Tag: tmc

tmc

  • Dev at Alipurduar: স্কুল বন্ধ করে দেবের ভোটপ্রচার! কমিশনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি বিজেপির

    Dev at Alipurduar: স্কুল বন্ধ করে দেবের ভোটপ্রচার! কমিশনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কদিন বাদেই লোকসভা ভোট (lok sabha vote 2024), শেষ মুহূর্তে কোমর বেঁধে প্রচার চালাচ্ছেন সব দলের প্রার্থীরাই। তবে এই শাসক-বিরোধী দলের ভোটের লড়াইয়ে প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ছে দেশের ভবিষ্যত প্রজন্মের উপর। তৃণমূল প্রার্থী দেব প্রচারে আসবেন তাই সরকারি স্কুল ছুটি! এই রাজ্যের সরকারি স্কুল এখন রাজনীতির প্রভাব থেকে মুক্ত নয়। কয়েকদিন আগে বীরভূমের এক স্কুলেই হয়েছে তৃণমূল মন্ত্রীর রাজনৈতিক সভা। এদিন ফের স্কুলে রাজনৈতিক কর্মসূচির বিষয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ কমিশনে নালিশের হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিজেপি। ঘটনা ঘটেছে উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ারে (Dev at Alipurduar)।

    নিরাপত্তা অজুহাতে স্কুল ছুটি (Dev at Alipurduar)!

    সোমবার আলিপুরদুয়ারে (Aliporeduar) ভোট প্রচারে আসেন এবারের লোকসভা ভোটের ঘাটাল কেন্দ্রের তৃণমূলের তারকা প্রার্থী সাংসদ দীপক অধিকারী ওরফে দেব। আর দেব আসবে বলেই নিরাপত্তা অজুহাতে ছুটি দেওয়া হল স্কুল। অন্তত নোটিশে তাই উল্লেখ করেছে আলিপুরদুয়ারের জটেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়। স্কুলের নোটিশে (school notice) স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, “বিদ্যালয়ের পঞ্চম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর সব ক্লাস চতুর্থ পিরিয়ডের পরে ছুটি হয়ে যাবে, কারণ সাংসদ শ্রী দীপক অধিকারী (Dev at Alipurduar) সোমবার দুপুর ২টো নাগাদ আকাশ পথে হেলিকপ্টারে বিদ্যালয়ের মাঠে অবতরণ করবেন। তাই নিরাপত্তার স্বার্থে স্কুল ছুটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।”

    স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    বিদ্যালয়ে ছুটি দিয়ে রাজনৈতিক প্রচার কতটা যুক্তিযুক্ত সেই প্রসঙ্গে জটেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ের টিচার ইন চার্চ অমিত কুমার দত্ত বলেছেন, “স্কুলের মাঠে হেলিপ্যাড হয়েছে, মাইক বাজছে। ক্লাস করাতে সমস্যা হচ্ছে। তাই ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে আমি কোনও মন্তব্য করব না। যেহেতু আমাদের এখানে ব্যবস্থা হয়েছে, পরিস্থিতির সাপেক্ষে আমাকে সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।” এবার আলিপুরদুয়ারের এই ঘটনায় আবারও বন্ধ হল পঠন-পাঠন। তবে দেব (Dev at Alipurduar) আসবে বলে নিরাপত্তা রক্ষার্থে স্কুল ছুটি দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে। ভোটের (election) জন্য বা ভোট সংক্রান্ত কোনও কাজে কেন বারবার পঠনপাঠনে বাধা হচ্ছে সেই প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যাচ্ছে।

    বিজেপির বক্তব্য

    তবে স্কুলের শিক্ষক মুখে কিছু না বললেও তাঁর উপর যে চাপ রয়েছে সে ব্যাপারে নিশ্চিত করেছে বিজেপি। বিজেপির আলিপুরদুয়ারের (Dev at Alipurduar) প্রার্থী মনোজ টিগ্গা এই এবিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “তৃণমূলের নেতারা শিক্ষার গুরুত্ব বোঝেন না। তাই শিশুদের পড়াশুনা নিয়ে তাঁরা চিন্তিত নন। তাঁরা ভোটের জন্য যা খুশি করতে পারেন। তবে আমরা এই নিয়ে নির্বাচন কমিশনে যাবো।”

