Tag: tmc

tmc

  • TMC: ইডি-সিবিআই প্রসঙ্গ উঠতেই সাংবাদিকের প্রশ্ন এড়ালেন মন্ত্রী মলয় ঘটক

    TMC: ইডি-সিবিআই প্রসঙ্গ উঠতেই সাংবাদিকের প্রশ্ন এড়ালেন মন্ত্রী মলয় ঘটক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডি-সিবিআইয়ের তলবে হাজিরা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্ন এড়ালেন মন্ত্রী মলয় ঘটক। কয়লাপাচার কাণ্ডে এই নিয়ে ১৩ বার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তলব এড়িয়ে গিয়েছেন রাজ্যের আইনমন্ত্রী। এদিন, নানুরে শহীদ স্মরণ (TMC) সভায় যোগ দেন তিনি। সভা শেষে সটান গাড়িতে চেপে পরেন। যাতে সাংবাদিকদের এড়ানো যায়! এবার কি হাজিরা দেবেন? প্রশ্ন করতেই মন্ত্রী বলেন, ‘‘আপনাকে কেন বলব?’’ এই বলেই গাড়ির কাঁচ তুলে দেন তিনি। অর্থাৎ, কয়লা পাচার কাণ্ডে হাজিরা দেবেন কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে যান রাজ্যের আইনমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, কয়লাপাচার কাণ্ডে নাম জড়িয়েছে একাধিক পুলিশ কর্তারও। তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সমেত তাঁর স্ত্রী ও শ্যালিকাও রয়েছেন ইডি রেডারে।

    ১২ জুলাই ফের তাঁকে সমন পাঠিয়েছিল ইডি

    শেষবারের মতো গত ১২ জুলাই তাঁকে হাজিরার নোটিশ পাঠিয়েছিল ইডি। চলতি সপ্তাহেই তাঁর দিল্লিতে গিয়ে ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ইডি সূত্রে খবর, মন্ত্রীমশাই চিঠি দিয়ে তদন্তকারী আধিকারিকদের জানিয়েছেন, পূর্ব নির্ধারিত কিছু কর্মসূচি থাকার কারণে তিনি দিল্লি যেতে পারছেন না। পঞ্চায়েত ভোটের (TMC) আগে ২০ ও ২৬ জুন তাঁকে হাজিরা দিতে বলেছিল ইডি। সেইসময় রাজ্যের মন্ত্রী জানিয়েছিলেন, পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। তাই তিনি হাজিরা দিতে পারবেন না। ভোটপর্ব মিটলে তিনি হাজিরা দেবেন। কিন্তু তখনও হাজিরা দেননি মন্ত্রী (TMC)

    কী পদক্ষেপ করতে পারে ইডি?

    এদিকে, বার বার ডাকা সত্ত্বেও মলয় ঘটক (Moloy Ghatak) যেভাবে হাজিরা এড়াচ্ছেন, তা আদালত অবমাননার সামিল বলে মনে করছে ইডি। এ নিয়ে আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে বলেও কেন্দ্রীয় সংস্থা সূত্রে খবর। নিয়ম অনুযায়ী, তদন্তকারী সংস্থা যাকে হাজিরার জন্য ডাকবে তাকে যেতে হবে। না গেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে ইডি-র। এক্ষেত্রে, তদন্তকারী সংস্থা আদালতের কাছে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যুর জন্য আবেদন করতে পারেন। যদি তারা মনে করেন যে তিনি শুধুমাত্র জিজ্ঞাসাবাদ এড়ানোর জন্যই এই কাজ করছেন তবে তাকে গ্রেফতারির জন্য আদালতের কাছে ওয়ারেন্ট ইস্যুর আবেদনও করতে পারেন। কারণ ইডির গ্রেফতার করার ক্ষমতা রয়েছে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: “দিদি আমাদের ন্যায় চাই, টাকা ফেরত চাই” দাবিতে তৃণমূল কর্মীর অবস্থান-বিক্ষোভ

