Tag: tree

tree

  • Nadia: সরকারি দফতরে তৃণমূলের মদতে নির্বিচারে কাটা পড়ল গাছের ডাল, প্রতিবাদে বিজেপি

    Nadia: সরকারি দফতরে তৃণমূলের মদতে নির্বিচারে কাটা পড়ল গাছের ডাল, প্রতিবাদে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার (Nadia) কৃষ্ণগঞ্জের বিডিও অফিসের ক্যাম্পাসের মধ্যে রয়েছে ফুটবল খেলার মাঠ। এই খেলার মাঠের চারিদিকে রয়েছে বড় বড় আমগাছ। সেই আম গাছের ডাল নির্বিচারে কাটা হয়েছে । এখন প্রশাসনের পক্ষ থেকে অরণ্য সপ্তাহ চলছে। অরণ্য সপ্তাহ পালনের মধ্যে এইভাবে ব্লক প্রশাসনের ভিতর যেভাবে গাছের ডালগুলি কাটা হয়েছে তা নিয়ে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে এলাকায়। তৃণমূলের (Trinamool Congress) মদতেই এসব হয়েছে। এমনই অভিযোগ বিজেপির।

    কাটমানি নিয়ে গাছ চুরির অনুমতি! (Nadia)

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, মাঠ পরিষ্কারের নামে যেভাবে কৃষ্ণগঞ্জের (Nadia) বিডিও অফিস চত্বরে গাছগুলির ডাল কাটা হয়েছে, এটা কখনও কাম্য নয়। এই বিষয়ে বিজেপি নেতা তথা বিশিষ্ট আইনজীবী অমিত প্রামাণিক বলেন, কীভাবে অফিস ক্যাম্পাসের মধ্যে গাছগুলিকে কাটা হয়েছে, বন দফতর কীভাবে গাছগুলি ন্যাড়া করার অনুমতি দেয়। না আদৌ এই ন্যাড়া করার পিছনে অন্য কারণ লুকিয়ে আছে? তিনি আরও বলেন, তৃণমূল সরকারের আমলে কয়লা চুরি, বালি চুরি, চাকরি চুরির পর এবার গাছ চুরির ঘটনা ঘটেছে। তৃণমূল নেতারা কাটমানি নিয়ে গাছ চুরির অনুমতি দিয়েছে। আমাদের দাবি, ঘটনার তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

    আরও পড়ুন: ইউরোপের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এলব্রুস জয়, ভারতীয় হিসেবে নজির গড়লেন হুগলির শুভম

    প্রতিবাদে সরব পরিবেশপ্রেমী

    পরিবেশপ্রেমী (Nadia) স্বপন কুমার ভৌমিক বলেন, কোনও অবস্থাতেই এইরকমভাবে ফলন্ত গাছের ডাল কাটা যায় না। গাছের ডাল যেভাবে কাটা হয়েছে, কয়েকদিনের মধ্যেই অধিকাংশ গাছ মারা যাবে। প্রতিবছর টেন্ডারের মাধ্যমে বিডিও অফিস থেকে এই আম গাছগুলির ফল বিক্রি করা হয় অর্থাৎ লিজ দেওয়া হয়। যে বা যারা এই গাছের ডাল নির্মমভাবে কাটার সঙ্গে যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন তদন্ত করে করে ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূল (Trinamool Congress) নেত্রী তথা কৃষ্ণগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কাকলি দাস বলেন, মাঠের সৌন্দর্যায়নের জন্য গাছের ডাল কাটা হয়েছে। বিজেপির লোকেরা উন্নয়ন দেখতে পান না বলেই তাঁরা এই সমস্ত অভিযোগ করছেন। যে ডালগুলি কাটা হয়েছে, সেগুলি আইন মাফিক করা হয়েছে। গাছের কাটা ডাল টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: অনুব্রতের খাসতালুকে লক্ষ লক্ষ টাকার গাছ কেটে উধাও! জেলাজুড়ে চাঞ্চল্য

