Tag: train news

train news

  • Shamik Bhattacharya: শিয়ালদহ স্টেশনের নাম বদলে শ্যামাপ্রসাদের নামে করার দাবি

    Shamik Bhattacharya: শিয়ালদহ স্টেশনের নাম বদলে শ্যামাপ্রসাদের নামে করার দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার শিয়ালদহ স্টেশনের (Sealdah Station) নাম বদলের প্রস্তাব। বুধবার প্রস্তাবটি দিলেন রাজ্যসভার সাংসদ বিজেপির শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya)। এদিন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের কাছে এই দাবি করেন শমীক। তাঁর প্রস্তাব, স্টেশনটির নাম শিয়ালদহের বদলে করা হোক শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নামে।

    রাজ্যে রেলমন্ত্রী (Shamik Bhattacharya)

    এদিন, একাধিক রেল প্রকল্পের উদ্বোধনে রাজ্যে এসেছিলেন রেলমন্ত্রী। মন্ত্রী ছাড়াও রেলের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ শান্তনু ঠাকুর, শমীক ভট্টাচার্য প্রমুখ। এদিনই নসিপুর রেলব্রিজের ওপর দিয়ে আজিমগঞ্জ পর্যন্ত ট্রেন চলাচল শুরু হয়। রেলপ্রকল্পের উন্নয়নে টাকা বরাদ্দ হলেও, রাজ্যের তরফে জমি দিতে অস্বীকার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। সেই কারণেই রাজ্যে রেলের উন্নয়নে গতি আসছে না। রেলের বিভিন্ন প্রকল্পে জটিলতাও তৈরি হয়েছে বলে দাবি মন্ত্রীর (Shamik Bhattacharya)। জমি জট কেটে গেলে যে দ্রুত ওই প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হবে তাও জানান তিনি।

    রাজ্যকে নিশানা মন্ত্রীর

    অশ্বিনী বলেন, “শুধুমাত্র জমি না পওয়ার কারণে রাজ্যে রেলের প্রায় ৬১টি প্রকল্প বন্ধ হয়ে রয়েছে।” তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, “রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নে কেন্দ্র ও রাজ্য একে অন্যের পরিপূরক। রাজ্য সরকার জমি দিলে প্রকল্পগুলি শেষ করতে অর্থের কোনও অভাব হবে না।” তিনি জানান, রেলপ্রকল্পের উন্নয়নে গত ১০ বছরে ১৩ হাজার ৯১৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে রণদামামা! ইজরায়েলে হামলা ইরানের, “মাশুল গুণতে হবে”, বলছেন নেতানিয়াহু

    রেলের এই অনুষ্ঠানেই শিয়ালদহ স্টেশনের নাম বদলের প্রস্তাব দেন শমীক। তিনি বলেন, “এই স্টেশনের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে মানুষের রক্তাক্ত ইতিহাস। সর্বস্বান্ত হওয়া মানুষগুলো একদিন এসে ভিড় করেছিলেন শিয়ালদহ স্টেশনে। সেদিন ক্যাম্প করে শিয়ালদহের আশপাশে আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল তাঁদের। যাঁর তত্ত্বাবধানে এসব হয়েছিল, তিনি শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। তাই আজ রেলের একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে রেলমন্ত্রীর উপস্থিতিতে আমাদের দাবি জানিয়েছি। তিনি বলেছেন, বিষয়টা দেখবেন।” প্রসঙ্গত, ১৮৬২ সালে ইংরেজ আমলে চালু হয় শিয়ালদহ স্টেশন (Sealdah Station)। তারও সাত বছর পরে তৈরি হয় স্টেশন বিল্ডিং (Shamik Bhattacharya)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Flood Situation In Bengal: জল ছাড়া নিয়ে ‘অসত্য’ বলছেন মুখ্যমন্ত্রী, ফাঁস করে দিল কেন্দ্র

