Tag: tmc

tmc

  • Cattle Smuggling: তৃণমূলের পতাকাই কি গরু পাচারের পাসপোর্ট?

    Cattle Smuggling: তৃণমূলের পতাকাই কি গরু পাচারের পাসপোর্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনে শাসক দলের প্রতীক থাকলে যেন সাত খুন মাফ। রাস্তায় পুলিশও গায়ে হাত দেওয়ার সাহস দেখাবে না। রাজ্যে ঘাসফুল পতাকার মাহাত্ম্যই আলাদা। আর এই পতাকা ব্যবহার করেই দেদার অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে অনেকেই। এমনই অভিযোগ বিরোধীদের। তবে, বিরোধীদের আনা সেই অভিযোগ এবার সত্যি প্রমাণিত হয়েছে। এই যেমন সোদপুর ট্রাফিক মোড়ে চারচাকা গাড়িতে করে গরু নিয়ে যাওয়ার (Cattle Smuggling) জন্যই তৃণমূলের প্রতীক ব্যবহার করা হয়েছে। গাড়িতে করে একটি মাত্র গরু নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। পাচার না অন্য কোথাও নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তা ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের কর্তারা খতিয়ে দেখছেন। কিন্তু, বিরোধীদের প্রশ্ন, মাত্র একটি গরু চারচাকা গাড়ি করে নিয়ে যেতেও কী শাসক দলের প্রতীক ব্যবহার করতে হবে। পাচারকারীরা কী ধরেই নিয়েছে এই পতাকা থাকলে সাত খুন মাফ। এসব পাচার করতে রাস্তায় কোনও ঝক্কি পোহাতে হবে না। কিন্তু, শেষ রক্ষা হল না

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Cattle Smuggling)

    জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে একটি দুধ সাদা গাড়ি সোদপুর ট্রাফিক মোড় ধরে যাচ্ছিল। গাড়ির পিছনের দিকে কালো কাচ তোলা ছিল। সামনের দিকে তৃণমূলের পতাকা গাড়ির উইন্ডস্ক্রিনের নিচে রাখা ছিল। ফলে, বাইরে থেকে দেখলে মনে হতেই পারে একজন শাসক দলের কোনও হোমড়াচোমরা গাড়ির মধ্যে রয়েছেন। ফলে, গাড়ি আটকানোর ক্ষমতা কারও নেই। এই ভেবেই চালক গাড়ি চালাচ্ছিলেন। কিন্তু, গাড়ির চালচলন দেখেই সোদপুর ট্রাফিক গার্ডের কর্মীদের সন্দেহ হয়। তাঁরা গাড়িটিকে আটকানোর চেষ্টা করেন। তৃণমূলের পতাকা ব্যবহার করে রক্ষা হচ্ছে না দেখে অগত্যা চালক গাড়ির গতি বাড়িয়ে দেন। কিন্তু, জনবহুল বিটি রোডে বেশি দূর গাড়ি যেতে পারেনি। পুলিশের তাড়া খেয়ে রাস্তার ডিভাইডারে গিয়ে ধাক্কা মারে। পুলিশ গিয়ে সঙ্গে সঙ্গে দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িটিকে ধরে ফেলে। যদিও ততক্ষণে গাড়ির মধ্যে থাকা চালক এবং খালাসি বা পাচারকারি গাড়ি ফেলে রেখে পগার পার। আর গাড়ি খুলতেই পুলিশের চক্ষু চড়কগাছ। চারচাকা গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল গরু (Cattle Smuggling)। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, গরুটিকে পাচার করার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তবে, গাড়ি করে গরুটিকে কোথায় থেকে নিয়ে এসে কোথায় পাচার করা হচ্ছিল তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    এই নিয়ে কী বলছেন তৃণমূল নেতা। খড়দহ যুব তৃণমূলের সভাপতি দিব্যেন্দু চৌধুরী বলেন, একটি গরু চার চাকা গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের দলের পতাকা ব্যবহার করা হয়েছে। এটা পরিকল্পিতভাবেই করা হয়েছে। আসলে আমাদের দলকে কালিমালিপ্ত করার জন্যই এসব করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে। আমরা চাই, ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটন হোক।

    আর বিজেপি নেতৃত্ব এই ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছেন। এই বিষয়ে বিজেপি নেতা কিশোর কর বলেন, গরু পাচার (Cattle Smuggling), বালি পাচার সব কিছুই তৃণমূলের মদতেই ঘটছে। পাচারকারীরাও নিজেদের শাসক দলের কর্মী ভাবছেন। আমরা বার বার অভিযোগ করে এসেছি। এবার সেটাই প্রমাণিত হল। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি। আর এই ঘটনার সঙ্গে যে বা যারা জড়িত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kakali Ghosh Dastidar: ‘দিদির দূত’ কর্মসূচিতে ডাকা হয়নি! দলত্যাগ পঞ্চায়েত প্রধান-সহ ২৩ সদস্যের

