Tag: tmc

tmc

  • West Bengal Elections 2026: কোচবিহারে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী সভার জোর প্রস্তুতি বিজেপির, জোড়া কর্মসূচি ঘিরে উন্মাদনা কর্মীদের

    West Bengal Elections 2026: কোচবিহারে প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী সভার জোর প্রস্তুতি বিজেপির, জোড়া কর্মসূচি ঘিরে উন্মাদনা কর্মীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন নির্বাচন (West Bengal Elections 2026) উপলক্ষে কোচবিহারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রস্তাবিত জনসভার স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে। প্রশাসনিক এবং কৌশলগত কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক তৎপরতা শুরু হয়েছে। ১ এপ্রিল আলিপুরদুয়ার শহরে বিজেপি প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা এবং ৫ এপ্রিল কোচবিহারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) জনসভা। পদ্ম শিবির দুই কর্মসূচিতেই বড়সড়ো জমায়েতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভোট প্রচারে উত্তরবঙ্গে বিজেপির প্রস্তুতি এখন তুঙ্গে। যদিও উত্তরবঙ্গে বিজেপি গত লোকসভা ভোটেও ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে।

    নতুন নির্ধারিত স্থানে মঞ্চ নির্মাণ (West Bengal Elections 2026)

    প্রাথমিকভাবে কোচবিহারের একটি নির্দিষ্ট মাঠে এই সভার পরিকল্পনা করা হলেও, দর্শক সমাগম এবং নিরাপত্তার খাতিরে এখন অন্য একটি বড় প্রাঙ্গণ বেছে নেওয়া হয়েছে। দলীয় নেতৃত্বের মতে, প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সভায় যে পরিমাণ মানুষের ভিড় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তা সামাল দিতে আরও প্রশস্ত জায়গার প্রয়োজন ছিল। নতুন নির্ধারিত স্থানে মঞ্চ নির্মাণ এবং সভার প্রস্তুতি দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে।

    প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা

    বিজেপির রাজ্য ও জেলা স্তরের শীর্ষ নেতারা নিয়মিত সভাস্থল পরিদর্শন করছেন। প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এসপিজি (SPG) আধিকারিকরাও ইতিমধ্যে কোচবিহারে পৌঁছেছেন এবং স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলছেন। সভাস্থলের চারপাশ সিসিটিভি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলা হচ্ছে এবং ড্রোন নজরদারির পরিকল্পনাও রয়েছে। দলীয় সূত্রে খবর, ১ এপ্রিল বিজেপির পাঁচ প্রার্থী (West Bengal Elections 2026) একসঙ্গে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় ১০ হাজার মানুষের জমায়েতের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। আলিপুরদুয়ার বিধানসভা কেন্দ্র থেকেই পাঁচ হাজার জমায়েতের কথা বলা হয়েছে। জেলা সদর এই বিধানসভার মধ্যেই রয়েছে। জেলা সভাপতি মিঠু দাস বলেন, “দুটো কর্মসূচিই আমাদের কাছে বড়। সেগুলো সফল করতে বিভিন্ন জায়গায় আলোচনা চলছে। দুটো কর্মসূচিই সফল হবে।”

    রাজনৈতিক তাৎপর্য

    উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে বিজেপির শক্ত ঘাঁটি রয়েছে। নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) আগে মোদির (PM Modi) এই সফর কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। সভায় প্রধানমন্ত্রী উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন এবং কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি নিয়ে কী বার্তা দেন, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক মহল। আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার এই দুই জেলার প্রার্থীদের সমর্থনে কোচবিহার রাসমেলার মাঠে বিজেপির জনসভা হবে। সেখানে আলিপুরদুয়ার থেকে ৩০ হাজার কর্মী-সমর্থক নিয়ে যাওয়ার টার্গেট দেওয়া হয়েছে। সেইমতো বিভিন্ন মণ্ডলে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক বাবুলাল সাহা বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় জেলার সব বুথ থেকেই মানুষজন যাবে। সমস্ত বুথ থেকে ২০-২৫ জন করে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।”

    মনোনয়ন জমা ও রোড শো

    দলীয় পরিকল্পনানুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সভার ঠিক পরেই আলিপুরদুয়ারের বিজেপি প্রার্থী (West Bengal Elections 2026) এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে মহকুমা শাসকের দফতরে মনোনয়ন জমা দেবেন। এই মিছিলে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য স্তরের প্রথম সারির নেতাদের উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে ভোটারদের কাছে নিজেদের জনসমর্থন তুলে ধরাই এই ‘মেগা প্ল্যান’-এর মূল উদ্দেশ্য।

    প্রস্তুতি ও সাংগঠনিক বৈঠক

    কর্মসূচি সফল করতে ইতিমধ্যেই জেলা কমিটির পক্ষ থেকে একাধিক ব্লক ও বুথ স্তরের বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে সুশৃঙ্খলভাবে এবং আইন-শৃঙ্খলা বজায় রেখে এই মিছিলে অংশগ্রহণ করা হয়। পুলিশের সঙ্গেও প্রয়োজনীয় সমন্বয় রক্ষা করা হচ্ছে যাতে সাধারণ মানুষের যাতায়াতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে।

    বুধবার বিজেপির পাঁচ প্রার্থী নেতা-কর্মীদের সঙ্গে শহরের চৌপথি এলাকায় বিএম ক্লাবের মাঠে একত্রিত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। সেখান থেকে মিছিল করে নেতা কর্মীরা আসবেন ডুয়ার্সকন্যায়। মনোনয়নপত্র দেওয়ার মিছিলে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের কেউ থাকবেন না। তবে রাজ্যের নেতাদের থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। হাতে সময় কম থাকায় এই কর্মসূচি সফল করতে বিজেপিতে কাজের বিভাজন করা হয়েছে।

    রাজনৈতিক মহলের পর্যবেক্ষণ

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, উত্তরবঙ্গে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে বিজেপি এই ধরণের বড় মাপের কর্মসূচি গ্রহণ করছে। প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সফরের ঠিক পরেই এই মনোনয়ন জমা দেওয়ার কৌশলটি জনমানসে বাড়তি প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • West Bengal Elections 2026: মনোনয়ন দাখিলের হলফনামায় শুভেন্দুর পেশ করা সম্পত্তির পরিমাণ প্রকাশ্যে, রইল খতিয়ান

