Tag: TMCP

TMCP

  • Santipur: শান্তিপুর কলেজে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দাদাগিরি! রক্ত ঝরল অধ্যাপকের

    Santipur: শান্তিপুর কলেজে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দাদাগিরি! রক্ত ঝরল অধ্যাপকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলেজের মধ্যেই তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দাদাগিরি। কাজের বরাত না পাওয়ায় শুক্রবার রক্ত ঝরল অধ্যাপকের! শিক্ষাঙ্গনে চরম নিন্দনীয় ঘটনার সাক্ষী থাকল নদিয়ার শান্তিপুর (Santipur) কলেজ। আক্রান্ত অধ্যাপকের নাম রামকৃষ্ণ মণ্ডল। তিনি হামলাকারীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Santipur)

    কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে কলেজের স্টাফরুমে আক্রান্ত অধ্যাপক বসেছিলেন। এরপর কয়েকজন ছাত্র এবং সঙ্গে বহিরাগতরা এসে অধ্যাপককে বাইরে বেরিয়ে আসতে বলেন। অধ্যাপক বাইরে বের হতেই তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। মারধরের কারণে তাঁর মাথা ফেটে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এরপর তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা করা হয়। হামলাকারীরা সকলেই তৃণমূল ছাত্র পরিষদ করেন। অন্যদিকে, হামলাকারীদের বক্তব্য, “অধ্যাপক লাইব্রেরির মধ্যে এক কলেজ ছাত্রীর হাত ধরে টানেন। তাকে কুপ্রস্তাব দেন।” অধ্যাপকের শাস্তির দাবিতে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ব্যানারে হামলাকারীরা বিক্ষোভ দেখান। সঙ্গে নির্যাতিতা ছাত্রীও ছিলেন। তিনি বলেন, আমাকে অধ্যাপক হাত ধরে টেনেছেন। কুপ্রস্তাব দিয়েছেন। তাঁর আমি শাস্তি চাই। কলেজ অধ্যক্ষকে বিষয়টি লিখিতভাবে জানিয়েছি।

    আরও পড়ুন: সাতটি কেন্দ্রে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করল বিজেপি, অভিজিতের জয়ে খুশি তমলুকবাসী

    আক্রান্ত অধ্যাপক কী বললেন?

    আক্রান্ত অধ্যাপক বলেন, ছাত্রীর সঙ্গে অভব্য আচরণের যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা ভিত্তিহীন। সিসিটিভি ফুটেজ দেখলেই সব কিছু প্রমাণ হয়ে যাবে। আসলে, সম্প্রতি কলেজের পাঁচিল তৈরির জন্য কলেজ পরিচালন সমিতির সভাপতি তথা শান্তিপুরের (Santipur) বিধায়ক ব্রজকিশোর গোস্বামীর নির্দেশে আমি ওই কাজ দেখাশোনা করতাম। এরজন্য প্রায়ই আমার কাছে ছাত্রদের কয়েকজন এবং বহিরাগত কয়েকজন দুষ্কৃতী তোলা চাইত। তোলা না দিলে হুমকি দিত। একইসঙ্গে আমাকে কলেজে  কাজ চাইত। ই টেন্ডারের মাধ্যমে কলেজে সব কাজ হচ্ছে। ওরা কাজ পায়নি। তাই, আমার ওপর রাগ। এমনকী বাড়িতে গিয়েও পর্যন্ত হুমকি দিয়ে আসে। এদিনও একই দাবিতে তারা অশ্রাব্য গালিগালাজ শুরু করে কলেজের মধ্যেই। এমনকী কলেজ কর্মচারীরা প্রতিবাদ করতে গেলেও তাদের মধ্য থেকেও একজনকে মারধর করা হয়। আমাকেও ওরা মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয়।

    কলেজের অধ্যক্ষ কী বললেন?

    শান্তিপুর (Santipur) কলেজের অধ্যক্ষ শুচিস্মিতা সান্যাল বলেন, একজন অধ্যাপকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ আমি বিশ্বাস করি না। আর এদিন কোনও ঘটনাই ঘটেনি। ওই অধ্যাপক লাইব্রেরিতে যাননি। তিনি স্টাফ রুমে বসেছিলেন। কলেজ পরিচালন সমিতির সভাপতিকে এবং থানায় জানিয়েছি। পুলিশ তদন্ত করছে। এক্ষেত্রে শান্তিপুর কলেজের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দিয়ে সহযোগিতা করা হবে।

    তৃণমূল বিধায়ক কী সাফাই দিলেন?

