Tag: tmc

tmc

  • R.G. Kar Medical College: আরজি করে মহিলা চিকিৎসককে ‘ধর্ষণ করে খুন’! মমতাকে আক্রমণ বিজেপির

    R.G. Kar Medical College: আরজি করে মহিলা চিকিৎসককে ‘ধর্ষণ করে খুন’! মমতাকে আক্রমণ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (R. G. Kar Medical College) কর্তব্যরত মহিলার চিকিৎসকের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। বিজেপির নেতা অমিত মালব্যর দাবি, “ধর্ষণ করে মহিলা ডাক্তারকে খুন করা হয়েছে। মমতার সরকার ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে চাইছে।” ইতিমধ্যে জুনিয়র ডাক্তারেরা প্রতিবাদ জানিয়ে বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবি তুলে কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে। জানা গিয়েছে, কেবলমাত্র জরুরি বিভাগেই পরিষেবা চলছে। ঘটনায় রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর এবং হাসপাতালের প্রশাসন কাঠগড়ায়।

    পুলিশকে ধামাচাপা দিতে বলা হয়েছে! (R. G. Kar Medical College)

    বিজেপি নেতা অমিত মালব্য তাঁর এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করে বলেন, “কলকাতার শীর্ষস্থানীয় সরকারি হাসপাতালে এক মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে। ডিউটি ​​রুম থেকে মহিলার নগ্নদেহ উদ্ধার হয়েছে। মমতার সরকার অপরাধ আড়াল করার চেষ্টা করছে। কলকাতা পুলিশকে ধামাচাপা দিতে বলা হয়েছে। খুনের ঘটনাকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখাতে বলা হয়েছে। সংবাদ মাধ্যমেকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না।” আবার বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল বলেন, “রাজ্যের কোনও মহিলা সুরক্ষিত নয়। রাজ্যের কাছে অত্যন্ত লজ্জাজনক এবং দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটেছে। কলেজের (R. G. Kar Medical College) সেমিনার হলে মহিলা ডাক্তারকে ধর্ষণ করে নির্মমভাবে খুন করা হয়েছে।” এদিকে ঘটনার কথা জানাজানি হতে হাসপাতালের বাইরে বিজেপি নেতা সজল ঘোষের নেতৃত্বে বিরাট বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়।

    মৃত চিকিৎসকের পরিবারের দাবি খুন

    চিকিৎসকের মায়ের দাবি, তাঁর মেয়েকে খুন করা হয়েছে। ‘অর্ধনগ্ন’ অবস্থায় তাঁর মেয়ের দেহ পড়েছিল বলেও দাবি করেছেন তিনি। মহিলা বলেন, ‘‘আমার মেয়েটাকে খুন করে ফেলেছে এরা। অর্ধনগ্ন অবস্থায় পড়ে ছিল দেহ। গায়ে কাপড় ছিল না। চশমাটা ভেঙে গিয়েছিল। মুখে আঘাতের চিহ্ন ছিল। রাতে ও একাই ছিল সেমিনার হলে। ভিতরে কোনও সিসি ক্যামেরা নেই।’’

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    হাসপাতালের (R. G. Kar Medical College) সুপার সঞ্জয় বশিষ্ট জানিয়েছেন, মহিলা চিকিৎসকের মৃত্যুর ঘটনায় ম্যাজিস্ট্রেটকে দিয়ে তদন্ত করানো হবে। তবে ইতিমধ্যে ১১ জনের সদস্য নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ময়না তদন্তের সময় ভিডিওগ্রাফি করা হবে। তবে তিনি ধর্ষণ নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। অপর দিকে গোটা ঘটনার তদন্তে কলকাতা পুলিশের আধিকারিকরা উপস্থিত হয়েছেন। ঘটনার খবর পেয়ে কলকাতা পুলিশের কমিশনার বিনীত গোয়েল, স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম পৌঁছে গিয়েছেন। ঘটনা কীভাবে ঘটল সেই বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: ‘‘এটা তূণমূলেরও ভবিষ্যৎ’’,  বাংলাদেশ প্রসঙ্গে মমতাকে নিশানা দিলীপের

    Dilip Ghosh: ‘‘এটা তূণমূলেরও ভবিষ্যৎ’’, বাংলাদেশ প্রসঙ্গে মমতাকে নিশানা দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ ইস্যুতে কথা বলেতে গিয়ে তৃণমূলকে নিশানা করলেন প্রাক্তন সাংসদ দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। বিজেপির প্রবীণ এই নেতার দাবি, বাংলাদেশে এখন যারা অরাজকতা করছে, হিংসা চালাচ্ছে, তাদেরই মতো একদল ভারতে ঢুকে সিএএ পাস হওয়ার পর দিকে দিকে আগুন জ্বালিয়েছিল। লুট করেছিল। বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) যারা তাণ্ডব চালাচ্ছে তারাই পশ্চিমবঙ্গের একাংশ দখল করে রেখেছে। বুধবার সকালে দুর্গাপুরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমনই দাবি করলেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাঘের পিঠে চড়েছেন। যেদিন নামবেন সেদিন সবার আগে ওনার ঘাড় মটকাবে। 

    তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি

    দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন,  ‘বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) যারা নৈরাজ্য চালাচ্ছে, তারাই ভোটের পরে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকেছিল।’ তাঁর দাবি, ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনের ফল বেরনোর পরে ভোট পরবর্তী হিংসা চালিয়েছিল এরাই। বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা করেছিল, খুন করেছিল। এদের মতোই লোকজন বিজেপির নেতা-কর্মীদের উপর তৃণমূলের হয়ে হামলা চালিয়েছিল বলে দাবি দিলীপের। বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি বললেন, ‘এরাই এখানে তৃণমূলকে দখল করে নিয়েছে। মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় ভাবছেন, এরা তাঁর পক্ষেই আছে, তাই মুখ বন্ধ রেখেছেন।’ দিলীপের সাবধানবাণী, ‘এক দিদি গিয়েছেন, আরেক দিদি হয়ত সেই রাস্তায় হাঁটতে চলেছেন। তৃণমূল ভবিষ্যৎ দেখে রাখুক, এই আগুন থেকে তারাও বাঁচবে না।’  

    আরও পড়ুন: কোনও দেশেই আশ্রয় চাননি হাসিনা, দাবি পুত্র জয়ের! ভারতেই থাকবেন?

