Tag: train accident

train accident

  • Coromandel Express: করমণ্ডল কেড়েছে ছেলের প্রাণ, সেই ট্রেনে চড়েই দেহ আনতে গেলেন বাবা

    Coromandel Express: করমণ্ডল কেড়েছে ছেলের প্রাণ, সেই ট্রেনে চড়েই দেহ আনতে গেলেন বাবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিশপ্ত করমণ্ডল এক্সপ্রেস (Coromandel Express) কেড়ে নিয়েছে ছেলেকে। দিন তিনেক আগেও ওড়িশার একের পর এক হাসপাতালে ঘুরে মেলেনি ছেলের সন্ধান। মঙ্গলবারই সন্দেশখালির দীপঙ্কর মণ্ডলের দেহ শনাক্তকরণের জন্য ওড়িশা পুলিশের পক্ষ থেকে তাঁর বাবা রঞ্জিত মণ্ডলের মোবাইলে একটি ছবি পাঠানো হয়। সেই ছবিতে জামার টুকরো দেখেই নিজের ছেলেকে চিনতে পারেন রঞ্জিতবাবু। বুধবার বিকেলে শালিমার স্টেশন থেকে সেই অভিশপ্ত করমণ্ডল এক্সপ্রেসে (Coromandel Express) চেপেই বালেশ্বরের উদ্দেশে রওনা দিল মণ্ডল পরিবার। শেষ আশা বুকে নিয়ে ছেলের দেহ আনতে যাচ্ছে তাঁরা।

    কী বললেন মৃত যুবকের বাবা?

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, একাদশ শ্রেণিতে পড়তে পড়তে ভিন রাজ্যে পাড়ি দিতে চেয়েছিল দীপঙ্কর। বাবা-মায়ের শত বারণ সত্ত্বেও বন্ধুর কথায় পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে ভিন রাজ্যে প্রথম কাজে যোগ দিতে যাচ্ছিল সে। বাবা রঞ্জিত মণ্ডল বলেন, “ছেলের পড়াশুনায় সেভাবে মন ছিল না। ওর মাথায় রোজগারের নেশা চেপে বসেছিল। আমরা বহুবার ওকে বাইরে কাজে যেতে বারণ করেছিলাম। কিন্তু, ওর বন্ধু বাইরে কাজে যাচ্ছে বলে ও তার সঙ্গে যেতে চেয়েছিল। তবে, এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে যাবে, তা স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারিনি।”

    কী বলছেন পরিযায়ী শ্রমিকরা?

    এদিন শালিমার থেকে ছাড়া করমণ্ডল এক্সপ্রেসে (Coromandel Express) পরিযায়ী শ্রমিকদের ভিড় উপচে পড়ে। জেনারেল কামরা থেকে স্লিপার ক্লাস, সর্বত্রই পরিযায়ী শ্রমিকদের ভিড়। কেউ যাচ্ছে রাজমিস্ত্রির কাজে, কেউ বা হোটেলের কাজে। বাংলায় কাজ না পেয়ে আতঙ্ককে সম্বল করেই অভিশপ্ত করমণ্ডলে চেপে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা দিলেন পরিযায়ী শ্রমিকরা। তাঁদের বক্তব্য, “চাই না লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ৫০০ টাকা, দিন কর্মসংস্থান। রাজ্যে কাজ নেই। তাই, বাধ্য হয়ে আতঙ্ক নিয়েই ভিন রাজ্যে কাজে যেতে হচ্ছে। রাজ্যে কর্মসংস্থান হলে আর কেউ বাইরে যেত না। তাই, সরকার ভাতা না দিয়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করুক।” ভিন রাজ্যে ব্যবসা রয়েছে পাঁশকুড়ার প্রশান্ত আদকের। তিনি বলেন, “বিজয়ওয়াড়ায় আমার ছোট্ট ব্যবসা রয়েছে। সরকার লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে টাকা না দিয়ে যদি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে, তাহলে বাংলার যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য পাড়ি দিতে হবে না ভিন রাজ্যে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: ট্রেনের ফ্যান থেকে ঝুলছে লাশ! ভাবলে এখনও শিউরে উঠছেন রীতিশঙ্কর