    আরও পড়ুনঃ শুরু হয়ে গেল নবরাত্রি উৎসব, জানুন এই মহাব্রতের তাৎপর্য

    তৃণমূলের বক্তব্য

    এদিকে জেলার (Dev at Alipurduar) তৃণমূলের প্রার্থী প্রকাশ চিক বরাইক বলেন, “বিষয়টি আমার জানা নেই। স্কুলে কে হেলিপ্যাড তৈরি করেছে, তা খোঁজ নিয়ে দেখবো।” আলিপুরদুয়ারের তৃণমূল প্রার্থী তথা রাজ্যসভার সদস্য আরও বলেন, “এই কেন্দ্রে বিজপির হার যে নিশ্চিত তা বুঝে গিয়েছেন তাঁরা। সে জন্যই বিষয় নিয়ে বিতর্ক তৈরি করছেন তাঁরা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালি পুলিশ ক্যাম্পে হামলা, আক্রান্ত পুলিশ কর্মী, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Sandeshkhali: সন্দেশখালি পুলিশ ক্যাম্পে হামলা, আক্রান্ত পুলিশ কর্মী, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের খবরের শিরোনামে উঠে এল সন্দেশখালির নাম। এবার সন্দেশখালির (Sandeshkhali) পুলিশ ক্যাম্পে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সোমবার রাতে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে সন্দেশখালির খুলনা গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত শীতুলিয়া পুলিশ ক্যাম্পে। ক্যাম্পের ভিতরে থাকা কনস্টেবল সন্দীপ সাহার ওপরে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। তবে, কী কারণে এই হামলা তা পরিষ্কার নয়। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Sandeshkhali)

    শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়ে গত ৫ জানুয়ারি আক্রান্ত হন ইডি আধিকারিকরা। তৃণমূলের হয়ে কাজ করার অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে এনিয়ে ঝামলো হয়। এবার সেই তৃণমূলের হাতে আক্রান্ত পুলিশ। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাত ১টা নাগাদ সন্দেশখালির (Sandeshkhali) খুলনা গ্রাম পঞ্চায়েতের শীতুলিয়া পুলিশ ক্যাম্পে ঢুকে পড়ে বেশ কয়েকজন তৃণমূল দুষ্কৃতী। এরপর ক্যাম্পের ভিতরে থাকা কনস্টেবল সন্দীপ সাহার ওপরে হামলা চালায় তারা। লাঠি, রড দিয়ে ওই পুলিশকর্মীকে পেটানো হয় বলে অভিযোগ। এমনকী তাঁর মাথায় রড দিয়ে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ। এরপর পুলিশ ক্যাম্প ছেড়ে বেরিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। অন্য পুলিশকর্মীরা সন্দীপ সাহাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে কলকাতায় স্থানান্তর করা হয় তাঁকে। গুরুতর আহত অবস্থায় কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, আহত পুলিশ কর্মীর অবস্থা গুরুতর। তিনি আইসিইউ-তে ভর্তি। তাঁর মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে। যার ফলে অস্ত্রোপচার করা হবে। জানা গিয়েছে, ঘটনার পর পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতারও করেছে। যদিও পরিবারের লোকজনের দাবি, হামলার ঘটনায় তারা কেউ জড়িত নয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের কী বক্তব্য?

    এমনিতেই সন্ধে নামতে জনবিরল হয়ে যায় সন্দেশখালির (Sandeshkhali) শীতুলিয়ার মতো এলাকা। সোমবার রাতেও সেখানে জনমানুষ ছিল না। স্থানীয়রা বাসিন্দারা বলেন, গভীর রাতে পুলিশ ক্যাম্প থেকে চিৎকার চ্যাঁচামেচি শুনতে পাই আমরা। কিন্তু, আমরা ভয়ে কেউ বাড়ি থেকে বের হইনি। সকালে পুলিশকর্মীর আহত হওয়ার ঘটনার বিষয়টি আমরা জানতে পারি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA:  ভূপতিনগরে হামলায় জখম এনআইএ আধিকারিকের স্বাস্থ্য রিপোর্ট চাইল পুলিশ

    NIA: ভূপতিনগরে হামলায় জখম এনআইএ আধিকারিকের স্বাস্থ্য রিপোর্ট চাইল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরে ভূপতিনগরে অভিযানে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন এনআইএ-র আধিকারিক। ভাঙচুর করা হয় তাঁদের গাড়ি। হামলার ঘটনার জের থানা পর্যন্ত গড়িয়েছে। কিন্তু, এখনও পুলিশ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ওপর যারা হামলা করেছিলেন, সেই হামলাকারীদের কী ব্যবস্থা নিয়েছে তা জানা যায়নি। তবে, এনআইএ (NIA) আধিকারিক কতটা জখম হয়েছে তা নিয়ে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত রিপোর্ট চাইল পুলিশ।

    পুলিশের নিরপেক্ষ ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন (NIA)

    এমনিতেই এই হামলার ঘটনা নিয়ে লোকসভার মুখে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জলপাইগুড়ির সভায় এসে এই হামলার জন্য তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করেছেন। এই ঘটনার সঙ্গে সন্দেশখালির ঘটনার তুলনা করে দোষীদের কড়া শাস্তির হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। আর পাল্টা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনার পর হামলাকারীদের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন। এনআইএ কেন গ্রামে তদন্ত করতে গেল তা নিয়ে প্রশ্ন করেছেন তিনি। বিস্ফোরণ কাণ্ডে অভিযুক্তদের ভোটের মুখে কেন গ্রেফতার করা হল তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। স্বাভাবিকভাবে, রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ কর্তা যখন এনআইএ-র (NIA) গতিবিধি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, হামলাকারীদের পাশে থাকার বার্তা দিচ্ছেন। সেখানে পুলিশের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করা অসম্ভব বলে গেরুয়া শিবিরের কর্তারা মনে করছেন। তাই, স্বাস্থ্য রিপোর্ট চেয়ে আদৌ হামলা হয়েছে কি না তা পুলিশ জানার চেষ্টা করছে। এমনটাই মনে করছে বিরোধীরা।

