Tag: TMCP

TMCP

  • Jadavpur University Chaos: ‘‘আরজি করের মতো যাদবপুরে আধা সেনা মোতায়েন হোক’’, রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ দাবি শুভেন্দুর

    Jadavpur University Chaos: ‘‘আরজি করের মতো যাদবপুরে আধা সেনা মোতায়েন হোক’’, রাজ্যপালের হস্তক্ষেপ দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jadavpur University Chaos) তৃণমূল কংগ্রেসের শিক্ষক সংগঠন ওয়েবকুপা-র অনুষ্ঠান ঘিরে ধুন্ধুমার শিক্ষাঙ্গন। পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে ভয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকতে পারছেন না ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য। এই আবহে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে সমস্ত রাজনৈতিক কর্মসূচি বন্ধ রাখা উচিত বলে মন্তব্য করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এজন্য রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে তৎপর হতে অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

    পঠনপাঠন কার্যত লাটে

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jadavpur University Chaos) শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর আগমনের জেরে নতুন করে ছড়িয়েছে উত্তেজনা। যার জেরে কার্যত লাটে উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের পঠনপাঠন ও গবেষণা। ফের একবার বিক্ষোভ আর স্লোগানে মুখর হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাস। এ প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘অবিলম্বে রাজ্যপালের উচিত আরজি করের মতো যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে সেখানে পঠনপাঠন, গবেষণা ও শিক্ষা সংক্রান্ত কাজ ছাড়া অন্য কাজ বন্ধ করে দেওয়া। অবিলম্বে ছাত্র সংসদেও তালা লাগানো উচিত, ওয়েবকুপার অফিসেও তালা লাগানো উচিত। ব্রাত্য বসুর অফিসেও তালা লাগানো উচিত আর তথাকথিত সেকু-মাকুদের দফতরেও তালা লাগানো উচিত। যাদবপুরে মাওবাদীদের যে ছাত্র সংগঠন রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।’’

    দায়ী সরকার, বিজেপি শক্ত হাতে মোকাবিলা করবে

    যাদবপুরে বিশৃঙ্খল (Jadavpur University Chaos) পরিস্থিতির জন্য তণমূল সরকারকে দায়ী করলেও শিক্ষাক্ষেত্রে যে অরাজক পরিস্থিতি কখনওই কাম্য নয়, তা জানায় বিজেপি। রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যেরও বক্তব্য, “শিঙ্গাঙ্গনের এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী সরকার। কিন্তু অধ্যাপক, শিক্ষামন্ত্রীকে নিগ্রহ, বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে অগ্নি-সংযোগ, এই রাজনীতি আমরা সমর্থন করি না।” বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) হুঙ্কার, ‘‘বাংলার মানুষ শুধু আমাদের পুলিশটা হাতে তুলে দিক। সেকু-মাকু, ওই দু’টোকেই উপড়ে ফেলে দেব! এক ঘণ্টা লাগবে!’’ শিক্ষাক্ষেত্রে শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতির দাবি জানিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের চার নম্বর গেটের সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপির ছাত্র সংগঠন এবিভিপি। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে নকশাল মুক্ত করার দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে তারা। এবিভিপির সমর্থকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকার চেষ্টা করলে তাদের সঙ্গে ছাত্রদের সংঘর্ষ বেঁধে যায়। বিজেপি রাজ্য় সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন,‘‘বিজেপি সরকারে আসবে ছাব্বিশে। তারপরে এরা আর বেঁচে থাকবে না।’’ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দুর কথায়, ‘‘আলিগড় মুসলিম ইউনিভার্সিটি সোজা হয়ে গেছে। জেএনইউ অনেকটা সোজা হয়ে গেছে। এটা করতেও বেশিক্ষণ লাগবে না। যোগীজি, হিমন্ত বিশ্বশর্মার ফরমুলাতে এক ঘণ্টা লাগবে এদের সোজা করতে।’’

  • Medinipur Medical College Hospital: মেদিনীপুর মেডিক্যালে তৃণমূল নেতার দাদাগিরি, কী করেন জানেন?

    Medinipur Medical College Hospital: মেদিনীপুর মেডিক্যালে তৃণমূল নেতার দাদাগিরি, কী করেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ডের রেশ এখনও মেলায়নি। এই আবহে এবার খবরে চলে এল মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল (Medinipur Medical College Hospital)। এখানে কাঠগড়ায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (Trinamool Chatra Parishad) এক নেতা। নাম মোস্তাফিজুর রহমান মল্লিক। ঘটনাচক্রে তিনি আবার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের এই নেতার অত্যাচারে অতিষ্ঠ জুনিয়র ডাক্তাররা বৃহস্পতিবার করলেন অবস্থান বিক্ষোভ। এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন চিকিৎসক মহম্মদ সিবি।