    West Bengal Elections 2026: মনোনয়ন দাখিলের হলফনামায় শুভেন্দুর পেশ করা সম্পত্তির পরিমাণ প্রকাশ্যে, রইল খতিয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) রণকৌশল সাজানোর মাঝেই হলদিয়া মহকুমা শাসকের দফতরে নিজের মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নিয়ম অনুযায়ী, মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দেওয়া হলফনামায় তিনি নিজের বর্তমান আর্থিক পরিস্থিতি এবং স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেছেন।

    আর্থিক সম্পদের বিবরণ (West Bengal Elections 2026)

    নির্বাচনী (West Bengal Elections 2026) হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) হাতে এই মুহূর্তে নগদ অর্থের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কম। ২০২১ সালে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাঁর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ৯০ লক্ষ ৬ হাজার ১৪৯ টাকা ৩২ পয়সা । কিন্তু এবারের হলফনামায় তাঁর বর্তমান মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৮৫ লক্ষ ৮৭ হাজার ৬০০ টাকা। অর্থাৎ, গত পাঁচ বছরের ব্যবধানে শুভেন্দু অধিকারীর মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৪ লক্ষ ১৮ হাজার ৫৪৯ টাকা কমে গিয়েছে। তবে বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং দীর্ঘমেয়াদী সঞ্চয় স্কিমে তাঁর সম্পত্তি রয়েছে। ব্যাঙ্ক আমানত, বন্ড এবং বিমার কিস্তি মিলিয়ে তাঁর মোট অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ কয়েক লক্ষ টাকা। সব মিলিয়ে বর্তমানে তাঁর স্থাবর সম্পত্তির আনুমানিক পরিমাণ ৬১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। স্থাবর এবং অস্থাবর মিলিয়ে তাঁর মোট সম্পত্তির অঙ্ক দাঁড়িয়েছে ৮৫ লক্ষ ৮৭ হাজার ৬০০ টাকায়।

    স্থাবর সম্পত্তি

    ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে (West Bengal Elections 2026) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ১৭ লক্ষ ৩৮ হাজার ৫৯০ টাকার আয়কর দাখিল করেছেন। এর আগে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ১০ লক্ষ ৩৭ হাজার ১৬০ টাকা, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে ৮ লক্ষ ৭৮ হাজার ৪০০ টাকা এবং ২০২১-২২ অর্থবর্ষে ৮ লক্ষ ৮ হাজার ৪৬১ টাকার আয়কর দাখিল করেছিলেন তিনি। সমস্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, ডাকঘরের বিভিন্ন সঞ্চয় প্রকল্প এবং কিষাণ বিকাশ পত্র মিলিয়ে তাঁর মোট বিনিয়োগ ও জমানো অর্থের পরিমাণ ২৪ লক্ষ ৫৭ হাজার ৬০০ টাকা। পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির অংশ বা নির্দিষ্ট কিছু অকৃষিজমির মালিকানা থাকলেও, গত কয়েক বছরে নতুন করে বড় কোনও স্থাবর সম্পত্তি ক্রয়ের উল্লেখ প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।

    যানবাহন ও অন্যান্য

    নির্বাচনী (West Bengal Elections 2026) হলফনামা অনুযায়ী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নিজস্ব কোনও গাড়ি নেই। যাতায়াতের জন্য তিনি মূলত দলীয় বা সরকারি নিরাপত্তা বলয়ের অন্তর্ভুক্ত যানবাহন ব্যবহার করেন। এছাড়া তাঁর নামে কোনও বড় অঙ্কের ঋণ বা বকেয়া করের দায়বদ্ধতা নেই বলেও হলফনামায় দাবি করা হয়েছে। এগরা এবং নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর নামে জমি রয়েছে ২.৪৬ একর কৃষি জমি। এর মধ্যে একটি জমির মূল্য ১ লক্ষ ৫ হাজার টাকা এবং অপরটির মূল্য আট লক্ষ টাকা বলে জানানো হয়েছে। তবে সম্পত্তির শেষ এখানেই নয় । তমলুকের পার্বতীপুরে মণীষা অ্যাপার্টমেন্টে ৪৫০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট এবং কুমারপুর মৌজায় নিবেদিতা আবাসনে ১১৫২ বর্গফুটের আরও একটি ফ্ল্যাট রয়েছে তাঁর নামে। এছাড়া কারকুলিতে সাড়ে চার হাজার বর্গফুটের একটি আবাসিক ভবনও রয়েছে।

    শিক্ষাগত যোগ্যতা

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সালে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর বা এমএ পাশ করেছেন। তবে এই হলফনামার সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর দিকটি হল তাঁর বিরুদ্ধে থাকা বিচারাধীন মামলার (West Bengal Elections 2026) তালিকা। হলফনামার প্রায় ১৯ থেকে ২০ পাতা জুড়ে শুধুমাত্র রাজ্যের বিভিন্ন থানায় তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া একাধিক মামলার বিবরণ রয়েছে। শুভেন্দু অতীতে একাধিকবার দাবি করে এসেছেন যে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে রাজ্যের শাসক দল তাঁর বিরুদ্ধে ভুরি ভুরি ভুয়ো মামলা দায়ের করে রেখেছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হিসেবে নেতৃত্ব দেওয়ার পর থেকেই বিজেপির অভিযোগ শুভেন্দুর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এখনও পর্যন্ত বেশ কিছু জামিন অযোগ্যধারায় মামলা করা হয়েছে।

    কোন কোন ধারায় মামলা?