    আরও পড়ুন: নিশীথের সভামঞ্চ ভাঙচুর করে পুড়িয়ে দিল তৃণমূল, সরব বিজেপি

    পুলিশ প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    সন্দেশখালির পর তিন মাসের মধ্যে প্রায় একই ঘটনা ঘটার অভিযোগ উঠেছে ভূপতিনগরে। এনআইএ (NIA) তাদের বিবৃতিতে দাবি করে, শনিবার অভিযানে গিয়ে তাদের এক আধিকারিক অল্প আহত হয়েছেন। গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। অভিযোগ,অভিযুক্তদের গ্রেফতারের জন্য যাতে থানায় যেতে তাঁরা না পারেন, তাই ওই হামলা হয়। এ নিয়ে এনআইএ একটি এফআইআর দায়ের করে ভূপতিনগর থানায়। শনিবারই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে ওই থানায় ফোন আসে। পুলিশ জানায়, তারা তদন্ত শুরু করেছে। এ নিয়ে এনআইএর তরফে কী প্রতিক্রিয়া এসেছে, তা জানা যায়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, “তদন্তের নিয়ম অনুসরণ করেই এই তথ্য চাওয়া হয়েছে। আপাতত এর চেয়ে বেশি কিছু বলা যাবে না।”

    বিস্ফোরণের তদন্তে গ্রামে এনআইএ

    প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে ভূপতিনগরের নাড়ুয়াবিলা গ্রামে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি রাজকুমার মান্নার বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণের অভিযোগ ওঠে। তিন জনের মৃত্যু হয়। আদালতের নির্দেশে ২০২৩ সালে ওই ঘটনার তদন্তভার হাতে নেয় এনআইএ। ঘটনায় অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা বলাই মাইতি ও মনোব্রত জানাকে একাধিক বার নোটিস পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু, বার বারই হাজিরা তাঁরা এড়িয়ে যান। তার পরই শনিবার অভিযান চালায় এনআইএ (NIA)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: নিশীথের সভামঞ্চ ভাঙচুর করে পুড়িয়ে দিল তৃণমূল, সরব বিজেপি

    Cooch Behar: নিশীথের সভামঞ্চ ভাঙচুর করে পুড়িয়ে দিল তৃণমূল, সরব বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগেই কোচবিহারে (Cooch Behar) এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঝড় তুলে দিয়েছেন। এই জেলায় তৃণমূল ছে়ড়ে বিজেপিতে যোগদান পর্ব লেগেই রয়েছে। প্রচারেও অনেকটাই এগিয়ে দলীয় প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক। এমনই দাবি গেরুয়া শিবিরের। এই আবহের মধ্যে এবার কোচবিহারের বিজেপি প্রার্থী তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের সভার আগে মঞ্চ ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভোটের আগে এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Cooch Behar)

    সোমবার কোচবিহারের (Cooch Behar) দিনহাটা-২ ব্লকের কিসামঠ গ্রাম পঞ্চায়েতের খেরবাড়ি হাট এলাকায় বিজেপি প্রার্থী নিশীথের সভার প্রস্তুতি চলছিল। এলাকার উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে ওই সভামঞ্চ তৈরি করা হয়। সোমবার বিকালে সেখানে সভা করার কথা ছিল। মিটিং শুরু হওয়ার আগেই মঞ্চে ভাঙচুর চালিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। পরে, সেখানে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে, বিজেপি নেতৃত্ব সভাস্থলে এসে বিষয়টি জানতে পারেন। পরে, থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পরে, নতুন করে মঞ্চ করে বিজেপি নেতৃত্ব সেখানে সভাও করে।

    আরও পড়ুন: ভোটে মূল প্রতিপক্ষ পুলিশ! নিয়ন্ত্রণের আর্জি শুভেন্দুর, পুলিশ পর্যবেক্ষকের দ্বারস্থ বিজেপি

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক অজয় রায় বলেন,  “আমাদের এলাকায় বহু তৃণমূল কর্মী বিজেপিতে যোগদান করেছে। তাতেই ভয় পেয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের লোকেরা রাতের অন্ধকারে মঞ্চ ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়। এসব করে কোনও লাভ হবে না। মানুষ বিজেপি-র পক্ষে রয়েছে।” তৃণমূলের দিনহাটা-২ ব্লকের ব্লক সভাপতি দীপককুমার ভট্টাচার্য বলেন, “বিজেপির সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। আসলে বিজেপি প্রার্থী বুঝে গিয়েছেন যে, এই নির্বাচনে তিনি হেরে যাচ্ছেন। তাই নিজেদের অনুষ্ঠানের মঞ্চে নিজেরাই আগুন ধরিয়ে দিয়ে তৃণমূলের ঘাড়ে দোষ চাপানোর চেষ্টা করছেন ওঁরা। এ ভাবে মানুষের সহানুভূতি পাওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে, মানুষ সবই জানে। এ সব মিথ্যা অভিযোগ করে কোনও লাভ হবে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ভোটের মুখে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ, প্রকাশ্যে চলল গুলি, গুলিবিদ্ধ ৪

