Tag: train accident

train accident

  • Odisha Train Accident: কীভাবে ঘটল করমণ্ডল এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনা? উঠে আসছে একাধিক তত্ত্ব

    Odisha Train Accident: কীভাবে ঘটল করমণ্ডল এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনা? উঠে আসছে একাধিক তত্ত্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনার সাক্ষী থাকল বালাসোর। যাকে বলা হচ্ছে, এখনও পর্যন্ত এই শতাব্দীর সবচেয়ে ভয়াবহ। শেষ খবর মেলা পর্যন্ত ২৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতের সংখ্যা প্রায় ৬৫০। রেলের তরফ থেকে এমনটাই জানানো হয়েছে। কীভাবে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটল?

    উঠে আসছে একাধিক তত্ত্ব

    এখনও পর্যন্ত যা জানা গিয়েছে, তিন-তিনটি ট্রেন— দুটি যাত্রী ও একটি মালগাড়ি একসঙ্গে এক জায়গায় চলে আসে। জট পাকিয়ে যান তিন গাড়ির কামরা। দুর্ঘটনার কারণ নিয়ে স্থানীয় সূত্রে একাধিক তত্ত্ব উঠে আসছে। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক সেই তত্ত্বগুলো—

    তত্ত্ব ১: প্রথমে ১২৮৬৪ ডাউন বেঙ্গালুরু-হাওড়া সুপারফাস্ট এক্সপ্রেসের কয়েকটি কামরা লাইনচ্যুত হয়ে পাশের লাইনে গিয়ে পড়ে। সেই লাইন দিয়ে আসছিল ১২৮৪১ আপ শালিমার-চেন্নাই করমণ্ডল এক্সপ্রেস। লাইনচ্যুত বেঙ্গালুরু-হাওড়া সুপারফাস্ট এক্সপ্রেসের কামরাগুলোতে সজোরে এসে ধাক্কা মারে করমণ্ডল এক্সপ্রেস। ধাক্কার অভিঘাত এতটাই বেশি ছিল যে করমণ্ডলের লাইনচ্যুত কামরাগুলি পাশের লাইনে দাঁড়ানো মালগাড়ির ওপর গিয়ে পড়ে। মালগাড়ির ওপরে উঠে যায় করমণ্ডলের ইঞ্জিন। দেশলাইয়ের বাক্সের মতো উল্টে যায় একের পর এক কামরা।

    আরও পড়ুন: ‘‘গোড়ায় গিয়ে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান, সর্বোত্তম স্বাস্থ্য সেবা’’, বালাসোরে রেলমন্ত্রী

    তত্ত্ব ২: নির্ধারিত গতিতে চলছিল করমণ্ডল এক্সপ্রেস। হঠাৎ করেই মালগাড়িটি সামনে চলে আসায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সজোরে ধাক্কা মারে ট্রেনটি। সংঘর্ষের অভিঘাতে মালগাড়ির উপরে উঠে যায় করমণ্ডল এক্সপ্রেসের কয়েকটি কামরা, বাকি কামরা রেল লাইনের উপরে উল্টে যায়। কিছু কামরা পাশের লাইনে গিয়ে পড়ে। তাতে এসে ধাক্কা মারে বেঙ্গালুরু-হাওড়া সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস।

    তবে কি করমণ্ডল ও বেঙ্গালুরু এক্সপ্রেস জোড়া ট্রেন দুর্ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে সিগন্যাল ত্রুটি? নাকি চালকের ভুলেই ঘটে গেল ভয়াবহ ও মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা। দুর্ঘটনা নিয়ে প্রকৃত কারণ জানতে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে রেল। সেই রিপোর্ট আসলেই জানা যাবে, ঠিক কী ঘটেছিল শুক্রবার সন্ধ্যায়।