    Kakali Ghosh Dastidar: ‘দিদির দূত’ কর্মসূচিতে ডাকা হয়নি! দলত্যাগ পঞ্চায়েত প্রধান-সহ ২৩ সদস্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ‘দিদির দূত কর্মসূচি’ ঘিরে বিক্ষোভের মুখে তৃণমূল। এবারে দল থেকেই ইস্তফা দিয়ে দিলেন পঞ্চায়েত প্রধান সহ ২৩ জন সদস্য। অভিযোগ উঠেছে, ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’ কর্মসূচিতে ডাক মেলেনি তাঁদের। মঙ্গলবার ‘দিদির সুরক্ষাকবচ’ কর্মসূচি উপলক্ষে বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার (Kakali Ghosh Dastidar) কদম্বগাছি এলাকায় যান। সেখানেই সাংসদের অপেক্ষা করছিলেন তাঁরা। কিন্তু সাংসদ তো আসেনইনি, উল্টে অভিযোগ, তৃণমূলকে ছেড়ে আইএসএফের লোকজনকে নিয়ে দিদির দূত কর্মসূচি সেরেছেন তিনি। আর এই অভিযোগ ঘিরেই মঙ্গলবার শাসকদলের গোষ্ঠীকোন্দল ফের একবার প্রকাশ্যে এল।

    ঠিক কী ঘটেছে?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার কদম্বগাছি পঞ্চায়েতের হেমন্ত বসু নগর এলাকায় ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’ কর্মসূচিতে যান সাংসদ ডাঃ কাকলি ঘোষ দস্তিদার (Kakali Ghosh Dastidar), বিধায়ক রহিমা মণ্ডল, দেগঙ্গা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মফিদুল হক শাহাজি, অঞ্চল সভাপতি নিজামুল কবির, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আরশাদ উদ জামান-সহ অন্যান্যরা। এর আগে ‘দিদির দূত’দের সাধারণ মানুষের বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে, তবে এবারে দলেরই পঞ্চায়েত সদস্যরা ক্ষোভ উগরে দিলেন সাংসদের বিরুদ্ধে। পঞ্চায়েত সদস্যদের দাবি, পঞ্চায়েত অফিসে তাঁরা বসেছিলেন সাংসদের সঙ্গে কথা বলবেন বলে। কিন্তু সাংসদ সেখানে না গিয়ে একদা আইএসএফের লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে ঘুরেছেন। এমনকী তাঁদের কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণও জানানো হয়নি। ফলে পঞ্চায়েতের প্রধান-সহ তৃণমূলের ২৬ সদস্যের মধ্যে ২৩ জন তাঁদের পদত্যাগপত্র তৃণমূল ভবন এবং সাংসদকে পাঠিয়ে দেন।

    আরও পড়ুন: জি-২০ বৈঠকে যোগ দিতে ভারত সফরে আসছেন চিনা বিদেশমন্ত্রী কিন গাং

    পঞ্চায়েত প্রধানের কী বক্তব্য?

    কদম্বগাছি পঞ্চায়েত প্রধান গৌতম পালদের অভিযোগ, পূর্বসূচি অনুযায়ী দুপুর ৩টের সময় পঞ্চায়েতে সংকল্প অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সাংসদের (Kakali Ghosh Dastidar) আসার কথা ছিল। কিন্তু তিনি পঞ্চায়েত কার্যালয়ের সামনে দিয়ে চলে গিয়েছেন। অফিসে আর ঢোকেননি। এমনকী, ওই পঞ্চায়েতের সদস্যদের ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’ কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণও করেননি। এই কারণে সাংবাদিক বৈঠক করে ক্ষোভ উগরে দেন তাঁরা।

    অন্যদিকে বারাসতের এক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আরশাদ উদ জামানের অভিযোগ, সাংসদের গাড়ি থেকে নামার সময় কেউ এক জন তাঁর দিকে পাথর ছুঁড়েছেন। তিনি জখম হন। এর মধ্যে সাংসদ কদম্বগাছি পঞ্চায়েত কার্যালয় সংলগ্ন একটি অনুষ্ঠানবাড়িতে বিশ্রাম করেন। সেখানে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করে বেরিয়ে যান। সাংসদ কাকলিও (Kakali Ghosh Dastidar) পঞ্চায়েত সদস্যদের অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, কোনও বিক্ষোভ হয়নি। তিনি সুষ্ঠুভাবেই কর্মসূচি করেছেন কদম্বগাছি এলাকায়। বারাসতের সাংসদ এও বলেন, “আমি শুনেছিলাম পঞ্চায়েত অফিসে অন্য কোনও বৈঠক চলছে। তাই আমি সেখানে যাইনি।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Cut Money: ‘আর কত খাবেন?’, দলীয় প্রধানকে প্রশ্ন তৃণমূল বিধায়কের