    Birbhum: অনুব্রতের খাসতালুকে লক্ষ লক্ষ টাকার গাছ কেটে উধাও! জেলাজুড়ে চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৩২ কিলোমিটার সেচ খাল সংস্কারের নামে লক্ষ লক্ষ টাকার গাছ কেটে সাফ করে দেওয়ার অভিযোগ। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে অনুব্রত মণ্ডলের খাসতালুক বীরভূমের (Birbhum) বোলপুরে। বন দফতরের অনুমতি ছাড়াই সেচ খালের দুদিকে হাজার হাজার বড় বড় গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ। সরকারের কোন দফতর বিপুল পরিমাণে গাছ কাটল? কোন খাতে গেল সেই টাকা? তার কোন সদূত্তর নেই। শাসক দলের নেতাদের মদতেই এই দুর্নীতি হয়েছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ। ঘটনার তদন্তের দাবি করা হয়েছে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন? (Birbhum)

    বীরভূমের (Birbhum) বোলপুর থেকে কীর্ণাহার যাওয়ার রাস্তার ধারে প্রায় ৩২ কিলোমিটার একটি সেচ খাল রয়েছে। কমপক্ষে ৬ টি গ্রাম পঞ্চায়েত উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে সেচ খালটি। অর্থাৎ, এই খাল থেকে কংকালীতলা গ্রাম পঞ্চায়েত সহ বিপ্রটিকুরি, কীর্ণাহার ১ ও ২ গ্রাম পঞ্চায়েত, দাসকলগ্রাম ১ ও ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের মানুষ চাষের জল পেয়ে উপকৃত হন। এই খাল সংস্কার শুরু হয়েছে। আর দেখা যাচ্ছে সেচ খাল সংস্কার করতে গিয়ে দুদিকে থাকা হাজার হাজার গাছ কেটে সাফ করে দেওয়া হয়েছে। প্রায় এক মাস ধরে চলছে অপ্রয়োজনীয় ভাবে বৃক্ষ নিধন যজ্ঞ। বন দফরের কাছ থেকে কোনওরূপ অনুমতি না নিয়েই কীভাবে লক্ষ লক্ষ টাকার গাছ কেটে ফেলা হল? সরকারের কোনও দফতর এই গাছগুলি কাটল? তা এখনও কেউ কিছু বলতে পারছে না। স্থানীয় বাসিন্দা থেকে শুরু করে পথ চলতি মানুষজন জানাচ্ছেন, সেচ খালের দুদিকেই প্রচুর গাছ ছিল। ছোট-বড় গাছের জঙ্গল ছিল। সব কেটে সাফ করে দেওয়া হয়েছে। আর এই বিপুল পরিমাণে গাছ কেটে নেওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই মন খারাপ স্থানীয়দের। তাঁরা বলেন, ‘চোখের সামনে প্রচুর কাছ কেটে নেওয়া হল। এত গাছ কাটার দরকার ছিল না।’

    বন বিভাগের আধিকারিক কী বললেন?

    বন বিভাগের বোলপুর রেঞ্জের রেঞ্জার প্রদীপ হালদার বলেন, ‘গাছ কেটে নেওয়ার কোনও তথ্য আমরা পাইনি। এখন শুনলাম গুঁড়ি পরে আছে শুধু। আমাদের কাছে কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: বাড়ির সামনে গাছ কেটে বিজেপি কর্মীকে শিক্ষা! অভিযুক্ত তৃণমূল

