Tag: TMCP

TMCP

  • TMCP: শাসক দলের ছাত্র সংগঠনের হেনস্থার শিকার, স্বেচ্ছাবসর চেয়ে চিঠি অধ্যক্ষের

    TMCP: শাসক দলের ছাত্র সংগঠনের হেনস্থার শিকার, স্বেচ্ছাবসর চেয়ে চিঠি অধ্যক্ষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাসক দলের ছাত্র সংগঠনের (TMCP) কাছে হেনস্থা শিকার হয়ে চাকরি থেকে স্বেচ্ছায় অবসর নিতে চাইলেন যোগেশচন্দ্র কলেজের অধ্যক্ষ পঙ্কজ রায়। ইতিমধ্যে পঙ্কজবাবু তাঁর এই ইচ্ছার কথা কলেজের পরিচালন সমিতির সভাপতির কাছে লিখিতভাবেও জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত প্রায়শই তাঁর ওপরে মানসিক চাপ সৃষ্টি,হেনস্থা ও কলেজে বহিরাগতদের তান্ডবের তত্ত্ব তুলে ধরেছেন পঙ্কজবাবু। প্রসঙ্গত, সারা রাজ্য জুড়ে শিক্ষক নিগ্রহের ঘটনায় কমবেশি তৃণমূলের নেতারা জড়িত রয়েছেন। যখনই যেখানে এই ধরনের ঘটনা ঘটে শাসক দলের ছাত্র নেতাদের নাম উঠে আসে। তাই পঙ্কজ রায়ের অভিযোগ যে স্বাভাবিক এ কথা মেনে নিচ্ছে পর্যবেক্ষকদের একাংশ।

    আরও পড়ুন: ‘মমতা-সুজন-অধীর-অভিষেক-সেলিম’ এক ব্যানারে, হুগলিজুড়ে পোস্টারে চাঞ্চল্য

    কী বলছেন পঙ্কজ রায়?

    যোগেশ চন্দ্র চৌধুরী কলেজের অধ্যক্ষ এদিন বলেন, ‘‘দিনের পর দিন ছাত্র সংসদের নামে বহিরাগতরা (TMCP) যে তাণ্ডব চালাচ্ছেন, তা আমার পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। আমি আগেও বলেছি, আমি যদি কোনও দলের মুখপাত্র হই, সেটা আমার ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু কলেজ চত্বরে আমি একটি কাজও কোনও দলের হয়ে করেছি, এ কথা কেউ বলতে কিংবা প্রমাণ করতে পারবে না। আমি চ্যালেঞ্জ করছি। পদের লোভ আমার নেই। আমার আদর্শ বিক্রি করার জন্য নয়।’’ প্রসঙ্গত ৩৫ বছর ধরে অধ্যাপনার কাজের সঙ্গে যুক্ত পঙ্কজবাবু কিন্তু এমন পরিস্থিতি কখনও তৈরি হয়নি বলেই জানিয়েছেন তিনি।

    কলেজে বহিরাগত তান্ডব

    এর পাশাপাশি বহিরাগত তাণ্ডবের (TMCP) তত্ত্ব তুলে ধরেছেন পঙ্কজ রায়। তিনি বলেন, ‘‘যে কোনও বিষয়ে বহিরাগতরা এসে হুজ্জতি করছে। যে ভাষায় প্রিন্সিপালের ঘরে ঢুকে তারা কথা বলছে, তা আমার পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। কেন বহিরাগতরা কলেজে ঢুকবে? এ প্রশ্নও তুলেছেন পঙ্কজ বাবু। এতে যে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করা হচ্ছে তাও জানান তিনি। নিজের শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে আর কোনওভাবেই এই মানসিক চাপ তিনি নিতে পারছে না বলে অভিযোগ করেছেন অধ্যক্ষ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • College: এই কি শিক্ষার পরিবেশ? কলেজ চত্বরে বসেই গাঁজায় সুখটান তৃণমূল ছাত্রনেতার!

    College: এই কি শিক্ষার পরিবেশ? কলেজ চত্বরে বসেই গাঁজায় সুখটান তৃণমূল ছাত্রনেতার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রের রহস্যমৃত্যু নিয়ে তোলপাড় চলছে। বহু ছাত্রকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশি তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে গাঁজা চাষ, হস্টেলের মধ্যে মদ্যপান করার মতো ঘটনা সামনে এসেছে। এই সব ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই পূর্ব বর্ধমানের একটি কলেজ (College) চত্বরে প্রকাশ্যে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের এক নেতাকে মাদক সেবন করতে দেখা যাচ্ছে। তা যথারীতি ভাইরালও। যদিও সেই ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি ‘মাধ্যম’।

    ভিডিওতে কী দেখা যাচ্ছে? (College)

    শক্তিগড়ের হাটগোবিন্দপুর ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ের (College) টিএমসিপি-র কলেজ ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক হিতেশ শেঠ। কলেজ ক্যাম্পাসে বসে বন্ধুদের সঙ্গে গাঁজা সেবন করছেন তিনি। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও-তে সেটাই দেখা যাচ্ছে। অন্য কোথাও নয়, কলেজ চত্বরে বসে মাদক নিচ্ছেন কয়েকজন ছাত্র, এমনই একটি ভিডিও বুধবার রাতে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যা নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

    অভিযোগ নিয়ে কী সাফাই দিলেন টিএমসিপি নেতা?