    Bankura: “দিদি আমাদের ন্যায় চাই, টাকা ফেরত চাই” দাবিতে তৃণমূল কর্মীর অবস্থান-বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৭০ জনকে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ তুলে ওন্দা (Bankura) তৃণমূল পার্টি অফিসের সামনে ধর্নাতে বসলেন বহুল চর্চিত তৃণমূল সমর্থক প্রতিবাদী মহিলা প্রিয়াঙ্কা গোস্বামী। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আরও অনেক প্রতারিত চাকরিপ্রার্থীরা। তাঁদের হাতে ছিল তৃণমূলের দলীয় পতাকা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। মূল অভিযোগ হল ওন্দা ব্লক তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক আশিষ দে’র বিরুদ্ধে।

    মূল দাবি কী (Bankura)?

    প্রতিবাদী তৃণমূল সমর্থকদের দাবি, দিদি আমাদের ন্যায় চাই, টাকা ফেরত চাই! আশিষ দে তৃণমূলের কলঙ্ক। ওন্দা (Bankura) ব্লক তৃণমূল সভাপতি উত্তম কুমার বিটের সহযোগিতায় প্রতারিত প্রিয়ঙ্কা গোস্বামী, অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা আশিষ দে’র কাছ থেকে অর্ধেক টাকা ফেরত পেলেও বাকিরা এখনও পর্যন্ত ফেরত পাননি। তাই আজ তাঁরা ওন্দা তৃণমূল ব্লক পার্টি অফিসের সামনে টাকা ফেরত পেতে ধর্নাতে বসেছেন।

    পুলিশের কাছে আগেও অভিযোগ করেছিলেন

    প্রসঙ্গত রামসাগরের (Bankura) বাসিন্দা প্রিয়াঙ্কা গোস্বামীর অভিযোগ ছিল, বর্তমানে ওন্দা ব্লক তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক আশিষ দে করোনা কালে ‘বেসরকারি সংস্থায় চাকরি করে দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়ে প্রতারণা করেন’। এ বিষয়ে তিনি পুলিশেও লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে গত ১২ জুলাই রামসাগরে বাজারে তাঁর স্বামী সুব্রত গোস্বামী এবং তাঁর বন্ধুদের নিয়ে পিকনিক করছিলেন। আর সেই সময় আশিষ দে ও তাঁর সঙ্গী দোলন পরামানিক সহ অন্যান্যরা তাঁদের উপর হামলা চালান। পরে তিনি নিজে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে, তাঁকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেন। ওই ঘটনার পর গত ১৫ জুলাই ওন্দা ব্লকের সাধারণ সম্পাদক আশিষ দে ও তাঁর সঙ্গী দলীয় কর্মী দোলন পরামানিককে ওন্দা থানার পুলিশ গ্রেফতার করে। বাঁকুড়া জেলা আদালতে তোলা হলে বিচারক আশীষ দে ও দোলন পরামানিকের ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।

    উল্লেখ্য গত ১২ এপ্রিল তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ওন্দায় এলে আর্থিক প্রতারণার বিষয়টি তাঁর নজরেও এনেছিলেন এই প্রিয়াঙ্কা গোস্বামী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: ভাঙড়ে আরাবুল পুত্র সহ একাধিক তৃণমূল নেতা পেলেন সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী, জেলাজুড়ে শোরগোল

    TMC: ভাঙড়ে আরাবুল পুত্র সহ একাধিক তৃণমূল নেতা পেলেন সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী, জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণার পর থেকেই বার বার উত্তপ্ত হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়। ভোটের দিন আইএসএফ-তৃণমূলের (TMC) মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ভোটের ফল বের হওয়ায় পর থেকেই ভাঙড়ে বার বার রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। একাধিক রাজনৈতিক কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসও ভাঙড়ে গিয়ে আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলেছেন। নিহত কর্মীর পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেছেন। এবার সেই ভাঙড়ে সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী পেলেন একাধিক তৃণমূল নেতা। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    কোন কোন তৃণমূল নেতা পেলেন নিরাপত্তারক্ষী?

