Tag: Trinamool Congress split

  • Rebel TMC MPs: তৃণমূলে বড় ভাঙনের ইঙ্গিত! ১৯ সাংসদের সমর্থন নিয়ে সোমে স্পিকারের দোরে যাওয়ার পরিকল্পনা ‘বিদ্রোহী’ শিবিরের

    Rebel TMC MPs: তৃণমূলে বড় ভাঙনের ইঙ্গিত! ১৯ সাংসদের সমর্থন নিয়ে সোমে স্পিকারের দোরে যাওয়ার পরিকল্পনা ‘বিদ্রোহী’ শিবিরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও প্রবল হল তৃণমূল কংগ্রেসে (Rebel TMC MPs) বড়সড় ভাঙনের জল্পনা। দলের ২৮ লোকসভা সাংসদের মধ্যে ১৯ জনের সমর্থন পাওয়ার দাবি করে বিদ্রোহী শিবির জানিয়েছে, তারা সোমবারই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার (Om Birla) সঙ্গে দেখা করে নিজেদের আলাদা গোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি চাইবে। তারা নিজেদের ‘আসল তৃণমূল কংগ্রেস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আবেদনও জানাবে।

    বিদ্রোহীদের বক্তব্য (Rebel TMC MPs)

    বিদ্রোহী সাংসদদের অন্যতম জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়ার দাবি, তাঁদের গোষ্ঠী কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে লোকসভায় নেতা এবং শতাব্দী রায়কে উপনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানাবে। তাঁর বক্তব্য, রবিবার দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে বিদ্রোহী সাংসদদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বসুনিয়ার দাবি, এখনও পর্যন্ত ১৯ জন সাংসদ তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন এবং আরও কেউ যোগ দিতে চাইলে, দরজা খোলা রয়েছে। তাঁদের লক্ষ্য, এনডিএর অংশ হয়ে সংসদে শাসক জোটের পাশে বসা এবং উন্নয়নের স্বার্থে কেন্দ্রের পাশে থাকা নিশ্চিত করা।

    অভিষেকের জন্যই দল গাড্ডায়!

    তাঁর অভিযোগ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের অভ্যন্তরে অসন্তোষ বাড়তে থাকে। বসুনিয়ার কথায়, “আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সব কিছু ঠিকঠাক চলছিল। পরে দল কর্পোরেট সংস্থার মতো পরিচালিত হতে শুরু করে এবং নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়।” এই কারণেই বহু নেতা ও সাংসদ ক্ষুব্ধ বলেও দাবি (Rebel TMC MPs) তাঁর। তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে এবং কেন্দ্রে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার রয়েছে। ফলে নিজেদের লোকসভা কেন্দ্রের উন্নয়নের জন্য কেন্দ্রের সহযোগিতা পাওয়া জরুরি বলেই তাঁরা এনডিএর পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বসুনিয়া এও (Om Birla) জানান, প্রথমে স্পিকারের কাছে আলাদা ব্লক হিসেবে স্বীকৃতি চাওয়া হবে। এরপর প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশনের কাছেও ‘আসল তৃণমূল’ হিসেবে স্বীকৃতির দাবি জানানো হবে (Rebel TMC MPs)।

    বিদ্রোহ চারিদিকে!

    এদিকে তৃণমূলের অন্দরে অস্বস্তি আরও বেড়েছে। প্রবীণ তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় শুক্রবার কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন। এর আগেই তিনি প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত নেতাদের মধ্যে একজনকে বেছে নিতে হবে। তৃণমূলের আর এক বর্ষীয়ান নেতা অনুব্রত মণ্ডলও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বের সমালোচনা করেছেন। ছাব্বিশের নির্বাচনে দলের ভরাডুবির জন্য রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাককেও দায়ী করেছেন (Om Birla) তিনি। উল্লেখ্য, বিদ্রোহী শিবিরের তরফে এসব দাবি করা হলেও (Rebel TMC MPs), শনিবার দুপুর পর্যন্তও এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি তৃণমূলের পক্ষ থেকে।

     

LinkedIn
Share