    প্রসঙ্গ বাংলাদেশ

    বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis) প্রসঙ্গে এদিন দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, ‘কোনও ইসলামিক দেশে গণতন্ত্র সফল হয় না, এটা তার প্রমাণ। কিছু গণ্ডগোল হলেই ওখানে হিন্দুদের ওপরে অত্যাচার হয়। তারা পালিয়ে আসেন। আবার সেটা হচ্ছে। কিন্তু তাদের হয়ে কেউ কথা বলছে না। কেউ জামাতিদের কথা বলছে, কেউ স্বৈরতন্ত্রের কথা বলছে।’ বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে দিলীপ ঘোষের মত, ‘যারা সমাজ বিরোধী তারা কোনও দলের নয়। না হলে, তারা কী করে সংসদ ভবন লুট করতে পারে? প্রধানমন্ত্রীর বাড়ি লুট করতে পারে? সেগুলো তো সব দেশেরই জিনিস।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dengue: “পশ্চিমবঙ্গ সরকার কেন ডেঙ্গির তথ্য কেন্দ্রের কাছে নথিভুক্ত করাচ্ছে না?”, আক্রমণ নাড্ডার

    Dengue: “পশ্চিমবঙ্গ সরকার কেন ডেঙ্গির তথ্য কেন্দ্রের কাছে নথিভুক্ত করাচ্ছে না?”, আক্রমণ নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের সরকার কেন ডেঙ্গির (Dengue) তথ্য লুকিয়ে রাখে? মঙ্গলবার রাজ্যসভায় রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে প্রশ্ন তুলে আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জগৎ প্রকাশ নাড্ডা। তাঁর প্রশ্নে এই রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে কাঠগড়ায় তুলেছেন বিজেপির এই সর্বভারতীয় সভাপতি। উল্লেখ্য, মমতার সরকারের বিরুদ্ধে করোনা কাল থেকেই সংক্রমণ রোগ বা মশা বাহিত রোগে আক্রান্ত এবং মৃত্যুর সংখ্যা প্রকাশে তথ্য গোপন করার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    ঠিক কী বলেন জেপি নাড্ডা (Dengue)?

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী জেপি নাড্ডা আজ রাজ্যসভায় বাংলার সরকারের ডেঙ্গি (Dengue) মোকাবিলা নিয়ে বলেছেন, “পশ্চিমবঙ্গ সরকার কেন ডেঙ্গির তথ্য কেন্দ্রের কাছে নথিভুক্ত করাচ্ছে না? তথ্য গোপন করার কী আছে? আমি রাজ্য সরকারের কাছে জানতে চাই। তবে এই প্রশ্ন তোলার মধ্যে আমার কোনও রাজনৈতিক অভিপ্রায় নেই। সব পক্ষের কথা শোনার ধৈর্য এবং বলবার অবসর থাকা একান্ত প্রয়োজন।” এই বক্তব্যের ভিডিও বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয়মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন।

    ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহে রাজ্যের বৈঠক

    বর্ষার মরসুমে প্রত্যেক বছরই ডেঙ্গির (Dengue) প্রকোপ দেখা যায়। রাজ্য সরকার প্রতিবছর ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়া, টাইফয়েড সহ একাধিক রোগের সঠিক তথ্যে কেন্দ্রকে যে পাঠায় না, সেই বিষয়ে রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্বরাও সরব হয়েছেন। এদিকে রাজ্যে লাগাতার বর্ষণের ফলে বর্ষায় জল জমে একাধিক জেলায় ডেঙ্গি প্রকোপ মারাত্মক আকার নিয়েছে। কলকাতায়ও অবস্থা বেশ সঙ্কটজনক। একাধিক জেলা সহ কলকাতায় মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। রাজ্যের পুরসভাগুলির বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। আগামী ৮ অগাস্ট ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহে রাজ্যের সব পুরসভার চেয়ারম্যান এবং দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের ডাকা হয়েছে। একই ভাবে এই বৈঠকে থাকবেন কলকাতা স্বাস্থ্য বিভাগের আধিকারিকরাও। ইতিমধ্যে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর থেকে জেলা এবং মহাকুমা শাসক, স্বাস্থ্য আধিকারিকদের বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বর্ষার জমা জল এবং নিকাশি ব্যবস্থার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Waqf Act: “ওয়াকফ আইন সংশোধন করা হলে দেশ ভাগ হবে”, হুমকি রাশিদির

    Waqf Act: “ওয়াকফ আইন সংশোধন করা হলে দেশ ভাগ হবে”, হুমকি রাশিদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহর লাল নেহরুর রেখে যাওয়া ‘গ্যাঁজ’ উপড়ে ফেলতে সচেষ্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ওয়াকফ আইন (Waqf Act) ১৯৯৫ সংশোধন করার পরিকল্পনা করেছেন তিনি। আর তার পরেই হুমকি ধেয়ে এল মওলানা সাজিদ রশিদির দিক থেকে (Maulana Sajid Rashidi)। তিনি বলেন, “ওয়াকফ আইন সংশোধন করা হলে ভারতকে আর একটি বিভাজনের সম্মুখীন হতে হবে।” অবশ্য এই প্রথম নয়, রাশিদি মাঝেমধ্যেই হুমকি দেন ভারত ও হিন্দুদের।

    ওয়াকফ অ্যাক্ট প্রণয়ন (Waqf Act)

    ১৯৫৪ সালে ওয়াকফ অ্যাক্ট প্রণয়ন করে নেহরু সরকার। পরে সেই আইন বার দুয়েক সংশোধন করা হয়। শেষবার সংশোধনী আনা হয় ১৯৯৫ সালে। সেটাই ফের সংশোধন করতে সোমবারই লোকসভায় পেশ হয়েছে বিল। এই বিলে চল্লিশটিরও বেশি বদল আনা হয়েছে। ২ অগাস্ট কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা অনুমোদন দেওয়ার পরে বিলটি পেশ হয় লোকসভায়। এতদিন যে কোনও জমিকে ওয়াকফ বোর্ড তাদের সম্পত্তি বলে ঘোষণা করতে পারত। নয়া বিলে ওয়াকফ বোর্ডের এই ক্ষমতাই সীমিত করার কথা বলা হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এটাই গাত্রদাহের কারণ মওলানা সাহেবের। সেই কারণেই দেশে যাতে অশান্তির আগুন জ্বলে, তাতে ইন্ধন জোগাতে শুরু করেছেন তিনি।

