Tag: tmc

tmc

  • Purba Bardhaman: ফের তৃণমূল নেতার দৌরাত্ম্য! কম্বল বিতরণের নামে তোলাবাজির অভিযোগ

    Purba Bardhaman: ফের তৃণমূল নেতার দৌরাত্ম্য! কম্বল বিতরণের নামে তোলাবাজির অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের শাসক দলের নেতার বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ। এলাকায় কম্বল বিতরণের নামেই চলছে তৃণমূল নেতাদের দৌরাত্ম্য। টাকা না পেয়ে এক ব্যবসায়ীকে ব্যাপক মারধরের অভিযোগে শোরগোল পড়েছে এলাকায়। ঘটনা ঘটেছে পূর্ব বর্ধমান (Purba Bardhaman) জেলায়। তবে অভিযুক্ত তৃণমূলের নেতা অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

    ঠিক কোথায় তৃণমূলের তোলাবাজি (Purba Bardhaman)?

    স্থানীয় (Purba Bardhaman) সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধমানের ১ নং ব্লক এলাকায় তৃণমূলের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ করা হবে। এই জন্য ১০০ টি কম্বলের টাকা চেয়ে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের এক কর্মী শেখ আরজুরকে প্রথমে চাপ দেওয়া হয়। এরপর টাকা দিতে রাজি না হলে গালিগালাজ এবং মারধরও করা হয়। ঘটনায় ফের একবার অভিযুক্ত হলেন শাসক দলের তৃণমূল নেতা।

    অভিযোগকারীর বক্তব্য

    স্থানীয় (Purba Bardhaman) ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ী কর্মী শেখ আরজুর নিজেকে তৃণমূলের কর্মী বলে জানিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, “সামনের রবিবার ভোতারপাড় এলাকার স্থানীয় তৃণমূল নেতা শেখ মালিকের উদ্যোগে একটি কম্বল বিতরণের আয়োজন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানের জন্য ১০০ টি কম্বলের দাম দিতে বলা হয়। কিন্তু আমি দিতে অস্বীকার করি। কারণ আমি একজন সাধারণ কর্মী মাত্র, যা বলার মালিককে বলুন। কিন্তু কোনও কথা না শুনে আমাকে কম্বল দেওয়ার কথা বলে প্রচণ্ড চাপ দেওয়া হয়। আমি দিতে না পারায় ব্যাপক ভাবে মারধর করা হয়। এমন কী প্রাণে মারার হুমকি দেওয়া হয়। ঘটনার পরে আমি বর্ধমান থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। এরপর পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।”

    তৃণমূল নেতার বক্তব্য

    ঘটনায় অভিযুক্ত স্থানীয় (Purba Bardhaman) তৃণমূলনেতা শেখ মালেক বলেন, “সমস্ত ঘটনা মিথ্যা। ওই গোডাউনে বেআইনি কাজ চলে। খবর জানতে পেরেই আমাদের কর্মীরা সেখানে গিয়েছিল। পালটা শেখ আরজুর, আমাদের কর্মীদের নিজের দলবল নিয়ে চড়াও হয়। এলাকায় আমরা চাঁদা তুলে কম্বল বিতরণ করি। এখনও পর্যন্ত এক হাজার কম্বল কিনে ফেলছি। তাঁর কাছে টাকা নেওয়ার কোনও দাবি করিনি। অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন।”   

        

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: বিজেপি-র মিটিংয়ে দলীয় নেতার উপর হামলা, ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Cooch Behar: বিজেপি-র মিটিংয়ে দলীয় নেতার উপর হামলা, ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি মিটিংয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। শনিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহারের (Cooch Behar) দিনহাটা এলাকায়। দলের মণ্ডল সভাপতি ঈশ্বর দেবনাথকে চাকু দিয়ে হামলা চালানো হয়। আক্রান্ত তিনজনকে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Cooch Behar)