    Cut Money: ‘আর কত খাবেন?’, দলীয় প্রধানকে প্রশ্ন তৃণমূল বিধায়কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাটে হাঁড়ি ভেঙে দিলেন তৃণমূলের (TMC) বিধায়ক গিয়াসউদ্দিন মোল্লা! যে ঘাসফুল প্রতীকে জিতে বিধায়ক হয়েছেন তিনি, সেই দলেরই এক পঞ্চায়েত (Panchayet) প্রধানকে তাঁর প্রশ্ন, আর কত খাবেন (পড়ুন কাটমানি) (Cut Money)? হাতে আর মাত্র ৩ মাস। রাজ্যের শাসক দলের নেতা-কর্মীদের একাংশের বিরুদ্ধে কাটমানি খাওয়ার অভিযোগ বিরোধীদের। কোনও কোনও জায়গায় আবার কাটমানি ফেরতের দাবিতেও হয়েছে বিক্ষোভ। তার পরেও বন্ধ হয়নি কাটমানি খাওয়া। বিরোধী ও জনতার সেই অভিযোগকেই কার্যত মান্যতা দিলেন তৃণমূলের বিধায়ক। করলেন বাপবাপান্তও।

    প্রসঙ্গ কাটমানি (Cut Money)…

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিমের বিধায়ক গিয়াসউদ্দিন। সম্প্রতি দিদির দূত কর্মসূচি পালন করতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই কাটমানি খাওয়া নিয়ে প্রকাশ্যে হুঁশিয়ারি দেন দলেরই পঞ্চায়েত প্রধানকে। বিধায়কের হুঁশিয়ারি-ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম।

    গিয়াসউদ্দিন বলেন, দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচিতে পঞ্চায়েতে গিয়েছিলাম। কিন্তু পঞ্চায়েত অফিসে তালা মেরে রাখা হয়েছিল। প্রধান, উপপ্রধান, পঞ্চায়েত সদস্য-কেউই আসেননি। সব সদস্যকেই সুবিধা-অসুবিধার কথা বলি। কিন্তু কেউ আসেননি। এর পরেই বিধায়ক বলেন, পঞ্চায়েত কি বাপের সম্পত্তি (Cut Money)? আর তিনটে মাস বাকি আছে। কত বাপের বেটা আমরা দেখে নেব। তিনি বলেন, বাপ সাইকেল নিয়ে ঘুরে বেড়াত। বাপ জন্ম দিয়েছে, কর্ম করেছে? কর্ম করেছে গিয়াসউদ্দিন মোল্লা। গিয়াসউদ্দিন মোল্লা কর্ম করতেই সে খারাপ। আপনারা উত্তর কুসুমের লোক। আপনারা যদি ঠিক থাকেন ৩ মাস পরে পঞ্চায়েত হবে। পঞ্চায়েতের (Cut Money) বুথে বুথে আমরা ভাল এবং শিক্ষিত লোকদের টিকিট দেব।

    আরও পড়ুুন: রাজার হালে ইতি, এখন থেকে জেলের মেঝেতে শুয়েই রাত কাটাবেন পার্থ!

    উত্তর কুসুমের পঞ্চায়েত প্রধান কুতুব লস্কর বলেন, ভদ্রলোক যা বলেছেন, তা মিথ্যে কথা। আমি জনগণের দ্বারা নির্বাচিত। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সততার সঙ্গে কাজ করছি। আগামিদিনে কী হবে, তার উত্তর জনগণই দেবেন। তিনি বলেন, কে কী বলল তা নিয়ে আমার কিছু যায় আসে না। বিজেপির (BJP) জেলা নেতা সুফল ঘাটু বলেন, রাজ্যের পঞ্চায়েতগুলি যে দুর্নীতির আখড়া হয়ে গিয়েছে, বিধায়কের কথায়ই তা স্পষ্ট। উত্তর কুসুম পঞ্চায়েতের প্রধান থেকে উপপ্রধান সকলেই দুর্নীতিগ্রস্ত। পঞ্চায়েত নির্বাচনে সাধারণ মানুষ এর যোগ্য জবাব দেবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Partha Chatterjee: রাজার হালে ইতি, এখন থেকে জেলের মেঝেতে শুয়েই রাত কাটাবেন পার্থ!

    Partha Chatterjee: রাজার হালে ইতি, এখন থেকে জেলের মেঝেতে শুয়েই রাত কাটাবেন পার্থ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলে থেকেও কার্যত জামাই আদর পাচ্ছিলেন শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারি (Recruitment Scam) মামলায় ধৃত পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)। এক সময় তিনি ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী। ছিলেন তৃণমূলের (TMC) মহাসচিবও। তাই তাঁকে খাতির করা হচ্ছিল জেলেও। গারদে যেখানে অন্য বন্দিরা মেঝেয় ঘুমোন, সেখানে পার্থর জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছিল বিছানার। তার ওপর পাতা হয়েছিল নরম গদি। সেলের ভিতরে গা এলিয়ে বসার জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছিল ইজি চেয়ারেরও। সেলে থেকে মোবাইল ফোনের সুবিধাও ভোগ করেছেন এই ‘হেভিওয়েট’ বন্দি। সে খবর কানে যায় ইডির কর্তাদের।

    পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee)…

    চক্ষু-কর্ণের বিবাদ ভঞ্জন করতে আচমকাই প্রেসিডেন্সি জেলে ঢুঁ মারেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা দল। তখনই দেখেন, জেলের সেলে পার্থ রয়েছেন রাজার হালে। সেলের মধ্যেই পাচ্ছেন ভিভিআইপির মর্যাদা। এর পরেই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা দল পার্থর সেল থেকে খাট-বিছানা, ইজি চেয়ার সরিয়ে ফেলার জন্য নির্দেশ দেন জেল কর্তৃপক্ষকে। পার্থ যাতে মোবাইল ফোনের সুবিধা ভোগ করতে না পারেন, সেই নির্দেশও দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা দলের নির্দেশ পেয়ে তড়িঘড়ি পার্থর সেল থেকে সরিয়ে নেওয়া হয় বিলাস-ব্যসনের যাবতীয় উপকরণ। যার জেরে আর পাঁচটা সাধারণ বন্দির মতোই পার্থকে রাত কাটাতে হবে সেলের মেঝেতেই।

    আরও পড়ুুন: পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা কত? রাজ্যের হলফনামা তলব হাইকোর্টের

    এসএসসি শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় গত বছর জুলাই মাসে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে (Partha Chatterjee) গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। বার কয়েক সিবিআই-ইডি হেফাজত ঘুরে বর্তমানে পার্থ রয়েছেন প্রেসিডেন্সি জেলে। এই জেলে আসার পর থেকে আদৌ ভাল নেই রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। কখনও তিনি শিকার হচ্ছেন সহবন্দিদের কটূক্তির, কখনওবা হচ্ছেন নিগৃহীত। গত সপ্তাহেই পার্থর পাশের সেলে থাকা দুই ছিঁচকে চোর তাঁকে টিটকিরি দিয়ে মোটা টুকি বলেছিল। জঙ্গি মুশা পার্থকে নিশানা করে মল ভর্তি মগ ছুড়ে মেরেছিল। যা এড়াতে গিয়ে পড়ে গিয়ে চোটও পেয়েছিলেন তৃণমূলের প্রাক্তন মহাসচিব।

    এদিকে, শরীর ঠিক রাখতে ব্যায়াম করার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন পার্থ (Partha Chatterjee)। শারীরিক সুস্থতার জন্য চিকিৎসকরা তাঁর ইচ্ছায় সম্মতিও জানিয়েছেন বলে কারা দফতর সূত্রে খবর। এক সময় ব্যায়াম বিশারদ তুষার শীলের তত্ত্বাবধানে ব্যায়াম করতেন পার্থ। জেলেও সেই সুযোগ তিনি পেতে পারেন। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই জেল কর্তৃপক্ষের কাছে যোগ ব্যায়াম করতে চেয়ে আবেদন করেছিলেন পার্থ। মঞ্জুর হয়েছে তাঁর সেই আবেদনই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • AITC: সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট হ্যাক! নেপথ্যে কে বা কারা?

    AITC: সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট হ্যাক! নেপথ্যে কে বা কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের (AITC) ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সোমবার রাতেই অ্যাকাউন্টের ছবি এবং নাম বদলে যায়। সর্বভারতীয় তৃণমূলের (AITC) ট্যুইটার অ্যাকাউন্টে দলের নামের পাশে নীল চিহ্ন ছিল। হ্যাক হওয়ার পর দেখা যাচ্ছে, সেই নীল চিহ্নের পাশে তৃণমূলের নাম নেই। পেজের নাম বদলে হয়েছে ‘যুগ ল্যাবস’ (Yuga Labs), ছবিটি বদলে হয়েছে ইংরেজি অক্ষর ‘ওয়াই’ ও ‘এল’ সম্বলিত একটি লোগো। এ বিষয়ে ট্যুইটার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং অ্যাকাউন্টটি পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ ব্রায়েন।

    রাতেই হ্যাক AITC-র অ্যাকাউন্ট

    রিপোর্ট অনুযায়ী, রাত দেড়টা থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের (AITC) ট্যুইটার অ্যাকাউন্টের নাম ও ছবি বদলে যায়। কে বা কারা, কী উদ্দেশ্যে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট (AITC)হ্যাক করেছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে AITC-র বদলে বর্তমানে যে লোগো রয়েছে, সেই Yuga Labs আদতে একটি মার্কিন ব্লকচেইন প্রযুক্তি কোম্পানি। এই সংস্থাটি ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং ডিজিটাল মিডিয়াতেও বিশেষজ্ঞ। এই অ্যাকাউন্টের নাম ও প্রতীক বদলালেও সেখানে অপরিবর্তিত রয়েছে জোড়াফুল শিবিরের অফিসিয়াল ফেসবুক অ্যাকাউন্ট লিঙ্ক। উল্লেখ্য, তৃণমূল কংগ্রেসের এই অ্যাকাউন্টটিতে ব্লু টিক রয়েছে। ট্যুইটারে তৃণমূল ফলো করে ৬০ জনকে। 

    আরও পড়ুন: শিশুদের পাশাপাশি বড়রাও কি অ্যাডিনোয় আক্রান্ত? নয়া ভ্যারিয়েন্ট চিন্তা বাড়াচ্ছে চিকিৎসকদের