    তৃণমূল (TMC) সূত্রে জানা গিয়েছে, নিরাপত্তা পেলেন আরাবুল ইসলামের ছেলে হাকিমুল ইসলাম। পঞ্চায়েত ভোটে রাজনৈতিক হিংসার পর তাঁকে নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে। একাধিকবার হাকিমুলকে হুমকির মুখে পড়তে হয়েছিল। সে কারণেই সশস্ত্র পুলিশি নিরাপত্তা পাচ্ছে ভাঙড়ের এই যুব নেতা। হাকিমুলের পাশাপাশি তৃণমূল নেতা খইরুল ইসলাম ও আহসান মোল্লাও পাচ্ছেন একজন করে নিরাপত্তারক্ষী। সারাক্ষণই সশস্ত্র একজন করে নিরাপত্তারক্ষী থাকবে তৃণমূলের এই নেতাদের সঙ্গে। রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে করা হয়েছে এই ব্যবস্থা।

    নিরাপত্তা পেয়ে কী বললেন আরাবুল পুত্র?

    তৃণমূল (TMC) নেতা তথা আরাবুল পুত্র হাকিমুল ইসলাম বলেন, পঞ্চায়েত ভোটের পর থেকে প্রকাশ্যেই প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তাই প্রশাসনের কাছে আমরা দরবার করেছিলাম। আমাদের সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রশাসনের এই উদ্যোগে আমরা খুশি।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    এই বিষয়ে জয়নগর সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সভাপতি উৎপল নস্কর বলেন, হাকিমুল বা আরাবুল অথবা শওকত এরাই নিরাপত্তা পাবে। তবে এটা নতুন কিছু নয়। যেখানে প্রশাসনিক বৈঠক থেকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শওকত মোল্লাকে পুলিশ প্রশাসনের সামনে বোমা বাঁধে বলে আখ্যায়িত করেন, সেখানে হাকিমুল রাজ্য সরকারের নিরাপত্তা পাবে এটাই স্বাভাবিক। কারণ রাজ্যের শাসক দল (TMC)  গুন্ডা মস্তানদের নিরাপত্তা দেয়। এই ঘটনা  তার জ্বলন্ত প্রমাণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: বিজেপি করেন, তাই বিয়ারের বোতল দিয়ে মাথা ফাটিয়ে দিল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা!

    Purba Medinipur: বিজেপি করেন, তাই বিয়ারের বোতল দিয়ে মাথা ফাটিয়ে দিল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঁশকুড়া (Purba Medinipur) থানার চকগোপাল গ্রামে বিজেপি-তৃণমূলের ব্যাপক সংঘর্ষ। এর ফলে দুই পক্ষের আহত বেশ কয়েকজন কর্মী। বিজেপির অভিযোগ, গ্রাম পঞ্চায়েত ভোটে বিজেপি জয়লাভ করার পরেই তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা এলাকায় মারধর এবং বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। ইতিমধ্যে বিজেপির বেশ কয়েকজন কর্মী-সমর্থক পাঁশকুড়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অপর দিকে পাল্টা তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি গ্রাম পঞ্চায়েতে জয়ী হবার পর তৃণমূলের কর্মীদের উপর আক্রমণ চালায়। ইতিমধ্যে তৃণমূলের বেশ কয়েকজন কর্মী পাঁশকুড়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তৃণমূল ও বিজেপি, দুই তরফ থেকেই থানায় অভিযোগ করেছে বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যে এলাকা এখন কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় রয়েছে। অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগে উত্তপ্ত পাঁশকুড়ার চকগোপাল এলাকা।

