Tag: tmc

tmc

  • Indi Alliance: লোকসভায় কংগ্রেসের সঙ্গে কোনও জোট নয়, মমতার মন্তব্যে ইন্ডি জোটের দফারফা

    Indi Alliance: লোকসভায় কংগ্রেসের সঙ্গে কোনও জোট নয়, মমতার মন্তব্যে ইন্ডি জোটের দফারফা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্ডি জোট (Indi Alliance) গঠন করে বিজেপি-র বিরুদ্ধে লড়াই করার স্বপ্ন দেখছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। সেই জোট এখনও ফলপ্রসূ হয়নি। তবে, গুয়াহাটিতে রাহুলের বক্তব্যের পরে বাংলায় কংগ্রেস-তৃণমূল জোট নিয়ে খানিকটা ‘ইতিবাচক’ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল বলে রাজনৈতিক মহল মনে করেছিল। কিন্তু, বুধবার মমতার বক্তব্যের পরে স্পষ্ট যে, পশ্চিমবঙ্গে কোনও জোট বা আসন সমঝোতা হচ্ছে না। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনেই প্রার্থী দিতে চলেছে তৃণমূল।

    তৃণমূলের সঙ্গে জোট নিয়ে রাহুল ঠিক কী বলেছিলেন? (Indi Alliance)

    মঙ্গলবার গুয়াহাটিতে রাহুল বলেছিলেন, তৃণমূলের সঙ্গে আসন বোঝাপড়ার প্রক্রিয়া রয়েছে, তা চলছে। তার ফলাফল আসবে। ওই বিষয়ে আমি এখানে কোনও মন্তব্য করব না। মমতাজির সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত ও দলের সম্পর্ক খুবই ভালো। তবে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমাদের কেউ কিছু বলে দেন। ওঁদের কেউ কিছু বলেন। এটা অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু, এতে আসন বোঝাপড়ায় কোনও বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।

    রাজ্যে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট নিয়ে কী বললেন মমতা?

    দুদিন আগে পার্ক সার্কাসের মঞ্চ থেকে মমতা ইন্ডি জোটের (Indi Alliance) সমালোচনা করেছিলেন। কংগ্রেসের নাম না করে বলেছিলেন, “আমি বলেছিলাম, যে রাজ্যে, যে আঞ্চলিক দল শক্তিশালী, তারা সেই রাজ্যে লড়ুক। আর আপনারা ৩০০ আসনে একা লড়াই করুন। আমরা সাহায্য করব। বাকি আসনে আমরা লড়়াই করব। তারা বলছে, তাদের মর্জিমতো হবে।” বুধবার বর্ধমানে প্রশাসনিক বৈঠকে যাওয়ার আগে মমতাকে ওই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে দৃশ্যতই ক্ষুব্ধ মমতা জানিয়ে দেন, বাংলায় কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। তিনি বলেন, “আমার কারও সঙ্গে কোনও কথা হয়নি। আমার প্রস্তাব প্রথম দিনেই প্রত্যাখ্যান করেছে! আমার সঙ্গে কারও কোনও আলোচনা হয়নি। অ্যাবসলিউটলি মিথ্যা কথা!” তিনি আরও বলেন, “এই যে আমাদের রাজ্যে আসছে, আমাকে তো একবারও বলেনি!” মমতা বলতে চেয়েছেন রাহুলের ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা’র কথা। অসম থেকে রাহুল তাঁর যাত্রা নিয়ে বৃহস্পতিবারেই কোচবিহার দিয়ে বাংলায় প্রবেশ করবেন। তার এক দিন আগে মমতার কথায় স্পষ্ট যে, ইন্ডিয়া’র শরিক হিসেবে তৃণমূল ওই যাত্রায় অংশ নেবে না। দুদিন আগে মুর্শিদাবাদ জেলায় সব আসনে লড়াই করার জন্য দলীয় নেতাদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। আর অধীর চৌধুরীকে তিনি গুরুত্ব দিতে নারাজ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ED: ‘রণসজ্জায়’ সজ্জিত ইডি শাহজাহানের বাড়িতে ঢুকল তালা ভেঙে, উধাও ‘তৃণমূলের বীরপুঙ্গবরা’

