Tag: trinamool clash

trinamool clash

  • Arjun Singh: সোমনাথ-অর্জুন দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে! একে অপরের বিরুদ্ধে কী বললেন জানেন?

    Arjun Singh: সোমনাথ-অর্জুন দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে! একে অপরের বিরুদ্ধে কী বললেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জগদ্দলের তৃণমূল বিধায়ক সোমনাথ শ্যামের সঙ্গে সাংসদ অর্জুন সিংয়ের (Arjun Singh) লড়াই একেবারে প্রকাশ্যে চলে এল। এতদিন দাপুটে দুই নেতার মধ্যে ঠান্ডা লড়াই চলছিল। এখন তা সামনে চলে এল। রবিবার সন্ধ্যায় অর্জুন সিং ভাটপাড়ায় দলীয়  সভায় যোগ দিতে গিয়ে সোমনাথ শ্যামের নাম না করে পোলট্রি মোরগ বলে কটাক্ষ করেন।

    তৃণমূল কর্মী খুনে জড়িত সাংসদ বা তাঁর পরিবারের কেউ, সরব বিধায়ক

    এর আগে ভাটপাড়ায় তৃণমূল কর্মীকে খুনের ঘটনায় সাংসদ অর্জুন সিংকে নিশানা করেছিলেন জগদ্দলের তৃণমূল বিধায়ক। পাশাপাশি, পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি। যা নিয়ে ফের চর্চায় এসেছে শাসকদলের গোষ্ঠী কোন্দলের বিষয়টি। ফলে অস্বস্তি বেড়েছে তৃণমূলের অন্দরে। গত ২১ নভেম্বর ভাটপাড়া পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে পুরানি তালাও সংলগ্ন এলাকায় তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদবকে বাড়ির সামনে গুলি করে খুন করা হয়। তিন দিনের মধ্যে দু’জনকে গ্রেফতারও করে পুলিশ। যদিও ভিন রাজ্যের ভাড়াটে খুনিরা এখনও অধরা। তাদের ধরতে ইতিমধ্যেই ব্যারাকপুর কমিশনারেটের গোয়েন্দা বিভাগকে তদন্তভার দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে জগদ্দলের তৃণমূল বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম বলেন, তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদবকে খুনের ঘটনায় দেখা গিয়েছে, মেঘনা জুটমিলের পুরাতন লাইন থেকে বেরিয়ে খুনিরা খুন করে আবার সেখানে ঢুকে যায়। এই কারণেই আমি বলেছি, কোথাও না কোথাও সাংসদ বা তাঁর পরিবারের কেউ জড়িত। পরিবারের সেই যুক্ত লোকের নাম পাপ্পু সিং। কেউ প্রভাব খাটাচ্ছে। তাই হয়তো পুলিশ পিছিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু আমার মনে হয়, পুলিশ এ বার পিছোবে না, কারণ পুলিশের কাছে গ্রেফতার করার জন্য যথেষ্ট তথ্য আছে। যে খুন করেছে, তাঁকে জেল খাটতেই হবে।

    সোমনাথকে নিয়ে কী বললেন অর্জুন? (Arjun Singh)

    সোমনাথ শ্যামের সেই বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন অর্জুন সিং (Arjun Singh)। তিনি বলেন, আমার ভাইপো আমার সঙ্গে রয়েছে, তারজন্য সে খুনি। আর আমার ভাইপো তাঁর সঙ্গে রয়েছে সে ভাল। আর ভিকি যাদবকে খুন করার পর খুনিরা মেঘনা জুটমিলে ঢুকছিল সেটা তিনি দেখেছেন। তিনি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। পুলিশমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি মুখ্যমন্ত্রীতে কার্যত চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, এক সময় আমরা হাতে গোনা কয়েকজন দল করতাম। দুদিন আগে দল করে আমার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন করছে। আমার সামনে দাঁড়ানোর কোনও যোগ্যতা তাঁর নেই। দলীয় ঝান্ডা ছেড়ে বেরিয়ে এসে একটা কথা বলে দেখুক জনগন এমন হাল করবে যে তিনি তখন বুঝতে পারবেন।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    বিজেপি রাজ্য মহিলা মোর্চার সভানেত্রী ফাল্গুনী পাত্র বলেন, আমরা প্রথম থেকেই বলেছি রাজ্যের পুলিশ নিষ্ক্রিয়, তৃণমূল নিজেরাই নিজেদের খুন করেছে। আমাদের এই কথাটাই তৃণমূল বিধায়ক বলে দিলেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Raiganj: তৃণমূলের পুরসভার বিরুদ্ধে আন্দোলন দলেরই শ্রমিক সংগঠনের, কোন্দল প্রকাশ্যে

