Tag: TMC murder

TMC murder

  • TMC Conflict: দলীয় কর্মীকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে খুন করলেন তৃণমূল নেতা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    TMC Conflict: দলীয় কর্মীকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে খুন করলেন তৃণমূল নেতা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলীয় এক কর্মীকে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামীর বিরুদ্ধে। বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুরের  সুজালি গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম মজিবুর রহমান (৬০)। তাঁর বাড়ি সুজালি গ্রামে। মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় তৃণমূল নেতা শেখ ফরাজুলসহ বেশ কয়েকজনের নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এই ঘটনায় তৃণমূলের কোন্দল (TMC Conflict) একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (TMC Conflict)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিবাদ চলছিল নিহত ওই তৃণমূল কর্মী মজিবুর রহমানের সঙ্গে পঞ্চায়েত সদস্যা হুসনেরা খাতুনের স্বামী শেখ ফরাজুলের মধ্যে। মজিবুরের নামে কয়েক বিঘা জমি ছিল। ক্ষমতার জোরে সেই জমি জোর করে দখলে রেখেছিলেন ফরাজুল। পরে, মজিবুর সেই জমি নিজের দখলে আনার চেষ্টা করলে বিবাদ (TMC Conflict) শুরু হয়। জানা গিয়েছে, এদিন সকালে ফরাজুল দলবল নিয়ে জমি দখলের চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে মজিবুর একাই তাঁদের বাধা দেন। জমির মধ্যেই তৃণমূল নেতা ফরাজুলের নেতৃত্বে ওই তৃণমূল কর্মীকে প্রকাশ্যে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে খুন করা হয়। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে ইসলামপুর থানার পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ইসলামপুর (North Dinajpur) মহকুমা হাসপাতালের পুলিশ মর্গে পাঠানো হয়। ঘটনার তদন্তে নেমে দুজনকে গ্রেফতার করেছে ইসলামপুর থানার পুলিশ। পাশাপাশি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছে বিরাট পুলিশ বাহিনী।

    আরও পড়ুন: চাকরি ছেড়ে ব্যবসা, এখন ১১০০ কোটি ডলারের মালিক এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    স্থানীয় তৃণমূল নেতা জাহিদুল ইসলাম বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে একটি বিবাদ চলছিল। মজিবুর রহমান একজন সক্রিয় তৃণমূল কর্মী ছিলেন। বুধবার সেই জমি দখলকে কেন্দ্র করে ফের সংঘর্ষ হয়। তাতে মজিবুর রহমানকে খুন করা হয়। আমরা দলগতভাবে এই ধরনের ঘটনা সমর্থন করি না। দ্রুত দোষীদের গ্রেফতার করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ-প্রশাসনকে (North Dinajpur) জানিয়েছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Baguiati: গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে বাগুইআটিতে খুন তৃণমূল কর্মী! পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ, আটক ১৩

    Baguiati: গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে বাগুইআটিতে খুন তৃণমূল কর্মী! পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ, আটক ১৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে তৃণমূল কর্মীকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল দলেরই আরেক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। খাস কলকাতার বাগুইআটির (Baguiati) এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। নিহত তৃণমূল কর্মীর নাম সঞ্জীব দাস। পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে এলাকাবাসী। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। বাগুইআটির অর্জুনপুর এলাকার পশ্চিম পাড়ায় শনিবার রাতে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ঝামেলা শুরু হয় বলে জানা গিয়েছে। ঝামেলার পরে দুপক্ষ একে অপরের দিকে ইট ছুড়তে থাকে। ঘটনাস্থলে আসে বাগুইআটি থানার পুলিশ। পরিস্থিতি সাময়িক নিয়ন্ত্রণে এলেও পুলিশ চলে যেতেই আবার গন্ডগোল শুরু হয় দু’পক্ষের মধ্যে।

    ঘটনার বিবরণ

    অভিযোগ, তৃণমূলেরই এক গোষ্ঠী (Baguiati), অন্য গোষ্ঠী এলাকায় বিদ্যুৎ পরিষেবা বিচ্ছিন্ন করে দেয়। দুপক্ষের ইট বর্ষণের জেরে মাথায় চোট পান সঞ্জীব দাস ওরফে পটলা। আঘাত পেয়ে তিনি রাস্তায় পড়ে যান। এই সময় তাঁর বাকি সঙ্গীরা পালিয়ে যায়। তখনই বিপক্ষ গোষ্ঠীর লোকজনেরা সঞ্জীবকে ঘিরে ধরে ফেলে। তারপরে তাঁকে আহত অবস্থাতে নর্দমায় ফেলে লাথি ঘুসি মারা হয় বলে অভিযোগ। পরিবারের অভিযোগ, সঞ্জীব দাসকে লাঠি দিয়ে আঘাত করে তৃণমূলের অপরগোষ্ঠী। এরপরে রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় দীর্ঘক্ষণ পড়ে থাকেন সঞ্জীব। আহত অবস্থায় পরবর্তীকালে তাঁকে আরজিকর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার গভীর রাতেই হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। সঞ্জীবের মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছতেই ফের উত্তেজনা ছড়ায়। এলাকার (Baguiati) বাসিন্দারা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবিতে শুরু হয় পথ অবরোধ।

    কী বলছেন মৃতের মেয়ে

    মৃতের মেয়ে বলেন, “এর আগে অনেকবার আমার বাবার উপর আক্রমণ করা হয়েছে। একাধিকবার কেস করা হয়েছে। দেবরাজ চক্রবর্তীর কাছে গিয়েছিলাম। তবে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। কিন্তু কেউ সাহায্য করেনি। পুলিশ এল তখন, যখন আমার বাবাটা মরে গেল। পুলিশ অভিযুক্তদের তুলে নিয়ে আসুক। ওদের কঠোর শাস্তি চাই।”  স্থানীয় বাসিন্দাদের আরও অভিযোগ, এলাকায় (Baguiati) তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদ দীর্ঘদিনের। স্থানীয় কাউন্সিলর দেবরাজ চক্রবর্তীকে বারবার জানানো সত্ত্বেও কোনও ব্যবস্থা নেননি তিনি। স্থানীয়দের দাবি, শনিবার রাতেও একাধিকবার দেবরাজ চক্রবর্তীকে ফোন করা হলেও তিনি কোনও উত্তর দেননি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share