    মওলানার হুমকি

    চাকরিতে সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে উত্তাল বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছেড়েছেন শেখ হাসিনা। ভারতের জনসংখ্যারও একটা বড় অংশ মুসলমান। অভিজ্ঞ মহলের মতে, সেই কারণেই হুমকি দেওয়ার জন্য এই ‘সন্ধিক্ষণ’-টিকেই বেছে নিয়েছেন রাশিদি। রাশিদি অল ইন্ডিয়া ইমাম অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি। বিলের বিষয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “এবার মুসলমানরা রাস্তায় নামবে। তাদের অধিকারের জন্য লড়াই করবে।” বিল সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে রাশিদি আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপিকেও। তিনি বলেন, “একের পর এক বিভাজনমূলক ইস্যু এনে রাজনৈতিক সুবিধা পেতে চাইছে বিজেপি। রাম মন্দিরের পর তারা কাশী বিশ্বনাথ মন্দির বনাম জ্ঞানব্যাপী মসজিদ ও শ্রীকৃষ্ণ জন্মভূমি ভার্সেস মথুরার ইদগাহের মতো নয়া বিভাজনমূলক সমস্যা খুঁজে পেয়েছে।” এর পরেই হুমকির সুরে এই মওলানা বলেন, “কৃষকরা যেভাবে প্রাণ বিসর্জন দিয়ে তিনটি আইন বাতিল করেছে, একইভাবে এখন মুসলমানরাও রাজপথে নামবে। লড়াই করবে তাদের সাংবিধানিক অধিকারের জন্য।”

    বিজেপিকে নিশানা

    তিনি বলেন, “ওয়াকফ বোঝাটা গুরুত্বপূর্ণ। মুসলমান সম্প্রদায়ের সুবিধার জন্য সরকার সাংবিধানিকভাবে মুসলমানদের ওয়াকফের অধিকার দিয়েছে।” ফের একবার হুমকির সুরে রাশিদি বলেন, “এই মুহূর্তে মুসলমানরা নীরব। আমাদের সম্পত্তির একটা উল্লেখযোগ্য অংশ রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারের মালিকানাধীন। মুসলমানরা যদি তাদের অধিকার দাবি করতে শুরু করে, তাহলে পরিস্থিতি বদলে যাবে। তাই উদ্বেগে প্রশাসন।” অল ইন্ডিয়া ইমাম অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বলেন, “মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে কেবলই মুসলমানদের টার্গেট করছে। সেই রকমই বিল আনছে।” তিনি বলেন, “যে হিন্দুরা বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন, তাঁদেরও ভাবতে হবে এই সরকার তাঁদের জন্যই বা কী করেছেন।” মুদ্রাস্ফীতি ও কর্মসংস্থান নিয়ে এই সরকার উচ্চবাচ্য করে না বলেও দাবি রাশিদির।

    মওলানার গুণপনার শেষ কই!

    মওলানা সাহেবের (Maulana Sajid Rashidi) গুণপনার শেষ নেই! এমন হুমকি এই প্রথম নয়, তিনি আগেও দিয়েছেন। অযোধ্যায় রাম মন্দির ভেঙে ফেলার জন্য (Waqf Act) মুসলমানদের উসকানি দেওয়ায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছিল ২০২০ সালের অগাস্টে। রাম মন্দিরের ভূমি পূজনের একদিন পর তিনি বলেছিলেন, “অযোধ্যায় যে রাম মন্দির এখনও তৈরি হয়নি, তা ভেঙে পুনর্নির্মাণ করা হবে মসজিদ।” বিতর্কিত এই মন্তব্যের দু’বছর পরে রশিদি ফের বেফাঁস মন্তব্য করেন ২০২২ সালে। উত্তরাখণ্ড সরকার সে রাজ্যের মাদ্রাসাগুলিকে আধুনিক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তার প্রেক্ষিতেই মওলানা সাহেব বলেছিলেন, “প্রত্যেক রাজ্যে একটি করে মাদ্রাসা বোর্ড রয়েছে। মাদ্রাসাগুলি সরকারের অধীন। এই মাদ্রাসাগুলিতে সরকার ড্রেস কোড দিতে পারে, সিনেমা কিংবা গানও চালাতে পারে, যা খুশি তাই করতে পারে। কেউ তাদের বাধা দিতে পারে না।”

    আরও পড়ুন: তাঁর আমলেই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি, বাংলাদেশকে গণতন্ত্রের পথ দেখিয়েছিলেন হাসিনা

    এরপর তিনি বলেন, “তবে আপনাকে প্রাইভেট মাদ্রাসায় কিছু করতে দেব না। ভারতীয় মুসলমানরা প্রাইভেট মাদ্রাসা থেকে ৪ শতাংশ শিশুকে ধরে রেখেছেন মৌলভী ও মওলানা হওয়ার জন্য। তাই যদি তারা সেইসব মাদ্রাসায় হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করে, তবে সব ভারতীয় মুসলমান এর বিরোধিতা করবে। আমরা এই প্রাইভেট মাদ্রাসায় হস্তক্ষেপ করতে দেব না।” রাশিদি বলেন, “আমরা কখনওই সরকারের কাছ থেকে কিছু নিই না। আমাদের কারও কাছ থেকে কিছু নেওয়ার দরকারও নেই।…সরকার পরিচালিত মাদ্রাসাগুলিতে যা খুশি তাই করুন। তবে প্রাইভেট মাদ্রাসাগুলিকে স্পর্শ করবেন না।” তাঁর (Maulana Sajid Rashidi) হুমকি, “ভারত আগুনে পুড়ে যাবে।” ২০২২ সালেই ফের একবার ভারতীয় মুসলমানদের ওসকানোর চেষ্টা করেছিলেন রাশিদি। এই বছর রাজ্যের সাড়ে ৭ হাজার অস্বীকৃত মাদ্রাসায় সমীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নেয় উত্তরপ্রদেশ সরকার। তখন মওলানা সাহেব মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে বলেছিলেন, “রাজ্যের তরফে যাঁরা সমীক্ষা করতে যাবেন, তাঁদের চপ্পল এবং জুতো দিয়ে স্বাগত জানান। ২০০৯ সালের আইন দিয়ে তাঁদের মারধর করুন।”

