Tag: Toy Train

Toy Train

  • Toy Train: প্রতীক্ষার অবসান! এনজেপি থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত ফের চলাচল শুরু টয় ট্রেনের

    Toy Train: প্রতীক্ষার অবসান! এনজেপি থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত ফের চলাচল শুরু টয় ট্রেনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পর্যটকদের জন্য সুখবর। আবার এনজেপি স্টেশনে নেমে টয় ট্রেনে চেপে সোজা দার্জিলিং (Darjeeling) যাওয়া যাবে। চার মাস বন্ধ থাকার পর আবার রবিবার এনজেপি থেকে দার্জিলিং রুটে হেরিটেজ টয় ট্রেন (Toy Train) চালু হল।  রবিবার এনজেপি স্টেশন থেকে সকাল সাড়ে ন’টা নাগাদ এই ট্রেনের যাত্রা শুভারম্ভ করান উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের কাঠিয়ারের ডিআরএম সুরেন্দ্র কুমার।

    কেন বন্ধ ছিল টয় ট্রেন? (Toy Train)

    জানা গিয়েছে, গত ৫ জুলাই থেকেই এই রুটে টয় ট্রেন (Toy Train) পরিষেবা বাতিল করা হয়। পাহাড়ে জায়গায় জায়গায় ধস নামায় টয় ট্রেনের লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেকারণে এনজেপি-দার্জিলিং রুটে টয় ট্রেন বাতিল করতে বাধ্য হয় দার্জিলিং হিমালয়ান রেল কর্তৃপক্ষ। ক্ষতিগ্রস্ত লাইন মেরামত করে ট্রেন চলাচলের উপযোগী করতে চার মাস সময় লাগে। দার্জিলিং হিমালয়ান রেলের ডিরেক্টর প্রিয়াংশু বলেন, ‘‘ধসে জায়গায় জায়গায় মাটি আলগা হয়ে যাওয়ায় নতুন করে লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। একারণে লাইন মেরামত করতে এতদিন সময় লাগল। তবে, এখন বর্ষা নেই। শীতের মরশুম। টয় ট্রেন এনজেপি থেকে দার্জিলিংয়ে চলাচলের ক্ষেত্রে আর কোনও প্রাকৃতিক সমস্যা হবে না বলে আশা করছি।’’

    আরও পড়ুন: ব্যাট হাতে প্রস্তুত শীত! কলকাতায় ১৮ ডিগ্রি, পুরুলিয়ায় ১২, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    পর্যটকরা কী বললেন?

    দার্জিলিংয়ের পথে ফের টয় ট্রেন (Toy Train) চালু হওয়ার মুহূর্তকে ঘিরে এনজেপি স্টেশনে ছিল উৎসবের জোয়ার। দেশ-বিদেশের পর্যটকদের ট্রয় ট্রেনে চাপার আগ্রহ ছিল দেখার মতো। অস্ট্রেলিয়া থেকে এসেছেন এনা এবং বেনা। গোয়া থেকে এদিন টয় ট্রেন দার্জিলিং গেলেন, সময় শেট্টি ও তাঁর বন্ধুরা। অস্ট্রেলিয়ার বেনা বলেন, ‘‘এর আগে পাঁচবার আমি ভারত ভ্রমণে এসেছি। কিন্তু এবারই প্রথম টয় ট্রেনে চড়ছি। দারুন একটা উত্তেজনা অনুভব করছি। দার্জিলিংয়ের  টাইগার হিল সম্পর্কে জানি। কিন্তু টয় ট্রেন চড়ার একটা স্বপ্ন ছিল। তা বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে ভেবে আমি রোমাঞ্চিত।’’ গোয়ার সময় শেট্টি বলেন, ‘‘গতবার দার্জিলিং এসেছিলাম। ট্রয় ট্রেন চড়ার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু, এনজেপি থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত ট্রেন বন্ধ থাকায় তা হয়ে ওঠেনি। এবার তা হচ্ছে জেনে ভালো লাগছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Toy Train: এক মাসে পাঁচ বার! দার্জিলিঙে ফের লাইনচ্যুত টয় ট্রেন, আতঙ্কে পর্যটকরা

