Tag: train accident

train accident

  • Kanchanjunga Express: কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস ট্রেন দুর্ঘটনার জন্য সোম-মঙ্গল বাতিল একাধিক ট্রেন

    Kanchanjunga Express: কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস ট্রেন দুর্ঘটনার জন্য সোম-মঙ্গল বাতিল একাধিক ট্রেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস (Kanchanjunga Express) ট্রেন দুর্ঘটনার পর একাধিক ট্রেন সোমবার এবং মঙ্গলবারের জন্য বাতিল করা হয়েছে। আবার রাজধানী, বন্দে ভারত-সহ একাধিক ট্রেনের গতিপথও বদল করা হয়েছে। ইতিমধ্যে রেলের তরফ থেকে সেই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। আবার যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে শিলিগুড়ি থেকে কলকাতার উদ্দেশে অতিরিক্ত বাস চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থা।

    বাতিল একাধিক ট্রেন (Kanchanjunga Express)

    সোমবার রেল দুর্ঘটনার (Kanchanjunga Express) জন্য একাধিক ট্রেন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। বাতিল হওয়া ট্রেনের মধ্যে হল-শিলিগুড়ি-রাধিকাপুর ডেমু, রাধিকাপুর-শিলিগুড়ি আইসি, মালদা টাউন-নিউ জলপাইগুড়ি স্পেশ্যাল, নিউ জলপাইগুড়ি-মালদা টাউন স্পেশাল ট্রেন। আবার মঙ্গলবারের জন্য বাতিল করা হয়েছে, নিউ জলপাইগুড়ি-মালদা টাউন স্পেশাল, মালদা টাউন-নিউ জলপাইগুড়ি স্পেশাল ট্রেন।

    কোন কোন ট্রেনের গতিপথ বদল?

    রেলের তরফ থেকে যে যে ট্রেনের গতিপথ বদল করা হয়েছে তা হল, ১৯৬০২ নিউ জলপাইগুড়ি-উদয়পুর সিটি এক্সপ্রেস, ২০৫০৩ ডিব্রুগড়-নয়াদিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেস, ১২৪২৩ ডিব্রুগড়-নয়াদিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেস, ০১৬৬৬ আগরতলা-রানি কমলাপতি হাবিবগঞ্জ স্পেশাল ট্রেন। এই ট্রেনগুলির গতিপথ ঠিক করা হয়েছে, নিউ জলপাইগুড়ি-শিলিগুড়ি-বাগডোগরা-আলুয়াবাড়ি রোড জংশন লাইনে। আবার ১২৩৭৭ শিয়ালদা-নিউআলিপুরদুয়ার পাদাতিক এক্সপ্রেস, ০৬১০৫ নারকোলি-ডিব্রুগড় স্পেশাল, ২০৫০৬ নয়াদিল্লি-ডিব্রুগড় রাজধানী এক্সপ্রেস, ১২৪২৪ নয়াদিল্লি-ডিব্রুগড় রাজধানী এক্সপ্রেস, ২২৩০১ হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ঘুরিয়ে দেওয়া হবে আলুয়াবাড়ি রোড জংশন-বাগডোগরা-শিলিগুড়ি-নিউ জলপাইগুড়ি লাইনে।

    দুর্ঘটনায় ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে

    সোমবার সকালে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে শিয়ালদার দিকে যাত্রা শুরু করছিল কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস (Kanchanjunga Express)। ফাঁসিদেওয়ার রাঙাপানি স্টেশনের কাছে আচমকা পিছন থেকে একটি মালগাড়ি এসে ধাক্কা মারে। কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের চারটি বগি লাইন চ্যুত হয়ে যায়। তাঁর মধ্যে দুটি বগি মালবাহী ট্রেনের। এখনও পর্যন্ত এই দুর্ঘটনায় ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আহতের সংখ্যা মোট ৩০ জনের বেশি।

    আরও পড়ুনঃ বহরমপুরে বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি-বোমাবাজি! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    কী বলেন মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক?

    পূর্বরেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র জানিয়েছেন, “এই রেলের দুর্ঘটনায় (Kanchanjunga Express) উত্তরবঙ্গে রেল চলাচলে খুব একটা সমস্যা হবে না। অপর আরেকটি লাইন এখনও সচল রয়েছে। সোমবার হাওড়া ও শিয়ালদা থেকে উত্তরবঙ্গগামী সমস্ত ট্রেন নির্ধারিত সময়েই ছাড়বে।” একই সঙ্গে পূর্বরেলের তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, চারটি কামরা বাদ দিয়ে ডাউন কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের বাকি অংশ যাত্রীদের নিয়ে রওনা দিয়েছে। মাঝে আলুয়াবাড়ি রোড স্টেশনে দাঁড় করানো হয় ট্রেনটিকে। সেখানে যাত্রীদের জন্য জল এবং খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। ১২৯৩ জন যাত্রীকে নিয়ে ওই ট্রেন কলকাতার দিকে রওনা দিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kanchenjunga Express: দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে উত্তরবঙ্গে যাচ্ছেন রেলমন্ত্রী, হেল্পলাইন নম্বর চালু রেলের