    AITC-র অ্যাকাউন্ট থেকে শেষ ট্যুইট

    ট্যুইটারের কর্মীদের সঙ্গে এ প্রসঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে, তাঁরা দ্রুত বিষয়টি ঠিক করার আশ্বাস দিয়েছে।  অ্যাকাউন্ট (AITC) হ্যাক হওয়ার পর কোনও ভুলভাল ট্যুইট অবশ্য করা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। পেজের শেষ ট্যুইট ১১ ঘণ্টা আগে করা। ট্যুইটার কর্তৃপক্ষ তৃণমূলকে জানিয়েছেন, অ্যাকউন্ট (AITC) হ্যাক হওয়ার বিষয়ে যদি তারা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করতে চায়, সে ক্ষেত্রে কলকাতা পুলিশেই অভিযোগ জানাতে হবে। কে বা কারা এই সাইবার হানার নেপথ্যে রয়েছেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। এই পেজের ফলোয়ার সংখ্যা ৬ লাখ ৪৯ হাজার। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • SSC Scam: ‘‘অপেক্ষা করুন, কাকুর ভাইপো, তাঁর পিসির নামও চলে আসবে’’! নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে কটাক্ষ সুকান্তর

    SSC Scam: ‘‘অপেক্ষা করুন, কাকুর ভাইপো, তাঁর পিসির নামও চলে আসবে’’! নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে কটাক্ষ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে ফের নতুন নাম উঠে আসতেই আবারও হবু হাজতবাসের তালিকায় কারা থাকতে চলেছেন তা জানিয়ে দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। নাম না করেই সুকান্ত কটাক্ষ করে বলেছেন, ‘কালীঘাটে যখন ব্যাপারটা ঢুকে গেছে তখন খুব শিগগির এই কাকুর ভাইপো, সেই ভাইপোর পিসির নামও চলে আসবে। দাঁড়ান, অপেক্ষা করুন, আস্তে আস্তে সব হবে।’

    সুকান্তের তোপ

    কলকাতা আইসিসিআর-এ বিজেপির ২০২৪ লোকসভার বিস্তারকদের কার্যকরণী বৈঠক অনুষ্ঠিত হল মঙ্গলবার। সেখানে রাজ্য বিজেপির কোর কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক ও একাধিক বিধায়ক। ছিলেন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ও। এই বৈঠক শেষে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সাংবাদিক বৈঠক করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর সরকারকে একহাত নেন। শুধু নিয়োগ দুর্নীতি নয়, রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ প্রদান থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বাড়ি ঘেরাও সংস্কৃতিকে তুলোধনা করেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ‘বাড়ি ঘেরাও এই সংস্কৃতিকে আমরা বিশ্বাস করি না।’

    আরও পড়ুন: কে ‘কালীঘাটের কাকু’ তা খোলসা করলেন তাপস মণ্ডল, জানেন তাঁর বাড়ি কোথায়?

    কুন্তলের মুখে নয়া নাম

    এদিন যখন কালীঘাটের কাকুর নাম প্রথমবারের জন্য প্রকাশ্যে আনলেন তাপস মণ্ডল তখন কুন্তলের মুখে আবার শোনা গেল নতুন একটি নাম। নিজাম প্যালেসে ঢোকার সময়ে কুন্তল এদিন বিভাস অধিকারী বলে একজনের নাম বলেন। কে এই বিভাস অধিকারী? হাঁটতে হাঁটতে বলেন, ‘উনিও তাপস মণ্ডলের মতো একজন!’ বলেই লিফটে উঠে পড়েন।

    শুভেন্দুর কটাক্ষ

    সম্প্রতি, বালিগঞ্জে প্রায় দেড় কোটি টাকা উদ্ধারের ঘটনায় ব্যবসায়ী মনজিৎ সিং গ্রেওয়ালের তৃণমূল-যোগ নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। তাঁর মতে, ‘কালীঘাটের কাকু, পিসি, ভাইপো, কাকিমা, বউমা, শ্যালিকা – সবাই একই ধাঁধার অংশ। পৃথকভাবে কেউ দোষী নন, অথচ সবাই একসূত্রে গাঁথা। কয়লা যতই ধোয়া হোক, তা কালোই থাকবে। ঠিক তোমাদের ভবিষ্যতের মতো’।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Walk Out: ‘গোর্খারা বহিরাগত…’, শোভনদেবের মন্তব্যের প্রতিবাদে বিধানসভায় ওয়াকআউট বিজেপির

    Walk Out: ‘গোর্খারা বহিরাগত…’, শোভনদেবের মন্তব্যের প্রতিবাদে বিধানসভায় ওয়াকআউট বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোর্খাদের বহিরাগত ও আদিবাসীদের পরিযায়ী বলেছিলেন পরিষদীয় মন্ত্রী তৃণমূলের (TMC) শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় (Shovondeb Chatterjee)। সোমবার বিধানসভায় বঙ্গভঙ্গ প্রস্তাবের আলোচনায় ওই মন্তব্য করেছিলেন তিনি। মন্ত্রীর এই মন্তব্যের প্রতিবাদে বিধানসভায় ওয়াকআউট (Walk Out) করলেন বিজেপি (BJP) বিধায়করা। মঙ্গলবার বিধানসভায় বিষয়টির উল্লেখ করেন কুমারগ্রামের বিধায়ক বিজেপির মনোজ ওঁরাও। বিজেপির দাবি, গোর্খা জনজাতিদের বহিরাগত ও অনুপ্রবেশকারী বলে অপমান করেছেন মন্ত্রী। অবিলম্বে মন্তব্য প্রত্যাহার ও ক্ষমা চাওয়ার দাবিতে বিধানসভার অধিবেশন কক্ষের বাইরে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি বিধায়করা। কিছুক্ষণ বিক্ষোভ দেখানোর পর ওয়াকআউট করেন তাঁরা। বিধানসভার বাইরে দীর্ঘক্ষণ অবস্থানও করেন।