    Toy Train: এক মাসে পাঁচ বার! দার্জিলিঙে ফের লাইনচ্যুত টয় ট্রেন, আতঙ্কে পর্যটকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাইনচ্যুত হল হেরিটেজ টয় ট্রেন (Toy Train)। ইংরেজি নতুন বছরের প্রথম দিনের পর ফের বৃহস্পতিবার। এদিন দার্জিলিং থেকে ঘুমে যাওয়ার পথে টয় ট্রেনের জয় রাইডের ইঞ্জিন লাইনচ্যুত হয়। কেউ হতাহত না হলেও দুর্ভোগে পড়েন পর্যটকরা। এক মাসের মধ্যে পাঁচবার টয় ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় বিপাকে দার্জিলিং হিমালয়ান রেল ( ডিএইচার)।

    ঠিক কী হয়েছিল? (Toy Train)

    বৃহস্পতিবার দুপুরে দার্জিলিং থেকে ৫৯ জন যাত্রী নিয়ে টয় ট্রেনের একটি জয় রাইড ঘুমের উদ্দেশে যাত্রা করে। বেলা দুটো নাগাদ ঘুম স্টেশনের কাছে মেরি ভিলার কাকঝোরায় হঠাৎই ট্রেনের ইঞ্জিন লাইনচ্যুত হয়। ঝাঁকুনিতে আতঙ্কে পর্যটকরা ট্রেন থেকে নেমে পড়েন। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় ট্রেনটিকে লাইনে তুলে ফের চালানো হয়েছে বলে জানান ডিআরএম সুরেন্দ্র কুমার। যাত্রীদের সকলেই সেই ট্রেনে (Toy Train) আবার ভ্রমণ করেছেন। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর বিরক্তি প্রকাশ করে বেশ কিছু পর্যটক সড়ক পথে দার্জিলিং ফিরে যান।

    পরপর দুর্ঘটনায় পর্যটকদের বিরক্তি ও ভীতি (Toy Train)

    ভরা পর্যটন মরশুমে পর পর টয় ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ায় দেশ-বিদেশের পর্যটরা হতাশ। ঘুরতে এসে এই ধরনের ঘটনায় টয় ট্রেন নিয়ে অনেকেই বিরক্তি প্রকাশ করেছেন, ভীতিও বাড়ছে। কেননা এক মাসের মধ্যে পাঁচবার এই ধরনের ঘটনা ঘটল। ইংরেজি নতুন বছরের প্রথম দিনে একটি জয় রাইড দার্জিলিং স্টেশন থেকে রওনা হওয়ার ১০ মিনিট বাদে লাইনচ্যুত হয়। তার আগে ১৫ ডিসেম্বর দার্জিলিংয়ে পর্যটক ঠাসা টয় ট্রেনের একটি জয় রাইডের ইঞ্জিন লাইন থেকে বেরিয়ে যায়। তার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে গত ১৮ ডিসেম্বর শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং যাওয়ার পথে যাত্রী ঠাসা টয় ট্রেন রংটংয়ের কাছে ইঞ্জিন বিভ্রাটে থমকে পড়ে। সেই ট্রেন আর চালানো যায়নি সেদিন। গত ২০ ডিসেম্বর দুপুরে কার্শিয়াংয়ের কাছে লাইনচ্যুত হল টয় ট্রেনের (Toy Train) একটি লাইট ইঞ্জিন। তবে এতে কোনও যাত্রী ছিল না।

    ইউনেস্কোর সতর্কবার্তায় বিড়ম্বনা (Toy Train)

    আর এর মধ্যেই রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে ডিএইচআরকে সতর্ক করেছে ইউনেস্কো। যা ডিএইচআর কর্তাদের বিড়ম্বনায় ফেলেছে। পরপর দুর্ঘটনার মাঝে ইউনেস্কোর সতর্কবার্তা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি ইউনেস্ক হেরিটেজ টয় ট্রেনের রক্ষণাবেক্ষণ সহ দার্জিলিং এবং ঘুম স্টেশন সংস্কারের কাজ নিয়ে ডিএইচআরকে সতর্ক করেছে। যেভাবে কাজ চলছে তাতে ইউনেস্কো সন্তুষ্ট নয়।

    কী বলছেন রেলকর্তারা?

    উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের কাটিহারের ডিআরএম সুরেন্দ্র কুমার বলেন, ছোট ট্রেন (Toy Train), চাকাও ছোট। মাঝে মধ্যে এধরনের ঘটনা ঘটে থাকে। তবে প্রতিটি দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত করা হচ্ছে। ইউনেস্কোর পরামর্শ মতোই আমরা কাজ করছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Toy Train: নতুন বছরের প্রথম দিনেই লাইনচ্যুত টয় ট্রেন! আতঙ্কে পর্যটকরা

    Toy Train: নতুন বছরের প্রথম দিনেই লাইনচ্যুত টয় ট্রেন! আতঙ্কে পর্যটকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরের প্রথম দিনে ফের দার্জিলিংয়ে লাইনচ্যুত হল টয় ট্রেন (Toy Train)। সোমবার বিকেলে ম্যারি ভিলার কাছে লাইনচ্যুত হয়ে যায় টয় ট্রেনটি। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন পর্যটকরা। এর আগে গত বছরের ফেব্রুয়ারি, মার্চ এবং সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম দিকে পর পর তিনবার টয় ট্রেন দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল। নতুন বছরের প্রথম দিনে ফের টয় ট্রেন দুর্ঘটনার কবলে পড়ায় পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

    ঠিক কী করে দুর্ঘটনা ঘটল?  (Toy Train)

    এমনিতেই শীতের সময় দার্জিলিংয়ে পর্যটকদের ভিড় অনেক বাড়ে। বিশেষ করে বিদেশি পর্যটকরা এখন এখানে ভিড় করে। পর্যটকদের বড় অংশই শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত টয় ট্রেনের (Toy Train) দীর্ঘ সময়ের যাত্রা থেকে বিরত থাকেন। তবে, হেরিটেজ টয় ট্রেনে চড়ার আনন্দ উপভোগ করতে তাঁদের অনেকে জয় রাইডে যান। এখন প্রতি দিন এক ডজন করে জয় রাইড চলছে দার্জিলিংয়ে। পর্যটকদের কথা মাথায় রেখে আরও চারটি জয় রাইড বাড়িয়েছে দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে। সোমবার বিকেলে টয় ট্রেনটি দার্জিলিং স্টেশন থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। প্রায় ৬০ জন যাত্রী ছিলেন ট্রেনে। ঘুম স্টেশন হয়ে সোনাদা ঘুরে আবার দার্জিলিং স্টেশনের দিকে যেতে গিয়েই বিপত্তি ঘটে। ঘুম স্টেশন থেকে তিন কিলোমিটার দূরে ম্যারি ভিলাতে লাইনচ্যুত হয় টয় ট্রেনটি। ফলে, পর্যটকরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে ঘুম স্টেশন পর্যন্ত ঠিকঠাকভাবে চললেও স্টেশন থেকে ট্রেনটি ছাড়তেই ইঞ্জিনটি খুলে গিয়ে লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে। হুড়মুড় করে থেমে যায় টয় ট্রেনটি। যদিও দুর্ঘটনায় পর্যটকদের জখম হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

     রেল আধিকারিকের কী বক্তব্য?