    Kanchenjunga Express: দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে উত্তরবঙ্গে যাচ্ছেন রেলমন্ত্রী, হেল্পলাইন নম্বর চালু রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস (Kanchenjunga Express) ও মালগাড়ির সংঘর্ষে শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে, আহত ৪১ জন। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন মালগাড়ির লোকো পাইলট। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যেই চলছে উদ্ধারকাজ। কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস (Kanchanjungha Derailed) দুর্ঘটনার পরই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে করেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। ফাঁসিদেওয়ায় দুর্ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন রেলমন্ত্রী। তিনি দার্জিলিঙের উদ্দেশে রওনা দিচ্ছেন। দুর্ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবেন। 

    রেলের হেল্পলাইন নম্বর

    এই দুর্ঘটনার জেরে কাঞ্চনজঙ্ঘার (Kanchenjunga Express) পেছনের দিকে তিনটি কামরা লাইনচ্যুত হয়ে যায়।  বেসরকারি মতে এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতের সংখ্যা ৬০ জন। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার প্রভাব পড়েছে উত্তরবঙ্গে রেল পরিষেবায়। মালদা টাউন স্টেশনে আটকে পড়েছে কলকাতা থেকে নিউ জলপাইগুড়িগামী বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। রেলের তরফে মালদায় হেল্প লাইন নম্বর চালু হয়েছে। যাত্রীদের খোঁজখবর নেওয়ার জন্য পরিজনদের সাহায্য করার জন্য হাওড়া,শিয়ালদহ-সহ কাটিহার, ডালখোলা, কিষাণগঞ্জ, সামসি, বারসোই, নিউ জলপাইগুড়ি-সহ বিভিন্ন স্টেশনে হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে। 

    আরও হেল্পলাইন নম্বর

    শিয়ালদা, দক্ষিণেশ্বর ও নৈহাটি স্টেশনেও হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে। সেগুলি হল—

    শিয়ালদহ স্টেশন
    ১) ০৩৩২৩৫০৮৭৯৪
    ২) ০৩৩২৩৮৩৩৩২৬
    ৩) রেলওয়ে টেলিফোন: ৩৩৩২৬

    শিয়ালদহ কন্ট্রোল রুম:
    ১) ১০৭২৫
    ২) ০৩৩২৩৫১৬৯৬৭
    ৩) ০৩৩২৩৮৩২৫৯৪
    ৪) রেলওয়ে টেলিফোন: ৩২৫৯৪

    নৈহাটি স্টেশন
    ১) ০৩৩২৫৮১২১২৮
    ২) রেলওয়ে টেলিফোন: ৩৯৩০০
    ৩) ০৩৩২৫৮০৫২৪৪

    দক্ষিণেশ্বর স্টেশন
    ১) ০৩৩২৩৮৩২৫৯০
    ২) রেলওয়ে টেলিফোন: ৩২৫৯০
    ৩) ০৩৩২৩৮৩২৫৯০

    রেলমন্ত্রীর বার্তা

    এই ঘটনাকে দুর্ভাগ্যজনক আখ্যা দিয়েছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে লিখেছেন, “এনএফআর জোনে দুর্ভাগ্যজনক দুর্ঘটনা ঘটেছে। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ। রেলওয়ে, এনডিআরএফ, এসডিআরএফ মিলিতভাবে কাজ করছেন। আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন।”

    কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস (Kanchenjunga Express) আগরতলা থেকে শিয়ালদার মধ্যে চলাচল করার ফলে একাধিক রাজ্যের মানুষ সেই ট্রেনে যাতায়াত করেন। ত্রিপুরা, অসম, বিহার এবং পশ্চিমবঙ্গ ছুঁয়ে যায় সেই ট্রেন। এই গুরুত্বপূর্ণ ট্রেন দুর্ঘটনার (Kanchanjungha Derailed) কবলে পড়ায় হতাশা ব্যক্ত করেন রেল প্রতিমন্ত্রীও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kanchenjunga Express: সিগন্যালেই সমস্যা! কীভাবে একই লাইনে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস আর মালগাড়ি?