    South 24 Parganas: বাড়ির সামনে গাছ কেটে বিজেপি কর্মীকে শিক্ষা! অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়ির সামনে বিজেপি কর্মীর লাগানো গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কাকদ্বীপ থানার রামগোপালপুর গ্রামে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তৃণমূলের অঞ্চল প্রধান থেকে পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি সত্যব্রত মাইতির নামে থানায় অভিযোগ জমা পড়েছে। কিন্তু, কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (South 24 Parganas)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বিজেপি কর্মীর নাম তাপস পট্টনায়ক। ২৫ বছর আগে শ্বশুরবাড়ির সম্পত্তি পেয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) রামগোপালপুর গ্রামে স্ত্রী মনোরমা পট্টনায়ককে নিয়ে বসবাস শুরু করেন। বাড়ির সামনে জমিতে তিনি গাছ লাগিয়েছিলেন। সেই জমির কিছুটা অংশ খাস জমি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। পঁচিশ বছর ধরে জায়গাটি দখল করে থাকার সুবাদে দুয়ারে সরকারে রেকর্ড সংশোধন ও তাঁদের নামে পাট্টার জন্য আবেদন করেছিলেন। এরই মধ্যে তৃণমূল নেতারা দলবল নিয়ে এসে সব বড় বড় গাছ কেটে নিয়ে চলে যায়। তাপস পট্টনায়ক বলেন, গাছগুলিকে সন্তানের মতো মানুষ করেছি। বিজেপি করি বলেই সব গাছ কেটে নিয়ে চলে গেল। পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কোনও কাজ হয়নি। এই ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি সত্যব্রত মাইতি বলেন, এই ঘটনাটি পুরোটাই পারিবারিক গন্ডগোল। ইচ্ছাকৃতভাবেই রাজনৈতিক হিংসা চরিতার্থ করতে আমার নাম জড়ানো হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে আমি কোনওভাবেই জড়িত নই। তৃণমূলের অন্যান্য নেতাদের জড়িত থাকার অভিযোগ ভিত্তিহীন।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপির কাকদ্বীপ ৩ মণ্ডলের সাধারণ সম্পাদক হরেন্দ্রনাথ কামিল্যা বলেন, বিজেপি করে বলেই এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে। গাছ কাটার জন্য বন দফতরের অনুমতি নেওয়া প্রয়োজন, সেটাও তৃণমূল নেতারা করেনি। তৃণমূলের অত্যাচারে দলীয় কর্মীরা অতিষ্ঠ। আমরা দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amdanga: প্রশাসনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে অবাধে চলছে গাছ কাটা, অভিযুক্ত স্থানীয় তৃণমূল নেতারা

    Amdanga: প্রশাসনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে অবাধে চলছে গাছ কাটা, অভিযুক্ত স্থানীয় তৃণমূল নেতারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল মানে সাত খুন মাফ! দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ে আরাবুল ইসলাম সরকারি জমিতে তৃণমূলের পার্টি অফিস করছেন। এভাবে এলাকায় নিজের দাপট দেখান আরাবুল। প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। এবার পড়শি জেলা উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) আমডাঙার সাধনপুর পঞ্চায়েতের গজবন্দ গ্রামের মাঠে সরকারি জমিতে থাকা একের পর বড় বড় গাছ কেটে চুরি হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের মদতেই এই সরকারি গাছ চুরি হচ্ছে বলে অভিযোগ। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (North 24 Parganas)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই গ্রামের মাঠে প্রায় ১৫ বিঘা জলাশয় বিশিষ্ট ঝিল রয়েছে। তার চারদিকে লাগানো রয়েছে বড় বড় গাছ। মূলত, জলাশয়ের শোভা বাড়ানোর জন্যই সরকারি এই গাছগুলিকে লাগানো হয়েছে। আর গাছগুলির পরিচর্যা করে থাকে আমডাঙা ব্লক প্রশাসন। আর সেই গাছ অবাধে চুরি হচ্ছে বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, অ়ঞ্চলের কথায় গাছ কাটা হচ্ছে। অঞ্চলে তৃণমূল ক্ষমতায় রয়েছে। ফলে, তৃণমূল নেতাদের মদতেই এই গাছ কাটা চলছে। তাই, প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

    স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান কী বললেন?

