Tag: tmc

tmc

  • Sagardighi: ১৫ বছর পুরনো মামলায় গ্রেফতার সাগরদিঘির কংগ্রেস নেতা! এখন কেন? প্রশ্ন হাইকোর্টের

    Sagardighi: ১৫ বছর পুরনো মামলায় গ্রেফতার সাগরদিঘির কংগ্রেস নেতা! এখন কেন? প্রশ্ন হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৭ ফেব্রুয়ারি উপনির্বাচন (By Election) মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি (Sagardighi) বিধানসভা কেন্দ্রে। তার আগে শনিবার ভোরে গ্রেফতার করা হল ওই বিধানসভা কেন্দ্রের পাটকেলডাঙা এলাকার কংগ্রেস (Congress) নেতা সইদুল রহমানকে। বিবাহিত এক মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগে জামিন অযোগ্য ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে সাগরদিঘি থানার পুলিশ। ১৫ বছরের পুরনো একটি মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে ওই কংগ্রেস নেতাকে। জানা গিয়েছে, এদিন ভোর সাড়ে তিনটে নাগাদ সাগরদিঘি পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেত্রী শাহনাজ বেগমের বাড়িতে অভিযান চালায় সাগরদিঘি থানার পুলিশ। পরে গ্রেফতার করা হয় তাঁর স্বামী সইদুলকে। তিনি সাগরদিঘির ব্লক যুব কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন।

    কংগ্রেস…

    ঘটনার প্রতিবাদে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরীর নেতৃত্বে বাম এবং কংগ্রেস কর্মীরা ঘণ্টা পাঁচেক অবরোধ করে রাখেন সাগরদিঘি থানা। নাম প্রকাশ করা হবে না এই শর্তে জেলা পুলিশের এক কর্তা বলেন, ধৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইপিসির ৩৭৬ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। সাগরদিঘির (Sagardighi) এক মহিলা সম্প্রতি অভিযোগ দায়ের করেছেন অভিযুক্ত ব্যক্তি তাঁকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন এবং সেই ধর্ষণের ভিডিও করে রেখেছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই মহিলা তাঁর অভিযোগপত্রে জানিয়েছেন, সইদুল ধর্ষণের ভিডিও তুলে রেখে সম্প্রতি তাঁকে ব্ল্যাকমেল করতে শুরু করেছিলেন।

    আরও পড়ুুন: একশো দিনের কাজে ‘পুকুর চুরি’! মৃত ব্যক্তির অ্যাকাউন্টেও ঢুকেছে মজুরি!

    এদিনই আদালতের তোলা হয় সইদুলকে। যদিও নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেন তিনি। সইদুল বলেন, আমি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার। আমাকে জেলে রেখে সাগরদিঘি উপনির্বাচনে ভোট লুঠ করার পরিকল্পনা করেছে তৃণমূল। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরীও বলেন, আমার ধারণা সাগরদিঘি (Sagardighi) থানার পুলিশের ওপর উচ্চতর মহল থেকে চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল সইদুলকে গ্রেফতার করার জন্য। তাই সাগরদিঘি থানার পুলিশ এই কাজ করতে বাধ্য হয়েছে।

    রবিবার সইদুলকে তোলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার প্রশ্ন, ১৫ বছর আগের ঘটনায় আগে কেন কোনও তদন্ত করা হয়নি? তিনি জানান, আদালত পুলিশকে আর একবার সুযোগ দিচ্ছে। কাল দুপুর দুটোয় কেস ডায়েরি নিয়ে ওসিকে আদালতে হাজির হতে হবে। সইদুলের  আইনজীবী কৌস্তভ বাগচি বলেন, সইদুল সাগরদিঘি বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের দায়িত্বে রয়েছেন। তিনি যাতে কাজ করতে না পারেন, তাই ১৫ বছর আগের এক অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে সইদুলকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
  • Suvendu Adhikari: ‘মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভার জন্য খরচ কোটি কোটি টাকা, উৎস কী’, প্রশ্ন শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভার জন্য খরচ কোটি কোটি টাকা, উৎস কী’, প্রশ্ন শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রশাসনিক সভার নামে খরচ হচ্ছে গুচ্ছের টাকা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নেতৃত্বাধীন তৃণমূল (TMC) সরকারের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ নতুন নয়। তবে এবার রীতিমতো হিসেব দিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) জানিয়ে দিলেন বাঁকুড়ায় মুখ্যমন্ত্রীর সভায় বাসের জন্য খরচ হয়েছে ৭৮ লক্ষ টাকা। বাঁকুড়ার জেলাশাসকের কাছে ওই খরচের সূত্র জানতে চেয়েছেন শুভেন্দু।