    কাঠগড়ায় তুষ্টিকরণের রাজনীতি

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, রাশিদির এই মন্তব্যের নেপথ্যে রয়েছে কংগ্রেস-তৃণমূলের প্রচ্ছন্ন প্রশয়। এই দুই রাজনৈতিক দলই ক্ষমতায় টিকে থাকতে নিরন্তর করে চলেছে তোষণের রাজনীতি। কেন্দ্রে কংগ্রেস জমানায় এবং বাংলায় তৃণমূল জমানায় প্রকাশ্যে মুসলমান তুষ্টিকরণের রাজনীতি চলছে। ওয়াকফ অ্যাক্ট প্রণয়ন করে যে বিষবৃক্ষের বীজ পুঁতেছিলেন নেহরু, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা পরিণত হয়েছে মহীরুহে। বস্তুত মুসলিম তোষণ করেই দশকের পর দশক ধরে দিল্লিশ্বর সেজে বসেছিল কংগ্রেস। উন্নয়নের স্লোগান দিয়ে কংগ্রেসের ভোটব্যাঙ্কে ধস নামিয়েছিলেন বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটের কান্ডারি নরেন্দ্র মোদি। তার জেরেই ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসে বিজেপি সরকার।

    কংগ্রেস-তৃণমূল

    কেন্দ্রে যেমন তুষ্টিকরণের রাজনীতি করে চলেছে কংগ্রেস, তেমনি মুলমান সেন্টিমেন্টে নিরন্তর সুড়সুড়ি দিয়ে চলেছে পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল সরকার। ইমামদের ভাতা দেওয়ার বন্দোবস্ত করেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকার। মুসলমানদের স্বার্থে যাতে ঘা না লাগে, তাই রামনবমীর মিছিলে মুসলিমরা হামলা চালালেও, সরকার কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ। কংগ্রেস এবং তার ‘নাড়ি ছেঁড়া ধন’ তৃণমূলের এই তুষ্টিকরণের রাজনীতিতে একদিকে যেমন বাড়বাড়ন্ত হচ্ছে মুসলমানদের, তেমনি সাহস বাড়ছে রাশিদির (Maulana Sajid Rashidi) মতো মানুষদের।

    মোদি সরকারের পদক্ষেপকে স্বাগত মওলানার

    রাশিদি যখন ভারতীয় মুসলমানদের খেপিয়ে তোলার চেষ্টা করছেন, তখন মোদি সরকারের পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন বিশিষ্ট শিয়া আলেম মওলানা ইয়াসুব আব্বাস। ওয়াকফ অ্যাক্টের সংশোধনীগুলিকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, “আইনের পরিবর্তনগুলি ওয়াকফ সম্পত্তির ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনবে। প্রবর্তন করবে জবাবদিহির। দুর্নীতির অবসানও ঘটবে। এবং এই জাতীয় সম্পত্তির আয় বাড়বে।” ইয়াসুব আব্বাস সাহেবের কথায় স্পষ্ট, ওয়াকফ সম্পত্তিতে দুর্নীতি হয় এবং তার অবসানও ঘটানো প্রয়োজন। সেই চেষ্টাই করছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। এহেন আবহে উসকানিমূলক বিবৃতি দিয়ে মুসলমানদের খেপিয়ে তুলছে চাইছেন রাশিদি! যার বিপদ সম্পর্কে হয় তিনি জানেন না, নয়তো না জানার ভান করে রয়েছেন।

    কথায় বলে, শহরে আগুন লাগলে পিরের বাড়িও বাদ যায় না (Waqf Act)। অতএব, আগুন নিয়ে না খেলাই ভালো, তাই নয় কি?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Titagarh: মমতার দেওয়া পুজোর অনুদানের টাকা ঢুকল তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামীর অ্যাকাউন্টে!

    Titagarh: মমতার দেওয়া পুজোর অনুদানের টাকা ঢুকল তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামীর অ্যাকাউন্টে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গা পুজোয় সরকারি অনুদান দেওয়া নিয়ে বড়সড় দুর্নীতি সামনে এল। সরকারি অনুদানের টাকা তৃণমূল (Trinamool Congress) কাউন্সিলরের স্বামীর অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে টিটাগড় (Titagarh) পুরসভা এলাকায়। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই বিজেপি সরব হয়েছে। এমনকী, হাইকোর্টে যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিরোধী দল।

    ঠিক কী অভিযোগ?(Titagarh)

    মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া পুজোর অনুদানের টাকা টিটাগড় (Titagarh) বিবেকনগর পুজো কমিটির বদলে কমিটির জেনারেল সেক্রেটারির ব্যক্তিগত কোম্পানির অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে বলে অভিযোগ। পুজো কমিটির সেক্রেটারির নাম দেবব্রত ভট্টাচার্য। তিনি আবার তৃণমূল কাউন্সিলর মৌসুমী ভট্টাচার্যের স্বামী। তাঁর কোম্পানির অ্যাকাউন্টে সরকারি টাকা ঢুকেছে। দেবব্রত বলেন, “কারও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট না থাকলে জেনারেল সেক্রেটারির ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে ঢোকে। সেখান থেকে খরচ করা হয়। এটা সর্বজনীন। যদি প্রোটোকল না থাকত, আমাকে তো চেক দিতই না ট্রেজারি থেকে। আমাকে ম্যালাইন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।”

    দেবব্রতর স্ত্রী কাউন্সিলর মৌসুমি ভট্টাচার্য বলেন, “যে সমস্ত পুজো কমিটির অ্যাকাউন্ট নেই, সেক্রেটারি বা কারও ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে টাকা আসে। টিটাগড় থানা থেকে এবার একটা অর্ডার এসেছে, ২০২৩ সাল পর্যন্ত যে সমস্ত পুজো কমিটি নিজেদের অ্যাকাউন্টে টাকা নিত, ২০২৪ থেকে তা হবে না। পুজো কমিটির অ্যাকাউন্টেই টাকা নিতে হবে। গতবার নিয়ম ছিল। অনেকে বিষয়টার ভিতরে ঢুকছে না। ভাবছে সেক্রেটারির অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে, সেক্রেটারি টাকা নিয়ে নিয়েছে। কিন্তু, সবটাই ভুল। সঙ্গে সঙ্গে পুজোর অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: পরপর মন্দিরে হামলা, নেতাকে হত্যা! বাংলাদেশে ফের টার্গেট হিন্দুরা