    যদিও ভিডিও-তে যাঁর ছবি দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করা হচ্ছে, সেই টিএমসিপি-র কলেজ (College) ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক হিতেশ শেঠ বলেন, সামাজিক মাধ্যমে ছবিটি ভুয়ো। মুখ্যমন্ত্রী কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ভোট হবে ঘোষণা করেছেন। তার জন্যই ইচ্ছাকৃতভাবে টিএমসিপিকে কালিমালিপ্ত করতে ছবি এডিট করে এসএফআই এই চক্রান্ত করছে। এসব আমরা কেউ করিনি। ওরা আমাদের ছাত্র সংগঠনকে বদনাম করার জন্যই এসব করছে।

    কী বললেন এসএফআই নেতৃত্ব?

    এসএফআইয়ের পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটির সম্পাদক অনির্বাণ রায়চৌধুরী বলেন, শুধু এই কলেজ (College) বলে নয় রাজ্যের সমস্ত কলেজেই শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করেছে তৃণমূল ছাত্র সংগঠন। অধিকাংশ কলেজেই এই ধরনের মাদক সেবন চলে। প্রতিবাদ করলেই ওদের রোষের মুখে পড়তে হয়। এসব জেনেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। কারণ, এসব কাজের সঙ্গে তৃণমূল ছাত্রনেতারা জড়িত থাকে। তিনি আরও বলেন, ওই ছেলেটিই টিএমসিপি হাটগোবিন্দপুর কলেজ ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক। সে ওই কলেজেরই দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। আমরা এই ধরনের ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: যাদবপুরের পর এবার র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ অশোকনগরে, কাঠগড়ায় টিএমসিপি

    North 24 Parganas: যাদবপুরের পর এবার র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ অশোকনগরে, কাঠগড়ায় টিএমসিপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের পড়ুয়ার মৃত্যুর ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য। ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে প্রাক্তনী এবং পড়ুয়া মিলিয়ে মোট ৯ জনকে। ইতিমধ্যেই অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি প্রাথমিক রিপোর্ট পেশ করেছে। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ফের র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে সরগরম অশোকনগরের নেতাজি শতবার্ষিকী মহাবিদ্যালয়ে (North 24 Parganas)। এই কলেজের ইউনিয়ন রুমের মধ্যেই প্রথম বর্ষের পড়ুয়াকে র‍্যাগিং এবং মারধরের অভিযোগ উঠেছে। আক্রান্ত ওই পড়ুয়া এসএফআইয়ের সদস্য বলে জানা গিয়েছে।

    কেন অভিযোগ (North 24 Parganas)?

    প্রথম বর্ষের এই ছাত্রের অভিযোগ, কলেজের ইউনিয়ন (North 24 Parganas) রুমে তাঁকে ডেকে নিয়ে গিয়ে মারধর করে কয়েকজন ছাত্রনেতা। অভিযুক্তরা সকলে তৃণমূলের সমর্থক। যদিও র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। পাশাপাশি ওই ছাত্রের আরও অভিযোগ, তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে আরও একজন ছাত্র প্রহৃত হয়েছেন। ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে ওই কলেজে। এই নিয়ে তীব্র বাগযুদ্ধে জড়িয়েছে এসএফআই এবং টিএমসিপি।

    আক্রান্ত ছাত্রের বক্তব্য

    অশোকনগরের নেতাজি শতবার্ষিকী মহাবিদ্যালয়ের (North 24 Parganas) আক্রান্ত ছাত্র জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার কলেজে যাওয়ার পরে তাঁকে ইউনিয়ন রুমে ডেকে নিয়ে গিয়ে চড়, থাপ্পড়, কিল, ঘুষি মারা হয়। সেই সঙ্গে বলা হয়, ফেসবুক থেকে এসএফআই-এর যাবতীয় পোস্ট মুছে ফেলতে হবে। আর যদি তা না করেন, তাহলে পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হবে না।

    এসএফআই-এর বক্তব্য

    উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) এসএফআই জেলা সম্পাদক আকাশ করের বক্তব্য, “র‌্যাগিংয়ের এই ঘটনাকে ধিক্কার জানাচ্ছি। এসএফআই করার অপরাধে, বাবার বয়সি নেতারা যেভাবে একজন ছাত্রকে মারধর করল, এই অসভ্যতা মেনে নেওয়া যায় না। এর শেষ দেখে ছাড়বো আমরাও।”

    টিএমসিপি’র বক্তব্য

    এই বিষয়ে সাংগঠনিক জেলা (North 24 Parganas) তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সহ-সভাপতি সোহম পাল বলেন, “মারধরের অভিযোগ মিথ্যা। তবে কী ঘটনা ঘটেছে তা খোঁজ না নিয়ে বলতে পারবো না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMCP: ডুপ্লে কলেজের সামনে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দুই গোষ্ঠীর হাতাহাতি, আহত দুই ছাত্রী

    TMCP: ডুপ্লে কলেজের সামনে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের দুই গোষ্ঠীর হাতাহাতি, আহত দুই ছাত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার দুপুরে চন্দননগর ডুপ্লে কলেজের সামনে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ বাধে। দুপক্ষের মধ্যে মারপিট, লাঠি, ঘুষি, কিল, চড় কিছুই বাদ যায়নি। দুপুরে এরকম ঘটনার সাক্ষী রইল কলেজ সংলগ্ন ঐতিহ্যশালী স্ট্র্যান্ড রোড। আটক করা হয় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রাক্তন জেলা সভাপতি সম্বুদ্ধ দত্ত এবং তাঁর অনুগামী অলীক সামন্ত এবং অর্ণব ঘোষ নামে দুই ছাত্রনেতাকে। পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষাঙ্গন আরও একবার বিশৃঙ্খলার সাক্ষী থাকল বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদদের একাংশ।

    কেন হাতাহাতি?

    তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রাক্তন জেলা সভাপতি সম্বুদ্ধ দত্তকে সংগঠনের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আর তারপর থেকেই কলেজ ক্যাম্পাসের রাজত্ব কার কাছে থাকবে, এই নিয়ে শাসকদলের ছাত্র সংগঠনের (TMCP) অন্দরে দুই গোষ্ঠীর লড়াই চলছিল। ক্যাম্পাসের আধিপত্য বজায় রাখতেই এদিন এই সংঘর্ষ হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুমান। অভিযোগ, সংঘর্ষ হয় সম্বুদ্ধ দত্ত ঘনিষ্ঠ সমাজবিরোধীদের অভব্য আচরণের জেরে। কলেজ ক্যাম্পাসের আশেপাশে মেয়েদেরকে বহুদিন ধরেই সমাজবিরোধীরা হেনস্থা করছিল বলে বিশেষ অভিযোগ উঠছিল। কলেজের পর্যবেক্ষক সুইটি কোলে অভিযোগ করেন, পাপ্পু চৌধুরী সহ কয়েকজন সমাজবিরোধী কলেজের বাইরে তাঁদের বেশ কয়েকদিন ধরে উত্যক্ত করছিল। দিন দিন এটা সহ্যের সীমাকে অতিক্রম করে গিয়েছিল। প্রতিকার হচ্ছে না বলে কিছু একটা পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছিলেন তাঁরা। তাই প্রশাসনের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ জানাতে মিছিল করতে করতে চন্দননগর থানায় ডেপুটেশন দিতে গিয়েছিলেন তাঁরা। কলেজে ফেরার সময় সম্বুদ্ধ দত্ত মদতপুষ্ট বহিরাগত দুষ্কৃতীরা তাঁদের উপর চড়াও হয়ে মারধর শুরু করে। দেখতে দেখতে এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আমিশা নামে এক ছাত্রী অভিযোগ করেন, তাঁদের ওপর সম্বুদ্ধ ও তাঁর দলবল চড়াও হয়ে তাঁর গায়ে হাত তোলে। তাঁর সোনার হার ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে জানা যায়। অন্যদিকে পাপ্পু চৌধুরীকেও বেধড়ক মারধর করার ফলে তাকে চন্দননগর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    তৃণমূল ছাত্র পরিষদ এবং বিরোধীদের বক্তব্য

    তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) বর্তমান জেলা সভাপতি শুভদীপ মুখোপাধ্যায় বলেন, বহিরাগতদের সঙ্গে কলেজে ছাত্র-ছাত্রীদের একটা গণ্ডগোল হয়েছে। জানা গেছে, সম্বুদ্ধ দত্ত সেই সময় উপস্থিত ছিলেন। তিনি আরও বলেন, এই বিষয়ে দলের কোনও ব্যাপার নেই। আমরা বিশ্বাস করি পুলিশ আইন অনুযায়ী বিশেষ ব্যবস্থা নেবে। বিরোধী ছাত্র সংগঠন মনে করছে, তৃণমূলের শাসনে বহুদিন ছাত্র নির্বাচন বন্ধ। ভর্তির জন্য কাটমানি কে নেবে, নবীনবরণ উৎসবের নামে টাকা কে তুলবে-এই নিয়ে নিজেদের মধ্যে গোষ্ঠীসংঘর্ষের ফলাফলস্বরূপ এমন ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনায় যদি দলের কোনও বিষয় না থাকে, তবে দলের নেতারা দাঁড়িয়ে থেকে কেন এই ঘটনার নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন? উত্তর মেলেনি। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতার বক্তব্যের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।