    উত্তর-পূর্ব রেলের জনসংযোগ আধিকারিক সব্যসাচী দে বলেন, ঘুম এবং দার্জিলিং স্টেশনের মাঝে একটি জয় রাইডের স্টিম ইঞ্জিন লাইনচ্যুত হয়েছে। দুর্ঘটনার সময় দুটি কামরায় পর্যটকেরা ছিলেন। তবে, দুর্ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি। ওই পর্যটকদের পরে সড়কপথে দার্জিলিং পাঠানো হয়েছে। টয় ট্রেনটি (Toy Train) উদ্ধার করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Toy Train: দার্জিলিংয়ে ফের লাইনচ্যুত হল টয় ট্রেন, আতঙ্কিত পর্যটকরা

    Toy Train: দার্জিলিংয়ে ফের লাইনচ্যুত হল টয় ট্রেন, আতঙ্কিত পর্যটকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের দার্জিলিংয়ে লাইনচ্যুত হল টয় ট্রেন (Toy Train) । ট্রেনের কামরা থেকে ইঞ্জিন খুলে যায়। আতঙ্কিত হয়ে পড়েন পর্যটকরা। এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসের প্রথম দিকে পর পর দুবার টয় ট্রেন দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল। এরপর প্রায় ৬ মাস সেরকম দুর্ঘটনা কোনও খবর ছিল না। এদিন ফের দুর্ঘটনায় পর্যটকদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

    ঠিক কী করে দুর্ঘটনা ঘটল?  (Toy Train)

    স্থানীয় ও পর্যটক সূত্রে জানা গিয়েছে,  শনিবার সকালে পর্যটকদের নিয়ে শিলিগুড়ির দিকে রওনা হয় টয় ট্রেনটি। ট্রেনে (Toy Train) ভালই পর্যটক ছিল। ঘুম স্টেশন পর্যন্ত ঠিকঠাকভাবে চললেও স্টেশন থেকে ট্রেনটি ছাড়তেই ইঞ্জিনটি খুলে গিয়ে লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে। হুড়মুড় করে থেমে যায় টয় ট্রেনটি। যদিও দুর্ঘটনায় পর্যটকদের জখম হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। ঘটনার পর পরই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের লোকজন এসে টয় ট্রেনটিকে লাইন থেকে তোলার উদ্যোগ নেয়। যদিও ঘটনার পর আতঙ্কিত হয়ে পড়েন পর্যটকরা।

    পর্যটকরা কী করলেন?

    এদিন টয় ট্রেন (Toy Train) থেকে অনেক পর্যটক দার্জিলিং থেকে শিলিগুড়ি ফেরার পরিকল্পনা নিয়েছিলেন। অনেকে আবার টিকিটও কেটেছিলেন। কিন্তু, এই ঘটনার পর ট্রেনে ফেরার সফর বাতিল করেন। মনোজ চট্টোপাধ্যায় নামে এত পর্যটক বলেন, কোনওদিনই টয় ট্রেনে চাপা হয়নি। পরিবারের সঙ্গে এদিন টয় ট্রেনে যাওয়ার পর পরিকল্পনা করেছিলাম। বাস্তবে সকালে যা হল তাতে আর ওই ট্রেনে ফেরার কোনও ইচ্ছে নেই। সায়ন ঘোষ নামে আর এক পর্যটক বলেন, এখানে সবাই পরিবার-পরিজন, বন্ধুবান্ধব নিয়ে যাত্রা করছি। কাজেই দুশ্চিন্তা হচ্ছে। আর হেরিটেজ টয় ট্রেন মাঝে মধ্যেই লাইনচ্যুত হওয়ার খবর শুনি। কিন্তু এ বার সেটা যে আমাদে সঙ্গেই ঘটবে তা কল্পনাও করতে পারিনি।

    রেল আধিকারিকের কী বক্তব্য?

     উত্তর-পূর্ব ভারতের রেলের জনসংযোগ আধিকারিক সব্যসাচী দে বলেন, টয় ট্রেনটি (Toy Train) উদ্ধারের কাজ চলছে। যাত্রীদের বিকল্প দিনের কথা জানানো হয়েছিল। কিন্তু তাঁরা সড়কপথে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাই তাঁদের টিকিটের টাকা ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Toy Train: এনজেপি থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত টয় ট্রেন বাতিল দু’ মাসের জন্য! কেন জানেন?