    শুভেন্দুর অভিযোগ…

    জেলায় জেলায় নিয়মিত প্রশাসনিক সভা করে বেড়ান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে নিয়ে চলেন বিস্তর লোকলস্কর। সেখানে গিয়ে সুবিধাভোগীদের নানা সুবিধা দেন। তার আড়ালে ভোটের প্রচারও চলে বলে অভিযোগ। ১৭ ফেব্রুয়ারি বাঁকুড়ায় প্রশাসনিক সভা করেন মমতা। রাজ্য সরকারের এই কর্মসূচিতে স্কুল পড়ুয়া ও বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধাভোগীরা উপস্থিত ছিলেন। বাঁকুড়ার আঞ্চলিক পরিবহণ অফিসারের স্বাক্ষর করা কয়েকটি কাগজ তুলে ধরে শুভেন্দুর অভিযোগ, ৭০০ বাসে করে এই স্কুল পড়ুয়া ও সুবিধাভোগীদের নিয়ে আসা হয়েছে।

    ট্যুইট-বার্তায় শুভেন্দু লেখেন, ১৭ ফেব্রুয়ারি বাঁকুড়ায় মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভায় ছাত্রছাত্রী ও গরিব সুবিধাভোগীদের ৭০০ বাসে করে আনতে ৭৮ লাখ টাকা খরচ করা হয়েছে। ওই ট্যুইটেই তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, জনগণের টাকা খরচ করে ছাত্রছাত্রীদের রাজনৈতিক বক্তৃতা শুনতে বাধ্য করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুুন: ‘যারা ভিন্ন মতাদর্শের লোকজনের পা চাটে…’, নাম না করে উদ্ধবকে নিশানা শাহের

    মুখ্যমন্ত্রীর ওই সভায় যে লোক আনা হয়েছে, তাদের নিয়ে আসা হয়েছে বাঁকুড়ার বিভিন্ন ব্লক ও পুরসভা থেকে। শুভেন্দুর ট্যুইট থেকে জানা যাচ্ছে, সব চেয়ে বেশি বাস এসেছে বড়জোড়া এলাকা থেকে। সেখান থেকে ৫২টি বাস আনতে খরচ করা হয়েছে ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া বাঁকুড়ার বিভিন্ন এলাকা থেকে লোক আনতে বাস প্রতি খরচ হয়েছে ১২ হাজার টাকা। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari) ট্যুইট থেকেই জানা গিয়েছে, সভার জন্য মোতায়েন করা হয়েছিল ৮ হাজার পুলিশ কর্মী, তৈরি করা হয়েছিল উন্নত ধরনের স্টেজ। সব মিলিয়ে মাত্র ৪০ মিনিটের সভার জন্য খরচ হয়েছে ৩-৪ কোটি টাকা। তাঁর প্রশ্ন, এই টাকা এল কোথা থেকে? বাঁকুড়ার ডিএম ব্যাখ্যা দিন। তাঁর আরও প্রশ্ন, রাজ্যের এই আর্থিক সংকটের সময় ওই টাকা কি মিড-ডে মিলের টাকা থেকে এসেছে?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Sisir Adhikari: শিশিরের নামে ভুয়ো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, ষড়যন্ত্রের অভিযোগ সাংসদ অনুগামীদের

    Sisir Adhikari: শিশিরের নামে ভুয়ো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, ষড়যন্ত্রের অভিযোগ সাংসদ অনুগামীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার শিশির অধিকারীকে (Sisir Adhikari) ফাঁসানোর চেষ্টার অভিযোগ। শিশির কাঁথির সাংসদ। তাঁর আরও একটি পরিচয় রয়েছে। সেটি হল, তিনি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারীর বাবা। একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট (Fake Bank Account) খোলা হয়েছে শিশিরের নামে। শনিবার সেই ভুয়ো অ্যাকাউন্টের খবর পাওয়া মাত্রই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণের কাছে অভিযোগ জানান বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ।

    ভুয়ো অ্যাকাউন্ট…

    জানা গিয়েছে, এদিন সকালে শিশিরের বাড়িতে চিঠি আসে ইন্ডিয়ান ওভারসিজ ব্যাঙ্কের মেচেদার মাছনা শাখা থেকে। এই চিঠি পাওয়ার পরেই তাঁর নামে থাকা ওই অ্যাকাউন্টটির কথা জানতে পারেন শিশির। আইনি পরামর্শ নিয়ে, দিল্লিতে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের কাছে চিঠি পাঠান তিনি। জানা গিয়েছে, মাছনা শাখায় শিশিরের (Sisir Adhikari) নামে যে অ্যাকাউন্টটি খোলা হয়েছে, তার অ্যাকাউন্ট নম্বর হল ১২০৯০১০০০০৫৩০৪৫। শিশিরের ছবি, স্বাক্ষর ও নথি ব্যবহার করে অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে বলে অভিযোগ।

    যার অর্থ ব্যাঙ্কের কেওয়াইসি রয়েছে। এই ব্যাঙ্ক থেকে শিশিরের কাছে চিঠি যাওয়ার পরেই শুরু হয়েছে হইচই। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকে দেওয়া চিঠিতে শিশির লিখেছেন, তাঁর অনুমতি ছাড়াই এই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টটি খোলা হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। অ্যাকাউন্টটি খুলতে কোনও তথ্য বা নথিও তিনি দেননি। কে বা কারা এই ধরনের ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিক অর্থমন্ত্রক। অশীতিপর এই সাংসদের দাবি, তাঁর ভাবমূর্তি কালিমালিপ্ত করতেই এ সব করা হয়েছে। শিশিরের অনুগামীরাও জানাচ্ছেন, কাঁথির তিনবারের সাংসদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেই খোলা হয়েছে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট।