    Kanchenjunga Express: সিগন্যালেই সমস্যা! কীভাবে একই লাইনে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস আর মালগাড়ি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাঞ্চনজঙ্ঘার (Kanchenjunga Express) মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনের লাইনে চলে এল মালগাড়ি। সোমবার সকালে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটল নিউ জলপাইগুড়ির পরের স্টেশন রাঙাপানিতে। কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তার কারণ খুঁজছে রেল। ইতিমধ্য়েই দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে ১৫টি অ্যাম্বুল্যান্স। দিল্লিতে কন্ট্রোলরুমে পৌঁছে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। রেল সূত্রে খবর, সিগন্যালিং সিস্টেমে সমস্যার কারণেই কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের (Kanchenjunga Derailed) সঙ্গে মালগাড়ির সংঘর্ষ হয়। 

    সিগন্যালিংয়ের সমস্যা

    রেল সূত্রে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে অনুমান সিগন্যালিংয়ের সমস্যার কারণেই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। সিগন্যাল ফেল করেই মালগাড়িটি ধাক্কা মারে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে (Kanchenjunga Express) । মালগাড়ির ধাক্কায় ট্রেনের পার্সেল ভ্যান মালগাড়ির ইঞ্জিনের ছাদে উঠে যায়। পিছনের কামরাটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। সোমবার সকালে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে উত্তরবঙ্গে। তার মাঝেই ঘটেছে এই দুর্ঘটনা। অসমের শিলচর থেকে শিয়ালদার দিকে আসছিল কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস। সিগন্যাল লাল থাকায় নীচবাড়ি এবং রাঙাপানি স্টেশনের মাঝে দাঁড়িয়েছিল ট্রেনটি। তখন সেই লাইনেই এসে পড়ে একটি মালগাড়ি। সজোরে কাঞ্চনজঙ্ঘা (Kanchenjunga Derailed) এক্সপ্রেসের পিছনে ধাক্কা মারে সেটি। খেলনাগাড়ির মতো মালগাড়ির উপর উঠে পড়ে এক্সপ্রেসের পিছনের একাধিক বগি। লাইচ্যুত হয় মালগাড়িও। 

    আরও পড়ুন: “যত বড়ই আধিকারিক হন, ছাড়া পাবেন না”, নিট বিতর্কে বার্তা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের

    মালগাড়ির গতি বেশি

    জানা গিয়েছে, মালগাড়িটি ওভারলোডেড ছিল। গতিও ছিল যথেষ্ট বেশি। রেলের প্রাথমিক অনুমান, লাল সিগন্যাল দেখতে পাননি মালগাড়ির চালক। সেই কারণেই একই লাইনে এসে যায় সেটি। সাধারণত যে লাইনে এক্সপ্রেস (Kanchenjunga Derailed) ট্রেন চলে, সেই লাইনে মালগাড়ি চালানো হয় না। মালগাড়িকে দাঁড় করিয়ে পাস করানো হয় এক্সপ্রেস। এ ক্ষেত্রে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের পিছনেই ছিল মালগাড়িটি। একই লাইনেই দু’টি ট্রেন পাস করানোর পরিকল্পনা ছিল রেলের। তবে আগে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসকে (Kanchenjunga Express) শিয়ালদার উদ্দেশে রওনা করিয়ে দিয়ে তার পর মালগাড়িকে পাস করানোর কথা। সেই কারণেই মালগাড়িকে লাল সিগন্যাল দেওয়া হয়েছিল। রেলের অনুমান, মালগাড়ির চালক ওই সিগন্যাল দেখতে পাননি। এই ঘটনার পরেই উত্তরবঙ্গের সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের ট্রেন যোগাযোগ আপাতত বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। বন্ধ ট্রেন চলাচল। রেলের আধিকারিক ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: রেল লাইনে উঠে এল লরি! দুর্ঘটনার কবলে আপ রাধিকাপুর এক্সপ্রেস

    Train Accident: রেল লাইনে উঠে এল লরি! দুর্ঘটনার কবলে আপ রাধিকাপুর এক্সপ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাসখানেক আগেই মুর্শিদাবাদের ফরাক্কা সেতুর কাছে জাতীয় সড়়ক ধরে প্রচণ্ড গতিতে আসা ট্রাক রেল লাইনে উঠে গিয়েছিল। এক সপ্তাহের মধ্যে এই ঘটনা পর পর দুবার হয়েছিল। একবার একটি মালগাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই আবারও রেল দুর্ঘটনা (Train Accident) ঘটল ফরাক্কায়। জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে মুর্শিদাবাদের ফরাক্কার কাছে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে কলকাতা থেকে রাধিকাপুরগামী এক্সপ্রেস।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Train Accident)