    Toy Train: এনজেপি থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত টয় ট্রেন বাতিল দু’ মাসের জন্য! কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনজেপি রেল স্টেশনে নেমে টয় ট্রেনে (Toy Train) চেপে দার্জিলিং যাবেন? আপাতত এমন ট্যুর প্রোগ্রাম থেকে বিরত থাকুন। কেননা এনজেপি থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত ওই ট্রেন চলাচল বাতিল করা হয়েছে। তবে বরাবরের জন্য নয়। দু’ মাসের জন্য এই রুটে টয় ট্রেন পরিষেবা বাতিল করেছে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল।

    কেন টয় ট্রেন (Toy Train) বাতিলের সিদ্ধান্ত?

    উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক সব্যসাচী দে জানিয়েছেন, এনজেপি থেকে দার্জিলিং পর্যন্ত টয় ট্রেনে (Toy Train) যাত্রী না হওয়ার কারণেই এই সিদ্ধান্ত। আগামী ২ অগাস্ট থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই রুটে ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। এর আগে ২০ জুলাই থেকে ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত দার্জিলিংয়ের ট্রয় ট্রেনের চারটি জয় রাইড বাতিল করে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল। বর্ষার জন্য আগেই দার্জিলিংয়ে চারটি জয় রাইড ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বাতিল করা হয়।

    পুজোর পর্যটন নিয়ে চিন্তার কারণ নেই

    এভাবে পর পর টয় ট্রেন (Toy Train) বাতিলের খবরে পর্যটকরা চিন্তিত হতেই পারেন, পুজোর সময় টয় ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন ঘটবে না তো? তবে এ ধরনের আশঙ্কার কোনও জায়গা নেই। টয় ট্রেন এখন লাভজনক। দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে সূত্রে জানা গিয়েছে, গত মে মাসে ৩০ হাজার ৩০৩ জন যাত্রী টয় ট্রেনে ভ্রমণ করেছেন। মোট ৩ কোটি ৫৭ লক্ষ টাকা আয় হয়েছে। দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে টয় ট্রেনের জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ষার সময় প্রত্যেক বছরই পাহাড়ে বিভিন্ন জায়গায় ধস নামে। এই ধসের কারণে টয় ট্রেনের লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আবার ক্রমাগত বৃষ্টি ও ধসের কারণে টয় ট্রেনের লাইনের তলার মাটি ও পাথর কিছুটা নড়বড়ে হয়ে পড়ে। সে কারণে ঝুঁকি এড়াতে এবং লাইনের উপর চাপ কমাতে চারটি জয় রাইড বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আবার রেলের আর একটি সূত্র জানিয়েছে, পুজোর পর্যটন মরশুমের প্রস্তুতির জন্য এই সিদ্ধান্ত। কেননা বর্ষার সময় পাহাড়ে পর্যটক সংখ্যা অনেক কম থাকে। ফলে টয় ট্রেনের চাহিদাও কমে যায়। সেই হিসেব করে এই সময়টা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য টয় ট্রেন বাতিল করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Toy Train: রেকর্ড আয় করল পাহাড়ের টয় ট্রেন, কত জানেন?

    Toy Train: রেকর্ড আয় করল পাহাড়ের টয় ট্রেন, কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমতল জুড়ে টানা তীব্র দাবদাহে হেরিটেজ টয় ট্রেনের (Toy Train) লক্ষ্ণী লাভ। এক মাসে রেকর্ড আয় করেছে টয় ট্রেন। গত মে মাসে টয় ট্রেনের ইতিহাসে সর্বাধিক আয়ের নজির তৈরি হয়েছে।চলতি আর্থিক বছরের মে মাসে দার্জিলিংয়ের ঐতিহ্য এই টয় ট্রেনে যত সংখ্যক যাত্রী চড়েছেন এবং এই ট্রেন থেকে রেল যা আয় করেছে, তা আগে কখনও হয়নি।

    টয় ট্রেনে (Toy Train) রেকর্ড আয়ের পরিমাণ কত?