    পুলিশের ভূমিকা

    স্থানীয় চন্দননগর থানায় দুপক্ষের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের (TMCP) অভিযুক্ত দুপক্ষের নেতাদের আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল থানায়। পুলিশ ঘটনায় অভিযুক্তদের মধ্যে অনেককেই গ্রেফতার করে। রাত অবধি আটকে রাখা হয় তৃণমূল ছাত্র পরিষদের অভিযুক্তদের। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Attack: দলীয় কর্মীদের হামলায় টিএমসিপি-র নেতাসহ জখম চার, শাসক দলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    Attack: দলীয় কর্মীদের হামলায় টিএমসিপি-র নেতাসহ জখম চার, শাসক দলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুদিন আগেই কামারহাটি পুরসভা এলাকায় বেআইনি বাড়ি নির্মাণে বাধা দেন তৃণমূল কাউন্সিলর। আর তারজন্য কাউন্সিলরকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে দলেরই কর্মীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই পুরানো বিবাদকে কেন্দ্র করে ফের কামারহাটিতে তৃণমূলের  গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। হামলায় (Attack) তৃণমূল ছাত্র পরিষদের এক নেতা সহ চারজন জখম হন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। ঘটনাস্থলে বেলঘড়িয়া থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, কোনও একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে গণ্ডগোল হয়েছে। অভিযোগ হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,  বেশ কিছুদিন আগে তৃণমূলের রোহিত সিংয়ের সঙ্গে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতা দেবজ্যোতি দে-এর লোকজনের গণ্ডগোল হয়েছিল। পরে, তা মিটে যায়। এদিন এলাকা দখলকে কেন্দ্র করেই এবার বেলঘড়িয়া আদর্শপল্লি এলাকায় তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতা দেবজ্যোতি দে এবং তাঁর সঙ্গীদের ওপর রোহিত সিং এর দলবল আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা (Attack) চালায় বলে অভিযোগ । অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাতে বাঁশ, হকি স্টিক ও পিস্তল দিয়ে হামলা চালানো হয়।

    কী বললেন জখম তৃণমূল ছাত্র পরিষদ কর্মী?

    জখম তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কর্মী দেবজ্যোতি দে বলেন, আমরা ক্লাবের সামনে দাঁড়িয়েছিলাম। আচমকা বাইকে করে ১০-১২ জন এসে আমাদের ওপর হামলা (Attack) চালায়। হামলা (Attack)  চালানোর সময় রোহিত সিংসহ কয়েকজনের নাম করে হুমকিও দিয়ে যায়। চরম আতঙ্কে রয়েছি। থানায় অভিযোগও জানিয়েছি। অভিযুক্ত রোহিত সিং নির্দল কাউন্সিলর বাবু মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ। রোহিত সিং এলাকায় তৃণমূল কর্মী বলে পরিচিত। ঘটনায় যাদের দিকে অভিযোগের আঙুল সেই নির্দল পুরপিতা বাবু মণ্ডল ও রোহিত সিং এর কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    কী বললেন বেলঘরিয়া শহর তৃণমূলের সভাপতি?

    বেলঘরিয়া শহর তৃণমূলের সভাপতি সায়ন মুখোপাধ্যায় বলেন, আমাদের সংগঠনের কর্মীদের বেধড়ক মারধর করা হয়। হামলাকারীরা বাবু মণ্ডল আর রোহিত সিংয়ের নাম নেয়। আসলে দুষ্কৃতীরা এলাকা দখলের চেষ্টা করছে। ছাত্র, যুব কর্মীরা তাতে বাধা দিচ্ছে। এটাতেই তাদের আপত্তি। তাই, এই ধরনের হামলা (Attack) চালানো হয়েছে। পুলিশ প্রশাসনকে সমস্ত কিছু জানানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    কামারহাটিতে তৃণমূলের এই গোষ্ঠীসংঘর্ষের ঘটনায় সরব হয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব । বিজেপি নেতা জয় সাহা বলেন, তৃণমূলের সময় ঘনিয়ে এসেছে । কামারহাটিতে তৃণমূলের গোষ্ঠীসংঘর্ষ রোজকার ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: ফেল করা পড়ুয়াদের পাশ করাতে হবে, দাবি তৃণমূল ছাত্র পরিষদের

    Jalpaiguri: ফেল করা পড়ুয়াদের পাশ করাতে হবে, দাবি তৃণমূল ছাত্র পরিষদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাত্র-ছাত্রীদের বিক্ষোভে উত্তাল কলেজ ক্যাম্পাস। ফেল করা পড়ুয়াদের পাশ করাতে হবে, কার্যত এই দাবিতে বিক্ষোভ দেখালো টিএমসিপি। এই ঘটনা ঘটেছে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ধূপগুড়ি সুকান্ত মহাবিদ্যালয়ে। কলেজের অধ্যক্ষের ঘরের সামনেই একত্রিত হয়ে বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন পড়ুয়ারা। তাদের সকলের দাবি, ফার্স্ট সেমিস্টারে পাশ করাতে হবে। এই আজব দাবিতে অবাক শিক্ষকদের একাংশ। 

    বিনামূল্যে পরীক্ষার খাতার পুনর্মূল্যায়ণ চায় টিএমসিপি (Jalpaiguri)

    কলেজের (Jalpaiguri) অধ্যক্ষকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ দেখায় কলজে পড়ুয়ারা। পড়ুয়াদের দাবি, “ফেল করা ছাত্রদের পাশ করাতে হবে, সেই সঙ্গে পাশের জন্য খাতা দেখতে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া যাবে না।” এই বিক্ষোভের নেতৃত্ব দিচ্ছেন শাসক দলের ছাত্র সংগঠন তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা কলেজগুলির প্রথম সেমিস্টার পরীক্ষায় ৯০ শতাংশ পড়ুয়ারা ফেল করেছেন। এই ফেলের লিস্টে রয়েছে ধূপগুড়ি সুকান্ত মহাবিদ্যালয়ের পড়ুয়ারাও। এই কারণে ফেল করা পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়িয়েছে টিএমসিপি। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের মূল দাবি হল, “বিনামূল্যে পরীক্ষার খাতার পুনর্মূল্যায়ন করতে হবে। আর যদি পাশ না করানো হয়, তাহলে বৃহত্তর আন্দোলন হবে। ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অবহেলা চলবে না।”