    কলেজ পরিচালন কমিটির সভাপতি তথা বিধায়ক ব্রজ কিশোর গোস্বামী বলেন, ছাত্রদের সঙ্গে শিক্ষকের কী নিয়ে সমস্যা তা জানি না। তবে,তোলাবাজির কোনও বিষয় নয়, কারণ টেন্ডার দেখাশোনা করে অন্য একটি কমিটি। পুলিশ প্রশাসন বিষয়টি খতিয়ে দেখুক। যদি অধ্যাপক দোষী হয়ে থাকে, তাহলে তিনি শাস্তি পাবেন। আর যদি ছাত্ররা অপরাধ করে থাকে তারা শাস্তি পাবে। এক্ষেত্রে আমার আলাদাভাবে কিছু বলার নেই।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    এই ঘটনার নিন্দা জানান শান্তিপুর (Santipur) বিজেপির মণ্ডল সভাপতি অমিত বৈরাগী। তিনি বলেন, শুধুমাত্র শান্তিপুর কলেজ নয় রাজ্যের প্রতিটি কলেজে তৃণমূল এই নোংরা রাজনীতি করছে। এরা অধ্যাপক, শিক্ষক কাউকে মানে না। নিজেদের স্বার্থে আঘাত পড়লে হিংস্র পশুর মত আচরণ করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: অধ্যক্ষ বসন্ত উৎসবের টাকা টিএমসিপিকে দেওয়ায় কলেজে তীব্র বিক্ষোভ এবিভিপির

    Nadia: অধ্যক্ষ বসন্ত উৎসবের টাকা টিএমসিপিকে দেওয়ায় কলেজে তীব্র বিক্ষোভ এবিভিপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণগঞ্জের মাজদিয়া সুধীর রঞ্জন লাহিড়ী মহাবিদ্যালয়ে বসন্ত উৎসবের অনুষ্ঠানের দখল কে নেবে, এই নিয়েই আজ বিবাদ চরমে ওঠে। এভিবিপি ছাত্রদের অভিযোগ, “বসন্ত উৎসবের টাকা টিএমসিপির হাতে তুলে দিয়েছেন কলেজ অধ্যক্ষ। এটা রাজনৈতিক পক্ষপাত।” উল্লেখ্য, গত শুক্রবার এই কলেজে পতাকা লাগিয়ে ক্যাম্পাসের দখল নেয় তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। টিএমসিপি-র এই দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধেই প্রতিবাদ জানায় এভিবিপি। কলেজে পাল্টা আজ পতাকা লাগায় এভিবিপি। এরপর কলেজ ক্যাম্পাসে ব্যাপক উত্তেজনা শুরু হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ছুটে আসে পুলিশ।

    টিএমসিপি-র দুষ্কৃতী বাহিনীর দৌরাত্ম্য (Nadia)

    আজ সুধীর রঞ্জন লাহিড়ী মহাবিদ্যালয়ে (Nadia) টিএমসিপি-র দুষ্কৃতী বাহিনীর দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করল এবিভিপি। বিক্ষোভরত ছাত্রদের বোঝাতে গেলে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় প্রিন্সিপালকে। প্রিন্সিপালকে ঘিরে ছাত্র-ছাত্রীরা বিক্ষোভ দেখা যায়। অপরদিকে তৃণমূলের বহিরাগত দুষ্কৃতীরা কলেজের মধ্যে লাঠি নিয়ে প্রবেশ করলে মুহূর্তের মধ্যেই কলেজ ক্যাম্পাস উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কৃষ্ণগঞ্জ থানার পুলিশ এসে এভিবিপির আন্দোলনকারীদের সাথে আলোচনায় বসে। এরপর উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানা গিয়েছে।

    এবিভিপির বক্তব্য

    কলেজের এবিভিপি নেতা পাপন বিশ্বাস কলেজ (Nadia) অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, “অধ্যক্ষ নিজে তৃণমূলের পক্ষপাত করছেন। টিএমসিপিদের জোর করে বসন্ত উৎসব করার সুযোগ করে দিয়েছেন। তিনি এখানে কাটমানি খেতে আসেননি। আমাদের না জানিয়ে বসন্ত উৎসবের টাকা তুলে দিয়েছেন। এই বিষয় আমরা আপত্তি জানাই। আমরা এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে তীব্র ধিক্কার জানাই। কালেজে ছাত্র সংসদ নেই বলেই অধ্যক্ষ এইভাবে শাসকের পক্ষাবলম্বন করলেন। অবিলম্বে আমরা ছাত্র সংসদের নির্বাচন চাই।”

