Tag: TMC MP Abhishek Banerjee

TMC MP Abhishek Banerjee

  • Abhishek Banerjee: ৬ হাজার পাতার নথি দিয়ে এক-ঘণ্টা পর ইডি দফতর ছাড়লেন অভিষেক

    Abhishek Banerjee: ৬ হাজার পাতার নথি দিয়ে এক-ঘণ্টা পর ইডি দফতর ছাড়লেন অভিষেক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৬ হাজার পাতার নথিপত্র জমা দিয়ে এদিনের মতো এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দফতর ছাড়লেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। এদিন ১১ টা নাগাদ তৃণমূল সাংসদকে সল্ট লেকের সিজিও কমপ্লেক্সে সংস্থার দফতরে হাজির হতে বলা হয়েছিল। তদন্তকারী আধিকারিকের সামনে বেশ কিছু নথি নিয়ে হাজিরা দিতে বলা হয় তাঁকে। সেই মতো, এদিন অভিষেক সকাল ১১টা ৫ মিনিটে হাজির হন ইডি দফতরে। ১২টার কয়েক মিনিট অতিক্রান্ত হওয়ার তিনি ইডি দফতর ছেড়ে বেরিয়ে যান। জানা গিয়েছে, আজ শুধু নথি জমা করেছেন অভিষেক। তাঁকে আজ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি।

    পোশাকে বদল অভিষেকের

    বৃহস্পতিবার অভিষেকের (Abhishek Banerjee) পোশাকে খানিক বদল লক্ষ্য করা গিয়েছে। এতদিন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দফতরে হাজিরা দিতে যাওয়ার সময় অভিষেককে কালো শার্ট বা টিশার্টে দেখা যেত। কিন্তু খানিক ছক ভেঙে এদিন সাদা শার্টেই সিজিও কমপ্লেক্সে ঢোকেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড। নিছকই কি রঙ বদল না তিনি অন্য কিছু বোঝাতে চাইছেন? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে। এদিন সকাল থেকেই বিধাননগর কমিশনারেটের উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকেরা সল্টলেকে সিজিও কমপ্লেক্সের বাইরে ও ভিতরে দুটি নিরাপত্তা বলয় তৈরি করে রেখেছিলেন। সিজিও কমপ্লেক্সে ঢোকা ও বেরনোও নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। বাইরের সমস্ত গাড়ি কমপ্লেক্সের ভিতর থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।

    কবে কবে তলব কেন্দ্রীয় সংস্থার

    প্রসঙ্গত, চলতি বছর মে মাস থেকে এখনও পর্যন্ত ৬ বার অভিষেককে (Abhishek Banerjee) তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ২০ মে, নবজোয়ার যাত্রার মধ্যেই অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়কে ডেকে পাঠায় সিবিআই। তিনি হাজিরা দিয়েছিলেন। এর পর, ১৩ জুন নবজোয়ার যাত্রার মধ্যেই অভিষেককে তলব করেছিল ইডি। সেবার তিনি যাননি। পরে, ১৩ সেপ্টেম্বর ইন্ডি জোটের সমন্বয় বৈঠকের সময় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি। এর পর, ৩ অক্টোবর, দিল্লিতে তৃণমূলের ধর্নার দিন ফের তলব করা হয় অভিষেককে। পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি থাকায় তিনি হাজিরা দেননি। তার পর, ৯ অক্টোবর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফের তলব করে ইডি। সেবারও তিনি হাজিরা দেননি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের অভিষেককে তলব ইডি-র, বৃহস্পতিবারই হাজিরার নির্দেশ

    Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের অভিষেককে তলব ইডি-র, বৃহস্পতিবারই হাজিরার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজো মিটতেই ফের সক্রিয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) নিয়ে ফের একাবর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (ED Summons Abhishek Banerjee)। আগামিকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার, ৯ নভেম্বর, তৃণমূল সাংসদকে সিজিওতে হাজির হতে বলা হয়েছে। এই নিয়ে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দ্বিতীয়বার তলব করল ইডি।