    ED: ‘রণসজ্জায়’ সজ্জিত ইডি শাহজাহানের বাড়িতে ঢুকল তালা ভেঙে, উধাও ‘তৃণমূলের বীরপুঙ্গবরা’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯ দিন পর বুধবার ফের সন্দেশখালির বেতাজ বাদশার ডেরায় হানা দিল ইডি (ED)। তাঁর বাড়ির ভিতরে তল্লাশি চালিয়ে কী উদ্ধার হয় তা নিয়ে রাজ্যবাসীর নজর ছিল। এদিন শাহজাহানের বাড়িতে হানার সময় রাজ্য পুলিশের পাশাপাশ রাজ্য পুলিশের বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত র‍্যাফকে দেখা গিয়েছে। তাঁরা হেলমেট পরিহিত। হাতে লাঠি বা আধুনিক অস্ত্র। শাহজাহানের বাড়ির ফটকে দাঁড়িয়ে রয়েছেন রাজ্য পুলিশের জওয়ানরা। সঙ্গে রয়েছেন সিআরপিএফ জওয়ানরাও। এবার ‘রণসজ্জায়’ সজ্জিত হয়ে তৃণমূল নেতার ঘরের তালা ভেঙে ঢোকেন ইডি আধিকারিকরা। তারপর একের পর এক ঘরে ঢুকে চলে তল্লাশি। নামিয়ে আনা হয় সুটকেস। ভাঙা হয়েছে আলমারির তালা।

    তল্লাশি চালিয়ে কী মিলল? (ED)

    বুধবার সাতসকালে শাহজাহানের বাড়িতে যান ইডির (ED) ছয় আধিকারিক। তাঁদের মধ্যে দু’জন অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর পদমর্যাদার অফিসার রয়েছেন। এ ছাড়া এক জন আছেন শুধুমাত্র ছবি তোলার জন্য। তাঁরা একের পর এক ঘরে যান। সমস্ত ঘরে তল্লাশি চালান। আসবাবপত্র ঘাঁটতে ঘাঁটতে পৌঁছে যান রান্নাঘরেও। ঘরের ভিতরে থাকা আলমারির তালা ভাঙা হয়েছে। সুটকেস নামিয়ে খোলা হয়েছে। কিন্তু, রান্নাঘরের সিঙ্ক থেকে বাসনকোসন আর আলমারি এবং সুটকেস থেকে জামাকাপড় ছাড়া কিচ্ছু মেলেনি।

    নিরাপত্তায় মোড়া গোটা এলাকা, বন্ধ শাহজাহান মার্কেট

    ১৯ দিন আগে ইডি (ED) হানার সময় সন্দেশখালির শাহজাহানের বাড়ির সঙ্গে বুধবারের তাঁর বাড়ি ও আশপাশের পরিবেশের চেহারা একেবারেই আলাদা। এদিন সন্দেশখালিতে শেখ শাহজাহানের বাড়িতে ইডির অভিযান চালানোর সময় বাড়ির সামনে নেই কোনও জনতার ভিড়়। তৃণমূল নেতার নামাঙ্কিত শাহজাহান মার্কেটের একটি দোকানও খোলেনি। বাজারে দেখা গেল সুনসান ছবি। আদালতের নির্দেশে তৃণমূল নেতার বাড়ির সঙ্গে সঙ্গে সন্দেশখালির বাজারেও সিসি ক্যামেরা বসিয়েছিল পুলিশ। সাধারণ মানুষের আনাগোনাও একেবারেই হাতেগোনা। সমস্ত এলাকা দখল নিয়েছে রাজ্য পুলিশ এবং সিআরপিএফ। শাহজাহানের বাড়ি থেকে বড় রাস্তায় যাওয়ার জন্য রয়েছে এক চিলতে রাস্তা। সেই ১০০ মিটার রাস্তাও পুরোপুরি মোড়া খাকি, জলপাই পোশাক পরিহিত দীর্ঘদেহীদের দিয়ে। বড় রাস্তার দখলও পুরোপুরি নিরাপত্তাবাহিনীর হাতে। জায়গায় জায়গায় তাঁরা দাঁড়িয়ে রয়েছেন। সকাল থেকে শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে সেরকম গুরুত্বপূর্ণ কিছু পাননি ইডি আধিকারিকরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালির সেই তৃণমূল নেতার বাড়িতে ইডির হানা, শাহজাহান কোথায়?

    Sandeshkhali: সন্দেশখালির সেই তৃণমূল নেতার বাড়িতে ইডির হানা, শাহজাহান কোথায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাকভোরে তৃণমূল নেতার বাড়িতে হানা ইডির। বুধবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর শতাধিক জওয়ানকে নিয়ে সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) যান ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা। সেখানকার তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বাড়ির তালা ভেঙে ঢুকে পড়েন তদন্তকারীরা। এর আগের দিন ইডির তদন্তে বাধা দিয়েছিল যারা, তৃণমূলের সেই বীরপুঙ্গবরা এদিন যেন উধাও হয়ে গিয়েছে কর্পূরের মতো। ইডি কর্তারা নির্বিঘ্নেই তল্লাশি চালাচ্ছেন শাহজাহানের বাড়িতে। সন্দেশখালিকাণ্ডের পর থেকে অবশ্য গা ঢাকা দিয়েছেন তৃণমূলের এই নেতা। দলীয় নেতৃত্বই তাঁকে পালক চাপা দিয়ে রেখেছেন, নাকি পগার পেরিয়ে বাংলাদেশে গিয়ে জনতার ভিড়ে মিশে গিয়েছেন, তা জানা যায়নি।

