Tag: tmc

tmc

  • Arambagh: প্রার্থীর নাম ঘোষণা না হলেও আরামবাগে প্রচারে, দেওয়াল লিখনে এগিয়ে বিজেপি

    Arambagh: প্রার্থীর নাম ঘোষণা না হলেও আরামবাগে প্রচারে, দেওয়াল লিখনে এগিয়ে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রার্থীর নাম ঘোষণা না হলেও আরামবাগে (Arambagh) প্রচারে, দেওয়াল লিখনে এগিয়ে বিজেপি। এই লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকা জুড়ে এমনই চিত্র। আরামবাগে দেওয়াল লিখন নিয়ে টক্করে তৃণমূল -বিজেপির। ইতিমধ্যেই তৃণমূলের প্রার্থী মিতালি বাগের নাম ঘোষণা করেছে। আরামবাগ লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে মোট সাতটি বিধানসভা রয়েছে। চারটি বিধানসভা রয়েছে বিজেপির দখলে,তিনটি রয়েছে তৃণমূলের দখলে।

    দেওয়াল লিখন-প্রচারে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি (Arambagh)

    লোকসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেওয়াল লিখন শুরু হয়েছে আরামবাগ (Arambagh) কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকা জুড়ে। আর সেই দেওয়াল লিখন, প্রচারে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস উদ্দীপনা চোখে পড়ার মতো হাতের রং তুলি নিয়ে খোশ মেজাজেই ছুটছে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। এই মুহূর্তে আরামবাগ মহকুমার অলিতে গলিতে যেদিকে ঘুরবেন বিজেপির প্রতীক পদ্মফুল দেওয়ালে ফুটে উঠেছে। যদিও এখনও বিজেপির দলীয়ভাবে কোন প্রার্থীর নাম ঘোষণা হয়নি। একপ্রকার বলা যায়, নির্বাচনী প্রচারে বিজেপির দেওয়াল লেখনে টক্কর দিচ্ছে তৃণমূলকে। রাজ্যের শাসক দলের ক্ষমতায় তৃণমূল থাকলেও একপ্রকার বলাই যায় আরামবাগ লোকসভা কেন্দ্র এখন বিজেপির দখলে। কারণ, এই লোকসভা কেন্দ্রের সাতটি বিধানসভার মধ্যে আরামবাগ মহাকুমার চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভায় এখন বিজেপির দখলে। যার জেরে একপ্রকার তৃণমূল অস্তিত্বহীন হয়ে পড়েছে। যদিও বিজেপির দাবি তারা ইতিমধ্যেই লোকসভা কেন্দ্রের বেশিরভাগ অংশই দেওয়াল লিখন এর কাজ ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়ে গেছে।

    আরও পড়ুন: লোকাল ট্রেনে চেপে চুটিয়ে প্রচার সারলেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি প্রার্থী সৌমিত্র খাঁ

    ১৬ হাজার দেওয়াল লিখন সম্পূর্ণ

    গেরুয়া শিবিরের দাবি, ইতিমধ্যে ১৬ হাজার দেওয়াল-লিখন হয়ে গিয়েছে। আরও হবে। ১০ লক্ষ মানুষের সঙ্গে ‘সম্পর্ক স্থাপন’ও সম্পূর্ণ। বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক তথা আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলা সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, “দু’মাস সময় পাওয়ায় তৃণমূলের ফাঁকফোকর আরও বাড়বে। মানুষকে কেন্দ্রীয় বঞ্চনা নিয়ে যে সব ভুল ওরা বোঝাচ্ছে, তা নিয়ে আমরা সঠিক তথ্য-সহ আরও প্রচারের সময় পাচ্ছি।” বিমানের দাবি, গত ৫ দিনেই ৭২টি পথসভা করা হয়েছে। তা ধারাবাহিকভাবে চলবে। দু‘মাস সময় পাওয়ায় বিভিন্ন কর্মসূচিতে আরও জোর দেওয়া হবে।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান স্বপন নন্দী  বলেন, ‘‘ইতিমধ্যে হাজার পাঁচেক দেওয়াল-লিখন সম্পূর্ণ হয়েছে। বাকি আরও প্রায় হাজার দশেক দেওয়ালে রং হয়ে গিয়েছে। আগামী দু’দিনের মধ্যে দেওয়াল লিখনে ভরে যাবে লোকসভা কেন্দ্র।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: তৃণমূলে মোহভঙ্গ,ভোটের মুখে একঝাঁক ছাত্র-যুব নেতা যোগ দিলেন বিজেপিতে

    BJP: তৃণমূলে মোহভঙ্গ,ভোটের মুখে একঝাঁক ছাত্র-যুব নেতা যোগ দিলেন বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণার পর থেকেই জেলায় জেলায় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে (BJP) যোগদানের হিড়িক শুরু হয়ে গিয়েছে। অনেক জেলায় সংখ্যালঘুরা ঝাঁকে ঝাঁকে বিজেপিতে যোগদান করছেন। এবার পূর্ব বর্ধমান জেলায় তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে থাবা বসালো বিজেপি। লোকসভা ভোটের মুখে তৃণমূলের ছাত্র-যুব নেতারা বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় দলীয় কর্মীরা চাঙা হয়ে উঠেছেন।

