Tag: train accident

train accident

  • Train Accident: আচমকাই লাইনচ্যুত শালিমার-সেকেন্দ্রাবাদ এক্সপ্রেস, নলপুরের দুর্ঘটনা ভাবাচ্ছে রেলকে

    Train Accident: আচমকাই লাইনচ্যুত শালিমার-সেকেন্দ্রাবাদ এক্সপ্রেস, নলপুরের দুর্ঘটনা ভাবাচ্ছে রেলকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ার নলপুরের (Nalpur) কাছে সাতসকালেই বেলাইন ডাউন শালিমার-সেকেন্দ্রাবাদ এক্সপ্রেস। বড়সড় ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনও ঘটনা না ঘটলেও কেন বেলাইন হল ট্রেন (Train Accident) সেই প্রশ্ন ঘুরছে সহ মহলেই। ইতিমধ্যেই জোরকদমে উদ্ধার কাজ শুরু করেছে রেল। ঘটনাস্থলে গিয়েছেন রেলের উচ্চপদস্থ কর্তারা। সব যাত্রীদের উদ্ধার করে তাঁদের গন্তব্যের উদ্দেশে পাঠানো হচ্ছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Train Accident)

    শনিবার ভোর সাড়ে ৫টা নাগাদ শালিমারে ঢোকার আগে সেকেন্দ্রাবাদ-শালিমার সুপারফাস্ট এক্সপ্রেসে দুর্ঘটনা নিয়ে বিভাগীয় তদন্ত করবে দক্ষিণ-পূর্ব রেল। দু’টি কামরা এবং একটি পার্সেল ভ্যান লাইনচ্যুত হয়। এদিন দুপুর পর্যন্ত লাইনের ওপর থেকে ট্রেনের বেলাইন কামরাগুলি সরানো যায়নি। রেল সূত্রে খবর, ডাউন লাইন দিয়ে শালিমারের দিকে আসছিল ট্রেনটি (Train Accident)। আচমকা তার শুরুর দিকের কামরাগুলি মাঝের লাইনে চলে আসে। পরে আবার তা ডাউন লাইনে চলে যায়। এর ফলে ট্রেনের ভিতরে প্রচণ্ড ঝাঁকুনি হয়। ডাউন লাইনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেঁকে গিয়েছে লাইনের একাংশ। যে লোহার ক্লিপ দিয়ে লাইন সংযুক্ত রাখা হয়, তা-ও চারদিকে ছিটকে পড়েছে। লাইনের সিমেন্টের ঢালাই স্লিপারও ভেঙে পড়েছে।  যার ফলে হাওড়া থেকে লোকাল ট্রেন পরিষেবাও যে কারণে ব্যাহত হয়েছে। সকাল থেকে ভোগান্তির শিকার হয়েছেন দক্ষিণ-পূর্ব লাইনের যাত্রীরা (Train Accident)। যদিও দুর্ঘটনাগ্রস্ত যাত্রীরা সকলেই সুরক্ষিত। কারও বড় কোনও আঘাত লাগেনি বলে জানিয়েছেন মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক ওমপ্রকাশ চরণ। যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ১০টি বাস এবং একটি লোকাল ট্রেনের বন্দোবস্তও করে রেল। কিন্তু, কীভাবে তা সম্ভব হল, তা নিয়ে এখনও ধন্দে রেল আধিকারিকরা।

    আরও পড়ুন: ‘‘তৃণমূলের রুচিবোধ নিম্নমানের, থ্রেট কালচারের জনক মমতা’’, তোপ শুভেন্দুর

    কী বললেন রেলের আধিকারিকরা?

    লাইনচ্যুত (Train Accident) হওয়ার সম্ভাব্য কারণ হিসেবে বেশ কিছু জিনিস ভাবাচ্ছে দক্ষিণ পূর্ব রেলের আধিকারিকদের। ট্রেনটি ডাউন মেন লাইন থেকে মিডল লাইনে উঠছিল। এই ক্রসিং পয়েন্টে কোনও বিভ্রাট হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করছেন রেলের টেকনিক্যাল বিভাগের কর্তারা। নলপুরের ওই যে অংশে ওই দুর্ঘটনা ঘটেছে সেই অংশে তিনটি লাইন রয়েছে। আপ লাইন, ডাউন মেন লাইন, মিডল লাইন। এই মিডল লাইন দিয়ে আপ এবং ডাউন দুই লাইনের ট্রেন চলাচল করে। যে সময় দুর্ঘটনাটি ঘটে তখন গাড়ির গতি ছিল ঘণ্টায় ১৫-২০ কিমি। সে কারণেই বড়সড় দুর্ঘটনা (Train Accident) এড়ানো গিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। যদি গতি বেশি থাকত তাহলে অন্য চিত্র দেখা যেত বলে মনে করছেন অনেকেই। দক্ষিণ-পূর্ব রেলের এজিএম সৌমিত্র মজুমদার জানিয়েছেন, যাত্রীদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়াই রেলের অগ্রাধিকার। তার পর লাইনচ্যুত কামরাগুলি সরিয়ে লাইন মেরামতির কাজ হবে। ইতিমধ্যে সেই প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গিয়েছে।

    ট্রেন বাতিল, গতিপথ পরিবর্তন

    দুর্ঘটনার (Train Accident) জেরে সকাল থেকে হাওড়া-খড়াপুর শাখায় ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়েছে। ডাউন লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় লোকাল ট্রেন সঠিক সময়ে চলছে না। সকাল থেকে দীর্ঘ ক্ষণ কোনও ট্রেনই ছিল না, দাবি যাত্রীদের।  বেশ কিছু দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল বা তার সময় পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে খবর রেল সূত্রে। বাতিল করা হয়েছে দিঘা থেকে হাওড়া এবং হাওড়া থেকে দিঘাগামী ট্রেন। এ ছাড়া, হাওড়া কিংবা শালিমার স্টেশনে আসার অনেক ট্রেনের গতিপথ সংক্ষিপ্ত হয়েছে। হাতিয়া থেকে হাওড়া, পুরী থেকে শালিমার, সম্বলপুর থেকে শালিমার, চেন্নাই থেকে শালিমার, আদ্রা থেকে হাওড়া, পুরুলিয়া থেকে হাওড়া, ভুবনেশ্বর থেকে হাওড়া আসার ট্রেনের গতিপথ সংক্ষিপ্ত হয়েছে। ঘুরপথে চলবে মুম্বই-শালিমার, মুম্বই-হাওড়া এক্সপ্রেস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: তামিলনাড়ুতে মালগাড়ি-ট্রেন সংঘর্ষ, বেলাইন ১২টি বগি, আহত ১৯

