Tag: tobacco

tobacco

  • Tobacco Pan Masala Tax Hike: ১ ফেব্রুয়ারি থেকে বহুমূল্য সিগারেট, নেশার আরও আরও কোন জিনিসের দাম বাড়ছে?

    Tobacco Pan Masala Tax Hike: ১ ফেব্রুয়ারি থেকে বহুমূল্য সিগারেট, নেশার আরও আরও কোন জিনিসের দাম বাড়ছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরে নেশার জন্য বাড়তি টাকা গুনতে হবে ধূমপায়ীদের! দাম বেড়ে যাচ্ছে সিগারেট, তামাক, পানমশলার (Tobacco Pan Masala Tax Hike)। কেন্দ্রীয় সরকার ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে তামাকজাত দ্রব্য ও পানমশলার উপর বাড়তি কর আরোপের সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে চলেছে। জিএসটি কমপেনসেশন সেস (GST Compensation Cess) তুলে দিয়ে তার জায়গায় চালু হচ্ছে নতুন এক্সাইজ ডিউটি এবং স্বাস্থ্য ও জাতীয় নিরাপত্তা সেস (Health and National Security Cess)। সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই নতুন কর কাঠামো বিদ্যমান জিএসটি হারের উপর অতিরিক্তভাবে বসবে।

    কেন্দ্রের বিজ্ঞপ্তি, কবে থেকে কার্যকর

    প্রায় সাত বছর পরে ফের তামাকজাত পণ্যের উপরে আবগারি শুল্ক বসাতে চলেছে কেন্দ্র। লক্ষ্য রাজস্ব আদায় বাড়ানো এবং তামাকজাত পণ্যের ক্ষেত্রে করফাঁকি ঠেকানো। সম্প্রতি সরকারের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে তামাকজাত পণ্যের উপর অতিরিক্ত আবগারি শুল্ক এবং পানের মশলার উপর নতুন স্বাস্থ্য ও জাতীয় নিরাপত্তা সেস কার্যকর হবে। জিএসটি হারের উপরে অতিরিক্ত হিসেবে এই নতুন কর ব্যবস্থা আরোপ করা হবে। সে ক্ষেত্রে বর্তমানে যে ক্ষতিপূরণ সেস বা কম্পেনসেশন সেস এই তথাকথিত ‘সিন গুডস’ এর উপরে নেওয়া হচ্ছিল, তা সম্পূর্ণ ভাবে তুলে নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বর মাসে সংসদে দুটি পৃথক বিল পাশ হয়, যার মাধ্যমে পানের মশলা উৎপাদনের উপর স্বাস্থ্য ও জাতীয় নিরাপত্তা সেস আরোপ এবং তামাকজাত পণ্যের উপর অতিরিক্ত আবগারি শুল্ক নেওয়ার আইনি প্রক্রিয়া তৈরি হয়। সেই বিলগুলির অনুমোদনের পরেই সরকার তা কার্যকর করার তারিখ ঘোষণা করল। অর্থ মন্ত্রকের তরফে স্পষ্ট করা হয়েছে, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে বর্তমান জিএসটি ক্ষতিপূরণ সেস আর বলবৎ থাকবে না।

    কোন দ্রব্যে কত কর

    সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে পানের মশলা (Tobacco Pan Masala Tax Hike), সিগারেট, তামাক এবং অনুরূপ তামাকজাত পণ্যের উপর ৪০ শতাংশ হারে পণ্য ও পরিষেবা কর বা জিএসটি প্রযোজ্য হবে। অন্যদিকে, বিড়ির ক্ষেত্রে জিএসটি হার নির্ধারিত হয়েছে ১৮ শতাংশ। তবে এখানেই করের বোঝা শেষ হচ্ছে না। জিএসটির পাশাপাশি পানের মশলার উপরে আরোপ করা হবে নতুন স্বাস্থ্য ও জাতীয় নিরাপত্তা সেস, আর তামাক ও তামাকজাত অন্যান্য পণ্যের ক্ষেত্রে নেওয়া হবে অতিরিক্ত আবগারি শুল্ক। চিউয়িং ও জর্দা সেন্টেড তামাক এবং গুটখার উপরে যথাক্রমে ৮২ শতাংশ এবং ৯১ শতাংশ হারে আবগারি শুল্ক ধার্য করা হবে। অর্থাৎ, জিএসটির বাইরে পৃথকভাবে এই কর আদায় করা হবে, যা সংশ্লিষ্ট পণ্যের চূড়ান্ত দাম আরও বাড়িয়ে দেবে। সিগারেটের ফিল্টারের আকার এবং দৈর্ঘ্যের উপর ভিত্তি করে শুল্ক ধার্য করা হবে। সে ক্ষেত্রে দাম ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে বিশেষজ্ঞদের দাবি।

    কর ফাঁকি দেওয়া কঠিন

    বুধবার এই সংক্রান্ত আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তিও জারি করেছে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক। ‘চিউইং টোব্যাকো, জর্দা সেন্টেড টোব্যাকো এবং গুটখা প্যাকিং মেশিনস (ক্যাপাসিটি ডিটারমিনেশন অ্যান্ড কালেকশন অব ডিউটি) রুলস, ২০২৬’ নামে নতুন নিয়ম কার্যকর করার কথা জানানো হয়েছে। এই নিয়মে তামাক ও গুটখা উৎপাদনে ব্যবহৃত প্যাকিং মেশিনের উৎপাদন ক্ষমতার ভিত্তিতে শুল্ক নির্ধারণ ও আদায়ের একটি কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। সরকারের বক্তব্য, এর ফলে কর ফাঁকি রোধ করা সহজ হবে এবং উৎপাদনের প্রকৃত পরিমাণ অনুযায়ী রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করা যাবে। এই নিয়মে, তামাকজাত পণ্য, গুটখা এবং পান মশলার প্যাকেজিং ও পাউচ প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলিকে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে তাদের কারখানায় যেখানে প্যাকিং মেশিন রয়েছে, সেখানে সিসিটিভি-র ব্যবস্থা করতে হবে। কমপক্ষে দু’বছরের জন্য এই সিসিটিভি-র ফুটেড সংরক্ষণ করতে হবে সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে।