    প্রিন্সিপালের বক্তব্য

    কলজের (Nadia) প্রিন্সিপাল দীপঙ্কর ঘোষ বলেন, “আমি কলেজকে ঠিক ভাবে পরিচালনা করতে চাই। আমি কোনও রাজনৈতিক দলের পক্ষে এবং বিপক্ষে নেই। নিজেদের দলীয় পতাকা লাগানোর অধিকার সকলের রয়েছে। তবে যেহেতু কলেজে ছাত্র সংসদের নির্বাচন হয়নি, তাই এই মুহূর্ত ক্যাম্পাস সকলের। আমি উভয় পক্ষকে পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখার আবেদন জানাবো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: নন্দীগ্রাম কলেজে সরস্বতী পুজোকে ঘিরে এবিভিপি-তৃণমূলে হাতাহাতি

    Purba Medinipur: নন্দীগ্রাম কলেজে সরস্বতী পুজোকে ঘিরে এবিভিপি-তৃণমূলে হাতাহাতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) নন্দীগ্রামের কলেজে সরস্বতী পুজোকে ঘিরে উত্তাল পরিস্থিতির সৃষ্টি হল। এবিভিপি এবং তৃণমূল ছাত্র পরিষদের মধ্যে ধুন্ধুমার বাধে। উভয়পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি এবং ঝামেলায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। অবশেষে স্থানীয় থানার পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। যদিও ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।

    উত্তপ্ত সীতানন্দ কলেজ  (Purba Medinipur)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতার বিধানসভা ক্ষেত্র নন্দীগ্রামে (Purba Medinipur) সরস্বতী পুজোকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সরস্বতী পুজোকে ঘিরে শাসক দলের ছাত্র সংগঠন এবং আরএসএস-এর ছাত্র সংগঠনের মধ্যে ব্যাপক ঝামেলা বাধে। একপক্ষ অপর পক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগে সরব হয়েছে। সেই সঙ্গে চলে ব্যাপক মারামারি। কার্যত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সীতানন্দ কলেজ। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে আসে নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ।

    এবিভিপির বক্তব্য

    সূত্রে জানা গিয়েছে, নন্দীগ্রাম সীতানন্দ কলেজে (Purba Medinipur) এই বছর দুটি পুজো হয়েছে। শাসক দলের ছাত্র সংগঠন টিএমসিপি কলেজ ক্যাম্পাসের ভিতরে পুজো করে আর রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের ছাত্র সংগঠন এবিভিপি কলেজের গেটের বাইরে পুজোর আয়োজন করেছিল। গেটের বাইরে এবিভিপির বেশ কিছু পতাকা লাগানো হয়েছিল। কিন্তু এবিভিপি অভিযোগ করে বলে, তাঁদের পতাকা, ফেস্টুন তৃণমূল ছাত্র পরিষদ ছিঁড়ে দেয়। এরপর শাসক দলের ছাত্র সংগঠনের পক্ষ থেকে কর্মীদের ব্যাপক মারধর করা হয়। ঘটনায় আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন এবিভিপি কর্মী।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে বলা হয়, “ইচ্ছে করেই এবিভিপির কর্মীরা তৃণমূলের পুজোতে আক্রমণ করে। এই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক ধস্তাধস্তি এবং মারামারি হয়। ব্যাপক ভাবে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কলেজ ক্যাম্পাস।” পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় পুলিশ নামে এবং নন্দীগ্রাম (Purba Medinipur) থানায় অভিযোগ জানানো হয়।       

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • East Medinipur: ধর্ষণে অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্র নেতার সঙ্গে খুঁটিপুজোয় মন্ত্রী-পুত্র

    East Medinipur: ধর্ষণে অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্র নেতার সঙ্গে খুঁটিপুজোয় মন্ত্রী-পুত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালতের নির্দেশকে তোয়াক্কা না করেই পূর্ব মেদিনীপুরের (East Medinipur) কাঁথি শহর জুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন ধর্ষণে অভিযুক্ত তৃণমূলের এক ছাত্র নেতা। এমনকী মন্ত্রী অখিল গিরির ছেলে তথা যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুপ্রকাশ গিরির সঙ্গে সরস্বতী পুজো খুঁটি পুজোর অনুষ্ঠানে তাঁকে দেখা গিয়েছে। আর এতেই আতঙ্কিত নির্যাতিতার পরিবারের লোকজন।