    হলফনামায় এখনও পর্যন্ত যে যে মামলাগুলির কথা রয়েছে তার মধ্যে হল গড়বেতা, চাঁচল, খড়গপুর, খড়দা, লালগড়, সাঁকরাইল, জামবনি, ঝাড়গ্রাম, বেলেঘাটা, বউবাজার, ভূপতিনগর, হেয়ার স্ট্রিট, দুর্গাচক, আলিপুরদুয়ার, কুলটি, পাঁশকুড়া, ময়দান, কাঁথি এবং জোড়াসাঁকো থানায় তাঁর নামে এই অভিযোগগুলি দায়ের করা হয়েছে। এই মামলাগুলির বিচারপ্রক্রিয়া বর্তমানে বিভিন্ন নিম্ন আদালতে চলছে। অভিযোগগুলির মধ্যে পুলিশের দায়ের করা অভিযোগগুলির মধ্যে আদিবাসীদের অসম্মান, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর, আর্থিক দুর্নীতি, সাম্প্রদায়িক হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা, খুনের চেষ্টার মতো গুরুতর ধারা রয়েছে। এমনকী পকসো মামলাতেও তাঁকে অভিযুক্ত করা হয়েছে বলে হলফনামা সূত্রে জানা গিয়েছে ।

    রাজনৈতিক তাৎপর্য

    মনোনয়ন (West Bengal Elections 2026) জমা দেওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানান যে, সাধারণ মানুষের আশীর্বাদই তাঁর আসল সম্পদ। হলফনামায় দেওয়া এই তথ্যাদি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে স্বাভাবিকভাবেই চর্চা শুরু হয়েছে। স্বচ্ছতা বজায় রেখে নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনেই তিনি এই সমস্ত তথ্য পেশ করেছেন বলে তাঁর ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রের খবর।

  • West Bengal Assembly Election: তৃণমূলের প্রকাশ করা ফর্ম-৬ এর ছবি তুলে পাল্টা শাসক দলকেই বিদ্ধ করল বিজেপি

    West Bengal Assembly Election: তৃণমূলের প্রকাশ করা ফর্ম-৬ এর ছবি তুলে পাল্টা শাসক দলকেই বিদ্ধ করল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের ফাঁস করা ফর্ম-৬ এর ছবি তুলে পাল্টা প্রশ্ন তুলল বিজেপি। তাদের দাবি, তৃণমূল যে সাতটি ফর্মের ছবি আপলোড করেছে, তার মধ্যে চারটি এমন ব‍্যক্তিদের আবেদন, যাঁদের নাম ডিলিট করা (West Bengal Assembly Election) হয়েছে। বাকিগুলি নতুন ভোটার হিসাবে নথিভুক্ত হওয়ার আবেদন। আবেদনকারীদের পদবি দে, বন্দ্যোপাধ্যায় ইত্যাদি। প্রসঙ্গত, তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হয়েছিল, বহিরাগতদের ভোটার বানানোর চেষ্টা চলছে। বিজেপি এ বার পাল্টা অভিযোগ তুলে সাফ জানিয়ে দিল, বাঙালি হিন্দুদের নাম ভোটার তালিকায় থাকতে দিতে চাইছে না তৃণমূল।

    পদ্ম-শিবিরের দাবি (West Bengal Assembly Election)

    এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে পদ্ম-শিবিরের দাবি, তৃণমূল নিজেই জড়িয়েছে নিজের মিথ্যের জালে। বিজেপির করা পোস্টে এও জানানো হয়েছে, যাঁদের বহিরাগত বলে দাবি করছে, তাঁদের পদবি দেখলেই সেটা পরিষ্কার হয়ে যাবে। আবেদনকারীদের মধ্যে রয়েছে বন্দ্যোপাধ্যায়, দে পদবির লোকজন। বাঙালি হিন্দুদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিতে মরিয়া রাজ্য সরকার। এখান থেকেই ইঙ্গিতটা স্পষ্ট, কী করতে চাইছে বঙ্গের তৃণমূল সরকার। বিজেপির আইটি সেলের প্রধান তথা এ রাজ্যে দলের সহকারী পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য দলের সেই লেখাকে ট্যাগ করে এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে একই অভিযোগ তুলেছেন। টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজের প্রসঙ্গও তোলেন তিনি। মালব্যের অভিযোগ, পেজকেও বহিরাগত বলা হয়েছে। ঘটনাচক্রে, মঙ্গলবারই দিল্লিতে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন বিশ্বশ্রুত এই টেনিস তারকা। বিজেপিকে পাল্টা দিতে গিয়ে তৃণমূলের মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, ‘‘বিজেপি নিজের ফাঁদেই পড়ে গিয়েছে। বাঙালি হিন্দুদের নাম বাদ দিল কারা। বাঙালি হিন্দু মতুয়াদের রোহিঙ্গা বলে বাদ দিয়েছে বিজেপি এবং বিজেপির সহকারী সংস্থা নির্যাতন কমিশন।’’

    কী বললেন মনোজ আগরওয়াল?

    প্রসঙ্গত, ফর্ম-৬ জমা দেওয়া নিয়ে হুলস্থুল চলছে রাজ্যে। তার জেরে ভোটমুখী বাংলায় চড় চড় করে চড়েছে রাজনীতির পারদ। তৃণমূলের অভিযোগ, ফর্ম-৬ জমা করে পশ্চিমবঙ্গের তালিকায় ভিন্‌রাজ্যের ভোটারদের নাম তুলে দিচ্ছে বিজেপি (West Bengal Assembly Election)। রাজ্যের সিইও মনোজ আগরওয়াল জানান, অনেক নথিই সিইও-র দফতরে আসে। তার মধ্যে ফর্ম ৬-ও রয়েছে। নিয়ম দেখিয়ে তিনি আশ্বস্ত করেন, ফর্ম-৬ জমা করলে কোন কোন ভোটারের নাম উঠবে, কাদের উঠবে না। এদিকে, মঙ্গলবার ফের দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই চিঠিতেও ছিল ফর্ম-৬ নিয়ে গুচ্ছের অভিযোগ (West Bengal Assembly Election)। এমনকী, সুপ্রিম কোর্টেও বুধবার ওঠে ফর্ম-৬ প্রসঙ্গ। তবে সেখানে, তৃণমূলের দাবি খারিজ করে দেয় শীর্ষ আদালত।

  • Assembly Election 2026: বৃহস্পতিবার ভবানীপুরে মনোনয়নপত্র জমা দেবেন শুভেন্দু, সঙ্গে থাকবেন শাহ!  