    জনস্বাস্থ্যেই এই পদক্ষেপ

    এর পাশাপাশি উৎপাদনকারী সংস্থাকে কারখানায় কতগুলি মেশিন রয়েছে এবং তাদের উৎপাদন ক্ষমতা কত তা আবগারি দফতরের আধিকারিকদের জানাতে হবে। কমপক্ষে ১৫ দিন কোনও মেশিন বন্ধ থাকলে তা জানিয়ে আবগারি শুল্কে ছাড়ের দাবিও জানাতে পারবে সংস্থাগুলি। সরকারের দাবি, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। তামাক ও পানের মশলা ব্যবহারের ফলে জনস্বাস্থ্যের উপরে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে, তা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি এই ক্ষেত্র থেকে রাজস্ব আদায়ের কাঠামো আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করাই এই পরিবর্তনের মূল উদ্দেশ্য। তবে শিল্প মহলের একাংশের আশঙ্কা, করের অতিরিক্ত বোঝার ফলে উৎপাদন খরচ ও খুচরো দাম বাড়তে পারে, যার প্রভাব পড়বে ক্রেতাদের উপরে।

  • Sin Tax: দেশজুড়ে চর্চা, এই পণ্যগুলি কিনলে বইতে হবে বাড়তি ‘পাপের বোঝা’! কী এই ‘সিন ট্যাক্স’?

    Sin Tax: দেশজুড়ে চর্চা, এই পণ্যগুলি কিনলে বইতে হবে বাড়তি ‘পাপের বোঝা’! কী এই ‘সিন ট্যাক্স’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৭ সালে চালু হয় পণ্য ও পরিষেবা কর, যাকে বলা হয় জিএসটি। ৮ বছর পর বুধবার, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জিএসটি কাউন্সিল করের স্ল্যাব পুনর্বিন্যাস করেছে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন নতুন জিএসটি হার ঘোষণা করেছেন। নতুন জিএসটি কর হারের ঘোষণা হওয়া ইস্তক দেশে একজোড়া শব্দবন্ধ নিয়ে বিস্তর আলোচনা হচ্ছে। তা হচ্ছে ‘সিন ট্যাক্স’ (Sin Tax)।

    জিএসটি কাউন্সিলের ঘোষণা অনুযায়ী, এ বার থেকে দু’টি হারে জিএসটি কার্যকর হবে— ৫ এবং ১৮ শতাংশ। ১২ এবং ২৮ শতাংশের যে জিএসটি স্তর ছিল, তা তুলে দেওয়া হল। এছাড়া, কিছু পণ্যকে রাখা হয়েছে ৪০ শতাংশ হারের বিশেষ তালিকায়। এই বিশেষ কর হারের তালিকাকে বলা হচ্ছে ‘সিন অ্যান্ড লাক্সারি ট্যাক্স’ (Sin Tax) আর সেই তালিকায় থাকা পণ্যগুলিকে বলা হচ্ছে ‘সিন অ্যান্ড লাক্সারি গুডস’।

    ‘সিন ট্যাক্স’-এর বাংলা অর্থ করলে বোঝায় ‘পাপের কর’। অর্থাৎ, অর্থনৈতিক ও নীতিগতভাবে এই শব্দটি একটি নির্দিষ্ট গুরুত্ব বহন করে। কারণ, মনে করা হয়, ব্যক্তি বা সমাজের ওপর ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলে—এমন জিনিসগুলিকে এই করের আওতায় আনা হয়। অর্থাৎ, ‘সিন ট্যাক্স’-এর আওতায়। সাম্প্রতিক সময়ে জিএসটি কাউন্সিলের সভায় এই ‘সিন ট্যাক্স’-এর প্রাসঙ্গিকতা ফের একবার উঠে এসেছে, বিশেষত এই করের মাধ্যমে রাজস্ব তৈরি এবং এই করের আওতায় থাকা জিনিসগুলি কীভাবে যেকোনও মানুষের আচরণকে প্রভাবিত করে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ভারতবর্ষের (India) ক্ষেত্রে ‘সিন ট্যাক্স’ (Sin Tax) কিভাবে কাজ করে, তা বোঝা আমাদের পক্ষে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই নিয়েই আমাদের প্রতিবেদন।

    ‘সিন ট্যাক্স’ আরোপিত করা হচ্ছে এমন কতগুলি পণ্য

    শুরুর কথাতেই যেমন বলা হয়েছে, নাগরিকদের স্বাস্থ্য, সমাজ বা পরিবেশের উপর ক্ষতিকারক বলে বিবেচিত হয় এমন পণ্য ও পরিষেবার উপর আরোপিত একটি করকেই ‘সিন ট্যাক্স’ (Sin Tax) বলা হয়। এগুলি সাধারণভাবে বেশিরভাগটাই অপ্রয়োজনীয় জিনিস এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ে অথবা সামাজিক ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদী একটি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং সমাজের ক্ষতি ডেকে আনতে পারে। এবার কয়েকটি উদাহরণ সহ বোঝা যাক—যেমন, ‘সিন ট্যাক্স’-এর আওতায় পড়ছে তামাক, সিগারেট, মদ্যপান, পান মসলা, জুয়া, যেকোনও ধরনের বাজি। এর পেছনে উদ্দেশ্য হল—এই করের আওতায় থাকা জিনিসগুলি যাতে মানুষ কম ব্যবহার করেন এবং সেগুলির প্রতি মানুষের আকর্ষণ কমে যায়, সেইজন্যই সরকার এগুলির ওপর বেশি কর আরোপ করছে, জিএসটি বেশি নিচ্ছে।