    Train Accident: তামিলনাড়ুতে মালগাড়ি-ট্রেন সংঘর্ষ, বেলাইন ১২টি বগি, আহত ১৯

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার রাতে ফের রেল দুর্ঘটনা (Train Accident)। চেন্নাইয়ের (Tamil Nadu) কাছে কাভারাইপেট্টাই স্টেশনের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে খবর। মহীশূর-দ্বারভাঙা বাগমতি এক্সপ্রেস, একটি মালগাড়িকে পিছন থেকে ধাক্কা দেয়। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর নেই, তবে ১৯ জন যাত্রী এই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। দুর্ঘটনার ফলে ট্রেনের ১২টি কামরা বেলাইন হয়ে যায়। ট্রেনটিতে (Train Accident) মোট ১,৩৬০ জন যাত্রী ছিলেন বলে খবর। 

    এক্সপ্রেস ট্রেনটি অন্ধ্রপ্রদেশের দিকে যাচ্ছিল (Train Accident)

    জানা গিয়েছে, এক্সপ্রেস ট্রেনটি অন্ধ্রপ্রদেশের দিকে যাচ্ছিল। সেই সময় আচমকাই দুটি ট্রেনের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। সঙ্গে সঙ্গে চারটি কামরা বেলাইন হয়ে যায়। সংঘর্ষের জেরে বগিতে আগুনও লেগে যায়। জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে বাগমতি এক্সপ্রেস দ্বারভাঙার দিকে যাচ্ছিল। রাত ৭টা ৫০ মিনিট নাগাদ ট্রেনটি পেরামবুর স্টেশন থেকে ছাড়ে। এরপর সেটা কাভারাইপেট্টি স্টেশন পৌঁছয় রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ যায়। প্রথমদিকে ১০৯ কিমি প্রতি ঘণ্টায় প্রথমদিকে ট্রেনটি যাচ্ছিল। পরে এটি লুপ লাইনে প্রবেশের পরে গতি কিছুটা কমিয়ে ফেলে। সেই সময় ট্রেনের গতি প্রায় ৯০ কিমি প্রতি ঘণ্টা ছিল বলে খবর। তখনই একটা মালগাড়ির পেছনে ধাক্কা দেয় যাত্রীবাহী এক্সপ্রেস ট্রেনটি।

    উদ্ধারকাজে স্থানীয়রাই

    ধাক্কার পরেই এক্সপ্রেসের (Train Accident) একটা পাওয়ার কোচ ও একটি মোটর ভ্যানে আগুন ধরে যায়। স্থানীয়রাই প্রথমে উদ্ধারকাজে হাত লাগান বলে খবর। এরপর উদ্ধারকাজ শুরু হয়। এই দুর্ঘটনার (Tamil Nadu) ফলে ওই রুটের ১৮টি ট্রেন শনিবার বাতিল করা হয়েছে বলে খবর। দুর্ঘনার পরেই রেলওয়ে সেফটির কমিশনার অনন্ত মধুকর চৌধুরি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: লাইনে মোটর সাইকেলের স্ক্র্যাপ, রাজস্থানে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেল ট্রেন, নাশকতার ছক?

    Train Accident: লাইনে মোটর সাইকেলের স্ক্র্যাপ, রাজস্থানে বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেল ট্রেন, নাশকতার ছক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকো পাইলটের তৎপরতায় বড়সড় রেল দুর্ঘটনা (Train Accident) এড়ানো সম্ভব হল। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে রাজস্থানের (Rajasthan) বারান জেলায়। কী কারণে রেলওয়ে ট্র্যাকে দুর্ঘটনা ঘটার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা রেলের আধিকারিকরা খতিয়ে দেখছেন। আরপিএফের পক্ষ থেকে এই ঘটনার পরই মামলা রুজু করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছে? (Train Accident)

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে ২৯ অগাস্ট রাতে। রাজস্থানের (Rajasthan) ছাবড়া এলাকার চাচাউদা গ্রামের কাছে রেলওয়ে ট্র্যাকে কে বা কারা বাইকের স্ক্র্যাপ রেখেছিল। রাজস্থানের কোটা-বিনা রেললাইনের ট্র্যাক দিয়ে যাওয়া একটি পণ্যবাহী ট্রেনের লাইনে থাকা একটি মোটর সাইকেলের স্ক্র্যাপের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। ট্রেনের লোকো পাইলট বিনোদ মীনা জরুরি ব্রেক কষায় বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। তবে, অসাবধানতবশত এই ঘটনা ঘটেছে, না এর পিছনে গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে, তা আরপিএফের পক্ষ থেকে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: আরজি করের ‘সন্দেহজনক’ মহিলা অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারকে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআই-এর

    আরপিএফের আধিকারিক কী বললেন?