    Murshidabad: ভোটের মুখে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ, প্রকাশ্যে চলল গুলি, গুলিবিদ্ধ ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে জমি নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদ। আর তার জেরেই গ্রামের মধ্যে প্রকাশ্যেই চলল গুলি। ধারালো অস্ত্র নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) খড়গ্রামে সাদল গ্রামে। সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন সমিরুল শেখ এবং মন্তাজ শেখ সহ নামে মোট চারজন। মারামারি করে আহত হলেন আরও সাত জন। জেলা পুলিশ সুপার সূর্যপ্রতাপ যাদব বলেন, জমি সংক্রান্ত বিবাদের জেরেই ওই ঘটনা। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি জমির দখলদারিকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ দিন ধরে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) খড়গ্রাম থানার সাদল গ্রামে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদ চলছিল। সোমবার বিকেলে নদীর চরে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। সেখানে লাটু শেখ, আবুল শেখ, সারুল শেখ এবং কবীর শেখ আগ্নেয়াস্ত্র বার করে শূন্যে গুলি চালাতে শুরু করেন বলে অভিযোগ। এরপরই পাল্টা হামলার চেষ্টা করে তৃণমূলের অন্য পক্ষ। তখন ওই পক্ষের দিকে গুলি ছোড়া হয়। তাতে চার জন জখম হন। পাশাপাশি অস্ত্র নিয়ে একে অপরকে আক্রমণ করা হলে দুই পক্ষের আরও কয়েক জন জখম হন। তাঁদের আরও দাবি, গোলাগুলি থেকে নিজেদের বাঁচাতে দু’জন স্থানীয় মসজিদে আশ্রয় নেন। সেখানেও তাঁদের উপরের আক্রমণ চালানো হয়। পুলিশ পৌঁছে মসজিদের ভিতর থেকে তাঁদের উদ্ধার করেছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের বক্তব্য, জমি সংক্রান্ত বিবাদে এই অশান্তি হয়েছে।। সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। ইতিমধ্যে এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: ভোটে মূল প্রতিপক্ষ পুলিশ! নিয়ন্ত্রণের আর্জি শুভেন্দুর, পুলিশ পর্যবেক্ষকের দ্বারস্থ বিজেপি

     ১৮ রাউন্ড গুলি চলে!

    গুলিবিদ্ধ তৃণমূল কর্মী সামিরুল শেখ বলেন, “স্থানীয় নদী বাঁধে অবৈধ ভাবে মাটি কাটা শুরু করে এলাকার দুষ্কৃতীরা। গ্রামের সবাই মিলে প্রতিরোধ করতে গেলে আমাদের ঘিরে ধরে গুলি চালায়। বাঁশ, লোহার রড ও হাঁসুয়া দিয়ে আক্রমণ করা হয় আমাদের। প্রায় ১৮ রাউন্ড গুলি চালায়। মোট চারজন গুলিবিদ্ধ হয়েছি। বেশ কয়েক জন জখম হয়েছে। আমরা তৃণমূল দল করি, ওরাও তৃণমূলের কর্মী এবং সমর্থক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ranaghat: “জয় শ্রীরাম বলায় পিটিয়ে খুন”, তৃণমূলকে তোপ দাগলেন বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার

    Ranaghat: “জয় শ্রীরাম বলায় পিটিয়ে খুন”, তৃণমূলকে তোপ দাগলেন বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জোরপূর্বক সম্পত্তি হাতিয়ে নিতে এক দম্পতিকে বাড়িতে ঢুকে মারধরের অভিযোগ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। গৃহবধূকে মারধর করে পুড়িয়ে খুন করা হয়। এমনকী তাঁর স্বামীকেও মারধর করা হয়। তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রানাঘাট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে রানাঘাট (Ranaghat) থানার পায়রাডাঙা এলাকায়। ঘটনাস্থলে গিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং প্রশাসনকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Ranaghat)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রানাঘাট (Ranaghat) থানার পায়রাডাঙা এলাকায় বেশ কিছুদিন ধরে এই দম্পতির সঙ্গে প্রতিবেশী বেশ কয়েকজন যুবক ও মহিলার মনোমালিন্য চলছিল। পরে পাড়ার ছেলেদের খেলাকে কেন্দ্র করে আবার গন্ডগোল শুরু হয়। অভিযোগ, রবিবার সন্ধ্যায় অঞ্জলি কর্মকারের বাড়িতে চড়াও হয় অভিযুক্তরা। ওই দলে মহিলারাও ছিল। এরপরই বাড়িতে আগুন ধরিয়ে বাড়ি ভাঙচুর চলে। শুরু হ দম্পতিকে বেধড়ক মার। ঘটনার এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, প্রতিবেশী বলছেন, “প্রথমে ধরে নিয়ে এসে মারে, পালিয়ে গিয়েছিল মহিলাটা। তারপর কাঁথা কম্বল চাপিয়ে গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। আমরা তো দেখিনি দূরে ছিলাম, আমরা কাছে আসতে আসতেই পালিয়ে যায়।” মৃতার স্বামী সুবল কর্মকারকেও পিছ মোড়া করে বেঁধে রাখার অভিযোগ ওঠে। পুলিশ যতক্ষণে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায়, মৃত্যু হয় ওই মহিলার। ঘটনায় গুরুতর জখম ওই মহিলার স্বামী সুবল কর্মকার। বর্তমানে রানাঘাট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। এই ঘটনার তদন্ত শুরু করে ইতিমধ্যেই ওই ঘটনায় যুক্ত তিন জনকে গ্রেফতার করেছে রানাঘাট পুলিশ।