    বর্তমানে সিগারেট ও তামাকজাত পণ্যের উপরে সর্বোচ্চ ২৮ শতাংশ জিএসটি রয়েছে

    দেশে বর্তমানে সিগারেট ও তামাকজাত পণ্যের উপরে সর্বোচ্চ ২৮ শতাংশ জিএসটি রয়েছে। ভারতে সিগারেটের উপরে মোট ৫২ শতাংশ কর চালু রয়েছে। বিড়ির উপরে ২২ শতাংশ কর বর্তমানে চালু রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ ভারত। সেই অনুযায়ী, তামাকজাত পণ্যে ৭৫ শতাংশ কর আরোপ করতে পারে ভারত সরকার। ৪০ শতাংশ জিএসটি হওয়ায় এই করের হার ৬৪ শতাংশ হবে। উদ্দেশ্য স্পষ্ট—দাম যত বাড়বে, তত মানুষ এগুলি কিনতে চাইবেন না। বলা হচ্ছে, ভারতবর্ষের মতো দেশে জনস্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ আজ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। এই চ্যালেঞ্জের অন্যতম কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে—তামাক ব্যবহার, অ্যালকোহল সেবন এবং জীবনযাত্রা-সম্পর্কিত নানা স্বাস্থ্য সমস্যা, যা সমাজকেও ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে কী বলা হল?

    একই সঙ্গে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে—তামাক ব্যবহারের ফলে ভারতে প্রচুর মানুষের মৃত্যু হয়। শুধু তাই নয়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এও জানিয়েছে যে, প্রতিবছর শুধুমাত্র তামাক ব্যবহারের কারণেই ভারতে প্রায় ১৩.৫ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়। সারা পৃথিবীর মধ্যে ভারতের নাগরিকরাই সবচেয়ে বেশি তামাক ব্যবহার করেন। তামাক উৎপাদনকারী দেশ হিসেবেও ভারত সারা পৃথিবীতে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।

    ১৫ বছর বা তার বেশি বয়সের প্রায় ২৬ কোটি মানুষ তামাক সেবন করে

    ২০১৬-১৭ সালের ‘গ্লোবাল অ্যাডাল্ট টোব্যাকো সার্ভে ইন্ডিয়া’-র তথ্য অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে, ভারতে ১৫ বছর বা তার বেশি বয়সের প্রায় ২৬ কোটি মানুষ তামাক (Sin Tax) ব্যবহার করেন। ভারতে তামাক ব্যবহারের সবচেয়ে প্রচলিত ধরন হল ‘ধোঁয়াবিহীন তামাক’। এর মধ্যে পড়ে—খৈনি, গুটখা, পান তামাক, জর্দা ইত্যাদি। আর ধোঁয়াযুক্ত তামাকের মধ্যে পড়ে—বিড়ি, সিগারেট, হুক্কা ইত্যাদি। এই ধরনের ‘সিন ট্যাক্স’ আরোপ করে মোদি সরকার অতিরিক্ত তামাক সেবনকে রুখতে চাইছে এবং স্বাস্থ্যসেবা ব্যয় পরিচালনার জন্য অতিরিক্ত রাজস্ব সুরক্ষিত করতে চাইছে।

    এক নজরে ‘সিন অ্যান্ড লাক্সারি গুডস’-এর তালিকা

    ১) তামাকজাত পণ্য, ২) গুটখা, ৩) পানমশলা, ৪) জর্দা, ৫) অন্যান্য তামাকজাত পণ্য, ৬) সিগারেট, ৭) সিগার/চুরুট, ৮) মিষ্টি যুক্ত ঠান্ডা পানীয়, ৯) কোল্ড ড্রিঙ্কস, ১০) ক্যাফিন যুক্ত কোল্ড ড্রিঙ্কস, ১১) লাক্সারি গাড়ি, ১২) ১২০০ সিসির বেশি ইঞ্জিন ক্যাপাসিটির পেট্রল গাড়ি, ১৩) ১৫০০ সিসির বেশি ইঞ্জিন ক্যাপাসিটির ডিজেল গাড়ি, ১৪) ৩৫০ সিসির উপরে মোটরবাইক, ১৫) ইয়ট, ১৬) হেলিকপ্টার, প্রাইভেট এয়ারক্রাফট, ১৭) কয়লা, লিগনাইট, পিট, ১৮) অনলাইন গ্যাম্বলিং ও গেমিং সার্ভিস

  • Cancer: সিগারেট কিংবা মদ্যপানই যেন ‘স্মার্টনেস’-এর পরিচয়! বয়ঃসন্ধিকালে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ক্যান্সার

    Cancer: সিগারেট কিংবা মদ্যপানই যেন ‘স্মার্টনেস’-এর পরিচয়! বয়ঃসন্ধিকালে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ক্যান্সার