    কেন বিজেপিতে? (BJP)

    সন্দেশখালি সহ নানা জায়াগায় মহিলাদের অসম্মান ও দলের কার্যকলাপে বীতশ্রদ্ধ হয়ে ‘ সোমবার বিজেপি’তে যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বেশ কিছু ছাত্র-যুব নেতা। বিজেপি জেলা দফতরে তাদের দলে যোগদান করান বিজেপি-র বর্ধমান জেলার সভাপতি অভিজিৎ তা। সোমবার দুপুরে ৫০ জন ছাত্র ও যুব নেতা তৃণমূল থেকে যোগ দিলেন বিজেপিতে (BJP)। এদের মধ্যে আছেন বর্ধমান রাজ কলেজের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক সুরজ ঘোষ সহ অনেকে। বিজেপিতে যোগদানকারী নেতা সুরজ ঘোষ বলেন, ‘চাকরির নামে দুর্নীতি। সব কিছুতেই দুর্নীতি তৃণমূলে। আত্মসন্মান নিয়ে তৃণমূল দলটা করা যায় না। তাই, আমরা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার সঙ্গে তৃণমূলের ছাত্র-যুব নেতা সহ ৫০ জন বিজেপিতে যোগ দিলেন। আগামীদিনে আরও অনেকে বিজেপিতে যোগ দেবেন।’

    আরও পড়ুন: ‘তৃণমূল পরিচয় দিয়ে ভোট চাইতে লজ্জা পাচ্ছেন কর্মীরা’, বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়ক

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা

    বিজেপি’র জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা জানান,’মোদিজীর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে এরা দলে যোগ দিলেন। তৃণমূলের প্রতি তাঁরা তিতি বিরক্ত হয়ে পড়েছিলেন। এরা এতই আগ্রহী ছিলেন যে তড়িঘড়ি এদের দলে নেওয়া হল। সামাজিক রাজনৈতিক কাজে এরা যুক্ত হবেন।’ দলবদলের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের জেলা সভাপতি স্বরাজ ঘোষ বলেন, যাদেরকে আমরা ছুঁড়ে ফেলে দিই, তাদেরকে বিজেপি (BJP) নিচ্ছে দলে। তাতে তৃণমূলের কোনও ক্ষতি হবে না। বিজেপির  বর্ধমান জেলায় কোন সংগঠন নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Laxmi Bhandar: কোড অফ কনডাক্টকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চলছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার-জব কার্ডের ফর্ম ফিলাপ

    Laxmi Bhandar: কোড অফ কনডাক্টকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চলছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার-জব কার্ডের ফর্ম ফিলাপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ইতিমধ্যে প্রকাশ করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এবার এই কমিশনের বিজ্ঞাপনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চলছে সরকারি ফর্ম ফিলাপ। গত শনিবার থেকেই মডেল কোড অফ কনডাক্টকে উপেক্ষা করে রাজ্যের তৃণমূল সরকার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, জব কার্ডের জন্য প্রকাশ্যে করে চলেছে আবেদন পত্র গ্রহণ। ঘটনায় ব্যাপক ভাবে সরব হয়েছে বিজেপি। ঘটনা ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানে (Purba Bardhaman)।

    মমতার ছবি লাগিয়ে চলেছে ফর্ম ফিলাপ? (Laxmi Bhandar)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব বর্ধমানের (Purba Bardhaman) গলসি ১ নম্বর উচ্চগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার কোলকোল শিক্ষা নিকেতনে গতকাল রবিবার একাধিক সরকারি প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপের (Laxmi Bhandar) কাজ সম্পন্ন হয়েছে। একেবারে সরকারি স্কুলে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় পতাকা লাগিয়ে এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি লাগিয়ে জয় বাংলা ফর্ম ফিলাপ করেন তৃণমূলের নেতারা। এই ফর্ম পূরণের জন্য ১০ টাকা করে নেওয়া হয়।

    তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যার বক্তব্য

    স্থানীয় (Purba Bardhaman) সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, মাত্র দুই দিন আগেই এলাকায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Laxmi Bhandar) এবং কর্মশ্রী অর্থাৎ পঞ্চাশ দিনের জব কার্ডের জন্য মাইকিং করা হয়। জানা গিয়েছে, এই প্রচারের পিছনে রয়েছে গলসি ১ নম্বর ব্লকের উচ্চগ্রাম অঞ্চল সভাপতি নিখিল রায়। তিনি দায়িত্ব নিয়ে তৃণমূল দলের হয়ে এই প্রচার করেন। পঞ্চায়েত সদস্যা দুলালী বাউরি বলেন, “এদিনের ফর্ম ফিলাপের কাজ সরকারি দফতরের আধিকারিকদের উপস্থিতিতে হয়েছে। আমাকে ওই ফর্ম অঞ্চল সভাপতি দিয়েছেন। সরকারি প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপ করতে শুধু মাত্র ১০ টাকা করে নেওয়া হয়।” অপরদিকে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি নিখিল রায় জানান, “ফর্ম ফিলাপের সম্পর্কে কিছু জানিনা। কিছু মানুষের টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকছে না। রবিবারে এমন কাজের কোনও অনুমোদন দেওয়া হয়নি। এই বিষয়ে তদন্ত করতে বলব।