    গতবার তলব সত্ত্বেও জাননি

    ঠিক একমাস আগে, অর্থাৎ, ৯ অক্টোবর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) অভিষেককে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল ইডি (ED Summons Abhishek Banerjee)। একইসঙ্গে, তলব করা হয়েছিল সাংসদ-পত্নী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে, অভিষেকের বাবা-মা যথাক্রমে অমিত বন্দ্যোপাধ্যায় ও লতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সাংসদের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়কে। রুজিরা ও সুমিত হাজিরা দিলেও দেননি অভিষেক কিংবা তাঁর বাবা-মা। উল্টে, ইডি-র নোটিশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে গেলে, হাইকোর্ট অভিষেককে সম্পত্তির নথি জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। সেই মতো, ১০ অক্টোবর সিজিও দফতরে নথি জমা করেন অভিষেক।

    হাজিরা দেবেন কি অভিষেক?

    এর পর পুজোর ছুটি পড়ে যায়। এখন সেই আবহ মিটতেই, নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) নিয়ে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে ইডি। সেই প্রেক্ষিতে, অভিষেককে পাঠানো হয়েছে তলবের নোটিশ (ED Summons Abhishek Banerjee)। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদকে সিজিওতে হাজির হতে বলা হয়েছে। এদিকে তৃণমূল সূত্রে খবর, অভিষেক সময় মতো ওইদিন ইডি দফতরে যাবেন। 

    কবে কবে তলব কেন্দ্রীয় সংস্থার

    প্রসঙ্গত, চলতি বছর মে মাস থেকে এখনও পর্যন্ত ৬ বার অভিষেককে তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ২০ মে, নবজোয়ার যাত্রার মধ্যেই অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়কে ডেকে পাঠায় সিবিআই। তিনি হাজিরা দিয়েছিলেন। এর পর, ১৩ জুন নবজোয়ার যাত্রার মধ্যেই অভিষেককে তলব করেছিল ইডি। সেবার তিনি যাননি। পরে, ১৩ সেপ্টেম্বর ইন্ডি জোটের সমন্বয় বৈঠকের সময় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি। এর পর, ৩ অক্টোবর, দিল্লিতে তৃণমূলের ধর্নার দিন ফের তলব করা হয় অভিষেককে। পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি থাকায় তিনি হাজিরা দেননি। তার পর, ৯ অক্টোবর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফের তলব করে ইডি (ED Summons Abhishek Banerjee)। সেবারও তিনি হাজিরা দেননি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে ইডি দফতরে পৌঁছলেন অভিষেক, শুরু জিজ্ঞাসাবাদ

    Abhishek Banerjee: নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে ইডি দফতরে পৌঁছলেন অভিষেক, শুরু জিজ্ঞাসাবাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ বা ইডি জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার সকাল ১১টা ১২ মিনিট নাগাদ বাড়ি থেকে ইডির দফতরের উদ্দেশে রওনা দেন অভিষেক। ১১টা ৩৪ মিনিট নাগাদ সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছন তিনি। সরাসরি রক্ষাকবচ না মিললেও, ইডি-র তরফ থেকে মিলেছে মৌখিক রক্ষাকবচ। ইডি-র তরফে দেওয়া সেই মৌখিক রক্ষাকবচ অনুযায়ী, তাঁর বিরুদ্ধে এখনই কোনও কড়া ব্যবস্থা নেবে না তদন্তকারী সংস্থা। মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টে এমনই আশ্বাস দিয়েছে ইডি। আর সেই ভরসাতেই আজ, সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) এদিন অভিষেককে তলব করেছিল ইডি। সেই তলবেই তিনি আজ হাজিরা দেন সিজিও কমপ্লেক্সে। 