    শনিবার দুপুরে কোচবিহারের (Cooch Behar) দিনহাটায় বিজেপির মিটিংয়ে ছিল। সেখানে মণ্ডল সভাপতি ঈশ্বর দেবনাথের নেতৃত্বে কর্মী, সমর্থকরা হাজির হয়েছিলেন। বৈঠক চলার পরই আচমকাই তৃণমূলের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়। কর্মীদের মারধর করার পাশাপাশি চেয়ার ভাঙচুর করা হয়। মণ্ডল সভাপতি করতে গেলে তাঁকে চাকু হামলা চালানো হয়। এই ঘটনায় আহত হন মণ্ডল সভাপতি ঈশ্বর দেবনাথ ও সংশ্লিষ্ট  এলাকার বিজেপির সম্পাদক অর্জুন চক্রবর্তী। যদিও পরে, পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। তবে, তৃণমূলের এই হামলার প্রতিবাদে হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি নেতা অজয় কর বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা কর্মীরা বুঝে গিয়েছে যে তারা রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে। তাই, আমাদের দলীয় মিটিং দেখেই ওরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ছে। আমাদের মিটিংয়ে এভাবে হামলা চালিয়ে আমাদের মনোবল কোনওভাবেই ভাঙতে পারবে না। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনের কাছে আর্জি জানাব। অবিলম্বে তাদের গ্রেফতার না করা হলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামব।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    বিজেপির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা আমীর আলম। তিনি বলেন, দিনহাটার ঝুড়িপাড়া এলাকা দিয়ে আমরা কয়েকজন মিলে যাচ্ছিলাম, সেই সময় বিজেপি কর্মীরা আমাদের পথ আটকে মারধর শুরু করে। আমরা ওদের মিটিংয়ে কোনও হামলা চালাইনি। ওরা নিজেরা চেয়ার ভেঙে আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে। আমরা চাই, পুলিশ ঘটনার তদন্ত করলেই বুঝতে পারবে তারা হামলা চালিয়েছে। নিজেদের হামলার ঘটনা ঢাকতে বিজেপি এখন নাটক করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তুতি বৈঠকে সোমনাথ-অর্জুন দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে

    North 24 Parganas: মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তুতি বৈঠকে সোমনাথ-অর্জুন দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তুতি বৈঠকে জগদ্দলের তৃণমূলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম-সাংসদ অর্জুন সিং দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে চলে এসেছে। শনিবার বিকেলে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) মধ্যমগ্রাম জেলা পার্টি অফিসে প্রস্তুতি বৈঠক ছিল। জেলা নেতৃত্বের সামনে এই কোন্দল সামনে আসায় রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    বৈঠকের মাঝ পথে বেরিয়ে যান অর্জুন (North 24 Parganas)

    মুখ্যমন্ত্রী আসছেন জেলায়। সেই জন্য শনিবার বিকেলে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) মধ্যমগ্রাম জেলা পার্টি অফিসে বৈঠক ছিল। বেলা তিনটে থেকে পাঁচটা পর্যন্ত বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। বেলা তিনটে নাগাদ অর্জুন সিং আসেন। কিছুক্ষণ পর বৈঠক শুরু হয়। সাড়ে তিনটে নাগাদ সোমনাথ শ্যাম বৈঠকে ঢোকেন। বৈঠকে ঢোকার কয়েক মিনিটের মধ্যে অর্জুন বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে যান।  প্রসঙ্গত, সোমনাথ-অর্জুনের কোন্দল নতুন নয়। তবে, তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদব খুন হওয়ার পর থেকেই দুজনের দ্বন্দ্ব আরও প্রকাশ্যে  চলে আসে। ভিকি যাদব খুনে জড়িত সন্দেহে ২১ ডিসেম্বর অর্জুনের ভাইপো পাপ্পুকে পুলিশ গ্রেফতার করে। ভিকি খুনে অন্যতম অভিযুক্ত পঙ্কজ সিংয়ের সঙ্গে সোমনাথ শ্যামের ছবি দিয়ে অর্জুন অনুগামীরা সোমনাথ শ্যামকে গ্রেফতারির দাবি জানান। অন্যদিকে, ভিকি যাদবের খুনের ঘটনায় পলাতক অভিযুক্তের সঙ্গে অর্জুন-পুত্র তথা ভাটপাড়ার বিধায়ক পবন সিংহের ছবি প্রকাশ্যে এনেছিলেন সোমনাথ শ্যাম। অর্জুনের দাবি, ওই ছবি সুপার ইম্পোজ করা হয়েছে। সোমনাথ শ্যাম পাল্টা বলেন, অর্জুন  অপরাধীদের গাড়িতে নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, তথ্য প্রমাণ দিয়ে অভিযোগ করলে ভাল হয়।

    কী বললেন অর্জুন সিং?