    বিজেপির বক্তব্য…

    বিজেপি বিধায়কদের বক্তব্য, পরিষদীয় মন্ত্রী অন রেকর্ড বলেছেন, আদিবাসীরা আসলে বাইরে থেকে এসে বসবাস করছেন। এবং গোর্খা সম্প্রদায়ের মানুষ যাঁরা পশ্চিমবঙ্গে রয়েছেন, তাঁরা বহিরাগত। এই শব্দ প্রত্যাহার করতে হবে। না হলে আগামী দিনে আন্দোলন (Walk Out) আরও জোরদার হবে। মনোজ ওঁরাও বলেন, কোন ইতিহাসের পাতায় উনি এই তথ্য পেয়েছেন, তার সদুত্তর দিতে পারেননি। আমরা মনে করি, ভারতে বসবাসকারী গোর্খাদের ও রাজ্যের আদিবাসী ভাইবোনেদের এই শব্দের মাধ্যমে অপমান করা হয়েছে। বিজেপি পরিষদীয় দলের মুখ্য সচেতক মনোজ টিগ্গা বলেন, গতকাল মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ইতিহাসের অপলাপ করেছেন। তিনি বলেছেন, গোর্খারা বহিরাগত ও আদিবাসীরা অন্য জায়গা থেকে এসেছেন। তাঁরা এ রাজ্যে পরিযায়ী। তাই আমাদের দাবি, বিধানসভায় মন্ত্রী যে মন্তব্য করেছেন, তা অত্যন্ত নিন্দাজনক। আমরা নিঃশর্তে এই মন্তব্য প্রত্যাহার করে তাঁর ক্ষমা প্রার্থনার দাবি জানাচ্ছি।

    আরও পড়ুুন: ‘মমতার সরকার লুঠের সরকার হয়ে গিয়েছে’, এ কথা কেন বললেন গিরিরাজ সিং?

    আসানসোল দক্ষিণের বিধায়ক বিজেপির অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, আমরা কখনও কাউকে দূরে ঠেলে দিতে পারি না। তাই গতকাল শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় যেভাবে গোর্খাদের বহিরাগত ও আদিবাসীদের পরিযায়ী বলে আক্রমণ করেছেন, তা নিয়ে আমরা বিধানসভায় উল্লেখ করে ক্ষমা প্রার্থনার দাবি জানিয়েছিলাম। কিন্তু স্পিকার আমাদের সেই অনুমতি দেননি। তিনি বলেন, তাই বাধ্য হয়ে আমরা বিধানসভার বাইরে বিক্ষোভ অবস্থান করছি। এ ব্যাপারে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, ইতিহাস অনেকে অনেক রকমভাবে লিখে গিয়েছেন। আপনার যেটা পছন্দ হবে সেটা তুলে ধরে আপনি গোর্খাকে বলবেন বহিরাগত, আপনি সাঁওতাল, ওঁরাও-মুন্ডা এঁদের বলবেন পরিযায়ী। আপনার কাছে অনুরোধ, এই ধরনের স্পর্শকাতর বিষয়ে আপনি বলবেন না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Sukanta Majumdar: ‘রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে কুকথা বললে কান ধরে বের করে দিতাম’, বললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: ‘রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে কুকথা বললে কান ধরে বের করে দিতাম’, বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) নিশানা করতে গিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু সম্পর্কে কুকথা বলেছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরি। তার পরেও তিনি দিব্যি রয়েছেন মন্ত্রীর চেয়ারে। এদিন সেই বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল (TMC) পরিচালিত রাজ্য সরকারকে একহাত নেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, এটা যদি বিজেপির কোনও মন্ত্রী হতেন, তাহলে আমরা কান ধরে বার করে দিতাম দল থেকে।

    সুকান্ত বলেন…

    নীতি যাত্রা শেষে সোমবার পুরুলিয়া শহরের একটি সভায় যোগ দেন সুকান্ত। সেখানেই তিনি নিশানা করেন তৃণমূলকে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, নিজেদের আদিবাসী দরদি হিসেবে পরিচয় দেওয়া তৃণমূল আদিবাসী রাষ্ট্রপতিকে সমর্থন করেনি, উল্টে আদিবাসীদের সঙ্গে নৃত্য করার সময় হাতে গ্লাভস পরে নিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সুকান্ত বলেন, যিনি রাষ্ট্রপতিকে অসম্মানজনক কথা বলেছিলেন, তিনি এখনও বহাল তবিয়তে রয়েছেন তৃণমূলের মন্ত্রিসভায়। এর পরেই তিনি বলেন, এটা যদি বিজেপির কোনও মন্ত্রী হতেন, তাহলে আমরা কান ধরে বার করে দিতাম দল থেকে। লাথি মেরে তাড়িয়ে দিতাম মন্ত্রিসভা থেকে।  