    স্থানীয় ও রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে আপ রাধিকাপুর এক্সপ্রেসের অনেকটাই গতি ছিল। ফরাক্কার কাছে রেল লাইনের উপর একটি লরি আটকে যায়। লরির কাছে ট্রেনটি আসতেই চালক ব্রেক কষেন। কিন্তু, গতি থাকায় ট্রেনটি লরিটিকে ধাক্কা মারে। ট্রেনের ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দুর্ঘটনার (Train Accident) জেরে আপ-ডাউন লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তবে, যাত্রীদের জখম হওয়ার কোনও খবর নেই। সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় লোকজন ছুটে যান। রেলের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে যান। এই দুর্ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে রেল। লরিটির বিস্তারিত রেলের আধিকারিকদের হাতে এসে গিয়েছে। তদন্তের জন্য রাজ্য পুলিশকে সেই সব তথ্য ইতিমধ্যেই দেওয়া হয়েছে জানিয়েছেন মালদার ডিআরএম। এই ঘটনা নিয়ে রেলের তরফেও তদন্ত করা হবে। রেলকর্তারা মনে করছেন, রেললাইনে এসে যাওয়ার পরও যদি লরিচালক কোনও আলো দেখাতেন, তাহলে ট্রেনের চালক সতর্ক হতে পারতেন। কিন্তু সে রকম কিছু না করায় জরুরি ব্রেক ব্যবহার করেও দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়নি। যদিও চালকের তৎপরতায় বড় ক্ষয়ক্ষতি আটকানো গিয়েছে, দাবি রেলের আধিকারিকদের।

    ডিআরএম কী বললেন?

    পূর্ব রেলের মালদা ডিভিশনের ডিআরএম বিকাশ চৌবে জানিয়েছেন, লরির ভুলের কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। যেখানে দুর্ঘটনা (Train Accident) ঘটেছে তার নিকটবর্তী লেভেল ক্রসিং ঠিক সময়েই বন্ধ হয়েছিল এবং লরিটি লেভেল ক্রসিং দিয়ে আসেনি। দুর্ঘটনাস্থলের উপরে যে ফ্লাইওভার রয়েছে, সেখান থেকে ভুল পথে নেমে এসেছিল লরিটি।  ডাউন লাইনকে ট্রেন চলাচলের জন্য তৈরি করে ফেলা হয়েছে। আপ লাইনে ট্রেন চলাচল শুরুর উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: আগুনের গ্রাসে দিল্লি-দ্বারভাঙা এক্সপ্রেস! আতঙ্কে হুড়োহুড়ি যাত্রীদের

    Train Accident: আগুনের গ্রাসে দিল্লি-দ্বারভাঙা এক্সপ্রেস! আতঙ্কে হুড়োহুড়ি যাত্রীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধ্বংসী আগুনের করাল গ্রাসে দিল্লি-দ্বারভাঙ্গা এক্সপ্রেস (Train Accident)। দাউদাউ করে জ্বলতে দেখা যাচ্ছে ট্রেনের একের পর এক কামরাকে। প্রাণ বাঁচাতে হুড়োহুড়ি পড়ে যায় যাত্রীদের মধ্যে। তীব্র চিৎকারের আওয়াজ শোনা যায় ঘটনাস্থলে। বুধবার এই ট্রেন দুর্ঘটনাটি ঘটে উত্তরপ্রদেশে। দিল্লি-দ্বারভাঙ্গা এক্সপ্রেসের এই আগুন লাগার ঘটনায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে। দিল্লি থেকে মেরঠ যাওয়ার পথে এই অঘটন ঘটেছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে রেল সূত্রে খবর যে এখনও পর্যন্ত সেভাবে কোনও প্রাণহানি ঘটেনি। একটি কামরা থেকে আগুন ছড়ায় তিনটি কামরায়। রেল কর্মীদের তৎপরতায় সেই তিনটি কামরা বাকি ট্রেন থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়।

    কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?

    জানা গিয়েছে, প্রথমে একটি বগির (Train Accident) নিচে আগুন লেগে যায়। তার কারণ অবশ্য জানা যায়নি। মুহূর্তের মধ্যে সেখান থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে তিনটি বগিতে। এতে বেশ কয়েকজন যাত্রী গুরুতর জখম হয়েছেন। তাঁদের নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেখানেই তাঁদের চিকিৎসা চলছে বলে জানা গিয়েছে। আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে বেশ কয়েকজন যাত্রী লাফ দিয়ে ট্রেন থেকে নেমে পড়ার চেষ্টা করেন। এতেও জখম হন অনেক যাত্রী। মনে করা হচ্ছে শর্ট সার্কিটের কারণেই আগুন লেগেছে।

    ব্যাপক ভিড় ছিল ট্রেনটিতে

    খবর পাওয়া মাত্রই দমকলের বেশ কয়েকটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। দমকল কর্মীদের (Train Accident) অনুমান, ট্রেনটিতে অনেক বেশি যাত্রী ছিলেন ধারণক্ষমতার থেকে বেশি। ছট উপলক্ষে অনেক মানুষ বিহারে নিজের বাড়িতে ফিরছিলেন ওই দিল্লি-দ্বারভাঙা সুপারফাস্ট এক্সপ্রেসে চেপে। তাই তাতে ছিল দারুণ ভিড়। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে ভারতীয় রেল বিভাগের বেশ কয়েকজন আধিকারিকও কীভাবে এই আগুন লাগল তার তদন্ত চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: অন্ধ্রপ্রদেশে মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত ১৪, আহত অন্তত ৫০