    কী বলছেন প্রতিবাদীরা? (Medinipur Medical College Hospital)

    তিনি জানান, তিন বছর আগে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকেই গ্র্যাজুয়েশন করেছেন মোস্তাফিজুর। পড়াশোনা শেষ হয়ে গেলেও, হস্টেল ছাড়েননি। সিবি বলেন, “তিনি (মোস্তাফিজুর) প্রতিনিয়ত আমাদের হ্যারাস করেন। হস্টেল থেকে জুনিয়র ডাক্তারদের বের করে দেওয়ার হুমকিও দেন। আমরা যখন বলি, যে তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করব, তিনি বলেন স্বাস্থ্য দফতরে অভিযোগ করলেও, তাঁর কিছু হবে না।” এই জুনিয়র ডাক্তারের অভিযোগ, জুনিয়র ডাক্তারদের রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট দেওয়া হবে না বলেও হুমকি দেন মোস্তাফিজুর।

    মোস্তাফিজুর গুণাবলী

    তৃণমূলের এই নেতার বিরাট ক্ষমতা বলেও জানান আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা। মহম্মদ সিবি বলেন (Medinipur Medical College Hospital), “এই তৃণমূল নেতা সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করেন। ফেল করা স্টুডেন্টদের সিটিং অ্যারেঞ্জমেন্ট করা থেকে শুরু করে যাবতীয় কিছু।” মোস্তাফিজুরের বিরুদ্ধে তোলা আদায়েরও অভিযোগ উঠেছে। মহম্মদ সিবি বলেন, “মোস্তাফিজুর প্রত্যেক জুনিয়র ডাক্তারের কাছ থেকে ২০০০ টাকা করে নেন। জোর করে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের খাতায় নাম লিখিয়ে নেন।” তিনি বলেন, “একটা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এই কলেজ হাসপাতালে তাঁরা সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করেন।”

    আরও পড়ুন: সায়ন লাহিড়িকে মুক্তির নির্দেশ দিল হাইকোর্ট, স্বাগত জানালেন শুভেন্দু

    শ্রেয়া মণ্ডল নামে আর এক জুনিয়র ডাক্তার বলেন, “প্রথম যেদিন আমরা এই কলেজে ভর্তি হয়েছিলাম, শিক্ষকরা ক্লাস ছেড়ে চলে গেলেন। এই ইউনিট এসে দরজা বন্ধ করে দিল। মুস্তাফিজুরের রাস্কেলরা এসে আমাদের র‍্যাগ করে।” মেয়েদের আইটেম সং নাচতেও বাধ্য করা হত বলেও অভিযোগ। তৃণমূলের (Trinamool Chatra Parishad) ওই নেতাকে অবিলম্বে হস্টেল থেকে বের করে দেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন প্রতিবাদী জুনিয়র ডাক্তাররা (Medinipur Medical College Hospital)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Asansol: টিএমসিপি-র জঙ্গি আন্দোলনে পদত্যাগ করলেন কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য!

    Asansol: টিএমসিপি-র জঙ্গি আন্দোলনে পদত্যাগ করলেন কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের ছাত্র সংগঠনের জঙ্গি আন্দোলনের জের। কার্যত বাধ্য হয়ে পদত্যাগ করলেন আসানসোলের (Asansol) কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার ইমেল মারফত আচার্য তথা রাজ্যপালকে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রের খবর, পদত্যাগপত্র গ্রহণও করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। আর তৃণমূল সরকার পরিচালিত এই রাজ্যে আর চাকরি করতে চান না তিনি। শুধু বিশ্ববিদ্যালয় নয়, রাজ্য ছেড়েই তিনি চলে যাচ্ছেন।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Asansol)

    বেশ কিছু দিন ধরেই তৃণমূলের ছাত্র সংগঠন টিএমসিপি পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে (Asansol) কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। তৃণমূল ছাত্র পরিষদ-এর অভিযোগ, ছাত্র ভর্তির টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আইনি লড়াইয়ের খাতে খরচ করা হয়েছে। ব্যয় হওয়া প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা কখন, কোথায়, কী কারণে খরচ করা হয়েছে, তা শ্বেতপত্র প্রকাশ করে উপাচার্যকে জানাতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে ওই টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি জানানো হয়। টিএমসিপির জঙ্গি আন্দোলন এমন জায়গায় পৌঁছয় যে, কয়েক সপ্তাহ ধরে বাড়িতে বসেই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ করছিলেন উপাচার্য দেবাশিসবাবু। এ নিয়ে তিনি চিঠি দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্যপালকে। গত ১৬ অগাস্ট প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে এক বার বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছিলেন উপাচার্য। কিন্তু, ফের আন্দোলনের মুখে পড়েন। দেবাশিসবাবুর অভিযোগ, “বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকতেই সেদিন কয়েক জন বহিরাগত ঢুকে শাসিয়েছিল, আরজি কর বানিয়ে দেব!” ওই বিষয়ে নিয়ে থানায় অভিযোগও করেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু, পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পদত্যাগ প্রসঙ্গে টিএমসিপি-র পশ্চিম বর্ধমানের জেলা সভাপতি অভিনব মুখোপাধ্যায় বলেন, “উনি ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন। ইস্তফাপত্র গৃহীতও হয়ে গিয়েছে। কিন্তু আমরা মনে করি, লক্ষ লক্ষ টাকা তছরুপ হয়েছে তাঁর আমলে। সেই হিসেব না দিয়ে আন্দোলন এড়াতে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে চলে গেলেন!”