    “জয় শ্রীরাম” বলায় হামলা

    এই ঘটনায় এদিন হাসপাতালে দেখা করতে যান রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার। তিনি বলেন, আক্রান্ত বিজেপি কর্মী সুবল সরকার ভিক্ষাবৃত্তি করে সংসার চালান। তিনি কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন। “জয় শ্রীরাম” বলাতে তার ওপর এই ধরনের দুষ্কৃতী হামলা। পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাঁর স্ত্রীকে মেরে ফেলা হয়েছে। যারা এই নির্মম অত্যাচার চালালো প্রত্যেকেই তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতী। অভিযুক্তদের  বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, পুলিশ প্রশাসন যদি অভিযুক্তদের কঠোরতম শাস্তি না দেয় তাহলে বৃহত্তম আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: রানিমাকে দেখতে উপচে পড়ল ভিড়, চুটিয়ে জনসংযোগ সারলেন বিজেপি প্রার্থী অমৃতা রায়

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    বিজেপি-র অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে জেলা পরিষদের সদস্য তথা ওই অঞ্চলের তৃণমূল নেতা দীপক বসু বলেন, ওই পরিবার বিজেপির সঙ্গে যুক্ত নয়, ভোটের আগে জগন্নাথ সরকার সস্তার রাজনীতি করছে। মস্তিষ্ক বিকৃত না হলে এই ধরনের মন্তব্য একজন প্রার্থী করতে পারে না। ওই পরিবারের স্বামী স্ত্রী দুজনেই মানসিক ভারসাম্যহীন, আর যে “জয় শ্রীরাম” স্লোগান নিয়ে অভিযোগ তোলা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ। পুলিশ গতকাল রাতেই কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে। ঘটনার মূল কারণ জানতে তদন্ত করছে পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bhupatinagar: ভূপতিনগরকাণ্ডে এনআইএ-র ওপর আক্রমণে গ্রেফতারি নেই, চাপে পড়েই কি পুলিশ অফিসার বদল?

    Bhupatinagar: ভূপতিনগরকাণ্ডে এনআইএ-র ওপর আক্রমণে গ্রেফতারি নেই, চাপে পড়েই কি পুলিশ অফিসার বদল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সংবাদ শিরোনামে ভূপতিনগর বিস্ফোরণকাণ্ড (Bhupatinagar)। সম্প্রতি এই এলাকায় বিস্ফোরণকাণ্ডকে কেন্দ্র করে তুঙ্গে কেন্দ্র-রাজ্য তরজা। আর এরই মধ্যেই ঘটনায় তদন্তকারী অফিসারকে (investigating officer ) বদল করা হল। ভূপতিনগরের সার্কেল ইন্সপেক্টর শ্যামল চক্রবর্তীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এই মামলার তদন্তভার। প্রথমে এই মামলায় থানার এক সাব ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার আধিকারিক দায়িত্বে ছিলেন। কিন্তু তাঁকে বদল করে এবার ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার আধিকারিকের হাতে দায়িত্ব দেওয়া হল। কিন্তু কেন এই বদল? এনআইএ -র ওপর আক্রমণে গ্রেফতারি নেই, চাপে পড়েই কি পুলিশ অফিসার বদল? এই ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    গ্রেফতার তৃণমূল নেতা