    আরও পড়ুুন: পশ্চিমবঙ্গের আমলার রামায়ণ ব্যাখ্যায় মুগ্ধ মোদি, নিয়ে গেলেন পিএমও-তে

    শিশিরের (Sisir Adhikari) পুত্র দিব্যেন্দু অধিকারী তমলুকের সাংসদ। তিনি বলেন, বাবা এই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের কথা জানতে পেরেই অর্থমন্ত্রীকে অভিযোগপত্র পাঠিয়েছেন। আমরা চাই, যাঁরা তাঁর নাম ব্যবহার করে এ সব করেছেন, তাঁরা ধরা পড়ুন। কারণ এই অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য বাবার মতামত যেমন নেওয়া হয়নি, তেমনই বাবা কোনও তথ্য, নথি বা স্বাক্ষরও দেননি। তিনি বলেন, এই ষড়যন্ত্রের বিহিত চাইছি আমরা। তৃণমূলের টিকিটে জিতে সাংসদ হয়েছেন শিশির। পরে তাঁর বিরুদ্ধে বিজেপি ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। শিশির পুত্র শুভেন্দু রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। ভাবাদর্শ বদলের জেরে তৃণমূল ছেড়ে তিনি যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের অভিযোগ, এসব কারণেই শিশিরকে ফাঁসানোর চেষ্ট চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Akhil Giri: রাষ্ট্রপতির পর প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য অখিল গিরির! তুমুল বিতর্কে মন্ত্রী

    Akhil Giri: রাষ্ট্রপতির পর প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য অখিল গিরির! তুমুল বিতর্কে মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের শাসকদলের নেতার মুখে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অশালীন মন্তব্য! বিতর্ক যেন তাঁর পিছু ছাড়ছেই না। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর পর এবার দেশের প্রধানমন্ত্ৰী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করে বসলেন মন্ত্ৰী অখিল গিরি। রামনগরের সভা থেকে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী গরুকে আঁকড়ে ভালোবাসা করতে গিয়েছিলেন। গরু গুঁতিয়ে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে।” স্বভাবতই মন্ত্রীর এই মন্তব্য ঘিরে তুমুল বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। তবে এই প্রথম নয়, এর আগেও রাষ্ট্রপতি দৌপদী মুর্মুকে নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন তিনি। ফলে এই নিয়ে ক্ষমাও চাইতে হয় খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

    প্রধানমন্ত্রীর নামে অশালীন মন্তব্য অখিল গিরির

    গতকাল পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরে আরএসএ ময়দানের মাঠে বিজেপির পালটা সভা করে তৃণমূল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। আর সেখান থেকেই প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অশালীন ভাষায় মন্তব্য করতে দেখা যায় তাঁকে। বিজেপি ও মোদি সরকারকে কটাক্ষ করতে গিয়ে তিনি ভ্যালেন্টাইন্স ডে-এর প্রসঙ্গ তুলে এনে বলেন, “১৪ তারিখ ভ্যালেন্টাইন্স ডে ছিল, ভালোবাসার দিবস, ছেলে-মেয়েরা প্রেম করে। গোলাপ ফুল দেওয়া-নেওয়া হয়। একজন মানুষকে আরেকজন মানুষ ফুল দিয়ে ভালোবাসে। প্রধানমন্ত্রী গরুকে আঁকড়ে ভালোবাসা করতে গিয়েছিলেন। গরু গুঁতিয়ে দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে। পুরো পড়ে গিয়েছে। ভাগ্য ভালো ষাঁড়টাকে ধরেনি। না হলে গুঁতিয়ে দিত পেটে লেগে যেত…। গরু যদি নরেন্দ্র মোদিকে গুঁতিয়ে দেয় তাহলে আমি কি করব!” মন্ত্রী আরও বলেন, “১৪ তারিখ ভ্যালেন্টাইন্স ডে’তে নরেন্দ্র মোদি গরুকে আঁকড়ে ধরেছেন, কী সুন্দর! আগামী ২৪-এ গুঁতো খাবে। যাতে উলটে পড়বে প্রধানমন্ত্রী মানুষ পার্লামেন্টের বাইরে পাঠিয়ে দেবে।”