    বৈঠকের মাঝ পথেই বেরিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে অর্জুন বলেন, এখানে মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে প্রস্তুতি বৈঠক হচ্ছিল। তাই এসেছিলাম। সোমনাথের সঙ্গে দ্বন্দ্ব প্রসঙ্গে অর্জুন বলেন, রাজনৈতিক জীবনে এই ধরনের দ্বন্দ্ব কখনও দেখেনি। দলের বিষয়টি দেখা উচিত। দল দেখলেই ভালো। আমি বিজেপির সাংসদ কিনা,সেটা মুখ্যমন্ত্রী-ই বলবে। বারাকপুর-দমদম সাংগঠনিক জেলার সভাপতি যদি হস্তক্ষেপ করতেন তাহলে এই বিতর্ক এবং দ্বন্দ্ব এড়ানো যেত। সেটা হয়নি। তাই, শীর্ষ নেতৃত্ব বিষয়টি দেখে যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: সমবায় ব্যাঙ্কে কোটি টাকার বেশি আর্থিক তছরুপে জড়িত তৃণমূল নেতা

    South 24 Parganas: সমবায় ব্যাঙ্কে কোটি টাকার বেশি আর্থিক তছরুপে জড়িত তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমবায় ব্যাঙ্কের কোটি টাকারও বেশি তছরুপের অভিযোগ উঠল এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) রায়দিঘির খাড়ি এলাকায়। সমবায় ব্যাঙ্কের নাম ‘ইউনিয়ন লার্জ সাইজ প্রাইমারি এগ্রিকালচার কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড’। ওই সমবায় ব্যাঙ্কটির কাছেই কাশীনগর ব্যাঙ্কের একটি শাখা রয়েছে। অভিযোগ, শাখার ইনচার্জ মোহনলাল হালদার আর্থিক তছরুপ করেছেন। অভিযুক্ত মোহনলাল আবার কাশীনগর পশ্চিমপাড়ার তৃণমূলের বুথ সভাপতি ছিলেন। আর শাসক দলের নেতা বলেই পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করার সাহস দেখায়নি বলে অভিযোগ বিরোধীদের।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (South 24 Parganas)

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর,  দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ওই সমবায় ব্যাঙ্কে হাজার দু’য়েক গ্রাহক আছেন। ২০২২-২৩ আর্থিক বর্ষে অডিট রিপোর্টের পরেই তৃণমূল নেতা মোহনলালের বিরুদ্ধে প্রায় ১ কোটি ১১ লক্ষ টাকা তছরুপের অভিযোগ ওঠে। দুর্নীতির সঙ্গে স্থানীয় আরও কিছু তৃণমূল নেতা জড়িত বলে বাসিন্দাদের অভিযোগ। বিষয়টি জানতে পেরে সরব হন আমানতকারী ও শেয়ার হোল্ডাররা। সমবায়ের জেনারেল ম্যানেজার শ্রীকৃষ্ণ মণ্ডল বিভাগীয় দফতরে অভিযোগ জানান। পরে পুলিশেরও দ্বারস্থ হন তিনি। পুলিশ জানিয়েছে, আর্থিক দুর্নীতি ধরা পড়ার পরে মোহনলাল ১০ লক্ষ টাকা ফেরত দিয়েছিলেন। বাকি টাকা ফেরাতে পারেননি। মোহনলাল হালদারের সঙ্গে কোনওভাবে যোগাযোগ করা যায়নি।

    ব্লক প্রশাসনের আধিকারিক কী বললেন?

    মথুরাপুর-২ বিডিও নাজির হোসেন বলেন, মাস দেড়েক আগে ৩-৪ জন গ্রাহক ওই আর্থিক দুর্নীতির বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। সেই মতো জেলা থেকে তদন্তের পরে আর্থিক তছরুপ ধরা পড়েছে। এক কোটির বেশি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। পুলিশ সমস্ত বিষয়টি তদন্ত করছে।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) রায়দিঘির তৃণমূলের বিধায়ক অলোক জলদাতা বলেন, মোহনলাল এক সময় তৃণমূলের বুথ সভাপতি ছিলেন। এখন দলের কোনও দায়িত্বে নেই। সমবায় ব্যাঙ্কে টাকা তছরুপ করা ঠিক হয়নি। সাধারণ মানুষের টাকা ফেরত দেওয়া উচিত। না হলে কঠোর শাস্তি পাওয়া দরকার। প্রশাসন কঠোর হাতে ব্যবস্থা নিক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: বিষ্ণুপুর মেলায় দাপট দেখাল তৃণমূল! উদ্বোধনে আকাশে উড়ল ঘাসফুল লোগো