    প্রসঙ্গত, দেড় বছরের পুরনো এই বিস্ফোরণের মামলায় (Bhupatinagar blast incident) এনআইএ (NIA) অভিযান চালায় এবং দুই তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করলে তা নিয়ে তুলকালাম বাধে রাজ্য রাজনীতিতে। রাজ্যের সীমা ছাড়িয়ে সেই প্রভাব পড়ে দিল্লিতে। ইতিমধ্যে দায়ের হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে মামলা, নির্বাচন কমিশনেও জমা পড়েছে অভিযোগ। গত শনিবার বলাইচরণ মাইতি এবং মনোব্রত জানা নামে দু’জন অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করেছিল এনআইএ (NIA)। তবে এই অভিযুক্তদের গাড়িতে তুলে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাওয়ার সময় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার গাড়ি ঘিরে ধরে দুষ্কৃতীরা। এরপর তারা অভিযুক্তদের গাড়ি থেকে নামিয়ে দেওয়ার দাবি করতে থাকে। এর পরেই এনআইএ-র ওপর হামলা চালিয়ে গাড়ির কাচ ভেঙে দেওয়া হয়। এতে এক এনআইএ আধিকারিক আহত হন। কিন্তু ঘটনার দুদিন পরেও হামলার ঘটনায় পুলিশ কাউকেই গ্রেফতার করেনি। তাই প্রশাসন চাপে পড়ে এনআইএ-র তল্লাশি অভিযান সংক্রান্ত দুটি মামলায় তদন্তকারী অফিসার (investigating officer) বদল করেছে। নতুন তদন্তকারী অফিসার শ্যামল চক্রবর্তী এই হামলা সংক্রান্ত মামলা দুটির তদন্ত করবেন বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ সন্দেশখালির ছায়া বীরভূমে, বউ সুন্দরী না হলে মিলবে না প্রকল্পের সুবিধা!

    এনআইএকে চিঠি পুলিশের

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিক আহত হয়েছিলেন, তাঁর মেডিক্যাল রিপোর্ট (medical report) চেয়ে পাঠিয়েছে ভূপতিনগর থানার পুলিশ। হামলার ফলে এনআইএ এবং গ্রেফতার হওয়া তৃণমূল নেতার বাড়ির লোকেরা একে অন্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেছেন। আবার আক্রান্ত এনআইএ আধিকারিকদের বিরুদ্ধেই শ্লীলতাহানির অভিযোগ দায়ের করেছে রাজ্য পুলিশ (state police)। যদিও এই অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তবে জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এনআইএ-এর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে, তা নোটিশ (notice) আকারে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: রানিমাকে দেখতে উপচে পড়ল ভিড়, চুটিয়ে জনসংযোগ সারলেন বিজেপি প্রার্থী অমৃতা রায়

    Nadia: রানিমাকে দেখতে উপচে পড়ল ভিড়, চুটিয়ে জনসংযোগ সারলেন বিজেপি প্রার্থী অমৃতা রায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার (Nadia) তেহট্টে রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের প্রতিষ্ঠিত মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করলেন কৃষ্ণনগর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অমৃতা রায়। উপস্থিত ছিলেন বিজেপির কৃষ্ণনগর উত্তর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি অর্জুন বিশ্বাস। এলাকায় চুটিয়ে প্রচার করেন তিনি। রানিমাকে দেখতে এলাকায় ভিড়ও হয় প্রচুর।

    রানিমা-র সামনে এসে হাতজোড় করে প্রণাম করলেন অনেকেই (Nadia)

    এদিন নদিয়ার (Nadia) তেহট্টের হাউলিয়া মোড়ের সবজি আড়ৎ থেকে শুরু করে একাধিক বাজারে জনসংযোগ যাত্রা করেন অমৃতা রায়। মূলত বাজারের ক্রেতা বিক্রেতারদের সঙ্গে তিনি জনসংযোগ সারেন। রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের নদিয়া জেলার ওপর যে অবদান রয়েছে সেই অবদান তিনি তুলে ধরেন। পাশাপাশি রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প চুরি করার যে প্রবণতা সেই সম্পর্কে তিনি বলেন, কেন্দ্র সরকারের প্রকল্প চুরি করে নিজেদের নামে চালাচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে তিনি বলেন, রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের এই তেহট্টের অনেক অবদান রয়েছে। এখানে একটি পুরানো মন্দিরও প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি। তেহট্টে সেই মন্দির এখন অনেকটাই জাগ্রত। এলাকায় জনসংযোগ করার সময় রানিমাকে সামনে পেয়ে অনেকে হাতজোড় করে প্রণাম জানিয়েছেন। তেহট্টবাসীর ভালোবাসা পেয়ে আপ্লুত হয়েছেন রানিমা।

    আরও পড়ুন: “এই ধরনের রিপোর্ট লেখার সাহস ওসি পেলেন কী করে?”, ভূপতিনগরকাণ্ডে প্রশ্ন আদালতের