    আদালতের কী নির্দেশ রয়েছে? (East Medinipur)  

    গত বছর ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল পূর্ব মেদিনীপুর (East Medinipur) কাঁথির শাসকদলের এক ছাত্র নেতা শুভদীপ গিরির বিরুদ্ধে। পকসো আইনে মামলা রুজু করেছিল কাঁথি মহিলা থানার পুলিশ। প্রথমে অভিযুক্ত অধরা থাকলেও হাই কোর্টের নির্দেশে কাঁথি মহকুমা আদালতে ওই ছাত্র নেতা আত্মসমর্পণ করেন। পরে জামিনে ছাড়া পান। তবে তাঁকে জেলার বাইরে থাকার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। আদালতের সেই নির্দেশকে অমান্য করে সোমবার কাঁথি শহরের সেন্ট্রাল বাস স্ট্যান্ড এলাকায় একটি ক্লাবের সরস্বতী পুজোর খুঁটিপুজোর অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন শুভদীপ। আর তাঁর সঙ্গে সেখানে ছিলেন কাঁথি পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান তথা যুব তৃণমূলের কাঁথি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সুপ্রকাশ গিরি। অভিযুক্ত ছাত্র নেতার মোবাইল বন্ধ থাকায় তাঁর প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

    আতঙ্কিত নির্যাতিতা পরিবারের লোকজন

    নির্যাতিতার বাবা বলেন, অভিযুক্ত যুবক বহাল তবিয়তে কাঁথিতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। শাসক দলের নেতাদের সঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা করছেন। বন্ধুদের নিয়ে বাড়িতে চড়াও হয়ে সিসি ক্যামেরা ভেঙে দিয়েছে। বিষয়টি জানানোর পরও পুলিশ কিছু করেনি। খুব আতঙ্কে রয়েছি।

    তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    ধর্ষণে অভিযুক্ত ওই ছাত্র নেতার সঙ্গে থাকা ছবি ফেসবুকেও পোস্ট করেন তৃণমূল নেতা সুপ্রকাশ। আদলতের নির্দেশকে তোয়াক্কা না করে যে এলাকায় বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তাঁকে সমর্থন করছেন? প্রশ্ন করা হলে যুব তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুপ্রকাশ গিরি বলেন,আইনি বিষয় জড়িয়ে রয়েছে। কোনও মন্তব্য করব না।

    অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি বিজেপি-র

    বিজেপির কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক চন্দ্রশেখর মণ্ডল বলেন, তৃণমূল করে বলে সাত খুন মাফ। আদালতের নির্দেশকে মানছেন না। আসলে তৃণমূলের দৌলতে গোটা রাজ্য অপরাধীদের মুক্তাঞ্চলে পরিণত হয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আদালতের নির্দেশ অমান্য করার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kamarhati: তৃণমূলের দাদাগিরি! সেমেস্টারের পরীক্ষা দিতে পারলেন না মেডিক্যাল পড়ুয়ারা

    Kamarhati: তৃণমূলের দাদাগিরি! সেমেস্টারের পরীক্ষা দিতে পারলেন না মেডিক্যাল পড়ুয়ারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কামারহাটির (Kamarhati) সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দাদাগিরি। তৃণমূলের ছাত্র নেতাদের হুমকির জেরে প্রথম বর্ষের পরীক্ষার্থীরা সেমেস্টার পরীক্ষায় বসতে পারলেন না। বলা ভালো, তৃণমূলের বাধায় সেমেস্টারের পরীক্ষা দিতে পারলেন না পড়ুয়ারা। যা নিয়ে জোর আলোড়ন তৈরি হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kamarhati)