    Train Accident: ট্রেনের ফ্যান থেকে ঝুলছে লাশ! ভাবলে এখনও শিউরে উঠছেন রীতিশঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাতল ভেঙে পাঁজরে ঢুকে যাওয়া যাত্রীর আর্তনাদের মাঝে বেঁচে থাকার জন্য হাহাকার। কোনওক্রমে রক্ষা পাওয়া তাঁদের এসি কামরা ভেঙেচুরে তছনছ। সন্ধ্যা সাতটা থেকে রাত তিনটে পর্যন্ত রেল লাইনের ধারে গাছ তলায় তাঁরা আশ্রয় নিয়েছিলেন। সে সময় ট্রেনের টিটিই, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার লোকজন, উদ্ধারকারী দল অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে জল, শুকনো খাবার, ওষুধ দিয়ে তাঁদের মনোবল ধরে রেখেছিলেন। স্থানীয় মানুষজন সব সময় তাঁদের সাহস দিয়েছেন, নিশ্চিন্তে বাড়ি ফিরিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত সকলের চেষ্টায় ৩ জুন দুপুরে তাঁরা হাওড়া পৌঁছান। তারপর রূপনারায়ণপুরের ফ্ল্যাটে রীতিশঙ্কর রায় এবং চিত্তরঞ্জনের রেল কোয়ার্টার্সে মণীশ কুমার, রাকেশকুমার রঞ্জন এবং সঞ্জয় পাল ফিরে আসেন। মৃত্যুকে ছুঁয়ে দেখার সেই অভিজ্ঞতার (Train Accident) কথা বলতে গিয়ে এখনও কেঁপে উঠছেন, বার বার কান্নায় ভেঙে পড়ছেন তাঁরা।

    কী অভিজ্ঞতার (Train Accident) কথা তাঁরা শোনালেন তাঁরা?

    এই চারজনেরই একজন হলেন রীতিশঙ্কর রায়। তিনি বলেন, আমরা চারজন মিলে গিয়েছিলাম চিকিৎসার জন্য। যখন ঘটনাটা (Train Accident) ঘটল, তখন যে আমরা গাড়ি থেকে নামব, পাদানিতে পা দেওয়ার মতো অবস্থা ছিল না। ভয়ে আমাদের হাত-পা কাঁপছিল। ধোঁয়ায় চারদিক ভরে গিয়েছিল। শ্বাস প্রশ্বাসেও কষ্ট হচ্ছিল। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব রেলের আধিকারিকরা এসে আমাদের নিচে নামিয়েছে। তারপর আমাদের খাবার-দাবার জল এইসব দিয়েছে। আমাদের মনের মধ্যে এমনই ভয়ের সৃষ্টি হয়েছে, যে বলার নয়। আমরা মিথিলা এক্সপ্রেস-এ ফিরেছি। কিন্তু সব সময়ই মনে হচ্ছে, এই বুঝি কোনও ট্রেন এসে মেরে দিল। আগামী দিনে কি ট্রেনে আর চাপবেন? উত্তরে তিনি বলেন, ট্রেনে তো যেতেই হবে। কিন্তু এই ধরনের ঘটনা (Train Accident) যাতে ভবিষ্যতে আর না ঘটে, সে ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করা দরকার। কারণ, এ এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতা। এমনও দেখেছি, ট্রেনের যে ফ্যান, তাতে লাশ ঝুলছে। চট করে স্মৃতি থেকে এসব সরবে না।

    অন্যদিকে, বুধবার সালানপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে রীতিশঙ্কর রায়ের আবাসনে গিয়ে ফুলের তোড়া ও মিষ্টির প্যাকেট দিয়ে শুভেচ্ছা জানান জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আরমান সহ অন্যান্যরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Train Accident: বগিতে মৃতদেহের মধ্যে আটকে ছিলেন, কোনও রকমে বেরিয়ে এলেন রাজেশ-বিপ্লব!

    Train Accident: বগিতে মৃতদেহের মধ্যে আটকে ছিলেন, কোনও রকমে বেরিয়ে এলেন রাজেশ-বিপ্লব!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশার বালেশ্বরে করমণ্ডল এক্সপ্রেস ও যশবন্তপুর এক্সপ্রেসের সংঘর্ষে (Train Accident) আহত দুই পরিযায়ী শ্রমিক রাজেশ মান্ডি ও বিপ্লব হেমব্রমকে বালুরঘাটে তাঁদের গ্রামের বাড়িতে ফিরিয়ে আনল জেলা প্রশাসন। হাওড়া-বালুরঘাট এক্সপ্রেস ট্রেনে বিশেষ ব্যবস্থা করে তাঁদের নিয়ে আসা হয় বালুরঘাট থানার অমৃতখণ্ড গ্রাম পঞ্চায়েতের হাঁসইল কাসিম্বি গ্রামে। এঁরা সম্পর্কে জামাইবাবু ও শ্যালক। পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করতে গিয়েছিলেন বেঙ্গালুরুতে। কাজ করে ফিরছিলেন যশবন্তপুর এক্সপ্রেসে। ছিলেন জেনারেল কম্পার্টমেন্টে। দুজনের মধ্যে একজনের পায়ে আঘাত লেগেছে, অন্যজনের হাত ভেঙেছে।

