Tag: tmc

tmc

  • TMC: চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণা, রানাঘাট থেকে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা

    TMC: চাকরি দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণা, রানাঘাট থেকে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরি দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা করার অভিযোগে গ্রেফতার হলেন রানাঘাটের এক তৃণমূল (TMC) নেতা। রবিবার রাতে রানাঘাট থানার আইসতলা থেকে সৌভিক ঘোষ ওরফে গুড্ডু নামের ওই তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করে ডায়মন্ডহারবার জিআরপি পুলিশ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (TMC)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতারিত যুবকের নাম পার্থ মাইতি। তাঁর বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া এলাকায়। ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে পার্থ মাইতির সঙ্গে বেশ কয়েকজনের আলাপ হয় শিয়ালদা ডায়মন্ড হারবার শাখার হোটর স্টেশনে। রাজ্য সরকারের কর্মচারী বলে নিজেদেরকে পরিচয় দেন তাঁরা। এমনকী পার্থ মাইতিকে তাঁরা জানান যে রাজ্য সরকারের গ্রুপ ডি তে তাঁরা চাকরি করে দিতে পারেন। এরপরেই অর্থের বিনিময়ে সরকারি চাকরি দেওয়ার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রায় ৯ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন তাঁরা। এই ঘটনায় ডায়মন্ডহারবার জিআরপি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন পাঁশকুড়ার বাসিন্দা পার্থবাবু। অভিযোগের পর ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে রানাঘাটের এই তৃণমূল (TMC) নেতার নাম সামনে আসে। আর এর পরই রবিবার রাতে আইসতলা থেকে ওই তৃণমূলের নেতাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। প্রসঙ্গত, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে নদিয়া জেলা পরিষদের আসনে আইসতলা থেকে তৃণমূলের টিকিটে প্রার্থী ছিলেন সৌভিক ঘোষ ওরফে গুড্ডু নামের ওই তৃণমূল নেতা। ধৃত সৌভিক ঘোষের পাশাপাশি আরও চারজনের নাম উঠে আসে তদন্তে। ধৃত সৌভিক ঘোষকে সোমবার ডায়মন্ড হারবার এসিজেএম আদালতে  হলে বিচারক ৫ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।

    অনেকের কাছে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা অভিযোগ

    এলাকায় যথেষ্ট প্রভাব ছিল তৃণমূল (TMC) নেতা সৌভিক ঘোষের। একাধিক মানুষের কাছ থেকে এই ভাবেই চাকরি দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা তুলেছে ওই তৃণমূল নেতা। যদিও বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে রানাঘাট ব্লক তৃণমূল নেতৃত্ব। অন্যদিকে, ওই তৃণমূল নেতাকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র করে গ্রেফতার করেছে বলে দাবি করেছে ধৃত তৃণমূল নেতার পরিবারের লোকজন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: ঘর ভাঙচুর, ৮০ হাজার টাকা লুট! থানায় নতুন এফআইআর শাহজাহানের নামে

    Sheikh Shahjahan: ঘর ভাঙচুর, ৮০ হাজার টাকা লুট! থানায় নতুন এফআইআর শাহজাহানের নামে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডি-র ওপর হামলার পর থেকে বেপাত্তা সন্দেশখালির ‘বেতাজ বাদশা’ শেখ শাহজাহান (Sheikh Shahjahan)। তাঁকে ধরার বিষয়ে কোনও হেলদোল নেই। শাহজাহানকে গ্রেফতারির দাবিতে ক্ষোভে ফুঁসছেন সন্দেশখালিবাসী। এই আবহের মধ্যে এবার শাহজাহানের বিরুদ্ধে সন্দেশখালি থানায় নতুন করে অভিযোগ দায়ের করা হল। গৌর দাস নামে এক ব্যক্তি দাপুটে ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

    ঘর ভাঙচুর, ৮০ হাজার লুটে অভিযুক্ত শাহজাহান! (Sheikh Shahjahan)