    Train Accident: অন্ধ্রপ্রদেশে মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত ১৪, আহত অন্তত ৫০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের জুন মাসে ওড়িশার বালাসোরের ট্রেন দুর্ঘটনার স্মৃতি এখনও মুছে যায়নি। এরই মধ্যে রবিবার অন্ধ্রপ্রদেশের বিজয়নগরম জেলায় ফের ঘটল ট্রেন দুর্ঘটনা (Train Accident)। প্যাসেঞ্জার ট্রেনের সঙ্গে এক্সপ্রেস ট্রেনের সংঘর্ষে লাইনচ্যুত অন্তত তিনটি কোচ। শেষ খবর মেলা পর্যন্ত দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন ১৪ জন এবং আহতের সংখ্যা ৫০-এর বেশি। রেল সূত্রে খবর, কর্মীদের ভুলের জন্যই ঘটেছে এই দুর্ঘটনা। প্রাথমিক ভাবে রেল কর্তৃপক্ষের ধারণা, ‘ওভারশ্যুটিং’-এর কারণে দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। মৃতদের পরিবারের উদ্দেশে সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নিহতদের পরিবারপিছু ২ লক্ষ টাকা ও আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী৷ পিএমও জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী দুর্ঘটনার বিষয়ে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত জেনেছেন৷

    ক্ষতিপূরণ ঘোষণা রেলের

    রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব ট্যুইট করে বলেন, রেলের পক্ষ থেকে দুর্ঘটনায় (Train Accident) মৃতদের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা, গুরুতর জখমদের ২ লাখ টাকা এবং সামান্য যাঁরা আহত হয়েছেন তাঁদের ৫০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। এই ঘটনায় হেল্পলাইনও প্রকাশ করেছে রেল।

    ইস্ট কোস্ট রেলওয়ের তরফে হেল্পলাইন প্রকাশ করা হয়েছে। ভুবনেশ্বরের হেল্পলাইন নম্বর ০৬৭৪-২৩০১৬২৫, ২৩০১৫২৫, বিশাখাপত্তনমের হেল্পলাইন নম্বর ০৮৯১-২৮৮৫৯১৪।

    কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা

    জানা গিয়েছে, প্যাসেঞ্জার ট্রেনটি বিশাখাপত্তনম থেকে অন্ধ্রপ্রদেশের রায়গড়ার উদ্দেশে যাচ্ছিল। মাঝপথে ট্রেনের ওভারহেড তার ছিঁড়ে যাওয়ায় সেটি দাঁড়িয়ে পড়ে। তখনই ধাক্কা দেয় (Train Accident) পালাসা এক্সপ্রেস। এক্সপ্রেস ট্রেনটি বিশাখাপত্তনম থেকে পালাসার দিকে যাচ্ছিল। এই সংঘর্ষের ফলে প্যাসেঞ্জার ট্রেনের তিনটি কামরা লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে। দ্রুত উদ্ধার কাজ শুরু হয় স্থানীয়দের সহযোগিতায়। প্রসঙ্গত, গত জুন মাসেই করমণ্ডল এক্সপ্রেসের সঙ্গে মালগাড়ির সংঘর্ষে বালাসোরে ট্রেন দুর্ঘটনায় মারা যান ২৮০ জন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Train accident: রেলে কাটা পড়ে দুই খণ্ড দেহ, তবুও কথা বলছেন! তীব্র চাঞ্চল্য মুর্শিদাবাদে

    Train accident: রেলে কাটা পড়ে দুই খণ্ড দেহ, তবুও কথা বলছেন! তীব্র চাঞ্চল্য মুর্শিদাবাদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্রেনের ধাক্কায় লাইনের কাটা পড়ার কথা প্রায়ই শোনা যায়। তবে এবার ট্রেনে কাটা (Train accident) পড়ার পরও অদ্ভূত ঘটনা ঘটল। শুনেই অবাক কাণ্ড! ট্রেনের ধাক্কায় কাটা পড়ে শরীর দুই টুকরো হয়ে গেছে। এই অবস্থায়ও দুর্ঘটনায়গ্রস্ত ব্যক্তি দিব্যি কথা বলেছেন। এলাকার মানুষ ঘটনাস্থলে এসে ভিড় জমান, এরপর তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় চিকিৎসার জন্য। এই রেলে কাটার পরও বেঁচে থাকার ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে মুর্শিদাবাদে।

    ঘটনা ঘটেছে মুর্শিদাবাদ জেলার সামশেরগঞ্জ থানার বাসুদেবপুর স্টেশনে। তবে ব্যক্তির পরিচয় কী তা এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। আশ্চর্য ব্যাপার যে রেলে কাটা পড়ার পরেও সেই ব্যক্তি বেঁচে রয়েছেন। খবর পেয়ে ওই স্থানে দ্রুত পুলিশ পৌঁছায়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে বলে জানা গেছে। 