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার অনেক আগেই হাতে এখন স্মার্টফোন! বন্ধুমহলে দেশ-বিদেশের ট্রেন্ডি ফ্যাশন থেকে জীবন যাপনের ধরন, সবটাই এখন হাতের মুঠোয়। বছর বছর বদলে যাচ্ছে ‘স্মার্ট’ দেখানোর সংজ্ঞা। কিন্তু এই সবকিছুর মধ্যেও থেকে যাচ্ছে ধূমপানের মতো অভ্যাস! বিশেষ করে কম বয়সি ছেলেমেয়েদের মধ্যে বাড়ছে এই অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস। আর তার জেরেই বিপদ বাড়ছে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দেশ জুড়ে মুখ ও গলার ক্যান্সারে (Cancer) আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষত কম বয়সিদের মধ্যেও এই সমস্যা বিশেষভাবে বাড়ছে। তাই উদ্বিগ্ন চিকিৎসক মহল।

    কতখানি বিপদ বাড়াচ্ছে মুখ ও গলার ক্যান্সার? (Cancer)

    সাম্প্রতিক প্রকাশিত এক রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশ জুড়ে ক্যান্সারের প্রকোপ বাড়ছে। বিশেষত মুখ ও গলার ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক। এ রাজ্যে মোট ক্যান্সার আক্রান্তের এক তৃতীয়াংশ মুখ ও গলার ক্যান্সারে আক্রান্ত। প্রতি বছর দেশে প্রতি দশজনের মধ্যে ২ জন মুখ ও গলার ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। আর সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, খুব কম বয়সিদের মধ্যেও এই সমস্যা বাড়ছে। বয়স কুড়ির কোঠায় যাওয়ার পরেই অনেকেই এই ধরনের সমস্যায় (Cancer) আক্রান্ত হচ্ছেন। এর ফলে তাঁর স্বাভাবিক জীবন যাপন সম্পূর্ণ ব্যাহত হচ্ছে। যা যথেষ্ট উদ্বেগের বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    কেন কম বয়সিদের মধ্যে এই ক্যান্সারের প্রকোপ বাড়ছে?

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, কম বয়সিদের মধ্যে ধূমপানের প্রবণতা বেড়েছে। আর তামাকজাত পণ্যের অভ্যাস বাড়াচ্ছে‌ ক্যান্সারের দাপট। তাঁরা জানাচ্ছেন, সিগারেট কিংবা মদ্যপান করাকে বারো-তেরো বছরের অধিকাংশ ছেলেমেয়ে বন্ধুমহলে নিজেদের ‘স্মার্টনেস’ (Smartness) প্রকাশের মাধ্যম ভাবছে, আর তাতেই বাড়ছে বিপদ! স্মার্টনেস প্রকাশের মাধ্যম যে শরীরে ভয়ানক প্রভাব ফেলছে, তা অনেক সময়েই তারা টের পাচ্ছে না। অজান্তেই নেশার কবলে পড়ছে। পরবর্তীতে অনেক সময়েই অভ্যাস ছাড়া কঠিন হয়ে যাচ্ছে। আর তার জেরেই বাড়ছে ক্যান্সারের মতো রোগের দাপট। তামাকের জেরে মুখ ও গলার ক্যান্সারের (Cancer) ঝুঁকি যেমন বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে ফুসফুসের ক্যান্সারের দাপট। ধূমপানের পাশপাশি একাধিক পান মশলাতেও তামাক ব্যবহার করা হয়। কম বয়সিদের মধ্যে এই জাতীয় পণ্যের ব্যবহারও বাড়ছে। তাই বাড়ছে মুখ ও‌ গলার ক্যান্সারের ঝুঁকি।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল? (Cancer)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সচেতনতা জরুরি। ক্যান্সার রোগ নির্ণয়ে যেমন সচেতনতা জরুরি, তেমনি ক্যান্সারের প্রকোপ রুখতেও প্রয়োজন সচেতনতা।‌ তাঁরা জানাচ্ছেন, স্কুল স্তর থেকে এই নিয়ে কর্মশালা প্রয়োজন। বিশেষত বয়ঃসন্ধিকালে থাকা ছেলেমেয়েদের আরও বেশি করে কাউন্সেলিং দরকার। ধূমপান যে স্মার্টনেস প্রকাশের মাধ্যম নয়, সে সম্পর্কে‌ তাদের বোঝানো‌ জরুরি। পাশপাশি প্রয়োজন নজরদারি। কম বয়সি পড়ুয়ারা কী ধরনের জিনিস কিনছে, সে নিয়ে পরিবারের সতর্কতা প্রয়োজন। পাশপাশি স্থানীয় প্রশাসনের সক্রিয়তা দরকার বলেও‌ মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, স্কুল চত্বরের আশপাশে যাতে সিগারেট এবং অন্যান্য তামাকজাত দ্রব্যের দোকান না থাকে, বিজ্ঞাপন না থাকে, সে নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সক্রিয়তা দরকার। তবেই এই রোগের দাপট আটকানো সহজ হবে।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Piyush Goyal: “তামাক শিল্পে এফডিআই উদারীকরণ করবে না সরকার”, সাফ জানালেন গোয়েল

    Piyush Goyal: “তামাক শিল্পে এফডিআই উদারীকরণ করবে না সরকার”, সাফ জানালেন গোয়েল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “তামাক শিল্পে এফডিআই (FDI) উদারীকরণ করবে না কেন্দ্রীয় সরকার।” মঙ্গলবার একথা জানালেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্য মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল (Piyush Goyal)। নয়াদিল্লিতে শিল্পক্ষেত্রের অনুষ্ঠানের ফাঁকে একথা বলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তামাক শিল্পে সরকার এফডিআইয়ের বিভিন্ন বিধিগুলি আরও কঠোর করার কথা ভাবছে বলেও জানান তিনি।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী? (Piyush Goyal)