    আরও পড়ুন: ব্র্যান্ড ভ্যালু হারানোর ভয়! মিছিলে নেই, মেয়ের সঙ্গে মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদ সৌরভের

    কী বললেন পদত্যাগী উপাচার্য?

    দেবাশিসবাবু বলেন, “আন্দোলনের জেরে বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে কাজ করতে পারছিলাম না। ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ করতে হচ্ছিল। তাই ইস্তফাই দিলাম। রাজ্যপাল পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন।” এই রাজ্যে আর থাকতে চান না বলে জানান পদত্যাগী উপাচার্য। তিনি বলেন, “ভিনরাজ্যে একটি ‘ভালো অফার’ পেয়েছি। সেখানে চলে যাব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Asansol: টিএমসিপি-র টানা জঙ্গি আন্দোলন! পদ ছাড়তে চাইছেন কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য

    Asansol: টিএমসিপি-র টানা জঙ্গি আন্দোলন! পদ ছাড়তে চাইছেন কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই সপ্তাহ ধরে আসানসোলের (Asansol) কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে (Kazi Nazrul University) জঙ্গি আন্দোলন চালাচ্ছে তৃণমূলের ছাত্র পরিষদ। আর তার জেরেই বিশ্ববিদ্যালয়ে অচলাবস্থা চলছে। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার বিষয়ে কারও কোনও হেলদোল নেই। ফলে, টিএমসিপি-র ছেলেরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। উপাচার্যকে শারীরিকভাবে হেনস্থা করেছে বলে অভিযোগ।

    পদ ছাড়তে চাইছেন উপাচার্য! (Asansol)

    সামান্য একটি ইস্যুকে সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ে (Asansol) টানা আন্দোলন চালাচ্ছে টিএমসিপি। দুসপ্তাহ হতে চলল পরিস্থিতি এখনও স্বাভাবিক হয়নি। এরইমধ্যে সোমবার পড়ুয়া এবং টিএমসিপি নেতৃত্বে উপাচার্যকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখানো হয়। শারীরিকভাবে নিগ্রহ করা হয় বলে অভিযোগ। সেই বিক্ষোভের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়েছিলেন উপাচার্য। মঙ্গলবার আর বিশ্ববিদ্যালয়ে যাননি তিনি। বাড়িতে বসেই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজকর্ম করছেন। এই অবস্থায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে আবার রাজ্যপালের কাছে পদত্যাগ করতে চেয়ে ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন। উপাচার্য বলেন, “সোমবার যে ভাবে আমাকে ঘিরে বিক্ষোভ করা হয়েছে, শারীরিক নিগ্রহ করা হয়েছে, তাতে আমি আতঙ্কিত। এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতেই ভয় পাচ্ছি। বাড়িতে বসে বিশ্ববিদ্যালযয়ের সমস্ত কাজ করছি। পদত্যাগ করতে চেয়ে রাজ্যপালের কাছে আবেদন জানিয়েছি। পাশাপাশি পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছি।”

    আরও পড়ুন: টোকিও-র পর গীতাই ছিল আশ্রয়, খেলার সঙ্গে পড়াশোনাতেও উজ্জ্বল মনু

    কেন আন্দোলন?

    তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতারা বলেন, ছাত্র ভর্তির টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (Asansol) বিভিন্ন আইনি লড়াইয়ের খাতে খরচ করা হয়েছে।  বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিল থেকে আইনি খরচ বাবদ প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা ব্যয় করা হয়েছে। ওই টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে ফেরত দিতে হবে। কখন,কোথায়, কী কারণে এই টাকা খরচ করা হয়েছে-তা শ্বেতপত্র প্রকাশ করে উপাচার্যকে জানাতে হবে। অন্যদিকে, তৃণমূল ছাত্র সংগঠনের এই আন্দোলনকে ‘বহিরাগতদের আন্দোলন’ বলে অভিহিত করে কয়েকদিন  আগে পাল্টা আন্দোলনে নেমেছিল তৃণমূলেরই শিক্ষাবন্ধু সমিতি। প্রশাসনিক ভবনের গেটের সামনে বিক্ষোভ অবস্থানে বসেছিলেন সমিতির সদস্যেরা। পরে, তাঁরা আন্দোলন তুলে নিলেও টিএমসিপি-র জঙ্গি আন্দোলন চলছেই। সোমবারে  উপাচার্যকে হেনস্থার প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয় (Kazi Nazrul University) চত্বরে অধ্যাপক এবং শিক্ষাকর্মীরা কালো ব্যাজ পরেছিলেন। কবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন পড়ুয়ারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: কলেজের মধ্যে পিস্তল হাতে তৃণমূল ছাত্র নেতা! ভিডিও ভাইরাল হতেই শোরগোল