    সেই মুহূর্তের কথা (Train Accident)

    দুর্ঘটনার সেই মুহূর্তের (Train Accident) কথা মনে করলে এখনও কান্না ধরে রাখতে পারছেন না রাজেশ মান্ডি। দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া ট্রেনের কামরায় অনেকগুলি মৃতদেহের মধ্যে আটকেছিলেন তিনি। ওই বগিতে ৫০ জন বেঁচে ছিল। বাকিরা সবাই মৃত। কীভাবে তিনি ট্রেন থেকে মুক্তি পেলেন, তা মনে করতে পারছেন না। ক্ষতিগ্রস্ত কামরা থেকে তাঁকে বার করার পর নিয়ে যাওয়া হয় ওড়িশার একটি হাসপাতালে এবং সেখানে চিকিৎসা করার পর নিয়ে আসা হয় হাওড়ায়। পরে হাওড়া হাসপাতাল থেকে তাঁদের ফিরিয়ে নিয়ে আসা হল জেলায়। এখন তাঁরা মোটামুটি সুস্থ। রেল পুলিশ, জেলা পুলিশ ও স্বাস্থ্য দফতরের বিশেষ টিম এই দুই আহত যাত্রীকে নিয়ে আসে এবং অ্যাম্বুল্যান্সে করে তাঁদের বাড়িতে পৌঁছে দেয়।

    কীভাবে হল দুর্ঘটনা (Train Accident)?

    আহত যাত্রী বিপ্লব হেমব্রম ও রাজেশ মান্ডি বলেন, সেদিনের কথা মনে পড়লে কান্না পায়, ভয়ও লাগে। আমরা ব্যাঙ্গালোর থেকে কাজ করে যশবন্ত এক্সপ্রেসে করে বালুরঘাটে বাড়ি ফিরছি। হঠাৎ পরপর আমাদের বগিটা ধাক্কা মেরে অন্য দিকে চলে গেল। যখন ধাক্কা (Train Accident) লাগে, তখন আমরা ভাবছিলাম যে হয়তো আর বেঁচে নেই। তার কিছুক্ষণ পর জ্ঞান ফিরে আসতে দেখি, হাতে-পায়ে লেগেছে। আমাদের ওপর অনেক মৃতদেহ ছিল। তখন আমরা সেখান থেকে বেরিয়ে আসি। ওড়িশা থেকে আমাদেরকে হাওড়ায় আনা হয়। সেখান থেকে এদিন আমাদের বালুরঘাটে আনা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Odisha train Accident: মর্গে স্তূপাকার মৃতদেহ, তার মধ্যেই অচৈতন্য ছেলেকে খুঁজে পেলেন বাবা!

    Odisha train Accident: মর্গে স্তূপাকার মৃতদেহ, তার মধ্যেই অচৈতন্য ছেলেকে খুঁজে পেলেন বাবা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশার ট্রেন দুর্ঘটনায় (Odisha Train Accident) মৃতদেহের স্তূপের মধ্যে পড়ে ছিলেন তিনি। কোনওক্রমে শ্বাসপ্রশ্বাস চলছে বলে ফোনে জানিয়েছিলেন বাবাকে। তারপর বাবা বালেশ্বরে গিয়ে অস্থায়ী মর্গের ভিতর থেকে ছেলেকে উদ্ধার করে ফিরিয়ে আনলেন কলকাতায়। রক্তাক্ত মরদেহের স্তূপের মধ্যে থেকে অচৈতন্য ছেলেকে শনাক্ত করে খুঁজে বের করাটা খুব কঠিন কাজ ছিল, বললেন বাবা।

    দুর্ঘটনার (Odisha Train Accident) খবর পেয়েই ছুটে যান বাবা

    বালেশ্বর ট্রেন দুর্ঘটনায় (Odisha Train Accident) পশ্চিমবঙ্গের শতাধিক মানুষ মারা গেছেন বলে জানা গেছে। অস্থায়ী মর্গের মধ্যে শতাধিক মৃতদেহের মধ্যে থেকে হাওড়ার বাসিন্দা হেলারাম মালিক তাঁর ২৪ বছরের ছেলে বিশ্বজিৎ মালিককে জীবন্ত অবস্থায় খুঁজে বের করেন। বাবা গত শুক্রবার শালিমার স্টেশনে গিয়ে ছেলেকে করমণ্ডল এক্সপ্রেসে ছেড়ে দিয়ে আসেন। কিন্তু কিছু সময় পরই ট্রেন দুর্ঘটনার খবর পেয়ে চিন্তায় পড়েন তিনি। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে বুঝতে পারছিলেন না, কী করবেন! কয়েকবার ফোন করেন ছেলেকে। কিন্তু ফোন লাগছিল না। কিন্তু পরে ছেলেই বাবাকে দুর্বল স্বরে জানান, তিনি আহত হয়েছেন। হাত-পায়ে চেতনা নেই বললেই চলে। এরপর হেলারাম এক আত্মীয়কে সঙ্গে নিয়ে একটি অ্যাম্বুল্যান্স ভাড়া করে বালেশ্বরের উদ্দেশে রওনা দেন।

    কীভাবে মর্গের ভিতরে খুঁজে পেলেন?