    Bankura: বিষ্ণুপুর মেলায় দাপট দেখাল তৃণমূল! উদ্বোধনে আকাশে উড়ল ঘাসফুল লোগো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩৬তম বাঁকুড়ার (Bankura) বিষ্ণুপুর মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আকাশে উড়ল শাসক দল তৃণমূলের লোগো। আর এই ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী থাকলেন ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হাজার হাজার মানুষ। বৃহস্পতিবার বিকেলে বাঁকুড়ার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, বিষ্ণুপুরের মহকুমা শাসক থেকে অন্যান্য সরকারি আধিকারিকদের উপস্থিতিতেই  সম্পূর্ণ  সরকারি অর্থ ব্যয়ে এই মেলায় সুকৌশলে শাসক দলের প্রচার করা হয়েছে বলে অনেকে অভিযোগ করছেন।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Bankura)

    বাঁকুড়ার (Bankura) বিষ্ণুপুর মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রশাসনের কর্তারা হাজির ছিলেন। তৃণমূলের জেলা পরিষদের সভাধিপতি অনুসূয়া রায় সহ একাধিক জনপ্রতিনিধি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। মেলায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হরেকরকম বাজি ওড়ানো হয়। সঙ্গে বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে ফোমের ফ্লাইং লোগো ওড়ানোর ব্যবস্থা করা হয়। সেই যন্ত্র থেকেই বিষ্ণুপুর মেলার লোগোর পাশাপাশি তৃণমূলের লোগো উড়তে দেখা যায়। তৃণমূলের লোগো মেলার মাঠে ওড়ানো হয়েছে, একথা স্বীকার করেছেন ওই কাজে দায়িত্বপ্রাপ্ত বেসরকারি সংস্থার কর্মী নিজেই। এদিন মেলার উদ্বোধনী ‘ফ্লাইং লোগো’ হিসেবে ‘বিষ্ণুপুর মেলা ও তৃণমূলের লোগো’ আকাশে ওড়ানো হয়েছে বলে তিনি স্পষ্টতই স্বীকার করেন।

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    তৃণমূলের বাঁকুড়া (Bankura) জেলা পরিষদের সভাধিপতি অনুসূয়া রায় বলেন, মেলার মধ্যে তৃণমূলের লোগো উড়েছে বলে আমাদের জানা নেই। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব। এবিষয়ে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে নাম লেখানো বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ন’দিন ধরে সরকারি ব্যবস্থাপনায় মেলা চলছে। তৃণমূলের লোগো আকাশে ওড়ানো ঠিক নয় স্বীকার করেও বিষয়টি তাঁর জানা নেই দাবি করেই দায় এড়িয়েছেন এই ‘দলবদলু’ বিধায়ক।

    তৃণমূল আর প্রশাসন সমার্থক, কটাক্ষ বিজেপির

    পুরো বিষয়টি শাসক দলের ‘নির্লজ্জতার পরিচয়’, দাবি বিজেপির। বিজেপির বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার মুখপাত্র দেবপ্রিয় বিশ্বাস বলেন, ‘সরকারি টাকায় মোচ্ছব হচ্ছে। এখন প্রশাসন আর তৃণমূল সমার্থক। এখন বিষ্ণুপুর মেলায় তৃণমূলের লোগো উড়ছে, ক’দিন পর ওই দলটাই হাওয়ায় উড়ে যাবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: মহিলাকে কুপ্রস্তাব দিয়ে অপহরণের চেষ্টা! তৃণমূল নেত্রীর ছেলেকে গণপিটুনি

    North 24 Parganas: মহিলাকে কুপ্রস্তাব দিয়ে অপহরণের চেষ্টা! তৃণমূল নেত্রীর ছেলেকে গণপিটুনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মা তৃণমূল নেত্রী বলে এলাকায় দাপিয়ে বেড়ান ছেলে। এবার এক মহিলাকে কুপ্রস্তাব ও অপহরণের চেষ্টার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যার ছেলের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বাগদার আষাঢ় বাজার এলাকায়। অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রীর ছেলের নাম মিঠুন বালা। আর তাঁর মায়ের নাম মাধুরী বালা। তিনি সিন্দ্রনী গ্রাম পঞ্চায়েতের মাগুরকোনা গ্রামের তৃণমূল সদস্যা।

    ঠিক কী অভিযোগ? (North 24 Parganas)  

    উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) আষাঢ় বাজারে বিউটি পার্লার বন্ধ করে ফিরছিলেন এক মহিলা। সেই মহিলাকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ ওঠে মিথুন বালার বিরুদ্ধে। পরে, গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের পাশ থেকে মহিলাকে গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়ারও নাকি চেষ্টা করেন মিঠুন। মহিলা চিৎকার শুরু করেন। সেই সময় তাঁর চিৎকার বন্ধ করার জন্য মহিলাকে মারধরও করা হয়। যদিও মহিলার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসেন। চোখের সামনে মহিলার সঙ্গে অভব্য আচরণ করতে দেখে উত্তেজিত জনতা মিঠুনকে ধরে গণপিটুনি দেয়। তৃণমূল নেত্রীর ছেলেকে মারধরের মুহূর্তের ভিডিও এখন সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল। মিঠুনের নামে বাগদা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতা। সেই অনুযায়ী তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

    অভিযুক্ত যুবক কী সাফাই দিলেন?

    মিঠুন বলেন, আমার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আসলে আমাকে ফোন করে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। আমি কথা বলতে গেলে আচমকা মারধর শুরু করে। আমার বিরুদ্ধে পুরোপুরি মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। আমার মা যেহেতু তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা, সেই কারণেই মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। আমি কাউকে অপহরণ বা মারধর করিনি।

    রাজনৈতিক ষড়ষন্ত্র, দাবি স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যার

    এই ঘটনাকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলেই দাবি সিন্দ্রানি গ্রাম পঞ্চায়েতের পঞ্চায়েত সদস্যা মাধুরী বালার। তিনি বলেন, রাজনৈতিক কারণে পুরোপুরি মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করে দেখুক। আমার ছেলে দোষী হলে তার বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তা আমি মেনে নেব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনলেন ১২ জন তৃণমূল কাউন্সিলার, কেন জানেন?

    North 24 Parganas: চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনলেন ১২ জন তৃণমূল কাউন্সিলার, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টাকি পুরসভায় ভাইস চেয়ারম্যান এবং চেয়ারম্যানের মধ্যে দ্বন্দ্ব বহুদিন ধরেই চলছিল। যত দিন যাচ্ছে, সেই সম্পর্কের আরও অবনতি হয়েছে। এবার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতি, বেআইনিভাবে জমি হস্তান্তর-সহ একাধিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ আনলেন ভাইস চেয়ারম্যান। শুধু অভিযোগ নয়, উত্তর ২৪ পরগনা (North 24 Parganas) বসিরহাট মহকুমার টাকি পুরসভার চেয়ারম্যান সোমনাথ মুখোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক গাজি-সহ তৃণমূলের ১২ জন কাউন্সিলার অনাস্থা প্রস্তাব আনলেন। বৃহস্পতিবার অনাস্থা প্রস্তাব ঘিরে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে এল।

    মহকুমা শাসকের দফতরে জমা পড়ল অনাস্থা প্রস্তাব (North 24 Parganas)

    উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) টাকি পুরসভায় মোট আসন সংখ্যা ১৬টি। এর মধ্যে ১৪টি আসন তৃণমূলের দখলে রয়েছে। আর ২টি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি। ১৪টি আসনের মধ্যে ১২জন তৃণমূল কাউন্সিলার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছে। স্বাভাবিকভাবে চেয়ারম্যান আসন সংখ্যার বিচারে সংখ্যালঘু হয়ে পড়েছেন। ফলে, সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দিতে না পারলে চেয়ারম্যানের সরে যাওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা। তবে, অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে ভাইস চেয়ারম্যান কোনও মন্তব্য করতে চাননি। টাকি পুরসভা তৃণমূলের কাউন্সিলারদের মধ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে এল এদিন। বসিরহাট মহকুমা শাসকের দফতরে অনাস্থা প্রস্তাব পেশ করলেন ভাইস চেয়ারম্যান-সহ ১২ জন তৃণমূল কাউন্সিলার। ইতিমধ্যে উত্তর ২৪ পরগনা জেলাশাসক  শরৎ কুমার দ্বিবেদীর দফতরে তা পাঠানো হয়েছে। এই নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়ে গিয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বসিরহাট বিজেপির সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস ঘোষ বলেন, ‘টাকি পৌরসভায় একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। সেখানে বেআইনিভাবে জমি হস্তান্তর থেকে চুরি করে সরকারি জমি দখল করা, এমনকী স্বজনপোষণ-সহ একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। তৃণমূলের এক পক্ষের বিরুদ্ধে আর এক পক্ষ অনাস্থা এনেছে। এবার আপনারাই ভাবুন এই দলটা কেমন। আমরা চাই, দুর্নীতিমুক্ত টাকি পুরসভা।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: দলীয় মঞ্চে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে উর্দি গায়ে পুলিশ আধিকারিক! জেলাজুড়ে শোরগোল