    Assembly Election 2026: বৃহস্পতিবার ভবানীপুরে মনোনয়নপত্র জমা দেবেন শুভেন্দু, সঙ্গে থাকবেন শাহ!  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গো-হারান হারাতে কোমর বেঁধে নির্বাচনী ময়দানে নেমে পড়েছেন রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামের পাশাপাশি শুভেন্দু পদ্ম-প্রার্থী হয়েছেন ভবানীপুরেও। এই ভবানীপুরেই মমতা প্রার্থী (Assembly Election 2026) হবেন বলে অনেক আগেই ঘোষণা করে দিয়েছিলেন তৃণমূলের প্রথম সারির এক নেতা। অতএব, ভবানীপুরে (Amit Shah) লড়াই হবে জোরদার। বৃহস্পতিবার এই ভবানীপুর কেন্দ্রেই মনোনয়নপত্র পেশ করবেন শুভেন্দু। ওই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকার কথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের। বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র পেশ করতে যাবেন শুভেন্দু। সেই দিনই তাঁর সঙ্গে দেখা যেতে পারে শাহকে।

    বাংলায় আসছেন শাহ (Assembly Election 2026)

    বিজেপি সূত্রের খবর, এ ব্যাপারে মঙ্গলবারই দিল্লি থেকে ইতিবাচক ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারী মনোনয়ন পেশ করার আগে হাজরা মোড়ে জনসভা করতে পারেন শাহ। তার পর সেখান থেকে এক কিলোমিটার রোড শো করে সার্ভে বিল্ডিংয়ের আগে পর্যন্ত যাবেন। শেষে ২০০ মিটার পথ যাবেন হেঁটে। নন্দীগ্রামে প্রার্থী হতে সোমবারই মনোনয়নপত্র পেশ করেছেন শুভেন্দু। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এবং বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Assembly Election 2026)। রাজনৈতিক মহলের মতে, ভবানীপুরে মনোনয়নপত্র দাখিলের দিন শুভেন্দুর সঙ্গে দেখা যেতে পারে শাহকে। তাতে এক সঙ্গে অনেকগুলি বার্তা দেওয়া যাবে। এক, এটা বোঝানো যাবে যে শুভেন্দুর প্রতি গভীর আস্থা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং তাঁর সতীর্থ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। আর দ্বিতীয় বার্তাটি হল, ভবানীপুরে তৃণমূল সুপ্রিমোকে হারিয়ে মুখের মতো জবাব দেবেন ‘জায়ান্ট কিলার’ বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Amit Shah)।

    সেটিং-তত্ত্ব খারিজ

    বঙ্গবাসীর একাংশের অভিযোগ ছিল বিজেপি এবং তৃণমূলের সেটিং রয়েছে। সূত্রের খবর, এবার নির্বাচনের ঢের আগে শুভেন্দু দলীয় নেতাদের বুঝিয়েছিলেন, সাধারণ মানুষের জল্পনায় জল ঢেলে দেওয়া যাবে দুভাবে। এক, তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির যে অভিযোগ রয়েছে, তার তদন্তে যদি তৎপরতা শুরু করে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। আর দ্বিতীয় পথটি হতে পারে, ভবানীপুরে মমতাকে চ্যালেঞ্জ জানানো। সে ক্ষেত্রে তিনিই প্রার্থী হতে প্রস্তুত। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, দ্বিতীয় অপশনটিকেই বেছে নিয়েছেন বিজেপির ভোট ম্যানেজাররা (Assembly Election 2026)।

    কী বললেন শুভেন্দু

    ভবানীপুর প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “এসআইআরের পর তো ভবানীপুর বিজেপির হয়েই গিয়েছে। আমি জিতলে বিজেপি ভবানীপুরে প্রথমবার জিতবে এমন নয়। কারণ ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে যখন মোদি প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন, সেবার লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলেন তথাগত রায়। ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রটি পড়ে প্রাক্তন সাংসদ তথাগতের লোকসভা কেন্দ্রে। সেবার ভবানীপুর কেন্দ্রে দুহাজারেরও ভোটে এগিয়ে ছিল বিজেপি।” শুভেন্দু আরও বলেন, “চুরি-চামারি, ছাপ্পা, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুরে জিততেন। এসআইআরের পর সেটা আর সম্ভব নয়। মোদিজি, নীতিন নবীনজি আমায় ভবানীপুরে প্রার্থী করেছেন গুন্ডামি রোখার জন্য।” তিনি বলেন, “২৩ তারিখ পর্যন্ত নন্দীগ্রাম এবং গোটা রাজ্যে থাকব। ২৪ তারিখ সকাল থেকে ভবানীপুরে থাকব। ২৯ তারিখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর কাজ (Amit Shah) শেষ করে, স্ট্রং রুম সিল করে ভবানীপুর ছাড়ব। ৪ মে দেখা হবে।” প্রসঙ্গত, বঙ্গে এবার বিধানসভা নির্বাচন হবে দুদফায়। প্রথম দফায় ভোট হবে ২৩ এপ্রিল, আর দ্বিতীয় দফায় হবে ২৯ তারিখে (Assembly Election 2026)।

    নন্দীগ্রামে মুখ পুড়েছিল তৃণমূলের

    গত বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে হাজার দুয়েক ভোটে মমতাকে ধরাশায়ী করেছিলেন শুভেন্দু। মমতার বিশ্বাস ছিল, নন্দীগ্রামবাসী তাঁকে বিমুখ করবেন না। তাই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া শুভেন্দুর বিরুদ্ধে নিজেই প্রার্থী হন মমতা। তিনি ভেবেছিলেন, শুভেন্দু তাঁর ছায়া, কায়া নয়। তাই শুভেন্দুকে হারবেন। যদিও নির্বাচনের ফল বেরলে দেখা যায় মুখ পুড়েছে তৃণমূলের। হেরে গিয়েছিলেন খোদ তৃণমূলেশ্বরীই। পরে অবশ্য ভবানীপুরে প্রার্থী হয়ে জয় পেয়ে কোনওক্রমে বাঁচান মুখ্যমন্ত্রীর কুর্শি। এর পর নানা সময় শুভেন্দু জানিয়েছিলেন, দল তাঁকে ভবানীপুরে মমতার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে বললে তিনি দাঁড়াবেন এবং তৃণমূলের সর্বময় কর্ত্রীকে ধরাশায়ী করবেন। এবার সেই দ্বৈরথই দেখতে চলেছেন ভবানীপুরবাসী (Assembly Election 2026)।

  • Bengal Elections 2026: ভোটের আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন মুখ্যমন্ত্রী! মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে নালিশ বিজেপির

    Bengal Elections 2026: ভোটের আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন মুখ্যমন্ত্রী! মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে নালিশ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ জানাল বিজেপি। মঙ্গলবার এই বিষয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) এর দফতরে হাজির হয় বিজেপির প্রতিনিধি দল। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে এই প্রতিনিধিদল সিইও দফতরে গিয়ে সরাসরি অভিযোগ জানায়।