    মন্ত্রী অখিল গিরিকে কড়া ভাষায় জবাব বঙ্গ বিজেপির

    প্রধানমন্ত্রী প্রসঙ্গে অখিল গিরির মন্তব্যের তীব্র বিরোধীতায় সরব হয়েছে বঙ্গ বিজেপি। এই প্রসঙ্গে কাঁথি সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি সুদাম পণ্ডিত বলেন, “একটা মোস্ট থার্ড ক্লাস দল। দুর্নীতি করতে করতে রাজ্যটাকে শেষ করে দিয়েছে। ওদের কথায় কান দিয়ে আমাদের লাভ কী। ওদের মত আমাদের তো আর অভিনেতা দেখিয়ে লোক ডাকতে হয়নি। বিনাশকালে বুদ্ধিনাশ হয়েছে তৃণমূলের নেতা- নেত্রীদের। তাই ভুল-ভাল কথা বলছেন।” আবার শমীক ভট্টাচার্য বলেন, এটাই তৃণমূল কংগ্রেস! শুধু তাই নয়, এটাই তাঁদের সংস্কৃতি, ভাষা বলেও আক্রমণ বিজেপি নেতার। তাঁর মতে, তৃণমূলের নেত্রী তিনি নিজে এই ভাষায় কথা বলে। প্রত্যেকটি রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সেটাই প্রকাশ পায় বলে কটাক্ষ। এমন কিছু মানুষ আছেন যারা এই সব বলে হাততালি কুড়োতে চায় বলে মন্তব্য বিজেপি নেতার। তবে মানুষ এর জবাব দেবে বলে মন্তব্য তাঁর।

  • Sukanta Majumdar: জনতার পাশে দাঁড়াতে এবার ‘পাড়ায় সুকান্ত’ কর্মসূচি বিজেপির রাজ্য সভাপতির

    Sukanta Majumdar: জনতার পাশে দাঁড়াতে এবার ‘পাড়ায় সুকান্ত’ কর্মসূচি বিজেপির রাজ্য সভাপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতির (Scam) অভিযোগ থেকে আমজনতার দৃষ্টি ঘোরাতে ‘দিদির দূত’ কর্মসূচি হাতে নেয় তৃণমূল (TMC)। দলীয় নেতৃত্বের ধারণা ছিল, পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে নয়া এই কর্মসূচি জনতার ক্ষোভের ক্ষতে প্রলেপ দেবে। তা তো হয়ইনি, উল্টে মাঝমধ্যেই জনরোষের মুখে পড়ে লেজ গুটিয়ে পগার পার হয়েছেন তৃণমূলের নেতারা। ক্ষুব্ধ জনতার পাশে দাঁড়াতে এবার ‘পাড়ায় সুকান্ত’ কর্মসূচি হাতে নিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বালুরঘাটের সাংসদ। জানা গিয়েছে, তাঁর সংসদ ক্ষেত্রেই প্রথম যাবেন সুকান্ত। ঘুরবেন পাড়ায় পাড়ায়। শুনবেন জনতার অভাব-অভিযোগের কথা। কেন্দ্রের নানা প্রকল্পের সুবিধাও যাতে তাঁর সংসদ ক্ষেত্রের বাসিন্দারা পান, তাও দেখবেন তিনি। এই কর্মসূচি যে তাঁরই মস্তিষ্ক প্রসূত, তা জানিয়েছেন সুকান্ত নিজেই।

    সুকান্ত বলেন…

    সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, এই কর্মসূচি সম্পূর্ণভাবে আমার মস্তিষ্ক প্রসূত। এই কর্মসূচি আমি শুধু আমার লোকসভার জন্য চালু করছি। আমার লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে সাধারণ মানুষের সুবিধা অসুবিধার কথা শোনা, তাঁদের বিভিন্ন সার্টিফিকেট দেওয়া, অসুস্থ মানুষদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা সহ স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়া ও প্রধানমন্ত্রীর প্রকল্পগুলির সুবিধা যাঁরা পাননি, তাঁদের সুবিধা প্রদান করাই এই কর্মসূচির লক্ষ্য। এই কাজগুলো যে আগেও হত না, তা নয়। তবে এই সব ‘প্রাপ্য’ জনতার দরবারে পৌঁছে দিতেই তিনি নয়া কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন বলে জানান বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

    আরও পড়ুুন: চলন্ত ট্রেন থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ! নলহাটিতে উদ্ধার ত্রিপুরার যুবক

    দক্ষিণ দিনাজপুর বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার পরে ব্যস্ততা বেড়েছে সুকান্তর। তা সত্ত্বেও জেলায় এলেই জনসংযোগে মন দেন সুকান্ত। বিজেপি নেতারা জানান, ১৭ ফেব্রুয়ারি কলকাতা থেকে জেলায় ফিরেছেন সুকান্ত। জেলায় তাঁর থাকার কথা তিন দিন। এই তিন দিনই তাঁর কর্মসূচি রাখা হয়েছে জেলার বিভিন্ন এলাকায়।

    প্রসঙ্গত, পঞ্চায়েত নির্বাচনে জনমত ঘাসফুল আঁকা ঝুলিতে ভরতে দিদির দূত কর্মসূচি হাতে নিয়েছিল তৃণমূল। জেলায় জেলায় ওই কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে নানা সময় অপদস্থ হতে হয়েছে তৃণমূল নেতাদের। কেন্দ্রীয় আবাসন প্রকল্প সহ নানা দুর্নীতির অভিযোগের কৈফিয়ত দিতে গিয়ে কার্যত কালঘাম ছুটেছে তৃণমূল নেতাদের। তার জেরে ইদানিং আর ওই কর্মসূচি পালিত হচ্ছে বলে শোনা যায় না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Kuntal Ghosh: কুন্তলকে জেরা করতে প্রেসিডেন্সি জেলে ইডির আধিকারিকরা! কী জানতে চাইলেন অফিসাররা?