    আরও পড়ুুন: ‘মমতার সরকার লুঠের সরকার হয়ে গিয়েছে’, এ কথা কেন বললেন গিরিরাজ সিং?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে জনসংযোগ বাড়াতে দিদির দূত কর্মসূচি হাতে নিয়েছে তৃণমূল। এদিন সে প্রসঙ্গে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, দেখবেন, গ্রামে গিয়ে আপনার গরুটা, ছাগলটা যেন না চুরি করে নিয়ে যায় দূতেরা। সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন। ওই নির্বাচনে পুলিশ যাতে তৃণমূলের হয়ে কাজ না করে সে ব্যাপারেও তাদের সতর্ক করে দিয়েছেন সুকান্ত। তিনি বলেন, আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে পুলিশ যদি তৃণমূলের হয়ে কাজ করে, তাহলে তাঁরা যেন টুপি থেকে অশোকস্তম্ভ খুলে ফেলেন এবং হাওয়াই চটি লাগিয়ে নেন।

    মন্ত্রী সন্ধ্যারানি টুডুকেও এদিন একহাত নেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। বলেন, রাষ্ট্রপতিকে অসম্মানজনক কথা বলার সময় চুপ ছিলেন সন্ধ্যারানি। কারণ তাঁর পরিবারের লোকজনকে তিনি চাকরি করে দিয়েছেন। দুর্নীতিগ্রস্তরা কোনওভাবেই রেহাই পাবে না বলেও এদিন সাফ জানিয়ে দেন সুকান্ত। তিনি বলেন, যদি কর চুরি, যত বড় হও দিদির ভাই, ধরবে তোমায় সিবিআই। তিনি বলেন, চাটার্ড অ্যাকাউন্টেটকে দিয়ে সম্পত্তির হিসেব করিয়ে নিন। দরজায় সিবিআই, দুয়ারে সিবিআই চলে আসবে এবার। তখন বিজেপির পতাকা ধরলেও বাঁচা যাবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
  • Sagardighi: ১৫ বছর পুরনো মামলায় গ্রেফতার সাগরদিঘির কংগ্রেস নেতা! এখন কেন? প্রশ্ন হাইকোর্টের

    Sagardighi: ১৫ বছর পুরনো মামলায় গ্রেফতার সাগরদিঘির কংগ্রেস নেতা! এখন কেন? প্রশ্ন হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৭ ফেব্রুয়ারি উপনির্বাচন (By Election) মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি (Sagardighi) বিধানসভা কেন্দ্রে। তার আগে শনিবার ভোরে গ্রেফতার করা হল ওই বিধানসভা কেন্দ্রের পাটকেলডাঙা এলাকার কংগ্রেস (Congress) নেতা সইদুল রহমানকে। বিবাহিত এক মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগে জামিন অযোগ্য ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে সাগরদিঘি থানার পুলিশ। ১৫ বছরের পুরনো একটি মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে ওই কংগ্রেস নেতাকে। জানা গিয়েছে, এদিন ভোর সাড়ে তিনটে নাগাদ সাগরদিঘি পঞ্চায়েত সমিতির বিরোধী দলনেত্রী শাহনাজ বেগমের বাড়িতে অভিযান চালায় সাগরদিঘি থানার পুলিশ। পরে গ্রেফতার করা হয় তাঁর স্বামী সইদুলকে। তিনি সাগরদিঘির ব্লক যুব কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন।

    কংগ্রেস…

    ঘটনার প্রতিবাদে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরীর নেতৃত্বে বাম এবং কংগ্রেস কর্মীরা ঘণ্টা পাঁচেক অবরোধ করে রাখেন সাগরদিঘি থানা। নাম প্রকাশ করা হবে না এই শর্তে জেলা পুলিশের এক কর্তা বলেন, ধৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইপিসির ৩৭৬ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। সাগরদিঘির (Sagardighi) এক মহিলা সম্প্রতি অভিযোগ দায়ের করেছেন অভিযুক্ত ব্যক্তি তাঁকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন এবং সেই ধর্ষণের ভিডিও করে রেখেছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই মহিলা তাঁর অভিযোগপত্রে জানিয়েছেন, সইদুল ধর্ষণের ভিডিও তুলে রেখে সম্প্রতি তাঁকে ব্ল্যাকমেল করতে শুরু করেছিলেন।

    আরও পড়ুুন: একশো দিনের কাজে ‘পুকুর চুরি’! মৃত ব্যক্তির অ্যাকাউন্টেও ঢুকেছে মজুরি!