    টয় ট্রেনের (Toy Train) এই ব্যাপক জনপ্রিয়তায় প্রমাণ হচ্ছে, দার্জিলিংয়ে পর্যটকের ঢল নামছে মূলত টয় ট্রেনের আকর্ষণে। এক সময় টাইগার হিল, টি এবং টয় ট্রেনের উপর ভিত্তি করে দার্জিলিংয়ের পর্যটন মাথা তুলে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু, আশির দশক থেকে রাজনৈতিক অস্থিরতা, পানীয় জলের সমস্যা ও অনুন্নত পরিকাঠামোর কারণে দার্জিলিংয়ের পর্যটনে ভাটা পড়েছিল। সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে টয় ট্রেনের প্রতি দেশ-বিদেশের পর্যটকদের দুর্নিবার আকর্ষণে আবার ঘুরে দাঁড়াচ্ছে দার্জিলিংয়ের পর্যটন। দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে সূত্রে জানা গিয়েছে, গত মে মাসে ৩০ হাজার ৩০৩ জন যাত্রী টয় ট্রেনে ভ্রমণ করেছেন। এর থেকে মোট ৩ কোটি ৫৭ লক্ষ টাকা আয় হয়েছে। এর আগে সর্বোচ্চ যাত্রী ও আয় হয়েছিল গত বছরের মে মাসে। তবে, তা এবারের তুলনায় কম। গতবার মোট ২৬,৯০৯ যাত্রী টয় ট্রেনে চড়েছিলেন। আয় হয়েছিল ৩ কোটি ১৯ লক্ষ টাকা।

    রেল কর্তৃপক্ষের কী বক্তব্য?

    উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের কাটিহার ডিভিশনের ডিআরএম এস কে চৌধুরী এবং মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক সব্যসাচী দে বলেন, দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে টয় ট্রেনকে (Toy Train) জনপ্রিয় করতে আমরা সমস্তরকম ভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। গত দু’বছর ধরে  শীতকালে ঘুম উৎসব করা হচ্ছে। যেখানে টয় ট্রেনের নানা আকর্ষণীয় দিক ও স্থানীয় শিল্প-সংস্কৃতিকে তুলে ধরা হয়। এর পাশাপাশি সব দিক দিয়ে সারা বছর টয় ট্রেন নিয়ে দেশ-বিদেশের পর্যটকদের মাঝে প্রচার চলছে। পর্যটকদের মনোরম ভ্রমণের জন্য টয় ট্রেনে নতুন কোচ ও নতুন পরিষেবা চালু করা হয়েছে। যুক্ত করা হয়েছে আধুনিক সুযোগ সুবিধা। দার্জিলিং স্টেশনকে হেরিটেজ টাইপ উইন্ডো এবং কাঞ্চনজঙ্ঘা ভিউ পয়েন্ট সহ নানা ধরনের ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে টয় ট্রেনকে আপগ্রেড করা হয়েছে। ঘুম স্টেশনের আপগ্রেডেশন চলছে।

     বাড়ানো হয়েছে জয় রাইডের সংখ্যা

    এক প্রশ্নের উত্তরে সব্যসাচী দে বলেন, টয় ট্রেনের প্রতি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা টয় ট্রেনের জয় রাইডের সংখ্যাও বাড়িয়েছি। নিউ জলপাইগুড়ি-দার্জিলিং দৈনিক পরিষেবা রয়েছে। কিন্তু জয় রাইড নিয়েই পর্যটকদের বেশি উৎসাহ। তাই কোনও পর্যটক যাতে হতাশ না হন, তার জন্য দার্জিলিং ও ঘুমের মধ্যে জয় রাইড পরিষেবা বাড়ানো হয়েছে। স্টিম ইঞ্জিনে জঙ্গল টি সাফারির সঙ্গে চলছে রেড পান্ডা, হিম কন্যা ইত্যাদির মতো জয় রাইড ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Toy Train: দার্জিলিংয়ের হেরিটেজ টয় ট্রেন চলবে ইলেকট্রিক এবং হাইড্রোজেনে