    ইন্ডি-জোটের প্রথম সমন্বয় বৈঠকে নেই অভিষেক

    এদিনই, দিল্লিতে বসছে বিজেপি-বিরোধী ‘ইন্ডি’ জোটের প্রথম সমন্বয় বৈঠক। ওই কমিটির সদস্য হিসাবে দিন দিল্লিতে বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা ছিল তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee)। কিন্তু, তিনি ওই বৈঠকে থাকতে পারছেন না বলে জোটের বাকি সদস্যদের জানিয়ে দিয়েছেন। অন্তত এমনটাই জানা গিয়েছে তৃণমূল সূত্রে। এদিকে, তাঁর বিরুদ্ধে ইডি যাতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ না করতে পারে, তার জন্য হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিষেক। কিন্তু সেখানেও, ধাক্কা খেতে হয় তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ডকে। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে শুনানি ছিল মামলাটির। আবেদন শোনার পর বিচারপতি জানিয়ে দেন, অভিষেকের এই রক্ষাকবচের কোনও প্রয়োজন নেই। মামলাটি নতুন করে শোনারও কোনও দরকার নেই তাই। বিচারপতি বলেন, ‘‘আইনজীবীর মৌখিক প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে কোনও কড়া পদক্ষেপ করেনি ইডি। তাহলে কেন এই মামলার শেষ মুহূর্তে নতুন শব্দবন্ধ লিখতে যাব?’’

    আরও পড়ুন: কিছু প্রশ্ন রয়েছে, তাই তলব করা হয়েছে অভিষেককে, হাইকোর্টে জানাল ইডি

    অভিষেককে (Abhishek Banerjee) নিয়ে প্রস্তুত ইডি, তৈরি প্রশ্নমালা

    আজ বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ অভিষেক হাজিরা দেন কেন্দ্রীয় এজেন্সির দফতরে। নিয়োগ মামলায়  (Recruitment Scam) তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য প্রস্ততি প্রায় সেরে ফেলেছে তদন্তকারী সংস্থা। ইডি সূত্রে খবর, তদন্তকারী অফিসার-সহ চার জন অফিসার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থাকছেন। এদিন অভিষেকের বয়ানও রেকর্ড করা হবে। এদিন সকাল থেকেই অভিষেকের বাড়ির সামনে বাড়তি নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশের তরফে। বাড়ির সামনে ১০০ মিটারের মধ্যে কাউকে দাঁড়াতে দেওয়া হচ্ছে না। এর আগে, গতকাল সিজিও কমপ্লেক্সের নিরাপত্তা খতিয়ে দেখেন অভিষেকের (Abhishek Banerjee) নিরাপত্তারক্ষীরা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Coal Smuggling: কোলে ২ বছরের ছেলে, ইডি-র তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির রুজিরা

    Coal Smuggling: কোলে ২ বছরের ছেলে, ইডি-র তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির রুজিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লাপাচারকাণ্ডে (Coal smuggling case) তলব পেয়ে শিশুসন্তানকে নিয়েই এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (Enforcement Directorate) সামনে হাজিরা দিলেন রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায় (Rujira Banerjee)। বুধবার,  অভিষেকে-পত্নীকে তলব করেছিল ইডি (ED)। বৃহস্পতিবার সকাল সকাল ১১টা নাগাদ কোলে ২ বছরের শিশুকে নিয়ে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে (CGO Complex) হাজির হলেন তিনি।  

    কয়লাপাচার-কাণ্ডে এর আগে একাধিক বার অভিষেক (Abhishek Banerjee) এবং রুজিরাকে দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। অভিষেক দু’বার হাজিরাও দিয়েছিলেন ইডি দফতরে গিয়ে। কিন্তু রুজিরা যাননি। তিনি জানিয়েছিলেন, তাঁর দু’বছরের পুত্র সন্তানকে কলকাতায় রেখে দিল্লি যাওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। তদন্তকারী অফিসাররা যদি কলকাতায় ডাকেন তাহলে তাঁর হাজিরার মুখোমুখি হতে কোনও অসুবিধা নেই।

    কিন্তু, ইডি তাদের দাবিতে অনড় থাকায় সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন রুজিরা। শীর্ষ আদালত নির্দেশ দেয়, কলকাতায় এসে রুজিরাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে ইডি। সেইমতো, অভিষেক-পত্নীকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে দিল্লি থেকে কলকাতায় এসেছেন ইডি আধিকারিকরা। 

    আরও পড়ুন: কয়লাকাণ্ডে রুজিরাকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের, করা হল কোন প্রশ্ন?