    মন্ত্রী জানান, তামাক প্রোডাক্টের ফ্র্যাঞ্চাইজি, ট্রেডমার্ক এবং তামাকের কোনও ব্র্যান্ডিং এবং এই জাতীয় কোনও সাবস্টিটিউটের ক্ষেত্রে সরকার এফডিআই রেস্ট্রিকশনের কথা ভাবছে। প্রসঙ্গত, সরকারি নিয়মে ভারতে বর্তমানে তামাক জাতীয় প্রোডাক্ট উৎপাদনে এফডিআই অনুমোদন করা হয়নি। তামাক শিল্পে এফডিআই নীতি কঠোর করার প্রস্তাব বিবেচনাধীন বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি জানান, বিষয়টি মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য চূড়ান্ত পর্যায়ের প্রস্তাব প্রস্তুত করা হয়েছে। তামাক শিল্পকে পাপ বলেই বিবেচনা করা হয়।

    শিল্পমন্ত্রকের পার্লামেন্টারি কমিটির প্রস্তাব

    এই শিল্পের ক্ষেত্রেই থাকে হরেক কিসিমের চাপ। যখন তখনই বাড়িয়ে দেওয়া হয় মোটা অঙ্কের কর। ভারতে তামাক শিল্পেই (Piyush Goyal) জিএসটি দিতে হয় সব চেয়ে বেশি, ২৮ শতাংশ। ৬১ শতাংশ তামাক প্রোডাক্টের ওপর ট্যাক্স দিতে হয় দু’শো শতাংশ। ২০২০ সালে বাণিজ্য এবং শিল্পমন্ত্রকের পার্লামেন্টারি কমিটি এই শিল্পে এফডিআইয়ের প্রস্তাব দিয়েছিল। তাদের যুক্তি ছিল, এতে করে তামাকজাত দ্রব্য বেশি করে রফতানি হবে। প্যানেল অবশ্য এ-ও বলেছিল, এই প্রস্তাব প্রযোজ্য হবে কেবলমাত্র তামাক ফার্মগুলির ক্ষেত্রে।

    আর পড়ুন: ব্রিকস পার্লামেন্টারি ফোরামে ভারতীয় সংসদীয় দলের নেতৃত্ব দেবেন স্পিকার

    সিগারেট রফতানিতে ভারত বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। ইউএন কমট্রেডের হিসেব বলছে, ভারত ২০২২ সালে সিগারেট রফতানি করেছিল ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি। আমদানি করেছিল ২৬ মিলিয়নের কাছাকাছি তামাকজাত দ্রব্য। আইবিইএফের হিসেবে, ভারতে তামাক ফার্মিং ক্ষেত্রে কাজ করেন ৩৬ মিলিয়ন মানুষ। এর মধ্যে রয়েছেন প্রসেসিং, ম্যানুফ্যাকচারিং এবং এক্সপোর্টের কাজে জড়িত মানুষজনও। প্রতিবার কেন্দ্রীয় বাজেটে মোটা অঙ্কের কর আরোপ করা হয় তামাক শিল্পে।

    উল্লেখ্য, সম্প্রতি ভারতে অননুমোদিত উৎপাদন ও চিবানো তামাকের ব্যবহার কমাতে সরকারকে সাহায্য করার অনুরোধ করেছিলেন ব্যবসায়ীরা। তাঁরা এ-ও (FDI) জানিয়েছিলেন, এতে বিপুল ক্ষতি হচ্ছে সরকারি কোষাগারের। দেশে বেআইনিভাবে উৎপাদিত সিগারেটের বিক্রি বেড়েছে বলেও জানিয়েছিলেন (Piyush Goyal) তাঁরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tobacco: তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ফুসফুসের সংক্রমণ বেড়েই চলেছে! এর অন্যতম কারণ কী জানেন?

    Tobacco: তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ফুসফুসের সংক্রমণ বেড়েই চলেছে! এর অন্যতম কারণ কী জানেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সিগারেট, বিড়ির মাধ্যমে কিংবা পান, গুটখার মাধ্যমে। তামাক বাড়াচ্ছে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি। একাধিক আন্তর্জাতিক গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে তামাক (Tobacco) সেবনের প্রবণতা বাড়ছে। পুরুষদের পাশপাশি মহিলাদের মধ্যেও এই প্রবণতা দেখা দিচ্ছে। বয়ঃসন্ধিকালে থাকা ছেলেমেয়েদের মধ্যেও তামাক সেবনের প্রবণতা বাড়ছে। বিশেষত ধূমপানে আসক্তি বাড়ছে। যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক। বিশ্ব তামাক বিরোধী দিবসে চিকিৎসকদের একাংশ জানালেন, তামাক সেবন না করলে কমবে একাধিক রোগের ঝুঁকি। তাঁরা জানাচ্ছেন, তামাক স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক। সুস্থ জীবনযাপনের প্রথম শর্ত তামাকে আসক্ত না হওয়া। দেখে নিন, কোন কোন রোগের ঝুঁকি বাড়ায় তামাক?