    ইডির ওপর হামলা

    রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিকাণ্ডের তদন্তে গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) শাহজাহানের বাড়িতে যান ইডির তদন্তকারীরা। শাহজাহানের মোবাইলের টাওয়ার জানান দিচ্ছিল তৃণমূলের এই নেতা ছিলেন বাড়িতেই। যদিও দরজার তালা না খোলায় ঘরে ঢুকতে পারেননি ইডির আধিকারিকরা। এই সময় তৃণমূল আশ্রিত কিছু দুষ্কৃতী (এরা শাহজাহানের অনুগামী বলে এলাকায় পরিচিত) হামলা চালায় ইডির ওপর। দুষ্কৃতীদের ছোড়া ইটের ঘায়ে ইডির দুই কর্তার পাশাপাশি জখম হন কেন্দ্রীয় বাহিনীর দুই জওয়ানও। আধিকারিকদের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হয় ল্যাপটপ, মোবাইল, নগদ টাকা।

    আটঘাট বেঁধে তদন্তে ইডি

    সেই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে এদিন ২৫টি গাড়িতে করে ১২৫ জনেরও বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান নিয়ে ইডির আধিকারিকরা পৌঁছান শাহজাহানের বাড়িতে। হেলমেট, হাতে গার্ড নিয়ে পজিশন নিয়ে নেন জওয়ানরা। এদিনও যথারীতি শাহজাহানের বাড়ির তালা খুলতে অস্বীকার করেন বাড়িতে থাকা একজন। পরে তালা ভেঙেই তৃণমূল নেতার বাড়িতে ঢোকেন তদন্তকারীরা।

    আরও পড়ুুন: “নেতাজির চিন্তার সঙ্গে আমাদের ভাবনার কোনও পার্থক্য নেই”, সাফ জানালেন ভাগবত

    এবার আটঘাট বেঁধেই শাহজাহানের বাড়িতে হানা দিয়েছে ইডি। ইডির তরফে নিয়ে আসা হয়েছে তিনজন সাক্ষী। সাক্ষী হিসেবে রাখা হয়েছে স্থানীয় দুজনকেও। এই পাঁচ সাক্ষীর উপস্থিতিতেই চলছে তল্লাশি। তল্লাশির পুরো পর্বটি ভিডিওগ্রাফি করে (Sandeshkhali) রাখছেন ইডির নিয়ে আসা ভিডিওগ্রাফাররা।  

    প্রসঙ্গত, রেশন বণ্টন কেলেঙ্কারিতে ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা উত্তর ২৪ পরগনার তৃণমূল নেতা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। গ্রেফতার করা হয়েছে বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্যকেও। তৃণমূল নেতা শাহজাহান এই দুজনেরই অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। তাই তাঁর বাড়িতে তল্লাশি করতে যায় ইডি। তখনই হামলা হয় ইডির ওপর। ইডি পিছু হঠলে, প্রায় বুদবুদের মতো মিলিয়ে যান তৃণমূলের শাহজাহান। এখনও পর্যন্ত টিকি পর্যন্ত দেখা যায়নি তাঁর।   

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: সংখ্যালঘু ভোটে থাবা বসাল বিজেপি, অগ্নিমিত্রার হাত ধরে হল যোগদান

    Asansol: সংখ্যালঘু ভোটে থাবা বসাল বিজেপি, অগ্নিমিত্রার হাত ধরে হল যোগদান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আগে আসানসোলে (Asansol) সংখ্যালঘু ভোটে থাবা বসাল বিজেপি। তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে যোগদান কর্মসূচিতে নানাভাবে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। শত বাধার পরও বিজেপির যোগদান কর্মসূচিতে শতাধিক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ যোগদান করেন।

    বিজেপি বিধায়ক কী বললেন? (Asansol)