    কীভবে ঘটল ঘটনা (Train accident)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ট্রেনে চাপতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে যান রেলের লাইনে এক ব্যক্তি। জামালপুর থেকে কাটোয়াগামী ট্রেন ধরতে যাচ্ছিলেন ওই ব্যক্তি। কিন্তু চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে যান তিনি। এরপর ট্রেনের চাকায় দ্বিখণ্ডিত হয়ে গেল ব্যক্তির দেহ। তাঁর কোমরের উপর দিয়ে চলে যায় রেলের চাকা। লাইনের একপাশে পড়ে যায় দুই পায়ের অংশ এবং অপর দিকে পড়ে যায় কোমরের উপরের অংশ। তবুও ব্যক্তি কথা বলছিলেন!

    স্থানীয় মানুষের বক্তব্য

    এই ঘটনার কথা বলতে গিয়ে স্থানীয় এক ব্যক্তি কামাল মণ্ডল বলেন, “ট্রেন স্টেশন থেকে ছেড়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ পা ফস্কে স্টেশন থেকে লাইনে পড়ে যান। শরীর দুই খণ্ড (Train accident) হয়ে যায়। ট্রেন চলে গেলে, আমরা তাঁকে উদ্ধার করতে গেলে, তাঁর কথাও শুনতে পাই। এরপর উদ্ধার করে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রথেম স্থানীয় সামশেরগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে  যাওয়া হয়। এরপর পরিস্থিতির কথা ভেবে তাঁকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়। ওখানেই তাঁর বর্তমানে চিকিৎসা চলছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Train accident: ওন্দায় রেল দুর্ঘটনা, দুটি মালগাড়ির সংঘর্ষে লাইনচ্যুত ১৩টি বগি

    Train accident: ওন্দায় রেল দুর্ঘটনা, দুটি মালগাড়ির সংঘর্ষে লাইনচ্যুত ১৩টি বগি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশার বালেশ্বরের কাছে করমণ্ডল এক্সপ্রেসের ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার (Train Accident) স্মৃতি এখনও টাটকা। এর মধ্যেই ফের রেল দুর্ঘটনা বাঁকুড়ার ওন্দায়। রবিবার ভোরে লুপ লাইনে দুটি মালগাড়ির মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে একাধিক বগি। দুর্ঘটনার জেরে আদ্রা-খড়্গপুর শাখায় ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়ে পড়ে।

    ঠিক কী করে ঘটল এই দুঘর্টনা (Train Accident)?

    স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে, এদিন ভোর ৪টে নাগাদ এই দুর্ঘটনা (Train Accident) ঘটে। দুর্ঘটনায় একজন চালক আহত হয়েছেন। ওন্দা স্টেশনের কাছে লুপ লাইনে একটি মালগাড়ি দাঁড়িয়ে ছিল। সেই দাঁড়িয়ে থাকা মালগাড়ির পিছনে ধাক্কা মারে বাঁকুড়ার দিক থেকে আসা অন্য একটি মালগাড়ি। দুঘর্টনার জেরে একটি ইঞ্জিন-সহ দুটি মালগাড়ির ১৩টি বগি লাইনচ্যুত হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা চালকদের উদ্ধার করেন। এই সংঘর্ষের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে ওন্দার রেল প্ল্যাটফর্ম ও সিগন্যাল রুম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই দুর্ঘটনার পর থেকে আদ্রা-খড়্গপুর শাখায় ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়ে পড়ে। একই লাইনে দুটি মালগাড়ি এসে পড়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। কীভাবে এই সিগন্যাল বিভ্রাট ঘটল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীর কী বক্তব্য?

    শ্যামসুন্দর সিংহ নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, এদিন ভোরে আমি রেল লাইনের ধার দিয়ে যাচ্ছিলাম। একটি লাইনে মালগাড়ি দাঁড়িয়েছিল। আচমকা দেখি, সেই লাইনে একটি মালগাড়ি গিয়ে পিছনে ধাক্কা মারে। দুটি মালগাড়ির বহু বগি উল্টে যায়। আমি সঙ্গে সঙ্গে ছুটে যাই। মালগাড়ির ইঞ্জিন থেকে ড্রাইভার সহ অন্য রেল কর্মীদের উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর পরই অন্যরাও ছুটে আসে। ট্রেনের চালক সহ অন্যরা ভয়ে কাঁপছিল। চোখের সামনে এই ট্রেন দুর্ঘটনা (Train Accident)  দেখে আমিও খুব আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলাম।

    কী বললেন রেলের আধিকারিক?