    আরপিএফ কমান্ড্যান্ট এ নবীন কুমার বলেন, কোটা-বিনা রেললাইনে ট্রেনের লোকো পাইলট ছাবরা (Rajasthan) এলাকার চাচাউদা গ্রামের কাছে ট্র্যাকের ওপর মোটর সাইকেলের স্ক্র্যাপটি দেখতে পান। কে বা কারা  রেললাইনের ওপর একটি মোটর সাইকেলের স্ক্র্যাপ রেখে কাদা দিয়ে ঢেকে দেয়। একটি পণ্যবাহী ট্রেনের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় লোকো পাইলট বিনোদ মীনা বুদ্ধিমানের সঙ্গে জরুরি ব্রেক করে ট্রেনটি থামিয়েছিলেন। তিনি আরও বলেন, রেলওয়ে আইন ১৯৮৯ -এর ১৪৭, ১৫৩, ১৭৪ ধারায় সিআর নম্বর ২৮৪/২০২৪-এর অধীনে একজন অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। জিআরপি এবং স্থানীয় পুলিশ এবং রেলওয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লোকজনও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ট্র্যাকে যে মোটরসাইকেলের স্ক্র্যাপ পাওয়া গিয়েছে, চেসিস নম্বরের ভিত্তিতে তার মালিককেও খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। পালিতেও একই রকম ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে, যেখানে দুর্বৃত্তরা বন্দে ভারত ট্রেন লাইনচ্যুত করার জন্য রেলপথে কংক্রিট ব্লক রেখেছিল।

    পাকিস্তানি জঙ্গির ভিডিও ঘিরে শোরগোল!

    সাম্প্রতিক মাসগুলিতে দেশে ট্রেন লাইনচ্যুত করার চেষ্টার একাধিক ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে ৪ জুন লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকে ট্রেন লাইনচ্যুত করার একাধিক নাশকতা ঘটানোর চেষ্টার খবর পাওয়া গিয়েছে। পাকিস্তানি জঙ্গিরা ভারতের প্রধান শহরগুলিতে বড় আকারের ট্রেন লাইনচ্যুত করার জন্য জিহাদিদের প্ররোচিত করছে বলে অভিযোগ। রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতীয় কর্তৃপক্ষ বর্তমানে ট্রেন লাইনচ্যুত (Train Accident) হওয়ার ঘটনা পর্যালোচনা করছে যা সাম্প্রতিক অতীতে পাকিস্তানি জঙ্গি ফারহাতুল্লাহ ঘোরির একটি ভিডিও অনলাইনে প্রকাশের পর ঘটেছিল। উল্লেখযোগ্যভাবে, পাকিস্তানি জঙ্গি টেলিগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করেছে, যা তার সমর্থকদের বড় আকারে চালাতে প্ররোচিত করেছে। দিল্লি, মুম্বই এবং অন্যান্য স্থানে ট্রেন লাইনচ্যুত হয়েছে। জিহাদিদের রেললাইন এবং তাদের পরিবহণ ব্যবস্থায় বাধা দেওয়ার জন্য উস্কানি দিয়ে ঘোরি বলেছিলেন যে এটি ভারতে বিপর্যয় সৃষ্টি করবে। গোয়েন্দা সংস্থার মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় জঙ্গি নিয়োগকারী বলেছেন, “সরকার ইডি এবং এনআইএ-এর মাধ্যমে আমাদের সম্পত্তিগুলিকে লক্ষ্যবস্তু করছে, তবে আমরা অবিচল থাকব এবং শীঘ্রই বা পরে ক্ষমতা দখল করব।”

    ভারতে সন্ত্রাসী হামলায় যুক্ত

    তিন সপ্তাহ আগে পোস্ট করা তিন মিনিটের ভিডিওতে ঘোরি মুজাহিদিনদেরকে হিন্দু নেতা ও পুলিশের বিরুদ্ধে “ইশতিশাদি জঙ্গ” বা “ফিদায়েন যুদ্ধ” শুরু করতে বলেছিলেন।” গোয়েন্দা কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে ভিডিওটি এক-দু সপ্তাহ ধরে প্রচারিত হয়েছিল। উল্লেখ্য, ফারহাতুল্লাহ ঘোরিকে ২০২০ সালে জঙ্গি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ভারতে বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসী হামলায় তিনি যুক্ত রয়েছেন। ২০০৪ সালে হায়দরাবাদে টাস্কফোর্স অফিসে আত্মঘাতী হামলার ঘটনা এবং ২০২৩ সালে রামেশ্বরম ক্যাফে বিস্ফোরণ মামলায় যুক্ত রয়েছে ঘোরি।

    ভারতে ট্রেনে নাশকতার চেষ্টার ঘটনা বাড়ছে!

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৭ অগাস্ট রাতে কানপুরের গোবিন্দপুরী স্টেশনের কাছে সবরমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিন লাইনচ্যুত হয়। এর পরেই রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানান, রেলপথে একটি বস্তু রাখায় ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়েছে। পরে জানা যায় দুর্ঘটনা (Train Accident) ঘটাতে রেললাইনের একটি ভাঙা টুকরো রাখা হয়েছিল। সম্প্রতি, কাচ্ছপুরা স্টেশনের কাছে ট্র্যাকে রাখা লোহার রডের সঙ্গে নৈনপুর-জব্বলপুর ট্রেনের ইঞ্জিনটির সংঘর্ষের পরে সন্দেহজনক নাশকতার একটি তদন্ত শুরু হয়েছে। ২২ অগাস্ট আলিগড়ে একটি চলন্ত ট্রেন লাইনচ্যুত করার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে রেলওয়ে ট্র্যাকে একটি অ্যালয় হুইল রাখা হয়েছিল। ২৩ অগাস্ট রাতে কাসগঞ্জ ও ফররুখাবাদের মধ্যে চলাচলকারী ফারুখাবাদ এক্সপ্রেস রেলওয়ে ট্র্যাকে রাখা একটি কাঠের সংস্পর্শে এসে বড় দুর্ঘটনা এড়াল। রিপোর্ট অনুযায়ী, ট্রেনটি হঠাৎ ঝাঁকুনি দেয়, লোকো পাইলট জরুরি ব্রেক কষে ট্রেন থামান। পরে জানা যায় কাঠের একটি অংশ ট্রেনের ইঞ্জিনে আটকে যায়। যদিও এই ঘটনায় স্থানীয় এক কৃষক নেতার ছেলেসহ দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একইভাবে, গত বছরের অক্টোবরে একটি বড় দুর্ঘটনা এড়ানো গিয়েছিল। কারণ উদয়পুর-জয়পুর বন্দে ভারত এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত করার সম্ভাব্য প্রচেষ্টায় রেল লাইনে পাথর এবং রড রাখা হয়েছিল। এই মাসের শুরুতে, গুলজার শেখ নামে একজন ইউটিউবারকে কনটেন্ট তৈরির নামে সাইকেল, সাবান, পাথর এবং আরও অনেক কিছু সহ রেলপথে বিভিন্ন জিনিস রাখার জন্য গ্রেফতার করা হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sabarmati Express: ট্র্যাকে বোল্ডার! লাইনচ্যুত সবরমতী এক্সপ্রেসের ২০টি কামরা, নাশকতার ছক?