    বিজেপির বক্তব্য 

    ঘটনায় কথা তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে স্থানীয় (Purba Bardhaman) বিজেপি নেতা বলেন, “নির্বাচন ঘোষণার পর মানুষকে ভুল বুঝিয়ে তোলাবাজি করা হচ্ছে। এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে আমরা অভিযোগ করব।” জেলা শাসক বিধান রায় বলেন, “খোঁজ নিয়ে দেখবো। প্রয়োজনে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: ‘নির্বাচন কমিশনকে বসিয়ে, জলটল দিয়ে দেবেন’, কেষ্টর বুলি মালদার তৃণমূল প্রার্থীর গলায়

    Malda: ‘নির্বাচন কমিশনকে বসিয়ে, জলটল দিয়ে দেবেন’, কেষ্টর বুলি মালদার তৃণমূল প্রার্থীর গলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট আসলেই বিরোধী রাজনৈতিক দলকে নিয়ে অনুব্রত মণ্ডলের গলায় গরমাগরম ডায়গল শোনা যেত। গরু পাচার কাণ্ডে তিনি এখন তিহার জেলে রয়েছেন। কেষ্টকে দেখেও শিক্ষা হয়নি তৃণমূলের নেতাদের। এবার লোকসভা ভোটের প্রচারে মালদা (Malda) উত্তর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখেও কেষ্টর বুলি শোনা গেল। নির্বাচন কমিশনকে রীতিমতো হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রাক্তন এই আইপিএস। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই তৃণমূল প্রার্থীর বক্তব্যের বিরোধিতা করে নির্বাচন কমিশনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিজেপি।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল প্রার্থী? (Malda)

    এমনিতেই তৃণমূল প্রার্থীর হয়ে বড় কোনও নেতা প্রচারে নামা শুরু করেননি। বিশেষ করে তৃণমূল নেত্রী মৌসুম বেনজির নূরকে এখনও পর্যন্ত প্রচারে সেভাবে দেখা যায়নি। ফলে, দলের মধ্যে কোন্দল একেবারে সামনে চলে এসেছে। এই অবস্থায় অনুব্রতের মতো গরামগরম বুলি বলে তৃণমূল প্রার্থী বাজিমাত করতে চাইছেন বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। হরিশচন্দ্রপুরে উত্তর মালদার (Malda) তৃণমূল প্রার্থী প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় প্রচারে গিয়েছিলেন। এই প্রসূনকে এক সময় মালদাবাসী পুলিশকর্তা হিসাবে চিনতেন। এবার তিনি ভোটের প্রার্থী। ভোট প্রচারে নেমে প্রসূন কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “প্যারামিলিটারি যদি ভয় দেখায় আমার নাম প্রসূন ব্যানার্জি। ম্যায় হুঁ না। নির্বাচন কমিশনকে বসিয়ে রাখতে হবে এখানে। ভাল করে জলটল দিয়ে দেবেন। ওদের অযত্ন করবেন না। ওনারাও চাকরি করেন। কোনও অযত্ন করবেন না। শুধু বলবেন প্রসূন ব্যানার্জি খেলতে এসেছে। বুটের দপদপানি, একে-৪৭ দিয়ে কোনও লাভ নেই। বুঝে নেবো সব। আইনকানুন, অবজারভার বুঝে নেবে। সকলকে সম্মান দেবেন। প্রতিপক্ষকে সম্মান দেবেন, কাউকে কুকথা বলবেন না।”

    আরও পড়ুন: রচনার কর্মিসভায় গরহাজির বহু তৃণমূল নেতা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    মালদা (Malda) উত্তরের বিদায়ী সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, ” যিনি আজ এখানে ধমকাচ্ছেন, ভাবছেন সকলে ঘরে ঢুকে যাবে। এসব করে কোনও লাভ হবে না। আমরা তৃণমূলের প্রতিটা চমকানো ধমকানো নিয়ে নির্বাচন কমিশনে জানাব।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: চাকরির নামে আর্থিক দুর্নীতি ও প্রতারণা! অভিযুক্ত আরও এক শাহজাহান, চেনেন তৃণমূল নেতাকে?