    মঙ্গলবার আসানসোল (Asansol) পুরনিগমের ২৮ নং ওয়ার্ড জাহাঙ্গীর মহল্লায় বিজেপির পক্ষ থেকে যোগদানের অনুষ্ঠান করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে প্রায় শতাধিক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পলের হাত ধরে বিজেপিতে যোগদান করেছে। বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল বলেন, আসানসোল রেল পাড়ে নেতাজির জন্মদিনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে কয়েকশো সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের যোগদান করার কথা ছিল। বিষয়টি জানতে পেরে সোমবার রাত থেকে তাদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। বিজেপিতে যোগদান করলে তাদের সবরকম সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে এবং তাদের পরিবারের ওপর অত্যাচার করা হবে বলে তৃণমূলের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। কিন্তু, এখানকার জনগণ দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল কংগ্রেসের দ্বারা বঞ্চিত হওয়ার কারণে তারা বিজেপিতে যোগদান করেছে। আসলে তৃণমূল কংগ্রেস এবং পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে  সভা করতে বাধা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, শত প্রতিকুলতার মধ্যে সভা করে শতাধিক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ বিজেপিতে যোগদান করেছে। যা দেখে শাসক দলের নেতাকর্মীরা হতবাক হয়ে গিয়েছেন।

    আরও বহু সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ বিজেপি যোগ দেবেন!

    আসলাম নামে এক যোগদানকারী বলেন, সোমবার রাত থেকে আমাদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। বিজেপির অনুষ্ঠান যাতে না করা হয় ডেকোরেটরদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। ভয়ে কেউ মঞ্চ তৈরি করার সাহস দেখায়নি। কিন্তু, আমরা পথসভার মাধ্যমেই যোগদান করেছি। শাসক দলের বাধা না থাকলে এই এলাকার বহু মানুষ বিজেপিতে যোগদান করেন। তবে, বাধা দেওয়া হলেও আগামীদিনে আরও বহু কর্মী বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “রামাতঙ্কে ভুগছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়”, তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “রামাতঙ্কে ভুগছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়”, তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “প্রভু রামের জন্মস্থান দখল করতে ১ দিনে ১ লক্ষ হিন্দুকে হত্যা করেছে মোঘল সম্রাট বাবর। রামাতঙ্কে ভুগছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।”এমন ভাবেই কটাক্ষ করে আক্রমণ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দী গ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। মঙ্গলবার নন্দীগ্রাম ২ ব্লকের নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর জন্মদিনে যোগদান করে রাজ্যের তৃণমূলনেত্রীকে তোপ দাগলেন।

    ঠিক কী বলেলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    নিজের বিধানসভা ক্ষেত্র নন্দীগ্রাম থেকে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা দেখতে দেখতে চেয়েছিলেন এই রাজ্যের সনাতন ধর্মের ধর্মপ্রাণ হিন্দুরা। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে হিন্দুরা নিজের নিজের পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে সাক্ষী হয়ে থাকতে চেয়েছিলেন। আর তাই কেন্দ্রের মোদি সরকারের তরফ থেকে বেলা হয় ২টো ৩০ মিনিটের পর যেন অফিস বা দফতরে যান। উল্লেখ্য এই দিন তো ইতিহাসে বার বার আসবে না। ৩ লক্ষ রাম ভক্ত হিন্দু প্রাণ দিয়েছেন রাম মন্দিরের আন্দোলনে। একদিনে মুসলমান শাসক বাবর ১ লক্ষ হিন্দুকে কেটেছেন, রামের জন্মস্থান দখল করার জন্য। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রামাতঙ্করোগে ভুগছেন। তাই তিনি ছুটি না দিয়ে বাংলার হিন্দুদের মন্দিরের গর্ভগৃহে রামলালার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠার মাহেন্দ্রক্ষণের সাক্ষী থাকতে দেননি। সবটাই চক্রান্ত।”

    নেতাজি সম্পর্কে কী বললেন?

    মমতা বারবার অভিযোগ করেন নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুকে কেন্দ্র সরকার ভুলে গিয়েছে। আর এই কথাকে লক্ষ্য করে মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “নেতাজিকে সব থেকে বেশি সম্মান যদি কেউ করে থাকেন তাহলে করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশের জাতীয় রাজধানী দিল্লির প্রাণ কেন্দ্র ইন্ডিয়া গেটের কাছে কর্তব্য পথে বসানো হয়েছে নেতাজির মূর্তি। একই ভাবে কংগ্রেস সরকার যা করেনি বিজেপি সরকার নেতাজির সম্পর্কে ভারত সরকারের গোপন তথ্য প্রকাশ্যে এনেছে।”

    সংহতি যাত্রা নিয়ে কী বললেন?

    রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে পালটা মমতার সংহতি যাত্রার পার্কসার্কাসের ভাষণকে সমালোচনা করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “গতকাল মমতা হিন্দুদের কাফের বলেছেন, মুসলমানরা সহ্য করছেন কীভাবে? বলছেন আল্লহর কসম! আল্লাহকে রাস্তায় নামিয়ে এনেছেন। উনি সব পারেন। নন্দী গ্রামের মানুষ চিনেছে। কলকাতার মানুষ এবার ভালো করে চিনুক।” তিনি মমতাকে চোর সম্বোধন করে আরও বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারকে চোর বানিয়ে দিয়েছে সাধারণ মানুষ। এখন শুধু জেলে যাওয়া টাই বাকি। চোর মমতাকে আমরা জেলে দেখতে চাই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: বিজেপি নেতাকে ‘রাজনৈতিক সমাধি’ দেওয়ার হুমকি দিলেন তৃণমূল নেতা

    North 24 Parganas: বিজেপি নেতাকে ‘রাজনৈতিক সমাধি’ দেওয়ার হুমকি দিলেন তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সভা থেকে বিজেপি নেতাকে হুঁশিয়ারি দেওয়ার অভিযোগ উঠল। সোমবার উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বনগাঁয় সংহতি মিছিল করে তৃণমূল। পরে সভা হয়। সেই সভা থেকে তৃণমূলের দুই নেতা প্রকাশ্যে বিজেপির বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি দেবদাস মণ্ডলকে হুঁশিয়ারি দেন।

    কী হুমকি দিলেন তৃণমূল নেতারা? (North 24 Parganas)

    উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বনগাঁয় দলীয় সভা থেকে যুব তৃণমূল নেতা পাপাই রাহার বিজেপি নেতাকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এপ্রিল মাসের পর পাপ্পুকে (দেবদাস) রাজনৈতিক সমাধি দিয়ে দেব। পাপ্পুকে আর দেখা যাবে না। পাশাপাশি একটি ফ্ল্যাটের ছবি দেখিয়ে দাবি করেন, সেটি দিল্লিতে দেবদাসের ফ্ল্যাট। দাম পাঁচ কোটি। সেই টাকা দেবদাস কোথায় পেয়েছেন, সেই প্রশ্নও তোলেন। যুব তৃণমূল নেতার অভিযোগ, বাম আমলে মতিগঞ্জে দেবদাসকে কেউ হিসসা না দিয়ে জমি-বাড়ি কিনতে পারতেন না। একই কর্মসূচিতে দলের বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস বিজেপি নেতাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, যত দূর হাত যায়, চুলকান। আগামী দিনে কোনও অঘটন ঘটলে তৃণমূল দায়ী থাকবে না। তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের নেতা নারায়ণ ঘোষও দেবদাসের বিরুদ্ধে দুর্নীতির একই অভিযোগ তোলেন।

    বিজেপি নেতা কী বললেন?

    বিজেপি নেতা দেবদাস মণ্ডল বলেন, ক্লাবের সদস্যদের সঙ্গে কথা বললেই পরিষ্কার হয়ে যাবে আমি জমি-বাড়ি লুট করেছিলাম কি না! তৃণমূল নেতা শঙ্কর আঢ্যর সঙ্গে আমার যে ছবি দেখানো হয়েছে, সেখানে নারায়ণের ছবিও ছিল। সেটা বাদ দিয়েছে। ২০১৫ সালে আমরা একসঙ্গে অমরনাথ গিয়েছিলাম। এ দিন বনগাঁ শহরে একই জায়গা থেকে আলাদা সময়ে তৃণমূলের দু’টি আলাদা মিছিল বের হয়। একটির নেতৃত্ব দেন জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ। অন্যটির পুরপ্রধান গোপাল শেঠ। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন ছড়িয়েছে। দেবদাসের অভিযোগ, দু’টি মিছিল থেকে পরিষ্কার, এখানে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল কোন পর্যায়ে গিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: শ্যামও রাখলেন, কুলও রাখলেন! তৃণমূল বিধায়কের এক হাতে দলের, অন্য হাতে রামের পতাকা

    TMC: শ্যামও রাখলেন, কুলও রাখলেন! তৃণমূল বিধায়কের এক হাতে দলের, অন্য হাতে রামের পতাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। এই স্লোগান কে সামনে রেখে এক হাতে দলীয় পতাকা আর অপর হাতে ধর্মীয় (রামের) পতাকা নিয়ে রায়গঞ্জে সংহতি যাত্রা করলেন তৃণমূল (TMC) বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    বিধায়কের এক হাতে দলীয় পতাকা, অন্যহাতে রামের পতাকা! (TMC)