    গত ৫ই জানুয়ারি কামারহাটির (Kamarhati) সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের প্রথম বর্ষের ছাত্রদের সেমেস্টার পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আগাম তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেই মতো পড়ুয়ারা প্রস্তুতি শুরু করেন। কিন্তু, ৩ জানুয়ারি থেকে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে ছাত্রদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পরীক্ষা দিতে না যাওয়ার জন্য ক্রমাগত হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। তাতে পরীক্ষার দিন সকালে প্রথম বর্ষের ছাত্রদের হস্টেলের ডর্মেটরিতে এসে উপস্থিত হওয়ার জন্য বলা হয়। আর এটা বাধ্যতামূলক বলে জানানো হয়। ফলে, ১২৫ জন মেডিক্যাল পড়ুয়া কেউ সেমেস্টারের পরীক্ষা দেননি।

    প্রতিবাদে বাম ছাত্র সংগঠন

    তৃণমূল ছাত্র নেতাদের এই দাদাগিরির বিরোধিতা করেছে সর্বভারতীয় গণতান্ত্রিক ছাত্র সংগঠনের (এআইডিএসও) সদস্যরা। এদিন সর্বভারতীয় গণতান্ত্রিক ছাত্র সংগঠনের সদস্য বিক্রম মণ্ডল, সায়ন দাসেরা এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে লিফলেট বিলি করেন। তাঁদের বক্তব্য, মেডিক্যাল কলেজে এই ধরনের দাদাগিরি মেনে নেওয়া যায় না।

    তৃণমূল ছাত্র নেতা কী সাফাই দিলেন?

    কামারহাটি (Kamarhati) সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সৌমিত্র প্রামাণিক বলেন, এই অভিযোগ একেবারে মিথ্যে। ছাত্ররা যদি পরীক্ষা দিতে না চান তার দায় আমাদের নয়। শুধু একটা মেসেজ এসেছিল সেটা ফরওয়ার্ড করেছি। তার মানে তো এটা নয় যে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ ওই মেসেজ করেছে। আসলে বাংলার শাসক দলের নাম বদনাম করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • New Barrackpore: দম্পতিকে বেধড়ক মার! তিনদিন পরও অধরা অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্র নেতা

    New Barrackpore: দম্পতিকে বেধড়ক মার! তিনদিন পরও অধরা অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্র নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষবরণের রাতে পারিবারিক অনুষ্ঠান শেষে বাড়ি ফিরছিলেন এক দম্পতি। তৃণমূলের ছাত্র নেতার হাত ধরে দম্পতিকে বেধড়ক পেটানো হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটেছে নিউ বারাকপুরের (New Barrackpore) সতীন সেন নগর এলাকায়। আতঙ্কিত দম্পতি সোমবার রাতে নিউ বারাকপুর থানায় ওই ছাত্র নেতা সহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। কিন্তু, ঘটনার পর তিনদিন কেটে গেলেও কেউ গ্রেফতার হয়নি। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (New Barrackpore)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আক্রান্ত দম্পতি নিউ বারাকপুর (New Barrackpore) সতীন সেন নগরের বাসিন্দা। ৩১ ডিসেম্বর গভীর রাতে পারিবারিক অনুষ্ঠান সেরে স্বামী আশিস পাত্রের সঙ্গে বাড়ি ফিরছিলেন পায়েল ঘোষ পাত্র। পায়েল দেবীর অভিযোগ, বাড়ির কাছে গলির মুখে কয়েকজন যুবক রাস্তার মধ্যে বাইক রেখে রাস্তা আটকে মদ্যপান করছিলেন। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন নিউ বারাকপুর সাজিরহাট এপিসি কলেজের তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুমন দে ওরফে কালা। ওই দম্পতি যাতে রাস্তা দিয়ে যেতে পারেন সেজন্য তাঁদের রাস্তা কিছুটা ছাড়তে বলেন। অভিযোগ, তখনই পায়েল দেবীর স্বামী আশিস পাত্রকে মারধর করে মদ্যপ যুবকদের দল। পায়েল দেবী বাঁচাতে গেলে তাঁকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়। বেগতিক বুঝে তিনি চিৎকার করতে করতে পাশেই বাড়িতে ছুটে যান। পরিবার ও পাশের বাড়ির লোকজনদের ডেকে নিয়ে গিয়ে কোনওমতে স্বামীকে উদ্ধার করেন।

    আক্রান্ত বধূ কী বললেন?

    আক্রান্ত বধূ পায়েল দেবীর অভিযোগ, রাস্তা ছাড়তে বলায় এভাবে হামলা চালাবে তা বুঝতে পারিনি। ঘটনার পর থেকে আমরা রীতিমতো আতঙ্কে রয়েছি। সোমবার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে তাঁদের কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    তৃণমূল নেতা কী বললেন?

    বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য বলেন, ‘যদি সত্যিই এরকম হয়ে থাকে এবং আমাদের ছাত্র সংগঠনের কেউ জড়িত থাকে তাহলে তা যথেষ্ট নিন্দনীয়। কেউ দোষী হলে শাস্তি পাবে। আইন আইনের পথে চলবে’।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: প্রেমের প্রস্তাবে না, কার্যালয়ে ডেকে ছাত্রীর শ্লীলতাহানি, অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্র নেতা

    Nadia: প্রেমের প্রস্তাবে না, কার্যালয়ে ডেকে ছাত্রীর শ্লীলতাহানি, অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্র নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতার প্রেমের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন এক কলেজ ছাত্রী। এটাই তাঁর অপরাধ। এরপর  ওই কলেজ ছাত্রীর সঙ্গে তৃণমূল ছাত্র নেতা যা করেছেন তা জানলে চমকে উঠবেন। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) নবদ্বীপ শহরে।  

    দলীয় কার্যালয়ের ভিতরে শ্লীলতাহানি! (Nadia)  

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তরুণী নদিয়ার (Nadia) নবদ্বীপের বিদ্যাসাগর কলেজের ছাত্রী। আর অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্র নেতার নাম শ্যামসুন্দর দাস। তিনি নবদ্বীপ শহর তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সহ সভাপতি। কলেজের এক ছাত্রীকে এক যুবকের মাধ্যমে তিনি প্রেমের প্রস্তাব দেন। কিন্তু, সেই কলেজ ছাত্রী তাঁর সেই প্রস্তাবে সাড়া দেননি। অভিযোগ, এরপর একদিন রাধাবাজারের দলীয় কার্যালয়ে ছাত্রীকে ডেকে পাঠান। দলীয় কার্যালয়ে সকলে থাকবে মনে করে তরুণী সেখানে যান। অভিযোগ, দলীয় কার্যালয়ের দরজা বন্ধ করে শ্লীলতাহানি করা হয় তাঁর। কোনওমতে দলীয় কার্যালয় থেকে বেরিয়ে বাড়ি ফেরেন তরুণী। পরিবারের লোকজনকে তিনি সমস্ত ঘটনা জানান। এরপর নবদ্বীপ থানায় যান। অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। তৃণমূল ছাত্র নেতা হওয়ায় পুলিশ তাঁকে ধরতে পারেনি। ফলে, এই ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। তাদের বক্তব্য, শাসক দলের নেতা বলে অপরাধ করলে সাত খুন মাফ। এই ধরনের ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দরকার। নাহলে রাস্তাঘাটে মহিলাদের সুরক্ষা বলে কিছু থাকবে না।

    নির্যাতিতার পরিবারের লোকজন কী বললেন?

    নির্যাতিতার বক্তব্য, ওই ছাত্র নেতা আমাকে মাঝে মধ্যে উত্যক্ত করত। বহুবার আপত্তি জানালেও ও তা মানেনি। অবশেষে আমাকে কার্যালয়ের মধ্যে এরকম করবে তা ভাবতে পারিনি। নির্যাতিতার পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, কলেজে যেতে মেয়ে আতঙ্কিত বোধ করছে। দলীয় কার্যালয়ের ভিতরে ওই ছাত্র নেতা যা করেছে তা ক্ষমার অযোগ্য। আমরা অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। পুলিশ ওই তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: দলীয় মঞ্চে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে উর্দি গায়ে পুলিশ আধিকারিক! জেলাজুড়ে শোরগোল

    Birbhum: দলীয় মঞ্চে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে উর্দি গায়ে পুলিশ আধিকারিক! জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূমের (Birbhum) নানুরে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ আয়োজিত অনুষ্ঠান মঞ্চে উর্দি পরে অতিথি হিসেবে বসে পুলিশ অফিসারেরা। নানুর চণ্ডীদাস মহাবিদ্যালয়ে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের উদ্যোগে বার্ষিক অনুষ্ঠানে নেতাদের পাশে মঞ্চে বসে সার্কেল ইনস্পেকটর কল্যাণপ্রসাদ মিত্র ও নানুর থানার ওসি শেখ ইজরাইল। যা নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। ইতিমধ্যেই এই নিয়ে সরব হয়েছে বিজেপি।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Birbhum)