    টিএমসিপির বক্তব্য

    অধ্যক্ষের (Jalpaiguri) ঘরের সামনেই বিক্ষোভ দেখান হয় কলেজের টিএমসিপি শাখার পক্ষ থেকে। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্য অর্ধেন্দু চক্রবর্তী বলেন, “আমরা বিক্ষোভ করছি কারণ আমরা বিশ্বাস করি উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯০ শতাংশ ছাত্র-ছাত্রী ফেল করতে পারে না। ছাত্র-ছাত্রীদের নিশ্চিত ভাবে খাতা ভালো করে মূল্যায়ন করা হয়নি। গাফিলতি অবশ্যই হয়েছে। নয় তো একসঙ্গে এতো ফেল কীভাবে সম্ভব?” সংগঠনের আরেক সদস্য কৌশিক রায় বলেন, “আগেও আমরা টিএমসিপির পক্ষ থেকে আন্দোলনে ছাত্রদের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলাম। এবার ইচ্ছে করে আবার ফেল করানো হয়েছে। এই আন্দোলনের দাবি সঠিক। আমরা ফেল করা ছাত্রদের পাশে রয়েছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMCP: অভিষেক আসার আগেই কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ফেসবুকে বিস্ফোরক টিএমসিপি নেতা

    TMCP: অভিষেক আসার আগেই কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ফেসবুকে বিস্ফোরক টিএমসিপি নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শুক্রবার এসেছেন পূর্ব বর্ধমান জেলায়। তার আগে বৃহস্পতিবার জেলার মেমারি কলেজের অধ্যক্ষ দেবাশিষ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ এনে ফেসবুকে পোস্ট করলেন কলেজেরই ড্রপআউট হওয়া ছাত্র কুণাল ভট্টাচার্য (TMCP)। ওই ফেসবুক পোস্টে তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যাগ করেছেন। যা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। 

    কী লেখা হয়েছে ওই ফেসবুক পোস্টে?

    ফেসবুক পোস্টে কুণাল ভট্টাচার্য (TMCP) লিখেছেন, মেমারি কলেজের প্রিন্সিপাল মাসিক ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা বেতন পান। তবুও তিনি কলেজে না এসে অ্যাড সহকারে বাড়িতে টিউশন পড়ান। ছাত্র পিছু ১২০০ থেকে ১৫০০ টাকা মাইনে নিয়ে থাকেন। যেখানে কোর্ট থেকে পুরোপুরি বলা আছে, একজন স্কুলটিচার বা শিক্ষক প্রাইভেট টিউশন পড়াতে পারবেন না, সেখানে একজন কলেজ প্রিন্সিপাল কীভাবে এইরকম ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন? এরাই আবার ডিএ-র (DA) জন্য আন্দোলনে বসে। নিজের লেখা বক্তব্যের সঙ্গে একটা ভিডিও ফেসবুক পোস্টে যুক্ত করে কুণাল সেটিকে প্রিন্সিপালের প্রাইভেট পড়ানোর ভিডিও বলে দাবি করেছেন। এমনকী কুণাল তাঁর গোটা ফেসবুক পোস্টটি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য অনুরোধও করছেন। 

    কী বললেন সেই কুণাল ভট্টাচার্য?

    এই ফেসবুক পোস্ট দেখার পর কুণাল ভট্টাচার্যর (TMCP) সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তাঁর বাড়ি মেমারি থানার আমোদপুর গ্রামে। মেমারি কলেজের প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ এনে ফেসবুকে তিনিই পোস্ট করেছেন বলে কুণাল ভট্টাচার্য স্বীকার করে নেন। ‘নব জোয়ার’ কর্মসূচিকে সামনে রেখে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পূর্ব বর্ধমানে আসার আগে এমন পোস্ট কেন? এর উত্তরে কুণাল দাবি করেন, মেমারি কলেজের প্রিন্সিপালের কীর্তি আমার দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্বের কাছে তুলে ধরার এটাই যথার্থ সময়। তাই বৃহস্পতিবার সেটাই করেছি। মেমারি কলেজের অধ্যক্ষ দেবাশিষ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে কুণাল ভট্টাচার্য দাবি করেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের কাউকেই প্রিন্সিপাল সহ্য করতে পারেন না। কলেজের কোনও ছাত্র তৃণমূল ছাত্র পরিষদ (টিএমসিপি) করলে তাকেও প্রিন্সিপাল বিষনজরে দেখেন।” কুণালের দাবি, মেমারি কলেজে বিএ পাশ কোর্সে তিনি পড়তেন। কলেজে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ করতেন বলে তিনিও প্রিন্সিপাল দেবাশিষ চক্রবর্তীর বিষনজরে পড়েন। আর সেই কারণেই তাঁকে ২০২০ সালে ড্রপআউট হতে হয়। কুণালের আরও অভিযোগ, প্রিন্সিপাল বেশিরভাগ দিন কলেজে আসেন না। যেদিন প্রিন্সিপাল কলেজে আসেন, সেদিন তৃণমূল সমর্থক কোনও ছাত্রী কন্যাশ্রী বা রূপশ্রী প্রকল্পের সুবিধা পাবার জন্য ওনার কাছে কোনও নথিতে সই করাতে গেলে তাদের হতাশ হয়েই ফিরতে হয়। হাতে ব্যথা রয়েছে, এই অজুহাত খাড়া করে প্রিন্সিপাল সই করেন না। পাশাপাশি যে কোনও বিষয়েই প্রিন্সিপাল তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সমর্থক ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে অসহযোগিতা ও দুর্ব্যবহার করেন বলে কুণাল ভট্টাচার্যের অভিযোগ।

    কী জবাব দিলেন প্রিন্সিপাল?

