Tag: Tomato Fever

Tomato Fever

  • Tomato Fever: মাঙ্কি পক্সের পর এবারে চোখ রাঙাচ্ছে টোম্যাটো ফ্লু! কী এর উপসর্গ, জানুন…

    Tomato Fever: মাঙ্কি পক্সের পর এবারে চোখ রাঙাচ্ছে টোম্যাটো ফ্লু! কী এর উপসর্গ, জানুন…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনা (Corona) এখনও শেষ হয়নি। তবুও এই পরিস্থিতে মাঙ্কি পক্সের (Monkey Pox) আসার পর ফের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে নতুন ফ্লু টোম্যাটো জ্বর (Tomato Fever)। ফের কেরলে এই টোম্যাটো জ্বরের দাপট দেখা যাচ্ছে। এই জ্বরে বেশি আক্রান্ত হতে দেখা যাচ্ছে শিশুদের। দক্ষিণ ভারতের কেরলে (Kerala) এই ফ্লু-তে আক্রান্ত হয়েছে অনেক শিশু।

    কেরলে এখনও পর্যন্ত ৮০ জন শিশু এই জ্বরে আক্রান্ত বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে সূত্রে খবর, অধিকাংশ আক্রান্ত কোল্লাম (Kollam) জেলায় দেখা গিয়েছে। মে মাসেই স্বাস্থ্য মন্ত্রী এই টমেটো জ্বরকে ‘এন্ডেমিক’ (Endemic) বলে ঘোষণা করেছেন। তাই কেরলের জনগণকে এই জ্বর নিয়ে বেশি আতঙ্ক হতে না করেছেন। এই জ্বর ৫ বছরের নীচে শিশুদের ওপর বেশি প্রভাব ফেলছে। এক্ষেত্রে  শিশুদেহে লাল ফোসকা দেখা যায় ও এর সঙ্গে ত্বকে জ্বালাও অনুভূত হয়।

    আরও পড়ুন: ভারতে প্রথম মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের হদিস মিলল, ভয় কতটা?

    এই জ্বরের উপসর্গ কী?

    যে শিশুদের এই সংক্রমণ হচ্ছে, তাদের গায়ে টোম্যাটোর মতো লাল রঙের ফোসকা (Blister) পড়ে। এছাড়াও জ্বর (Fever), ত্বকে জ্বালা, সর্দি, কাশি, ডায়রিয়া, বমি, পেট ব্যথা ও শরীরে ব্যথা হয়। শরীরের বিভিন্ন গাঁটেও ব্যথা হয় ও অতিরিক্ত মাত্রায় ক্লান্তিভাব থাকে। যারা জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে তাদের মধ্যে এইসব লক্ষণ দেখা গিয়েছে।

    আপনার শিশুকে এই জ্বর থেকে কীভাবে রক্ষা করবেন?

    • সামাজির দুরত্ব বজায় রাখা খুবই জরুরি।
    • পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকাও দরকারি।
    • আপনার শিশুর বিছানা, ঘর, বাথরুম, খেলনা সবকিছু পরিস্কার রাখা প্রয়োজনীয়।
    • আপনার বাচ্চা যদি এই রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে, তবে তার ব্যবহার করা কোনও জিনিস অন্যের সঙ্গে শেয়ার করা যাবে না।
    • যদি আপনার বাচ্চার মধ্যে এই জ্বরের কোনও উপসর্গ দেখতে পান, তবে তাকে ঘরেই বিশ্রামে থাকতে দেবেন ও বাইরে যাওয়া চলবে না।
    • প্রয়োজন না থাকলে আপনার শিশুকে পাবলিক জায়গায় চোখে, মুখে, নাকে হাত দিতে বারণ করুন।

    সংক্রমণ এড়ানোর জন্য কী পদক্ষেপ নেবেন?

    • সংক্রমিত শিশুদের প্রচুর পরিমাণে জল খাওয়ান এবং তা  অবশ্যই ফুটিয়ে ঠান্ডা করে রাখা জল খাওয়াতে হবে।
    • ত্বকে ফোসকা পড়লে সেই জায়গায় কোনও ভাবেই চুলকোনো যাবে না।
    • সঠিক পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখা জরুরি।
    • হালকা গরম জলে জীবাণু প্রতিরোধী কোনও কিছু মিশিয়ে স্নান করতে হবে।
    • কোনওরকম লক্ষণ পরিলক্ষিত হলেই,  দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান।

    আরও পড়ুন: অ্যান্টি ভাইরাল ওষুধের মাধ্যমে মাঙ্কিপক্সের চিকিৎসা সম্ভব, জানাল গবেষণা

    বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে এখনই এই সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলেই পরে দেখা দিতে পারে বিপদ। এমনকী দ্রুত ছড়িয়ে যেতে পারে এই রোগ। আর এই জ্বরের জন্য কোন নির্দিষ্ট ওষুধ নেই। তাই এখন থেকে প্রতিটি অভিভাবককেই হতে হবে সতর্ক।

     

LinkedIn
Share