    Flood Situation In Bengal: জল ছাড়া নিয়ে ‘অসত্য’ বলছেন মুখ্যমন্ত্রী, ফাঁস করে দিল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর অভিযোগ, রাজ্যকে না জানিয়েই বিপুল পরিমাণ জল ছেড়েছে ডিভিসি। তাই বানভাসি হয়েছে বাংলার (Flood Situation In Bengal) একাংশ। এই অভিযোগ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে তিনি (Nabanna) দুটি চিঠিও পাঠিয়েছেন। পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ায় বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে ডিভিসির সঙ্গে সম্পর্ক না রাখার হুমকিও দিয়েছিলেন ‘সস্তা রাজনীতি’ করতে অভ্যস্ত (নিন্দকরা বলে) মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি যে ‘মিথ্যে’ বলেছেন, তা ফাঁস করে দিল কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রক। তারা সাফ জানিয়েছে, রাজ্য ও ডিভিসির প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত কমিটিই ঠিক করে কখন এবং কতটা জল ছাড়া হবে। তাই রাজ্যকে না জানিয়ে জল ছাড়া হয়েছে বলে মুখ্যমন্ত্রী যে দাবি করছেন, তা  অসত্য।

    জল ছাড়ার কথা সকলেই জানত (Flood Situation In Bengal)

    ডিভিসিরও দাবি, জল যে ছাড়া হবে, তা সকলেই জানতেন। রাজ্যের দুর্যোগ মোকাবিলা দফতরের একটি মেমো থেকেও স্পষ্ট, জল ছাড়ার কথা আগে থেকেই জানত রাজ্য। ২০ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীকে প্রথম চিঠি লেখেন মমতা। এর ঠিক তিনদিন আগে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলে হাওড়া, হুগলি, দুই মেদিনীপুর-সহ আটটি জেলাকে সতর্ক করেছিল নবান্ন। মেমোতে এও উল্লেখ করা হয়েছিল (Flood Situation In Bengal), ডিভিআরআরসি এবং সিডব্লিউসি জানিয়েছে, আবহাওয়ার কারণে মাইথন ও পাঞ্চেত জলাধারে জলস্তর বাড়ছে দ্রুত।

    আরও পড়ুন: “ট্রেনে অন্তর্ঘাত দূর করতে রেলওয়ে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে”, বললেন বৈষ্ণব

    মেমোতেও উল্লেখ করা হয়েছে 

    এই পরিস্থিতিতে ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ডিভিআরআরসি আড়াই লাখ কিউসেক জল ছাড়বে। তার ফলে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হলে যা মোকাবিলার যাবতীয় ব্যবস্থাও নিয়ে রাখতে বলা হয় ওই মেমোতে। প্লাবিত হতে পারে এমন এলাকার মানুষকে প্রয়োজনে যেন নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়, তাও বলা হয়েছিল মেমোতে। মেমোতে আরও বলা হয়েছিল, কংসাবতী বাঁধ থেকেও জল ছাড়া হতে পারে। তেমন হলে পূর্ব মেদিনীপুরে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হবে। কংসাবতী বাঁধের সঙ্গে ডিভিসিও জল ছাড়ায় হলদি ও রূপনারায়ণের জলস্তর বাড়বে। ডিভিসির এক কর্তা বলেন, “প্রয়োজন হলে জল ছাড়তেই হয়। সেটা কমিটিই ঠিক করে।” বিজেপির রাজ্য সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আরজি করকাণ্ডের বিরুদ্ধে (Nabanna) আন্দোলন থেকে দৃষ্টি ঘোরাতেই (মুখ্যমন্ত্রীর) এই অপচেষ্টা (Flood Situation In Bengal)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA: “ট্রেনে অন্তর্ঘাত দূর করতে রেলওয়ে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে”, বললেন বৈষ্ণব

    NIA: “ট্রেনে অন্তর্ঘাত দূর করতে রেলওয়ে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে”, বললেন বৈষ্ণব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ট্রেনে অন্তর্ঘাতের বিষয়টিকে চিরতরে দূর করতে রেলওয়ে প্রশাসন যথেষ্ট সতর্ক রয়েছে।” মঙ্গলবার কথাগুলি বললেন (NIA) কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)। এই জাতীয় ঘটনা এড়াতে বিভিন্ন রাজ্যের প্রশাসন ও পুলিশের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলেও জানান মন্ত্রী। জয়পুর বিমানবন্দরে রেলমন্ত্রী জানান, কেন্দ্রীয় সরকার নিরাপত্তা হুমকিগুলোকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে। তাই ট্রেনে নাশকতার চেষ্টা করলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, “এটা আমাদের অঙ্গীকার।”

    ‘কবচ’ পরিদর্শনে মন্ত্রী (NIA)

    রেলের তরফে জানানো হয়েছে, এদিন কবচ সজ্জিত একটি রেল ইঞ্জিন পরিদর্শন করতে সওয়াই মাধোপুরে এসেছিলেন মন্ত্রী। এদিন বিকেল চারটেয় সওয়াই মাধোপুর রেলওয়ে স্টেশনে কবচ সজ্জিত একটি ট্রেনের ইঞ্জিনে উঠবেন। তাতে করে তিনি ইন্দরগড় স্টেশন পর্যন্ত যাবেন। এতে সময় লাগবে ৪৫ মিনিট। জয়পুরের গান্ধীনগর রেলওয়ে স্টেশনে নির্মিত একটি ছাদ প্লাজাও পরিদর্শন করার কথা মন্ত্রীর।

    কী বললেন মন্ত্রী?

    সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে (NIA) মন্ত্রী বলেন, “রাজ্য সরকার, ডিজিপি এবং স্বরাষ্ট্র সচিবদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। এনআইএ-ও এতে জড়িত রয়েছে। কেউ যদি এমন কোনও দুর্ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করে, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটি আমাদের সংকল্প।” তিনি বলেন, “বিভিন্ন বিভাগ ও অঞ্চলের রেলওয়ে প্রশাসন দেশের সর্বত্র রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স ও স্থানীয় রাজ্য পুলিশের সঙ্গে সতর্কতার সঙ্গে কাজ করছে।” এদিন জয়পুরে পৌঁছানোর পর রেলমন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রী ভজনলাল শর্মার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পরে তিনি শহরের রাজাপার্ক এলাকার ভাটিয়া ভবনে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

    আরও পড়ুন: “বিজেপি ক্ষমতায় এলেই ঝাড়খণ্ডে এনআরসি হবে”, বললেন শিবরাজ সিং চৌহান

    ট্রেনে কবচ ব্যবস্থা হল স্বয়ংক্রিয় ট্রেন সুরক্ষা ব্যবস্থা। রিসার্চ ডিজাইনস অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অর্গানাইজেশন দ্বারা উন্নত করা হয়েছে। জরুরি পরিস্থিতিতে চালক ব্রেক কষতে ব্যর্থ হলে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্রেক কষে দুর্ঘটনা এড়ায়। প্রসঙ্গত, গত আট বছর ধরে রেলমন্ত্রক পর্যায়ক্রমে রেল নেটওয়ার্ককে কবচ ব্যবস্থার আওতায় আনার জন্য এই প্রকল্পের (Ashwini Vaishnaw) ওপর কাজ করছে (NIA)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Train Derailment Attempt: লাইনে সিলিন্ডার, সিমেন্টের ব্লক! রেল দুর্ঘটনা ঘটানোর চক্রান্ত! নেপথ্যে জঙ্গি-হাত?

    Train Derailment Attempt: লাইনে সিলিন্ডার, সিমেন্টের ব্লক! রেল দুর্ঘটনা ঘটানোর চক্রান্ত! নেপথ্যে জঙ্গি-হাত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার কানপুরের শিবরাজপুরের কাছে রেললাইনের ওপর রাখা ছিল রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার (Train Derailment Attempt)। অল্পের জন্য রক্ষা পায় কালিন্দি এক্সপ্রেস। সোমবার, রাজস্থানের আজমের মালবাহী করিডরের রেললাইনে প্রায় ৭০ কেজি ওজনের সিমেন্টের দুটি ব্লক রেখে দেওয়া হয়েছিল। যার এক-একটির ওজন প্রায় ৭০ কেজি! 

    জঙ্গিদের পদ্ধতি বদল

    দু’দিন। দু’জায়গা। দুটি ক্ষেত্রেই লাইনচ্যুত (Train Sabotage Foiled) করানোর চেষ্টা হয়েছে ট্রেন। গত কয়েক মাসে এ ধরনের ঘটনা বেড়েছে বই কমেনি। এর আগেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, জঙ্গিরা এখন বিস্ফোরণের ছক থেকে বেরিয়ে এসে বিকল্প পন্থা অবলম্বন করার চেষ্টা করছে। প্রথমত, সড়ক, জল বা আকাশপথে এখন নজরদারি কঠোর যাওয়ায়, বিস্ফোরণ ঘটানো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে জঙ্গিদের কাছে। দ্বিতীয়ত, চারদিকে, সিসি ক্যামেরার ফলে, তাদের সব কার্যকলাপ ধরা পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। যে কারণে, শহর থেকে দূরে, জনমানসহীন এলাকায় রেললাইনে ফাঁদ পেতে ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা (Train Derailment Attempt) করছে জঙ্গিরা। 