    রেল দুর্ঘটনার পর পরই দক্ষিণ-পূর্ব রেলের আদ্রা ডিভিশনের ডিআরএম মণীশ কুমার সহ পদস্থ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে যান। মণীশ কুমার বলেন, লুপ লাইনে মালগাড়ি দাঁড়িয়েছিল। সেখানে রেড সিগন্যাল ছিল। মালগাড়়ির চালক কোনওভাবে সেই সিগন্যাল না দেখেই লুপ লাইনে ট্রেনটি নিয়ে যায়। যার জেরে দুর্ঘটনা (Train Accident) ঘটে। প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে, ড্রাইভারের ভুলের জন্যই এই ঘটনা ঘটেছে। আপ লাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করা হচ্ছে। তবে, ডাউন লাইনে ট্রেন চলাচল হতে সময় লাগবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DRM: রেল দুর্ঘটনাকাণ্ডে বদলি হলেন খড়্গপুরের ডিআরএম! নতুন কে দায়িত্ব পেলেন?

    DRM: রেল দুর্ঘটনাকাণ্ডে বদলি হলেন খড়্গপুরের ডিআরএম! নতুন কে দায়িত্ব পেলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেলমন্ত্রী  পরিদর্শনের পরেই বদলি হলেন খড়্গপুরের ডিআরএম (DRM) মহম্মদ সুজাত হাসমি। চলতি মাসের ২ তারিখ খড়গপুর ডিভিশনের ওড়িশার বালেশ্বেরর কাছে বাহানাগায় মর্মান্তিক রেল দুর্ঘটনার কবলে পড়ে করমণ্ডল এক্সপ্রেস। প্রায় ৩০০ জন যাত্রীর মৃত্যু হয়। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্তভার গ্রহণ করেছে সিবিআই। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আমির খান নামে এক রেল কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। রেল দুর্ঘটনার তিন সপ্তাহের মধ্যে ডিআরএমকে (DRM) বদলি করে দেওয়ার ঘটনা যথেষ্ট তাত্পর্যপূর্ণ বলে ওয়াকিবহল মহল মনে করছে।

    নতুন কে ডিআরএম (DRM) হলেন?

    বুধবার খড়গপুরে রুট রিলে ইন্টারলকিং সিস্টেম খতিয়ে দেখতে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। এর আগে দুর্ঘটনার পর পরই তিনি ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে থেকে কাজ করিয়েছিলেন। ঘটনাস্থলে থেকে তিনি ট্রেন চলাচল শুরু করার পরই তিনি এলাকা ছাড়েন। রেলমন্ত্রীর এই ভূমিকায় সারা দেশবাসী প্রশংসা করেছিলেন। দুর্ঘটনার পর পরই রেলের সুরক্ষা কমিটি খড়্গপুর এসে একাধিক রেল কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন। সমস্ত রিপোর্ট রেলের সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। দুর্ঘটনার কয়েকদিন পরই সার্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে রেলমন্ত্রী ফের পরিদর্শনে আসেন। রেলমন্ত্রী পরিদর্শনের পরেই বৃহস্পতিবারই বদলির নির্দেশ দেওয়া হল ডিআরএমকে। খড়গপুর ডিভিশনের নতুন ডিআরএম হতে চলেছেন কে আর চৌধুরী। তিনি এতদিন উত্তর-পশ্চিম রেলের রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের চেয়ারম্যানের পদ সামলেছেন।

    পরিদর্শনে এসে কী বলেছিলেন রেলমন্ত্রী?

    ওড়িশার বালেশ্বরের কাছে বাহানাগা রেল দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়েছে রেল। প্রশ্ন উঠেছে রিলে ইন্টারলকিং সিস্টেম নিয়ে। এবার দক্ষিণ পূর্ব রেলের খড়গপুর ডিভিশনের সদর খড়গপুর স্টেশনে এসেই এশিয়ার বৃহত্তম রুট রিলে ইন্টারলকিংয়ের পরিকাঠামো পরিদর্শন করলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি বলেন, আরও শক্তিশালী করা হবে খড়্গপুরের রুটে রিলে ইন্টারলকিং সিস্টেমকে। একই সঙ্গে রেল দুর্ঘটনা নিয়ে যাবতীয় প্রশ্ন এড়িয়ে যান রেলমন্ত্রী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: করমণ্ডলের থেকেও ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা ঘটেছিল এরাজ্যে! কীভাবে হয়েছিল সেই দুর্ঘটনা?

    Train Accident: করমণ্ডলের থেকেও ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা ঘটেছিল এরাজ্যে! কীভাবে হয়েছিল সেই দুর্ঘটনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার (Train Accident) রেশ কাটতে না কাটতেই শনিবার রাত দশটা নাগাদ মেদিনীপুর হাওড়া শেষ লোকাল ট্রেন লাইনচ্যুত হয় খড়গপুর ঢোকার মুখে। জ্ঞানেশ্বরী, করমণ্ডলের পর নতুন করে আবার মেদিনীপুর হাওড়া লোকাল ট্রেন। বারে বারে এই রেল দুর্ঘটনা (Train Accident) মনে করিয়ে দিচ্ছে  ৭৫ বছর আগে এক ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার কথা। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ওই দুর্ঘটনায় রূপনারায়ণের জল মৃতদেহের রক্তে লাল হয়ে গিয়েছিল।

    ৭৫ বছর আগে কীভাবে ঘটেছিল সেই ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা (Train Accident)?