    TMC: চাকরির নামে আর্থিক দুর্নীতি ও প্রতারণা! অভিযুক্ত আরও এক শাহজাহান, চেনেন তৃণমূল নেতাকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির শাহজাহানের মতো এবার পূর্ব মেদিনীপুরের আরেক তৃণমূল (TMC) নেতা শাহজাহানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে শোরগোল পড়েছে। দুই জনের নামের যেমন মিল তেমনি রাজনৈতিক দলও এক। এই তৃণমূল নেতার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে তাঁকে স্পষ্ট বলতে শোনা যাচ্ছে, “আমার ২০০০ টাকা লাগবে।” তবে ভিডিও কয়েক বছরের পুরাতন হলেও লোকসভার আগে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    এলাকার মানুষের অভিযোগ (TMC)

    শিল্পাঞ্চল হলদিয়ার একটি বাড়িতে ভিডিও রেকর্ড করা হয় বলে জানা গেছে। সেখানকার এক বাড়ির মালিক শেখ ইব্রাহিম আলি বলেছেন, “আমার এক আত্মীয়ের সরকারি চাকরির জন্য তৃণমূল নেতা (TMC) শেখ শাহজাহানকে পাঁচ লক্ষ টাকা দিয়েছিলাম। তিনি আমার বাড়িতে এসে বলেন, দুই হাজার টাকা গাড়িভাড়া হিসাবে অতিরিক্ত দিতে হবে। বাকি পুরো টাকাটা সরকারি আধিকারিককে দিতে হবে। কিন্তু টাকা দেওয়ার ৩ থেকে ৪ বছর অতিক্রান্ত হলেও এখনও চাকরির খোঁজ নেই। আমি আমার টাকাও ফেরত পেলাম না।”

    টাকা নিয়ের চাকরির প্রতারণা (TMC)

    এলাকার প্রতারণার শিকার আরও এক ব্যক্তি সমরেশ সামন্ত বলেন, “তৃণমূল (TMC) নেতা শাহজাহান আমাকে বলেছিলেন খাদ্য দফতরের চাকরি করে দেবেন। সেই জন্য ৫ লাখ টাকা দিয়েছিলাম। কিন্তু আজও কাজ মেলেনি।” আবার শেখ কামরুল আলম অভিযোগ করে বলেন, “আমাকে সরকারি চাকরি করে দেওয়ার নাম করে ৫০ হাজার টাকা নিয়েছিল। আরও ৫ লাখ টাকা চেয়েছিলেন। কিন্তু দিতে পারব না বলে জানিয়েছিলাম। কিছু টাকা ফেরত পেলেও এখনও অনেক টাকা বাকি।” এলাকার মানুষ ডায়মণ্ডহারবারে পুলিশের কাছে অভিযোগ করলে পুলিশ অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে।

    পুলিশের বক্তব্য

    ভোটের মুখে সেই ভিডিও ভাইরাল হলে প্রতারণার শিকার ব্যক্তিরা থানায় গিয়ে অভিযোগ করলে পুলিশ নিতে চায়নি। এরপর হলদিয়া এসডিপিওকে সংবাদ মধ্যম ফোন করলে তিনি বলেন, “২০২০ সালের ঘটনা। এই বিষয়ে এখন কিছু বলার নেই। তবে এই তৃণমূল নেতার (TMC) বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিলে পুলিশ তদন্ত করবে।”

    শাহজাহানের বক্তব্য

    এই বিষয়ে শাহজাহান নিজের আর্থিক লেনদেনের কথা স্বীকার করে বলেন, “আমি কাউকে চাকরির প্রতিশ্রুতি দেইনি। যার বাড়িতে টাকা নেওয়া হয়েছে সেখানে আমাকে সাক্ষী হিসাবে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। আমি মাত্র ২০০০ টাকা নিয়েছিলাম। এর থেকে বেশী টাকা আমি চাইনি।” এইবিষয়ে স্থানীয় তৃণমূল (TMC) নেতা শেখ শাহানুল্লাহ খান বলেন, “বিষয়টি আমি শুনেছি। তবে সত্যতা এখনও জানিনা। অনুসন্ধান করে বলব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Rachna Banerjee: রচনার কর্মিসভায় গরহাজির বহু তৃণমূল নেতা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    Rachna Banerjee: রচনার কর্মিসভায় গরহাজির বহু তৃণমূল নেতা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোন্দলে লাগাম টানতে সেলিব্রিটি প্রার্থী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Rachna Banerjee) হুগলি লোকসভায় প্রার্থী করেছে তৃণমূল। কর্মীদের উচ্ছ্বাসে জোটবদ্ধ হয়ে প্রচার করার কথা। কিন্তু, টলিউড অভিনেত্রীকে প্রার্থী করেও যে গোষ্ঠীকোন্দলে লাগাম পরেনি, লোকসভা ভোটের প্রচারের শুরুতেই তা কার্যত স্পষ্ট হয়ে গেল। রবিবার দলের প্রার্থী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কর্মিসভায় অনেক নেতাকেই দেখা গেল না। এই তালিকায় দলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি থেকে বিভিন্ন পঞ্চায়েতের প্রধান-উপপ্রধানরা রয়েছেন।

    কর্মিসভায় গরহাজির বহু পুরানো তৃণমূল কর্মী! (Rachna Banerjee)