    Toy Train: দার্জিলিংয়ের হেরিটেজ টয় ট্রেন চলবে ইলেকট্রিক এবং হাইড্রোজেনে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী দু’বছরের মধ্যেই হেরিটেজ টয় ট্রেন (Toy Train) চলবে ইলেকট্রিক এবং হাইড্রোজেনে। স্টিম, ডিজেল ইঞ্জিনের পর এবার ইলেকট্রিক ও হাইড্রোজেন ইঞ্জিনে টয় ট্রেন চালানোর প্রস্তাব বাস্তবায়িত করতে সার্ভের কাজ শুরু হয়েছে। শুক্রবার এনজেপিতে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের কাটিহার ডিভিশনের ডিআরএম এস কে চৌধুরী একথা জানান। তিনি বলেন, টয় ট্রেনে যাত্রী সংখ্যা বেড়েই চলেছে। দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে টয় ট্রেন নতুন করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। তার জন্যই গত আর্থিক বছরে টয় ট্রেনে সর্বাধিক যাত্রী হয়েছে। মোট দেড় লক্ষেরও বেশি যাত্রী হয়েছে এই সময় কালে। এটিই এখনও পর্যন্ত টয় ট্রেনে এক বছরে সর্বোচ্চ যাত্রী। এর আগে এক বছরে সর্বোচ্চ যাত্রী ছিল ১ লক্ষ ১৮ হাজার।

    টয় ট্রেনের (Toy Train) টানেই পর্যটকদের ঢল

    করোনা সংক্রমণ কালের পর দার্জিলিংয়ে পর্যটকের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। পর্যটনের প্রসারে দার্জিলিংয়ে পরিকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের তরফে যথেষ্টই খামতি রয়েছে বলে অভিযোগ পর্যটন ব্যবসায়ীদের। দার্জিলিংয়ে পানীয় জলের সঙ্কট এখনও রয়েছে। রাস্তাও নোংরা। এর পাশাপাশি নতুন করে কোনও পর্যটন কেন্দ্র দার্জিলিং ও লাগোয়া এলাকায় তৈরি হয়নি। তা সত্ত্বেও দার্জিলিংয়ে এখন সারা বছরই পর্যটকের ঢল নামছে। এর অন্যতম কারণ দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে টয় ট্রেনের (Toy Train) জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি। দার্জিলিং থেকে ঘুম পর্যন্ত হেরিটেজ টয় ট্রেনের একাধিক জয়রাইড সারা বছর চলছে। পর্যটকদের চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে জয় রাইডের সংখ্যাও বেড়েছে। গত আর্থিক বছরের ১৯ কোটি ২১ লক্ষ টাকা আয় হয়েছে। অতীতে  করোনা সংক্রমণ কালের আগে ২০১৮-‘১৯ আর্থিক বর্ষে সর্বোচ্চ আয় ছিল ১ কোটি ১৮ লক্ষ টাকা।

    টয় ট্রেনকে (Toy Train) নিয়ে নানা রকম পরিকল্পনা

    ডিআরএম এস কে চৌধুরী বলেন, লাভজনক হয়ে ওঠা অর্থাৎ পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয়তা বেড়ে চলার জন্য আমরা টয় ট্রেনকে (Toy Train) নিয়ে নানা রকম পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছি। আমরা শীতকালে ঘুম উৎসব করছি। গত দুই বছর ধরে এই উৎসবের মধ্য দিয়ে আমরা টয় ট্রেনকে আন্তর্জাতিক পর্যটকদের কাছে ব্যাপকভাবে মেলে ধরতে পেরেছি। টয় ট্রেন এখন দার্জিলিংয়ে পর্যটন শিল্পের মেরুদণ্ড।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Toy Train: বেলাইন টয় ট্রেন, কার্শিয়াং-এ লাইনচ্যুত হয়ে উল্টে গেল টয় ট্রেন, ব্যাহত পরিষেবা