    কানপুরে লাইনে সিলিন্ডার

    সোমবার কানপুরে অল্পের জন্য রক্ষা পায় কালিন্দি এক্সপ্রেস। যাত্রীবাহি ট্রেনটি প্রয়াগরাজ থেকে যাচ্ছিল মহারাষ্ট্রের ভিওয়ান্ডিতে। রেল সূত্রে খবর, কানপুরের শিবরাজপুরের কাছে রেললাইনের ওপর রাখা ছিল রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার। চালকের তৎপরতায় এড়ানো গিয়েছে বড়সড় দুর্ঘটনা। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে চলে আসে আরপিএফ। সিলিন্ডারটি উদ্ধার করার পাশাপাশি আরও কিছু সন্দেহজনক জিনিসও উদ্ধার করেন তদন্তকারীরা। রেল লাইনে যে জায়গা থেকে সিলিন্ডারটি উদ্ধার হয়েছে, সেখান থেকে বোতল ভর্তি একটি হলুদ রংয়ের পদার্থও পাওয়া গিয়েছে (Train Derailment Attempt)। লাইনের ওপর থেকে উদ্ধার হয়েছে একাধিক পেট্রল ভরা বোতল ও দেশলাই। ট্র্যাকে ভারী কিছু লোহার জিনিস ঘষার চিহ্নও দেখা গিয়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, সিলিন্ডারটিতে বিস্ফোরক কিছু থাকলেও, থাকতে পারে। তদন্তকারীরা একটি ব্যাগও উদ্ধার করেছেন।

    রেললাইনে সিমেন্টের ব্লক

    কানপুরের এই ঘটনার পর ২৪ ঘণ্টাও কাটেনি, ফের একই রকম দুর্ঘটনা ঘটানোর চেষ্টার খবর এল রাজস্থানের আজমের থেকে। এবার মালবাহী করিডরের রেললাইনে প্রায় ৭০ কেজি ওজনের সিমেন্টের দুটি ব্লক রেখেছিল দুষ্কৃতীরা। এই করিডর দিয়েই একটি মালগাড়ি গিয়েছিল। সিমেন্টের ব্লকের সঙ্গে মালগাড়িটির ধাক্কা লাগলেও, ট্রেনটির কোনও ক্ষতি হয়নি। ট্রেনটি ঠিকঠাকই গন্তব্যে পৌঁছেছে। সোমবার রাত প্রায় সাড়ে ১০টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে ফুলেরা-আমেদাবাদ অংশের সরাধনা ও বাঙ্গাদ স্টেশনের মাঝে। খবর পেয়ে এলাকায় যান রেলকর্মীরা। তাঁরা প্রথমে রেললাইনের ওপর সিমেন্টের একটি ব্লক দেখতে পান। পরে কিছুটা দূরেই দেখা মেলে আরও একটি ব্লকের। রেলওয়ে আইন ও সরকারি সম্পত্তি ক্ষতি প্রতিরোধ আইন অনুযায়ী একটি এফআইআর দায়ের করা হয়। এই ঘটনায়ও নাশকতার চেষ্টার হাত দেখছেন তদন্তকারীদের একাংশ। লাইনের ওপর সিমেন্টের ব্লক না রাখলে, সেটি কোনওভাবেই সেখানে আসার কথা নয়। তাই দুষ্কৃতীদের উদ্দেশ্য কী, কেনই বা তারা মালগাড়ির করিডরে সিমেন্টের ব্লক রাখল, তাও স্পষ্ট নয়। এসবই খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।  

    আরও পড়ুন: মণিপুর হিংসায় আন্তর্জাতিক যোগ! শান্তি ফেরাতে সরকারকে আর্জি আরএসএস-এর

    রেললাইনে বাইকের স্ক্র্যাপ 

    রাজস্থানের বারান জেলার ঘটনার কথাই ধরা যাক। ২৯ অগাস্ট রাতে ছাবড়া এলাকার চাচাউদা গ্রামের কাছে কে বা কারা রেললাইনের ওপর রেখে দিয়েছিল বাইকের স্ক্র্যাপ। ঘটনাটি নজরে পড়ায় চালক ব্রেক কষেন। বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পায় ট্রেনটি। এই ঘটনার নেপথ্যে যে গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে, তা জলের মতো স্পষ্ট। কারণ দুর্ঘটনা ছাড়া রেলের লাইনে বাইকের স্ক্র্যাপ আসার কথা নয়। সেদিন ওই এলাকায় কোনও দুর্ঘটনা ঘটেনি বলে রেল সূত্রে খবর। প্রশ্ন হল, রেলওয়ে ট্র্যাকের ওপর কারা রাখল বাইকের স্ক্র্যাপ?

