Tag: tribal society

tribal society

  • Swami Avdheshanand Giri: ‘‘সনাতন ধর্মের অবিচ্ছেদ্য অংশ জনজাতি সমাজ’’, মত অবধেশানন্দ গিরির

    Swami Avdheshanand Giri: ‘‘সনাতন ধর্মের অবিচ্ছেদ্য অংশ জনজাতি সমাজ’’, মত অবধেশানন্দ গিরির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বামী অবধেশানন্দ গিরি মহারাজ (Swami Avdheshanand Giri) মহাকুম্ভের এক ধর্মীয় সভায় বক্তব্য রাখেন এদিন এবং সেখানেই তিনি জনজাতি সমাজকে সনাতন ধর্মের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বর্ণনা করেন। প্রসঙ্গত, অখিল ভারতীয় বনবাসী কল্যাণ আশ্রমের তরফ থেকে প্রয়াগরাজে যুব কুম্ভের আয়োজন করা হয়েছিল এবং সেখানে স্বামী অবধেশানন্দ গিরি মহারাজ (Swami Avdheshanand Giri) বলেন, ‘‘জনজাতি সমাজের সঙ্গে সম্প্রীতি ছাড়া মহাকুম্ভ কখনও সম্পূর্ণতা পেতে পারে না।’’ তিনি বলেন, ‘‘যেভাবে জনজাতি সমাজের ভাই ও বোনেরা মহাকুম্ভে এসেছেন নিজেদের রীতি, প্রথা, সংস্কৃতি- এই সমস্তকে সঙ্গে নিয়ে, তা প্রশংসনীয়। সমস্ত সন্তের উচিত বনে যাওয়া উচিত এবং সেখানকার পরিবেশ দেখা। সেখানকার সরল সাধারণ বনবাসীদের জীবনকে উপলব্ধি করা।’’ স্বামী অবধেশানন্দ গিরি মহারাজ আরও (Swami Avdheshanand Giri) বলেন, ‘‘যে সমস্ত সন্ন্যাসীরা যাঁরা একনও বুঝে উঠতে পারেন নি আরণ্যক সংস্কৃতি, তাঁদেরকে একবার বনে যেতে হবে।’’

    কারা হাজির ছিলেন?

    প্রসঙ্গত, এই অনুষ্ঠানে (Sanatan Dharma) হাজির ছিলেন মহামণ্ডলেশ্বর স্বামী রঘুনাথ বাপ্পাজি মহারাজ, কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রমন্ত্রী দুর্গাদাস উইকি, বনবাসী কল্যাণ আশ্রমে জাতীয় সভাপতি সত্যেন্দ্র সিং, প্রাক্তন ন্যাশনাল কমিশন ফর সিডিউল ট্রাইপসের সভাপতি হর্ষ চৌহান সমেত অন্যান্যরা। নিজের বক্তব্যে হর্ষ চৌহান বলেন, ‘‘মহাকুম্ভ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই অনুষ্ঠান এক কথায় আরণ্যক সংস্কৃতির প্রতিফলন করে।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    অন্যদিকে রঘুনাথ বাপ্পাও জনজাতি সমাজকে সনাতন ধর্মের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন,‘‘জনজাতি সমাজ হল সনাতন ধর্মের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং কোনওভাবেই একে সনাতন ধর্ম থেকে পৃথক করা যাবে না।’’ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দুর্গাদাস উইকি বলেন, ‘‘কিছু সমাজবিরোধী শক্তি সর্বদাই লেগে রয়েছে যে কিভাবে জনজাতি সমাজকে ছোট করা যায়, যুব সমাজকে এর বিরুদ্ধে এগিয়ে আসতে হবে।’’ প্রসঙ্গত, দেশের প্রতিটি প্রান্ত থেকে যুবকুম্ভে হাজির হয়েছিলেন অসংখ্য জনজাতি সমাজের প্রতিনিধি। প্রতিনিধিরা এই যুবকুম্ভে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