    Nadia: কলেজের মধ্যে পিস্তল হাতে তৃণমূল ছাত্র নেতা! ভিডিও ভাইরাল হতেই শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পিস্তল হাতে কলেজ ইউনিয়ন রুমের মধ্যে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) সভাপতি! ভিডিও ভাইরাল হতেই অস্বস্তিতে শাসক দল। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগরের একটি কলেজে। এই ঘটনা জানাজানি হতে জেলাজুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তৃণমূল ছাত্র নেতার এই আচরণে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। সরব হয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।

    ভাইরাল ভিডিওতে কী দেখা যাচ্ছে? (Nadia)

    ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, কৃষ্ণনগরের (Nadia) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় কলেজ ইউনিয়নের একটি ঘরের মধ্যে বেশ কয়েকজন তৃণমূল ছাত্র নেতা-কর্মী বসে রয়েছেন। এরমধ্যে একজনের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। তিনি কৃষ্ণনগর শহর তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি ইমরান শেখ। আর ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। যদিও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। তৃণমূলের কৃষ্ণনগর শহর ছাত্র পরিষদের সভাপতি ইমরান শেখ বলেন, “যে ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সেই ভিডিওতে আমি নেই। বোঝাই যাচ্ছে এটা পুরোটাই বিরোধীরা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে। যে বা যারা এই ভিডিওটি ভাইরাল করে আমার নামে দোষারোপ করার চেষ্টা করছে, আমি তাদের বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেব।”

    আরও পড়ুন: পাহাড়ি লবণ বিক্রি করেই কোটিপতি! ব্যবসায় নতুন দিশা দেখাচ্ছেন তিন বন্ধু

    আইনত ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি

    এই প্রসঙ্গে নদিয়া (Nadia) জেলা উত্তরের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি সম্রাট পাল বলেন, “ভিডিওতে যাকে দেখা যাচ্ছে সেটা আমাদের শহর সভাপতি ইমরান শেখ নয়। তাছাড়া, প্রথমে জানতে হবে, পিস্তলটি আসল কি না। এখন ফ্লিপকার্টেও এই ধরনের খেলনা পিস্তল পাওয়া যাচ্ছে। এটা পুরোটাই বিজেপির চক্রান্ত। আর যিনি এই ভিডিওটি ছেড়েছেন তিনি বিজেপি নেতা রাজশ্রী লাহিড়ী। তিনি প্রমাণ করুন,এই পিস্তলটি আসল। আমরা আইনজীবীর সঙ্গে ইতিমধ্যেই কথা বলেছি। বিষয়টি নিয়ে আমরা আইনত ব্যবস্থা নেব।” ভাইরাল ভিডিওতে কী রয়েছে দেখে নিন।

    <

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বিজেপি নেতা সন্দীপ মজুমদার। তিনি বলেন, “এটা তৃণমূলের কালচার। এখানে যা কিছু হয় দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুপ্রেরণায় হয়। যে ছাত্রের হাতে খাতা কলম থাকার কথা, সেই ছাত্রের হাতে রয়েছে পিস্তল। সেই কারণেই সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকদের বলব, আপনারা তৃণমূল (TMCP) থেকে নিজের ছেলে-মেয়েকে সরিয়ে আনুন। এরা আপনার ছেলে-মেয়েদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দেবে। অবিলম্বে এই ঘটনার সিবিআই তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: তোলা না দেওয়ায় মাছ ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে গুলি! অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্র নেতা, হাড়হিম করা ভিডিও ভাইরাল

    Nadia: তোলা না দেওয়ায় মাছ ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে গুলি! অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্র নেতা, হাড়হিম করা ভিডিও ভাইরাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাছের ব্যবসায়ী তোলা না দেওয়ায় প্রকাশ্যে গুলি চালানোর ঘটনায় তীব্র শোরগোল পড়েছে নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণনগরে। এই হাড়হিম করা ভিডিও সামজিক মাধ্যমে ইতিমধ্যে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মাছ বিক্রেতাকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করা হচ্ছে। একই সঙ্গে আবার পিস্তল উঁচু করে দাঁড়িয়ে রয়েছে আরও এক ব্যক্তি। ওঁই ব্যবসায়ীর পায়ে একটি গুলি লেগেছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনায় মূল অভিযুক্ত শহরের তৃণমূল ছাত্রপরিষদের সভাপতি। বিজেপির অভিযোগ এই রাজ্যে তৃণমূল মস্তানতন্ত্র চলছে। এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। 