    আগে শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) বিরুদ্ধে অভিযোগ করার সাহস ছিল না। কেউ বুকে সাহস নিয়ে থানায় গেলেও পুলিশ অভিযোগ জমা না নিয়ে ফিরিয়ে দিত। জনরোষ তৈরি হতেই  দুয়ারে পুলিশ ক্যাম্প শুরু হয়েছে। সেখানে অভিযোগ জমা নেওয়া চলছে। পাশাপাশি থানাতেও অভিযোগ জমা নেওয়া হচ্ছে। জানা গিয়েছে, নতুন এফআইআরে শাহজাহানের বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযোগকারী গৌরবাবুর ৮০ হাজার টাকা লুট করা হয়েছে। এছাড়া, তাঁর ঘরবাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগও রয়েছে শাহজাহানের বিরুদ্ধে। তবে, শুধু শাহজাহান একা নন, শিবু হাজরা, উত্তম সর্দার-সহ মোট আট জনের বিরুদ্ধে ওই এফআইআর হয়েছে। এতদিন যে পুলিশ অভিযোগ নিত না, সেই অভিযোগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে বসিরহাট জেলা পুলিশ। এমনই মত এলাকাবাসীর।

    শাহজাহানকে গ্রেফতারে বাধা নেই, জানিয়ে দিল হাইকোর্ট

    শাসকদলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতের বিধিনিষেধের কারণে পুলিশ শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে পারছে না বলে সাফাই দিয়েছিলেন। সোমবার হাইকোর্টে সেই প্রসঙ্গে উঠলে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম স্পষ্ট করে জানান, ইডির মামলায় সিট গঠনের ওপর স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছিল। শাহজাহানকে গ্রেফতার করার বিষয়ে কোনও স্থগিতাদেশ আদালত দেয়নি। পুলিশ চাইলেই তাঁকে গ্রেফতার করতে পারে। শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan) এই মামলায় যুক্ত করে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন বিচারপতি। এর পরেই জানা গেল সন্দেশখালি থানায় শাহজাহানের বিরুদ্ধে নতুন এফআইআর দায়ের হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ফের উত্তপ্ত সন্দেশখালি, ঝাঁটা হাতে মহিলারা, জ্বলল খড়ের গাদা, ভাঙচুর তৃণমূল নেতার বাড়ি

    Sandeshkhali: ফের উত্তপ্ত সন্দেশখালি, ঝাঁটা হাতে মহিলারা, জ্বলল খড়ের গাদা, ভাঙচুর তৃণমূল নেতার বাড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ সিরাজউদ্দিন, অজিত মাইতির পর আরও এক তৃণমূল নেতা শঙ্কর সর্দারের শাস্তির দাবিতে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বেড়মজুর গ্রামের পোলপাড়ায় লাঠি, ঝাঁটা হাতে বিক্ষোভ দেখালেন আদিবাসী মহিলারা। তৃণমূল নেতা শঙ্করের বাড়়িতে ঢুকে ভাঙচুর চালানো হয়। ঘরের সব জিনিস ভেঙে ফেলা হয়। রান্না ঘরের বেড়া টেনে হিঁচড়ে ভেঙে ফেলা হয়। রান্না করা খাবার ফেলে দেওয়া হয়। খড়ের গাদায় আগুন দেওয়া হয়। ফলে, রবিবারের পর সোমবারও নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সন্দেশখালি।

    তৃণমূল নেতা শঙ্করের বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ? (Sandeshkhali)

    রবিবার তৃণমূল নেতা অজিত মাইতিকে তাড়া করেন মহিলারা। চার ঘণ্টা একটি বাড়িতে তাঁকে ঘেরাও করে রাখা হয়। পরে, পুলিশ আটক করার পর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এদিন তৃণমূল নেতা শঙ্কর সর্দারের ওপর ক্ষোভ গিয়ে পড়ে। জানা গিয়েছে, সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বেড়মজুরের পোলপাড়ায় ৪২ বিঘা জমি ভুয়ো নথি তৈরি করে হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ শেখ সিরাজউদ্দিনের বিরুদ্ধে। সেই কাজে সিরাজউদ্দিনকে সাহায্য করেছিল অজিত মাইতি, শঙ্কর সর্দার। এমনই দাবি বিক্ষোভকারী মহিলারা। কীভাবে অজিত মাইতি হুমকি দিতেন তাঁর ভাইরাল অডিও এদিন প্রকাশ্যে আনলেন মহিলারা। সেই সঙ্গে একরাশ ক্ষোভ। পারিবারিক অশান্তির জেরে এক মহিলা শঙ্করের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগও করেন। কথা না শুনলে কী ভাবে সিরাজউদ্দিন বাহিনী মারধর করে, তাও অভিযোগে উঠে এসেছে। আইন হাতে তুলে না নেওয়ার কথা বলে পুলিশ। তাতে আরও রাগ বেড়ে যায় বিক্ষোভকারীদের। এক বিক্ষোভকারী মহিলা জানালেন, “আমাদের জমি দখল করেছে শঙ্কর। মুরগি পুষতাম তাও নিয়ে নিয়েছে। ওকে ছেড়ে দেব? যখন আমাদের উপর অত্যাচার হয়েছে কোথায় ছিল প্রশাসন?” যদিও তৃণমূল নেতার মেয়ে বলেন, “আমার পিসি অসুস্থ। বাবা ওনাকে দেখতে গিয়েছে। তাও শুনল না। বাড়ি ভাঙচুর করল। আমার বাবা কোনও অন্যায় করেনি।”