    রবিবার বিকেলে পান্ডুয়ায় জিটি রোডের ধারে একটি প্রেক্ষাগৃহে কর্মিসভা হয়। সেখানে তৃণমূল প্রার্থী রচনা (Rachna Banerjee) ছাড়াও বিধায়ক রত্না দে নাগ, ধনেখালির বিধায়ক অসীমা পাত্র, জেলা সভাধিপতি রঞ্জন ধারা প্রমুখ ছিলেন। তবে, প্রাক্তন ব্লক সভাপতি অসিত চট্টোপাধ্যায়, তৃণমূল নেতা সঞ্জয় ঘোষ, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ময়না মাজি-সহ কয়েক জন কর্মাধ্যক্ষ, পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি চম্পা হাজরা আসেননি। ব্লকে তৃণমূলের দখলে থাকা ১৪টি পঞ্চায়েতের কয়েক জন কর্মাধ্যক্ষ আসেননি। ব্লকে তৃণমূলের দখলে থাকা ১৪টি পঞ্চায়েতের মধ্যে বেশিরভাগের প্রধান-উপপ্রধানদেরও দেখা যায়নি। তৃণমূলের প্রবীণ নেতা অসিত চট্টোপাধ্যায় বলেন, “প্রার্থীকে জেলা এবং ব্লকের নেতারা ভুল বোঝাচ্ছেন। তৃণমূলের জন্মলগ্ন থেকে দলে রয়েছি। অনেক ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্যে দলের নেতৃত্ব দিয়েছিলাম। অথচ, প্রার্থীকে নিয়ে কর্মিসভায় ডাকই পেলাম না।”পঞ্চায়েত প্রধানের বক্তব্য, “আমরা ডাক পাইনি। প্রেক্ষাগৃহ ভরাতে অন্য ব্লক থেকে কর্মীদের আনতে হয়েছে।”

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    তৃণমূলের ব্লক সভাপতি আনিসুল ইসলাম বলেন, “ব্লক তৃণমূলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে জানানো হয়েছিল। এ ছাড়াও ফোনে সবাইকে বলা হয়েছে। অনেকেই এসেছেন। তাই, জানানো হয়নি যাঁরা বলছেন, তাঁরা ঠিক বলছেন না।” রত্নারও দাবি, “সবাইকে জানানো হয়েছিল।” হুগলি-শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতি অরিন্দম গুঁইনের প্রতিক্রিয়া, “কোনও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নয়, মনোমালিন্য হয়েছে। মিটিয়ে নেব।”

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: ‘তৃণমূল পরিচয় দিয়ে ভোট চাইতে লজ্জা পাচ্ছেন কর্মীরা’, বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়ক

    North 24 Parganas: ‘তৃণমূল পরিচয় দিয়ে ভোট চাইতে লজ্জা পাচ্ছেন কর্মীরা’, বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা এখন জেলে। জেলায় জেলায় কাটমানি, তোলাবাজি চালানোর অভিযোগ উঠছে শাসক দলের নেতা -কর্মীদের বিরুদ্ধে। দোসর এখন সন্দেশখালি কাণ্ড। রাস্তাঘাটে সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে তৃণমূলকে ছি ছি করছেন সাধারণ মানুষ। এই অবস্থায় তৃণমূল কর্মীরা নিজেদের পরিচয় দিতে লজ্জা বোধ করছেন। ভোট চাইতে কর্মীদের লজ্জা হচ্ছে। এটা বিরোধীরা প্রচার করছেন এমন নয়। খোদ উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) জেলা পরিষদের সভাধিপতি তথা অশোকনগরের তৃণমূল বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামী দলীয় কর্মীদের সম্পর্কে প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন, ‘দলীয় কর্মীরা ভোট চাইতে লজ্জা পাচ্ছেন’। বিধায়কের এই মন্তব্যে চরম অস্বস্তিতে তৃণমূল কংগ্রেস।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল বিধায়ক? (North 24 Parganas)

    শনিবার উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) অশোকনগরের রাজীবপুর-বিড়া এলাকায় হাবড়া ২ ব্লক তৃণমূলের কর্মিসভা ছিল। সেখানেই কর্মীদের উদ্দেশে নারায়ণ গোস্বামী বলেন, ‘দলের অনেক কর্মী রয়েছেন, প্রকাশ্যে যাঁরা নিজেদের তৃণমূল কর্মী পরিচয় দিতে লজ্জা বোধ করছেন। ট্রেনে বাদাম বিক্রেতা যদি বাদাম নিয়ে চুপ করে থাকেন, যদি ভাবেন সম্মান নষ্ট হবে, তা হলে তাঁর বাদাম বিক্রি হবে? তৃণমূল কর্মী মানে ফেরিওয়ালা। কিন্তু পাড়ার লোককে গিয়ে তৃণমূলকে ভোট দিন বলতে লজ্জা পাচ্ছি’! তৃণমূল বিধায়কের এই ভিডিও (সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম) ‘ভাইরাল’ হয়েছে। নারায়ণ পরে অবশ্য দাবি করেন, আমার মন্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “কিছু বুথে কর্মীদের নিষ্ক্রিয়তার জন্য হার হয়। তাঁদের উৎসাহিত করতে ওই কথা বলেছি। তার মানে কি তৃণমূল খারাপ?” ওই কর্মিসভায় নারায়ণের সঙ্গে ছিলেন বারাসত কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী কাকলি ঘোষ দস্তিদারও। তিনি বলেন, “এটা ওঁর ব্যক্তিগত মত।”