    Sabarmati Express: ট্র্যাকে বোল্ডার! লাইনচ্যুত সবরমতী এক্সপ্রেসের ২০টি কামরা, নাশকতার ছক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোররাত লাইনচ্যুত হয়ে গেল সবরমতী এক্সপ্রেস (Sabarmati Express)। অন্তত ২০টি কোচ লাইনচ্যুত হয়েছে বলে সূত্রের খবর। ট্রেনে ছিলেন প্রায় ১৩০০ যাত্রী। রেলের দাবি, লাইনে রাখা বোল্ডারের সঙ্গে ধাক্কা লেগেই লাইনচ্যুত হয় সবরমতী এক্সপ্রেস। প্রশ্ন উঠছে রেল লাইনে বোল্ডার কীভাবে এল? এর পিছনে নাশকতার ছক থাকতে পারে বলে অনুমান। 

    উদ্ধারে রেল, হেল্পলাইন নম্বর

    শনিবার ভোররাতে উত্তর প্রদেশের কানপুর ও ভীমসেন স্টেশনের মাঝে লাইনচ্যুত হয়ে যায় সবরমতী এক্সপ্রেস (Sabarmati Express)। ট্রেনের নম্বর হল ১৯১৬৮। এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর নেই। যাত্রীদের কানপুর পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার জন্য বাসের ব্যবস্থা করেছে রেল। ঝাঁসির দিকে যাওয়ার সময় ট্রেনটি আচমকা বোল্ডারে ধাক্কা খেয়ে বেলাইন হয়ে পড়ে। ট্রেনের ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন চালক। দুর্ঘটনার (Train Accident) ফলে সংশ্লিষ্ট লাইনে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়েছে। বারাণসী থেকে রওনা দিয়েছিল ট্রেনটি। গন্তব্য ছিল আমেদাবাদ। কয়েকটি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে রেলের তরফে। নম্বরগুলি হল- ০৫৩২-২৪০৮১২৮, ০৫৩২-২৪০৭৩৫৩, ০৫৩২-২৪০৮১৪৯।

    কী কারণে দুর্ঘটনা (Sabarmati Express)

    সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, প্রাথমিকভাবে বোল্ডারে ধাক্কা খায় চাকা। তাতেই ঘটে বিপত্তি।  উত্তর মধ্য রেলের তথ্য অনুযায়ী, গভীর রাতে রেললাইনের উপর থাকা বোল্ডারের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় যাত্রিবাহী ট্রেনটির। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ এবং দমকল। একাধিক অ্যাম্বুল্যান্স ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়। ট্রেনের প্রতিটি কামরা ঘুরে দেখেন পুলিশ এবং রেল আধিকারিকেরা। কোথাও হতাহতের কোনও খবর মেলেনি বলে জানিয়েছে রেল। দুর্ঘটনার (Train Accident) ফলে ওই লাইনে ট্রেন চলছে না। একাধিক ট্রেনের গতিপথ বদল করা হয়েছে।

    নাশকতার ইঙ্গিত রেলমন্ত্রীর

    এর পিছনে কোনও নাশকতার ছক আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। হঠাত করে রেল লাইনের উপর বোল্ডার কীভাবে এল তা নিয়ে প্রশ্ন জাগছে। রেলের এক আধিকারিক জানান, বোল্ডারের সঙ্গে ধাক্কা লাগার ফলে, ট্রেনের সামনে থাকা ক্যাটল গার্ডের ক্ষতি হয়েছে। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের কথাতেও নাশকতার ইঙ্গিত। এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, ভারী ধাক্কার চিহ্ন রয়েছে। তথ্য সংগ্রহ ও রক্ষা করা হচ্ছে। গোয়েন্দা বিভাগ ও উত্তরপ্রদেশ পুলিশ গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Train Derailed: মালগাড়ির সঙ্গে ধাক্কা, লাইনচ্যুত হাওড়া-সিএসএমটি এক্সপ্রেসের ১৮টি কামরা

    Train Derailed: মালগাড়ির সঙ্গে ধাক্কা, লাইনচ্যুত হাওড়া-সিএসএমটি এক্সপ্রেসের ১৮টি কামরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাইনচ্যুত (Train Derailed) হয়ে গেল হাওড়া থেকে মুম্বইগামী (Howrah Mumbai Express) ট্রেন। মঙ্গলবার ভোরে ঝাড়খণ্ডের চক্রধরপুরের কাছে বেলাইন হল হাওড়া-সিএসএমটি এক্সপ্রেস। রাজাখারসওয়ান ও বরাবাম্বু রেল স্টেশনের মধ্যে মঙ্গলবার ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ২জন যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। অন্তত ২০জন যাত্রী আহত হয়েছেন বলে খবর। তাঁদের মধ্য কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। চক্রধরপুর থেকে রিলিফ ট্রেন রওনা দিয়েছে। চলছে উদ্ধার কাজ। এই দুর্ঘটনার পর বেশ কয়েকটি ট্রেন বাতিল এবং কয়েকটি ট্রেনের গতিপথ পরিবর্তন করা হয়েছে৷