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নির্দেশ মেনে সংহতি যাত্রা করেন তৃণমূল (TMC) বিধায়ক। পাশাপাশি অযোধ্যায় রাম মন্দিরের প্রতিষ্ঠা দিবসও পালন করলেন তাঁরা। যদিও রায়গঞ্জের বিধায়কের  “এক হাতে দলীয় পতাকা তো অন্যহাতে ধর্মীয়(রামের) পতাকা” নিয়ে রায়গঞ্জে সংহতি যাত্রাকে মেনে নিতে পারছেন না জেলা তৃণমূল কংগ্রেসও। পাল্টা রায়গঞ্জ শহর তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে সংহতি যাত্রা করা হয় রায়গঞ্জের রাজপথে। অপরদিকে, বিধায়কের এই যাত্রাকে তাদের শুভ বোধোদয় বলে মন্তব্য করেছেন রায়গঞ্জের বিজেপি সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী। বিধায়কের এই যাত্রাকে নিয়ে তৈরি হয়েছে জোর বিতর্ক।

    শহর তৃণমূল এবং বিধায়কের উদ্যোগে পৃথক দুটি সংহতি মিছিল

    রামমন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মতো সারা রাজ্যের পাশাপাশি রায়গঞ্জেও তৃণমূলের নেতৃত্বে সংহতি মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।  তবে, বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী ও শহর তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) নেতৃত্ব দুটি পৃথক মিছিলের আয়োজন করে। তবে, বিধায়কের মিছিল রায়গঞ্জের সুভাষগঞ্জ এলাকার ভিএনসি মোড় থেকে শুরু হয়ে রায়গঞ্জ এনএস রোডে অবস্থিত বিধায়কের দফতরে এসে শেষ হয়। এই মিছিলে অংশগ্রহণ করে বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী সহ অন্যান্য নেতৃত্ব। তৃণমূলের দলীয় পতাকার পাশাপাশি শ্রী রামচন্দ্রের ধর্মীয় গেরুয়া পতাকায় সুসজ্জিত এই মিছিলে গ্রাম ও শহরের প্রচুর মানুষ অংশগ্রহণ করেন। যাকে ঘিরেই তৃণমূলের দলীয় স্তরে বিতর্ক শুরু হয়েছে। পাশাপাশি এদিন শহর তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে অপর একটি সংহতি যাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। রায়গঞ্জ পুরসভার পুর প্রশাসক তথা তৃণমূলের মুখপাত্র সন্দীপ বিশ্বাস, উপ পুরপ্রশাসক তথা জেলা সহ-সভাপতি অরিন্দম সরকার, অন্যান্য পুর কো-অর্ডিনেটর সহ অন্যান্য নেতৃত্বরা পা মেলান। এ মিছিল রায়গঞ্জের বিদ্রোহী মোড়ে অবস্থিত গান্ধী মূর্তির পাদদেশ থেকে শুরু হয়ে এনএস রোডে অবস্থিত নেতাজি মূর্তির সামনে এসে শেষ হয়। তবে এ মিছিলে তৃণমূলের দলীয় পতাকা ছাড়া অন্য কোনও পতাকা লক্ষ্য করা যায়নি। যদিও এই ঘটনাকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি নেতৃত্ব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: “রাম সকলের”, বিজেপির শোভাযাত্রায় গেরুয়া পোশাকে লাল তিলক কেটে তৃণমূল নেতারাও!

    Malda: “রাম সকলের”, বিজেপির শোভাযাত্রায় গেরুয়া পোশাকে লাল তিলক কেটে তৃণমূল নেতারাও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠার দিনে গেরুয়া পোশাক পরে বিজেপির সঙ্গে শোভাযাত্রায় পা মেলালেন তৃণমূল কর্মীরাও। এমনই ঘটনা ঘটেছে মালদার (Malda) হরিশ্চন্দ্রপুরে। সেখানকার পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং পঞ্চায়েত সদস্যদের সঙ্গে আরও তৃণমূল নেতা নিজে থেকেই যোগদান করেন শোভাযাত্রায়। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। রাজ্যে যেখানে রাম মন্দিরের উদ্বোধনের দিনে তৃণমূল সুপ্রিমো বিজেপিকে লক্ষ্য করে পাল্টা সংহতি যাত্রা করেছেন, সেখানে তাঁরই দলের সাংসদ, বিধায়ক, পঞ্চায়েত সদস্য এবং কর্মীরা রাম মন্দির উদ্বোধনের উচ্ছ্বাসে মেতে উঠলেন! দলের মধ্যেই এখন তাই চরম অস্বস্তি।