    Birbhum: দলীয় মঞ্চে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে উর্দি গায়ে পুলিশ আধিকারিক! জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমের (Birbhum) নানুরে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ আয়োজিত অনুষ্ঠান মঞ্চে উর্দি পরে অতিথি হিসেবে বসে পুলিশ অফিসারেরা। নানুর চণ্ডীদাস মহাবিদ্যালয়ে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে বার্ষিক অনুষ্ঠানে নেতাদের পাশে মঞ্চে বসে সার্কেল ইনস্পেকটর কল্যাণপ্রসাদ মিত্র ও নানুর থানার ওসি শেখ ইজরাইল। যা নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। ইতিমধ্যেই এই নিয়ে সরব হয়েছে বিজেপি।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Birbhum)

    বীরভূমের (Birbhum) নানুর চণ্ডীদাস মহাবিদ্যালয়ে বার্ষিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। সেই মতো দলীয় পতাকা সহ দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দিয়ে মঞ্চ সাজানো হয়েছিল। এমনকী, মঞ্চের পিছনে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ লেখা লোগো দেওয়া ছিল। সেই অনুষ্ঠান মঞ্চে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ, নানুরের বিধায়ক বিধানচন্দ্র মাঝি, তৃণমূল নানুর ব্লক সভাপতি সুব্রত ভট্টাচার্য সহ অন্যান্য তৃণমূল নেতারা। একই মঞ্চে অতিথি হিসেবে উর্দি পরে বসে থাকতে দেখা যায় নানুর সার্কেল ইনস্পেকটর (সিআই) কল্যাণপ্রসাদ মিত্রকে। এছাড়া, সাধারণ পোশাকে বসে থাকতে দেখা যায় নানুর থানার ওসি শেখ ইজরায়েলকে। যা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। কীভাবে তৃণমূল আয়োজিত অনুষ্ঠান মঞ্চে নেতাদের সঙ্গে কর্তব্যরত পুলিশ অফিসাররা বসে থাকতে পারেন। যদিও, এই প্রসঙ্গে মুখ খুলতে চাননি কোন তৃণমূল নেতৃত্ব।

    রাজ্যে শাসকের আইন চলছে, কটাক্ষ বিজেপির

    বিজেপির বোলপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অষ্টম মণ্ডল বলেন, ‘রাজ্যে আইনের শাসন নেই। শাসকের আইন চলছে। পুলিশ সব সময় শাসকের দলদাস। তাই ইউনিফর্ম পরে পুলিশ তৃণমূলের মঞ্চে বসে রয়েছে। এটা কাম্য নয়। এই পুলিশ কখনও নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারবে? পুলিশের সম্পর্কে সাধারণ মানুষের ধারণা পাল্টে যাচ্ছে। এসব মানুষ বেশিদিন মেনে নেবে না। সামনেই লোকসভা নির্বাচন। সেই ভোটে মানুষ তৃণমূলকে বুঝিয়ে দেবে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদব খুনে অর্জুনের ভাইপো গ্রেফতার, সাংসদ-বিধায়কের দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে

    Barrackpore: তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদব খুনে অর্জুনের ভাইপো গ্রেফতার, সাংসদ-বিধায়কের দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাটপাড়ার তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদব খুনে এবার সাংসদ অর্জুন সিংয়ের ভাইপো পাপ্পু সিংকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে বারাকপুর (Barrackpore) কমিশনারেটের গোয়েন্দা দফতরে। সেখানেই পাপ্পু সিংকে গ্রেফতার করা হয়। পাপ্পু সিংয়ের আইনজীবী ও তাঁর অনুগামীরা বিক্ষোভের ফেটে পড়েন। পরে, বিশাল পুলিশ বাহিনী এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Barrackpore)