    বিজেপির জয় নিশ্চিত

    বিজেপি প্রার্থী অমৃতা রায় বলেন, অন্যান্য এলাকার পাশাপাশি তেহট্টের (Nadia) মানুষের সঙ্গে কথা বলে সাহস অনেকটাই বাড়ল। তার কারণ আমাকে প্রচার করতে দেখে সকলেই উৎসাহের সঙ্গে এসে আমাকে আশীর্বাদ করছেন। তেহটের মানুষের উৎসাহ দেখে বোঝা যাচ্ছে এবার বিজেপির জয় নিশ্চিত। তিনি আরও বলেন, গত পাঁচ বছরে তেহট্ট এলাকায় কোনও কাজ করেনি প্রাক্তন সাংসদ মহুয়া মৈত্র। এখানে গ্রামের রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে অনেক কাজ বাকি রয়েছে। এখানকার ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি, বিভিন্ন বাজারেও বেশ কিছু উন্নয়ন করার প্রয়োজন রয়েছে। আমি সকলকে কথা দিয়েছি, আগামী পাঁচ বছর তাঁদের দাবি মতো প্রতিটি কাজ আমি করার চেষ্টা করব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: সন্দেশখালির ছায়া বীরভূমে, বউ সুন্দরী না হলে মিলবে না প্রকল্পের সুবিধা!

    Birbhum: সন্দেশখালির ছায়া বীরভূমে, বউ সুন্দরী না হলে মিলবে না প্রকল্পের সুবিধা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন আরেকটা সন্দেশখালি (Sandeshkhali)! এবার বীরভূমে (Birbhum) বউ সুন্দরী না হলে রাজ্য সরকারের প্রকল্প (Govt Schemes) থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ তুললেন গ্রামবাসীরা। তাই নির্বাচনী প্রচারে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন বীরভূমের তৃণমূল প্রার্থী (TMC Candidate) শতাব্দী রায় (Satabdi Ray)। তিনবারের এই তৃণমূল সাংসদের গাড়ি থামিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয় জনতা। কোথাও পানীয় জল নেই, কোথাও রাস্তা খারাপ, আবার কোথাও তৃণমূল না করায় মেলেনি বাড়িও। ভোটের আগে ফের আরেকবার তোপের মুখে শতাব্দী।

    বীরভূমের কোথায় তোপের মুখে শতাব্দী (Birbhum)?

    কেন বিক্ষোভ করছেন? জিজ্ঞেস করায় গ্রামবাসীদের যা অভিযোগ, তা শুনলে যে কোনও সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের রক্ত মাথায় উঠে যাবে। “বউ সুন্দরী হলে তবেই মিলবে সরকারি প্রকল্পের টাকা।” শতাব্দীকে সামনে পেয়ে এমনই অভিযোগ করলেন মোহাম্মদ বাজার (Birbhum) ব্লকের লাউজোড়া গ্রামের বাসিন্দারা। জানা গিয়েছে, এদিন এই এলাকায় প্রচারে এসেছিলেন বীরভূমের তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ শতাব্দী রায়। সাংসদকে হাতের নাগালে পেয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ ওঠে। সেই সঙ্গে এলাকার এক মহিলা বলেন, “যাঁদের বউ দেখতে ভালো তাঁরা সরকারি টাকা পাচ্ছে। আর যাঁদের বউ দেখতে ভালো নয়, তাঁদের সরকারি টাকা দেওয়া হচ্ছে না।” গ্রামবাসীদের এই ভয়ঙ্কর অভিযোগ শুনে শতাব্দী রায়ের মুখের চিত্রটা বদলে যায়। এমনকী স্থানীয় অপর আরেক মহিলা অভিযোগ করে বলেন, “সাংসদকে ভোটের পর আর দেখা যায় না। তাই আগে প্রকল্পের সুবিধা, তারপর ভোট।”

    কী বললেন শতাব্দী?

    বীরভূমে (Birbhum) নির্বাচনী প্রচারে বিক্ষোভের মুখে পড়ে শতাব্দী রায় বলেন, “যদি কেউ বলে ভোট দেব টাকা নেব, তাহলে এই মন্তব্যের আমি কী আর বলব? কয়েকজন গ্রামবাসী কোনও প্রকল্প পায়নি শুনেছি। স্থানীয় পঞ্চায়েত থেকে সেগুলো যাতে তাঁরা পান তার ব্যবস্থা করব।” অভিযোগ আরও উঠেছে যারা তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত তারাই টাকা পাচ্ছে। অথচ সাধারণ মানুষ যারা কোনও দলের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয় তারা সুবিধা পাচ্ছে না। অনেকে আবার তৃণমূলে যোগ না দেওয়ায় কেন্দ্র সরকারের প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ঘরবাড়ি ও পায়নি বলে অভিযোগও উঠছে।

    আরও পড়ুনঃ ভূপতিনগরকাণ্ডে এনআইএ-র ওপর আক্রমণে গ্রেফতারি নেই, চাপে পড়েই কি পুলিশ অফিসার বদল?