    কীভাবে দুর্ঘটনা

    রেল সূত্রে খবর, এর আগে বেলাইন (Train Derailed) হওয়া একটি মালগাড়ির কয়েকটি বগি রেললাইনের ওপরে পড়ে ছিল। ওই বগিগুলির সঙ্গে ধাক্কা লেগেই লাইনচ্যুত হয় ১২৮১০ হাওড়া-ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাস (সিএসএমটি) এক্সপ্রেস বা হাওড়া-মুম্বই মেল ভায়া নাগপুর। অপর একটি সূত্রের খবর, ট্রেনের পাঁচটি কামরা লাইনচ্যুত হয়ে গিয়ে পাশেই দাঁড়িয়ে থাকা একটি মালগাড়িতে ধাক্কা মেরেছে। ট্রেনটির চারটি সাধারণ বগি ছাড়া বাকি সব বগিগুলি লাইনচ্যুত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    চালু হেল্প ডেস্ক

    দক্ষিণ পূর্ব রেলওয়ের চক্রধরপুর বিভাগের সিনিয়র ডিসিএম জানিয়েছেন, জোরকদমে চলছে উদ্ধারকাজ। ট্রেন দুর্ঘটনার কারণ এখনও জানা যায়নি। হাওড়া স্টেশনে খোলা হয়েছে হেল্প ডেস্ক। ঝাড়খণ্ডে রেল দুর্ঘটনার (Train Derailed) পর ইতিমধ্যেই দক্ষিণ পূর্ব রেলের একাধিক স্টেশনে হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে। হাওড়া স্টেশনের জন্য ৯৪৩৩৩৫৭৯২০ ও ০৩৩২৬৩৮২২১৭, টাটানগর স্টেশনের জন্য ০৬৫৭২২৯০৩২৪, চক্রধরপুর স্টেশনের জন্য ০৬৫৮৭ ২৩৮০৭২, রৌরকেলা স্টেশনের জন্য ০৬৬১২৫০১০৭২ ও ০৩৩২৬৩৮২২১৭ এবং রাঁচি স্টেশনের জন্য ০৬৫১২৭৮৭১১৫ হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে।

    চলছে উদ্ধারকাজ

    ঘটনার (Train Derailed) খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন সেরাকেলা-খরসাওয়ানের জেলা প্রশাসক রবিশঙ্কর শুক্লাও। রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছেন। ত্রাণ ও উদ্ধার কাজ (Howrah Mumbai Express) শুরু করেছে রেলওয়ে। আহতদের চক্রধরপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হচ্ছে। ঘটনার সময় ট্রেনের অধিকাংশ যাত্রী ঘুমিয়ে ছিলেন। ঘটনার পর কয়েকজন বগি থেকে বেরিয়ে আসেন। কেউ কেউ সেখানে আটকা পড়েছিলেন। যাদের উদ্ধার করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে স্থানীয়রাই উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসে। রেলের তরফেও সবার আগে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dibrugarh Express Derailed: উত্তরপ্রেদেশে উল্টে গেল ডিব্রুগড় এক্সপ্রেসের অন্তত ১০টি কামরা

    Dibrugarh Express Derailed: উত্তরপ্রেদেশে উল্টে গেল ডিব্রুগড় এক্সপ্রেসের অন্তত ১০টি কামরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক মাস হতেই ফের ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা। ১৭ জুন কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস কেড়ে নিয়েছিল বহু প্রাণ। এই ঘটনার এক মাস পরেই ১৮ জুলাই উত্তরপ্রদেশের গোন্ডায় ঘটল ফের ট্রেন দুর্ঘটনা। চণ্ডীগড় থেকে ডিব্রুগড়গামী ডিব্রুগড় এক্সপ্রেসের (Dibrugarh Express Derailed) অন্তত দশটি কামরা লাইনচ্যুত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। এই রেল দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত একজনের মৃত্যু এবং একাধিক ব্যক্তির আহত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। জানা গেছে গোন্ডা এবং জিলাহি এলাকার মাঝে পিকাউড়া এলাকায় এই ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটেছে। কী কারণে এই দুর্ঘটনা তা জানা যায়নি।

    অ্যাকশনে যোগী আদিত্যনাথ (Dibrugarh Express Derailed)

    রেলের তরফে আপাতত একটি উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়েছে। যে কটি বগি লাইনচ্যুত হয়েছে তার মধ্যে চারটি এসি বগি রয়েছে। এক যাত্রী বলেন, “কপাল ভালো, এবারের দুর্ঘটনায় (Dibrugarh Express Derailed) বেশি প্রাণহানি হয়নি। অনেকেই আহত হয়েছেন, তবে মৃত্যুর সংখ্যা খুব বেশি হওয়ার কথা নয়। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ দ্রুত পুলিশকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে (Dibrugarh Express Accident) উদ্ধারকাজে হাত লাগানোর নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি রেল দফতরের আধিকারিকদেরও তিনি অনুরোধ করেছেন, যাতে দ্রুত যাত্রীদের উদ্ধার করে তাঁদের নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া যায়।

    হেল্পলাইন নম্বর চালু (Dibrugarh Express Accident)

    দুর্ঘটনার পর অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাও পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন। কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তিনি যোগাযোগ রাখছেন এবং খবর নিচ্ছেন বলে এক্স হ্যান্ডেলে জানিয়েছেন হিমন্ত। ডিব্রুগড় এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার (Dibrugarh Express Accident) পর উত্তর পূর্ব রেলের তরফে বেশ কয়েকটি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে। ডিব্রুগড়ের জন্য ৯৯৫৭৫৫৫৯৬০, তিনসুকিয়ার জন্য ৯৯৫৭৫৫৫৯৫৯, সিমালগুড়ির জন্য ৮৭৮৯৫৪৩৭৯৮, মারিয়ানির জন্য ৬০০১৮৮২৪১০, ফুরকাটিঙের জন্য ৯৯৫৭৫৫৫৯৬৬ এবং কমার্শিয়াল কন্ট্রোলের জন্য ৯৯৫৭৫৫৫৯৮৪। গুয়াহাটি স্টেশনের জন্যও তিনটি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে। নম্বরগুলি হল ০৩৬১২৭৩১৬২১, ০৩৬১২৭৩১৬২২, ০৩৬১২৭৩১৬২৩। লউখউ স্টেশনে জন্য ৮৯৫৭৪০৯২৯২ ও গোন্ডা স্টেশনের জন্য ৮৯৫৭৪০০৯৬৫ হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে। এ দিনের দুর্ঘটনার পর বেশ কয়েকটি ট্রেনের যাত্রাপথ পরিবর্তন করা হয়েছে।