    রেলের হেল্পলাইন নম্বর

    রেল এমার্জেন্সি(হাওড়া): ২২৯৩৩, ০৩৩-২৬৪১৩৬৬০
    রেল এনক্যোয়ারি(টোল-ফ্রি): ২২২৪৪, ২২২৫৫, ২২২৬৬
    বিএসএনএল: ২৬৪০-২২৪১, ২৬৪০-২২৪২, ২৬৪০-২২৪৩
    হাওড়া: ০৩৩-২৬৩৮২২১৭
    খড়্গপুর: ৮৯৭২০৭৩৯২৫, ৯৩৩২৩৯২৩৩৯
    বালাসোর: ৮২৪৯৫৯১৫৫৯, ৭৯৭৮৪১৮৩২২
    শালিমার: ৯৯০৩৩৭০৭৪৬

    আরও পড়ুন: আহতদের দেখতে বালাসোরে সুকান্ত! শুভেন্দু পাঠালেন ১৫ অ্যাম্বুল্যান্স

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Odisha Train Derailment: ‘‘গোড়ায় গিয়ে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান, সর্বোত্তম স্বাস্থ্য সেবা’’, বালাসোরে রেলমন্ত্রী

    Odisha Train Derailment: ‘‘গোড়ায় গিয়ে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান, সর্বোত্তম স্বাস্থ্য সেবা’’, বালাসোরে রেলমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালাসোরে ট্রেন দুর্ঘটনাস্থলে (Odisha Train Derailment) পৌঁছে গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখলেন অশ্বিনী বৈষ্ণব। শনিবার সকালেই দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান রেলমন্ত্রী। তারও আগে পৌঁছে গিয়েছিলেন রেল বোর্ডের চেয়ারম্যান অনিলকুমার লাহোটি। তাঁর থেকে পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন। দুর্ঘটনার এলাকা ঘুরে দেখেন। পাশাপাশি, তিনি নিজে প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলেন।

    সর্বোত্তম স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের আশ্বাস

    সাংবাদিকদের অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, ‘‘এটা একটা ভয়ঙ্কর মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। রেল, এনডিআরএফ, এসডিআরএফ এবং রাজ্য সরকার একযোগে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে। সর্বোত্তম স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হবে।’’ তিনি যোগ করেন, ‘‘আপাতত উদ্ধারকাজেই জোর দেওয়া হচ্ছে। আমাদের প্রাথমিক এবং একমাত্র লক্ষ্য আহতদের যত দ্রুত সম্ভব উদ্ধার করা এবং উপযুক্ত চিকিৎসার বন্দোবস্ত করা।’’

    ক্ষতিপূরণ ঘোষণা রেলের

    করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় (Odisha Train Derailment) মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৩৩ হয়েছে। গতকাল রাতেই, দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবার এবং আহতদের জন্য ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছে রেল। শুক্রবার রাতে টুইটে এ কথা জানান রেলমন্ত্রী বৈষ্ণব। তিনি লেখেন, ‘‘ওড়িশায় মর্মান্তিক এই রেল দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবার পিছু ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করা হয়েছে। গুরুতর আহতদের ২ লক্ষ এবং কম আঘাত পেয়েছেন যাঁরা, তাঁদের ৫০ হাজার টাকা করে সাহায্য দেওয়া হবে।’’

    গোড়ায় গিয়ে কারণ অনুসন্ধান (Odisha Train Derailment)

    দুর্ঘটনার কারণ নিয়ে এদিন কিছু বলেননি রেলমন্ত্রী। তবে, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে গতকাল রাতেই উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয় রেলের তরফে। পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। এদিন তিনি বলেন, ‘‘একেবারে গোড়ায় গিয়ে এই দুর্ঘটনার কারণ (Odisha Train Derailment) অনুসন্ধান করবে রেল। রেলওয়ে সেফটি কমিশনার (দক্ষিণ-পূর্ব সার্কল) স্বতন্ত্র ভাবে তদন্ত করবেন। কিন্তু প্রাথমিক ভাবে আমাদের অগ্রাধিকার অন্য।’’ এদিকে জানা গিয়েছে, আজ দুর্ঘটনাস্থলে যাবেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক। বালাসোরের ফকির মোহন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে আহতদের দেখতে যান রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