    ঘটনাস্থলে পৌঁছেই প্রথমে বালেশ্বরের (Odisha Train Accident) হাসপাতালে হন্যে হয়ে খোঁজ করেন ছেলের। কিন্তু কোনও সন্ধান পাননি। মনে মনে ভাবছিলেন, আর মনে হয় ছেলেকে পাবো না! এতক্ষণে আহত ছেলে বেঁচে আছে না মারাই গেছে, কে জানে? অবশেষে মনে সাহস নিয়ে বাহানাগা স্কুলের অস্থায়ী মর্গের ভিতরে ঢোকেন। সেখানে সাদা কাপড়ে ঢাকা সারি সারি মৃতদেহ। চারদিকে রক্তাক্ত আর ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ। হঠাৎ মৃতদেহের স্তূপের একটি জায়গা থেকে নড়ে উঠল হাত। সেখানে চোখ পড়ল হেলারামের। কাছে যেতেই দেখলেন বিশ্বজিৎ। বুঝলেন, ছেলের এখনও শুধু প্রাণটুকুই শরীরে রয়েছে। এরপর অ্যাম্বুল্যান্সে করে বালেশ্বর থেকে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করান ছেলেকে। হেলারামবাবু বলেন, ভাবতে পারিনি ছেলেকে মর্গ থেকে এই অবস্থায় জীবন্ত ফিরে পাব। ভগবানের আশীর্বাদ ছিল বলে ওকে ফিরে পেলাম। এরকম দুর্ঘটনা যেন আর না ঘটে, সেই কামনাই করি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: নিহত সিআরপিএফ জওয়ানের কফিনবন্দি দেহ ফিরল গ্রামে, গান স্যালুটে শেষ বিদায়

    Train Accident: নিহত সিআরপিএফ জওয়ানের কফিনবন্দি দেহ ফিরল গ্রামে, গান স্যালুটে শেষ বিদায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে আসছে একের পর এক মন খারাপ করা খবর। একের পর এক পরিবারে শোকের ছায়া। এবার বালেশ্বরে ট্রেন দুর্ঘটনায় (Train Accident) নিহত সিআরপিএফ জওয়ানের কফিনবন্দি দেহ পৌঁছাল বাঁকুড়ার ইন্দাসের বাড়িতে। দুর্ঘটনার দিন থেকে নিখোঁজ ছিলেন বাঁকুড়ার ইন্দাস ব্লকের কুশমুড়ি গ্রামের ওই সিআরপিএফ জওয়ান নিখিল ধাড়া। দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পরেও তাঁর দেহ মিলছিল না। অবশেষে গতকাল সিআরপিএফ-এর তৎপরতায় তাঁর মৃতদেহের খোঁজ মেলে। মরদেহ চিহ্ণিত করার পর আজ মৃত নিখিল ধাড়ার কফিনবন্দি দেহ সিআরপিএফ জওয়ানদের কাঁধে ফেরে ইন্দাসের কুশমুড়ি গ্রামে। চোখের জলে নিহত জওয়ানকে শেষ বিদায় জানান এলাকার হাজার হাজার মানুষ।

    কীভাবে ঘটেছিল দুর্ঘটনা (Train Accident)?

    পরিবার সুত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি রাজগীরে প্রশিক্ষণ নিতে যান ছত্তিশগড়ে সিআরপিএফে কর্মরত বাঁকুড়ার নিখিল ধাড়া। প্রশিক্ষণ নিয়ে রাজগীর থেকে খড়্গপুরে এসে গত ২ জুন নিজের কর্মস্থলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে করমণ্ডল এক্সপ্রেসে চেপে বসেন নিখিল। তারপরই ঘটে যায় ভয়াবহ দুর্ঘটনা (Train Accident)। দুর্ঘটনার পর থেকে আর নিখিলের কোনও খোঁজ মিলছিল না। বহু চেষ্টা করেও তাঁর সাথে যোগাযোগ করে উঠতে পারেনি পরিবার। গতকাল গ্রামের একদল বাসিন্দা নিখিলের খোঁজে বালেশ্বরে যান। সেখানে প্রশাসনের সহযোগিতায় নিখিলের সঙ্গে থাকা ব্যাগ ও তার ভিতরে থাকা পরিচয়পত্র মিললেও নিখিলের খোঁজ মিলছিল না। অবশেষে সিআরপিএফ-এর তরফেও শুরু হয় সন্ধান। শেষে ওড়িশার একটি হাসপাতালে নিখিলের মৃতদেহের খোঁজ মেলে। এরপরই তাঁর  দেহ গ্রামের বাড়িতে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয় সিআরপিএফ।