    বিজেপির বক্তব্য

    স্থানীয় (Purba Medinipur) বিজেপি কর্মী অলোককুমার দুলই বলেন, চকগোপাল গ্রাম বহুদিন ধরে সন্ত্রাস কবলিত। তৃণমূল দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় অসামাজিক কাজ করে জনজীবনকে অস্বস্তিতে রেখেছিল। মানুষ জানেন যে, এলাকাকে সন্ত্রাস কবলিত দুষ্কৃতীদের হাত থেকে একমাত্র বিজেপিই মুক্ত করতে পারবে। আর তাই গত বিধানসভায় মানুষ বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন। ঠিক একই রকম ভাবে এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ বিজেপিকেই ভোট দিয়েছেন। ফলে বিজেপি এলাকায় জয়ী হওয়ার জন্য তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা বিজেপি কর্মীর বাড়িতে ঢুকে আক্রমণ করে। বাড়ির মহিলাদের মারধর করে বাড়ি, ঘর ভাঙচুর করে! এমনকি বাড়ির সামনে রাখা গাড়ি এবং টোটকেও ভাঙচুর করে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। তিনি আরও বলেন, তৃণমূলের উপর বিজেপির আক্রমণের ঘটনা মিথ্যা। আক্রান্ত আরেক বিজেপি কর্মী দিলীপ দুলই বলেন, ভোটের আগে থেকেই তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা হুমকি দিচ্ছিল, অবশেষে গতকাল রাতে এলাকায় বিজেপি করি বলেই বিয়ারের বোতল দিয়ে মাথায় আঘাত করে মাথা ফাটিয়ে দেয়। এই ঘটনার পর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    এলাকার (Purba Medinipur) তৃণমূল কর্মী বিশ্বনাথ দুলই বলেন, আমরা চাষ করে দিনপাত করি। এলাকায় তৃণমূল করি। গতকাল রাত ১০ টার সময় রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। হঠাৎ দেখি প্রায় ১০ জন বিজেপির কর্মী এসে বাড়িতে হামলা করে। দোষ আমার একটাই কেন তৃণমূল করি! অপর দিকে পাঁশকুড়া ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সুজিত রায় বলেন, বিজেপির গোষ্ঠী সংঘর্ষের ফলে এই ঘটনা ঘটেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bomb Blast: নন্দীগ্রামে বোমা বিস্ফোরণ, জখম কিশোর, জেলাজুড়ে শোরগোল

    Bomb Blast: নন্দীগ্রামে বোমা বিস্ফোরণ, জখম কিশোর, জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফাঁকা মাঠে তাজা বোমা বিস্ফোরণে (Bomb Blast) গুরুতর জখম হল ১১ বছরের এক কিশোর। বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে নন্দীগ্রাম-২ ব্লকের মনোহরপুর গ্রামে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দু’টি তাজা বোমা উদ্ধার করে। জখম কিশোরের নাম নুর ইসলাম। তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রের খবর, মনোহরপুর গ্রামে ফাঁকা মাঠে নুর ইসলাম গরুকে জল খাওয়াতে যায়। ফাঁকা মাঠে ঘাসে কিছু পড়ে থাকতে দেখে সে। কিছু বুঝতে না পেরে তার ওপর পা দিয়ে দেয় সে। সঙ্গে সঙ্গে বোমা বিস্ফোরণ (Bomb Blast) ঘটে। গুরুতর জখম হয় ওই নাবালক। বোমা বিস্ফোরণের বিকট আওয়াজ শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে নুরকে উদ্ধার করে রেয়াপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকে আরও দু’টি তাজা বোমা উদ্ধার করে তারা। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে। আরও কোথাও তাজা বোমা পড়ে রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    কী বললেন জখম কিশোরের পরিবারের লোকজন?

    বোমায় জখম কিশোরের দাদু সেখ সোহরাব বলেন, বাড়ির গরু ও ছাগলকে ফাঁকা মাঠে ঘাস খাওয়ানোর জন্য বেঁধে দিয়ে আসা হয়। গরু ও ছাগলকে জল দেওয়ার জন্য ফাঁকা মাঠে গিয়েছিল নাতি। তখনই বোমা বিস্ফোরণ (Bomb Blast) ঘটে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করুক।  আমাদের প্রশ্ন, এই বোমাগুলি কোথা থেকে এল? আমার অনুমান, আশেপাশে আরও বোমা পড়ে রয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    নন্দীগ্রামের বিজেপি নেতাদের বক্তব্য, শুধু নন্দীগ্রাম নয়, গণতন্ত্রকে হত্যা করার জন্য গোটা রাজ্যে বোমা-বন্দুক অবৈধভাবে জড়ো করা হয়েছে। তারই ফলশ্রুতি হল এই ঘটনা।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    যদিও এসব অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। স্থানীয় তৃণমূল নেতারা বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল কোনও ভাবেই যুক্ত নয়। পুলিশ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করলে প্রকৃত সত্য প্রকাশ পাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতা নন্দীগ্রাম থানার সিভিক! জেলাজুড়ে শোরগোল