    Raiganj: তৃণমূলের পুরসভার বিরুদ্ধে আন্দোলন দলেরই শ্রমিক সংগঠনের, কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল পরিচালিত পুরসভার বিরুদ্ধে সাধারণত বিরোধী সংগঠনের পক্ষ থেকে আন্দোলন করা হয়। এবার সেই পুরসভার বিরুদ্ধে অবস্থান বিক্ষোভ খোদ তৃণমূল পরিচালিত কর্মচারী সংগঠনের। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ (Raiganj) পুরসভায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Raiganj)

    বৃহস্পতিবার বকেয়া বেতন প্রদান, অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের বকেয়া পেনশন সহ একাধিক দাবিতে কর্মবিরতির পাশাপাশি অবস্থান-বিক্ষোভে সামিল হন তৃণমূল পরিচালিত পুর কর্মচারী সংগঠনের নেতৃত্বে পুর কর্মচারীরা। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে বকেয়া টাকা না মেটালে তাঁরা আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামবে। এই আন্দোলনের জেরে ব্যাহত হয়েছে পৌর পরিষেবা। সাধারণ মানুষ বিভিন্ন কাজে পুরসভায় গিয়ে ঘুরে আসতে হচ্ছে।  তৃণমূল শ্রমিক সংগঠন পরিচালিত পশ্চিমবঙ্গ পৌরকর্মচারী ফেডারেশনের রায়গঞ্জ ইউনিটের সাধারণ সম্পাদক শম্ভু ঘোষ বলেন,  মূলত চার দফা দাবিতে এই আন্দোলনে শামিল হয়েছে।  অস্থায়ী পুর কর্মীদের দু মাসের বকেয়া বেতন, অবসরপ্রাপ্ত পুর কর্মচারীদের তিন মাসের বকেয়া পেনশন, পুর (Raiganj) প্রশাসকের কথামতো বাকি অর্ধেক বোনাস প্রদান ও পুর কর্মচারীদের বকেয়া গ্রাচুইটির টাকার দাবিতে আমরা এই কর্ম বিরতি ও অবস্থান-বিক্ষোভ আন্দোলনে করছি। অতি দ্রুত এই বকেয়া টাকা না মেটানো হলে আমরা এই আন্দোলন চালিয়ে যাব।

    তৃণমূল কর্মচারীদের এই আন্দোলনকে সমর্থন করেছে কংগ্রেস

    তৃণমূল কর্মচারীদের এই আন্দোলনকে সমর্থন করেছে কংগ্রেস পরিচালিত শ্রমিক কর্মচারী সংগঠন আইএনটিইউসি। উত্তর দিনাজপুর জেলার কংগ্রেস পরিচালিত শ্রমিক কর্মচারী সংগঠনের  সম্পাদক অসীম কুমার ভৌমিক বলেন, তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পরে রাজ্যটাকে যেভাবে শেষ করে দিয়েছে, তেমনি রায়গঞ্জ (Raiganj) পুরসভা যখন থেকে তৃণমূলের দখলে গেছে তবে থেকে এই পুরসভার মান তলানিতে এসে ঠেকেছে। আমরা কর্মচারীদের স্বার্থে কাজ করি। তাই কর্মচারীদের এই দাবিকে সমর্থন করে এই আন্দোলনের পাশে আমরা আছি।

    রায়গঞ্জ (Raiganj) পুরসভার পুর প্রশাসক কী বললেন?