    সরকারি গাছ কাটার বিষয়টি সামনে আসতেই পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ চরম বিড়ম্বনায় পড়েছে। গাছ কাটার দায় ঝেড়ে ফেলতে চাইছেন স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান অলোক বাগ। বরং, তিনি বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বিডিওকে জানানো হয়েছে।

    ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকের কী বক্তব্য?

    আমডাঙার বিডিও নবকুমার দাস বলেন, বিষয়টি জানার পরই এই বিষয়ে আমি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। গাছ কাটা রুখতে আমরা যথার্থ চেষ্টা করব। সরকারি সম্পত্তি রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। তাই, সরকারি গাছ কোনওভাবেই আমরা আর কাটতে দেব না। আর কারা গাছ কেটেছে তা খতিয়ে দেখে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • World Environment Day: গরমে পুড়ছে বঙ্গবাসী, কলকাতায় সবুজ কমেছে ৩০ শতাংশ!

    World Environment Day: গরমে পুড়ছে বঙ্গবাসী, কলকাতায় সবুজ কমেছে ৩০ শতাংশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাপমাত্রা পেরিয়ে যাচ্ছে ৪০ ডিগ্রির চৌকাঠ। গরমে অস্বস্তি প্রত্যেক দিন বাড়ছে! শুধুই অস্বস্তি নয়, আট থেকে আশি প্রবল গরমে অসুস্থও হয়ে পড়ছেন! প্রত্যেক বছর তাপমাত্রার পারদ যেমন পাল্লা দিয়ে বাড়ছে, তেমনই কমছে কলকাতার সবুজায়ন! বিশ্ব পরিবেশ দিবসে (World Environment Day) এমনই রিপোর্ট প্রকাশ করল একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা!

    কী বলছে সমীক্ষা? 

    ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস (World Environment Day)! আর সেই উপলক্ষে একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, দিল্লি, মুম্বই, হায়দরাবাদের তুলনায় অনেকটাই সবুজ কম কলকাতায়। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, কলকাতায় ২০১১ সালে সবুজে ঢাকা অংশ ছিল ২.৫ বর্গ কিলোমিটার। ২০২২ সালে তা কমে হয়েছে ১.৮ বর্গ কিলোমিটার। দিল্লি কিংবা মুম্বইয়ের মতো শহরের থেকে যা কয়েক গুণ কম। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, দিল্লিতে ২০১১ সালে ১৭৪.৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় গাছ ছিল। ২০২২ সালে তা বেড়ে হয়েছে বর্গ কিলোমিটার। একই ভাবে সবুজায়ন বেড়েছে মুম্বইয়েও। ২০১১ সালে মুম্বাইয়ে ১০১.৭ বর্গ কিলোমিটার এলাকা সবুজে ঢাকা ছিল। ২০২২ সালে তা বেড়ে হয় ১১০.৮ বর্গ কিলোমিটার। হায়দরাবাদে ২০১১ সালে ৩৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় বড় গাছ ছিল। ২০২২ সালে তা বেড়ে হয়েছে ৮১.৮ বর্গ কিলোমিটার। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, যেখানে দিল্লিতে ১১ শতাংশ, মুম্বইয়ে ৯ শতাংশ এবং হায়দরাবাদে ১৪৭ শতাংশ সবুজায়ন বেড়েছে, সেখানে কলকাতায় গত এক দশকে ৩০ শতাংশ গাছ কমেছে।

    কী বলছেন পরিবেশবিদরা (World Environment Day)? 