    TMC: তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতা নন্দীগ্রাম থানার সিভিক! জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিভিক ভলান্টিয়ারদের অনেকেই তৃণমূলের (TMC) পার্টি ক্যাডার। বিরোধীরা বার বার এই অভিযোগ তোলে। এটা যে শুধু অভিযোগ নয়, তা পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামের ঘটনায় প্রমাণিত। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    ২৮ জুলাই তৃণমূলের (TMC) প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে একটি নির্দেশিকা জারি করেছে টিএমসিপি। তাতে জেলার বেশ কয়েকটি ব্লকের আহ্বায়কের নাম ঘোষণা করা হয়। তাতে ২ জনের নাম রয়েছে শেখ আসিফ ইকবাল কাজি এবং মোশারফ হোসেন। এই আসিফ ইকবাল কাজি হলেন নন্দীগ্রাম থানার সিভিক ভলান্টিয়ার। কিন্তু, একজন সিভিক ভলান্টিয়ার কীভাবে একটি রাজনৈতিক দলের আহ্বায়ক হতে পারেন, সেই নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বিরোধীরা।

    কী বললেন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের নেতা?

    অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের নন্দীগ্রাম নগর ইউনিটের সভাপতি সায়ন পন্ডা বলেন, প্রশাসনিক কাজে যুক্ত, সে কীভাবে একটি রাজনৈতিক দলের সাংগঠনিক কাজে যুক্ত হতে পারে? তৃণমূল (TMC) ছাত্র পরিষদের সভাপতি যাকে করা হয়েছে, তিনি রেলে চাকরি করেন। ফলে, সিভিক ভলান্টিয়াররা যে পার্টি ক্যাডার, এই ঘটনা তার জ্বলন্ত প্রমাণ।

    কী বলল তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের তমলুক (TMC) সাংগঠনিক জেলার  জেলা কমিটির চেয়ারম্যান পীযূষ ভূঁইয়া বলেন, তৃণমূলের  ছাত্র সংগঠন স্বাধীনভাবে কাজ করে। তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে দায়িত্ব দিয়ে থাকলে অসুবিধার কিছু নেই। এর সঙ্গে মাদার সংগঠনের কোনও যোগাযোগ নেই। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য কমিটি দায়িত্ব দিয়ে থাকলে থাকতে পারে। তারা স্বাধীনভাবে সমস্ত কিছু দেখাশোনা করে।

    থানা সূত্রে কী জানা গেল?

    একজন প্রশাসনিক কাজে নিযুক্ত ব্যক্তি কীভাবে রাজনৈতিক কাজে যুক্ত হতে পারেন, সেই নিয়ে বিতর্কের ঝড় নন্দীগ্রামে। যদিও বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা তৃণমূল (TMC)  ছাত্র পরিষদের নেতা শেখ আসিফ ইকবাল কাজির তরফ থেকে কিছু জানা যায়নি। নন্দীগ্রাম থানা সূত্রে খবর, ইকবাল কাজি সিভিক ভলান্টিয়ার হিসেবে এখনও কাজ করছেন। কোনও পদত্যাগপত্র তাঁর কাছ থেকে থানায় জমা পড়েনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: আসানসোলে তৃণমূল কাউন্সিলার এবং বিধায়কের কোন্দল প্রকাশ্যে! তীব্র শোরগোল