    চার রাউন্ড গুলি করে দুষ্কৃতীরা (Nadia)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার ভোররাতে এক মাছ ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে চার রাউন্ড গুলি চালানো হয়। গুলিবিদ্ধ মাছ ব্যবসায়ী ভর্তি হাসপাতালে। ঘটনাটি ঘটেছে কৃষ্ণনগর (Nadia) কোতোয়ালি থানার গোয়ারী বাজারে। নগেন্দ্রনগর এলাকার বাসিন্দা সমির ঘোষ এবং বিশ্বনাথ ঘোষ নামে দুই ভাই মাছ ব্যবসা করেন। প্রতিদিন তাঁরা কৃষ্ণনগর গোয়ারা বাজার থেকে মাছ কিনে পাত্র বাজারে বিক্রি করেন। প্রতিদিনের মতো আজ ভোররাতেও তাঁরা গোয়ারি বাজারে মাছ কিনতে যান। অভিযোগ উঠে, হঠাৎ ওই এলাকার কিছু নামজাদা তৃণমূল দুষ্কৃতী তাঁদেরকে আচমকা ঘিরে ধরে এবং টাকা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকার করায় হঠাৎ একটি পিস্তল বের করে ওই দুই মাছ ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে গুলি চালাতে থাকে। প্রথমে একটি গুলি বিশ্বনাথ ঘোষের পায়ে লাগে। বিশ্বনাথকে বাঁচাতে গেলে সমীর ঘোষকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। কিন্তু গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। অন্যদিকে বিশ্বনাথ ঘোষের পায়ে গুলি লাগার কারণে মাটিতে পড়ে যান। এরপরেই বন্দুক দিয়ে মাথায় আঘাত করে দুষ্কৃতীরা। এরপর চিৎকার চেঁচামেচি এবং গুলির আওয়াজে, ওই বাজারের অন্যান্য মাছ ব্যবসায়ীরা ঘটনাস্থলে ছুটে এলে ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। এরপরেই রক্তাক্ত অবস্থায় বিশ্বনাথ ঘোষকে উদ্ধার করে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অন্যদিকে ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার পুলিশ। পাশাপাশি হাসপাতালে গিয়ে ওই দুই মাছ ব্যবসায়ীর সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলে পুলিশ এবং ঘটনার বিবরণ শোনেন। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও অভিযুক্ত আটক কিংবা গ্রেফতার হয়নি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    অভিযুক্ত ২৩ নম্বর ওয়ড়াক্ট প্রাক্তন তৃণমূল সভাপতি

    এ বিষয়ে বিশ্বনাথ ঘোষ বলেন, “আমাদের অভিযুক্তদের সঙ্গে পুরনো কোনও শত্রুতা নেই। তবে যারা গুলি চালিয়েছে তারা ওই এলাকার সমাজবিরোধী হিসেব কাজ করে বেড়ায়। ওরা টাকা চেয়েছিল আমি দিতে অস্বীকার করাতেই এই আক্রমণ করেছে। আমার এবং ভাইয়ের কাছ থেকে ওরা প্রায় ৪০ হাজার নগদ টাকা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নিয়েছে। আমরা চাই অবিলম্বে প্রশাসন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে আইনত ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।” আবার বিশ্বনাথের ভাই সমির ঘোষ বলেছেন, “সৈকত হালদার ওরফে ডাকু এই ভাবে গুলি করেছে। এলাকার মার্কামারা দুষ্কৃতী। মাত্র দুইদিন আগেই জেল থেকে ফিরছে। মদ খাওয়ার জন্য টাকা চাইছিল ওরা, কিন্তু না দেওয়ায় গুলি করে। এলাকায় তৃণমূল নেতা ডাকু, এক সময় শহরের (Nadia) তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি (TMC) ছিলেন।”

    বিজেপির বক্তব্য

    এই গুলিকাণ্ডের ঘটনায় বিজেপির তরফ থেকে তৃণমূল (TMC) সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ হয়েছে। বিজেপি নেতা রাহুল সিন্‌হা বলেছেন, “এই রাজ্যে তৃণমূলের আমলে মস্তানতন্ত্র (Nadia) চলছে। সারা রাজ্যে একই বিষয় চলছে।”

    আরও পড়ুনঃ বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যকে কোমরে পিস্তল ঠেকিয়ে তৃণমূল পার্টি অফিসে মারধর!