    রেলের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

    প্রসঙ্গত ঠিক এক মাস আগে গত ১৭ জুন ডাউন কাঞ্জনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল। মৃত্যু হয়েছিল ১১ জনের। ২ দিন আগেই এসেছিল এই দুর্ঘটনার রিপোর্ট। তাতে বলা হয়েছিল ট্রেন চালক ও স্টেশন মাস্টারদের প্রশিক্ষণের অভাবের কথা। এছাড়াও ট্রেন চালানোয় নানা ত্রুটির কথা উল্লেখ করা হয়েছিল। এই ঘটনার স্মৃতি মোছার আগেই ফের (Dibrugarh Express Derailed) ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় রেলের নিরাপত্তা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠে গেল।

     

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Train Accident: বাবা-মার সঙ্গে আর বাড়ি ফেরা হল না, ট্রেন দুর্ঘটনা কেড়ে নিল ৬ বছরের স্নেহার প্রাণ

    Train Accident: বাবা-মার সঙ্গে আর বাড়ি ফেরা হল না, ট্রেন দুর্ঘটনা কেড়ে নিল ৬ বছরের স্নেহার প্রাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মামাবাড়িতে কাটানো সেই আনন্দের গল্প আর বন্ধুদের বলা হল না ছোট্ট স্নেহার। সোমবার সকালে বাবা-মায়ের হাত ধরে আনন্দে গদগদ হয়ে বাড়ি ফিরছিল স্নেহা। অভিশপ্ত কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে (Train Accident) সে চেপেছিল সে। তারপর সব শেষ। মালদার ছ’বছরের স্নেহা মণ্ডলের নিথর দেহ এখন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের মর্গে শুয়ে রয়েছে।

    স্নেহার বাবা-মা ভর্তি রয়েছেন হাসপাতালে (Train Accident)

    সোমবার রাঙাপানি এলাকায় মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনার (Train Accident) অভিশপ্ত কাঞ্চনজঙ্ঘার যাত্রী ছিল স্নেহা। বাবা- মা’র সঙ্গে বাড়ি ফিরছিল সে। কয়েকদিন আগে শিলিগুড়ির মাটিগাড়ায় মামাবাড়ি এসেছিল। সোমবার বাড়ি ফিরছিল। ট্রেন দুর্ঘটনায় স্নেহার বাবা মণিলাল মণ্ডল ও ছবি মণ্ডলও জখম হয়ে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। স্নেহা সঙ্কটজনক অবস্থায় পিকু ওয়ার্ডে ভেন্টিলেশনে ছিল। পাশাপাশি সোমবার কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর মোট ৩৭ জন ভর্তি হয় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। তার মধ্যে একজনের মৃত্যু হয় ট্রমা কেয়ার ইউনিটে। আর আশঙ্কাজনক ছিল ছ’বছরের ওই স্নেহা। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখম ছিল তার। সোমবার থেকে তার শারীরিক পরিস্থিতির ওপর নজর রেখে চলছিল শিশু রোগ বিশেষজ্ঞদের একটি দল। তবে, শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি তাকে। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক সন্দীপ সেন বলেন, “পায়ে আঘাত থাকার পাশাপাশি শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। কালকে থেকেই মেডিক্যাল টিম অস্ত্রোপচার করে বাচ্চাটির রক্তক্ষরণ বন্ধের চেষ্টা করে। পিকুতে ভর্তি ছিল। আজ সকালে তাকে হারিয়েছি আমরা।”

    আরও পড়ুন: “সুরক্ষা কবচ কোনও মাদুলি নয়”, রেল দুর্ঘটনায় মন্তব্য নিয়ে মমতাকে তুলোধনা সুকান্তর

    মেয়েকে হারিয়ে মুষড়ে পড়েছেন বাবা

    এদিন সকালে মৃত্যুর খবর শোনার পর চোখের জল মুছে চলেছেন বাবা মণিলাল মণ্ডল। সামনে কেউ গেলে বলছেন, আমরা এখন কাকে নিয়ে বাঁচব? কারও কাছে এর উত্তর নেই। তিনি বলেন, শিলিগুড়ির মাটিগাড়া আমার শ্বশুরবাড়ি। ক’টাদিন সেখানে স্নেহা কত আনন্দই না করেছে। সোমবার বাড়ি ফিরছিলাম। আর ওকে নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারব না।

     হাসপাতালে পরিজনদের ভিড়়

    এদিকে এদিন সকালে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে জখম যাত্রীর পরিজনরা একে একে আসতে শুরু করেন। কেউ প্রিয়জনকে জখম অবস্থায় বেডে শুয়ে থাকতে দেখে ডুকরে কেঁদে উঠছেন। কেউ বা মরদেহ নিয়ে যাওয়ার জন্য মর্গের সামনে অপেক্ষা করছেন। তাদের চোখে জল নেই। নির্বাক হয়ে তাকিয়ে রয়েছেন। সকলেরই প্রশ্ন, কীভাবে এই সর্বনাশ হল?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kanchanjunga Accident: শুরু হল ট্রেন চলাচল, লাইনের পাশেই দোমড়ানো-মোচড়ানো কামরা, মৃত্যু বেড়ে ১০