    এ ঘটনায় রায়গঞ্জ পুরসভার পুর প্রশাসক সন্দীপ বিশ্বাস বলেন, এটা কোনও কোন্দল নয়। দাবিদাওয়ার বিষয়টি আমাদের কাছে জানিয়েছে। কর্মীদের স্বার্থে তাঁরা আন্দোলন করছে। খুব শীঘ্রই এই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Memari: দলেরই আদিবাসী নেত্রীকে জাত তুলে অপমান তৃণমূল নেতার! থানার সামনে ধুন্ধুমার

    Memari: দলেরই আদিবাসী নেত্রীকে জাত তুলে অপমান তৃণমূল নেতার! থানার সামনে ধুন্ধুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েক মাস আগেই বোর্ড গঠন হয়েছে। এরই মধ্যে ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতির বিরুদ্ধে হেনস্থা, জাতিগত বৈষম্য সহ একাধিক অভিযোগ করলেন দলেরই মেমারি ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ময়না হালদার টুডু। এমনকী, মেমারি (Memari) থানার সামনে তৃণমূল কর্মীরা একে অপরকে প্রকাশ্যে হুঙ্কার দিতে থাকেন। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি ২ পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি গফ্ফর মল্লিক, পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সদস্য তথা সহ সভাপতির স্ত্রী ডালিয়া খাতুন, তৃণমূল কর্মী শেখ রহিম, জ্যোর্তিময় মণ্ডলের নামে মেমারি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Memari)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব বর্ধমানের মেমারির (Memari) কুচুট পঞ্চায়েত প্রধান মদনমোহন দাস তাঁর ঘরে এলাকার সদস্যদের নিয়ে কথা বলছিলেন। সেই সময় সভাপতি ময়না হালদার টুডু তাঁর অনুগামীদের নিয়ে পঞ্চায়েত প্রধানের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছিলেন। সেখানে দু’পক্ষের মধ্যে বচসা হয়। তারপর সভাপতি পঞ্চায়েত সমিতির অফিসে ফিরে আসেন। বিকেলে মেমারি ২ পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি গফফর মল্লিক তাঁর অনুগামীদের নিয়ে পঞ্চায়েত সমিতির অফিসে এলে দু’পক্ষের মধ্যে শুরু হয় বচসা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মেমারি থানার পুলিশ।

    মেমারি ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কী বললেন?

    এ-বিষয়ে মেমারি (Memari) ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ময়না হালদার টুডু বলেন, ‘আমি সভাপতি পদে বসার পর থেকেই জাতিগত বৈষম্যের শিকার হতে হয়। আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা, জাতপাত তুলে কটূক্তি করা হয়। এদিনের ঘটনা তারই বহিঃপ্রকাশ। শুধু তাই নয়, মন্তেশ্বর বিধানসভার বিধায়ক সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী-সহ শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নির্দেশে সহ-সভাপতি গফ্ফর মল্লিক ঠিকাদারদের কাজের কাগজপত্রে স্বাক্ষর করার জন্য প্রভাব খাটায়।’

    মেমারি ২ পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি কী বললেন?

    পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি গফ্ফর মল্লিক বলেন, এ-ধরনের কোনও ঘটনাই ঘটেনি। এটি মিথ্যে অভিযোগ। যদি কোনও ঘটনা ঘটে থাকে, পুলিশ তদন্ত করবে। জাতিগত বিদ্বেষ সংক্রান্ত অভিযোগের প্রশ্নে তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শে আমি এবং আমার অনুগামীরা দীক্ষিত। সব জাতিকে শ্রদ্ধা, সম্মান করা দলের কাজ। জাতিগত বৈষম্য বিজেপি-সিপিএম করে, আমরা নই।  

    আদিবাসী সমাজের কর্তারা কী বললেন?