     তৃণমূলের প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়ির সামনেও বিক্ষোভ

    তৃণমূল নেতা শঙ্কর সর্দারের পাশাপাশি প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান তপন সর্দারের বাড়ির সামনেও বিক্ষোভ দেখায় উত্তেজিত জনতা। জবকার্ড সংক্রান্ত বিষয়ে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন সন্দেশখালির (Sandeshkhali) দঙ্গলপাড়ার গ্রামবাসী। তৃণমূল নেতা জব কার্ড নিয়ে প্রচুর দুর্নীতি করেছেন। তবে পুলিশ পৌঁছে হটিয়ে দেয় বিক্ষোভরত মহিলাদের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: প্রকাশ্যে তৃণমূলের উপ প্রধানকে গুলি করে খুন, জেলাজুড়ে শোরগোল

    North 24 Parganas: প্রকাশ্যে তৃণমূলের উপ প্রধানকে গুলি করে খুন, জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas)  ভাটপাড়া, আমডাঙার পর এবার অশোকনগরের গুমাতে তৃণমূলের উপ পুরপ্রধানকে গুলি করে খুন। মৃত তৃণমূল নেতার নাম বিজন দাস (৪৯)। এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (North 24 Parganas)  

    উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas)  গুমা এলাকায় রবিবার রাতে দলীয় কর্মীর জন্মদিনের পার্টিতে গিয়েছিলেন তৃণমূলের উপ প্রধান। ওই পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন ওই এলাকারই জমি ব্যবসায়ী গৌতম দাস। অনুষ্ঠানের মধ্যে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সামনে ওই পার্টিতেই গৌতম দাসের সঙ্গে বচসা হয় উপ প্রধানের। বচসার পরে গৌতম দাস পার্টি ছেড়ে বেরিয়ে যান এবং কিছুক্ষণ পরে তিনি ফিরে আসেন। এরপরেই তিনি ফিরে এসে ফের বিজন দাসের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন। এরপরই তাঁর মাথা লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয় অভিযোগ। রক্তাক্ত অবস্থায় উপ প্রধান মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এরপর তাঁকে বারাসত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় পর উত্তেজিত জনতা জমি ব্যবসায়ী গৌতম দাসের বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। এরপরেই অশোকনগর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে আসে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান পুরনো শত্রুতার জেরেই উপ প্রধানকে গুলি করে খুন করেছে। এই ঘটনার পরেই এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ইতিমধ্যেই গৌতম দাসের খোঁজে পুলিশ তল্লাশি চালাচ্ছে।

    সাংসদ কী বললেন?

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই গৌতম দাস ২০১৮ সালে একটি ধর্ষণের মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে এলাকায় নানান ধরনের অসামাজিক কাজকর্মের অভিযোগ রয়েছে। তিনি এলাকায় জমি কেনা-বেচা এবং সিন্ডিকেটের সঙ্গেও যুক্ত বলে জানা যাচ্ছে। রাতেই বারাসত মেডিক্যাল কলেজে যান বারাসাতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তিনি বলেন, এটি একটি মর্মান্তিক ঘটনা। দলের জন্য বড় ক্ষতি। বিজন দাস ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে যুব রাজনীতি করেছেন। বর্তমানে তিনি উপ প্রধান ছিলেন। তাঁকে যে এইভাবে খুন হতে হল, সেটি অবিশ্বাস্য লাগছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে আটক করে তদন্ত শুরু করেছে। দোষীরা অবিলম্বে শাস্তি পাবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: তৃণমূলের যুব নেতাকে এলোপাথাড়ি কোপ, দলীয় কোন্দল প্রকাশ্যে