    তৃণমূল কর্মীদের বক্তব্য

    প্রায় ৫০০ বছর অপেক্ষার পর আজ অযোধ্যায় শ্রীরামের জন্মস্থানেই নবনির্মিত গর্ভগৃহে রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠা হল। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ হিন্দু সমাজের কাছে উচ্ছ্বাসের দিন। তাই এদিন বিজেপির মিছিলে যোগদান করে মালদার (Malda) তৃণমূলের কর্মীরা বলেন, “রামলালাকে ঘিরে মানুষের আবেগকে অস্বীকার করা যাবে না। আমরা হিন্দু, এখানে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। সকলে আমরা রামভক্ত। রাম সকলের, কোনও দলের সঙ্গে যোগ নেই শ্রীরামের। আমরা আমাদের মতো সমাজের জন্য কাজ করব।”

    বিজেপির গৈরিক পতাকার নীচে তৃণমূল (Malda)

    মালদায় (Malda) বিজেপির সঙ্গে গৈরিক পতাকার নীচে তৃণমূলের কর্মীরা। একই সঙ্গে পরনে গেরুয়া বস্ত্র, গেরুয়া উত্তরীয়, কপালে লাল তিলক, মাথায় গেরুয়া কাপড় বাঁধা। একই সঙ্গে হাত উঁচু করে কণ্ঠে ‘জয় শ্রীরাম ধ্বনি’ দিয়ে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে মিছিল করেছেন। এই মিছিলে যোগ দিয়েছেন এলাকার শত শত হিন্দু ধর্মের মানুষ।

    পুজোর স্থান কোথায় ছিল?

    আজ যখন অযোধ্যার রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রধানমন্ত্রীর হাতে রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠা হয়েছে, ঠিক তেমনি বাংলার জেলায় জেলায় হিন্দু সমাজের মন্দিরে মন্দিরে পুজো-অর্চনা অনুষ্ঠিত হয়। আজ একই ভাবে মালাদার হরিশ্চন্দ্রপুরের কিরণবালা বালিকা বিদ্যালয়ের পাশে একটি অস্থায়ী মন্দির বানিয়ে প্রভু রামের একটি মূর্তি নির্মাণ করে তাতেই পুজো করা হয়। এরপর একটি বিরাট শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। হরিশ্চন্দ্রপুর (Malda) থেকে এলাকার গড়াগড়ি পর্যন্ত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা সম্পন্ন করা হয়। এই শোভাযাত্রার শুরু এবং শেষ স্থানে ব্যাপক রামভক্তদের সমাগম হয়। একই ভাবে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে যোগদান করেন এলাকার তৃণমূল কর্মীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Ram Mandir: ৮ লক্ষ প্রদীপশিখায় রামের ছবি, তৃণমূল নেতার উদ্যোগে বিস্মিত ভাটপাড়া

    Ram Mandir: ৮ লক্ষ প্রদীপশিখায় রামের ছবি, তৃণমূল নেতার উদ্যোগে বিস্মিত ভাটপাড়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধনের দিন রাজ্যে সম্প্রীতির মিছিল করার জন্য দলীয় নেতা কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই মতো জেলায় জেলায় মিছিলের প্রস্তুতিও শুরু করেছেন তৃণমূল নেতা কর্মীরা। আর এই আবহের মধ্যে সম্পূর্ণ ভিন্ন পথে হাঁটলেন ভাটপাড়ার তৃণমূল নেতা প্রিয়াংগু পাণ্ডে। তাঁর উদ্যোগে তৈরি হচ্ছে রামের প্রতিচ্ছবি। বলা ভাল, রামের পুজোয় মেতে উঠেছেন এই তৃণমূল নেতা। বারাকপুর শিল্পাঞ্চল জুড়ে রামের বিশাল প্রতিচ্ছবি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ৮ লক্ষ প্রদীপ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে রামের প্রতিবিম্ব (Ram Mandir)

    ভাটপাড়ার দাপুটে তৃণমূল নেতা প্রিয়াংগু পাণ্ডে। তাঁর স্ত্রী পুরসভার কাউন্সিলর। একসময় অর্জুন বিরোধী নেতা হিসেবে ভাটপাড়ায় তিনি পরিচিত ছিলেন। যদিও সোমনাথ-অর্জুন দ্বন্দ্বের মধ্যে তিনি এখন নিরপেক্ষ। তবে, এলাকায় তাঁকে তৃণমূল নেতা হিসেবেই সকলেই জানেন। আর গত এক মাস ধরেই রামের মূর্তি তৈরি করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছেন। প্রায় ৮ লক্ষ প্রদীপ দিয়ে ভাটপাড়ার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে রামের প্রতিচ্ছবি তৈরি করা হচ্ছে ভাটপাড়ায়। বিহারের শিল্পী অনিল কুমার এই কাজটি করছেন। বিভিন্ন জায়গা থেকে শিল্পীদের নিয়ে এসে কাজটি করা হচ্ছে। মোট ১১৩ জন মিলে এই কাজ করছেন। এরমধ্যে শিল্পী রয়েছেন ১৩ জন। আর বাকি ১০০ জন শ্রমিক এক যোগে কাজ করে চলেছেন। ২২ জানুয়ারি রাম মন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধনের দিন তৃণমূল নেতার উদ্যোগে বিশাল ষজ্ঞের পাশাপাশি পুজোর আয়োজন করা হয়েছে। স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরাও রামের পুজোয় মাতবেন।

    কী বললেন তৃণমূল নেতা?