    আদিবাসী সমাজের পক্ষ থেকে অশোক হেমব্রম বলেন, মহিলা সভাপতির প্রতি এই দুর্ব্যবহার, কটূক্তি, জঙ্গলমহল তুলে কথাবার্তার বিচার যদি না হয়, তাহলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবো।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Trinamool Clash: মালদায় জেলা সভাপতির অপসারণের দাবিতে আন্দোলনে তৃণমূল কর্মীরা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    Trinamool Clash: মালদায় জেলা সভাপতির অপসারণের দাবিতে আন্দোলনে তৃণমূল কর্মীরা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেলা পরিষদের পদ বণ্টন নিয়ে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব (Trinamool Clash) প্রকাশ্যে চলে এল মালদায়। জেলা পরিষদের স্থায়ী সমিতি গঠন নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিল দলের অন্দরেই। গোটা ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে তৃণমূল জেলা কংগ্রেস সভাপতি তথা বিধায়ক রহিম বক্সির বিরুদ্ধে। প্রকাশ্যে রাস্তায় নেমে তাঁর অপসারণ চেয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন দলেরই কর্মীদের একাংশ।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Trinamool Clash)

    দলের একাংশের অভিযোগ, অভিজ্ঞ এবং জনপ্রিয় সদস্যদের বাদ দিয়ে পরিচিত এবং নবীন সদস্যদের নিয়ে গঠন করা হয়েছে জেলা পরিষদের স্থায়ী সমিতি। মোটা টাকার বিনিময়ে স্থায়ী সমিতির সদস্যদের নিয়োগ করা হয়েছে বলে অভিযোগ বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীর (Trinamool Clash)। এমনকী মালদা জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি নিজের ছেলেকে অস্থায়ী সমিতির সদস্য করেছেন বলেও অভিযোগ। ঘটনায় জেরে জেলার বিভিন্ন ব্লকের জেলা পরিষদের বিক্ষুব্ধ সদস্যরা জেলা সভাপতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। সবচেয়ে বেশি বিক্ষোভ দেখান হরিশ্চন্দ্রপুরের তৃণমূল নেতা, কর্মী ও সমর্থকরা। রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে ও পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার মালদা জেলা পরিষদের স্থায়ী সমিতি গঠনের প্রক্রিয়া চলছিল। সেই সময়ই জেলা সভাপতি রহিম বক্সিকে ঘিরে ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিক্ষুব্ধ সদস্যরা। তাঁদের অনেকেরই অভিযোগ ছিল স্বজনপোষণ ও মোটা টাকার বিনিময়ে পদ বিলিয়েছেন জেলা সভাপতি। দলের অন্দরে সেই ক্ষোভের কথা স্বীকারও করে নেন জেলা সভাপতি।

    কী বললেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি?

    তৃণমূলের জেলা সভাপতি রহিম বক্সি বলেন, জেলা পরিষদের স্থায়ী সমিতি গঠনের জন্য রাজ্য থেকে যে তালিকা পাঠানো হয়েছে, সেই অনুযায়ী কাজ করা হয়েছে। কোনও নির্দেশ অমান্য করা হয়নি। যাঁরা  বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন, তাঁরা দলের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করছেন। এসব করার কোনও মানে হয় না।

    বিক্ষোভকারীদের কী বক্তব্য?

    বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, জেলা পরিষদের স্থায়ী সমিতি ও কর্মাধ্যক্ষ পদের জন্য জেলার প্রথম সারির নেতাদের না রেখে জেলা সভাপতি সদ্য রাজনীতিতে পা রাখা নিজের ছেলেকে কর্মাধ্যক্ষ করেছেন। পাশাপাশি মোটা টাকার বিনিময়ে পদ বিক্রি করা হয়েছে। এমনকী প্রতিমন্ত্রী তাজমুল হোসেনের বিধানসভা কেন্দ্র হরিশ্চন্দ্রপুর থেকে কাউকেই কর্মাধ্যক্ষ করা হয়নি। গোটা ঘটনায় তৃণমূলের জেলা সভাপতি রহিম বক্সির অপসারণের দাবি জোরালো হয়। এই ঘটনায় দলের কোন্দল (Trinamool Clash) প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share