    Toy Train: বেলাইন টয় ট্রেন, কার্শিয়াং-এ লাইনচ্যুত হয়ে উল্টে গেল টয় ট্রেন, ব্যাহত পরিষেবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে ঘটল টয় ট্রেনে দুর্ঘটনা। দার্জিলিং পাহাড়ের কার্শিয়ং-এ গথেলস সাইডিং-এ  টয় ট্রেন লাইনচ্যুত হয়েছে। শুক্রবার বেলার দিকে এই ঘটনাটি ঘটেছে। সৌভাগ্যবশত এই ঘটনায় কেউ আহত হননি। তবে জাতীয় সড়কের মাঝে এই দুর্ঘটনার জেরে যানজটের সৃষ্টি হয়।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে সূত্রে খবর, এদিন দুপুরে যে টয় ট্রেনটি বেলাইন হয়, সেটি বাষ্প চালিত। ট্রেনটির ইঞ্জিনে সমস্যা দেখা দিয়েছিল। সেজন্য একটি ডিজেল ইঞ্জিনের সঙ্গে ক্রেন দিয়ে টেনে দু’টি কামরা-সহ ইঞ্জিনটিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল কারশেডে। তিনধরিয়া ওয়ার্কশপে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এর পর কার্শিয়াং থেকে বেরোনোর পথেই ঘটনাটি ঘটে। কার্শিয়াং স্টেশন ছাড়ার কিছুক্ষণের মধ্যে ইঞ্জিনটি লাইনচ্যুত হয়ে রাস্তার উপর উল্টে যায়। তবে ট্রেনটিতে কোনও যাত্রী ছিলেন না। চালক, সহ-চালক থাকলেও তাঁরা আহত হননি।

    আরও পড়ুন: কলকাতায় ইডি এবং সিবিআইয়ের দুই শীর্ষ কর্তা, কেন জানেন?

    এই ঘটনা প্রসঙ্গে উত্তর-পূর্ব ভারতের রেলের জনসংযোগ আধিকারিক সব্যসাচী দে বলেন, “টয় ট্রেনটিতে কোনও যাত্রী ছিলেন না৷ চালক এবং সহ-চালক ছিলেন শুধু। খুবই ধীর গতিতে ইঞ্জিনটি যাচ্ছিল৷ সেই সময়ই লাইনচ্যুত হয়। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ট্রেনটিকে রাস্তা থেকে সরানোর কাজ শুরু করা হয়েছে। কেউ জখম হননি। মেরামতির জন্য ট্রেনটিকে তিনধারিয়া স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।”

    ব্যাহত পরিষেবা

    টয় ট্রেন চলাচলের জন্য পাহাড়ে যেহেতু একটিই রাস্তা, তাই টয় ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ার জেরে ব্যাহত হয়েছে স্বাভাবিক টয় ট্রেন চলাচল পরিষেবা। পাশাপাশি জাতীয় সড়কের মাঝে এই দুর্ঘটনার জেরে প্রভাব পড়ে যান চলাচলেও। যেহেতু ১১০ নম্বর জাতীয় সড়কের মাঝে দুর্ঘটনাটি ঘটে, তাই সেখানে তৈরি হয় প্রবল যানজট। বেশ কিছুক্ষণ রাস্তার উপর পড়ে থাকার পর দার্জিলিং-হিমালয়ান রেলওয়ে ট্রেনটিকে সরানোর কাজ শুরু করে। যখন রাস্তায় ট্রেন সরানোর কাজ হচ্ছিল, তখন জাতীয় সড়কের একদিক বন্ধ করে কাজ চলায় তৈরি হয় লম্বা গাড়ির লাইন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share