    Kuntal Ghosh: কুন্তলকে জেরা করতে প্রেসিডেন্সি জেলে ইডির আধিকারিকরা! কী জানতে চাইলেন অফিসাররা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি নিয়োগ ‘দুর্নীতি’ মামলায় অভিযুক্ত তৃণমূলের যুব নেতা কুন্তল ঘোষকে জেরা করতে প্রেসিডেন্সি জেলে গেলেন ইডির আধিকারিকরা। নিয়োগে বেনিয়ম ও কোটি কোটি টাকার লেনদেনে কুন্তলের যোগ স্পষ্ট বলেই দাবি ইডির। তাই  আদালতের নির্দেশ মতো জেলে গিয়ে কুন্তলকে (Kuntal Ghosh) জেরা করা শুরু করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    কুন্তলকে জেরা

    বৃহস্পতিবার আলিপুরে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে গিয়ে কুন্তল ঘোষকে জেরা করেন ইডির দুই আধিকারিক। ইডি সূত্রে খবর, এর আগে কুন্তল যখন ইডির হেফাজতে ছিল, সেই সময় তাঁর কাছ থেকে একাধিক প্রশ্নের উত্তর ইডি পায়নি। এরপরই গত ৩ ফেব্রুয়ারি কুন্তলকে আদালতে তোলা হলে ইডির আধিকারিকরা এ বিষয়ে বিচারককে জানান। তাঁরা আবেদন করেন, জেলে গিয়ে জেরার যেন অনুমতি দেওয়া হয়। আদালতের অনুমতি পাওয়ার পর এদিন কুন্তলকে জেরা করতে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে যান ইডির আধিকারিকরা। গোপাল দলপতির বক্তব্যকে সামনে রেখে কুন্তলকে ইডি জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় বলে সূত্রের খবর। সেটা রেকর্ডও করা হবে। পাশাপাশি নিয়োগ সংক্রান্ত বেনিয়মের টাকা পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং মানিক ভট্টাচার্যের কাছে গেলে তা কীভাবে যেত তাও কুন্তলকে জেরা করেই এদিন ইডি জানতে চাইতে পারে বলেই সূত্রের দাবি।

    আরও পড়ুুন: জেলে গিয়ে সিবিআই জেরা অনুব্রতকে! কী জানতে চাইছেন কেন্দ্রীয় আধিকারিকরা?

    ইডির দাবি

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই কুন্তলের একটি ডায়েরি তাদের হাতে এসেছে। যে ডায়েরির পাতায় পাতায় সাঙ্কেতিক অক্ষরমালা। টাকার হিসাবের পাশে নাম ও পদবির আদ্যাক্ষর লেখা বলেও দাবি সূত্রের। শুধু তাই নয়, প্রচুর গানের প্যারোডিও লেখা রয়েছে সেই ডায়েরিতে। সেই ডায়েরির রহস্য ভেদ করতেও কুন্তলকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে ইডি। পাশাপাশি কোন কোন প্রভাবশালীর কাছে চাকরি চুরির টাকা যেত সেটাও নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে ইডির জেরার মুখে পড়ে শেষ পর্যন্ত কুন্তল আর কার নাম বলেন সেটাই এখন দেখার। শাসকদলের আর কারা এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত সেটাও জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Nandini Chakraborty: রাজভবন থেকে সরানো হল নন্দিনীকে, সুকান্ত ‘এফেক্ট’?

    Nandini Chakraborty: রাজভবন থেকে সরানো হল নন্দিনীকে, সুকান্ত ‘এফেক্ট’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যপালের প্রধান সচিবের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল নন্দিনী চক্রবর্তীকে (Nandini Chakraborty)। তাঁকে সরানোর জন্য আর্জি জানিয়ে নবান্নকে বার্তা দিয়েছিলেন সিভি আনন্দ বোস। তার পরেও সরানো হয়নি তাঁকে। উপরাষ্ট্রপতি (Vice President) তথা রাজ্যের প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে মঙ্গলবারই কলকাতায় ফেরেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। তার পরেই বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়েছে, নন্দিনী সামলাবেন পর্যটন দফতরের প্রধান সচিবের দায়িত্ব।

    সুকান্ত মজুমদার…

    শনিবার রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে রাজভবনে যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠকের পর তাঁর হাতে সুকান্ত তুলে দেন একটি চিঠিও। বৈঠকের শেষে সুকান্ত দাবি করেন, দুর্নীতির সঙ্গে যুক্তদের রেহাই নয় বলে আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যপাল। উনি বলেছেন জিরো টলারেন্স টু কোরাপশন। এই নীতি নিয়ে তিনি চলছেন। শুধু তাই নয়, কোরাপশনের সঙ্গে যুক্ত কোনও ব্যক্তিকে কোনওভাবে রেহাই দেওয়া হবে না।