    Asansol: আসানসোলে তৃণমূল কাউন্সিলার এবং বিধায়কের কোন্দল প্রকাশ্যে! তীব্র শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলেরই বিধায়কের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে সাংবাদিক সম্মেলন করলেন আসানসোলের (Asansol) ৭৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূলের কাউন্সিলার অশোক রুদ্র। তিনি সরাসরি রানিগঞ্জের তৃণমূলের বিধায়ক তাপস ব্যানার্জির নাম নিয়ে অভিযোগ করেন। এই বিষয়ে অশোক রুদ্র বলেন, তাপস ব্যানার্জি আমার ওয়ার্ডে যে কোনও পোগ্রামে আসেন, কিন্তু সব প্রোগ্রামেই আমায় বাদ দিয়ে আসেন, আমায় কিছুই জানান না। এই বিষয়ে আমি উচ্চ নেতৃত্বকে জানিয়েছি। অন্য দিকে পাল্টা তাপস ব্যানার্জি বলেন, শিশুসুলভ আচরণ এটা! এই বিষয়ে আমি বেশি কিছু বলতে চাই না। যদি কোনও সংস্থা আমায় ডাকে, তা হলে কি আমি যাব না? এলাকায় দুই তৃণমূল নেতার দ্বন্দ্বে শোরগোল তৈরি হয়েছে। আসানসোলে শাসক দল চাপের মুখে।

    তৃণমূল কাউন্সিলারের বক্তব্য (Asansol)

    আসানসোলে (Asansol) তৃণমূলের কাউন্সিলার অশোক রুদ্র তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে বলেন, এডিডিএ’র চেয়ারম্যান হলেন তাপস ব্যানার্জি। কিন্তু নিজে এই এলাকার জনপ্রতিনিধি নন। এলাকার জনপ্রতিনিধি হলাম আমরা। আমাদের কিছু না জানিয়ে কীভাবে উনি এলাকায় এসে কাজ করতে পারেন! এলাকায় যে কোনও কাজ করতে গেলে আমাদের অনুমতি নিয়ে করতে হবে। বার্নপুর উৎসবের নামে এলাকায় এসে কাজ করার চেষ্টা করছেন তিনি, এটা অন্যায়। আমাদের উপেক্ষা করলে আমরাও ছেড়ে কথা বলব না। এই বার্নপুর উৎসব কমিটির মধ্যে এলাকার কোনও জনপ্রতিনিধি নেই। তিনি আরও বলেন, অত্যন্ত বয়স্ক মানুষ বলে এতদিন কিছু বলিনি তাঁকে। এলাকায় কোনও কাজ করতে এসে যদি আমাদের না জানান, তাহলে যদি কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে, তার জন্য তিনিই দায়ী থাকবেন।

    বিধায়কের বক্তব্য

    রানিগঞ্জের বিধায়ক (Asansol) তাপস ব্যানার্জি বলেন, আমি অনেক সিনিয়র কর্মী। অত্যন্ত নিম্নরুচির মানুষের বিরুদ্ধে কোনও মন্তব্য করতে চাই না। কাউন্সিলার অশোক রুদ্রের আচরণ অত্যন্ত শিশুসুলভ। মানুষের কত অসুবিধা- জল নেই, রাস্তা নেই এই সব বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে। কিন্তু তাঁর প্রশ্নের উত্তর দেওয়া আমার কাজ নয়। আমি ৬ বারের কাউন্সিলার এবং ৪ বারের বিধায়ক। তাই কী করব কী বলব, সেই সম্পর্কে আমি খুব সচেতন। গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে তিনি বলেন, আমার কোনও গোষ্ঠী নেই, তাই কোন্দলের কোনও প্রশ্ন নেই। দল ডাকলে আমি সব জায়গায় যাব। বার্নপুরের মানুষ আমাকে খুব ভালবাসেন, আর তাই যাই। আশোক রুদ্রের আচরণ অত্যন্ত অপরিণত।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস, কৃষ্ণনগরে তৃণমূল কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর, বোমাবাজি, তাণ্ডব দুষ্কৃতীদের