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তৃণমূলের (TMC ) পক্ষ থেকে রাজ্যের মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেছেন, “মানুষ আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। আমরা বিষয়টি দেখছি। এলাকায় (Nadia) ঘটনা একদম সহ্য করা যাবে না। প্রশাসনকে বলব উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: নোয়াপাড়ায় তৃণমূল ছাত্রনেতার হাতে সেভেন এমএম পিস্তল! সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল ছবি

    Barrackpore: নোয়াপাড়ায় তৃণমূল ছাত্রনেতার হাতে সেভেন এমএম পিস্তল! সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাটপাড়ার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) নেতা শুভাশিস চক্রবর্তীর পিস্তল হাতে ছবি সামজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। যদিও এই ভিডিওর সত্যতা মাধ্যম যাচাই করেনি। কিন্তু কীভাবে হাতে এলো এই দেশি অস্ত্র? কোন প্রভাবশালী নেতা এই যুবকের পিছনে রয়েছেন? পুলিশ কেন গ্রেফতার করেনি? একাধিক প্রশ্ন উঠছে। ফলে বারাকপুরের (Barrackpore) রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে তীব্র চাপানউতোর তৈরি হয়েছে।

    অস্ত্র হাতে চোখেমুখে উল্লাস (Barrackpore)!

    সামজিক মাধ্যমে যে ছবিটি ভাইরাল হয়েছে দেখা যাচ্ছে, নোয়াপাড়া (Barrackpore) বিধানসভার প্রাক্তন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) কনভেনার শুভাশিস চক্রবর্তী হাতে একটি দেশি সেভেন এমএম আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। এই অস্ত্র হাতে নিয়ে চোখে মুখে ব্যাপক উল্লাসের চিত্র ধরা পড়েছে তাঁর। একই ভাবে তৃণমূল সাংসদ পার্থ ভৌমিক সহ একাধিক তৃণমূল নেতা এবং তৃণমূল ছাত্রপরিষদের নেতার সঙ্গে তাঁর ছবিও বিনিময় করতে দেখা গিয়েছে। আর এই ঘটনা সামনে আসতেই অস্বস্তিতে পড়েছে স্থানীয় তৃণমূল দল।

    তৃণমূল করলেই অস্ত্র নেওয়ার ছাড়!

    এই বিষয় নিয়ে জেলা (Barrackpore) বিজেপি নেতৃত্বের দাবি তৃণমূল ছাত্র পরিষদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র থাকবে এটাই তো স্বাভাবিক। আবার প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং বলেছেন, “তৃণমূল করলেই অস্ত্র নেওয়ার ছাড় রয়েছে। তৃণমূলকে পুলিশ সব রকম বেআইনি কাজের অনুমোদন দিয়ে রেখেছে। এই রাজ্যে স্কুল কলেজে পড়াশুনা হয় না। এই রাজ্যে আইনের শাসন নেই বললেই চলে। স্কুলে ১০০০ কোটি টাকার মিড ডে মিল কেলেঙ্কারি হয়েছে। দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য চলছে।”

    আরও পড়ুনঃ জামাল অট্টালিকায় থাকলেও মায়ের স্থান কুঁড়ে ঘরেই! অভিযুক্তের বিরুদ্ধে খুনের মামলাও

    তৃণমূলের বক্তব্য সামজিক অবক্ষয়

    অপরদিকে ভাটপাড়া (Barrackpore) শহরের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি দেবজ্যোতি ঘোষ বলেছেন, “যদি কোনও দুষ্কৃতী হাতে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে থাকে তার দায় তৃণমূল কংগ্রেস নেবেনা। আইন আইনের পথে চলবে। প্রশাসনকে কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলব। সবটাই সামাজিক অবক্ষয়ের চিত্র মাত্র।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Asansol: আসানসোলে কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে তাল ঠুকছে তৃণমূলের দুই সংগঠন, ভর্তি শিকেয়

    Asansol: আসানসোলে কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে তাল ঠুকছে তৃণমূলের দুই সংগঠন, ভর্তি শিকেয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসানসোলে (Asansol) কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে তুঙ্গে উঠেছে তৃণমূলের ছাত্র সংগঠন বনাম তৃণমূলের শিক্ষাবন্ধু সমিতির দ্বন্দ্ব। প্রশাসনিক ভবনে অচলাবস্থা তৈরি করেছে ছাত্র সংগঠন। গত সাতদিন ধরে উপাচার্য এবং রেজিস্ট্রারের দফতরে তালা দিয়ে আন্দোলন চালাচ্ছে তৃণমূল ছাত্রপরিষদ। পাল্টা আন্দোলন করছে তৃণমূলের শিক্ষাবন্ধু সমিতি। তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    তৃণমূলের আন্দোলনে ব্যাহত ভর্তি প্রক্রিয়া (Asansol)