    জগদ্দল এর বিধায়ক সোমনাথ শ্যামের সঙ্গে অর্জুন সিং এর দ্বন্দ্ব নতুন নয়। প্রকাশ্য মঞ্চে একে অপরের বিরুদ্ধে তোপ দাগার ঘটনার সাক্ষী রয়েছেন বারাকপুরবাসী (Barrackpore)। গত নভেম্বর মাসেই তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদবকে এলোপাথাড়ি গুলি করে খুন করে দুষ্কৃতীরা। সেই ঘটনায় বেশ  কয়েকজনকে গ্রেফতারও করে পুলিশ। দুদিন আগেই ভিকি যাদবের মা সহ ভাটপাড়া পুরসভার একাধিক কাউন্সিলর এবং গ্রাম পঞ্চায়েতের বহু সদস্য মিছিল করে বারাকপুর পুলিশ কমিশনারের কাছে হাজির হন। মূল অভিযুক্ত গ্রেফতারের দাবিতে সরব হন তাঁরা। এই প্রতিবাদ মিছিলের পিছনেও সোমনাথের হাত রয়েছে বলে তাঁর বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর লোকজনের মত। জানা গিয়েছে, বছরখানেক আগে রাজেন পান্ডে নামে একজনকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। সেই মামলায় অর্জুনের ভাইপো পাপ্পুর নাম জড়ায়। গোয়েন্দা বিভাগের আধিকারিকরা সেই ঘটনার তদন্তে বৃহস্পতিবার তলব করেন পাপ্পুকে। আইনজীবী রাকেশ সিং সহ বেশ কয়েকজন অনুগামীকে সঙ্গে নিয়ে পাপ্পু গোয়েন্দা বিভাগে আসেন। পুরানো মামলায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সেখান থেকে বেরিয়ে আসতেই তাঁকে ভিকি যাদব খুনে জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়। এরপর এই গোয়েন্দা প্রধান শ্রীহরি পাণ্ডের সঙ্গে পাপ্পু সিংয়ের আইনজীবির রাকেশ সিংয়ের রীতিমতো বচসা হয়। পাপ্পুর অনুগামীরা  রীতিমতো বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। পরিস্থিতি সামাল দিতে  বিশাল পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পাপ্পু সিং গ্রেফতার হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই উত্তেজনা ছড়ায় জগদ্দলে। সেখানে পাপ্পু সিং অনুগামীরা ও রীতিমতো বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। আর এই ঘটনা কে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল আরও একবার প্রকাশ্যে চলে আসে।

    সোমনাথ শ্যাম পাপ্পুকে গ্রেফতার করিয়েছেন, সরব আইনজীবী

    পাপ্পু সিংয়ের আইনজীবী রাকেশ সিং বলেন, পাপ্পুকে অন্য একটি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে নিয়ে আসা হয়েছিল। অথচ তাঁকে খুনের মামলায় তাকে গ্রেফতার করা হল। সোমনাথ শ্যাম পুলিশকে দিয়ে এসব করিয়েছে। পাপ্পু এলাকায় জনপ্রিয় তৃণমূল নেতা। সেটা কখনও মেনে নিতে পারছেন না সোমনাথ। তাই তাঁকে হেনস্তা করতেই তাঁর নামে এভাবে মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে। অর্জুন সিং বলেন, ষড়যন্ত্র করে পাপ্পুকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    সোমনাথকে নিয়ে কী বললেন অর্জুন?

    বারাকপুরের (Barrackpore) সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, দিন কুড়ি আগে থেকে সোমনাথ শ্যাম বলছে ভিকি যাদবকে খুন করিয়েছে আমার ভাইপো পাপ্পু। এদিকে, এই খুনের ঘটনায় ধৃত পঙ্কজ, যাকে পুলিশ মূল ষড়যন্ত্রকারী বলে জানিয়েছে তার জন্মদিন সোমনাথ শ্যাম পালন করছে, বিধায়কের পাশে দাঁড়িয়ে পঙ্কজ কেক কাটছে। সেই কেক সোমনাথ শ্যামকে খাওয়াচ্ছে। সেই ভিডিও, ছবি দেখে সবাই বুঝতে পেরেছে দুজনের কতটা গভীর সম্পর্ক। এই পঙ্কজ সোমনাথ শ্যামের লোক না হয়ে পাপ্পু সিংয়ের লোক হয়ে গেল? আসলে চক্রান্ত করে পাপ্পুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

    খুনের পিছনে অর্জুন যোগ, প্রশ্ন সোমনাথের?