    যদিও এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মেমারি কলেজের অধ্যক্ষ দেবাশিষ চক্রবর্তী। পাল্টা অভিযোগ এনে দেবাশিষবাবু বলেন, “এই কুণাল ভট্টাচার্য আসলে কলেজের প্রাক্তন টিএমসিপি (TMCP) নেতা তথা বর্তমান কলেজকর্মী মুকেশ শর্মার সাগরেদ। চক্রান্ত করে তাই কুণাল ভট্টাচার্য আমার নামে নানা মিথ্যা কথা লিখে ফেসবুকে পোস্ট করছে”। প্রিন্সিপাল এও বলেন, “আমি যখন রামপুরহাট কলেজে ছিলাম, তখন প্রাইভেট পড়াতাম। মেমারি কলেজে প্রিন্সিপাল পদে দায়িত্ব নেবার পর থেকে আমি প্রাইভেট পড়াই না। আমি প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে কলেজে আসি। বিকাল পাঁচটার পর কলেজ থেকে বের হই। আসলে সরকারি গাইডলাইন মেনে যথাযথভাবে কলেজ চালাচ্ছি, কোনও অনৈতিক কাজ করতে দিচ্ছি না, তাই অনেকের গাত্রদাহ হচ্ছে। তারই ফলশ্রুতি স্বরূপ ফেসবুকে আমাকে নিয়ে মিথ্যা কথা লেখা হচ্ছে। এতে কিছু যায় আসে না বলে দেবাশিষ চক্রবর্তী মন্তব্য করেছেন।

    প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে সরব তৃণমূল নেতৃত্বও

    অন্যদিকে মেমারি ১ নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি নিত্যানন্দ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “মেমারি কলেজের প্রিন্সিপাল দেবাশিষ চক্রবর্তী কলেজের কথা, ছাত্রছাত্রীদের কথা কিছুই ভাবেন না। উনি কলেজে স্বৈরাচারিতা চালিয়ে যাচ্ছেন। এর বিহিত হওয়া দরকার”।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kamarhati: তোলার টাকা না পেয়ে কামারহাটিতে অটো চালকসহ তিনজনকে বেধড়ক মার! কাঠগড়ায় তৃণমূলের ছাত্র নেতা

    Kamarhati: তোলার টাকা না পেয়ে কামারহাটিতে অটো চালকসহ তিনজনকে বেধড়ক মার! কাঠগড়ায় তৃণমূলের ছাত্র নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ  রাস্তায় অটো চালাতে গেলেও তোলা দিতে হবে। কামারহাটি (Kamarhati) এলাকায় রানা বিশ্বাস নামে এক তৃণমূলের ছাত্র নেতার এটাই নিদান। আর যে তাঁর কথার খেলাপ করেছে তাঁর কপালে জুটেছে মার। কামারহাটি (Kamarhati) পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সন্দীপ রায়। তিনি পেশায় অটো চালক। রথতলা রুটে তিনি অটো চালান। আর তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত। তাঁর কাছেও রানা ও তার দলবল গিয়ে তোলা চায়। সন্দীপ তা দিতে অস্বীকার করে। এটাই তাঁর অপরাধ। শনিবার রানা ও তাঁর দলবল মিলে সন্দীপ ও তাঁর দুই বন্ধুকে বেধড়ক পেটায় বলে অভিযোগ। সন্দীপসহ দুজনের চোট গুরুতর হওয়ায় তাঁদের সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই সন্দীপের পরিবারের পক্ষ থেকে বেলঘরিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা করা হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই ইন্দ্রজিত্ মহান্তি এবং অক্ষয় শর্মাকে গ্রেফতার করেছে।

    হামলা নিয়ে কী বললেন আক্রান্ত পরিবারের লোকজন?

    রানা বিশ্বাস কামারহাটির (Kamarhati) তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি। আর শাসকদলের না ভাঙিয়ে এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি। এমনই অভিযোগ আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীর আত্মীয় বাবু রক্ষিতের। তিনি বলেন, রানা বিধায়কের নাম ভাঙিয়ে তোলাবাজি করে। আমার শ্যালক সন্দীপ রথতলায় অটো চালায়। ওর নিজের অটো। ওর কাছে থেকে রানা তোলা চেয়ে ছিল। ও তা দিতে রাজি হয়নি। এটাই ওর অপরাধ। শনিবার রানা তার দলবল নিয়ে এসে আমার শ্যালক আর তাঁর সঙ্গে দুই বন্ধুকে বেধড়ক মারধর করেছে। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আক্রান্ত অটো চালকের মা বলেন, রানা একজন গুন্ডা। তৃণমূলের নাম করে এলাকায় দাপিয়ে বেড়ায়। সবার কাছে তোলা চায়। আমার ছেলেকে ও খুব মেরেছে। আমরাও তৃণমূল করি। আমরা কী বিচার পাব না। আমাদের দাবি, অবিলম্বে রানাকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

    কী বললেন কামারহাটি (Kamarhati) পুরসভার চেয়ারম্যান?