    রেললাইনে বোল্ডার

    রেললাইনের ওপর (Train Derailment Attempt) বোল্ডার ফেলে রাখায় লাইনচ্যুত হয়েছে সবরমতী এক্সপ্রেস। ভোর রাতে বারাণসী থেকে আমেদাবাদ যাওয়ার ১৯১৬৮ নম্বরের ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয় উত্তরপ্রদেশের কানপুর ও ভীমসেন স্টেশনের মাঝে। ঝাঁসির দিকে যাওয়ার সময় ট্রেনটি গিয়ে ধাক্কা মারে লাইনের ওপর থাকা বোল্ডারে। বেলাইন হয় ট্রেনটি। তবে হতাহতের কোনও খবর নেই। স্থানীয়দের দাবি, রেলের গতি কম থাকায়ই এড়ানো গিয়েছে মৃত্যু। দুর্ঘটনার নেপথ্যে নাশকতার ছক রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখছে রেল। লাইনের ওপর বোল্ডার আসার কথা নয়। তাই বোল্ডারটি কীভাবে রেলওয়ে ট্র্যাকে চলে এল, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। ঘটনার পরে (Train Sabotage Foiled) পরে রেলের এক আধিকারিক জানিয়েছিলেন, বোল্ডারের সঙ্গে ধাক্কা লাগায় ট্রেনের সামনে থাকা ক্যাটল গার্ডের ক্ষতি হয়েছে। নাশকতার ইঙ্গিত মিলেছে রেলমন্ত্রী অশ্বনী বৈষ্ণবের কথায়ও। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছিলেন “ভারী ধাক্কার চিহ্ন রয়েছে। তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। গোয়েন্দা বিভাগ ও উত্তরপ্রদেশ পুলিশ গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।”

    সরকারকে হেয় করার চেষ্টা!

    এর আগেও এমনতর ঘটনা (Train Derailment Attempt) ঘটেছে। মোদি সরকারকে জনমানসে হেয় করতে রেললাইনের ওপর ফেলে রাখা হয়েছে আস্ত গাছের গুঁড়ি। গত জুনে ঘটনাটি ঘটে ওড়িশার ভদ্রকে। ওই বছরেরই অক্টোবরে ছত্তিশগড় ও রাজস্থানের মধ্যে সংযোগকারী রেললাইনে ফেলে রাখা হয় পাথর। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে তামিলনাড়ুতে বন্দে ভারত লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ে দুষ্কৃতীরা। পশ্চিমবঙ্গের মালদায় সিগন্যাল টেম্পারিং করা হয়। পশ্চিমবঙ্গেরই বীরভূমে ভাঙচুর করা হয় লোকাল ট্রেনে। উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে আবার রেললাইনের ওপর ফেলে রাখা হয় গ্যাস সিলিন্ডার, হাতুড়ি। এরই কিছুদিন পরেই ফের এই এলাকায় রেললাইনে ফেলে রাখা হয় গ্যাস সিলিন্ডার এবং সাইকেল। রেললাইনের ওপর আস্ত বাইক রেখে চলে গিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। এবারও অকুস্থল সেই প্রয়াগরাজ। তেলঙ্গনায় আবার রেললাইনের ওপর ফেলে রাখা হয়েছিল লোহার ইয়া বড় রড (Train Derailment Attempt)। উত্তরপ্রদেশের কানপুরে রেললাইন থেকে উদ্ধার হয় গ্যাস সিলিন্ডার।

    কী বলছে বিজেপি

    বারংবার এমন ঘটনা ঘটার নেপথ্যে যে কোনও গোষ্ঠীর ষড়যন্ত্র রয়েছে তা মনে করেছেন অনেকেই। বিজেপির মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়া বলেন, “কিছু ব্যক্তি ও সংস্থা দেশে অরাজকতা ও অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।” তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশ এমনটা সহ্য করবে না। ঘটনাপ্রবাহকে তিনি ষড়যন্ত্র বলেই মনে করেন।” ভাটিয়া বলেন, “এটা উদ্বেগের বিষয় যে কিছু ব্যক্তি ও সংস্থা রয়েছে যারা ক্ষমতার লোভে দেশে দাঙ্গা ও অশান্তি পাকাতে চায়। এ ধরনের কাজের বিরুদ্ধে কঠিন পদক্ষেপ করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    আরও পড়ুন: ‘‘টাকা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মিথ্যা কথা বলছেন’’, মমতাকে তোপ নির্যাতিতার মায়ের

    জঙ্গি-যোগের প্রমাণ!