    বীরভূমের (Birbhum) নানুর চণ্ডীদাস মহাবিদ্যালয়ে বার্ষিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। সেই মতো দলীয় পতাকা সহ দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দিয়ে মঞ্চ সাজানো হয়েছিল। এমনকী, মঞ্চের পিছনে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ লেখা লোগো দেওয়া ছিল। সেই অনুষ্ঠান মঞ্চে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ, নানুরের বিধায়ক বিধানচন্দ্র মাঝি, তৃণমূল নানুর ব্লক সভাপতি সুব্রত ভট্টাচার্য সহ অন্যান্য তৃণমূল নেতারা। একই মঞ্চে অতিথি হিসেবে উর্দি পরে বসে থাকতে দেখা যায় নানুর সার্কেল ইনস্পেকটর (সিআই) কল্যাণপ্রসাদ মিত্রকে। এছাড়া, সাধারণ পোশাকে বসে থাকতে দেখা যায় নানুর থানার ওসি শেখ ইজরায়েলকে। যা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। কীভাবে তৃণমূল আয়োজিত অনুষ্ঠান মঞ্চে নেতাদের সঙ্গে কর্তব্যরত পুলিশ অফিসাররা বসে থাকতে পারেন। যদিও, এই প্রসঙ্গে মুখ খুলতে চাননি কোন তৃণমূল নেতৃত্ব।

    রাজ্যে শাসকের আইন চলছে, কটাক্ষ বিজেপির

    বিজেপির বোলপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অষ্টম মণ্ডল বলেন, ‘রাজ্যে আইনের শাসন নেই। শাসকের আইন চলছে। পুলিশ সব সময় শাসকের দলদাস। তাই ইউনিফর্ম পরে পুলিশ তৃণমূলের মঞ্চে বসে রয়েছে। এটা কাম্য নয়। এই পুলিশ কখনও নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারবে? পুলিশের সম্পর্কে সাধারণ মানুষের ধারণা পাল্টে যাচ্ছে। এসব মানুষ বেশিদিন মেনে নেবে না। সামনেই লোকসভা নির্বাচন। সেই ভোটে মানুষ তৃণমূলকে বুঝিয়ে দেবে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: অধ্যাপিকাকে অশ্লীল মন্তব্য টিএমসিপি ছাত্রনেতার! কলেজে বিক্ষোভ এবিভিপির

    Nadia: অধ্যাপিকাকে অশ্লীল মন্তব্য টিএমসিপি ছাত্রনেতার! কলেজে বিক্ষোভ এবিভিপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণগঞ্জের মাজদিয়া সুধীররঞ্জন লাহিড়ী মহাবিদ্যালয়ের এডুকেশন বিভাগের অধ্যাপিকাকে ফোন করে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ এবং হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ওই কলেজের টিএমসিপি’র সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে। সেই সঙ্গে এই ফোনের অডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হতেই কৃষ্ণগঞ্জ ব্লক জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়ায়। অভিযুক্ত তৃণমূল ছাত্রের নাম বিভাস হালদার। প্রতিবাদে কলেজ ক্যাম্পাসে সরব হয়ে বিক্ষোভ দেখায় এবিভিপি।

    শাস্তির দাবিতে এবিবিপির বিক্ষোভ (Nadia)

    অধ্যাপিকার ওপর এহেন আচরণের প্রতিবাদে সোমবার মাজদিয়া (Nadia) কলেজের সামনে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের পক্ষ থেকে ছাত্রছাত্রীরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। দাবি একটাই তৃণমূল ছাত্র নেতার শাস্তি চাই। আর এই বিক্ষোভ প্রদর্শনের খবর ছড়িয়ে পড়তেই কৃষ্ণগঞ্জ থানার নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী আসে মহাবিদ্যালয় প্রাঙ্গনে। ঘটনায় পুলিশ বাধা দিলে, এভিবিপি ছাত্রছাত্রীরা জোর করে কলেজে ঢুকতে গেলে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। সেই সঙ্গে ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে পুলিশ প্রশাসনের ব্যাপক তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়। কারণ ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও কলেজের ভিতরে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়। এরপর ঘটনাস্থলে আসেন কৃষ্ণগঞ্জ থানার আইসি বাবিন মুখার্জী।