    সোমনাথ শ্যাম বলেন, “ভিকি যাদবকে খুন করার অন্যতম ষড়যন্ত্রকারী ছিল পাপ্পু। তার বিরুদ্ধে একাধিক খুনের অভিযোগ রয়েছে। এই পাপ্পু প্রকাশ্যেই বলতো, কাকা অর্জুন সিংয়ের কথা ছাড়া কোনও কাজ করিনা। তাহলে কোথাও না কোথাও কি এই খুনের পিছনে অর্জুন সিংও জড়িত আছে? এটাই আমার প্রশ্ন।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: সংখ্যালঘু এলাকায় বেহাল রাস্তা সারায়নি তৃণমূল, তারপর কী হল জানেন?

    Arambagh: সংখ্যালঘু এলাকায় বেহাল রাস্তা সারায়নি তৃণমূল, তারপর কী হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ ১৫ বছর পার হয়ে গেলেও হাল ফেরেনি গ্রামের ২ কিমি কাঁচা রাস্তার। এক হাঁটু কাদা পেরিয়েই তিনটি গ্রামের বাসিন্দাদের এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। এই চিত্র আরামবাগের (Arambagh) গৌরহাটি-১ নং পঞ্চায়েতের সাঁপড়োজোল গ্রামের। এই গ্রামে ঢোকে না কোনও অ্যাম্বুল্যান্স, অসুস্থ রোগীকে নিয়ে যেতে ভরসা সেই খাটিয়া। এমনই অভিযোগ বাসিন্দাদের। এলাকাটি সংখ্যালঘু অধ্যুষিত। তৃণমূল পঞ্চায়েতকে বার বার বলেও কোনও কাজ হয়নি। তাই, এবার ভোট বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পাশাপাশি, বেহাল রাস্তা সংস্কার করার জন্য তৃণমূলের উপর নির্ভর না করে গ্রামবাসীরা নিজেরাই কোদাল হাতে রাস্তা মেরামতির কাজে হাত লাগান।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Arambagh)

    আরামবাগের (Arambagh) গৌরহাটির সাঁপড়োজোল থেকে বেয়ুড় গ্রাম প্রায় ২ কিলোমিটার রাস্তা। প্রায় ১৫ বছর ধরে রাস্তাটি বেহাল অবস্থা। তিনটি গ্রামের মানুষের ভরসা এই রাস্তা। যার ফলে যতদিন পেড়িয়েছে, ততই খারাপ হয়েছে রাস্তার হাল। বর্ষা ছাড়াও বৃষ্টি হলেই রাস্তায় এক হাঁটু সমান কাদা পেরিয়ে যাতায়াত করতে হয় বলে অভিযোগ। এলাকার মানুষের অভিযোগ, এই রাস্তায় কোনও গাড়ি চলাচল করা যায় না। বেশিরভাগ সময় কাদা পেরিয়ে, সাইকেল কাঁধে নিয়ে পার হতে হয়। ছাত্র ছাত্রীদের স্কুলে যেতে চরম অসুবিধা হয়। গ্রামে ঢোকেনা অ্যাম্বুল্যান্স। অসুস্থ রোগীদের খাটিয়া করে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়।  সম্প্রতি ওই রাস্তায় কৃষি কাজে ট্রাক্টর ঢোকায় ফেটে যায় জলের পাইপ। তার জেরে জলমগ্ন হয়ে যায় রাস্তা। গর্ত হয়ে যায় রাস্তা। তারপরও রাস্তা সংস্কারে তৃণমূল পঞ্চায়েত এগিয়ে আসেনি। তাই, গ্রামের বাসিন্দারা নিজেরাই নিজেদের রাস্তা মেরামতের কাজের উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    এবিষয়ে তৃণমূলের স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য তথা আরামবাগ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শিশির সরকার বলেন, আমি আগে ওই রাস্তা সংস্কারের কাজ করেছি। পঞ্চায়েতকে মোড়াম করার জন্য বলেছিলাম, তা করেছে কি না তা আমি জানি না। তবে, এবারে পথশ্রীর জন্য ওই রাস্তার নাম পাঠিয়েছি।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    এবিষয়ে আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, ওই এলাকায় আমি গিয়েছিলাম। ওই কাঁচা রাস্তা একেবারেই বেহাল দশা। এলাকায় বহু সংখ্যক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করেন। এতদিন শুধু তৃণমূল কংগ্রেসকেই ভোট দিয়ে এসেছেন। অন্য দলকে ভোট দেয় নি। তৃণমূল দল কেমন তা ওরা এখন বুঝতে পারছেন। একবার বিজেপিকে ভোট দিয়ে রাস্তা সংস্কার হয় কি না দেখুক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share