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে মহিলাদের উস্কানি

    শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ,‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচনী আদর্শ আচরণবিধি মানছেন না। তিনি কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে মহিলাদের উস্কানি দেওয়ার মতো মন্তব্য করছেন, যা অত্যন্ত গুরুতর।’’ শুধু তাই নয়, বিজেপির দাবি, মুখ্যমন্ত্রী নাকি প্রকাশ্যে এমন কথাও বলেছেন, ৪ মের পর বিজেপি কর্মীদের গলায় পোস্টার ঝুলিয়ে বলতে হবে ‘‘আমরা বিজেপি করি না।’’ শুভেন্দুর প্রশ্ন,‘‘একজন মুখ্যমন্ত্রী কীভাবে এমন মন্তব্য করতে পারেন? তিনি প্রার্থী হলেও তাঁর সাংবিধানিক দায়িত্ব রয়েছে। এভাবে কি ভোট-পরবর্তী হিংসার ইঙ্গিত দেওয়া যায়?’’ এই সমস্ত অভিযোগই মঙ্গলবার লিখিত আকারে সিইও দফতরে জমা দেওয়া হয়েছে।

    ‘ভয় ও উস্কানিমূলক’ পরিবেশ

    প্রসঙ্গত, এর ঠিক একদিন আগেই দিল্লিতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সদর দফতরে একই অভিযোগ জানায় বিজেপি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল, কিরেণ রিজিজু, অরুণ সিং ও সুকান্ত মজুমদারের স্বাক্ষরিত চিঠিতে অভিযোগ করা হয়, মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূলের সভা-সমাবেশ থেকে পরিকল্পিতভাবে ‘ভয় ও উস্কানিমূলক’ পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। চিঠিতে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে ২৫ মার্চ ময়নাগুড়ি ও নকশালবাড়ি এবং ২৬ মার্চ পাণ্ডবেশ্বরের সভার বক্তব্য। পাশাপাশি তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের ২৮ মার্চের এক সাংবাদিক বৈঠকের মন্তব্যকেও নিশানা করা হয়েছে। বিজেপির দাবি, এই সমস্ত বক্তব্য ভোটারদের প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে দেওয়া এবং তা সরাসরি নির্বাচনী আচরণবিধির পরিপন্থী। তাদের অভিযোগ, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় পুলিশ ‘নিষ্ক্রিয়’ এবং ‘পক্ষপাতদুষ্ট’। স্পর্শকাতর এলাকায় আরও বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন, অতিরিক্ত আইএএস ও আইপিএস পর্যবেক্ষক নিয়োগের দাবিও জানানো হয়েছে। এমনকী ভারতীয় ন্যায় সংহিতা ও জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের আওতায় এফআইআর দায়েরের আর্জিও জানানো হয়েছে।

  • WB Assembly Election 2026: তাঁর, শমীকের ফোন লোকেশন ট্র্যাক করা হচ্ছে! সিইও দফতরে বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    WB Assembly Election 2026: তাঁর, শমীকের ফোন লোকেশন ট্র্যাক করা হচ্ছে! সিইও দফতরে বিস্ফোরক দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফোন-লোকেশন ট্র্যাক করা হচ্ছে রাজ্যের দুই হেভিওয়েট বিজেপি নেতার। এঁদের একজন রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari), আর অন্যজন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এমনই অভিযোগ তুলে সিইও দফতরের দ্বারস্থ হলেন (WB Assembly Election 2026) ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। সঙ্গে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও।

    কী বললেন শুভেন্দু 

    সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু পুলিশের কয়েকজন পদস্থ কর্তার নামও নিয়েছেন শুভেন্দু। তিনি বলেন,  “এসটিএফের (STF) জাভেদ শামিম, আইবি-র বিনীত গোয়েল, শমীক ভট্টাচার্য, শুভেন্দু অধিকারী থেকে শুরু করে মণ্ডল স্তরের বিজেপি নেতাদের ফোন-লোকেশন ট্র্যাক করছে, আমাদের কাছেও পাল্টা তথ্য প্রমাণ রয়েছে।” শুভেন্দুর দাবি, সিআইডি, এসটিএফ, আইবি ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটিতে হস্তক্ষেপ করতে হবে (Suvendu Adhikari) নির্বাচন কমিশনকে। নন্দীগ্রামের বিদায়ী বিধায়কের অভিযোগ, “ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটি মনোজ ভার্মা কীভাবে সব রাস্তা বন্ধ করে দিচ্ছেন, সাধারণ মানুষকে কষ্ট দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর দলের নেতাদের এখনও আগের মতোই সুবিধা করে দিচ্ছেন।” শুভেন্দুর আরও (WB Assembly Election 2026) অভিযোগ, জঙ্গিপুরের এসপি মেহেদি হাসান, পশ্চিম মেদিনীপুরের এসপি পলাশ ঢালিও কমিশনের কাজে হস্তক্ষেপ করছেন।

    মমতার বিরুদ্ধে হুমকির অভিযোগ

    শুভেন্দু বলেন, “মমতা বলেছেন বিজেপি কর্মীদের পোস্টার দিয়ে বলতে হবে, আমি বিজেপি করি না। এই বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের সরাসরি খুনের হুমকি দিচ্ছেন তিনি।” প্রসঙ্গত, গত ২৫ তারিখ ময়নাগুড়িতে ভোটের প্রচারে গিয়ে মমতার বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই বিতর্কের সূত্রপাত (Suvendu Adhikari)। প্রার্থী রামমোহন রায়ের হাত উঁচু করিয়ে মমতা বলেন, “আমার প্রার্থীকে বলে দিয়ে গিয়েছে, ওঁকে নাকি গাছে বেঁধে পেটাবে। আমি বলছি, এসব করতে যেও না। নির্বাচনের পরে পোস্টার লাগিয়ে বলতে হবে, আমি বিজেপি করি (WB Assembly Election 2026) না।” এ নিয়ে সোমবারই মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে গিয়ে নালিশ করে এসেছেন। মমতাকে প্রচার থেকে বাদ দেওয়ার দাবিও জানিয়ে এসেছে বিজেপি। শুভেন্দু বলেন, ” আমরা বিগত দিনে দেখেছি, রাহুল সিনহা থেকে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, সকলের বক্তব্যের মিস কোট করে তৃণমূল অভিযোগ করলেই কাউকে ৩ দিন, ২ দিন ১ দিন নির্বাচন প্রচারে ব্যান করা হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কেন করা হবে না? মনোজ আগরওয়ালের কাছে দাবিপত্র রেখেছি (WB Assembly Election 2026)।”