    গান স্যালুটে শেষ বিদায়

    আজ দুপুরে সিআরপিএফ-এর গাড়িতে করে জওয়ানরা কুশমুড়ি গ্রামে নিহত (Train Accident) জওয়ানের দেহ নিয়ে পৌঁছান। সেখানেই তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে হাজির ছিলেন এলাকার কয়েক হাজার মানুষ। কুশমুড়ি গ্রামের অদূরেই গান স্যালুট দিয়ে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: বোনের বিয়েতে আর আসা হল না মালদার কৃষ্ণের, বাড়ি পৌঁছাল নিথর দেহ

    Train Accident: বোনের বিয়েতে আর আসা হল না মালদার কৃষ্ণের, বাড়ি পৌঁছাল নিথর দেহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বোনের বিয়েতে যোগ দিতে চেন্নাই থেকে বাড়ি ফিরছিলেন মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পিপুলতলা গ্রামের কৃষ্ণ রবিদাস। বয়স ২৩ বছর। প্রায় পাঁচ মাস পর তিনি বাড়ি ফিরছিলেন। বিয়েতে কত আনন্দ করবেন, তা নিয়ে ফোনে বোনের সঙ্গে অনেক পরিকল্পনাও করেছিলেন। যশবন্তপুর এক্সপ্রেসে ফেরার কথা পরিবারের লোকজনকে ফোন করে তিনি জানিয়েছিলেন। ট্রেনে ওঠার পর শেষ ফোন করেছিলেন মাকে। তারপরই ভয়াবহ দুর্ঘটনা (Train Accident)। সেই সময় থেকেই নিখোঁজ তিনি। সোমবারই পরিবারের লোকজন ভুবনেশ্বর মর্গে তাঁর মুণ্ডহীন দেহ শনাক্ত করেন।

    কীভাবে শনাক্ত করা হল তাঁকে?

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, কৃষ্ণ রবিদাসরা চার ভাই, দুই বোন। বাড়িতে রয়েছেন বৃদ্ধ বাবা হেমন্ত রবিদাস ও মা যশোদা রবিদাস। ছেলের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর থেকেই ঘন ঘন জ্ঞান হারাচ্ছেন মা যশোদাদেবী। কান্নায় ভেঙে পড়ছেন পরিজনরা। যশোদাদেবী বলেন, “ট্রেন দুর্ঘটনার (Train Accident) পর তিন দিন ধরে ছেলের কোনও হদিশ পাওয়া যাচ্ছিল না। সরকারি হেল্পলাইনে ফোন করেও কোনও খোঁজ মিলছিল না। অবশেষে সোমবার সরকারি সূত্রে খবর পেয়ে আমার বড় ছেলে অশোক ওড়িশার ভুবনেশ্বর হাসপাতালের মর্গে ছেলের মুণ্ডহীন দেহ শনাক্ত করে। জামা, প্যান্ট, বেল্ট এবং পকেটে থাকা আধার কার্ড দেখে ভাইকে চিনতে পারে সে।”

    কী বললেন মৃত যুবকের বাবা?

    মৃত যুবকের বাবা হেমন্ত রবিদাস বলেন, “আগামী ১২ জুন আমার ছোট মেয়ের বিয়ে রয়েছে। বোনের বিয়েতে অংশগ্রহণ করতেই ছেলে বাড়ি ফিরছিল। এই ট্রেন দুর্ঘটনা (Train Accident) আমার ছেলের প্রাণ কেড়ে নিল। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বিশেষ অ্যাম্বুল্যান্সে ছেলের দেহ গ্রামের বাড়িতে আসে।” গ্রামের ছেলের মৃত্যুর সংবাদ এলাকায় পৌঁছাতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকা জুড়ে। খবর পেয়ে এলাকার বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী তজমুল হোসেন কৃষ্ণের বাড়িতে গিয়ে সব রকম সরকারি সাহায্যের আশ্বাস দেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Governor: ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা প্রাণ কেড়েছে তিন ভাইয়ের, পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন রাজ্যপাল