    কিছুদিন আগে, এই কয়লা পাচার কাণ্ড নিয়ে তাঁকে বাড়িতে গিয়ে জেরা করে এসেছিল সিবিআই (CBI)। তখনই এই টাকা লেনদেনের বিষয়টি উঠে আসে। তাই এবার রুজিরাকে জেরা করতে চায় ইডি। সূত্রের খবর, কয়লা পাচার কাণ্ডে বিদেশি লেনদেনের বিষয় নিয়ে তাঁকে জেরা করা হতে পারে। 

    ইডি সূত্রে খবর, কয়লা পাচারকাণ্ডে তদন্তের কেন্দ্রে রয়েছে ব্যাঙ্ককের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। ইডি-র দাবি, কয়লা পাচার কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি (Anup Majhi) ওরফে লালার টাকা বিভিন্ন হাত ঘুরে ব্যাংককের একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে গিয়েছে। সেখানে জমা পড়েছে কয়লা পাচারের টাকা।

    ইডি সূত্রে দাবি, ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তারা জানতে পারে, বিদেশি ব্যাঙ্কে ওই অ্যাকাউন্টের মালিক রুজিরা নরুলা। ইডি-র দাবি, রুজিরা নরুলাই হলেন রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইডি সূত্রে দাবি, প্রাথমিকভাবে ওই অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন রুজিরা।

    আরও পড়ুন: কয়লা, গরুপাচার, এসএসসি দুর্নীতির তদন্তরত অফিসারকে কেন সরিয়ে দিল সিবিআই?

     

  • Jagdeep Dhankhar: অভিষেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন! মুখ্যসচিবকে সময় বেঁধে দিলেন রাজ্যপাল

    Jagdeep Dhankhar: অভিষেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন! মুখ্যসচিবকে সময় বেঁধে দিলেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  বিচারবিভাগকে নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) মন্তব্যের জের। তৃণমূল (TMC) সাংসদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। তিনি মুখ্যসচিবকে কড়া নির্দেশ দিয়ে বলেছেন ৬ জুনের মধ্যে কড়া পদক্ষেপ করতে হবে।

    রাজ্যপাল জানান, ডায়মন্ড হারবারের (Diamond Harbour) সাংসদ বিচার ব্যবস্থা সম্পর্কে যে সমস্ত কথা বলেছেন, তা ছোট করে দেখার বা এড়িয়ে যাওয়ার মতো বিষয় নয়। রাজ্যপাল এদিন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীকে এব্যাপারে একটি চিঠিও দেন। টুইটে সেই চিঠিও রাজ্যপাল অ্যাটাচ করে দিয়েছেন।

    ট্যুইটে জগদীপ ধনকড় লেখেন, ‘ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ বিচারবিভাগের বিরুদ্ধে মন্তব্য করেছেন। এরমধ্যে আছে কুখ্যাত এসএসসি কেলেঙ্কারিও (SSC Recruitment scam), যাকে কোনওভাবেই উপেক্ষা করা যায় না। আপনি যেই হোন, আইন সবার থেকে বড়। এই সাংবিধানিক ধারণার সঙ্গে ওঁর মনোভাব খাপ খায় না।’

    গত শনিবার হলদিয়ার একটি জনসভা থেকে বিচারপতিদের একাংশকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘আমার বলতেও লজ্জা লাগে, বিচারব্যবস্থা একজন–দু’‌জন আছেন যাঁরা ষড়যন্ত্র করে কাজ করছেন। তল্পিবাহক হিসাবে কাজ করছেন। কিছু হলেই সিবিআই করে দিচ্ছেন। খুনের মামলায় স্থগিতাদেশ দিয়ে দিচ্ছেন।’

