্রী। ১৯ তারিখ তাঁকে ডাকা হয়েছিল। সেটা তিনি এড়িয়ে যান। সূত্রের খবর, আইনজীবীর চিঠি মারফৎ মলয় জানিয়ে দেন, আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিভিন্ন জেলায় প্রচারে ব্যস্ত থাকায় তিনি তদন্তকারীদের মুখোমুখি হতে পারছেন না। 

    এবার হাজিরা না দিলে কী পদক্ষেপ ইডি-র?

    এমনকি, ইডি যে তাঁকে দিল্লির বদলে কলকাতায় জিজ্ঞাসাবাদ করুক, এই আবেদন নিয়ে এর আগে দিল্লি হাইকোর্টেও আবেদন করেছিলেন মলয় ঘটক (Moloy Ghatak)। যদিও তাঁর আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত। দিল্লি হাইকোর্ট জানিয়ে দেয় যে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দিল্লি সদর দফতরেই হাজিরা দিতে হবে মলয়কে। তবে, কমপক্ষে ১৫ দিন আগে তাঁকে নোটিশ পাঠাতে হবে বলেও জানিয়ে দেয় আদালত। ইডি সূত্রের দাবি, এবারও মলয় ঘটক তদন্তকারী অফিসারের সামনে হাজির না হন এবং এই সমনও এড়িয়ে যান, তাহলে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা রাজ্যের আইন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে পারে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বিষয়টি আদালতের নজরেও আনতে পারে।  সূত্রের দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে এবার কড়া অবস্থান নিতে চলেছে ইডি। 

    মলয়ের দোসর অনুপ মাজি ওরফে লালা

    কয়লা পাচারকাণ্ডে মলয়ের (Moloy Ghatak) পাশাপাশি এই মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত অনুপ মাজি ওরফে লালাকেও এবার দিল্লিতে তলব করেছে ইডি। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, কয়লা পাচার কাণ্ডে সরাসরি জড়িত লালা। এর আগে, অনুপের কলকাতা এবং পুরুলিয়ার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল তদন্তকারী সংস্থা। পাশাপাশি, সিবিআই সূত্রের দাবি, অনুপের কিছু নথি থেকেই তাঁর সঙ্গে মলয়ের যোগাযোগের সূত্র মিলেছে। তার পরেই কয়লা পাচারকাণ্ডে নাম জড়ায় মলয়ের। এর পরই, গত বছরের সেপ্টেম্বরে মলয় ঘটকের আসানসোল ও কলকাতার বাড়িতে হানা দিয়েছিল সিবিআই। মন্ত্রীর কলকাতার ডালহৌসির সরকারি আবাসনেও তাঁকে টানা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁর ফোনও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: কয়লা পাচারকাণ্ডে মলয় ঘনিষ্ঠ আরও এক তৃণমূল নেতাকে তলব ইডির

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Coal Scam: কয়লা-কাণ্ডে ধৃত আরও এক ইসিএল কর্তা! ইডির দফতরে হাজিরা এড়ালেন তৃণমূল মন্ত্রী-বিধায়ক

    Coal Scam: কয়লা-কাণ্ডে ধৃত আরও এক ইসিএল কর্তা! ইডির দফতরে হাজিরা এড়ালেন তৃণমূল মন্ত্রী-বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার কাণ্ডে (Coal Scam) শুক্রবার ইডির কাছে গেলেন না রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটক (Moloy Ghatak) এবং তৃণমূল বিধায়ক সুশান্ত মাহাতো। এদিন দিল্লির সদর দফতরে দু’জনকে তলব করেছিল ইডি (ED)। এ নিয়ে চতুর্থবার ইডির তরফে মলয়কে ডাকা হয়। কিন্তু এদিনও হাজিরা এড়ালেন মন্ত্রী। অন্যদিকে,কয়লা দুর্নীতিতে আবার ইস্টার্ন কোলফিল্ড লিমিটেডের এক প্রাক্তন কর্তাকে গ্রেফতার করে সিবিআই (CBI)। এদিন ইসিএলের প্রাক্তন জেনারেল ম্যানেজার সুভাষ মুখোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে তদন্তকারী অফিসারেরা। আজ, শনিবার তাঁকে আসানসোলের সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে তোলা হয়। তাঁকে ৩ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেয় আসানসোল আদালত। 

    সূত্রের খবর, শুক্রবার সময় পেরিয়ে গেলেও ইডির সদর দফতরে যাননি মন্ত্রী মলয়। এমনকি বাঘমুন্ডির তৃণমূল বিধায়ক সুশান্ত মাহাতোও আসেননি। তবে সুশান্ত তদন্তকারী অফিসারদের ইমেল করে জানিয়েছেন যে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ব্যস্ত থাকায় এদিন যেতে পারেননি তিনি। আরও জানিয়েছেন, প্রয়োজনে কলকাতায় এসে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন অফিসাররা। কিন্তু, হাজিরা এড়ানোর বিষয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসারদের কিছুই জানাননি মলয় ঘটক। ফের মলয়কে নোটিস পাঠাতে পারে ইডি।

    আরও পড়ুন: কোটি কোটি টাকার লেনদেন! ৫ দিনের সিবিআই হেফাজতে ৭ ইসিএল আধিকারিক

    অন্যদিকে শুক্রবার সকালেই কলকাতার নিজাম প্যালেসে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআই নোটিশ দিয়ে ডেকে পাঠায় ইসিএলের প্রাক্তন কর্তা সুভাষ মুখোপাধ্যায়কে। দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদের পরে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মাস তিনেক আগেই তিনি ইসিএলের শাঁকতরিয়ার সদর দফতরের জেনারেল ম্যানেজার পদ থেকে অবসর নেন বলে জানিয়েছেন অভিযুক্তের আইনজীবী উদয়চাঁদ মুখোপাধ্যায়। ২০২০ সালে কয়লা কাণ্ডের মামলায় সুভাষ বাবুর ফ্ল্যাটে সিবিআই তল্লাশি চালিয়ে কিছু কাগজপত্র, আবাসনের দলিল এবং ২৬ টি কিষান বিকাশ পত্র ও বেশ কয়েক লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করেছিল। সম্প্রতি সুভাষ মুখোপাধ্যায় কলকাতার উচ্চ আদালতে ওই জিনিসগুলি ফেরত পাওয়ার আবেদন জানান। আদালত জানিয়েছিল সিবিআই আদালতেই এর আবেদন করতে হবে। সেইমতো গত ৩০ মার্চ আসানসোলের সিবিআই আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী সিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছিলেন বাড়ির দলিল, কিষান বিকাশ পত্র সহ বেশ কিছু কাগজ ফেরত দেওয়ার। যদিও ধৃতের আইনজীবির দাবি টাকা বাদ দিয়ে আদালতের নির্দেশ মতো বাকি সব নথিপত্রই সিবিআই ফেরত দিয়েছে। 

    এদিন সিবিআইয়ের তরফে দাবি করা হয়, সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে কুখ্যাত কয়লা মাফিয়া অনুপ মাঝি ওরফে লালার যোগসূত্র মিলেছে। তাই তাঁকে ফের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠানো হয়। কীভাবে লালা ইসিএলের জমিতে বেআইনিভাবে কয়লা তোলার সুযোগ পেল, তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন করা হয় ইসিএলের প্রাক্তন জিএমকে। কোনও প্রশ্নেরই সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি তিনি। তাই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

     

LinkedIn
Share