    দলীয় কাউন্সিলরও সরব হয়েছেন

    কাউন্সিলর বা তাঁর স্বামী যা সাফাই দিন না কেন, তা মানতে নারাজ দলেরই একাংশ। এ প্রসঙ্গে বিবেকনগরের পুজো কমিটির সঙ্গে এক সময় যুক্ত এবং টিটাগড় (Titagarh) পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা প্রশান্ত চৌধুরী বলেন “আমাদের প্রতিটা পুজো কমিটির সঙ্গে দীর্ঘদিন আমি জড়িত। প্রতিটি পুজো কমিটিরই ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট আছে। ২০২১ সাল পর্যন্ত এই পুজোর সঙ্গেও ছিলাম। ২০২২ থেকে আমি খুব একটা জড়িত নই। যেহেতু অন্য জায়গায় কাউন্সিলর হয়েছি, সেখানে পুজো হয়। এটা কী করে হল আমার মাথায় আসছে না। একটা কোম্পানির অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে দেখলাম।”

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চালু করা দুর্গাপুজোর ক্লাবগুলিকে সরকারি টাকা অনুদান দেওয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই সরব বিজেপি। দীর্ঘদিন ধরেই এর প্রতিবাদ করে আসছে বিজেপি। গেরুয়া শিবির, একাধিকবার দাবি করেছে, দুর্গাপুজোর আড়ালে এভাবে দলের একাংশের তুষ্টিকরণ করা হচ্ছে। সেই দাবি যে অমূলক নয়, তার প্রমাণ ফের একবার মিলল এদিন। এ প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা তথা আইনজীবী কৌস্তভ বাগচী বলেন, ‘‘সরকারি অনুদানের টাকা এভাবে ব্যক্তিগত কারও অ্যাকাউন্টে ঢুকতে পারে না। এর তদন্ত হওয়া দরকার। আমি সংশ্লিষ্ট দফতরে চিঠি দেব। হাইকোর্টে মামলাও দায়ের করব।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Infiltration: মাত্র ৫ হাজার টাকায় ভারত-বাংলাদেশে সীমান্তে মুসলমান অনুপ্রবেশ! কীভাবে হয় জানেন 

    Infiltration: মাত্র ৫ হাজার টাকায় ভারত-বাংলাদেশে সীমান্তে মুসলমান অনুপ্রবেশ! কীভাবে হয় জানেন 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যে কোনও মুসলিম ব্যক্তি বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশ (Infiltration) করতে পারে মাত্র ৫ হাজার টাকার  বিনিময়ে। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের (India-Bangladesh border) পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী জেলা হল চোরা পথের প্রধান প্রবেশ দ্বার, এই তথ্য স্বীকার করেছে খোদ এক অনুপ্রবেশকারী। এই ব্যক্তি বেঙ্গালুরু থেকে পুলিশের জালে ধরা পড়েছে। ধৃতের নাম মহম্মদ হাফিজুল। বাংলাদেশি মুসলমান অনুপ্রবেশকারীদের মুক্তাঞ্চল যে পশ্চিমবঙ্গ, তা বারবার সংসদ এবং বিধানসভায় বিজেপির সাংসদ-বিধায়করা প্রশ্ন তুলে সরব হয়েছেন। তাহলে এই রাজ্যের তৃণমূল শাসক কী কিরছে? অবশ্য লোকসভার ভোটের আগে হাবড়ার এক তৃণমূল নেত্রী অনুপ্রবেশকারীদের প্রকাশ্যে আধার কার্ড, ভোটার কার্ড করার কথা ঘোষণা করেছিলেন। ফলে পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত এলাকাগুলি কতটা সুরক্ষিত, তা নিয়ে রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকায় উঠছে প্রশ্ন।

    অনুপ্রবেশকারী যুবকের বক্তব্য (Infiltration)

    অনুপ্রবেশকারী (Infiltration) মুসলমান যুবক মহম্মদ হাফিজুল পুলিশের কাছে ধরা পড়ে অনর্গল হিন্দিতে বলছে, “বাংলাদেশের খুলনায় আমার বাড়ি। টাকা দিলে ওপার থেকে এপারে (India-Bangladesh border) আসা যায়। জনপ্রতি ভারতীয় টাকায় ৫ হাজার দিলে পশ্চিমবঙ্গে খুব সহজেই ঢোকা যায়। পুলিশ, বিএসএফ কেউ ধরেও না, কিছু জিজ্ঞেসাও করে না। তবে আমি চোর নই।”

    অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় পশ্চিমবঙ্গ

    বাংলাদেশ থেকে মুসলিম অনুপ্রবেশকারীরা (Infiltration) দীর্ঘদিন ধরেই পশ্চিমবঙ্গ হয়ে সারা ভারতে যাচ্ছে। এই বিষয় নিয়ে অনেক বার রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ করতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু সমস্যার সমাধান হয়নি। সীমান্তের বিএসএফ এবং পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে বার বার প্রশ্ন উঠেছে। পশ্চিমবঙ্গের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে এজেন্টরা সক্রিয় রয়েছে। তাদের চোরাকারবার এবং অনুপ্রবেশ করানো নিত্যদিনের ব্যবসা। একই সঙ্গে শুধু সীমান্তে অনুপ্রবেশ করানো নয়, তাদের আশ্রয় দিয়ে প্রয়োজনীয় ভোটার কার্ড, আধার কার্ডও টাকার বিনিময়ে করে দেওয়া হয়। আর এই কাজে সাহায্য করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। বাংলাদেশের অনুপ্রেবশকারীদের অধিকাংশের জাল প্রমাণপত্রের সূত্র সন্ধানে এই রাজ্যের নাম বার বার উঠে আসে। এমন দৃষ্টান্ত ছিল ২০১৪ সালের খাগড়াগড় বিস্ফোরণ কাণ্ডের মাস্টার মাইন্ড। ওই অভিযুক্তিও অনুপ্রবেশকারী ছিল। এইরকম অবৈধ পাচারচক্র একই ভাবে অসম, ত্রিপুরা প্রদেশের সীমান্ত বরাবরও সক্রিয় বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: জমা জলে প্লাবিত কলকাতা বিমানবন্দর! আগামী ১২ ঘণ্টায় আরও ভারী বৃষ্টির ইঙ্গিত

    সীমান্ত কতটা সুরক্ষিত?