    কলকাতার এই পরিসংখ্যান দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে বলেই মনে করছেন পরিবেশ কর্মীরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, যে হারে কলকাতায় গাছ কমেছে, তাতে কলকাতার আবহাওয়া আরও অস্বস্তিকর হয়ে উঠবে বলে আশঙ্কা। পাশপাশি, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টির মতো সমস্যাও বাড়বে। পরিবেশবিদরা জানাচ্ছেন, গত কয়েক বছর ধরেই কলকাতার তাপমাত্রা যেমন বাড়ছে, তেমনি কলকাতার বৃষ্টির ধরন বদলে যাচ্ছে। অসময়ে অতিরিক্ত বৃষ্টি হচ্ছে। কিন্তু কালবৈশাখীর দেখা মিলছে না। তাছাড়া ঝড়-বৃষ্টি হলেই বাজ পড়ছে। বজ্রপাত বেড়েছে। আর এই সব কিছুর জন্য গাছ কাটাই (World Environment Day) সবচেয়ে বড় কারণ বলে মনে করছেন পরিবেশবিদরা। 
    মুম্বই, দিল্লি বা হায়দরাবাদের মতো বড় শহরে গত এক দশক ধরেই পরিকল্পনা করে গাছ লাগানো হয়েছে। বছর দশেক আগেও মুম্বই কিংবা দিল্লিতে মে-জুন মাসের আবহাওয়া অস্বস্তিকর হয়ে উঠেছিল। তখন থেকেই সতর্ক হয়েছিল সরকার। একাধিক রাস্তার ধারে গাছ লাগানো শুরু হয়। এর ফল দশ বছর পরে পাওয়া যাচ্ছে। গাছ লাগানো ও তার নিয়মিত যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে গত এক দশকে দিল্লি ও মুম্বইয়ের মতো শহরে প্রশাসন যথেষ্ট নজর দিয়েছে। 
    এবছর কলকাতার তাপমাত্রার পারদ দিল্লি কিংবা মুম্বইকে এপ্রিলেই ছাপিয়ে গিয়েছে। কলকাতার গল্ফ গ্রিন থেকে যাদবপুর, গিরিশ পার্ক থেকে লেকটাউন, যেসব এলাকায় তুলনায় বেশি বড় গাছ ছিল, গত এক দশকে সেগুলো দেদার কাটা হয়েছে। রাস্তার পাশে গাছ লাগানোর কোনও পরিকল্পনা গত এক দশকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার করেনি। কলকাতা পুরসভার তরফেও বড় গাছ লাগানো ও তার যত্ন নিয়ে বিশেষ কোনও সক্রিয়তা দেখা যায়নি। বরং গাছ কাটার ছবি যত্রতত্র দেখা গিয়েছে। ফলে, এক দশকে বদলে গিয়েছে কলকাতার আবহাওয়া!

    কী বলছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা (World Environment Day)? 

    কলকাতার এই গরম কলকাতাবাসীর জন্য আরও বিপজ্জনক হতে চলেছে বলেই আশঙ্কা করছে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মহল। কারণ, গরম তো শুধুই অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি করে না, গরমের জেরে নানান শারীরিক অসুবিধার আশঙ্কাও দেখা যায়। যেমন ডিহাইড্রেশন, ত্বকের সমস্যা, ঘুম কম হওয়া। এছাড়াও গরমের জেরে নানান ভাইরাস ঘটিত অসুখ হতে পারে। বিশেষত উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদরোগের সমস্যা থাকলে, এই গরমে তাদের শারীরিক অসুস্থতার বাড়তি ঝুঁকি তৈরি হয়। তাই সব মহলেরই সচেতনতা (World Environment Day) জরুরি বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Palash Flower: লাল পাহাড়ির দেশে শ্বেত পলাশেই মজেছে পর্যটকরা, একটি গাছের দাম জানেন?