    Murshidabad: তৃণমূলের যুব নেতাকে এলোপাথাড়ি কোপ, দলীয় কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে ফের রীতিমতো উত্তপ্ত হয়ে উঠল মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রঘুনাথগঞ্জ-২ নম্বর ব্লকের সেকেন্দ্রা এলাকা। বিগত বেশকিছু দিন ধরে সেখানে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বারবার প্রকাশ্যে এসেছে। রবিবার সকাল গড়াতেই ফের দুই পক্ষের মধ্যে বাধে বচসা। শুরু হয় হাতাহাতি। ঘটনাস্থলে রঘুনাথগঞ্জ ব্লক যুব তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি ইশানুল শেখ যেতেই তাঁকে বেধড়ক মারধর করে দলেরই অন্য গোষ্ঠীর লোকজন। হাঁসুয়া দিয়ে কোপানো হয়। এই ঘটনায় এলাকায় চা়ঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৮ই ফেব্রুয়ারি থেকে ১০০ দিনের কাজের টাকা দেওয়ার জন্য সহায়তা কেন্দ্র খোলা হয়েছিল। এদিন তার শেষ দিন। সেখানেই তৃণমূলের দুপক্ষের মধ্যে বচসা বাধে। বিষয়টি জানার পরই যুব তৃণমূলের কার্যকরী সভাপতি ইশানুল শেখ সেখানে যাওয়ার সময় তাঁর ওপর দলের অন্য গোষ্ঠীর লোকজন হামলা চালায়। লাঠি এবং লোহার রড দিয়ে হামলা চালানোর পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়। বর্তমানে তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। রঘুনাথগঞ্জ থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী এলাকা শান্তি আইনশৃঙ্খলা যাতে বিঘ্নিত না হয় তারজন্য এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। জঙ্গিপুর এসডিপিও প্রবীর মণ্ডলের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী এলাকায় টহল মারছে। অপরদিকে আহত হন দলের বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর এক কর্মীও। তাঁকে ইতিমধ্যেই উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বর্তমানে বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে ওই এলাকায়।

    তৃণমূলের অ়ঞ্চল সভাপতি কী বললেন?

    তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি মোতাহার হোসেন বলেন, দলের সহায়তা কেন্দ্রে প্রথমদিন থেকে ইশানুল সেখানে ছিলেন। বাড়ি বাড়ি কর্মীদের ডাকেন তিনি। সেই কাজে বাধা দেওয়া হয়। তাঁকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালিয়েছে। এই ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ক্ষোভের আগুনে জ্বলছে সন্দেশখালি, হাসি মুখে কীর্তনে মজে দুই মন্ত্রী

    Sandeshkhali: ক্ষোভের আগুনে জ্বলছে সন্দেশখালি, হাসি মুখে কীর্তনে মজে দুই মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিকে ক্ষোভের আগুনে জ্বলছে সন্দেশখালি (Sandeshkhali), অপর দিকে এলাকা পরিদর্শন করতে গিয়ে রাজ্যের দুই মন্ত্রী কীর্তনে মজেছেন। তৃণমূলের এই মন্ত্রীদের আজ রবিবার পেয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন গ্রামবাসীরা। পলাতক নেতা শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে এলাকার মানুষ গর্জে উঠেছেন। সন্দেশখালি ২ অঞ্চল সভাপতি অজিত মাইতিকে গ্রামবাসীরা হাতে ঝাঁটা নিয়ে তাড়া করেছেন এবং ভয়ে তিনি অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।

    হাসি মুখে বাদ্যযন্ত্রে মজে মন্ত্রী পার্থ (Sandeshkhali)

    শনিবারের পর আজ রবিবার নতুন করে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বেড়মজুর এলাকা। প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে এলাকার মানুষ। অন্যদিকে দিল্লি থেকে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম সন্দেশখালি যেতে গেলে ব্যাপক বাধার মুখে পড়ে। রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক এবং সুজিত বোস গতকালের পর আজ ফের সন্দেশখালি পৌঁছান। তাঁদের অন্য মেজাজে দেখা গেল এদিন। গলায় খোল ঝুলিয়ে হাসিমুখে বাদ্যযন্ত্র বাজাতে দেখা গিয়েছে রাজ্যের মন্ত্রী পার্থকে।

    কী বললেন মন্ত্রী?

    রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক বলেন, “অনেক অভিযোগ প্রশমিত হয়েছে। মানুষের ক্ষোভ অনেক কমে গিয়েছে। মেয়েদের যে অভিযোগগুলি হাইলাইট করা হয়েছিল, তা মিথ্যা। জমি যদি কারও গিয়ে থাকে তাহলে ফেরত পাবেন।” আবার মন্ত্রী সুজিত বোস বলেন, “কার্যত রাজনীতি করতে এইসব কিছু জিইয়ে রাখা হচ্ছে। কিন্তু এই আন্দোলন বেশি দিন এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যাবে না। কিছু মানুষকে দিয়ে জোর করে এইসব কাজ করানো হচ্ছে। কারা করছে আমরা বুঝতে পারছি। বেড়মজুরে (Sandeshkhali) দাঁড়িয়ে সবটাই দেখলাম।”

    ক্ষুব্ধ মহিলার বক্তব্য

    এই কথার প্রতিবাদে এলাকার (Sandeshkhali) এক মহিলা বলেন, “আমাদের বেলায় আইন, আর ওদের বেলায় আইন নেই। এত অভিযোগ যে শেষ করতে পারবো না। এই ঝাঁটা দিয়ে সব আবর্জনা ঝেঁটিয়ে বিদায় করতে হবে। মা-বোনদের ইজ্জত নিয়ে ইচ্ছে মতো খেলা করছে। শুধু আনন্দ উপভোগ করতে চাইছেন। আমরা কোনও মন্ত্রীকে চাই না। মন্ত্রী কী করে বললেন ঝামেলা নেই! উনি কি ঘুমোচ্ছিলেন?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: এ যেন অন্য  সন্দেশখালি, বাঁধের গা থেকে উধাও ইট! অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    Sandeshkhali: এ যেন অন্য সন্দেশখালি, বাঁধের গা থেকে উধাও ইট! অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন ঠিক আরেক সন্দেশখালির খোঁজ মিলল দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। সেখানেও দুর্নীতির অভিযোগে সরব এলাকাবাসী। এলাকার মানুষের অভিযোগ, পুই তেঁতুলতলায় রায়মঙ্গল নদীর বাঁধের গা থেকে উধাও হয়ে যাচ্ছে একের পর এক ইট। রায়মঙ্গলের এক পাশে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) এবং অপর পাশে গোসাবা। সেখানে মূলত অভিযোগ, বাঁধের ইট নদীবাঁধকে রক্ষার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু তা কার্যত দিনে দিনে উধাও হয়ে যাচ্ছে। এলাকার মানুষের অভিযোগ, “এলাকায় কালোবাজারি চলছে। প্রকাশ্য দিনেদুপুরে চুরি হচ্ছে ইট।”

    ইট পাচারে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা (Sandeshkhali)

    স্থানীয় (Sandeshkhali) মানুষদের অভিযোগ, এলাকার তৃণমূল নেতা বাঁধের ইট খুলে বিক্রি করছেন। কোনও সময় গ্রামের বাইরে আবার কোনও সময় খোলা বাজারে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে এই ইট। কার্যত এলাকায় কালোবাজারি চলছে। আর এই কাজের নেতৃত্ব দিচ্ছেন গ্রামের তৃণমূল নেতা নিত্যানন্দ চক্রবর্তী। তিনি আবার এলাকার তৃণমূল নেতা রঞ্জন মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ বলেও জানা গিয়েছে। এলাকার বাসিন্দা দেবব্রত মণ্ডল জানিয়েছেন, “রঞ্জনবাবু তো এসেছিলেন এলাকায়, তাঁদের নির্দেশে ইটগুলো তুলে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। স্থানীয় ক্লাবেও কিছু ইট পাচার করা হয়েছে। আমরা প্রতিবাদ করতে গেলে আমাদের মারবে।”