    রবিবার বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকেই এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। রাজ্যপাল বলেছিলেন, ‘‌এসএসসি মামলায় সিবিআই নির্দেশ দিয়েছেন যে বিচারপতি তাঁকে আক্রমণ করা অত্যন্ত নিন্দনীয় অপরাধ। একজন সাংসদ যাবতীয় সীমা ছাড়িয়ে গেছেন। সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে বেনজিরভাবে আক্রমণ করছেন। মুখ্যসচিবকে বলছি, অবিলম্বে পদক্ষেপ করুন।’‌ 

    তার জবাবে অভিষেকও ট্যুইটও করেন। বলেন, তিনি এক শতাংশ বিচারপতির কথা বলেছিলেন। কারা লাল রেখা অতিক্রম করছেন সেটা সবাই দেখছেন। এরপর সোমবার দার্জিলিং থেকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীকে চিঠি লিখলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।

     

     

  • Abhishek Banerjee: বিতর্ককে সঙ্গী করেই দুবাইয়ে অভিষেক, নজর রাখছে ইডি?

    Abhishek Banerjee: বিতর্ককে সঙ্গী করেই দুবাইয়ে অভিষেক, নজর রাখছে ইডি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিতর্ককে সঙ্গী করেই দুবাই (Dubai) গেলেন তৃণমূল (TMC) সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। চোখের চিকিৎসার জন্য মানবিক কারণে তাঁকে এই সফরের অনুমতি দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta Highcourt)। কিন্তু, পিছু ছাড়ছে না বিতর্ক। মধ্য প্রাচ্যে গিয়ে কোন হোটেলে উঠবেন, সেখানকার ফোন নম্বর থেকে শুরু করে বিমানের টিকিট, সবকিছুই জানাতে হয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকে (Enforcement Directorate)।
       
    ইডির (ED) আশঙ্কা, দুবাই গিয়ে কয়লা পাচার (Coal smuggling case) চক্রের মূল অভিযুক্ত বিনয় মিশ্রের (Vinay Mishra) সঙ্গে দেখা করতে পারেন অভিষেক। তাই এই সফরে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল তারা। যদিও শর্তসাপেক্ষে তাতে ছাড়পত্র দিয়েছে উচ্চ আদালত।

    আরও পড়ুন: শর্ত সাপেক্ষে অভিষেককে দুবাই যাওয়ার অনুমতি হাইকোর্টের

    ১ জুনই দুবাই যাওয়ার কথা ছিল অভিষেকের। সস্ত্রীক যাওয়ার জন্য বিমানের দুটি টিকিটও কাটা হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তাতে আপত্তি জানায় ইডি। তাদের আশঙ্কা ছিল, দেশ থেকে গা ঢাকা দেওয়ার মতলবেই দুবাই যেতে চাইছেন তৃণমূল সাংসদ। তাই সেই সফরে নিষেধাজ্ঞাও জারি হয়। বেআইনি কয়লা পাচার মামলার কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। তাদের যুক্তি ছিল, কেলেঙ্কারির মূল পাণ্ডা বিনয় মিশ্র যেভাবে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে, সেভাবেই গা ঢাকা দিতে পারেন সস্ত্রীক অভিষেক। 

    এব্যাপারে ২০২০ সালের কথা আদালতে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে ইডি। সেবছর ২০ নভেম্বর জেরার জন্য বিনয় মিশ্রকে ডেকে পাঠিয়ে ছিল ইডি। কিন্তু তার আগের দিন ১৯ নভেম্বর দুবাই পালায় বেআইনি কয়লা কেলেঙ্কারি মামলায় প্রধান অভিযুক্ত বিনয়। ইডির আশঙ্কা, এবারও তার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে। কারণ, সূত্র অনুযায়ী তাদের কাছে খবর আছে যে, বিনয় মিশ্র এখন দুবাইয়ে আছে। তার সঙ্গে দেখা করে কয়লা পাচার মামলার সমস্ত নথি নষ্ট করতে পারেন অভিষেক। আর সাক্ষ্য প্রমাণ নষ্টের জন্যই এই সফর। 