    Palash Flower: লাল পাহাড়ির দেশে শ্বেত পলাশেই মজেছে পর্যটকরা, একটি গাছের দাম জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বসন্ত মানেই প্রকৃতি প্রেমী আম বাঙালির কাছে ডেস্টিনেশন হচ্ছে পুরুলিয়া। রাস্তার দুধারে পলাশের (Palash Flower) লাল ফুলে রঙীন হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। প্রকৃতির এই অপরূপ শোভা চাক্ষুস করতেই কলকাতা থেকে বহু পর্যটক লাল পাহাড়ির দেশে ছুটে যান। বহু কবির লেখার জাদুতে এই লাল পলাশ ফুলই আমাদের মনের মণিকোটায় আরও বেশি করে জায়গা করে নিয়েছে।  কিন্ত, এবার বসন্তে লাল পলাশ (Palash Flower) নয়, লাল পাহাড়ির দেশে ভিভিআইপি হয়ে উঠেছে শ্বেত পলাশ গাছ। শুধু এক ঝলক এই গাছকে দেখতে পর্যটকরা হুড়ার মতো প্রত্যন্ত এলাকায় ছুটে যাচ্ছেন। রাতারাতি পর্যটকদের মূল আকর্ষণ হয়ে উঠেছে এই শ্বেত পলাশ (Palash Flower)। পুরুলিয়ার হুড়ায় এই গাছের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। তবে, শুধু হুড়া নয়, বীরভূমের ময়ূরেশ্বরের পাহানা গ্রামে এবং নদীয়ার তেহট্ট এই গাছের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।

    শ্বেত পলাশ গাছ বাড়িতে থাকলে কত টাকার আপনি মালিক জানেন? Palash Flower

    আর পাঁচটা গাছের মতোই পুরুলিয়ার হুড়ার মালি স্বপন মাহাত শ্বেত পলাশ গাছের (Palash Flower) পরিচর্চা করতেন। ভাগলপুরের এক যুবক এই গ্রামে এসে বিভিন্ন গাছের ছাল, আঠা সংগ্রহ করতেন। এই সব দিয়ে তিনি আয়ুর্বেদিক ওষুধ তৈরি করতেন। তাঁর নজরে পড়ে যায় এই গাছ। সকলের আড়ালেই এই গাছের ছাল, আঠা সংগ্রহ করে তিনি নিয়ে যান। পরে, ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি বিরল এই শ্বেত পলাশের (Palash Flower) মাহাত্ম্যের কথা বলেন। একজন-দুজন হতে কথাটি পাঁচ কান হয়ে যায়। খবর যায় জেলা উদ্যান পালন দপ্তরে। সেখান থেকে আধিকারিকরা এসে গাছটি পর্যবেক্ষণ করেন। উদ্যান পালন দপ্তরের পক্ষ থেকে সন্ধান চালিয়ে তেহট্ট এবং ময়ূরেশ্বরের হদিশ পাওয়া যায়।  কলকাতার অনেকের কাছেই এই খবর পৌঁছাই। তাঁরা ছুটে এসেছেন হুড়ায়। এক বছরের জন্যেই শ্বেত পলাশ গাছ লিজ নেওয়ার জন্য ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত দর উঠেছে। গাছের মালিক স্বপনবাবু গাছের এই দাম শুনেই হতবাক। তিনি এখনও লিজে দিতে রাজি হননি। তাঁর ধারণা, এই গাছের মূল্য আরও অনেক বেশি। তাই, এখনই এই গাছকে তিনি কারও কাছে হাতছাড়া করতে নারাজ। প্রশাসনের এক কর্তা বলেন, একটি গাছের জন্য ২০ লক্ষ টাকা লিজে নিতে চাইছেন। এরকম গাছ বাড়িতে পাঁচটি থাকলে তো কোটিপতি।

    পুরুলিয়া জেলার উপ উদ্যান পালন অধিকর্তা সমরেন্দ্রনাথ খাঁড়া বলেন, এই গাছের ফুল, ছাল, আঠা অত্যন্ত ঔষধি গুণসম্পন্ন। ক্যান্সার প্রতিরোধক, বন্ধ্যাত্ম দূরীকরণসহ একাধিক কাজে ব্যবহার করা হয়। এখনও পর্যন্ত হাতে গোনা কয়েকটি জায়গায় আমরা এই গাছের সন্ধান পেয়েছি।  এই গাছটিকে নিয়ে আমাদের পরীক্ষা নিরীক্ষা চলছে। গাছটি সংরক্ষণ এবং সংখ্যায় আরও বেশি পরিমাণে বাড়ানোর জন্য রাজ্য দপ্তরে আমরা চিঠি দিয়েছি। আর জানতে পেরেছি, ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই গাছটিকে রক্ষা করার জন্য সমস্ত রকম উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purulia: ‘গাছ পাগল’ দুখু মাঝির অতি কষ্টের জীবনে সুখ এনে দিল পদ্মশ্রী সম্মান