    রেলের হেল্পলাইন নম্বর

    হাওড়া: ০৩৩-২৬৩৮২২১৭
    খড়্গপুর: ৮৯৭২০৭৩৯২৫, ৯৩৩২৩৯২৩৩৯
    বালাসোর: ৮২৪৯৫৯১৫৫৯, ৭৯৭৮৪১৮৩২২
    শালিমার: ৯৯০৩৩৭০৭৪৬

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Odisha Train Accident: করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় মৃত্যু বেড়ে ২৩৩, আহত ৯০০-র বেশি

    Odisha Train Accident: করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় মৃত্যু বেড়ে ২৩৩, আহত ৯০০-র বেশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় (Odisha Train Accident) লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে হতাহতের সংখ্যা। শনিবার সকাল পর্যন্ত এই, ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ২৩৩ জনের। এমনটাই জানিয়েছেন ওড়িশার মুখ্যসচিব প্রদীপ জানা। আহতের সংখ্যা ৯০০ ছাড়িয়েছে। রাতভর উদ্ধার অভিযান চলার পর একাধিক কামরা থেকে উদ্ধার হয়েছে মৃতদেহ। অনেককেই উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ফলে, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    ২৩টির মধ্যে করমণ্ডলের ১৫টি কামরা লাইনচ্যুত

    দক্ষিণ-পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যে ছ’টা নাগাদ ওড়িশার বালাসোর স্টেশন ছাড়ে করমণ্ডল এক্সপ্রেস। এর কিছুটা দূরেই বাহানগা বাজার রেল স্টেশন। সেখানেই ১২৮৪১ আপ শালিমার-চেন্নাই করমণ্ডল এক্সপ্রেসের একাধিক বগি লাইনচ্যুত হয়ে যায় (Odisha Train Accident)। ২৩টি কামরার মধ্যে ১৫টি কামরা লাইন থেকে ছিটকে পড়ে পাশের ডাউন লাইনে। ট্রেনের বি২, বি৩, বি৪, বি৫, বি৬, বি৭, বি৮, বি৯, এ১ এবং এ২ কামরা উলটে যায়। এছাড়া ট্রেনের ইঞ্জিন এবং বি১ কামরাটি লাইন থেকে ছিটকে যায়। এর তীব্রতা এতটাই জোরালো ছিল যে পাশের লাইনে থাকা বেঙ্গালুরু-হাওড়া ডাউন যশবন্তপুর হামসফর এক্সপ্রেসেরও ৩-৪টি কামরা লাইনচ্যুত হয়। দুর্ঘটনার অভিঘাত এতটাই বড় ছিল যে, করমণ্ডলের কয়েকটি কামরা কার্যত ছিটকে গিয়ে পড়ে পাশের নয়ানজুলিতে।

    শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহ। দুর্ঘটনায় (Odisha Train Accident) নিহতদের ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ, গুরুতর আহতদের ২ লক্ষ টাকা এবং অল্প আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। আজ রাজ্যজুড়ে শোকপালনের কথা ঘোষণা করেছেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পটনায়েক। আজ দুর্ঘটনাস্থলে যাবেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক, রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। গতকালই তিনি উচ্চপর্যায়েত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। রেলের তরফে ইতিমধ্য়েই দুর্ঘটনাগ্রস্থ কামরাগুলিকে সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। আহতদেরকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sealdah: ব্যস্ত সময়ে শিয়ালদহে ট্রেন দুর্ঘটনা! অল্পের জন্য এড়ানো গেল বড় বিপদ