    এদিকে, বাংলার রাজ্যপাল হিসেবে শপথ নেওয়ার পর আনন্দের সঙ্গে তৃণমূলের ঘনিষ্ঠতার অভিযোগে সরব হয় বিজেপি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দুর দাবি, এই ঘনিষ্ঠতার পিছনে ছিল নন্দিনীর (Nandini Chakraborty) ভূমিকা। রাজ্যপালের শপথ, সরস্বতী পুজোর দিনে হাতেখড়ি, সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের অনুষ্ঠান থেকে বিধানসভায় বাজেট অধিবেশনে ভাষণ এসব নিয়ে নানা অভিযোগ তোলে পদ্ম শিবির। তার পরেই রাজ্যপাল-সুকান্ত বৈঠক। নন্দিনীকে সরানোর জন্য আর্জি জানিয়ে নবান্নকে বার্তা দেন রাজ্যপাল। বুধবার পদক্ষেপ করে নবান্ন।

    আরও পড়ুুন: কয়লা পাচারকাণ্ডে ইডি-র তলব নিউ আলিপুরের বাসিন্দাকে, উঠে এল তৃণমূলের নামও

    ১৯৯৪ ব্যাচের আইএএস অফিসার নন্দিনী (Nandini Chakraborty)। বর্তমানে তাঁর বিরুদ্ধে তৃণমূল ঘনিষ্ঠতার অভিযোগ উঠলেও, এক সময় তাঁর সঙ্গে তৃণমূল সুপ্রিমোর দূরত্ব তৈরি হওয়ার গল্পও শোনা যায়। রাজ্যে পালাবদলের পর শিল্পোন্নয়ন নিগমের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও তথ্য সংস্কৃতি দফতরের সচিবের মতো গুরুদায়িত্ব এক সঙ্গে সামলেছিলেন তিনি। পরে মাঝখানে তাঁর গুরুত্ব কমতে থাকে। যার জেরে নিগম থেকে নন্দিনীকে সরিয়ে পাঠানো হয় তথ্য সংস্কৃতি দফতরে। সেই দফতরও কেড়ে নিয়ে তাঁকে পাঠানো হয় স্টেট গেজেটিয়ারের এডিটর পদে। সেখান থেকে সুন্দরবন উন্নয়ন। আরও পরে প্রায় গুরুত্বহীন প্রেসিডেন্সি ডিভিশনে। বুধবার রাজভবন থেকে সরিয়ে নন্দিনীকে পাঠানো হল বাবুল সুপ্রিয়ের দফতরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Partha Chatterjee: কালো টাকা সাদা করা হয়েছে পার্থর স্ত্রীর স্কুলের মাধ্যমে, চার্জশিটে দাবি ইডি-র

    Partha Chatterjee: কালো টাকা সাদা করা হয়েছে পার্থর স্ত্রীর স্কুলের মাধ্যমে, চার্জশিটে দাবি ইডি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরি বিক্রির কোটি কোটি কালো টাকা (Black Money) সাদা করতে ব্যবহার করা হয়েছিল একাধিক ভুয়ো কোম্পানিকে। বেনামি সম্পত্তি কেনা, বিনিয়োগ, টাকা পাচারের মতো কাজে এই সব কোম্পানিগুলিকে ব্যবহার করতেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়েছে ইডির (ED) চার্জশিটে। আরও দাবি, চাকরি বিক্রির কালো টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছিল পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলায় পার্থর প্রয়াত স্ত্রীর নামাঙ্কিত স্কুল তৈরিতেও। পিংলায় রয়েছে বিসিএম ইন্টারন্যাশনাল স্কুল। বাবলি চট্টোপাধ্যায় মেমোরিয়াল। এই বাবলি চট্টোপাধ্যায় পার্থের প্রয়াত স্ত্রী। গত ১৪ সেপ্টেম্বর এই স্কুলেই অভিযান চালায় ইডি। তখনই ইডি দাবি করেছিল, নিয়োগ দুর্নীতির মোটা অঙ্কের টাকা ঢুকেছে পার্থর প্রয়াত স্ত্রীর নামে তৈরি স্কুলে। কালো টাকা এভাবেই করা হয়েছে সাদা।

    বিসিএম…

    বিসিএম ইন্টারন্যাশনাল স্কুলটি তৈরি হয়েছিল ২০২১ সালের এপ্রিল মাসে। স্কুলটির চেয়ারম্যান পার্থের (Partha Chatterjee) জামাই কল্যাণময় ভট্টাচার্য। চার্জশিটে ইডির দাবি, স্কুলের জন্য জমি কেনা ও ভবন নির্মাণের জন্য নগদে ১৫ কোটি টাকা দিয়েছিলেন পার্থ। সেই টাকা খরচ করা হয়েছিল তাঁর জামাইয়ের মাধ্যমে। পার্থর এই জামাইকেও বেশ কয়েকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থার দাবি, জমি কেনার পর থেকে নির্মাণসামগ্রী কেনা, শ্রমিকদের মজুরি দেওয়া সবই করা হয়েছে কাঁচা টাকায়।