    Governor: ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা প্রাণ কেড়েছে তিন ভাইয়ের, পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন রাজ্যপাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভাবের সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরানোর অবস্থা। রাজ্যে কাজের কোনও ব্যবস্থা নেই। তাই দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীর ছড়ানেখালির তিন ভাই হারান গায়েন, নিশিকান্ত গায়েন ও দিবাকর গায়েন অন্ধ্রপ্রদেশে যাচ্ছিলেন ধান রোয়ার কাজ করতে। ভিন রাজ্যে গিয়ে কাজ করে টাকা পাঠাবেন পরিবারে। হাসি ফুটবে ছোট ছোট সন্তানদের মুখে। এমনটাই ভাবনা ছিল তাঁদের। কিন্তু, বালেশ্বরের কাছে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা প্রাণ কেড়ে নিল তিন ভাইয়ের। এখনও শোকে বিহ্বল গোটা গায়েন পরিবার। মঙ্গলবার এই পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গ্রামে আসেন রাজ্যপাল (Governor) সিভি আনন্দ বোস। পাশাপাশি ট্রেন দুর্ঘটনায় এই গ্রামেরই সঞ্জয় হালদার এবং বিকাশ হালদার নামে দুজনের মৃত্যু হয়। এই দুই পরিবারের সঙ্গেও রাজ্যপাল কথা বলেন। এদিন রাজ্যপাল অসহায় এই পরিবারগুলির সদস্যদের হাতে চাল, ডাল, ফল তুলে দেন।

    রাজ্যপালকে (Governor) কী বললেন মৃতের পরিবারের লোকজন?

    এদিন রাজ্যপাল (Governor) গ্রামে আসতেই তাঁকে দেখতে ভিড় উপচে পড়ে। মৃতের পরিবারের এক সদস্য রাজ্যপালকে সামনে পেয়ে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন। তাঁর হাত জড়িয়ে ধরে বলেন, গ্রামে পানীয় জলের ব্যবস্থা নেই। বাইরে থেকে জল কিনে খেতে হয়। এলাকায় কোনও উন্নয়ন নেই। হাতে কাজ নেই। তাই, বাধ্য হয়ে এলাকার মানুষ ভিন রাজ্যে কাজে যান। আর সেই কাজে যেতে গিয়ে এই দুর্ঘটনায় কবলে পড়়ে মৃত্যু হয়েছে সকলের। এলাকায় কিছু করার জন্য রাজ্যপালকে এলাকাবাসী অনুরোধ জানান।

    কী বললেন রাজ্যপাল (Governor)?

    দুর্ঘটনায় মৃতদের শ্রাদ্ধশান্তির কাজ রাজভবনের তরফে করা হবে বলে জানান রাজ্যপাল (Governor)। প্রত্যেক নিহতের পরিবারের জনধন অ্যাকাউন্টে দশ হাজার করে টাকা দেওয়ার কথাও বলেন তিনি। রাজ্যপাল বলেন, এই ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা অত্যন্ত বেদনার। পাশে থাকার বার্তআ দিতে এখানে এসেছি। আগামী দিনও এই পরিবারের পাশে আমরা থাকব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Coromandel Express: দুর্ঘটনাগ্রস্ত যাত্রীদের শনাক্তকরণের আবেদন, লিঙ্ক প্রকাশ করল রেল

    Coromandel Express: দুর্ঘটনাগ্রস্ত যাত্রীদের শনাক্তকরণের আবেদন, লিঙ্ক প্রকাশ করল রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার সন্ধ্যায় বালাসোরের ট্রেন দুর্ঘটনায় (Coromandel Express) এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ২৭৫। আহত হয়েছেন হাজারেরও বেশি মানুষ। দুর্ঘটনার ভয়াবহতায় শিউরে উঠেছে গোটা বিশ্ব। শোকপ্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ঘটনাস্থলে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। কিন্তু দুশ্চিন্তার বিষয় হল, এখনও বহু মৃতদেহ শনাক্তই করা যায়নি। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতদের একাংশের সঙ্গেও যোগাযোগ করে উঠতে পারেননি তাঁদের আত্মীয়রা। এই অবস্থায় সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ছটা নাগাদ প্রেস বিবৃতি জারি করেছে ভারতীয় রেল। যেখানে যাত্রীদের চেনার জন্য লিঙ্ক প্রকাশ করা হয়েছে।

    ভারতীয় রেলের (Coromandel Express) পক্ষ থেকে দেওয়া লিঙ্ক

    কটকে এসএসবি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ব্যক্তিদের তালিকা

    https://www.bmc.gov.in/train-accident/download/Un-identified-person-under-treatment-at-SCB-Cuttack.pdf

    বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত যাত্রীদের নামের তালিকার লিঙ্ক

    https://www.bmc.gov.in/train-accident/download/Lists-of-Passengers-Undergoing-Treatment-in-Different-Hospitals_040620230830.pdf

    রেলের হেল্পলাইন নম্বর

    এর পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজনদের যোগাযোগের জন্য রেল একটি হেল্পলাইন নম্বর প্রকাশ করা হয়েছে, যা হল ১৩৯। ২৪ ঘণ্টা চালু থাকবে বলে জানানো হয়েছে এই হেল্পলাইন। শীর্ষ আধিকারিকরা এই হেল্পলাইনে নজরদারি করছেন। এছাড়াও বিএমসি হেল্পলাইন নম্বর ১৮০০ ৩৪৫ ০৬১/১৯২৯। ভুবনেশ্বরের মিউনিসপ্যাল কমিশনারের অফিসে খোলা হয়েছে এই কন্ট্রোল রুম। যা গাড়ি দিয়ে সাহায্য করছে সাধারণ মানুষকে। এই গাড়িগুলি হাসপাতাল বা মর্গে পৌঁছে দিচ্ছে দুর্গতদের পরিজনদের।

    আরও পড়ুন: নিছক দুর্ঘটনা না অন্তর্ঘাত? সত্য উদঘাটনে বালাসোরে সিবিআই, শুরু তদন্ত

    দুর্ঘটনাগ্রস্ত রেলের চালকদের অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল

    করমণ্ডল এক্সপ্রেসের (Coromandel Express) দুই চালকের অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল বলে জানানো হয়েছে রেলের পক্ষ থেকে। সোমবার এক চালককে আইসিইউ থেকে বের করে আনা হয়েছে। অন্য চালক বেহেরার মাথায় অস্ত্রোপচার হওয়ার কথা। রেল সূত্রে জানানো হয়েছে, উভয় চালকের পরিবারই গোপনীয়তা বজায় রাখার জন্য আবেদন জানিয়েছে। এর আগেই অবশ্য রেলমন্ত্রক দুই চালককে ক্লিনচিট দিয়েছে। অন্যদিকে ৫১ ঘণ্টা পরে বালাসোরের দুর্ঘটনাস্থল দিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে ট্রেনের চাকা গড়িয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: পরিবারের একমাত্র রোজগেরের প্রাণ গেল ট্রেন দুর্ঘটনায়, দুই সন্তানকে নিয়ে অসহায় স্ত্রী

    Train Accident: পরিবারের একমাত্র রোজগেরের প্রাণ গেল ট্রেন দুর্ঘটনায়, দুই সন্তানকে নিয়ে অসহায় স্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রামে কোনও কাজ নেই। দিনের পর দিন হাতে কাজ না থাকায় সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার গঙ্গাসাগরের বেগুয়াখালির স্বপন প্রামাণিক। পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতেই ভিন রাজ্যে কাজে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। করমণ্ডল এক্সপ্রেস ধরে তিনি কেরল যাচ্ছিলেন। বালেশ্বরের কাছে ঘটে সেই ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা (Train Accident)। তারপর থেকে স্বপনবাবুর কোনও খোঁজ মিলছিল না। পরিবারের লোকজন স্থানীয় প্রশাসনের কাছে দরবার করেছেন। কিন্তু, কেউ তাঁর হদিশ দিতে পারেনি। রবিবার রাতে তাঁর মৃত্যুর খবর আসে। তাঁর মৃত্যুর খবর গ্রামে পৌঁছাতেই পরিবারের লোকজন কান্নায় ভেঙে পড়েন। সোমবার মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন।

    কী বললেন স্বপনবাবুর ছেলে?