    সম্প্রতি সংসদে ঝাড়খণ্ডের সাংসদ নিশিকান্ত দুবে, পশ্চিমবঙ্গের মালদা, মুর্শিদাবাদ, বিহারের পূর্ণিয়া, কিষানগঞ্জ এবং ঝাড়খণ্ডের পাকুর সহ একাধিক অঞ্চলে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী (Infiltration) মুসলমানদের সংখ্যা বৃদ্ধির ফলে আঞ্চলিক জনবিন্যাস ও ভারসাম্য বিঘ্নিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছিলেন। তিনি অবিলম্বে কেন্দ্রীয় সরকারকে পূর্ব ও উত্তরপূর্বের সীমান্ত এলাকায় সুরক্ষা এবং জনবিন্যাস বদলে যাওয়া নিয়ে সমীক্ষা করে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলেছেন। একই ভাবে রাজ্যের মুর্শিদবাদের বিজেপি বিধায়ক গৌরীশঙ্কর ঘোষ এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার অত্যন্ত আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশি মুসলমান অনুপ্রবেশ নিয়ে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dev-Hiran: ভোট লুটের বিরুদ্ধে ফের আদালতে বিজেপি, এবার সাংসদ দেবকে নোটিশ হাইকোর্টের

    Dev-Hiran: ভোট লুটের বিরুদ্ধে ফের আদালতে বিজেপি, এবার সাংসদ দেবকে নোটিশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রে ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায় (Dev-Hiran)। এবার এই মামলায় তৃণমূল সাংসদ দেবকে নোটিশ দিল উচ্চ আদালত। শুক্রবার বিচারপতি বিভাস পট্টনায়ক স্পষ্ট করে নির্দেশ দেন, ঘাটাল কেন্দ্রে ভোটের সমস্ত কাগজপত্র, বৈদ্যুতিন নথি এবং ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষণ করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। আগামী ৬ অগাস্ট হবে মামলার পরবর্তী শুনানি।

    ‘খুল্লম-খুল্লা ছাপ্পাদাবি হিরণের (Dev-Hiran)

    ভোটের দিন থেকেই ছাপ্পা-কারচুপির অভিযোগে সরব হয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী হিরণ (Dev-Hiran)। তিনি এই কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের দাবিও তুলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “নির্বাচনের দিন কেশপুরে ‘লুঙ্গি ড্যান্স’ করে রাজ্য প্রশাসনের সাহায্যে গণতন্ত্রকে প্রকাশ্যে হত্যা করা হয়েছে। এখানকার ৭১ ও ৭৪ বুথের ভিডিও ফুটেজে দেখা গিয়েছিল কীভাবে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা ভোটারদের প্রভাবিত করেছে। কমিশনের পর্যবেক্ষক বা রিটার্নিং অফিসাররা কেউ আমার অভিযোগ শোনেননি। কেশপুরে ২০০ বুথে বিজেপির এজেন্টকে বসতে দেয়নি শাসক দলের গুন্ডারা। খুল্লাম-খুল্লা ছাপ্পা মেরেছে।” হিরণের (Dev-Hiran) মামলায় রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    রেখা পাত্রও হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন

    হিরণ একা নন। এর আগে, বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের ফলাফল নিয়ে হিরণের (Dev-Hiran) মতো আগেই ইলেকশন পিটিশেন দায়ের করেছিলেন বিজেপি নেত্রী রেখা পাত্র। তাঁর অভিযোগ ছিল, নির্বাচন কেন্দ্রে তৃণমূল ব্যাপক ছাপ্পা এবং কারচুপি করেছে। সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও (Calcutta High Court) ইভিএম, ব্যালট, সিসিটিভি, ডিভিআর এবং নির্বাচনী সমস্ত কাগজপত্র সংরক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছেন। একই ভাবে তৃণমূলের জয়ী প্রার্থী হাজি নুরুল ইসলাম এবং জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, কোচবিহারের পরাজিত প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক, আরামবাগে পরাজিত অরূপকান্তি দিগার এবং ডায়মন্ডহারবারের পরাজিত অভিজিৎ দাস ববি, প্রত্যেকে মামলা দায়ের করেছেন হাইকোর্টে। প্রত্যেক বিজেপি প্রার্থীর অভিযোগ ফলাফলে কারচুপি করেছে তৃণমূল।

    আরও পড়ুনঃ অভিষেকের কেন্দ্রে ভোট লুট নিয়ে এবার বড়সড় পদক্ষেপ শুভেন্দুর, করলেন আরটিআই

    অভিষেকের কেন্দ্রে আরটিআই শুভেন্দুর

    অন্যদিকে, ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় ৭ লাখেরও বেশি ভোটে জয়ী হয়েছিলেন। বিজেপি এনিয়ে বার বার প্রশ্ন তুলেছে। এই কেন্দ্রে প্রায় ১০ লাখ ভোটের ছাপ্পা হয় বলে অভিযোগ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এই লোকসভা কেন্দ্রে ভোট পরিচালনার কাজে যে সকল পোলিং অফিসার, প্রিসাইডিং অফিসার, রিটার্নিং, অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসার এবং কাউন্টিং স্টাফ যুক্ত ছিলেন তাঁদের সকলের নাম, পরিচয় প্রকাশের দাবিতে আরটিআই দাখিল করেছেন তিনি। নাম প্রকাশ্যে আসলেও ছবি আরও স্পষ্ট হবে বলে দাবি করেন শুভেন্দু। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “হিসেব দাও, টাকা নাও”, রাজ্যসভায় তৃণমূল সাংসদকে মুখের মতো জবাব অমিত শাহের