    বিশ্ববিদ্যালয়ে (Asansol) তৃণমূলের (Trinamool Congress) দুই সংগঠনের আন্দোলনের জেরে মঙ্গলবার থমকে গেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ভর্তি প্রক্রিয়া। যদিও ভর্তি হতে আসা ছাত্রছাত্রী এবং অভিভাবকদের একাংশ প্রশাসনিক ভবনে টিএমসিপি-র লাগানো তালা ভেঙে দেন। তাঁরা কী করবেন বুঝতে পারছেন না। দূর থেকে আসা এক অভিভাবকের বলেন, ভর্তি কবে হবে বুঝতে পারছি না। চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছি। অভিভাবকদের দাবি, অবিলম্বে ভর্তির ব্যবস্থা করতে হবে। কড়া হাতে আন্দোলন দমন করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার যাঁরা ভর্তি হতে পারেননি, তাঁদের জন্য অনলাইনের ব্যবস্থা করা হবে।

    তৃণমূলের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে

    তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতারা বলেন, ছাত্র ভর্তির টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (Asansol) বিভিন্ন আইনি লড়াইয়ের খাতে খরচ করা হয়েছে।  বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিল থেকে আইনি খরচ বাবদ প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা ব্যয় করাহয়েছে। ওই টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে ফেরত দিতে হবে।  কখন,কোথায়, কী কারণে এই টাকা খরচ করা হয়েছে- তা শ্বেতপত্র প্রকাশ করে উপাচার্যকে জানাতে হবে। অন্যদিকে, তৃণমূল ছাত্র সংগঠনের এই আন্দোলনকে ‘বহিরাগতদের আন্দোলন’ বলে অভিহিত করে পাল্টা আন্দোলনে নামে তৃণমূলেরই শিক্ষাবন্ধু সমিতি। প্রশাসনিক ভবনের গেটের সামনে বিক্ষোভ অবস্থানে বসেন সমিতির সদস্যেরা। সারা বাংলা শিক্ষাবন্ধু সমিতির যুগ্ম সম্পাদক দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “অনৈতিক দাবি নিয়ে কিছু বহিরাগত ছাত্রছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্বস্তিকর পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন। ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করতে বিশ্ববিদ্যালয়কে কালিমালিপ্ত করতে দেব না।”  পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি অভিনব মুখোপাধ্যায় বলেন, “আসানসোলের যাঁরা ভালো চান, ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থে তাঁদের এই আন্দোলন চলছে। আর দল ঠিক করবে কারা প্রকৃত তৃণমূল (Trinamool Congress)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Malda: গৌড়বঙ্গে ফেল করা পড়ুয়াদের পাশ করানোর দাবি জানিয়ে আন্দোলনে টিএমসিপি

    Malda: গৌড়বঙ্গে ফেল করা পড়ুয়াদের পাশ করানোর দাবি জানিয়ে আন্দোলনে টিএমসিপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফেল করা পড়ুয়াদের নিয়ে আন্দোলনে নামল তৃণমূল ছাত্র পরিষদ (টিএমসিপি)। মালদার (Malda) গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। টিএমসিপির আন্দোলন নিয়ে রীতিমতো হাসাহাসি শুরু হয়েছে। আন্দোলনের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।

    ৯৭ শতাংশ পড়ুয়া ফেল (Malda)

    গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে (Malda) প্রথম সেমেস্টারের ফলাফলে ডাহা ফেল ৯৭ শতাংশ পড়ুয়া। মাত্র তিন শতাংশ পড়ুয়া পাশ করেছেন মূল বিষয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার ফলাফল দেখে কার্যত চক্ষু চড়কগাছ সকলের। যদিও, মূল বিষয়ে তারা ফেল করলেও বাকি দু’টি প্রধান বিষয়ে যে কোন একটিতে উত্তীর্ণ হওয়ায় তাঁরা দ্বিতীয় সেমেস্টারে চলে গিয়েছে। এক পরীক্ষার্থী বলেন, আমরা পরীক্ষা ভালো দিয়েছিলাম। তারপরও আমাদের ফেল করিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা তা মেনে নেব না। আমাদের পাশ করিয়ে দেওয়া হোক। কলেজের প্রথম সেমেস্টারের অধিকাংশ পড়ুয়া ফেল করায় তাঁরা শাসক দলের ছাত্র সংগঠনের দ্বারস্থ হয়েছেন। ফলাফল মনঃপূত না হওয়ায় পাশ করানো সহ একাধিক দাবি নিয়ে আন্দোলনে নামে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ বিভিন্ন কলেজের ছাত্রছাত্রীরা। ক্যাম্পাস জুড়ে মিছিল করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হয় একটি ডেপুটেশন। ডেপুটেশন এবং আন্দোলন কর্মসূচির নেতৃত্ব দেয় মালদা জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদ (TMCP)। তবে, এই আন্দোলনের পর ফেল করা পড়ুয়াদের ক্ষেত্রে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে তা নিয়ে মুখ খুলতে চায়নি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