  • Raniganj: রানিগঞ্জের খনি অঞ্চলে জমিতে ধস, আদিবাসী সমাজের বিক্ষোভে বন্ধ কাজ

    Raniganj: রানিগঞ্জের খনি অঞ্চলে জমিতে ধস, আদিবাসী সমাজের বিক্ষোভে বন্ধ কাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহুদিন ধরেই খনি অঞ্চলে খননের ফলে ধস নামছে। আশপাশের মাটি নিচের ফাঁকা স্থানে ঢুকে যাচ্ছে। চাষের জমিতে জল দাঁড়াচ্ছে না। জলের স্তর নেমে দেখা দিয়েছে তীব্র জলসঙ্কট। রানিগঞ্জের (Raniganj) ইসিএল সাতগ্রাম অঞ্চলের নিমচা খনির আশপাশে এমনই ঘটনা ঘটছে বলে আদিবাসী বাসিন্দাদের দাবি। আদিবাসী সমাজ তাই সমস্যার প্রতিকার না পেয়ে রাস্তায় নেমেছে।

    এলাকার মানুষ বিক্ষুব্ধ কেন?

    রানিগঞ্জের (Raniganj) কয়লাখনিকে ঘিরে আদিবাসী স্থানীয় মানুষের জনজীবন বিপর্যস্ত। গত বছর বিশেষ অভিযোগ জেলাশাসকের কাছে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। আদিবাসী বিক্ষোভের জেরে খনি অঞ্চলের উৎপাদন বন্ধ সকাল থেকেই। আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত মানুষের দাবি, আদিবাসী সমাজকে উচ্ছেদ করে খনি অঞ্চল বা শিল্প গড়া যাবে না। খননের জন্য জলের স্তর অনেক নিচে নেমে যাচ্ছে। স্থানীয় এক আদিবাসী মহিলা রানী মুর্মু অভিযোগ করেন, এলাকায় পুকুরের জলস্তর স্বাভাবিক নেই, কলে জল নেই। দৈনন্দিন জীবনে জলাভাব একটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঘরগুলিতে ফাটল বড় আকার ধারণ করছে। যে কোনও সময় ভেঙে দুর্ঘটনা ঘটতেই পারে। ইসিএল কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ জানালেও কোনও জবাব পায়নি বলে দাবি করেছে এলাকার মানুষ। আর তাই আন্দোলন। আদিবাসী সামজের মানুষ প্রকৃতিপ্রেমী। তাই খনি আর শিল্পের নামে মানুষকে প্রকৃতি থেকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না। কেন তাঁদের উচ্ছেদ করা হবে? প্রশ্ন তুলে বিক্ষোভে সামিল তারা।

    আদিবাসী সমাজের দাবি

    এলাকার (Raniganj) আন্দোলনকারী গোবিন্দ সরেন বলেন, খনির কারণে এলাকা বসবাসের অযোগ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। অবিলম্বে এই খনি-শিল্পকে বন্ধ করতে হবে। আরও দাবি, তাঁদেরকে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। ধসজনিত কারণে ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক বাড়ির নাম নিয়ে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার পিছু চাকরির ব্যবস্থা করতে হবে। তিনি আরও বলেন, দাবি না মানলে আমরা এখান থেকে অবস্থান সরাবো না। পাশের এলাকা ছোপড়া থেকে এসে আন্দোলন করছি আমারা। এরপর আরও নানা বড় সামাজিক সংগঠনকে এই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত করব। ক্রমশ বৃহৎ আন্দোলন করব। এদিন প্রতিবাদে লম্বা লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় খনি অঞ্চলের ডাম্পারগুলোকে।

    কর্তৃপক্ষ এবং প্রশাসনের ভূমিকা

    ইসিএল খনি অঞ্চলের (Raniganj) দায়িত্বপ্রাপ্ত এক আধিকারিক বলেন, যে যে পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের বিস্তৃত বিবরণ দিয়ে আমদের কাছে আবেদন করলে আমরা আলোচনা করে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করব। আদিবাসী সমাজের পাশে আমরা সবসময় আছি। ঘটনাস্থলে ইসিএলের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রবাহিনী ও নিমচা ফাঁড়ির পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। এখন আদিবাসী সমাজের দাবি পূরণে প্রশাসন কী ব্যবস্থা নেয়, তাই দেখার।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share