    আরও পড়ুন: অভিষেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিন! মুখ্যসচিবকে সময় বেঁধে দিলেন রাজ্যপাল

    ইডির যুক্তি, চোখের চিকিৎসার জন্য দুবাইয়ের খুব একটা সুনাম নেই। এমন জায়গায় চক্ষু পরীক্ষা করাতে যাওয়ার পিছনে আসলে কোন মতলব আছে। ইডির তরফে জানানো হয়, ভারতেই চোখের বহু নামকরা হাসপাতাল আছে। চক্ষু বিশেষজ্ঞরাও আছেন। কিন্তু অভিষেক হঠাৎ দুবাই ছুটছেন কেন? তিনি ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটারও দাখিল করেননি। তাই এর পিছনে কোনও দুরভিসন্ধি কাজ করছে বলে মনে করছে ইডি। 

    যদিও অভিষেকের তরফে আইজীবীরা আদালতে জানান, দুবাইয়ে মুরফিল্ডস আই হসপিটালে (Moorfields Eye Hospital) চিকিৎসা করাবেন তৃণমূল সাংসদ। ২৬ মে তিনি জানতে পারেন, ৩ জুন চেক আপ আছে। তাই ১ জুন বিমানের টিকিট কাটেন। ফেরার টিকিট কাটা হয় ১০ জুন। এনিয়েও অবশ্য বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ওঠে। ১০ দিন ধরে দুবাইয়ে চিকিত্সা, নাকি নেপথ্যে অন্য কিছু, তা নিয়েই চলছে জল্পনা। 

  • Rujira Banerjee: রুজিরা নারুলাকে চেনেন না রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়, কয়লাপাচার তদন্তে গোলকধাঁধায় সিবিআই-ইডি

    Rujira Banerjee: রুজিরা নারুলাকে চেনেন না রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়, কয়লাপাচার তদন্তে গোলকধাঁধায় সিবিআই-ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লাপাচার (Coal smuggling) কাণ্ডের তদন্তে নেমে গোলকধাঁধায় সিবিআই-ইডি (CBI-ED)। কারণ তদন্তকারীদের প্রশ্নমালার মুখোমুখি হয়ে অনেকেরই স্মৃতিবিভ্রম হচ্ছে। অতীতের কিছুই আর মনে করতে পারছেনা তাঁরা। এমন ঘটনা ঘটেছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) পত্নী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Rujira Banerjee) ক্ষেত্রেও। অন্তত সিবিআই-ইডি তদন্তের খোঁজখবর রাখছেন এমন একাংশের দাবি তেমনই।  তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে যাঁরা জানেন তেমনই এক বিশেষ সূত্রের দাবি, রুজিরা নারুলাকে চিনতে পারছেন না রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়! সিবিআই এবং ইডির তদন্তকারীদের সামনে নিজের বক্তব্য জানাতে গিয়ে নাকি এমনই দাবি করেছেন অভিষেক-পত্নী। 

    বিষয়টি কেমন? 
    তদন্তকারী দল সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্যাংককের একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের লেনদেন নিয়েই কয়লা পাচার কাণ্ডে রুজিরার যোগসূত্র মিলেছে। কয়লাপাচারের মূলচক্রী অনুপ মাঝি ওরফে লালার বিভিন্ন ঠিকানায় তল্লাশির সময় তাইল্যান্ডের একটি ব্যাংকের কয়েকটি রসিদ পাওয়া যায়। তার একটিতে দেড় লক্ষ ভাট (তাই মুদ্রা) জমা পড়ার কথা জানা গিয়েছিল। গত বিধানসভা ভোটের আগে বর্তমান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বারুইপুরের এক জনসভায় সেই ব্যাংক রসিদের ছবি সর্বসমক্ষে খিয়েছিলেন। (সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ওই রসিদের ছবি মাধ্যমের কাছেও রয়েছে। তবে তার সত্যাসত্য যাচাই করেনি মাধ্যম। যদিও ব্যাংককের ওই ব্যাংক রসিদটি ভুয়ো এমন দাবিও কখনও করেননি কেউ।) 