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    তৃণমূল বিধায়কের বক্তব্য প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য কমিটির সদস্য তাপস মিত্র বলেন, “নারায়ণবাবু যে কথাটা বলেছেন, তা রাজ্যের মানুষের মনের কথা। তিনি কর্মিসভায় প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন, তৃণমূল দলটা করলেও অনেকে পরিচয় দিতে লজ্জা পান। এর থেকে প্রমাণিত হয়, রাজ্যের মানুষ তৃণমূলকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তৃণমূলের নেতারা রাস্তায় বের হলে সাধারণ মানুষ ‘চোর’ বলে দেগে দিচ্ছেন। এতদিন পর আসল সত্যিটা বলেছেন তৃণমূল বিধায়ক।”

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: তৃণমূল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দলেরই কাউন্সিলরের আবাস দুর্নীতির অভিযোগ

    Murshidabad: তৃণমূল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দলেরই কাউন্সিলরের আবাস দুর্নীতির অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ধুলিয়ান পুরসভার চেয়ারম্যান ইনজামুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন তৃণমূলেরই ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পারভেজ আলম ওরফে পুতুল। পুর এলাকার সমস্ত ওয়ার্ডের উপভোক্তাদের আবাস যোজনার টাকা প্রদান করা হলেও গোষ্ঠী কোন্দল এবং প্রতিহিংসার কারণে শুধুমাত্র ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বেশ কিছু উপভোক্তাদের টাকা আটকে রেখেছেন খোদ চেয়ারম্যান। ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে আবাস যোজনায় দুর্নীতি ফের প্রকাশ্যে।

    সাংবাদিক সম্মলেন করে অভিযোগ (Murshidabad)

    তৃণমূল কাউন্সিলর এদিন সাংবাদিক সম্মেলন করে ধুলিয়ান পুরসভা (Murshidabad) চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। এদিন তিনি এলাকার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের উপভোক্তাদের অভিযোগ তুলে ধরেন। কাউন্সিলর স্পষ্ট বলেন, “উপভোক্তরা টাকা পাওয়ার জন্য যে কয়েকজন অফিসারের স্বাক্ষর দরকার, তারা সবাই স্বাক্ষর করলেও প্রতিহিংসা করে শুধুমাত্র চেয়ারম্যান স্বাক্ষর করেননি। ফলে বকেয়া টাকা আটকে রয়েছে। চরম দুর্বিষহ অবস্থায় দিন কাটাতে হচ্ছে আবাস যোজনার উপভোক্তাদের।” এখানেই তিনি থেমে থাকেননি, বৈষম্যমূলক আচরণের প্রতিবাদে এবং চেয়ারম্যানের প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে প্রকাশ্যে বিজেপিতে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন।

    এলাকার মানুষের অভিযোগ

    ধুলিয়ান পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের (Murshidabad) বঞ্চিত উপভোক্তাদের অভিযোগ, “দীর্ঘ দেড় বছর ধরে বাড়িতে খোলা অবস্থায় রয়েছেন। কেউ ভিত পর্যন্ত, কেউ আবার বাড়ির কিছুটা অংশ উঠিয়ে টাকা না পেয়ে বেকায়দায় পড়ে রয়েছেন। এই অবস্থায় আমাদের আর্থিক বরাদ্দের টাকা না দিলে আমাদের ঘরের কাজ সম্পন্ন হচ্ছে না। আমাদের সঙ্গে প্রতিহিংসার রাজনীতি করা হচ্ছে।” উল্লেখ করা যেতে পারে, ধুলিয়ান পুরসভার কাউন্সিলর পারভেজ আলম পুতুল ২০২২ সালে কংগ্রেসের প্রতীকে জয়লাভ করে পুরসভায় বিরোধী দলনেতা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছিলেন। কিন্তু মাস ছয়েক আগেই কংগ্রেস ছেড়ে জেলা সভাপতির হাত থেকে পতাকা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন। এরপর থেকে দলের অন্দরে কোন্দল শুরু হয়। 