    TMC: ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস, কৃষ্ণনগরে তৃণমূল কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর, বোমাবাজি, তাণ্ডব দুষ্কৃতীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েতে ভোট পরবর্তী হিংসার জেরে গোটা এলাকায় দুষ্কৃতী-তাণ্ডব। তৃণমূল (TMC) কর্মীদের বেশ কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি বোমাবাজি করা হয় বলে অভিযোগ।ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের কোতোয়ালি থানার আনন্দবাস এলাকায়। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়়েছে। ইতিমধ্যেই আক্রান্তদের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গোটা এলাকায় দুষ্কৃতী তাণ্ডবের ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্কে ওই এলাকার বসবাসকারীরা। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে আচমকা শতাধিক দুষ্কৃতী কৃষ্ণনগরের আনন্দবাস এলাকায় এসে ব্যাপক তাণ্ডব চালায়। বেশ কয়েকজন কর্মীকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটায় বলে অভিযোগ। প্রতিবাদ করতে গেলে বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। বোমাবাজি করারও অভিযোগ ওঠে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন তৃণমূল (TMC) কর্মী জখম হন। তাঁদেরকে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    স্থানীয় তৃণমূল (TMC) নেতাদের অভিযোগ, গত ৮ই জুলাই এলাকার ২৩২ নম্বর বুথে যে বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছিল, সেখানে আমাদের একজন কর্মী গুরুতর জখম হয়েছিল। তারপরেই থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ, থানা থেকে কেস তুলে নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে সিপিএমের অনুগামীরা। আমরা তাদের সেই প্রস্তাবে রাজি না হলে বারংবার হুমকি দেওয়া হয়। আর সোমবার রাতে এই ঘটনার পিছনে পুরনো সেই আক্রোশ রয়েছে বলেই আমাদের আশঙ্কা।   

    কী বললেন সিপিএম নেতৃত্ব?

    সিপিএম নেতাদের বক্তব্য, এই ধরনের হামলার সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। নিজেদের কোন্দল ঢাকতে তৃণমূল (TMC) এখন আমাদের উপর দায় চাপানোর চেষ্টা করছে। আমরা চাই, এই ঘটনার তদন্ত হোক। প্রকৃত যারা দোষী তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: দুর্গাপুজোর বৈঠকে নাক গলাতে না পেরে হামলা, জখম ৪, অভিযুক্ত তৃণমূল

    TMC: দুর্গাপুজোর বৈঠকে নাক গলাতে না পেরে হামলা, জখম ৪, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজো কমিটিতে নাক গলানোর চেষ্টা শাসক দলের। আর সেখানে বাধা পেয়ে পুজো কমিটির সদস্যদের উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের (TMC) বিরুদ্ধে। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়ার জগদীশপুরে। হামলার জেরে চার জন গ্রামবাসী জখম হন। তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    রবিবার বিকেলে জগদীশপুর মাঝেরহাট এলাকায় দীর্ঘদিনের পুরানো দুর্গাপুজোর প্রস্তুতির জন্য মাঝেরহাট দুর্গা উৎসব কমিটির বৈঠক ডাকেন গ্রামবাসীরা। এলাকার মানুষের অভিযোগ, গত দুবছর ধরে বাইরের বেশ কয়েকজন তৃণমূলের (TMC) নেতা ও কর্মী পুজো কমিটি দখল করে পুজোর ব্যবস্থা করছেন। এলাকার মানুষ নিজেদের পুজোয় ঠিক মতো অংশগ্রহণ করতে পারছিলেন না। এই নিয়ে গ্রামবাসীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছিল। এবছর বহিরাগত তৃণমূলদের বাদ দিয়ে গ্রামবাসীরা জোট বেঁধে পুজো করবেন বলে ঠিক করেন। সেইমতো রবিবার বিকেলে ক্লাবের মধ্যে গ্রামবাসীরা বৈঠক ডাকেন। ওই বৈঠকে মহিলারাও অংশগ্রহণ করেন। অভিযোগ, বৈঠক চলাকালীন বেশ কিছু বহিরাগত তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী আসেন। তাঁদের সঙ্গে পুজো কমিটির সদস্যদের প্রথমে বচসা বাধে। পরে, তৃণমূলের লোকজন হামলা চালায়। গ্রামবাসীদের বেধড়ক পেটায় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় চার জন গ্রামবাসী জখম হন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে লিলুয়া থানার পুলিশ। এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে গ্রামবাসীরা পথ অবরোধ করেন। পরে, পুলিশ তাদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয়।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) নেতা তাপস আইন বলেন, এটা পুরোপুরি গ্রামবাসীদের মিটিং ছিল পুজো নিয়ে। সেখানে গ্রামবাসীদের একাংশ বাইরে থেকে লোক এনে কমিটি দখল করতে চাইছিল। এনিয়ে দুপক্ষের মধ্যে মারামারি হয়েছে। এখানে তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও ব্যাপার নেই। ওরা আমাদের দলের নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করতে কুলপির বিরোধী তিন প্রার্থীকে অপহরণ! অভিযুক্ত তৃণমূল