    Purulia: ‘গাছ পাগল’ দুখু মাঝির অতি কষ্টের জীবনে সুখ এনে দিল পদ্মশ্রী সম্মান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘গাছ পাগল’ দুখু মাঝির অতি কষ্টের জীবনে সুখ এনে দিল পদ্মশ্রী সম্মান। গত ১০ থেকে ১২ বছরে পাঁচ হাজারের বেশি গাছ লাগিয়েছেন। এখনও সেই কাজ করে চলেছেন তিনি। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত গাছ লাগাবেন, এমনটাই ইচ্ছে। এলাকায় তিনি ‘গাছ দাদু’ নামে পরিচিত। পুরুলিয়ার (Purulia) এই গাছপ্রেমীকে ভারত সরকার পদ্মশ্রী পুরস্কার দিতে চলেছে বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এই খবরে এলাকায় খুশির আবহ।

    সিন্ডরি গ্রামে সাজো সাজো রব (Purulia)

    পুরুলিয়ার (Purulia) সিন্ডরি গ্রামের বাসিন্দা দুখু মাঝি। তাঁকে এতদিন সকলে গাছ পাগল বলতেন। এখন তাঁর পদ্মশ্রী সাম্মনে মাতোয়ারা গোটা গ্রাম। এজন্য গোটা গ্রামে সাজো সাজো রব। নিজের খাওয়া-দাওয়া বাদ দিয়ে কেবল গাছই লাগান তিনি। নিজের ছেলেমেয়েকে অনেক কষ্ট করে বড় করে তুলেছেন তাঁর স্ত্রী। বাড়িতে একমাত্র আয়ের উৎস হল চাষবাস। তাঁর গাছ লাগানোর প্রচেষ্টার মধ্যে যে দেশের বড় সম্মান লুকিয়ে ছিল, তা আজ সকলে বুঝতে পারছেন।

    কী বলেন দুখু মাঝি?

    ভারত সরকারের পদ্মশ্রী সম্মানের কথা শুনে দুখু মাঝি (Purulia) বলেন, “আমার খুব ভালো লাগছে। জীবনে কখনও ভাবিনি এই ভাবে আমাকে সম্মাননা দেওয়া হবে। তবে গাছ লাগানো আমার একটা বড় নেশা। পুরস্কার আমার আশার বাইরে ছিল। গত ১০-১২ বছর ধরে আমি গাছ লাগিয়ে চলেছি। এক সাহেব বলেছিলেন, একদিন দেশে অক্সিজেনের অভাব হবে। এই কথা ভীষণ ভাবে আমার অন্তরকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। পুরুলিয়ায় অনেক গাছ আমি লাগিয়েছি। আরও গাছ লাগাবো।”