    তৃণমূল নেতা প্রিয়াংগু পাণ্ডে বলেন, শিল্পী অনিল কুমার অযোধ্যায় ১৪ লক্ষ প্রদীপ দিয়ে রামের প্রতিচ্ছবি তৈরি করেছেন। তিনি এবার ভাটপাড়ায় ৮ লক্ষ প্রদীপ দিয়ে রামের প্রতিচ্ছবি তৈরি করছেন। রাজ্যে এতব়ড় রামের প্রতিবিম্ব আর কোথাও আছে বলে আমার জানা নেই। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, তৃণমূল নেতা হয়েও রামের পুজোয় ব্যস্ত কেন? তিনি বলেন, রাজনীতি রাজনীতির জায়গায়। আর ধর্ম ধর্মের জায়গায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: রাম মন্দিরের ভোগের প্রসাদ! ১০০১ কেজি গোবিন্দ ভোগ চাল পাঠালেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: রাম মন্দিরের ভোগের প্রসাদ! ১০০১ কেজি গোবিন্দ ভোগ চাল পাঠালেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরের ভোগের প্রসাদের জন্য ১০০১কেজি গোবিন্দ ভোগ চাল পাঠালেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। রবিবার অযোধ্যার উদ্দেশ্যে রওনা হল গোবিন্দ ভোগ চালের গাড়ি। এদিন সকালে বালুরঘাট বিজেপি কার্যালয় থেকে গাড়ি রওনা হয়। নারকেল ফাটিয়ে চাল ভর্তি গাড়ির শুভ কার্যকম করেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি। পাশাপাশি এদিন তাঁর প্রচেষ্টায় বালুরঘাট-হিলির রেল প্রকল্পের কাজ শুরু হল।

     ১০০১ কেজি চাল পাঠানো হল (Sukanta Majumdar)

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন ২২জানুয়ারি অযোধ্যায় রাম মন্দিরে রাম লালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে। ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দান সামগ্রী যাচ্ছে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বিখ্যাত গোবিন্দ ভোগ চাল এদিন আমরা পাঠালাম। এই গোবিন্দ ভোগ চাল পুজোর ভোগ রান্নায় ব্যবহার হয়, সেই কারণে আমরাও রাম মন্দিরের ভোগের জন্য ১০০১ কেজি চাল পাঠালাম। এছাড়াও সোমবার জেলায় সব জায়গায় নানা অনুষ্ঠান করা হবে। সন্ধ্যায় বালুরঘাটের আত্রেয়ী নদীর পারে এক লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে সন্ধ্যা আরতির আয়োজন করা হয়েছে।

    পুলিশ তৃণমূলের দালালি করতে গেলেই অশান্তি বাড়বে!

    রাজ্যের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে সুকান্ত মজুমদার তৃণমূলকে তোপ দাগেন। রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন জেলায় জেলায় প্রচুর পুলিশ মোতায়েন থাকা নিয়ে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন,পুলিশ প্রশাসন শান্তভাবে থাকলেই হবে। তৃণমূলের দালালি করতে গেলেই অশান্তি বাড়বে। সাধারণ মানুষ, সাধারণ হিন্দু সমাজ ৫০০ বছর পর রাম মন্দির পেয়েছে। তারা রামের পুজো করবে। হিন্দুরা কোনওদিন কাউকে আক্রমণ করে না। বিদেশেও কোম্পানি খুলেছিলেন শঙ্কর আঢ্য! এই প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, এখন তো বোঝা যাচ্ছে তৃণমূলের নেতারা কেন মাঝে মাঝে দুবাইয়ে যায়। দুবাইয়ে তারা কি লুকাতে যায় তা আমরা বুঝিনা। এখন বোঝা যাচ্ছে শঙ্কর আঢ্যর মতো একজন প্ৰাক্তন পুরসভার চেয়ারম্যান তার যদি দুবাইয়ে কোম্পানি থাকতে পারে। তাহলেই বাদবাকি তৃণমূল নেতাদের কী আছে দেখুন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share