     

  • Leander Paes: জল্পনায় সিলমোহর, পদ্ম-শিবিরে নাম লেখালেন পদ্মপ্রাপক টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজ

    Leander Paes: জল্পনায় সিলমোহর, পদ্ম-শিবিরে নাম লেখালেন পদ্মপ্রাপক টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথা আগেই হয়ে গিয়েছিল। এবার পদ্ম-শিবিরে নাম লেখালেন টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজ (Leander Paes)। মঙ্গলবার দিল্লির বিজেপি সদর দফতরে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এবং সুকান্ত মজুমদারের উপস্থিতিতে ভারতীয় জনতা পার্টিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করলেন অলিম্পিক পদকজয়ী এই কিংবদন্তি। গত সপ্তাহেই কলকাতার নিউটাউনের এক অভিজাত হোটেলে বিজেপি (Bengal BJP) নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর গোপন বৈঠক ঘিরে যে গুঞ্জন দানা বেঁধেছিল, এদিন তাতেই শিলমোহর পড়ল।

    নিউ টাউনের সেই ‘পাকা কথা’ (Leander Paes)

    ঘটনার সূত্রপাত গত সপ্তাহে। কলকাতায় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সফরের সময় নিউটাউনের একটি হোটেলে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনের (Bengal BJP) সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন লিয়েন্ডার। সেই রুদ্ধদ্বার বৈঠকের খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়—তবে কি ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগেই যোগদান করবেন টেনিস মহাতারকা (Leander Paes)? মঙ্গলবার দিল্লিতে তাঁর হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেওয়ার পর সেই জল্পনাই বাস্তব রূপ পেল। পদ্ম-শিবিরে যোগদান করে পদ্মপ্রাপক (২০১৪ সালে পদ্মভূষণ পুরস্কার বিজয়ী) ক্রীড়াবিদ লিয়েন্ডার বলেন, “আমার জন্ম পশ্চিমবঙ্গে। কিন্তু আমি যখন খেলা শুরু করি, তখন ওখানে টেনিসের এত পরিকাঠামো ছিল না। আজও দেশে কোনও ইন্ডোর টেনিস কোর্ট নেই। এখন আগের চেয়ে পরিস্থিতি ভালো হয়েছে। তবে ক্রীড়া এবং ক্রীড়া প্রশিক্ষণে আরও উন্নতির সুযোগ রয়েছে।”

    কেন এই দলবদল?

    ২০২১ সালের অক্টোবরে গোয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন লিয়েন্ডার। গোয়া নির্বাচনে দলের হয়ে প্রচারও করেছিলেন। তবে গত কিছু সময় ধরে জোড়া-ফুল শিবিরের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়ছিল বলে খবর। এদিন বিজেপিতে (Bengal BJP) যোগ দিয়ে লিয়েন্ডার (Leander Paes) বলেন, “আমি ৪০ বছর দেশের হয়ে খেলেছি। এবার দেশের যুব সমাজ ও ক্রীড়াক্ষেত্রের উন্নতির জন্য কাজ করতে চাই। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কর্মপদ্ধতি এবং দেশের খেলাধুলার প্রসারে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি আমাকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।”

    বঙ্গ-রাজনীতিতে লিয়েন্ডারের গুরুত্ব

    লিয়েন্ডারের যোগদানের সময় সুকান্ত মজুমদার তাঁর পারিবারিক ঐতিহ্যের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, “লিয়েন্ডার পেজ (Leander Paes) মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের উত্তরসূরি। বাংলার মাটির সঙ্গে তাঁর এই গভীর যোগসূত্রকে আগামী নির্বাচনে কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি। বিশেষ করে কলকাতার শহুরে এবং শিক্ষিত ভোটারদের কাছে লিয়েন্ডারের গ্রহণযোগ্যতা দলকে বাড়তি অক্সিজেন দেবে। দেশের যুবক-যুবতীদের এই খেলায় আসার জন্য অনুপ্রাণিত করেছে। লিয়েন্ডারের ছবি, খেলার ভিডিও, তাঁর ম্যাচ দেখে বাঙালি যুব সমাজ বড় হয়েছে। আজ পশ্চিমবঙ্গের বিজেপির (Bengal BJP) জন্য এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন বলে আমার মনে হয়।” তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে দল আরও শাক্তিশালী হবে।

    বিধানসভায় কি প্রার্থী হবেন?

    লিয়েন্ডারকে (Leander Paes) আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী করা হবে কি না, তা নিয়ে এখনও দলের তরফে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি। তবে সূত্রের খবর, কলকাতার কোনো একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন থেকে তাঁকে লড়াইয়ে নামানোর কথা ভাবছে পদ্ম-শিবির। শুধুমাত্র প্রার্থী হিসেবেই নয়, রাজ্যজুড়ে বিজেপির তারকা প্রচারক হিসেবেও বড় ভূমিকায় দেখা যেতে পারে তাঁকে। খেলার কোর্টে বহুবার প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকে ম্যাচ বের করে এনেছেন লিয়েন্ডার। এবার রাজনীতির পিচে তিনি কতটা সফল হন, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে বাংলার রাজনৈতিক মহল।

  • Calcutta High Court: সুপ্রিম কোর্টে ফের একবার মুখ পুড়ল তৃণমূলের, ঘাসফুল শিবিরের আবেদন খারিজ

    Calcutta High Court: সুপ্রিম কোর্টে ফের একবার মুখ পুড়ল তৃণমূলের, ঘাসফুল শিবিরের আবেদন খারিজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুয়ারে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে প্রশাসনিক রদবদলকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের (TMC) তরফে যে মামলা দায়ের করা হয়েছিল, সেটি খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের সাফ কথা, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করতে চায় না আদালত।

    আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল (Calcutta High Court)

    মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। তৃণমূলের তরফে আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী তথা তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ ছিল, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, বিডিও, ওসি, আইসি-সহ বহু প্রশাসনিক আধিকারিককে একযোগে বদলি করা হচ্ছে। এহেন পরিস্থিতিতে তৃণমূলের তরফে চাওয়া হয়েছিল আদালতের হস্তক্ষেপ।

    জনস্বার্থ মামলা দায়ের

    এই বিষয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন আইনজীবী অর্ককুমার নাগ। ২৩ মার্চ মামলাটি শুনানির জন্য ওঠে। মামলাকারীর হয়ে সওয়াল করেছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কমিশনের এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি, তাদের এক্তিয়ার নিয়েও আপত্তি জানানো হয়। তবে শুনানির সময় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতেই এই রদবদল করা হয়েছে। নির্বাচনী আচরণবিধি কার্যকর হওয়ার পর প্রশাসনের নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া স্বাভাবিক (Calcutta High Court)। আদালতও কমিশনের সেই যুক্তিতেই সায় দিয়ে জানিয়ে দেয়, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে তারা হস্তক্ষেপ করবে না। এরপর প্রত্যাশিতভাবেই তৃণমূলের আবেদন খারিজ হয়ে যায়।

    প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে বদলি

    প্রসঙ্গত, গত ১৫ মার্চ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর হয়ে গিয়েছে নির্বাচনী আচরণবিধি। তার পর থেকেই প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে বদলির প্রক্রিয়া শুরু হয়। মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, ডিজিপি থেকে শুরু করে জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, এমনকি ওসি এবং বিডিও পর্যায়েও ব্যাপক রদবদল করা হয়েছে (TMC)। এই রদবদলের উদ্দেশ্য নিয়েই প্রশ্ন তুলেছিল তৃণমূল। দ্বারস্থ হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের। সেখানেই আরও একবার মুখ পুড়ল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের (Calcutta High Court)।

     

  • West Bengal Elections 2026: আরও ১৩ আসনে নাম ঘোষণা বিজেপির, তালিকায় চমক, প্রার্থী বদল ময়নাগুড়িতে

    West Bengal Elections 2026: আরও ১৩ আসনে নাম ঘোষণা বিজেপির, তালিকায় চমক, প্রার্থী বদল ময়নাগুড়িতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর হাইভোল্টেজ বিধানসভা নির্বাচনের রণকৌশল সাজাতে কোমর বেঁধে নামল ভারতীয় জনতা পার্টি। মঙ্গলবার দলের পক্ষ থেকে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) জন্য আরও ১৩ জন প্রার্থীর নামের চতুর্থ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে একটি পুরোনো আসনেও প্রার্থী বদল করেছে গেরুয়া শিবির (BJP Bengal)। আরও ৬ আসনের প্রার্থীর নাম প্রকাশ করা এখনও বাকি।

    কারা পেলেন টিকিট (West Bengal Elections 2026)?

    বিজেপির কেন্দ্রীয় নির্বাচনী কমিটির (CEC) অনুমোদিত এই তালিকায় বিভিন্ন জেলার গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলিতে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেন:

    • সিতাই (SC): আশুতোষ বর্মা
    • নাটাবাড়ি: গিরিজা শঙ্কর রায়
    • বাগদা (SC): সোমা ঠাকুর
    • সোনারপুর উত্তর: দেবাশিস ধর
    • চৌরঙ্গী: সন্তোষ পাঠক
    • হাওড়া দক্ষিণ: শ্যামল হাটি
    • পাঁচলা: রঞ্জন কুমার পাল
    • মগরাহাট পূর্ব: উত্তম কুমার বণিক
    • ফলতা: দেবাংশু পাণ্ডা
    • চণ্ডীপুর: পীযূষ কান্তি দাস
    • গড়বেতা: প্রদীপ লোধা
    • মেমারি: মানব গুহ
    • বারাবনি: অরিজিৎ রায়

    বাগদায় ননদ-বৌদির লড়াই

    নাম ঘোষণা হতেই জোর রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে বাগদা কেন্দ্র নিয়ে। কারণ এই কেন্দ্রে এবার ননদ বনাম বৌদির লড়াই। বাগদা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে বনগাঁর সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের স্ত্রী সোমা ঠাকুরকে। সোমা ঠাকুর কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের স্ত্রী ছাড়াও মতুয়া মহাসঙ্ঘের মাতৃ সেনার প্রধান। মতুয়া মহাসঙ্ঘের বিভিন্ন অনুষ্ঠান মঞ্চে এই বছরে তাঁকে নিয়মিত দেখা গিয়েছে৷ এই কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী করেছে দলের রাজ্যসভার সাংসদ মমতাবালা ঠাকুরের কন্যা মধুপর্ণা ঠাকুরকে। মধুপর্ণা শান্তনু ঠাকুরের জেঠুর মেয়ে। সোমা এবং মধুপর্ণা দু’জনেই মতুয়া ঠাকুরবাড়ির সদস্য, সম্পর্কে তাঁরা ননদ-বৌদি। এ বিষয়ে তৃণমূল প্রার্থী মধুপর্ণা ঠাকুর বলেন, ‘‌ঘরের সম্পর্ক ঘরের জায়গায়, রাজনীতি রাজনীতির জায়গায়। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ হিসেবে লড়াই করতে আসলে সেখানে লড়াই তো হবেই। বাগদায় তৃণমূল কংগ্রেসই জিতবে।’‌ অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী সোমা ঠাকুর বলেন, ‘‌পরিবার পরিবারের মতো। ভোট অন্য বিষয়। ভারতীয় জনতা পার্টি আমাকে প্রার্থী করেছে এবং বাগদার মাটি বিজেপির মাটি। আমরা জয়লাভ করব।’‌

    ময়নাগুড়িতে প্রার্থী বদল

    চতুর্থ তালিকা (West Bengal Elections 2026) প্রকাশের পাশাপাশি দল তাদের আগের একটি সিদ্ধান্তে বদল এনেছে। জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ি (SC) আসনে কৌশিক রায়ের পরিবর্তে এবার প্রার্থী (BJP Bengal) করা হয়েছে ডালিম রায়-কে। স্থানীয় সমীকরণ এবং সাংগঠনিক রণকৌশলের কথা মাথায় রেখেই এই রদবদল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    এক নজরে নির্বাচনের প্রেক্ষাপট