    কোলাঘাটের ইলিশের স্বাদ সে সময় ছিল জগৎজোড়া। শোনা যায়, পরাধীন ভারতে বহু ভারতীয় কোলাঘাটের ইলিশ খাইয়ে সাহেবদের তোষামোদ করতেন। মাছ অন্যত্র রফতানির জন্য কোলাঘাট রেল স্টেশনে নিয়মিত ট্রেন থামানো হতো। এরজন্য নির্দিষ্ট কিছু ট্রেনের জন্য অতিরিক্ত সময় বরাদ্দ করে রাখা হত। তখন রূপনারায়ণ নদের উপর দুই দিক খোলা রেলের দু’টি সেতুও ছিল। ১৯৪৮ সালের ১৪ অক্টোবরের দুর্ঘটনার (Train Accident) রাতে তুমুল বৃষ্টি হচ্ছিল। যদিও সেই বৃষ্টি চলছিল কয়েক দিন ধরেই। বৃষ্টির জেরে রূপনারায়ণের গাঙে জেলেদের জালে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছিল। ১৪ অক্টোবর রাত ৯ টা নাগাদ হাওড়া থেকে ছেড়ে আপ পুরুলিয়া এক্সপ্রেস এসে থামে কোলাঘাট স্টেশনে। ট্রেনে তখন ইলিশের ঝাঁকা তোলা চলছিল। হঠাৎই একই লাইনে এসে পড়ে হাওড়াগামী  ডাউন নাগপুর এক্সপ্রেস। প্রচণ্ড গতিতে পুরুলিয়া এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনে ধাক্কা মারে সেটি। দুমড়ে মুচড়ে যায় দু’টি ট্রেনের একাধিক কামরা। দুর্ঘটনার জেরে রেল স্টেশন চত্বর এবং কোলাঘাটের পাড়ে ছড়িয়ে পড়ে অসংখ্য মৃত দেহ।

    স্থানীয় পত্রিকায় বেরিয়েছিল সেই দুর্ঘটনার খবর

    ‘কোলাঘাট সম্পদ’ নামে স্থানীয় একটি পত্রিকা থেকে পাওয়া তথ্য বলছে, ওই ট্রেন দুর্ঘটনায় (Train Accident) প্রায় ৪০০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। আহত হয়েছিলেন এক হাজারেরও বেশি যাত্রী। রক্তে ভেসে গিয়েছিল রূপনারায়ণের জল। দুর্ঘটনার সুযোগ নিয়ে সে সময় দুর্ঘটনাগ্রস্ত ট্রেন দু’টিতে ব্যাপক লুঠপাঠও চলেছিল বলে অভিযোগ। তখন কোলাঘাট ছিল পাঁশকুড়া থানার অধীন। পরের দিন পাঁশকুড়া থানার পুলিশ এসে দেহগুলি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। রেলের উদ্যোগে বহু দেহ কোলাঘাট স্টেশনের নীচে রেলের কাঠের পুরনো স্লিপার দিয়ে দাহ করা হয়েছিল।

    সেদিনের ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা (Train Accident)  নিয়ে কী বললেন স্থানীয় প্রবীণরা?

    বারে বারে এই ট্রেন দুর্ঘটনা প্রায় ৭৫ বছর আগের সেই ঘটনার কথায় মনে করিয়ে দিচ্ছে বহু প্রবীণদের। মহাদেব সেনগুপ্ত নামে কোলাঘাটের এক সমাজসেবী বলেন, “সেদিনের দুর্ঘটনার (Train Accident) পর একাধিক গাড়িতে করে পুলিশ মৃতদেহ বয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। সে ছবি এখনও আমার চোখে ভাসছে। করমণ্ডল দুর্ঘটনার মতোই ভয়াবহ ছিল স্বাধীন ভারতের প্রথম বড় রেল দুর্ঘটনা।’’ কোলাঘাটের বাসিন্দা বাগনান কলেজের প্রাক্তন অধ্যাপক জয়মোহন পাল বলেন, “সেদিন বৃষ্টির জন্য কোলাঘাটে জেলেদের জালে টনটন ইলিশ উঠছিল।মাছ তোলার জন্য ট্রেন অতিরক্ত সময় ধরে দাঁড়িয়েছিল। সম্ভবত ভুল সিগন্যালের জন্যই দুর্ঘটনা ঘটেছিল। প্রায় ৪০০ জন যাত্রী সেদিনের দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছিলেন।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share