    স্ত্রী, দুই সন্তান মিলে চারজনের ভরা সংসার ছিল। এক চিলতে মাটির বাড়িতে থাকতেন তাঁরা। দুই ছেলের নাম শুভদীপ প্রামাণিক ও সুমন প্রামাণিক। শুভদীপের বয়স ১৭ বছর। সে দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়ে। আর সুমনের বয়স ১৩ বছর। সে অষ্টম শ্রেণীতে পড়়ে। এতদিন লোকের জমিতে চাষ করেই সংসার চালাতেন স্বপনবাবু। স্বপনবাবুর বড় ছেলে শুভদীপের বক্তব্য, বাবার এক পরিচিত কেরলে কাজ করেন। তিনি বাবাকে কেরলে যাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। বাবা প্রথমে যেতে রাজি হয়নি। কিন্তু, সংসারের হাল দেখে বাবা মত বদলায়। বাইরে গিয়ে ভালো রোজগার করে এনে আর যাবে না বলেছিল। কিন্তু, ট্রেনে চাপার কয়েক ঘণ্টা পরই আমরা দুর্ঘটনার (Train Accident) খবর পাই। তারপর থেকে বাবার কোনও খোঁজ পাইনি। এদিন বাবার মৃত্যুর খবর পাই।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের কী বক্তব্য?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, স্বপনবাবু পরিবারে একমাত্র রোজগেরে ছিলেন। অন্যের জমিতে কাজ করে তাঁর সংসার চলত। কিন্তু, এই ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার (Train Accident) পর কী করে সংসার চলবে তা নিয়ে আমরা খুব দুশ্চিন্তায় রয়েছি। কারণ, আর ওর পরিবারে রোজগার করার মতো এখন কেউ নেই। ছেলেরা ছোট। এই বিষয়ে প্রশাসন উদ্যোগী না হলে ওই সংসারটি একেবারে ভেসে যাবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: বাড়ি তৈরির স্বপ্নপূরণ হল না গঙ্গারামপুরের সুমনের, গ্রামে ফিরল নিথর দেহ

    Train Accident: বাড়ি তৈরির স্বপ্নপূরণ হল না গঙ্গারামপুরের সুমনের, গ্রামে ফিরল নিথর দেহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়িতে বলে গিয়েছিলেন, ভিন রাজ্য থেকে কাজ করে টাকা নিয়ে এসে বাড়ি বানাবেন। বাড়ি ফিরে বিয়ে-থা করে সংসার করবেন। বাবা-মাকে দেওয়া সেই কথা রাখতে পারলেন না দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরের ২২ বছরের সুমন রায়। ভিন রাজ্যে আর তাঁর যাওয়া হল না। বালেশ্বরে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা (Train Accident) তাঁর প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। রবিবার গঙ্গারামপুর থানার লালচন্দনপুর সর্বমঙ্গলা এলাকায় বাড়িতে এল তাঁর কফিনবন্দি দেহ।

    মৃত যুবকের পরিবারের পাশে বিজেপি নেতৃত্ব

    গত বৃহস্পতিবার চেন্নাইয়ে শ্রমিকের কাজ করতে এলাকার মোট পাঁচজন একসঙ্গে রওনা হয়েছিলেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সুমনের সঙ্গে সুমন রায় নামে আরও একজন ছিলেন, যাঁর এখনও কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। তবে বাকি তিনজনের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। তাঁরা হলেন জয়ন্ত রায় (১৮), বিপ্লব রায় (২১) ও মনোজ রায় (১৮)। তিনজনই দুর্ঘটনায় (Train Accident) জখম হয়েছেন। জখমদের পরিবারের লোক ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও এখনও কেউ এলাকায় ফিরে আসেননি।

    এদিকে রবিবার দুপুরে গঙ্গারামপুরে মৃত যুবকের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী। সঙ্গে ছিলেন দলের অন্যান্য সদস্যরা। দলের পক্ষ থেকে সবরকম ভাবে ওই পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়। স্বরূপ চৌধুরী বলেন, “রাজ্যে কর্মসংস্থান নেই। তাই, এই এলাকার বেশির ভাগ মানুষ ভিন রাজ্যে কাজ করতে যান। এই গ্রামে পাঁচজন ভিন রাজ্যে কাজে যাচ্ছিলেন। ট্রেন দুর্ঘটনার (Train Accident) পর পাঁচজন প্রথমে নিখোঁজ ছিলেন। পরে, চারজনের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। অসহায় এই পরিবারের পাশে আমরা সব সময় রয়েছি।”

    কী বললেন জেলাশাসক?

    এবিষয়ে জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা বলেন, “শেষ পাওয়া খবর অনুয়ায়ী ট্রেন দুর্ঘটনায় (Train Accident) জেলার ১৪ জন ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তার মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। বাকি একজনের এখনও কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। আমরা জেলাস্তর ও দুর্ঘটনাগ্রস্ত এলাকা, দুই তরফেই খোঁজ নিচ্ছি। সব পরিবারের সঙ্গে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রাখছি। আমাদের জেলার কোনও যাত্রী যদি থাকে, তাহলে মালদা থেকে আনার জন্য বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

    কী বললেন মৃতের পরিবারের লোকজন?

    এই বিষয়ে মৃতের পরিবারের এক সদস্য বলেন, “রাজ্যে কাজ নেই। তাই, ভালো রোজগারের আশায় সুমন ভিন রাজ্যে কাজে যাচ্ছিল। কিন্তু, এভাবে সে কফিনবন্দি হয়ে বাড়ি ফিরবে, তা ভাবতে পারিনি।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share