    TMC: পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করতে কুলপির বিরোধী তিন প্রার্থীকে অপহরণ! অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েতে বোর্ড গড়তে আইএসএফের জয়ী দুই প্রার্থী এবং কংগ্রেসের এক প্রার্থীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠল শাসক দলের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপি বিধানসভার গাজিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের। কংগ্রেস ও আইএসএফের জয়ী প্রার্থীজোট এই পঞ্চায়েতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। তাই বিরোধীদের তিনজনকে নিয়ে তৃণমূল (TMC) সেই পঞ্চায়েত দখল করতেই এমন আচরণ করছে বলে অভিযোগ।

    কেন বিরোধীদের তিন সদস্যকে তুলে নিয়ে গেল তৃণমূল (TMC)?

    জানা যায়, কুলপি বিধানসভার গাজিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট আসন সংখ্যা ১৫টি। নির্বাচনে ৬ টি আসনে কংগ্রেস প্রার্থীরা জয়ী হন। তৃণমূল (TMC) কংগ্রেস পেয়েছে ৫ টি, আইএসএফ ২টি, বিজেপি ১টি, সিপিআইএম ১টি আসন পেয়েছে। পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করতে দরকার ৮ জন সদস্য। কিন্তু, তৃণমূল কংগ্রেস মোট পাঁচটি আসনে জয় লাভ করায় তাদের পক্ষে বোর্ড গঠন করা সম্ভব নয়। তাই আইএসএফের দুই জয়ী প্রার্থী এবং কংগ্রেসের জয়ী প্রার্থী মোজাফফর মোল্লাকে তুলে নিয়ে গিয়েছে শাসক দলের গাজিপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি আব্দুর রহিম মোল্লা। এমনটাই অভিযোগ দুই রাজনৈতিক দলের কর্মকর্তাদের।

    কী বললেন আইএসএফ নেতৃত্ব?

    আইএসএফের ব্লক নেতৃত্বের অভিযোগ, গাজিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে শাসক দল (TMC) বোর্ড গঠন করতে না পেরে আইএসএফ  ও কংগ্রেসের জয়ী প্রার্থীদের বিভিন্নভাবে ভয় দেখিয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে তা নেওয়া হয়নি।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) নেতৃত্ব?

    তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) বিরুদ্ধে ওঠা  অভিযোগ অস্বীকার করেন গাজিপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি আব্দুর রহিম মোল্লা। তিনি বলেন, কাউকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়নি। তাঁরা স্বেচ্ছায় তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। নিখোঁজ জয়ী প্রার্থীদের খোঁজ না মিললেও জয়ী প্রার্থীরা ভিডিও বার্তার মাধ্যমে জানান, তাঁরা নিরাপদ জায়গায় রয়েছেন এবং নিজেদের ইচ্ছায় তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করছেন। অবশ্য জয়ী বিরোধী দলের ৩ পঞ্চায়েত সদস্য কোথায় রয়েছেন, তার হদিশ নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share