    তৃণমূল নেতার বক্তব্য

    স্থানীয় তৃণমূল নেতা নিত্যান্দ চক্রবর্তী সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, “পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে ওই ইটগুলি রাস্তা নির্মাণের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। কোনও ইট বিক্রি করা হয়নি। সবটাই পাবলিকের কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। টাকা নিয়ে ইট দেওয়ার অভিযোগ মিথ্যা।” অপর দিকে রঞ্জন মণ্ডল বলেন, “আমার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ মিথ্যা। বিক্রি যে করা হয়েছে তার প্রমাণ দিতে বলুন। আমি রাজনীতিতে আসার আগে আমার যা সম্পত্তি ছিল আর এখন যা সম্পত্তি হয়েছে সেই বিষয়ে হিসেব নিলেই সব বোঝা যাবে। মানুষের সেবা করা আমার অপরাধ হয়ে গিয়েছে।” অপর দিকে এলাকার বিধায়ক সুব্রত মণ্ডল বলেন, “আমি এমন কোনও খবর পাইনি। এখানে গোষ্ঠী কোন্দলের কোনও বিষয় নেই।”

    তৃণমূলের রাজত্বে মানুষের ক্ষোভে এই পুই তেতুলতলা এখন নতুন এক সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) পরিণত হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ফের ঝাঁটা হাতে রাস্তায় মহিলারা, তাড়া খেয়ে তৃণমূল নেতা আশ্রয় নিলেন অন্যের বাড়িতে

    Sandeshkhali: ফের ঝাঁটা হাতে রাস্তায় মহিলারা, তাড়া খেয়ে তৃণমূল নেতা আশ্রয় নিলেন অন্যের বাড়িতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল সন্দেশখালি (Sandeshkhali)। ঝাঁটা হাতে রাস্তায় বের হলেন মহিলারা। রবিবারও তৃণমূল নেতাদের ওপর সমস্ত রাগ গিয়ে পড়ল জনতার। বেড়মজুরে তৃণমূলের স্থানীয় নেতা অজিত মাইতিকে তাড়া করেন গ্রামবাসীরা। অজিত দৌড়ে পালিয়ে একজনের বাড়িতে ঢুকে পড়েন। তাড়া করে সেখানে পৌঁছে যান গ্রামবাসীরা। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে বেশির ভাগই মহিলা। তাঁদের দাবি, এখনই গ্রেফতার করতে হবে অজিতকে। পরে, পুলিশ গিয়ে উত্তেজিত জনতাতে সামাল দেয়। পরে, তৃণমূল নেতা অজিতকে আটক করে পুলিশ।

    দরজা খুলবেন না, মেরে দেবে, আর্জি তৃণমূল নেতার (Sandeshkhali)

    রাজ্যের দুই মন্ত্রী- সুজিত বসু এবং পার্থ ভৌমিক এলাকাবাসীর কথা শুনবেন বলে তৃণমূলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল। মূলত রবিবার বেলায় তৃণমূল নেতা অজিত মাইতিকে দেখতে পেতেই খেপে ওঠেন গ্রামবাসীরা। তাঁরা ধাওয়া করেন অজিতকে। অজিত প্রাণ বাঁচাতে দৌড় লাগান। দৌড়ে এক ব্যক্তির বাড়িতে ঢুকে পড়েন তিনি। আর ঢুকেই দরজায় তালা মেরে দেন। এ দিকে ওই বাড়ির লোক তখন বাইরে স্নান করছিলেন। স্নান সেরে ঘরে ঢুকতে গিয়ে তিনি দেখেন, দরজায় তালা! ওই ব্যক্তির দাবি, নিমন্ত্রণ আছে বলে সকাল সকাল স্নান সেরে পোশাক পরতে ঘরে ঢুকতে গিয়ে দেখেন দরজায় তালা! আর ভিতর থেকে। অজিতের আর্তি, “দাদা, দরজা খুলবেন না! ওরা আমাকে মেরে ফেলবে!” অজিতের বক্তব্য, ২০১৯ সালে মারধর করে বিজেপি থেকে তৃণমূলে আনা হয়েছিল। মারধরের নেতৃত্বে ছিলেন সিরাজ ডাক্তার। অজিতের দাবি, মারধরের পর তিনি তৃণমূলে যোগ দেন। যদিও স্থানীয়দের অভিযোগ, অসত্য বলছেন অজিত। তিনি নিজেও জমি দখলে যুক্ত ছিলেন। তাই তাঁকে এখনই গ্রেফতার করতে হবে।

    অজিতকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে

    এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল মন্ত্রী পার্থকে। তিনি বলেন, “কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যাঁরা অত্যাচার করেছেন, দল তাঁদের পাশে নেই।” অজিতকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    ১০০০ হাজার টাকা অনুদান চাই না, গর্জে উঠলেন মহিলারা

     রবিবার সন্দেশখালি (Sandeshkhali) গিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক ও সুজিত বসু। তাঁদের দাবি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেই আছে। একদিকে মন্ত্রীরা যখন সন্দেশখালির এক প্রান্তের ক্ষোভ শান্ত করছেন, সেই সময় ফের মহিলাদের একাংশের অভিযোগে জ্বলেছে বেলমজুর। এক মহিলা বলেন, “শেখ শাহজাহান, সিরাজ ডাক্তার, অজিত মাইতির গ্রেফতারি চাই।” অপরদিকে, আরও একজন রণচণ্ডী রূপ ধারণ করেন। বলেন, “আমাদের চাই না ১০০০ টাকা। আমাদের স্বামীরা খেটে খাওয়াতে পারে। কেন পুলিশ আমাদের বাড়ির ছেলেদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে?”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: ‘জেলায় জেলায় শাহজাহান বসিয়ে রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী’, বিস্ফোরক সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: ‘জেলায় জেলায় শাহজাহান বসিয়ে রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী’, বিস্ফোরক সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধু সন্দেশখালি নয়, জেলায় জেলায় একজন করে শেখ শাহজাহান বসিয়ে রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।  তারা  করে কম্মে খাচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী একজন মহিলা হয়েও সন্দেশখালির ঘটনায় নীরব রয়েছেন। মূল অভিযুক্তকে আড়াল করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের মহিলাদের সঙ্গে ছলনা করছেন। রবিবার দিল্লি থেকে বালুরঘাট যাওয়ার পথে বাগডোগরা বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের একথা বলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

      শাহজাহান গ্রেফতার না হওয়া নিয়ে কী বললেন সুকান্ত? (Sukanta Majumdar)

    সন্দেশখালি ইস্যুতে এদিন তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনায় সরব হন। সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, সন্দেশখালিতে জমি দখল, মহিলাদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরও পুলিশ মূল অভিযুক্ত শেখ শাহজাহানকে এখনও গ্রেফতার করেনি। পুলিশ শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতার করবে না। কেননা শেখ শাহজাহানের হয়ে বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাফাই গেয়েছেন। তিনি হোম মিনিস্টার। তার অধীনে রয়েছে পুলিশ। তাই পুলিশ কীভাবে শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতার করবে? তবে, তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, বিজেপি আন্দোলনের মাধ্যমে শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতার করাতে বাধ্য করাবে।

    পুলিশ দেখলে ক্ষেপে যাচ্ছে সন্দেশখালিবাসী

    রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে নয়, তাঁর সাম্রাজ্য সামলাতে গিয়েছিলেন। শাহজাহান তাজমহল বানাচ্ছেন। তাই ডিজি গিয়েও শাহজাহানকে গ্রেফতার করতে পারেননি।  বরং পুলিশ দেখলে সন্দেশখালির মানুষ এখন  ক্ষেপে যাচ্ছেন। কেননা এই পুলিশই দিনের পর দিন শাহজাহানদের নিয়ে রেইকি করেছে কবে কোন সুন্দরী মহিলাকে কীভাবে রাতে তুলে আনতে হবে। পুলিশের ওপর এলাকার মানুষের কোনও ভরসা নেই। পুলিশ দেখলেই তারা ক্ষেপে উঠছে। সন্দেশখালির মতো রাজ্যের প্রতিটি জেলাতেই নারীদের ওপর নির্যাতন ও জমি দখল চলছে বলে অভিযোগ করেন সুকান্ত। তিনি বলেন, শিলিগুড়িতেও তৃণমূলের মদতে জমি দখল চলছে। তৃণমূল নেতাদের এই কাজে সহযোগিতা করে বিএলআরও, ডিএম’রা পয়সা পাচ্ছেন। তাই তারা কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। আমরা রাজ্যে ক্ষমতায় এলে বিএলআরও ডিএম’দের জেলে ভরবো।

    ইন্ডিয়া জোট নিয়ে কী বললেন সুকান্ত?