    গাছ লাগানোর অনুপ্রেরণা

    সূত্রে জানা গিয়েছে, ‘গাছ লাগাও প্রাণ বাঁচাও’ এই কথার অর্থ বুঝতে খুব একটা দেরি হয়নি দুখুবাবুর। মাত্র ১২ বছর বয়স থেকে গাছ লাগাতে শুরু করেন এবং আজ ৭৮ বছরেরও থেমে নেই তিনি। সাইকেল নিয়ে ঘোরাঘুরি করেন। ফাঁকা জায়গা দেখলেই গাছ বসিয়ে দেন। একটা সময় লাক্ষা চাষের জন্য কুসুম, কুল গাছ লাগিয়েছেন। এছাড়াও বট, আম, জাম, পলাশ, কাঁঠাল, কৃষ্ণচূড়া সহ প্রছুর গাছ লাগিয়েছেন। গাছ লাগিয়ে কেবল ছেড়ে দিতেন না। সেই সঙ্গে  গাছের পরিচর্যাও করতেন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: রাজ্য সড়কের ধারে বেআইনিভাবে যথেচ্ছ গাছ কাটার অভিযোগ, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    TMC: রাজ্য সড়কের ধারে বেআইনিভাবে যথেচ্ছ গাছ কাটার অভিযোগ, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্ত্রী গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের (TMC) প্রধান। স্বামী এলাকার বেতাজ বাদশা। তাঁর বিরুদ্ধে কথা বলার কারও সাহস নেই। তাই, আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাজ্য সড়কের ধারে বেআইনিভাবে একের পর এক সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ার চোঁয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের শাসক দলের প্রধানের স্বামী ও স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীর বিরুদ্ধে এই গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    হরিহরপাড়ার আমতলা রাজ্য সড়কের ধারে লাইন দিয়ে বড় বড় প্রচুর গাছ ছিল। গত কয়েকদিন ধরেই রাস্তার ধারে সেই গাছ কাটা চলছিল। রীতিমতো শ্রমিক লাগিয়ে এই গাছ কাটা হচ্ছিল। তৃণমূলের (TMC) পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী দাঁড়িয়ে এই কাজ করায় কেউ গাছ কাটার প্রতিবাদ করার সাহস দেখাননি। ফলে, গত কয়েকদিনে ১৪ থেকে ১৫ টি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এদিনও গাছ কাটা চলছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে অভিযোগ পেয়ে এদিন হরিহরপাড়ার বিডিও রাজা ভৌমিক সহ প্রশাসনের কর্তারা গজনীপুরে যান। তিনি গাছ কাটার কাজ বন্ধ করে দেন। শ্রমিকদের বক্তব্য, বন দফতরের অনুমতি নেওয়া হয়েছে কি না জানি না। তবে, প্রধানের নির্দেশে আমরা গাছ কাটতে এসেছিলাম। যদিও এই ঘটনার পর অভিযোগ খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন ব্লক প্রশাসনের কর্তারা।

    গাছ কাটা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    প্রাক্তন বিধায়ক তথা সিপিএম নেতা ইনসার আলি বিশ্বাস বলেন, তৃণমূল (TMC) কোনও আইন মানে না। এই ঘটনা তার জ্বলন্ত প্রমাণ। যারা গাছ কেটেছে তাদের গ্রেফতার করতে হবে। প্রধান বা প্রধানের স্বামী বলে কেউ যেন ছাড়া না পায়। প্রয়োজনে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামব। ব্লক কংগ্রেসের সভাপতি জাহাঙ্গির শা বলেন, তৃণমূল মানে একটি চোরের দল। বিধায়ক গোটা বিধানসভার সব গাছ কেটে সাফ করে দিচ্ছে। আর এই প্রধান তার নিজের এলাকার সব গাছ কেটে ফেলছে। আমরা এই ঘটনার কঠোরতম শাস্তি চাই। তৃণমূলের (TMC) ব্লক সভাপতি হাতাদউদ্দিন শেখ বলেন, এই ধরনের ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। দল এসব বেআইনি কাজে পাশে নেই। আইন মেনে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে আমি আবেদন জানাব। দলের পঞ্চায়েত প্রধান বলে ছেড়ে দেওয়া হবে না।

    কী বললেন অভিযুক্ত প্রধানের স্বামী?

    তৃণমূলের (TMC) পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী রাকিবুল হক বলেন, কয়েকদিন আগে ঝড়ে ডাল ভেঙে পড়ায় রাস্তায় ব্যাপক যানজট তৈরি হয়েছিল। তাই, বিডিওর কাছে আবেদনপত্র জমা দিয়ে আমরা গাছ কাটার কাজ শুরু করেছি। মূলত রাস্তার ধারে কয়েকটি গাছ কেটেছি। বড় গাছ কাটা হয়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share