    এই ঘটনা নিয়ে কামারহাটি (Kamarhati)  পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহা বলেন, বিষষয়টি শুনেছি। তবে, তোলাবাজি না অন্য কোনও কারণে মারধর করা হয়েছে তা জানি না। ইতিমধ্যেই সমস্ত ঘটনা দলীয় নেতৃত্বকে জানানো হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    হামলার ঘটনা নিয়ে কী বলল বিজেপি নেতৃত্ব?

    এই ঘটনায় সরব হয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপি নেতা কিশোর কর বলেন, এই ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ও নিন্দনীয়। তৃণমূলের নিজেদের মধ্যে গোষ্ঠী সংঘর্ষ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় হচ্ছে। কামারহাটি (Kamarhati)  তার ব্যতিক্রম নয়। দোষীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘শান্তিকুঞ্জে’র সামনে ‘অশান্তি’ তৃণমূলের, সিবিআই চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ শুভেন্দু  

    Suvendu Adhikari: ‘শান্তিকুঞ্জে’র সামনে ‘অশান্তি’ তৃণমূলের, সিবিআই চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ শুভেন্দু  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তিকুঞ্জের সামনে অশান্তি পাকাচ্ছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ (TMCP)! রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) বাড়ির সামনে জমায়েত করছেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতা-কর্মী-সমর্থকরা। তাঁদের হাতে লাল গোলাপ ও গ্রিটিংস কার্ড। কার্ডে লেখা, ‘গেট ওয়েল সুন…!’ ঘটনার জেরে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। চাইলেন সিবিআই (CBI) তদন্তও।

    ঘটনার সূত্রপাত…

    ঘটনার সূত্রপাত দিন দুই আগে। শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) একটি ট্যুইট প্রসঙ্গে তৃণমূলের (TMC) মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছিলেন, শুভেন্দু মানসিকভাবে সুস্থ নেই। তাঁর আরোগ্য কামনা করে চিঠি পাঠানো হবে। সেই কর্মসূচির নাম হবে গেট ওয়েল সুন। কুণালের এই মন্তব্যের পর থেকেই তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতা- কর্মী-সমর্থকরা দলে দলে ভিড় করতে থাকেন শুভেন্দুর বাড়ি শান্তিকুঞ্জের সামনে।

    ঘটনা প্রসঙ্গে একটি ট্যুইট করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। লেখেন, মমতার পুলিশ পাঁচ পয়সার মতো দু মুখো ও অপদার্থ। এক দিকে চাকরিপ্রার্থীরা মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গেলে এক কিলোমিটার আগে তাঁদের আটকে, অমানবিকভাবে টেনে হিঁচড়ে প্রিজন ভ্যানে তোলে। অন্য দিকে যখন আমার বাড়ির সামনে গুন্ডারা গন্ডগোল বাঁধায়, তখন তাদের নেতৃত্ব দেয় সেই পুলিশই। আমি বেরিয়ে যাওয়ার পর তারা বাড়ির সামনে গিয়েছিল। এটা জেনেই যে, ওই সময় বাড়িতে আমার ৮৪ বছরের বৃদ্ধ বাবা শিশির অধিকারী ও ৭৫ বছরের বৃদ্ধা মা গায়ত্রী অধিকারী আছেন। ওদের উদ্দেশ্য ছিল, বাড়ির বাইরে অশ্রাব্য স্লোগান দিয়ে আমার বৃদ্ধ বাবা-মাকে বিরক্ত করা।

    আরও পড়ুন: ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি হয়েছে দাবি শুভেন্দু অধিকারীর, হাইকোর্টে দায়ের জনস্বার্থ মামলা

    মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ কাঁথির বাড়ি থেকে বের হন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। এর কিছুক্ষণ পরেই গ্রিটিংস কার্ড ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি নিয়ে শুভেন্দুর বাড়ির সামনে ভিড় করেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্যরা। তাঁদের আটকে দেয় পুলিশ। প্রতিবাদে রাস্তায় বসে পড়েন কয়েকজন। ঘণ্টাখানেক পর পুলিশই তাঁদের কাছ থেকে শুভেন্দুকে পৌঁছে দেওয়ার জন্য গ্রিটিংস কার্ড নেয়।

    এদিন হাইকোর্টে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) আইনজীবী জানান, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা পান। অথচ তাঁর বাড়ির সামনে গিয়ে জমায়েত করে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, অশালীন মন্তব্য করা হচ্ছে। এতে তাঁর নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর পিছনে কোনও বিশেষ উদ্দেশ্য রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Sagar Dutta Hospital: হোস্টেলে ঘর পেতে, দিতে হবে টাকা! তৃণমূল ছাত্রনেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজে

    Sagar Dutta Hospital: হোস্টেলে ঘর পেতে, দিতে হবে টাকা! তৃণমূল ছাত্রনেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলেজের হোস্টেল পাওয়ার নিয়ম বাড়ির দূরত্ব অনুযায়ী। কিন্তু সেই নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নতুন নিয়ম তৈরি করেছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। প্রথম বর্ষের পড়ুয়াদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতাদের মাথা পিছু ৩ হাজার টাকা না দিলে হোস্টেলের ঘর পাওয়া যাবে না। প্রতিবাদ করলে জুটছে শারীরিক হেনস্থা। এমনই অভিযোগ উঠেছে সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (Sagar Dutta Hospital)। অভিযোগ, প্রথম বর্ষের ছাত্র ভর্তি হতেই হোস্টেলের জন্য আবেদন জমা পড়ে। এরপর কলেজ কর্তৃপক্ষ নয়, তৃণমূল ছাত্র পরিষদ, সেই আবেদনকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তারাই ঠিক করে,কার হোস্টেলের আবেদন মঞ্জুর হবে। 

    সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজের (Sagar Dutta Hospital) প্রথম বর্ষের পড়ুয়াদের একাংশের অভিযোগ, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের তরফে তাদের জানানো হয়, ছাত্র নেতাদের ৩০০০ টাকা দিতে হবে। তবেই তাদের আবেদন মঞ্জুর হবে। ‘ঘুষ’ নেওয়ার অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়াদের একাংশ ঘটনার প্রতিবাদ করেন। তাঁরা অধ্যক্ষ ও ডিনের কাছে অভিযোগ করেন। যদিও এর কোনও সুরাহা হয়নি বলেই অভিযোগ জুনিয়র চিকিৎসকদের একাংশের। জুনিয়র চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের এই ‘ঘুষ’ নেওয়ার প্রতিবাদ করলে শারীরিক হেনস্থার শিকার হতে হচ্ছে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের ছাত্ররা  যে হোস্টেলে থাকেন,তাঁদের ঘরে ঢুকে ভাঙচুর করা হচ্ছে, তাঁদেরকে শারীরিক নিগ্রহ করা হচ্ছে। ক্যাম্পাসের মধ্যে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

    অভিযোগ, সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ (Sagar Dutta Hospital) কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানালেও তাঁরা কোনও পদক্ষেপ করেননি। ভুক্তভোগী এক পড়ুয়ার অভিযোগ, “তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে শিক্ষকরাও পাশে থাকছেন না। তাই ডিনকে বারবার সমস্ত ঘটনা জানালেও তিনি কোনও সাহায্য করছেন না। এরকম হেনস্থা চললে পড়াশোনা চালানো কঠিন হয়ে যাচ্ছে। কীভাবে কোর্স শেষ করব জানি না। প্রতি রাতে হোস্টেলের ঘরে ঢুকে হুমকি দিচ্ছে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতারা। ” 

    আরও পড়ুন: রাজ্যে ডেঙ্গির পরিস্থিতি ভয়াবহ, এর থেকে রেহাই পেতে কী করবেন ও কী করবেন না?

    হাসপাতাল প্রশাসন রাজ্যের শাসক দলের হয়েই পরোক্ষে কাজ করে এ অভিযোগ ব্যতিক্রম নয়। রাজ্যের চিকিৎসক মহলের একাংশ জানাচ্ছেন, সরকারি হাসপাতাল প্রশাসন এখন শাসক দলের অঙ্গুলি হেলনেই চলে। আর তাই রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলের নির্বাচনে অধ্যক্ষের ঘরেই শাসকের হয়ে ছাপ্পা ভোট দেওয়া থেকে শুরু করে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ‘ঘুষ’ নেওয়ার অভিযোগে নীরব থাকছে কর্তৃপক্ষ। সবকিছুই চলছে অবাধে। কোথাও প্রশাসনের পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। 

    এই ঘটনা প্রসঙ্গে মুখ খোলেননি সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ (Sagar Dutta Hospital) কর্তৃপক্ষ। কলেজের অধ্যক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “ঘটনার অভিযোগ পেয়েই তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছি। সেই নির্দেশ কার্যকরী হয়েছে। কমিটি মিটিং করেছে। সমস্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে। অভিযোগ সত্যি হলে দোষীরা উপযুক্ত শাস্তি পাবে। ” যদিও এই তদন্ত কমিটির উপর আস্থা নেই ভুক্তভোগীদের। তাঁরা জানাচ্ছেন, একাধিক মেডিক্যাল কলেজেই তৃণমূল ছাত্র পরিষদের জুলুম চলছে। এরকম তদন্ত কমিটি তৈরি হচ্ছে ঠিকই। কিন্তু তার কোনও ফল পাওয়া যাচ্ছে না। সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজের তদন্ত কমিটিতেও অধ্যক্ষ উপস্থিত থাকছেন না। তদন্ত কমিটির অন্য সদস্যেরা ভুক্তভোগীদের জানিয়ে দিচ্ছেন, প্রত্যেক মুহূর্তে সকলকে নিরাপত্তা দেওয়া কলেজ কর্তৃপক্ষের পক্ষে সম্ভব নয়। নিজেদের সাবধান থাকতে হবে। 

LinkedIn
Share