    এদিকে, উত্তরপ্রদেশের কানপুরে ট্রেন লাইনচ্যুত করার চেষ্টায় জঙ্গি যোগের প্রমাণ মিলেছে। জঙ্গিরা প্রয়াগরাজ-ভিওয়ানি কালিন্দি এক্সপ্রেস উল্টে দেওয়ার ছক কষেছিল। তদন্তকারীদের অনুমান, যে এই ষড়যন্ত্রের চাঁই, সে স্ব-উগ্রপন্থী। সে আইসিসের খোরাসান মডিউলের সঙ্গে জড়িত বলে অনুমান তদন্তকারীদের। ঘটনাস্থলে যাচ্ছে এনআইএ। প্রতিটি ক্ষেত্রেই তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে জানা যাবে, ঘটনার (Train Sabotage Foiled) নেপথ্যে কোন জঙ্গি গোষ্ঠী কিংবা কোন দুষ্কৃতীর হাত (Train Derailment Attempt)। কানপুরের ঘটনা খতিয়ে দেখছে এনআইএ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Howrah Bardhaman: বহু ট্রেন বাতিল, হয়রানির শিকার হাওড়া বর্ধমান রুটের যাত্রীরা

    Howrah Bardhaman: বহু ট্রেন বাতিল, হয়রানির শিকার হাওড়া বর্ধমান রুটের যাত্রীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংস্কার হচ্ছে শতাধিক বছরের পুরনো রেলওভার ব্রিজ। তার জেরে বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধে ৬টা পর্যন্ত হাওড়া বর্ধমান শাখায় (Howrah Bardhaman) বেশ কিছু ট্রেন বাতিল করেছে পূর্ব রেল। তার জেরে এদিন সকাল থেকেই দুর্ভোগে যাত্রীরা। বিভিন্ন রুটের বাসে বাদুড় ঝোলা ভিড়। জানা গিয়েছে, আপ ও ডাউন মিলিয়ে ৬২টি লোকাল ট্রেন ও ৮২টি মেইল ও এক্সপ্রেস পুরোপুরি বন্ধ থাকছে এদিনের মতো।

    রেলওয়ে ওভার ব্রিজ…

    ১৯০১ সালে বর্ধমান স্টেশনের কাছে তৈরি হয় রেলওয়ে ওভার ব্রিজ। যাত্রী পরিষেবার কথা মাথায় রেখে একশো বছরেরও বেশি পুরানো ওই ব্রিজ ভেঙে নতুন ব্রিজ তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় রেল। ২৬ জানুয়ারি থেকে ব্রিজ ভাঙার কাজ শুরু হয়। পুরো কাজ শেষ করতে সময় লাগবে ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তাই ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হাওড়া বর্ধমান শাখায় বাতিল হতে চলেছে একগুচ্ছ লোকাল ট্রেন।

    আরও পড়ুুন: দুর্নীতির কথা কবুল এসএসসির! বাতিল হতে চলেছে ৮০০ শিক্ষকের চাকরি

    বৃহস্পতিবার হাওড়া বর্ধমান (Howrah Bardhaman) মেইন ও কর্ড এবং কাটোয়া শাখার বেশ কিছু লোকাল ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। কয়েকটি ট্রেনের যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। রেলের তরফে জানানো হয়েছে, বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধে পর্যন্ত মেইন লাইনে ১৭ জোড়া, কর্ড লাইনে ১৪ জোড়া এবং মেইল এক্সপ্রেস মিলিয়ে ৪১টি ট্রেন বাতিল থাকবে। যদিও রাজধানী এক্সপ্রেস সহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দূরপাল্লার ট্রেন চলাচল করবে ৩ নম্বর লাইন দিয়ে।