    আরও পড়ুন: কোলে ২ বছরের ছেলে, ইডি-র তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির রুজিরা

    রুজিরা নারুলার নামেই সেই অর্থ জমা হয়েছিল বলে শুভেন্দুবাবু দাবি করেছিলেন। তদন্তকারীরা সেই ব্যাংকের যাবতীয় লেনদেন সংগ্রহ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। বিদেশ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের উদ্যোগে সরকারি ভাবে সে সব নথি এখন ইডি-সিবিআইয়ের হাতে এসেছে বলে তদন্তকারীদের একাংশের দাবি। ওই অ্যাকাউন্টটি এখনও রয়েছে নাকি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে তাও জানেন তদন্তকারীরা।

    আর এখান থেকেই রহস্যের শুরু। ইডি এবং সিবিআইয়ের প্রশ্নমালার মুখে রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায় নাকি জানিয়েছেন, তাঁর এমন কোনও অ্যাকাউন্টই নেই। ব্যাংককের ওই বিতর্কিত অ্যাকাউন্টটি কার, তা তিনি জানেন না। তদন্তকারীরা তাঁকে জানান, অ্যাকাউন্টটি রুজিরা নারুলার নামে রয়েছে। তাতে রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, তাঁর নামে ব্যাংককে কোনও অ্যাকাউন্ট নেই।

    আরও পড়ুন: কয়লাকাণ্ডে রুজিরাকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের, করা হল কোন প্রশ্ন?

    তদন্তকারীদের একাংশ জানাচ্ছেন, অভিষেক পত্নীর পাসপোর্ট, ওসিআই কার্ড, ট্রাভেল ডকুমেন্ট থেকে স্পষ্ট রুজিরা নারুলাই হচ্ছেন রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পরেও কেন তদন্তকারীদের প্রশ্নমালার মুখে ব্যাংককের অ্যাকাউন্টের কথা অস্বীকার করছেন রুজিরা? এই গোলকধাঁধার জবাব মিললেই কয়লাকাণ্ডের তদন্ত চূড়ান্ত স্তরে পৌঁছাতে পারে বলে তদন্তের গতি-প্রকৃতি জানা অনেকে জানাচ্ছেন।

     

  • Coal Smuggling: কয়লাকাণ্ডে অভিষেক-পত্নীকে তলব সিবিআইয়ের, আগামীকাল জেরা কলকাতাতেই?

    Coal Smuggling: কয়লাকাণ্ডে অভিষেক-পত্নীকে তলব সিবিআইয়ের, আগামীকাল জেরা কলকাতাতেই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডির (ED) পর এবার সিবিআই (CBI)। দিল্লির পর এবার কলকাতা।

    কয়লা পাচারকাণ্ডে (Coal smuggling scam) তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishekl Banerjee) স্ত্রী রুজিরা (Rujira) বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেরার জন্য নোটিস দিল সিবিআই। মঙ্গলবারই, অর্থাৎ ১৪ জুন তাঁকে কলকাতাতেই জেরা করতে চান তদন্তকারীরা। আগে কয়লা পাচারের বেআইনি অর্থের উপভোক্তা হিসাবে তাঁকে দিল্লিতে কয়েকবার তলব করেছে ইডি। কিন্তু অভিষেক-পত্নী জেরার মুখোমুখি হননি। আদালতে গিয়ে কলকাতার বদলে কেন তাঁকে দিল্লি ডাকা হচ্ছে সেই প্রশ্ন তুলে বিহিত চেয়েছিলেন। এখন কলকাতায় সিবিআইয়ের ডাকে সাড়া দিয়ে তিনি তদন্তে যোগ দেবেন নাকি ফের আদালতের দ্বারস্থ হবেন তা কিছু সময়ের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