    Kanchanjunga Accident: শুরু হল ট্রেন চলাচল, লাইনের পাশেই দোমড়ানো-মোচড়ানো কামরা, মৃত্যু বেড়ে ১০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে ফাঁসিদেওয়া ব্লকের নির্মলজ্যোত। সোমবার সকালে এই নির্মলজ্যোতে মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনা (Kanchanjunga Accident) ঘটেছিল। মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে হল ১০। শিলিগুড়ির মহকুমা শাসক অবোধ সিঙ্ঘল মঙ্গলবার বলেন, মৃত্যুর সংখ্যা ১০। কেননা সোমবার যে তথ্য পাওয়া গিয়েছিল তা উদ্ধার হওয়া একটি মৃতদেহের। সোমবার রাতের মধ্যে মৃতদেহ শনাক্তকরণ পর্ব শেষ হয়। তখন দেখা যায় একটি মৃত দেহের পা নেই। চিকিৎসকরা সেই পা ওই মৃত ব্যক্তির বলে চিহ্নিত করেন। সোমবার রাত পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ছিল ন’জন। মঙ্গলবার ছ’বছরের এক শিশু মারা গিয়েছে। তাতে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা মোট ১০ জন। 

    শুরু হল ট্রেন চলাচল, লাইনের পাশেই দোমড়ানো-মোচড়ানো কামরা (Kanchanjunga Accident)  

    মঙ্গলবার সকাল থেকেই লাইন পরিষ্কার করে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। উদ্ধারকাজ কার্যত শেষ। দুর্ঘটনার (Kanchanjunga Accident) স্মৃতি হিসেবে লাইনের পাশে পড়ে রয়েছে ট্রেনের দোমড়ানো- মোচড়ানো বগিগুলি। বাসিন্দারা সোমবার রাতে ঘুমোতে পারেননি। বীভৎস দৃশ্য, চিৎকার হাহাকার, জখম যাত্রীদের কান্না এখনও কানে বাজছে গ্রামবাসীদের। সোমবার ছিল ঈদ। গ্রামের সকলের নামাজ পড়তে গিয়েছিলেন। কারও নামাজ পড়া হয়ে গিয়েছিল। নামাজ পড়ে ফেরার পথেই খবর পান ট্রেন দুর্ঘটনার। অনেকে যাত্রীদের চিৎকার, হাহাকার শুনে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন। স্থানীয় বাসিন্দা শাহজাদ আলি, নাজিম আলি,  মহম্মদ শওকতরা বলেন, চিৎকার শুনে গিয়ে দেখি ট্রেনের ভেতর থেকেই বাঁচাও বাঁচাও চিৎকার ভেসে আসছে। এখনও কানে বাজছে সেই চিৎকার। সোমবার সারা রাত ঘুমোতে পারিনি। কত শিশু পড়ে কাঁদছে। কেউ বাবা-মাকে খুঁজে বেড়াচ্ছে। মন শক্ত করে উদ্ধারকাজে হাত লাগাই। তখনও  প্রশাসনের কেউ আসেনি। আমরা সাহসে ভর দিয়ে একে একে সব যাত্রীদের নামিয়ে আনি। ততক্ষনে অ্যাম্বুল্যান্স, বিভিন্ন গাড়ি পৌঁছতে শুরু করেছে। এক এক করে জখম যাত্রী, মৃতদেহ অ্যাম্বুল্যান্স এবং গাড়িতে তুলে দিই। 

    আরও পড়ুন: “সুরক্ষা কবচ কোনও মাদুলি নয়”, রেল দুর্ঘটনায় মন্তব্য নিয়ে মমতাকে তুলোধনা সুকান্তর

    অভিশপ্ত স্মৃতি বয়ে বেড়াবে নির্মলজ্যোত

    এদিন গ্রামবাসীরা বলেন, ঈদের উৎসব ভুলে গিয়েছিলাম। কাল রাত পর্যন্ত আমরা এখানেই ছিলাম। সকলকে বাঁচানই ছিল আমাদের মূল উদ্দেশ্য। কিন্তু, অনেককে বাঁচানো যায়নি। বাবা- না পেয়ে শিশুদের কান্না ভুলতে পারছি না। সব কিছু স্বাভাবিক হয়ে যাবে। আবার ট্রেন চলবে। কিন্তু, আমরা বয়ে বেড়াব অভিশপ্ত ট্রেন দুর্ঘটনার স্মৃতি। মৃত্যুর মুখে পড়ে থাকা অসহায় মানুষের হাহাকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kanchanjunga Accident: দুর্ঘটনা কেড়ে নিয়েছে লোকো পাইলট অনিলের জীবন, জানেনই না সহকর্মী মনু

    Kanchanjunga Accident: দুর্ঘটনা কেড়ে নিয়েছে লোকো পাইলট অনিলের জীবন, জানেনই না সহকর্মী মনু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার সকালে একইসঙ্গে মালগাড়ির ইঞ্জিনের উঠেছিলেন লোকো পাইলট অনিল কুমার। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সহকারি লোকো পাইলট মনু কুমার। অভিশপ্ত মালগাড়িটি শিলিগুড়ির রাঙাপানি এলাকায় কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের পিছনে গিয়ে ধাক্কা মারে। আর তাতেই সব কিছু শেষ হয়ে যায়। ভয়াবহ দুর্ঘটনায় (Kanchanjunga Accident) অনিল কুমারের মৃত্যু হয়। আর গুরুতর জখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মনু কুমার।

    সহকর্মীর মৃত্যুর খবর কানে পৌঁছয়নি (Kanchanjunga Accident)

    হাসপাতালের বেডে শুয়ে বড় কিছু ঘটেছে তা বুঝতে পেরেছিলেন মনু কুমার। তবে, তাঁর চোট গুরুতর হওয়ায় দুর্ঘটনার (Kanchanjunga Accident) বিষয়ে তাঁকে কেউ খুব বেশি কিছু বলছেন না। তাই, তাঁর সহকর্মীর মৃত্যুর খবর কানে পৌঁছয়নি। কিন্তু, আন্দাজ করেছিলেন। বড় কিছু তো ঘটেইছে। হাসপাতালের বেডে শুয়ে তখনও নিজের সহকর্মীর খোঁজ নিচ্ছিলেন মনু। আশঙ্কা করছিলেন কী হয়েছে ঠিক! তবে সেটা বুঝতে পারছিলেন না তিনি। হাসপাতালের বেডে শুয়ে চোখ বন্ধ করে কিছু একটি চিন্তা করছেন। তবে, তিনি খুব বেশি কথা বলছেন না।