    Amit Shah: “হিসেব দাও, টাকা নাও”, রাজ্যসভায় তৃণমূল সাংসদকে মুখের মতো জবাব অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০০ দিনের প্রকল্প থেকে আবাস যোজনা— সব ক্ষেত্রেই বার বার কেন্দ্রীয় সরকার বঞ্চনা করছে। অর্থ বরাদ্দ করছে না বলে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দলের সাংসদ, বিধায়করা সরব হয়েছেন। বাস্তবে এই সব প্রকল্পে ভুরি ভুরি দুর্নীতি হয়েছে। ভুয়ো মাস্টার রোল তৈরি করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে। ফলে, এই সব প্রকল্পের সঠিক হিসেব দিলেই টাকা মিলবে বলে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকী, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও বার বার একথা বলেছেন। এই পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গকে আর্থিক বঞ্চনা করা হয়েছে দাবি তুলে বুধবার রাজ্যসভায় ফের একবার সরব হন তৃণমূল সাংসদ সাকেত গোখলে। যদিও তাঁর প্রশ্নের পর পরই মুখের ওপর মোক্ষম জবাব দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)।

    কী বলেছেন তৃণমূল সাংসদ?

    মঙ্গলবার ভোরে, টানা বৃষ্টির জেরে ভয়াবহ ধস নেমেছে কেরলে। তছনছ হয়ে গিয়েছে ওয়েনাড় জেলার একাধিক গ্রাম। সেই বিপর্যয়ের প্রেক্ষিতে, বুধবার রাজ্যসভায় ফের কেন্দ্রীয় বাজেটে থাকা বন্যা প্রসঙ্গ ওঠে। প্যাকেজ থেকে বাংলাকে বঞ্চিত করার প্রসঙ্গ তোলেন রাজ্যসভার (Rajya Sabha) তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সাকেত গোখলে। তিনি বলেন, “বন্যাত্রাণে থাকা রাজ্যগুলির তালিকায় কেরল ও পশ্চিমবঙ্গকে যোগ করা যায় কিনা তা কেন্দ্রীয় সরকারকে বিষয়টি দেখার জন্য বলছি।” একইসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী তহবিলের ২৫ শতাংশ দেয় রাজ্য সরকার। তাও, কোনও বিপর্যয়কে কেন্দ্রীয় সরকার জাতীয় বিপর্যয় ঘোষণা না করলে, সেই তহবিলের মাত্র ১০ শতাংশ ব্যবহার করতে পারে রাজ্য। রাজ্যগুলিকে এই তহবিলের ২৫ শতাংশ খরচ করার অধিকার দেওয়ার দাবি জানিয়েছি।”

    আরও পড়ুন: ধর্মান্তরণ রুখতে আইন করা উচিত অন্য রাজ্যগুলোরও, বললেন ভিএইচপি কর্তা

    পশ্চিমবঙ্গকে ৪,৬১৯ কোটি দেওয়া হয়েছে (Amit Shah)

    জবাবে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “২০১৪ থেকে ২০২৪ – এই ১০ বছরে বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য পশ্চিমবঙ্গের ৬,২৪৪ কোটি টাকার দাবি আমরা মঞ্জুর করেছি। পশ্চিমবঙ্গ থেকে যেমন যেমন খরচের হিসেব আসে, আমরা টাকা দিয়ে দিই। হিসেব দিলেই টাকা দিয়ে দিই। এইভাবে ৪,৬১৯ কোটি টাকা দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু, সেখান থেকে হিসেব আসা নিয়ে সমস্যা আছে। আমি তো তা করতে পারি না। সেই হিসেব বাংলাকেই করতে হবে। হিসেব দিতে হয়। এটা তো সরকারের বিষয়। কোনও রাজনৈতিক দলের বিষয় নয়। সরকারের নিয়ম আছে, বিধি আছে, খরচের হিসেব রাখতে হয়, অডিট হয়। যদি কাউকেই না মানি, তাহলে তো কিছু সমস্যা হবেই। তবে, ধীরে ধীরে অভ্যাসের বদল হচ্ছে। উন্নতি হয়েছে। তাই, ৬,২৪৪ কোটি টাকার মধ্যে ৪,৬১৯ কোটি টাকা দিয়ে দেওয়া হয়েছে।” রাজ্যসভায় (Rajya Sabha) জবাবি বক্তৃতায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী তহবিলের ১০ শতাংশ নিজের ইচ্ছামতো খরচ করতে পারে সংশ্লিষ্ট রাজ্য। কিন্তু, ওই তহবিলের অর্থ যাতে অন্য কোনও প্রকল্পে খরচ করা না হয়, তার জন্যই বাকি ৯০ শতাংশ খরচ করার ক্ষেত্রে কেন্দ্রের গাইডলাইন মেনে চলতে বলা হয়েছে। সেই গাইডলাইন মেনে রাজ্যগুলি ওই ৯০ শতাংশও খরচ করতে পারে। তার জন্য কেন্দ্রের অনুমতি লাগে না।” তৃণমূল সাংসদের দাবি যে ভুল, এভাবেই অমিত শাহ ব্যাখ্যা করে দেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rekha Patra: রেখা পাত্রের আবেদন শুনল হাইকোর্ট, বসিরহাট নির্বাচনের সব নথি সংরক্ষণের নির্দেশ

    Rekha Patra: রেখা পাত্রের আবেদন শুনল হাইকোর্ট, বসিরহাট নির্বাচনের সব নথি সংরক্ষণের নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার বিজেপি নেত্রী রেখা পাত্রের (Rekha Patra) আবেদন শুনল কলকাতা হাইকোর্ট। বসিরহাট লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে বিরাট নির্দেশ দিয়েছে আদালত। লোকসভা ভোটের ফলাফলকে নিয়ে আগেই ইলেকশন পিটিশেন দায়ের করেছিলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ ছিল, নির্বাচন কেন্দ্রে তৃণমূল ব্যাপক ছাপ্পা এবং কারচুপি করেছে। সেই মামলার (Calcutta High Court) শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও ইভিএম, ব্যালট, সিসিটিভি, ডিভিআর এবং নির্বাচনী সমস্ত কাগজপত্র সংরক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছেন। একই ভাবে তৃণমূলের জয়ী প্রার্থী হাজি নুরুল ইসলাম এবং জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    বিজেপির চমক ছিল রেখা পাত্র (Rekha Patra)