    তদন্তকারী সংস্থা সূত্রের খবর, কয়লা পাচারের বেআইনি অর্থ অনেকের কাছেই নিয়মিত পৌঁছেছে। এমনকি বিদেশেও গিয়েছে সেই টাকা। অভিযোগ, ব্যাংককের কোনও একটি অ্যাকাউন্টে মোটা টাকা জমা হয়েছে। সেই টাকা ব্যবহার করে কেনা হয়েছে সোনাও। এসবের সঙ্গে রুজিরার কোনও যোগসূত্র আছে কিনা, সিবিআই তা জানতে চায়।

    আরও পড়ুন: চেকপোস্টে আটকে কয়লা, “ভাইপো ভ্যাটে”র অপেক্ষায়? প্রশ্ন শুভেন্দুর

    তদন্তের মধ্যেই দেশ ছেড়ে যাতে কেউ চলে যেতে না পারেন, সে জন্য এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate) বা ইডি আগেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর বোন মেনকা গম্ভীরের নামে লুক আউট সার্কুলার (Lookout circular) জারি করেছিল। এরপরই চিকিৎসার জন্য দুবাই যেতে চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেন অভিষেক। সেই আবেদন মঞ্জুরও হয়। তদন্তকারীরা জানাচ্ছেন, সস্ত্রীক দুবাই গিয়ে অন্য একটি দেশেও গিয়ে থাকতে পারেন তাঁরা। তবে ইতিমধ্যেই আদালতের নির্দেশ মেনে কলকাতা ফিরে এসেছেন অভিষেক ও রুজিরা। তারপরই রুজিরাকে ১৪ জুন হাজিরা দেওয়ার জন্য চিঠি দিয়েছে সিবিআই। 

    কেন সিবিআই রুজিরাকে জেরা করতে চায়?

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার একাংশ জানাচ্ছে, অনুপ মাজি (Anup Mahji) ওরফে লালার বিভিন্ন ঠিকানায় তল্লাশি চালিয়ে এমন কিছু নথি পাওয়া গিয়েছে যাতে কয়লা পাচারের বেআইনি টাকা কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে পৌঁছেছে বলে সিবিআইয়ের কাছে প্রমাণ এসেছে। তদন্তে গ্রেফতার হওয়া অনেকেই নিজেদের বয়ানেও প্রভাবশালীদের নাম বলেছেন। সেই সূত্রেই রুজিরাকে তলব করা হয়েছে। 

    সিবিআই জেনেছে, রুজিরা নারুলা (বন্দ্যোপাধ্যায়) তাইল্যান্ডের নাগরিক। তবে তাঁর ওভারসিজ সিটিজেন অব ইন্ডিয়া বা ওসিআই (OCI) কার্ড রয়েছে। তিনি কলকাতায় ভোট দেওয়ার অধিকারী নন। তবে কোনও সংস্থা খুলে ব্যবসা করতে পারেন। সে সব তথ্য সত্যি নাকি তিনি ভোটাধিকার থাকা ভারতীয় নাগরিক ইত্যাদি যাচাই করার জন্যই রুজিরাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলে জানাচ্ছেন তদন্তকারীরা। ব্যাংককের যে অ্যাকাউন্টগুলিতে লালার হিসাবরক্ষক টাকা পাঠাতেন তার সঙ্গে রুজিরার কোনও যোগ আছে কি, তাও জানা প্রয়োজন সিবিআইয়ের।
     
    তবে দিল্লির বদলে কলকাতায় আদৌ রুজিরা সিবিআইয়ের সামনে বসতে রাজি হবেন কিনা সেটাই এখন দেখার। না হলে ফের কলকাতা হাইকোর্টে (Kolkata Highcourt) এক দফা আইনি লড়াই চলতে পারে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।

    আরও পড়ুন: অভিষেক-জায়া রুজিরার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি দিল্লির আদালতের

LinkedIn
Share