    আরও পড়ুন: রায়গঞ্জে বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে সুকান্ত-শুভেন্দুর মিছিলে পড়ল ডিম, অভিযুক্ত তৃণমূল

    টিএমসিপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) সভাপতি প্রসূন রায় বলেন, ন্যাশনাল এডুকেশন পলিসি চালু হওয়ার পর মেজর বিষয়ে ৯৭ শতাংশ ফেল করেছে। একসঙ্গে এত ছাত্রছাত্রী ফেল করতে পারে না। কিছু একটি সমস্যা হয়েছে। ফেল করা পড়ুয়াদের পাশে সবসময় টিএমসিপি আছে। তাই, ওদের নিয়ে রাস্তায় নেমে আমরা আন্দোলনও করেছি। আমাদের দাবি, ওদের পাশ করিয়ে দিতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Vidyasagar University: টিএমসিপি-র কোন্দল! মঞ্চে উঠতেই পারলেন না ইমন! ছাত্রীদের শ্লীলতাহানি

    Vidyasagar University: টিএমসিপি-র কোন্দল! মঞ্চে উঠতেই পারলেন না ইমন! ছাত্রীদের শ্লীলতাহানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুপুর থেকেই চলছিল বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Vidyasagar University) নবীন বরণ অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠান চলকালীন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে গন্ডগোল বাধে। এমনকী বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরের মধ্যেই বহিরাগতরা এসে ছাত্রীদের শ্লীলতাহানি করে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়।

    টিএমসিপি-র দুই গোষ্ঠীর গন্ডগোলে মঞ্চে উঠতে পারলেন না ইমন (Vidyasagar University)

    জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা নাগাদ মঞ্চে ওঠেন সঙ্গীত শিল্পী অনিন্দিতা চন্দ। তাঁর অনুষ্ঠান চলাকালীনই রাত সাড়ে আটটা নাগাদ তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে তুমুল গন্ডগোল শুরু হয়। অনুষ্ঠান চলার সময় বেশ কয়েকজন বহিরাগত এসে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সঙ্গে প্রথমে বচসায় জড়ায়। পরে, মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। কোনওমতে অনুষ্ঠান শেষ করে রাত ৯-টা নাগাদ মঞ্চ থেকে নেমে যান তিনি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস ধরেই বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদ চলছে। যা চরমে পৌঁছয় বৃহস্পতিবার রাতে অনুষ্ঠান চলাকালীন। দু’পক্ষের মধ্যে বাক- বিতণ্ডা, ধস্তাধস্তি থেকে মারামারি হয়। প্রকাশ্যে ছাত্রীদের শ্লীলতাহানি করা হয়। বহিরাগতদের হামলার জেরে আহত হয়ে বেশ কয়েকজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের এই গন্ডগোলের জেরে অনুষ্ঠানের মূল শিল্পী ইমন সেন গ্রিন রুমে পৌঁছে গিয়েও মঞ্চে উঠতে পারেননি। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের ওপর বহিরাগত ছাত্রদের হামলার প্রতিবাদে মাঝপথেই বন্ধ করে দিতে হয় অনুষ্ঠান। গোষ্ঠী-সংঘর্ষে আহত পড়ুয়াদের মধ্যে দুই ছাত্রী সহ ৪ জনকে রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ ভর্তি করা হয় মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।

    আরও পড়ুন: বিজেপির ওপর আস্থায় গোঁসা, শহরের বরাদ্দ বন্ধ করলেন উদয়ন!

    বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপত্তা বলে কিছু নেই!

    নবীন বরণ অনুষ্ঠান আয়োজনের দায়িত্বে থাকা চতুর্থ সেমেস্টারের ছাত্র আকাশ মণ্ডল বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন নিরাপত্তা বলে কিছু নেই! আমি একটি হস্টেল ইউনিটের প্রেসিডেন্ট। দেবার্ঘ্য বলে একজন অপর হস্টেল ইউনিটের প্রেসিডেন্ট। তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে আমাদের দু’জনকেই মার খেতে হয়। সুরজিৎ দাস নামে এক দাদা দেবার্ঘ্যকে বেধড়ক মারধর করে। এমনকী লাথিও মারে। থামাতে গিয়ে আমাকেও মার খেতে হয়। ওদের জন্য অনুষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেল! আমরা ওদের কঠোর শাস্তির দাবিতে অনড়। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের নিরাপত্তার দাবি করছি। সূত্রের খবর, বছরখানেক আগেও বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় গোষ্ঠী বিবাদ বা অশান্তি ছিল না! সম্প্রতি, কয়েক মাস হল বহিরাগত কিছু ছাত্রের নেতৃত্বে বর্তমান ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর হামলা বা নিগ্রহের ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ। হস্টেলেও হামলা চালানো হয়েছে কয়েকদিন আগে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share