    প্রিন্সিপালের বক্তব্য

    কলেজ (Nadia) প্রিন্সিপাল এই প্রসঙ্গে বলেন, “আই কার্ড থাকলে ছাত্র-ছাত্রীরা কলেজের ভিতরে প্রবেশ করতে পারবে।” এরপর প্রিন্সিপালের হস্তক্ষেপে যারা আইডেন্টিটি কার্ড নিয়ে এসেছিল, সেই সমস্ত ছাত্রছাত্রীদের কলেজের ভিতরে ঢুকতে দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। এই প্রসঙ্গে প্রিন্সিপাল আরও বলেন, “ফোনে অশালীন মন্তব্য করার ঘটনায় অধ্যাপিকা নিজে বিবরণ দিয়ে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন।”

    টিএমসিপি ছাত্রনেতার শাস্তির দাবি

    এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দুপুরে কলেজের (Nadia) অধ্যাপক, অধ্যাপিকা ও স্টাফদের নিয়ে জরুরি বৈঠকে বসেন প্রিন্সিপাল। মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হয় কোনও মতেই অধ্যাপিকার উপর এই অসভ্য আচরণ বরদাস্ত করা হবে না। অভিযুক্ত ছাত্র যাতে শাস্তি পায় তার ব্যবস্থা করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Nadia: নদিয়ায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সক্রিয় কর্মী বাইক চুরির পান্ডা! এতদিন পুলিশ কী করছিল?

    Nadia: নদিয়ায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সক্রিয় কর্মী বাইক চুরির পান্ডা! এতদিন পুলিশ কী করছিল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ায় (Nadia) তৃণমূল  ছাত্র পরিষদের সক্রিয় কর্মী এখন গাড়ি চুরির পান্ডা। সেই কর্মীকে গ্রেফতার করে একাধিক মোটরবাইক উদ্ধার করেছে পুলিশ। ধৃতের নাম মনিরুল দফাদার। প্রসঙ্গত শান্তিপুরের মনিরুল একনিষ্ঠ তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কর্মী। শান্তিপুর কলেজে ছাত্র সংসদে তার যাতায়াত ছিল নিয়মিত। কলেজের নেতাদের সঙ্গে ওঠা বসা ছিল তার। সব কিছুর আড়ালে সে মোটরবাইক চুরি  করত বলে অভিযোগ।

    গাড়ি চুরির পান্ডা কীভাবে জানা গেল? (Nadia)

    গত এক সপ্তাহ আগে নদিয়ার (Nadia) বাদকুল্লা সবজি বাজার থেকে একটি বাইক চুরি হয়। একটি দোকানের সিসি ক্যামেরা দেখে থানার পুলিশ মনিরুলকে গ্রেফতার করে। অপর দিকে, মনিরুল মোটর সাইকেল যার কাছে বিক্রি করেছিল, পুলিশ তাকেও গ্রেফতার করেছে। উদ্ধার করেছে বাইকও। ধৃতদের পুলিশি হেফাজতে নিয়ে ঘটনার তদন্তে নেমে জানতে পারে মনিরুলই হল চক্রের পান্ডা। সে মোটরবাইক চুরি করে বিক্রি করত। শান্তিপুর থেকে আরও দু’টি চোরাই মোটরবাইক উদ্ধার করে পুলিশ। শান্তিপুর, ফুলিয়া, বাদকুল্লা সহ একাধিক বাইক চুরির ঘটনার সঙ্গে সে জড়িত। সে কোথায় কোথায় চুরি করা বাইক বিক্রি করত তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। সব চুরি চুরি যাওয়া মোটরবাইক উদ্ধারের চেষ্টা কাছে চালাচ্ছে পুলিশ। মনিরুল তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী হওয়াতে ঘটনায় বিপাকে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। পাশাপাশি শান্তিপুর কলেজে যাতে আগামীতে মনিরুল প্রবেশ করতে না পারে সেই আশ্বাসও তারা হয়। দিয়েছেন। শান্তিপুর কলেজ থেকে বেশ কিছু মোবাইল চুরি হয়েছে। এখন সকলের সন্দেহ মনিরুলই সে সব করেছে।

    বিরোধীদের কী বক্তব্য?

    বিরোধী দলের নেতাদের বক্তব্য, তৃণমূল দলটা কেমন তা আরও একবার প্রমাণিত হয়ে গেল। এই ধরনের বড় সড় চুরি চক্রের পান্ডা ওই তৃণমূল কর্মী। এরাই দলের সম্পদ। অবিলম্বে পুলিশের ওই তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share