    আরও পড়ুুন: ফের অস্বস্তিতে জেলবন্দি মানিক! লুক আউট নোটিশ জারি ছেলে সৌভিকের বিরুদ্ধে

    এদিকে, নিয়োগ তদন্তে ইডির নজরে একটি ধূসর ডায়েরি। গত বছর ১৫ অক্টোবর মানিক ভট্টাচার্যের ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডলের অফিস থেকে উদ্ধার হওয়া ওই ডায়েরির প্রথম পাতায় লেখা রয়েছে ২০১৮ সালে প্রাথমিক শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের জন্য দেওয়া টাকার হিসেব। প্রাইমারির জন্য ৩ কোটি ৮২ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা লেখা রয়েছে তাতে। ইডি সূত্রের দাবি, এই টাকা দেওয়া হয়েছিল যুব তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক কুন্তল ঘোষকে। টাকার অঙ্কের পাশে রিসিভড লেখার নীচে তারিখ দিয়ে কুন্তলের সই রয়েছে। আপার প্রাইমারির হিসেব রয়েছে তার পরের পাতায়। ডায়েরিতে লেখা তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত আপার প্রাইমারিতে চাকরির জন্য কুন্তলের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল ৩ কোটি ৩০ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা। এখানেও স্বাক্ষর রয়েছে কুন্তলের। সই মেলাতে হস্তলিপি বিশারদদের সাহায্য নিতে চলেছে ইডি। ধূসর ওই ডায়েরি থেকে এও জানা গিয়েছে, ব্যাঙ্কের অনলাইন ট্রানজাকশনের মাধ্যমেও কুন্তলের কাছে গিয়েছিল কোটি কোটি টাকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Coal Smuggling Case: কয়লা পাচারকাণ্ডে অভিযুক্ত রত্নেশের ১৪ দিনের জেল হেফাজত

    Coal Smuggling Case: কয়লা পাচারকাণ্ডে অভিযুক্ত রত্নেশের ১৪ দিনের জেল হেফাজত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রত্নেশ বর্মাকে (Ratnesh Verma) ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আসানসোলের বিশেষ সিবিআই (CBI) আদালত। এই রত্নেশ কয়লা পাচারকাণ্ডে (Coal Smuggling Case) মূল অভিযুক্ত লালার ঘনিষ্ঠ। সোমবার সিবিআই আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী এই নির্দেশ দেন। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ২৭ ফেব্রুয়ারি। এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি রত্নেশকে তোলা হয়েছিল আসানসোল সিবিআই আদালতে। ওই আদালতের বিচারক সেদিন রত্নেশকে সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিলেন। সিবিআই হেফাজত শেষ হওয়ার পর ফের সোমবার তাঁকে তোলা হল আসানসোল আদালতে।

    রত্নেশ…

    জানা গিয়েছে, এদিন রত্নেশের আইনজীবী সোমনাথ চট্টরাজ তাঁর হয়ে জামিনের কোনও আবেদন করেননি। তার পরেই বিচারক রত্নেশকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। যদিও জেল হেফাজতে থাকাকালীন সিবিআই আধিকারিকরা জেলে গিয়ে রত্নেশকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন বলে আদালত জানিয়েছে। পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলের নরসমুদা খনি লাগোয়া এলাকায় বাড়ি রত্নেশের। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, বেআইনি কয়লা পাচারের পরিবহণের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। চুরি হওয়া কয়লা রত্নেশের সাহায্যেই মাফিয়ারা বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে দিত। রত্নেশের নিজের লরি ছিল। বেআইনি কয়লা পাচারের জন্য অন্যান্য লরিও নিজের কাজে ভাড়া খাটাতেন।

    আরও পড়ুুন: ধনখড়ের সঙ্গে সাক্ষাত রাজ্যপাল আনন্দ বোসের! কী কথা হল প্রাক্তন ও বর্তমানের মধ্যে?