     

    বিজেপি প্রতিক্রিয়া

    সম্প্রতি সন্দেশখালিতে মহিলাদের উপর নির্যাতনের অভিযোগে সারা দেশে রাজনৈতিক ঝড় উঠেছিল। শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের অভিযোগ ছিল প্রচুর। এছাড়াও রাত্রিবেলা পিঠে বানানোর নামে মহিলাদের তুলে নিয়ে রাতভর চলত তৃণমূল পার্টি অফিসে যৌন নির্যাতন। শাহজাহানেরা চাষের জমিতে নোনা জল ঢুকিয়ে ভেড়ি বানিয়ে করত জমি দখল। সেই পথেই কি তাহলে বীরভূম পা বাড়িয়েছে? শাসক দলের তৃণমূল নেতাদের আচরণ ঘিরে মানুষের যা অভিযোগ, তাতে এই প্রশ্ন এখন ঘোরাফেরা করছে সর্বত্র। তৃণমূল সন্দেশখালি ইস্যুতে আগে থেকেই কোণঠাসা। তবে নির্বাচনের প্রাক্কালে শাসক দলের নেতার চোখে চোখ রেখে অভিযোগ তুলে ধরার ঘটনা খুবই বিরল। তৃণমূলের বিরুদ্ধে ওঠা এই মারাত্মক অভিযোগ নিয়ে সরব হয়েছে বিজেপি। বিজেপি সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, “বাংলার প্রতিটি কোণে কোণে এরকম সন্দেশখালি তৈরি হয়েছে। তার মধ্যে বীরভূম (Birbhum) জেলাও রয়েছে। মানুষের এখন দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে। তাই এখন তাঁরা আর ভয় পাচ্ছেন না। নির্বাচনে তৃণমূলকে মানুষ বয়কট করবেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • HC On Bhupatinagar: “এই ধরনের রিপোর্ট লেখার সাহস ওসি পেলেন কী করে?”, ভূপতিনগরকাণ্ডে প্রশ্ন আদালতের

    HC On Bhupatinagar: “এই ধরনের রিপোর্ট লেখার সাহস ওসি পেলেন কী করে?”, ভূপতিনগরকাণ্ডে প্রশ্ন আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “এই ধরনের রিপোর্ট লেখার সাহস ওসি পেলেন কী করে?” পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগর থানার ওসিকে এই ভাষায়ই প্রশ্ন করলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত (HC On Bhupatinagar)। সোমবার বিচারপতি সেনগুপ্তের সিঙ্গল বেঞ্চে চলছিল ভূপতিনগরকাণ্ড মামলার শুনানি। সেখানে ‘আদালতের রক্ষাকবচের ফলে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করতে পারে অভিযুক্তরা’, এই মর্মে রিপোর্ট দেওয়া হয় ভূপতিনগর থানার তরফে।

    ক্ষুব্ধ বিচারপতির প্রশ্ন (HC On Bhupatinagar)

    র পরেই ক্ষুব্ধ বিচারপতি সেনগুপ্ত প্রশ্ন করেন, “ওসিকে বলতে হবে আদালতের রক্ষাকবচের ফলে কবে, কোথায় বানচাল হয়েছে নির্বাচন?” আগামী চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে ওসিকে এই রিপোর্টের ব্যাখ্যা দিতে হবে বলেও নির্দেশ দেয় আদালত। এর পরেই ওসির সাহস নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি সেনগুপ্ত। ভূপতিনগর থানার (HC On Bhupatinagar) ওসিকে সশরীরে হাজিরার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। আগামিকাল মঙ্গলবার ফের হবে এই মামলার শুনানি। এদিন পর্যন্ত মামলাকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশ কোনও কড়া আইনি পদক্ষেপ করতে পারবে না বলেও মৌখিক নির্দেশ দেন বিচারপতি সেনগুপ্ত।

    বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা!

    তপন মিদ্দে নামে বিজেপির এক স্থানীয় নেতার বিরুদ্ধে গত তিন বছরে ২৬টি ফৌজদারি মামলা দায়ের করেছে ভূপতিনগর থানার পুলিশ। এর মধ্যে ১৫টিতে ইতিমধ্যেই দাখিল করা হয়েছে চার্জশিট। মামলাকারীর দাবি, তাঁর নামে কোনও এফআইআর নেই। কোন কোন মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে, তা নিয়ে আদালতের নির্দেশে এদিন রিপোর্ট দেওয়া হয় ভূপতিনগর থানার তরফে। প্রসঙ্গত, ভূপতিনগর বিস্ফোরণকাণ্ডে সব মিলিয়ে মোট ২০ জন বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে পুলিশ মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে, এই অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সংশ্লিষ্ট বিজেপি নেতারা।

    আরও পড়ুুন: ভারতের জাতীয় পতাকাকে অপমান মলদ্বীপের সাসপেন্ডেড মন্ত্রীর!

    প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ২ ডিসেম্বর ভূপতিনগরের এক তৃণমূল নেতার বাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের অভিঘাতে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তৃণমূলের এক নেতা ও তাঁর ভাই-সহ মোট তিনজনের। একজনের ছিন্নভিন্ন দেহ উদ্ধার হয়। তবে তাঁর পরিচয় জানা যায়নি। বিরোধীদের অভিযোগ, ঘটনায় আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে রয়েছে তৃণমূলের নাম। সেদিক থেকে দৃষ্টি ঘোরাতেই বিজেপি কর্মীদের নামে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে (HC On Bhupatinagar) পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share