    ১. ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায় তামাক (Tobacco)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, যে কোনও ধরনের তামাক শরীরে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, সিগারেট, বিড়ির মতো তামাকজাত দ্রব্য নিয়মিত ধূমপান করলে ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে। আবার পান, গুটখায় ব্যবহৃত তামাক মুখ ও গলার ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তাঁরা জানাচ্ছেন, আলকাতরা সহ একাধিক উপাদান তামাকজাত দ্রব্যে থাকে, যার প্রভাব স্বাস্থ্যের উপরে ভয়ঙ্কর পরে। তাই তামাক ক্যান্সারের অন্যতম কারণ।

    ২. তামাক বাড়ায় ফুসফুসের অসুখ

    ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ (সিওপিডি) থেকে অ্যাজমা, ফুসফুসের একাধিক রোগের কারণ তামাক। অতিরিক্ত ধূমপান ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়।‌ ফুসফুসে বায়ু যাতায়াতের এক ধরনের জাল থাকে, তা নষ্ট করে দেয় তামাক। এর জেরে ফুসফুসের কার্যকারিতা কমে। এর জেরেই সিওপিডি, অ্যাজমার মতো রোগের প্রকোপ বাড়ে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ফুসফুসের সংক্রমণ বাড়ার অন্যতম কারণ ধূমপানের অভ্যাস। তামাক ফুসফুসের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে (Tobacco)।

    ৩. তামাক বাড়ায় স্ট্রোকের ঝুঁকি

    নিয়মিত তামাকজাত দ্রব্য সেবন করলে রক্ত ও স্নায়ুর উপরে চাপ পড়ে। রক্ত ও স্নায়ুর চাপ বাড়লে, মস্তিষ্কের উপরে প্রভাব পড়ে। তার জেরেই হয় স্ট্রোক। তাই তামাকজাত দ্রব্য সেবন করলে স্ট্রোকের ঝুঁকি কয়েক গুণ বেড়ে যায় বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    ৪. হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায় তামাক (Tobacco)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, হৃদরোগ বিশেষত হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায় তামাক। তামাকজাত দ্রব্য শরীরে এক ধরনের উত্তেজনা তৈরি করে। এর সরাসরি প্রভাব হৃদপিণ্ডের উপরে পড়ে। তাঁরা জানাচ্ছেন, তামাক সেবন করলে রক্ত সঞ্চালনে বাধা পড়ে। ফলে হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা ঠিক মতো হয় না‌। এর জেরে একাধিক হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। বিশেষত হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়।

    ৫. মানসিক অস্থিরতা তৈরি করে তামাক

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তামাকের রয়েছে নিকোটিন। তাই যে কোনও তামাকজাত দ্রব্য নিয়মিত সেবন করলে স্নায়ু ও হরমোন তার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। তামাকজাত দ্রব্যের জেরে এক ধরনের আসক্তি তৈরি হয়। এই নিকোটিনের জেরেই মানসিক স্বাস্থ্যে বিঘ্ন ঘটে। মানসিক অস্থিরতা তৈরি হয় (Tobacco)। তাই তামাক শরীরের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ও খুবই ভয়ঙ্কর।

    ৬. বন্ধ্যাত্বের অন্যতম কারণ তামাক

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তামাকজাত দ্রব্য বাড়ায় বন্ধ্যত্বের ঝুঁকি। তাঁরা জানাচ্ছেন, মহিলাদের বন্ধ্যাত্বের সমস্যা বাড়ার অন্যতম কারণ তামাক সেবন। তামাক জরায়ু এবং ওভারির বিশেষ ক্ষতি করে। তবে শুধু মহিলাদের নয়, তামাক পুরুষদের মধ্যেও বন্ধ্যাত্বের সমস্যা বাড়িয়ে দেয়।

    ৭. ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্তের ঝুঁকি বাড়ায় তামাক (Tobacco)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসে আক্রান্তের ঝুঁকিও বাড়ায় তামাক। এক সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, তামাক সেবনকারীরা ইনফ্লুয়েঞ্জায় বেশি আক্রান্ত হন। ভোগান্তিও বেশি হয়। বিশেষত প্রবীণ নাগরিকদের এই সমস্যা বেশি হয়।

    ৮. ডায়বেটিস রোগীদের বিপদ বাড়ায় তামাক সেবনের অভ্যাস

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগী ধূমপানে অভ্যস্ত হলে কিংবা তামাক সেবন করলে আরও বিপদ বাড়ে। ডায়বেটিস আক্রান্তদের হৃদরোগ ও কিডনির রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি‌ বেশি থাকে। তার সঙ্গে ধূমপানের অভ্যাস সেই ঝুঁকি আরও কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। পাশাপাশি, ডায়াবেটিস আক্রান্তদের রোগ প্রতিরোধ শক্তি কম থাকে। ধূমপান করলে নানান রোগের ঝুঁকি বিশেষত সংক্রমণ রোগের ঝুঁকি বাড়ে। কারণ এই অভ্যাস ফুসফুস ও শ্বাসনালীকে দূর্বল করে দেয়। তাই ডায়বেটিস আক্রান্তদের ধূমপানের অভ্যাস বাড়তি বিপদ তৈরি করে (Tobacco)। 

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, প্রতি বছর ৫০ লাখের বেশি মানুষ তামাক সেবনের জন্য মারা যাচ্ছে। সময়ের আগেই মৃত্যুর কারণের তালিকায় তামাক সেবনের জেরে মৃত্যু সবচেয়ে বেশি হয়। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, তামাকমুক্ত জীবন জরুরি। তবেই সুস্থ দীর্ঘ জীবনযাপন সম্ভব।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Stroke: নিয়মিত হাঁটা আর খাবারে রাশ কমাতে পারে স্ট্রোকের ঝুঁকি?