    হাওড়ার ডিএমআর মণীশ জৈন জানান, বন্দে ভারত কিংবা রাজধানীর এক্সপ্রেসের মতো প্রিমিয়াম ট্রেন বাতিল করা হবে না। এছাড়া বর্ধমানের (Howrah Bardhaman) আগে কর্ড লাইনে মশাগ্রাম ও মেইন লাইনে শক্তিগড় থেকে ১৪ জোড়া করে স্পেশাল লোকাল ট্রেন চালানো হবে। তিনি জানান, বর্ধমান স্টেশনের পাশের শতাধিক বছরের পুরনো রেল ওভারব্রিজটি ভাঙার কারণে বর্ধমান থেকে একাধিক শাখায় ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। রেল সূত্রে খবর, যাত্রীদের কিছুটা সুবিধা দিতে ১৪ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি মেইন লাইনে হাওড়া ও শক্তিগড়ের মধ্যে ৪ জোড়া স্পেশাল লোকাল ও হাওড়া এবং মশাগ্রামের মধ্যে ৪ জোড়া স্পেশাল লোকাল চালাবে রেল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Local Train: রবিবার বাতিল হাওড়া-বর্ধমান সমস্ত লোকাল ট্রেন, ভোগান্তি সোম থেকে বৃহস্পতি পর্যন্ত

    Local Train: রবিবার বাতিল হাওড়া-বর্ধমান সমস্ত লোকাল ট্রেন, ভোগান্তি সোম থেকে বৃহস্পতি পর্যন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার বাতিল হাওড়া (Howrah) বর্ধমান (Burdwan) সমস্ত লোকাল ট্রেন। এদিন হাওড়া এবং ব্যান্ডেল থেকে বর্ধমানগামী সমস্ত ট্রেন বন্ধ থাকবে। বন্ধ থাকবে বর্ধমান আসানসোল এবং বর্ধমান রামপুরহাট শাখায় ট্রেন (Local Train) চলাচলও। উড়ালপুল সংস্কারের কাজ হবে। তাই এই সিদ্ধান্ত। শনিবার পূর্ব রেলের তরফে এমনটাই জানানো হয়েছে। হাওড়া বর্ধমান কর্ড ও মেইন শাখায় কয়েকটি স্পেশাল ট্রেন অবশ্য চালানো হবে।

    রেলের বিবৃতি…

    রেল জানিয়েছে, এদিন মেইন শাখায় হাওড়া থেকে শক্তিগড় পর্যন্ত ১৩ জোড়া ট্রেন চলবে। কর্ড শাখায় হাওড়া থেকে মসাগ্রাম পর্যন্ত চলবে ১০ জোড়া ট্রেন। কেবল রবিবারই নয়, সোম থেকে বুধবার পর্যন্ত হাওড়া বর্ধমান, ব্যান্ডেল-বর্ধমান, বর্ধমান-আসানসোল এবং বর্ধমান-রামপুরহাট এই সবকটি শাখায় বেশ কয়েকটি লোকাল ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। রেল জানিয়েছে, সোমবার হাওড়া-বর্ধমান কর্ড শাখায় ৬ জোড়া এবং মেইন শাখায় ৫ জোড়া লোকাল ট্রেন বাতিল থাকবে।  কোনও স্পেশাল ট্রেন চলবে না। মঙ্গল ও বুধবারও হাওড়া-বর্ধমান কর্ড শাখায় ১০ জোড়া ও মেইন শাখায় ১০ জোড়া লোকাল ট্রেন (Local Train) বাতিল থাকবে। এই দুদিন মেন শাখায় হাওড়া থেকে শক্তিগড় পর্যন্ত ১০ জোড়া এবং কর্ড শাখায় ১০ জোড়া হাওড়া মসাগ্রাম লোকাল চলবে।

    আরও পড়ুুন: ‘পাঁচ বছরের মধ্যেই সব পঞ্চায়েতে মিল্ক ডেয়ারি ও ফিশারি সোসাইটি গড়ে উঠবে’, বললেন শাহ

    তবে বুধবার মধ্যরাত থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধে ৬টা পর্যন্ত বাতিল হাওড়া বর্ধমান সব লোকাল ট্রেনই। বন্ধ থাকবে ব্যান্ডেল-বর্ধমান লোকাল ট্রেনও। সপ্তাহের কাজের দিনে ট্রেন বাতিল হওয়ায় হাওড়া বর্ধমান রুটে বাসে যে ব্যাপক ভিড় হবে, তা বলাই বাহুল্য। বাসে সিট পেতে বিস্তর বেগ পেতে হবে নিত্যযাত্রীদেরও।

    আরও পড়ুুন: ফের রক্তাক্ত বাসন্তী! বোমা বাঁধার সময় বিস্ফোরণে মৃত্যু ১ জনের, আহত ২

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

  • Vande Bharat Express: অত্যাধুনিক ট্রেন বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, কী কী সুবিধা মিলবে জানেন?