    চেয়ারম্যানের বক্তব্য

    এদিকে দলেরই কাউন্সিলর পারভেজ আলম পুতুলের যাবতীয় অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়ে ধুলিয়ান (Murshidabad) পুরসভার চেয়ারম্যান ইনজামুল ইসলাম বলেন, “সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন অভিযোগ। ইতিমধ্যেই সমস্ত ওয়ার্ডের পাশাপাশি ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ২৪ জন উপভোক্তাকে ব্যাঙ্কে টাকা প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি সোমবারের মধ্যে বাকি আরও ১৫ জন উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে টাকা প্রদান করা হবে। চেয়ারম্যান আরও বলেন, “যারা টাকা পাওয়ার কথা, তাদের নাম না দিয়ে তার সাঙ্গপাঙ্গদের টাকা দেওয়ার চেষ্টা করছে ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ওই কাউন্সিলর। আমরা সেটা বানচাল করে ন্যায্য প্রাপকদের দিয়েছি। এতেই ওই কাউন্সিলরের গাত্রজ্বালা হচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: বালুরঘাট-দিল্লি ট্রেন ঘোষণার পর ‘রূপকার’ সুকান্তকে সামনাসামনি পেয়ে বেজায় খুশি ভোটাররা

    BJP: বালুরঘাট-দিল্লি ট্রেন ঘোষণার পর ‘রূপকার’ সুকান্তকে সামনাসামনি পেয়ে বেজায় খুশি ভোটাররা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট থেকে সোজা দিল্লি যাবে ট্রেন। শনিবারই তা ঘোষণা করা হয়েছে। রবিবার বালুরঘাট তহ বাজারে ভোট প্রচারে সুকান্ত মজুমদারকে পেয়ে খুশি ব্যবসায়ী থেকে সাধারণ মানুষ। ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার পর প্রথম রবিবারের সকালেই প্রচারে বেরিয়ে পড়লেন বালুরঘাটের বিজেপি (BJP) প্রার্থী ও বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এদিন একটানা প্রায় দেড় ঘণ্টা জনসংযোগ করেন বিজেপি প্রার্থী।

    জন সংযোগে সুকান্ত (BJP)

    সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে ব্যবসায়ী সকলের সঙ্গে কথা বলেন বিজেপি (BJP) প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার। তাঁকে হাতের কাছে পেয়ে বালুরঘাটের সাধারণ মানুষ তাদের অভাব অভিযোগ দাবির কথা জানান। তিনি স্থানীয় বাসিন্দাদের আশ্বস্ত করেছেন বালুরঘাটে যে সমস্ত সমস্যা রয়েছে, সেগুলি নতুন সরকার গঠিত হওয়ার পর সেখানে আলোচনা করে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা হবে। এদিন সকালে বালুরঘাটের তহ বাজারে সুকান্ত মজুমদারকে কাছে পেয়ে খুশি ব্যবসায়ী থেকে সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে শনিবার বালুরঘাট -দিল্লি ট্রেন ঘোষণা হওয়ায় খুশি জেলাবাসী।

    ৫০ হাজার ভোটে লিড

    গত লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল প্রার্থী অর্পিতা ঘোষকে হারিয়েছিলেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। জয়ের ব্যবধান ছিল ৩০ হাজারের বেশি। এবার বালুরঘাট থেকেই অন্ততপক্ষে পঞ্চাশ হাজার ভোটে লিড নেবেন বলে আশাবাদী সুকান্ত মজুমদার। একদিকে রেলের  একাধিক প্রকল্প, অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঘোষিত নানা সামাজিক প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন সাধারণ মানুষ। সাংসদকে সংসদে বলতে দেখা গেছে বারবার। যে কারণে সাধারণ মানুষের প্রতিনিধিত্বতে তিনি কোনওরকম খামতি রাখেননি বলে মত প্রকাশ করেছেন তিনি।

    বালুরঘাট-দিল্লি ট্রেন ঘোষণা হতে খুশি এলাকাবাসী

    রবিবাসরীয় প্রচারে অন্য কোনও রাজনৈতিক দলকে দেখা যায়নি বালুরঘাটে। বিপ্লব মিত্র তৃণমূল প্রার্থী তার কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে মিটিং করেছেন তাঁর বাসভবনে। বামফ্রন্টের তরফ থেকে আরএসপি প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হলেও এখনও বামপন্থীদের সেভাবে প্রচারে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়নি। এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, আমি মানুষের অভাব অভিযোগের কথা শুনেছি। তাঁদেরকে আশ্বস্ত করি বালুরঘাটে যে সমস্ত সমস্যা আছে সবগুলো সমাধান করার। এছাড়া বালুরঘাট-দিল্লি ট্রেন ঘোষণা হবার পর মানুষের মধ্যে আলাদা আনন্দ এসেছে।

    তৃণমূলের ঢোল ফেটে গিয়েছে!