    এই বারের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির সবচেয়ে চমকপ্রদ প্রার্থী ছিলেন সন্দেশখালির প্রতিবাদী চরিত্র রেখা পাত্র। তাঁকে বসিরহাট লোকসভায় টিকিট দিয়ে নারী নির্যাতন বিরোধী আন্দোলনকে একটি ব্যাপক মাত্রা দিয়েছিল বিজেপি। তবে ভোটের দিন এলাকায় পুলিশ ব্যাপক সন্ত্রাস চালিয়েছিল বলে অভিযোগ তুলেছেন রেখা। ফলাফলে দেখা যায় তৃণমূলের থেকে তিন লাখের বেশি ভোটে হেরেছেন তিনি। কিন্তু সন্দেশখালি বিধানসভায় বাজিমাত করেছিলেন তিনি। আবার বিজেপির তরফ থেকে কোচবিহারের পরাজিত নিশীথ প্রামাণিক, ঘাটালে পরাজিত হিরণ চট্টোপাধ্যায়, আরামবাগে পরাজিত অরূপকান্তি দিগার এবং ডায়মন্ডহারবারের পরাজিত অভিজিৎ দাস ববি প্রত্যেকে মামলা দায়ের করেছেন হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। এই কেন্দ্রগুলি মিলিয়ে নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে মোট ৫টি মামলা আদালতে করেছে বিজেপি। প্রার্থীদের প্রত্যেকের অভিযোগ ছিল, ভোটে কারচুপি হয়েছে। তৃণমূল ব্যাপক ভাবে ছাপ্পা এবং ইভিএম বদল করেছে। তাই এই কেন্দ্রগুলিতে ভোট বাতিলের দাবি বিজেপির।

    আরও পড়ুনঃ তৃণমূল নেতার রাইস মিলই রেশন দুর্নীতির আখড়া! বাজেয়াপ্ত খাদ্য দফতরের সিল যুক্ত নথি

    পাঁচ পৃথক বিচারপতির এজলাসে মামলা

    হাইকোর্টে (Calcutta High Court) বিজেপির ইলেকশন পিটিশন জমা হওয়ার পরে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম, পাঁচটি মামলা পাঁচ পৃথক বিচারপতির এজলাসে পাঠিয়েছিলেন। এর মধ্যে রেখার (Rekha Patra) মামলাটি ওঠে বিচারপতি রাওয়ের এজলাসে। এই মামলায় বুধবার সব পক্ষকে নোটিশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী ৪ সেপ্টেম্বর হল মামলার পরবর্তী শুনানি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Asansol: টিএমসিপি-র টানা জঙ্গি আন্দোলন! পদ ছাড়তে চাইছেন কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য

    Asansol: টিএমসিপি-র টানা জঙ্গি আন্দোলন! পদ ছাড়তে চাইছেন কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই সপ্তাহ ধরে আসানসোলের (Asansol) কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে (Kazi Nazrul University) জঙ্গি আন্দোলন চালাচ্ছে তৃণমূলের ছাত্র পরিষদ। আর তার জেরেই বিশ্ববিদ্যালয়ে অচলাবস্থা চলছে। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার বিষয়ে কারও কোনও হেলদোল নেই। ফলে, টিএমসিপি-র ছেলেরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। উপাচার্যকে শারীরিকভাবে হেনস্থা করেছে বলে অভিযোগ।

    পদ ছাড়তে চাইছেন উপাচার্য! (Asansol)

    সামান্য একটি ইস্যুকে সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ে (Asansol) টানা আন্দোলন চালাচ্ছে টিএমসিপি। দুসপ্তাহ হতে চলল পরিস্থিতি এখনও স্বাভাবিক হয়নি। এরইমধ্যে সোমবার পড়ুয়া এবং টিএমসিপি নেতৃত্বে উপাচার্যকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখানো হয়। শারীরিকভাবে নিগ্রহ করা হয় বলে অভিযোগ। সেই বিক্ষোভের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়েছিলেন উপাচার্য। মঙ্গলবার আর বিশ্ববিদ্যালয়ে যাননি তিনি। বাড়িতে বসেই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজকর্ম করছেন। এই অবস্থায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে আবার রাজ্যপালের কাছে পদত্যাগ করতে চেয়ে ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন। উপাচার্য বলেন, “সোমবার যে ভাবে আমাকে ঘিরে বিক্ষোভ করা হয়েছে, শারীরিক নিগ্রহ করা হয়েছে, তাতে আমি আতঙ্কিত। এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতেই ভয় পাচ্ছি। বাড়িতে বসে বিশ্ববিদ্যালযয়ের সমস্ত কাজ করছি। পদত্যাগ করতে চেয়ে রাজ্যপালের কাছে আবেদন জানিয়েছি। পাশাপাশি পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছি।”

    আরও পড়ুন: টোকিও-র পর গীতাই ছিল আশ্রয়, খেলার সঙ্গে পড়াশোনাতেও উজ্জ্বল মনু

    কেন আন্দোলন?

    তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতারা বলেন, ছাত্র ভর্তির টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (Asansol) বিভিন্ন আইনি লড়াইয়ের খাতে খরচ করা হয়েছে।  বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিল থেকে আইনি খরচ বাবদ প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা ব্যয় করা হয়েছে। ওই টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে ফেরত দিতে হবে। কখন,কোথায়, কী কারণে এই টাকা খরচ করা হয়েছে-তা শ্বেতপত্র প্রকাশ করে উপাচার্যকে জানাতে হবে। অন্যদিকে, তৃণমূল ছাত্র সংগঠনের এই আন্দোলনকে ‘বহিরাগতদের আন্দোলন’ বলে অভিহিত করে কয়েকদিন  আগে পাল্টা আন্দোলনে নেমেছিল তৃণমূলেরই শিক্ষাবন্ধু সমিতি। প্রশাসনিক ভবনের গেটের সামনে বিক্ষোভ অবস্থানে বসেছিলেন সমিতির সদস্যেরা। পরে, তাঁরা আন্দোলন তুলে নিলেও টিএমসিপি-র জঙ্গি আন্দোলন চলছেই। সোমবারে  উপাচার্যকে হেনস্থার প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয় (Kazi Nazrul University) চত্বরে অধ্যাপক এবং শিক্ষাকর্মীরা কালো ব্যাজ পরেছিলেন। কবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন পড়ুয়ারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share