    Vande Bharat Express: অত্যাধুনিক ট্রেন বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, কী কী সুবিধা মিলবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার দেশের পঞ্চম বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের (Vande Bharat Express) সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বেঙ্গালুরু থেকে দক্ষিণ ভারতে এমন এক্সপ্রেস ট্রেন এটিই প্রথম। ট্রেনটি চলাচল করবে মাইসুরু ও চেন্নাইয়ের মধ্যে। প্রধানমন্ত্রীর দফতর (PMO) জানিয়েছে, ট্রেনটি চেন্নাইয়ের ইন্ডাস্ট্রিয়াল হাব থেকে বেঙ্গালুরুর টেক, স্টার্টআপ হাব এবং মাইসুরু শহরের বিখ্যাত পর্যটনস্থলগুলির মধ্যে সংযোগ স্থাপন করবে। ট্রেনটি যদি বেঁধে দেওয়া গতিতে ছোটে, তাহলে চেন্নাই থেকে বেঙ্গালুরু যেতে সময় লাগবে মাত্র তিন ঘণ্টা।

    বন্দে ভারত এক্সপ্রেস…

    আসুন, জেনে নেওয়া যাক বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সুযোগ সুবিধা। নয়া বন্দে ভারত ট্রেনের মাঝে থাকছে নন ড্রাইভিং ট্রেলার কোচ। এটি খানিকটা ইএমইউয়ের মতো। এটি প্রতি ১৪০ সেকেন্ডে অতিক্রম করবে ১৬০ কিলোমিটার রাস্তা। এর আগে এর সময়কাল ছিল ১৪৫ সেকেন্ড। এই ট্রেনের ইমার্জেন্সি ইলেক্ট্রিসিটি সংযোগ আগের চেয়ে অনেক বেশি ভাল। কোচের বাইরে থাকবে ৪টি প্লাটফর্ম সাইট ক্যামেরা। থাকবে রিয়ার ভিউ ক্যামেরাও। ট্রেনে যাতে জীবাণুমুক্ত বাতাস থাকে, তাই থাকবে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ইউভি ল্যাম্প। কোচে রয়েছে লেভেল ২ ইন্টিগ্রেশন সার্টিফিকেশন সেফটি। অগ্নিকাণ্ড থেকে রক্ষা পেতে এই ট্রেনে রয়েছে এরোসল ফায়ার সাপ্রেশন সিস্টেম। ফলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে ট্রেনে ততক্ষণাৎ ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

    আরও পড়ুন: বাংলাকে প্রাক-নববর্ষের উপহার প্রধানমন্ত্রীর! এ রাজ্যেও চলবে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, জানুন কবে

    এই ট্রেনে অনেক বেশি সংখ্যক ইমার্জেন্সি জানালা রয়েছে। প্যাসেঞ্জার ইনফর্মেশন সিস্টেমও আগের চেয়ে ঢের বেশি ভাল। ট্রেনের (Vande Bharat Express) প্রতিটি শ্রেণিতেই রয়েছে রিক্লাইনিং আসন। এক্সিকিউটিভ কোচে রয়েছে ১৮০ ডিগ্রি রোটেটিং আসন। বিমানের আসনের মতো সুবিধাও মিলবে এই আসনগুলিতে। জরুরি প্রয়োজনে লোকো পাইলট এবং ট্রেনের গার্ড নিজেদের পাশাপাশি যাত্রীদের সঙ্গেও কথা বলতে পারবেন। বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে থাকছে অটোমেটিক দরজা, ফায়ার সেন্সর, সিসিটিভি ক্যামেরা, ওয়াইফাইয়ের সুবিধা, তিন ঘণ্টার ব্যাটারি ব্যাক আপ এবং জিপিএস। ট্রেনের কোচগুলি অন্যান্য ট্রেনের তুলনায় হালকা। ট্রেনের জানালাগুলোও বেশ চওড়া। যাত্রীদের লাগেজ রাখার জন্য রয়েছে ঢের বেশি জায়গা। প্রসঙ্গত, চলতি মাসের ৩০ তারিখে শিয়ালদহ থেকে নিউ জলপাইগুড়ি পর্যন্ত বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের (Vande Bharat Express) যাত্রার সূচনা করার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। বাংলায় এটিই হবে প্রথম বন্দে ভারত এক্সপ্রেস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share