    Sealdah: ব্যস্ত সময়ে শিয়ালদহে ট্রেন দুর্ঘটনা! অল্পের জন্য এড়ানো গেল বড় বিপদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনের ব্যস্ত সময়ে শিয়ালদহে ট্রেন দুর্ঘটনা। অল্পের জন্য বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো গিয়েছে। বুধবার দুপুরে কারশেডমুখী একটি ট্রেনের সঙ্গে রানাঘাট লোকালের পাশাপাশি ধাক্কা লাগে। এর ফলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে শিয়ালদহের বেশ কয়েকটি শাখার রেল পরিষেবা। দুর্ঘটনার জেরে ১৮টি লোকাল ট্রেন বাতিল করা হয়। বহু ট্রেন দেরিতে চলে। প্রাথমিক তদন্তের পর সাসপেন্ড করা হয় শিয়ালদহে কারশেডগামী লোকাল ট্রেনের চালককে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে তাঁর ভুলেই বুধবার সকালে দুটি ট্রেনের ধাক্কা লাগে। এবিষয়ে পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক একলব্য চক্রবর্তী বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে সিগন্যালিং ব্যবস্থা বা রুট রিলে ইন্টারলকিংয়ে কোনও সমস্যা ছিল না। কারশেডগামী ট্রেনের চালক সিগন্যাল না মেনে এগিয়ে গিয়েছিলেন। সেই জন্যই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। ব্যবস্থা হিসেবে তাই ওই চালককে সাসপেন্ড করা হয়েছে।’

    আরও পড়ুন: “কোভিড মৃত্যুর জন্যে দায়ী নয় সরকার”, সুপ্রিম কোর্টে জানাল কেন্দ্র

    পাশাপাশি দুটি ট্রেনে ধাক্কা

    রেল সূত্রে খবর, একটি ট্রেন শিয়ালদহ স্টেশন থেকে কারশেডের দিকে যাচ্ছিল, আর একটি ট্রেন কারশেড থেকে স্টেশনের দিকে যাচ্ছিল। দ্বিতীয় ট্রেনটি ছিল রানাঘাট লোকাল, তাতে বেশ কয়েকজন যাত্রী ছিলেন। পাশাপাশি লাইনে থাকা দুটি ট্রেনের একে অপরের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। জানা যাচ্ছে, যে ট্রেনটি কারশেডের দিকে যাচ্ছিল, তাতে কোনও যাত্রী ছিলেন না। আচমকাই রেলের লাইন থেকে রানাঘাট লোকালের চাকা বেরিয়ে পাশের লাইনের দিকে চলে যায়। ধাক্কা লাগে ফাঁকা ট্রেনের সঙ্গে। দুটি ট্রেনই দাঁড়িয়ে পড়ে। 

    আরও পড়ুন: ডেঙ্গি মোকাবিলায় কী কী পদক্ষেপ? রাজ্যের কাছে হলফনামা চাইল হাইকোর্ট

    আতঙ্কিত যাত্রীরা

    এই ঘটনায় যাত্রীদের আঘাত লাগেনি। ট্রেন থেকে সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের নামানোর ব্যবস্থা করা হয়। তবে এভাবে লাইন থেকে চাকা বেরিয়ে বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। এই ঘটনায় যাত্রীরা ভয় পেয়ছেন। শিয়ালদহ থেকে প্রতিদিন লোকাল ট্রেনে যাতায়াত করেন হাজার হাজার মানুষ। ট্রেন এভাবে লাইনচ্যুত হয়ে যাওয়ার ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে যাত্রী সুরক্ষা নিয়ে। দুর্ঘটনার জেরে ১৮টি লোকাল ট্রেন বাতিল করা হয়। ট্রেন বাতিল এবং দেরিতে চলার জন্য ভোগান্তির শিকার হন নিত্যযাত্রীরা। শিয়ালদহ থেকে বিভিন্ন শাখায় যাওয়ার বহু ট্রেন গন্তব্যের আগেই আটকে পড়ে। আবার শিয়ালদহে ঢোকার মুখেও থমকে যায় বেশ কিছু ট্রেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share