    আরও পড়ুন: “সুরক্ষা কবচ কোনও মাদুলি নয়”, রেল দুর্ঘটনায় মন্তব্য নিয়ে মমতাকে তুলোধনা সুকান্তর

    দুর্ঘটনা কেড়ে নিয়ে নিয়েছে লোকো পাইলট অনিলের জীবন

    জানা গিয়েছে, একসঙ্গেই যাত্রা শুরু করেছেন মালগাড়ির অ্যাসিস্ট্যান্ট লোকো পাইলট মনু কুমার এবং লোকো পাইলট অনিলবাবু। অনেকখানি পথ গিয়েছিলেন একসঙ্গে। কিন্তু, বাধ সাধল দুর্ঘটনা (Train Accident)। গুরুতর আহত অবস্থায় মনু শুয়ে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের হাসপাতালের বেডে। আর অনিলবাবু নেই। দুর্ঘটনা কেড়ে নিয়েছে তাঁর প্রাণ। বেডে শুয়ে মনু কুমার বলেন,”‘ড্রাইভার সাহাব ক্যাসে হ্যায়”। অপর প্রান্ত থেকে উত্তর এল, “এখনও ওঁর খোঁজ পাওয়া যায়নি।” এই উত্তর শুনে বাকিটা বুঝতে অসুবিধা হল না হল তাঁর। চোখ বুঝলেন। আর কোনও প্রশ্ন করলেন না। হয়ত তিনি বুঝেই গিয়েছেন, তাঁর সহকর্মী আর নেই। তাই, আর কিছু বললেন না। মনু শুধু বললেন, “আমি কিচ্ছু জানি না। মোবাইল নম্বর মনে নেই। আমার কিছু মনে পড়ছে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: মেয়ের জন্মদিনে বালিগঞ্জের বাড়িতে আর ফেরা হল না, শুভজিতের নিথর দেহ শিলিগুড়ির মর্গে

    Train Accident: মেয়ের জন্মদিনে বালিগঞ্জের বাড়িতে আর ফেরা হল না, শুভজিতের নিথর দেহ শিলিগুড়ির মর্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেয়ের জন্মদিন পালনের জন্য বাড়িতে আনন্দ উৎসবের তোড়জোড় চলছিল। মেয়ের কথা মেনে তাড়াতাড়ি বাড়ি পৌঁচ্ছাতে অভিশপ্ত কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে চড়ে বসেছিলেন কলকাতার বালিগঞ্জের শুভজিৎ মালি। আর মেয়ের আবদার রাখতে পারলেন না শুভজিৎ। শিলিগুড়িতে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার (Train Accident) খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন দুশ্চিন্তায় ছিলেন। পরে, মৃত্যু সংবাদ বাড়িতে আসতেই শোকের ছায়া নেমে আসে পরিবারে।

    মেয়ের জন্মদিনে আর ফেরা হল না, শুভজিতের নিথর দেহ শিলিগুড়ির মর্গে (Train Accident)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শুভজিতবাবু একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। কাজের সূত্রে প্রায়শই ভিন রাজ্যে যেতে হয় তাঁকে। সম্প্রতি গিয়েছিলেন নাগাল্যান্ডে। গিয়েছিলেন চার চাকার গাড়ি চালিয়ে। সেখানে গাড়ি সাপ্লাই দিয়ে ফিরছিলেন কলকাতায়। প্রায় পাঁচ বছর ধরে তিনি এই কাজ করে আসছেন। গাড়ি নিয়ে ভিন রাজ্যে যান, সাপ্লাই দিয়ে আবার ফিরে আসেন। কিন্তু, এবার মেয়ের আবদার মেটাতে দ্রুত বাড়ি ফেরার জন্য ট্রেনে চেপেই বাড়ি ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। কারণ, বাড়িতে ১১ বছরের মেয়ে রয়েছে তাঁর। সোমবারই ছিল মেয়ের জন্মদিন। ছোট্ট মেয়েটা আবদার করেছিল, বাবা বাড়ি এলে তবেই কেক কাটবে। সেই টানেই তাড়াতাড়ি বাড়ি ফেরার জন্য উঠেছিলেন অভিশপ্ত কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে। কিন্তু, আর মেয়ের সঙ্গে দেখা হল না। মেয়ের জন্মদিনও উদযাপন করা হল না। নিউ জলপাইগুড়ি ছেড়ে আসার পর কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের ভয়াবহ দুর্ঘটনায় (Train Accident) কাড়ল কলকাতার শুভজিৎ মালির প্রাণ। তাঁর নিথর দেহ শিলিগুড়িতে (Siliguri) উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পড়ে রয়েছে। বালিগঞ্জের জামির লেনের বাড়িতে এখন শুধুই কান্নার রোল আর স্বজন হারানোর যন্ত্রণা।

    আরও পড়ুন: “সুরক্ষা কবচ কোনও মাদুলি নয়”, রেল দুর্ঘটনায় মন্তব্য নিয়ে মমতাকে তুলোধনা সুকান্তর

    মেয়ের জন্মদিনে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলেছিল

    স্বামীর মৃত্যু সংবাদ পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তাঁর স্ত্রী। তিনি বলেন, “রবিবার রাতেও ফোন ওর সঙ্গে অনেকক্ষণ কথা হয়েছে। মেয়ের জন্মদিন নিয়ে আমাদের অনেক পরিকল্পনা করা হয়েছিল। জন্মদিনে বাবা আসছে শুনে মেয়েও খুব খুশি ছিল। বাড়িতে ফিরে ঘুরতে যাওয়ার কথাও বলেছিল। তবে, সোমবার সকালে ও ট্রেনে ওঠার পর ফোন করেনি। আমার সঙ্গে আর কথা হয়নি। এরপরই ট্রেন দুর্ঘটনার (Train Accident) খবর পাই। ফলে, সারাক্ষণ টিভির পর্দায় নজর ছিল। অবশেষে সব শেষ।” এরপর কান্নায় চোখ বুজে এল তাঁর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share