    সারা দেশের মধ্যে বাংলা, বিহার ও উত্তরপ্রদেশে ৭ দফায় ভোট। ৭ দফা ভোট প্রসঙ্গে বিজেপি (BJP) প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার বলেন, ৭ দফা ভোট তো কম হয়েছে আমার মতে আট, দশ দফায় ভোট হলে আরো ভালো হতো। এক একটি লোকসভা একটা দফায় ভোট হলে পশ্চিমবঙ্গে  ঠিক মতো ভোট করানো সম্ভব হতো। তবে, ৭ দফায় ভোটে আমাদের কোনও অসুবিধা নেই। তৃণমূল তো পুলিশ ও গুন্ডা বাহিনী দিয়ে ভোট লুট করার চেষ্টা করবে। ৭ দফায় হলে অতটা তারা পারবে না। আমরা ভোট লুট হতে দেব না। আমরা লড়াই করবো। লোকসভায় প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যে একাধিক তৃণমূল নেতা বিদ্রোহ ঘোষণা করছেন। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন,বাংলায় একটা গান আছে ফেটে গেলো কালিরামের ঢোল। তৃণমূলের ঢোল ফেটে গেছে। কোনও কিছু আর সুরে আর তালে মেলে না। সবই এখন বেসুরো।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: টায়ার জ্বালিয়ে ফের বিক্ষোভ সন্দেশখালিতে, উঠল তিন তৃণমূল নেতার গ্রেফতারের দাবি

    Sandeshkhali: টায়ার জ্বালিয়ে ফের বিক্ষোভ সন্দেশখালিতে, উঠল তিন তৃণমূল নেতার গ্রেফতারের দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডি-র ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে শনিবার শেখ শাহজাহানের ভাই আলমগীর শেখ সহ তিনজনকে সিবিআই গ্রেফতার করেছে। সেই গ্রেফতারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রবিবার ফের সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বেড়মজুর বাজারের রাস্তায় নেমে আন্দোলন করলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শাহজাহান ঘনিষ্ঠ আরও তিনজন তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতারের দাবি জানালেন তাঁরা। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন আন্দোলনকারীরা।

    শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তিন তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতারের দাবি (Sandeshkhali)

    ইডি-র ওপর হামলার পর বেপাত্তা হয়ে গিয়েছিলেন শাহজাহান। গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) বিক্ষোভ আন্দোলন শুরু হয়েছিল। জমির জবরদখল থেকে শুরু করে মহিলাদের নির্যাতন-সহ একাধিক অভিযোগে তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখ এবং তাঁর শাগরেদদের গ্রেফতারির দাবিতে পথে নেমেছিলেন সন্দেশখালির মহিলারা। গত ২৯ ফেব্রুয়ারি শাহজাহানের গ্রেফতারির পর সেই আন্দোলন কিছুটা থিতিয়েছিল। পরে গ্রেফতার করা হয়েছিল শাহজাহান-ঘনিষ্ঠ, সরবেড়িয়ার গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান জিয়াউদ্দিন মোল্লা, ফারুক আকুঞ্জি এবং দিদার বক্স মোল্লাকেও। শনিবার শাহজাহানের ভাই আলমগীর শেখ এবং শাহজাহানের আরও দুই সঙ্গী মাফুজার মোল্লা এবং সিরাজুল মোল্লা গ্রেফতার হয়েছে সিবিআইয়ের হাতে। এই পরিস্থিতিতেই রবিবার সন্দেশখালির বেড়মজুরে নতুন করে শুরু হয় বিক্ষোভ। এদিন যে তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারির দাবিতে সরব হয়েছেন গ্রামবাসীরা, তাঁরা হলেন, বেড়মজুর দুই নম্বরে গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হাজি সিদ্দিক মোল্লা, তৃণমূল নেতা হাশেম মোল্লা এবং জুলফিকার মোল্লা। এঁদের বিরুদ্ধেও জমিদখল এবং মানুষের ওপর অত্যাচারের অভিযোগ রয়েছে। প্রত্যেকেই শাহজাহান ঘনিষ্ঠ। এলাকায় রয়েছেন তাঁরা। তাঁদের গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়েছে।

    বসিরহাট আদালতে তোলা হল আলমগীরকে

    অন্যদিকে, শনিবার শাহজাহানের ভাই আলমগিরকে গ্রেফতার করার পর রবিবার তাঁকে বসিরহাট আদালতে তোলে সিবিআই। তাঁর সঙ্গে আনা হয় শাহজাহানের আরও দুই সঙ্গী মাফুজার মোল্লা এবং সিরাজুল মোল্লাকে। এঁদেরকে সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ইডির ওপর হওয়া হামলা সংক্রান্ত মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল। সেই মামলার সূত্রেই আদালতে তোলা হয় তাঁদের।

    বিজেপি-র শিবির সন্দেশখালিতে

    শনিবার থেকেই বিজেপি নেত্রী তথা আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালের নেতৃত্বে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মানুষের অভিযোগ নেওয়ার শিবির শুরু হয়েছে। শনিবার শিবিরের প্রচুর মানুষ অভিযোগ জানাতে ভিড় করেছিলেন। রবিবারও সন্দেশখালির ত্রিমোহিনী এলাকায় শুরু হয় অভিযোগ গ্রহণ শিবির। প্রিয়াঙ্কা ছাড়াও সেখানে রয়েছেন ২০ জন আইনজীবীর প্রতিনিধিদল। এদিনও ভিড় বাড়তে শুরু করে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share