    বিজেপি এখনও পর্যন্ত মোট ২৮৭টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে ফেলেছে। এর আগে প্রথম তালিকায় ১৪৪ জন, দ্বিতীয় তালিকায় ১১১ জন এবং তৃতীয় তালিকায় ১৯ জনের নাম জানানো হয়েছিল। উল্লেখ্য, তৃতীয় তালিকায় আরজি কর কাণ্ডের নির্যাতিতার মা রত্না দেবনাথকে পানিহাটি আসন থেকে প্রার্থী (BJP Bengal) করে বড় চমক দিয়েছিল বিজেপি। এবারের তালিকা বিশেষ চমক সন্তোষ পাঠক, প্রাক্তন পুলিশ অফিসার দেবাশিস ধর, সোমা ঠাকুর এবং সন্তোষ পাঠক।

    ভোটের নির্ঘণ্ট

    পশ্চিমবঙ্গে মোট দুই দফায় ভোটগ্রহণ হবে— ২৩ এপ্রিল এবং ২৯ এপ্রিল। আগামী ৪ মে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে। প্রথম দফার জন্য মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৬ এপ্রিল। রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে সরাসরি টক্কর দিতে বিজেপি যেভাবে ধাপে ধাপে এবং বিচার-বিবেচনা করে প্রার্থী তালিকা (West Bengal Elections 2026) সাজাচ্ছে, তাতে এই ১৩ জনের নাম ঘোষণা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। আরও ৬ আসনের প্রার্থীর নাম প্রকাশ করা এখনও বাকি। ৬টি নাম নিয়ে এখনও চর্চা চলছে বিজেপির অন্দরে।

  • US Iran War: পাকিস্তানের দাবি খারিজ করে ইরান সাফ জানাল পাক নেতৃত্বাধীন কোনও প্রচেষ্টার সঙ্গে তাদের কোনও যোগ নেই

    US Iran War: পাকিস্তানের দাবি খারিজ করে ইরান সাফ জানাল পাক নেতৃত্বাধীন কোনও প্রচেষ্টার সঙ্গে তাদের কোনও যোগ নেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সরাসরি আলোচনার আয়োজন করতে প্রস্তুত পাকিস্তান। পশ্চিম এশিয়ায় যে যুদ্ধ চলছে, তার প্রেক্ষিতেই এমনতর দাবি করেছে ইসলামাবাদ (Pakistan)। পাকিস্তানের এহেন দাবি খারিজ করে দিয়ে ইরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, পাক নেতৃত্বাধীন এমন কোনও প্রচেষ্টার (US Iran War) সঙ্গে তাদের কোনও যোগ নেই। সোমবার মুম্বইয়ে ইরানের কনসুলেট জেনারেল জানান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি কোনও আলোচনা হয়নি। তবে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে কেবল অতিরিক্ত ও অযৌক্তিক দাবি জানানো হয়েছে। কনসুলেট আরও জানিয়েছে, পাকিস্তানের যে কোনও মঞ্চ তাদের নিজস্ব বিষয়, সেখানে ইরান অংশ নেয়নি।

    কনসুলেট জেনারেলের বক্তব্য (US Iran War)

    এক বিবৃতিতে কনসুলেট জেনারেল জানান “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি কোনও আলোচনা হয়নি। শুধুমাত্র মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে অতিরিক্ত ও অযৌক্তিক কিছু দাবি এসেছে। আমেরিকার ‘কূটনীতি’ বারবার অবস্থান বদলায়। তবে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট। পাকিস্তানের মঞ্চ তাদের নিজস্ব। আমরা তাতে অংশ নিইনি। আঞ্চলিকভাবে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান স্বাগত, তবে মনে রাখতে হবে—কে এই যুদ্ধ শুরু করেছে!”  রবিবার পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী তথা বিদেশমন্ত্রী ইসহাক দার ইসলামাবাদে সৌদি আরব, মিশর ও তুরস্কের বিদেশমন্ত্রীদের সঙ্গে কয়েক ঘণ্টার বৈঠক করার পর এই ঘোষণা করেন। বৈঠকে যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে আলোচনা হয়, যার মধ্যে হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে সমুদ্র পথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ার বিষয়টিও ছিল।

    পাক মন্ত্রীর বক্তব্য

    টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দার বলেন, “আগত মন্ত্রীরা ইসলামাবাদে সম্ভাব্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন।” দারের দাবি, তিনি ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ইরানের উচ্চপর্যায়ের সরকারি কর্তাদের সঙ্গে, যেমন প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান ও বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির সঙ্গে একাধিকবার টেলিফোনে কথা বলেছেন। তিনি আরও জানান, পাকিস্তান আমেরিকা প্রশাসনের সঙ্গেও সক্রিয়ভাবে যোগাযোগ রাখছে। রবিবারের ইসলামাবাদ বৈঠকটি কঠোর নিরাপত্তার ঘেরাটোপে অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইজরায়েল বা ইরানের কোনও প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না (US Iran War)।

    ইরানের বক্তব্য

    ইরানের তাসনিম সংবাদ সংস্থার মতে, তেহরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনও আনুষ্ঠানিক আলোচনার কথা স্বীকার করেনি। তবে ইসলামাবাদের মাধ্যমে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাবিত ১৫ দফা পরিকল্পনার একটি প্রতিক্রিয়া পাঠিয়েছে (US Iran War)। এদিকে, সোমবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল ইরানের ওপর তাদের হামলা অব্যাহত রাখে। এর জবাবে ইরান কুয়েতের একটি (Pakistan) গুরুত্বপূর্ণ জল ও বিদ্যুৎ কেন্দ্র লক্ষ্য করে বোমা ফাটায় এবং উত্তর ইসরায়েলের একটি তৈল শোধনাগারেও আঘাত হানে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, “ইরান সোমবার থেকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে ২০টি তেলবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিতে রাজি হয়েছে, যা তিনি সম্মানের নিদর্শন হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সময়ে, ওই অঞ্চলে ইতিমধ্যেই ২,৫০০ মার্কিন মেরিন মোতায়েন রয়েছে (US Iran War) এবং সমসংখ্যক আরও একটি বাহিনী পথে রয়েছে। এর (Pakistan) মধ্যে ট্রাম্প পারস্য উপসাগরে ইরানের খার্গ দ্বীপের তেল টার্মিনাল দখলের সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন।

     

LinkedIn
Share