    এদিনই আদালতের তোলা হয় সইদুলকে। যদিও নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেন তিনি। সইদুল বলেন, আমি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার। আমাকে জেলে রেখে সাগরদিঘি উপনির্বাচনে ভোট লুঠ করার পরিকল্পনা করেছে তৃণমূল। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরীও বলেন, আমার ধারণা সাগরদিঘি (Sagardighi) থানার পুলিশের ওপর উচ্চতর মহল থেকে চাপ সৃষ্টি করা হয়েছিল সইদুলকে গ্রেফতার করার জন্য। তাই সাগরদিঘি থানার পুলিশ এই কাজ করতে বাধ্য হয়েছে।

    রবিবার সইদুলকে তোলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার প্রশ্ন, ১৫ বছর আগের ঘটনায় আগে কেন কোনও তদন্ত করা হয়নি? তিনি জানান, আদালত পুলিশকে আর একবার সুযোগ দিচ্ছে। কাল দুপুর দুটোয় কেস ডায়েরি নিয়ে ওসিকে আদালতে হাজির হতে হবে। সইদুলের  আইনজীবী কৌস্তভ বাগচি বলেন, সইদুল সাগরদিঘি বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেসের দায়িত্বে রয়েছেন। তিনি যাতে কাজ করতে না পারেন, তাই ১৫ বছর আগের এক অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে সইদুলকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
  • Suvendu Adhikari: ‘মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভার জন্য খরচ কোটি কোটি টাকা, উৎস কী’, প্রশ্ন শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভার জন্য খরচ কোটি কোটি টাকা, উৎস কী’, প্রশ্ন শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রশাসনিক সভার নামে খরচ হচ্ছে গুচ্ছের টাকা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নেতৃত্বাধীন তৃণমূল (TMC) সরকারের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ নতুন নয়। তবে এবার রীতিমতো হিসেব দিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) জানিয়ে দিলেন বাঁকুড়ায় মুখ্যমন্ত্রীর সভায় বাসের জন্য খরচ হয়েছে ৭৮ লক্ষ টাকা। বাঁকুড়ার জেলাশাসকের কাছে ওই খরচের সূত্র জানতে চেয়েছেন শুভেন্দু।

    শুভেন্দুর অভিযোগ…

    জেলায় জেলায় নিয়মিত প্রশাসনিক সভা করে বেড়ান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে নিয়ে চলেন বিস্তর লোকলস্কর। সেখানে গিয়ে সুবিধাভোগীদের নানা সুবিধা দেন। তার আড়ালে ভোটের প্রচারও চলে বলে অভিযোগ। ১৭ ফেব্রুয়ারি বাঁকুড়ায় প্রশাসনিক সভা করেন মমতা। রাজ্য সরকারের এই কর্মসূচিতে স্কুল পড়ুয়া ও বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধাভোগীরা উপস্থিত ছিলেন। বাঁকুড়ার আঞ্চলিক পরিবহণ অফিসারের স্বাক্ষর করা কয়েকটি কাগজ তুলে ধরে শুভেন্দুর অভিযোগ, ৭০০ বাসে করে এই স্কুল পড়ুয়া ও সুবিধাভোগীদের নিয়ে আসা হয়েছে।

    ট্যুইট-বার্তায় শুভেন্দু লেখেন, ১৭ ফেব্রুয়ারি বাঁকুড়ায় মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভায় ছাত্রছাত্রী ও গরিব সুবিধাভোগীদের ৭০০ বাসে করে আনতে ৭৮ লাখ টাকা খরচ করা হয়েছে। ওই ট্যুইটেই তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, জনগণের টাকা খরচ করে ছাত্রছাত্রীদের রাজনৈতিক বক্তৃতা শুনতে বাধ্য করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুুন: ‘যারা ভিন্ন মতাদর্শের লোকজনের পা চাটে…’, নাম না করে উদ্ধবকে নিশানা শাহের

    মুখ্যমন্ত্রীর ওই সভায় যে লোক আনা হয়েছে, তাদের নিয়ে আসা হয়েছে বাঁকুড়ার বিভিন্ন ব্লক ও পুরসভা থেকে। শুভেন্দুর ট্যুইট থেকে জানা যাচ্ছে, সব চেয়ে বেশি বাস এসেছে বড়জোড়া এলাকা থেকে। সেখান থেকে ৫২টি বাস আনতে খরচ করা হয়েছে ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া বাঁকুড়ার বিভিন্ন এলাকা থেকে লোক আনতে বাস প্রতি খরচ হয়েছে ১২ হাজার টাকা। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari) ট্যুইট থেকেই জানা গিয়েছে, সভার জন্য মোতায়েন করা হয়েছিল ৮ হাজার পুলিশ কর্মী, তৈরি করা হয়েছিল উন্নত ধরনের স্টেজ। সব মিলিয়ে মাত্র ৪০ মিনিটের সভার জন্য খরচ হয়েছে ৩-৪ কোটি টাকা। তাঁর প্রশ্ন, এই টাকা এল কোথা থেকে? বাঁকুড়ার ডিএম ব্যাখ্যা দিন। তাঁর আরও প্রশ্ন, রাজ্যের এই আর্থিক সংকটের সময় ওই টাকা কি মিড-ডে মিলের টাকা থেকে এসেছে?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share