    জানা গিয়েছে, ভুয়ো চালান দিয়ে এই কয়লা পাচার করা হত। রত্নেশের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ রয়েছে। জানা গিয়েছে, পাচারের পুরো কর্মকাণ্ডে লিংকম্যানের কাজ করতেন তিনি। এই মামলায় রত্নেশকে ফেরার ঘোষণা করেছিল বিশেষ সিবিআই (CBI) আদালত। ২০১৯ ও ২০২০ সালেও রত্নেশের বিরুদ্ধে পর পর দুবার লুকআউট নোটিশ জারি হয়েছিল। অনেক দিন ধরেই তাঁর খোঁজ চালাচ্ছিলেন তদন্তকারীরা। শেষ পর্যন্ত ৩১ জানুয়ারি আসানসোল সিবিআই আদালতে এসে আত্মসমর্পণ করেন রত্নেশ। সেই দিনই বিচারক তাঁকে জেলা পাঠান। পরবর্তীকালে ২ ফেব্রুয়ারি রত্নেশকে ফের আদালতে তোলা হলে সিবিআই (CBI) হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারক। হেফাজতে থাকাকালীন তাঁর কাছ থেকে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য এবং কয়েকজন প্রভাবশালীর নাম পাওয়া গিয়েছে বলে সিবিআই সূত্রে খবর। সোমবার রত্নেশকে ফের আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁকে জেল হেফাজতে পাঠান। বর্তমানে তিনি রয়েছেন আসানসোল জেলে। এই জেলেই রয়েছেন গরু পাচারে অন্যতম অভিযুক্ত তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Sukanta Majumdar: বাংলাকে খণ্ডিত হতে দেব না! দুর্নীতি থেকে নজর সরাতে অপপ্রচার তৃণমূলের, দাবি সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: বাংলাকে খণ্ডিত হতে দেব না! দুর্নীতি থেকে নজর সরাতে অপপ্রচার তৃণমূলের, দাবি সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যত বড়ই নেতা হোক না কেন দুর্নীতি করলে ছাড় পাবেন না। হুঁশিয়ারি রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের। পূর্বস্থলীর সভা মঞ্চ থেকে একই সঙ্গে বাংলাকে ভাগ হতে দেবেন না বলেও জানান সুকান্ত। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাকে (JP Nadda) পাশে বসিয়ে রাজ্যে শাসক দলের একাধিক নেতাকে বিঁলেন সুকান্ত।

    বাংলা-ভাগ প্রসঙ্গ

    এদিন সুকান্ত বললেন, “অভিষেক উত্তরবঙ্গে গিয়ে বলছে বিজেপি উত্তরবঙ্গকে না কি ভাগ করতে চায়। আমরা না কি বাংলাকে ভাগ করতে চাই। আমি বিজেপির রাজ্য সভাপতি হিসাবে এই মঞ্চ থেকে সর্ব-ভারতীয় সভাপতিকে সামনে রেখে ঘোষণা করছি বিজেপির ঘোষিত নীতি ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় যে রূপে বাংলাকে রাখতে চেয়েছেন আমরা সেই রূপেই রাখব। বাংলাকে খণ্ডিত হতে দেব না। বাংলাকে ভাগ হতে দেব না।” যা নিয়ে নতুন করে শোরগোল বাংলার রাজনৈতিক মহলে। 

    দুর্নীতি ভরা

    সুকান্তর সাফ দাবি, রাজ্যজোড়া দুর্নীতি থেকে চোখ ঘোরাতেই এত নাটক করছে তৃণমূল। কয়েকদিন আগে দক্ষিণ কলকাতার বালিগঞ্জ এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া দেড় কোটি টাকা নিয়েও তোপ দাগেন তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এমনকী মঞ্জিত সিং নামে যে ব্যক্তির কাছ থেকে ওই টাকা পাওয়া গিয়েছে তার সঙ্গে তৃণমূলের শীর্ষস্তরের বহু নেতার যোগাযাগ রয়েছে বলেও দাবি সুকান্তর। আর এসব থেকে নজর ঘোরাতেই বারবার বাংলাভাগের প্রসঙ্গ তুলে আম-আদমির নজর ঘোরাতে চাইছেন তৃণমূল নেতারা,এমনটাই দাবি সুকান্তর। 

    আরও পড়ুন: বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের রায়কে চ্যালেঞ্জ! ডিভিশন বেঞ্চে চাকরি হারানো গ্রুপ ডি কর্মীরা    

    নাম ধরে নেতাদের আক্রমণ

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত অভিযোগ করেন, শস্যভান্ডার বলে পরিচিত বর্ধমানে চাষিরা আলুর দাম পাচ্ছেন না। হিমঘরের দরজায় তৃণমূলের লোকজনকে টাকা দিলে বন্ড পাওয়া যায়। সভায় আসা জনতার উদ্দেশ্যে সুকান্তের দাবি, ‘‘আপনাদের জেলাও কম যায় না।’’ এর পরেই তিনি বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাসের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকায় নাম তোলা নিয়ে ধর্মীয় বিভাজনের চেষ্টা, বালি কারবারের অভিযোগ তোলেন। ইডি-সিবিআই তাঁর দরজায় কড়া নাড়বে বলেও হুঁশিয়ারি সুকান্তের। তাঁর আরও দাবি, ‘‘রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় না কি ভাল নেই। ভয়ে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে গেলেন। এখনও ভয় পাচ্ছেন। প্রচুর সম্পত্তিও না কি করেছেন। ঠিক করে হিসাব রাখছেন তো?’’ দাঁইহাটের প্রাক্তন পুরপ্রধান শিশির মণ্ডলের বিরুদ্ধে ওঠা ফোনে অশালীন প্রস্তাবের ঘটনাও স্মরণ করিয়ে দেন সুকান্ত। তাঁর দাবি, ‘‘তাঁকে শুধু সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিজেপির কেউ এমন কাজ করলে জেলে ঢুকিয়ে দেওয়া হত।’’  এভাবেই পূর্বস্থলীর সভা থেকে একের পর এক তৃণমূল নেতাদের আক্রমণ করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share