    Stroke: নিয়মিত হাঁটা আর খাবারে রাশ কমাতে পারে স্ট্রোকের ঝুঁকি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    বিশ্বজুড়ে বাড়ছে হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের দাপট। চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, তরুণ প্রজন্মের মধ্যেও বাড়ছে এই দুই রোগ। আর তার নেপথ্যে রয়েছে হাইপারটেনশন। তাঁরা জানাচ্ছেন, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ এবং অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। বয়স তিরিশের চৌকাঠ পেরনোর পরেই বাড়ছে নানান শারীরিক জটিলতা। অনেক ক্ষেত্রে সচেতনতার অভাবে বড় বিপদ ঘটছে। মস্তিষ্কের উপরে মারাত্মক চাপ পড়ছে। ফলে, স্ট্রোক হচ্ছে (Stroke)। এর জেরে ভোগান্তি বাড়ছে। এমনকি খুব কম বয়স থেকেই অনেকে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারছেন না। কিন্তু চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, সচেতনতা বাড়ালে হাইপারটেনশনের মতো সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। আর তাহলেই হৃদরোগ কিংবা স্ট্রোকের মতো বিপদকে এড়ানো সহজ হবে। দেখা যাক, কোন পাঁচ অভ্যাস নিয়ন্ত্রণে রাখবে হাইপারটেনশন?

    নিয়মিত আধ ঘণ্টা হাঁটা (Stroke)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিয়মিত অন্তত তিরিশ মিনিট হাঁটতে হবে। সকাল হোক বা সন্ধ্যা, নিয়ম করে অন্তত তিরিশ মিনিট হাঁটলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। শরীরের সর্বত্র ঠিকমতো রক্ত সঞ্চালন হয়। ফলে হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা বাড়ে। পাশপাশি স্নায়ু ঠিকমতো কাজ করে। ফলে, হৃদরোগ কিংবা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে। পাশাপাশি, নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস ওজন নিয়ন্ত্রণে বিশেষ সাহায্য করে। আর হাইপারটেনশন কাবু করতে স্থূলতা রুখতে হবে বলেও জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    বাড়তি নুন একেবারেই না

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একাধিক রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, ভারতে হাইপারটেনশন বাড়ার অন্যতম কারণ খাবারে অতিরিক্ত নুন খাওয়ার অভ্যাস। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, অধিকাংশ ভারতীয় প্রয়োজনের তুলনায় ২০ শতাংশ অতিরিক্ত নুন খান। আর তার জেরে রক্ত সঞ্চালনে সরাসরি প্রভাব পড়ে। ফলে, হাইপারটেনশনের (Stroke) মতো রোগের লক্ষণ দেখা দেয়। হৃদরোগ কিংবা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে হলে, অতিরিক্ত নুন খাওয়ার অভ্যাস বদল করতেই হবে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    ধূমপান বাড়াচ্ছে বিপদ (Stroke)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ধূমপানের অভ্যাস বিপজ্জনক। ক্যান্সারের পাশপাশি ধূমপান হৃদরোগ, ফুসফুসের সংক্রমণ এবং স্ট্রোকের মতো সমস্যার ঝুঁকি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়। কিশোর বয়স থেকেই ধূমপানের প্রবণতা দেখা দিচ্ছে। মহিলাদের মধ্যেও ধূমপানের অভ্যাস বাড়ছে। এই অভ্যাস বিপজ্জনক। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ করলে স্ট্রোক কিংবা হৃদরোগের ঝুঁকি কয়েক গুণ কমে। হাইপারটেনশনকে নিয়ন্ত্রণের সুযোগ অন্তত ১০ গুণ বেড়ে যায়। তাই ধূমপানের অভ্যাস থাকলে তাকে ত্যাগ করা জরুরি।

    স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে অভ্যস্থ হতে হবে

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, খাবারেই রয়েছে সুস্থ জীবনের চাবিকাঠি। তাই সঠিক খাবারে অভ্যস্ত হলে হাইপারটেনশনের মতো রোগকেও সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তাই নিয়মিত পর্যাপ্ত ভিটামিন ও খনিজ সম্পদ সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। তাই কিসমিস, খেজুর, বাদাম জাতীয় খাবার খাওয়া উচিত। এগুলো রক্ত সঞ্চালনে বিশেষ সাহায্য করে। তাছাড়া, অতিরিক্ত তেলমশলা জাতীয় খাবার কিংবা রাসায়নিক দেওয়া প্রিজারভেটিভ খাবার খাওয়া একেবারেই বাদ দিতে হবে। এতে দেহে বাড়তি চর্বি তৈরি হয়। কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়ে। তাই হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে (Stroke)।

    শরীরের পাশাপাশি জরুরি মানসিক স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখা!

    শরীরের পাশপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখা জরুরি। হাইপারটেনশনের মতো রোগ কাবু করতে মানসিক স্বাস্থ্যে বাড়তি নজরদারি জরুরি বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাই মানসিক চাপ বাড়লে খেয়াল রাখতে হবে। পরিবারের কেউ লাগাতার মানসিক চাপ কিংবা মানসিক অবসাদের শিকার হলে তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে শরীরের পাশপাশি মনকেও সুস্থ রাখা জরুরি (Stroke)।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tobacco: তামাক ছাড়লে ক্যানসারের ঝুঁকি কমবে ৪০ শতাংশ! জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা

    Tobacco: তামাক ছাড়লে ক্যানসারের ঝুঁকি কমবে ৪০ শতাংশ! জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার থাকুক ডায়েটে! তামাকজাত (Tobacco) যে কোনও পদার্থকেই বাদ দিতে হবে ফি-দিনের তালিকা থেকে! ৩১ মে ওয়ার্ল্ড নো টোবাকো ডে-তে একথাই প্রচার করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তামাক বা তামাকজাত যে কোনও ধরনের পণ্য যেমন বিড়ি, সিগারেট, পানমশলা বা গুটখার মতো পণ্য বাড়াচ্ছে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি। তাই সুস্থ জীবনের জন্য তামাককে সম্পূর্ণ বর্জন করার পরামর্শ দিচ্ছে চিকিৎসক মহল।

    কী ঝুঁকি বাড়ছে তামাকের (Tobacco) জন্য? 

    চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, তামাক ক্যানসারের ঝুঁকি ৪০ শতাংশ বাড়িয়ে দেয়। ফুসফুস, গলা, মুখ, পেটে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায় তামাক। নিয়মিত তামাক সেবন করলে মুখ ও গলা ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাছাড়া তামাক সেবন হার্টের জন্যও ক্ষতিকারক। নিয়মিত তামাক (Tobacco) সেবন করলে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও কয়েক গুণ বেড়ে যায়। তাছাড়া ফুসফুসের নানা সংক্রমক রোগ ও বক্ষঃরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। তামাক সেবনের অভ্যাস থাকলে শ্বাসকষ্টের ঝুঁকিও বাড়তে পারে। তামাক সেবনের অভ্যাস দেহের একাধিক অঙ্গের উপর কুপ্রভাব ফেলে। তাই তামাক সুস্থ জীবনযাপনের পরিপন্থী। ওয়ার্ল্ড নো টোবাকো ডে-তে এমনটাই জানাচ্ছে বিশেষজ্ঞ মহল। 

    এ রাজ্যে তামাক (Tobacco) সেবনের হার কেমন? 

    গ্লোবাল অ্যাডাল্ট টোবাকো সার্ভের সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশজুড়ে তামাক (Tobacco) বর্জন নিয়ে সচেতনতা জরুরি। তবে, পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি বেশ উদ্বেগজনক। কারণ, ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, গোটা দেশের তুলনায় এ রাজ্যে তামাকজাত দ্রব্য, বিশেষত সিগারেটে অভ্যস্তের সংখ্যা অনেক বেশি। যা বেশ উদ্বেগের কারণ বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে মোট তামাকজাত দ্রব্যে অভ্যস্ত ব্যক্তির সংখ্যা ৩৩.৫ শতাংশ। এর মধ্যে সিগারেটে অভ্যস্ত ৫.২ শতাংশ। নিয়মিত বিড়িতে অভ্যস্ত ১৪.৪ শতাংশ। আর ধোঁয়াবিহীন তামাক অর্থাৎ, পানমশলা, গুটখা জাতীয় তামাক সেবনে অভ্যস্ত ২০.১ শতাংশ। অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, দিল্লি, চণ্ডীগড়ের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গের এই পরিসংখ্যান যথেষ্ট উদ্বেগজনক। কারণ, অন্যান্য রাজ্যের তুলনায় তামাক নিয়ে অসচেতনতা এ রাজ্যের পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক করে তুলছে।

    কী পরামর্শ দিচ্ছে চিকিৎসক মহল? 

    তামাক বাড়াচ্ছে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি। তাই প্রথম থেকেই সে দিকে বাড়তি খেয়াল রাখতে হবে। এ প্রসঙ্গে ক্যানসার-শল্য চিকিৎসক গৌতম মুখোপাধ্যায় বলেন, “ক্যানসার আক্রান্তের সংখ্যা প্রতি বছর বাড়ছে। তামাক ক্যানসারের অন্যতম কারণ। তামাক (Tobacco) বর্জন করতে না পারলে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়বে। তাই প্রথম থেকেই এ নিয়ে সতর্ক হতে হবে। কিশোর কাল থেকেই যদি সচেতনতা থাকে, তাহলে এ অভ্যাস তৈরি হবে না। তাই স্কুলপর্ব থেকেই পড়ুয়াদের এ নিয়ে সচেতন করা জরুরি। স্কুলপর্ব থেকে প্রয়োজন কর্মশালা। যাতে তারা এ বিষয়ে সজাগ থাকে। কম বয়সীদের মধ্যে বন্ধুদের অভ্যাস, জীবনযাপন সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে। তাই তাদের সতর্ক করতে পারলে কাজ অনেকটাই সহজ হবে।” আরেক ক্যানসার চিকিৎসক তাপস দাস বলেন, “সরকারি-বেসরকারি সব মহলেই সচেতনতা জরুরি। তামাক বর্জন একদিনের জন্য নয়। সারা বছর এ নিয়ে সব মহলে সক্রিয়তা দরকার। বিশেষত পার্ক, রাস্তা, মেলা, বাস স্টপ এসব জায়গায় তামাক সেবন করলে যাতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়, সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি। ” 
    বিশেষজ্ঞ মহল জানাচ্ছে, একদিকে আইনি পদক্ষেপ, আরেক দিকে সচেতনতা বদলে দিতে পারে রাজ্যের ছবি। স্কুলপর্ব থেকে সচেতনতা তরুণ প্রজন্মের মধ্যে তামাক সচেতনতা গড়ে তুলবে। আবার প্রাপ্তবয়স্ক কেউ তামাকে অভ্যস্ত থাকলে, তাঁরাও সজাগ হবেন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের সাহায্য নিয়ে এই নেশা থেকে মুক্তি সম্ভব। পাশপাশি কড়া আইন থাকলে রাস্তাঘাটে, পার্কে বা প্রকাশ্য কোনও জায়গায় তামাক সেবন করা যাবে না। যা সার্বিকভাবে রাজ্যের ধূমপানের ছবি বদলে দেবে। তবে, এসবের জন্য প্রয়োজন সরকারের সক্রিয়তা ও সদিচ্ছা। যা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share