    কোনও জোট করে কংগ্রেস সুবিধা করতে পারবে না বলে জানান বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, জাতীয় রাজনীতিতে কংগ্রেস এখন ডুবন্ত জাহাজ। বেঁচে থাকার  জন্য খড়কুটোর মতো কখনও কংগ্রেস কখনও  সিপিএমকে আঁকড়ে ধরতে চাইছে। কখনও সাপের কখনও ব্যাঙের গালে চুমু খেয়ে কংগ্রেসের লাভ হবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nandigram: সন্দেশখালির আন্দোলনকে সমর্থন নন্দীগ্রামের নির্যাতিতাদের

    Nandigram: সন্দেশখালির আন্দোলনকে সমর্থন নন্দীগ্রামের নির্যাতিতাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছেন নির্যাতিতারা। এই নির্যাতিতাদের পাশে দাঁড়ালেন নন্দীগ্রামের (Nandigram) নির্যাতিতারা। এই লড়াই চেনা ঠেকছে নন্দীগ্রামের রাধারানি আড়ি, কল্পনা মুনিয়ান, হৈমবতী দাসদের। দেড় দশকের ব্যবধানে রাজ্যের দুই প্রান্তের নির্যাতিতাদের স্বর মিলে যাচ্ছে।

    সন্দেশখালির অত্যাচার নিয়ে সরব নন্দীগ্রামের নির্যাতিতারা (Nandigram)

    ২০০৭ সালের ১৪ মার্চ নন্দীগ্রামে (Nandigram) গুলি চালনার পরে রাধারানিকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছিল সিপিএমের ‘হার্মাদ বাহিনী’র বিরুদ্ধে। দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন তিনি। পরে ফিরেছেন গোকুলনগরের বাড়িতে। ৬৬ বছরের রাধারানি বলেন, বাড়িতে টিভি নেই। লোকজনের মুখে শুনছি, সন্দেশখালিতে মহিলাদের ওপর অত্যাচার হয়েছে। তবে তারাও আমাদের মতো আন্দোলন করছে জেনে ভাল লাগছে। তবে, কেউ আর আমাদের খোঁজ রাখে না। যা বুঝলাম, যে যখন শাসক,দুর্বৃত্তরা তার ছত্রছায়াতেই থাকে। ২০০৭ সালের নভেম্বরে সোনাচূড়ার কল্পনা মুনিয়ান এবং হৈমবতী দাসকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছিল। নিশানায় ছিল সেই ‘হার্মাদ বাহিনী’। পরে স্থানীয়রাই তাঁদের এগরার কাছে উদ্ধার করে। কল্পনাও বলছেন, “এই অত্যাচার মেনে নেওয়া যায় না। অবিলম্বে সন্দেশখালির শাহজাহানদের গ্রেফতার করা উচিত।” কল্পনার বাড়ির কাছেই থাকেন হৈমবতী। তিনি বলেন, “বরাবর শাসকদের লক্ষ্য মহিলারা। বয়স হয়ে গিয়েছে। তবু সন্দেশখালিতে গিয়ে অত্যাচারিত মা- বোনেদের পাশে দাঁড়াতে ইচ্ছে করছে।”

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী দু’দিন আগেই দাবি করেছেন, “দ্বিতীয় নন্দীগ্রাম হতে চলেছে সন্দেশখালি।” একই সুর শোনা গিয়েছে বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষের গলাতেও।  নন্দীগ্রাম ১ ব্লক তৃণমূল সভাপতি বাপ্পাদিত্য গর্গ বলেন, এসবের পিছনে রাজনীতি আছে। সন্দেশখালি আর নন্দীগ্রাম এক নয়।  বিজেপির তমলুক সাংগঠনিক জেলার অন্যতম সাধারণ সম্পাদক মেঘনাদ পাল বলেন,  “নন্দীগ্রামের শহিদ পরিবার থেকে অত্যাচারিত মায়েরাও তৃণমূলের দ্বিচারিতা বুঝে এখন তাদের প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাই তাঁদের গায়ের রাজনীতির রং লাগাতে চাইছে তৃণমূল।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share