Tag: Trinamool Congress

Trinamool Congress

  • Malda: মালদায় জোর করে জমি দখল করে ইটভাটা! দাপট দেখাচ্ছেন তৃণমূল নেতা

    Malda: মালদায় জোর করে জমি দখল করে ইটভাটা! দাপট দেখাচ্ছেন তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী নবান্নে বসে জমি দখল করা যাবে না বলে বার্তা দিচ্ছেন। সেই নির্দেশকে অমান্য করেই তৃণমূলের লোকজনই জোর করে জমি দখল করছেন। ইটভাটা তৈরির নাম করেই গৃহস্থের জমি রীতিমতো দাদাগিরি করেই দখল করছে জমি মাফিয়ারা। আর তাতে প্রত্যক্ষ মদত রয়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতার। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মালদার (Malda) কালিয়াচকের ভবানীপুরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Malda)

    কালিয়াচক (Malda) থানার রাজনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের বালিয়াডাঙা এলাকায় বসবাস করেন প্রদীপ পোদ্দার,অমিত পোদ্দারের পরিবার। ২০২২ সালে ভবানীপুর এলাকায় ৩৫ কাটা জমি কেনেন তাঁরা। সেখানেই তাঁদের একটি কলকারখানা গড়ে তোলার পরিকল্পনা ছিল। কিছুদিন ধরেই পোদ্দার পরিবারের জমি জোর করে দখল করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজন জমি মাফিয়াদের বিরুদ্ধে। আর এই ঘটনায় তৃণমূল পরিচালিত রাজনগর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী তথা স্থানীয় তৃণমূল নেতা বরজাহা শেখের মদত রয়েছে। ইতিমধ্যেই তৃণমূল নেতাসহ মোট ছয়জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পাশাপাশি, জমির মালিক পোদ্দার পরিবারের সদস্যরা ভূমি রাজস্ব দফতর, কালিয়াচক থানা থেকে শুরু করে পুলিশ সুপার এবং জেলাশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। কিন্তু, পুলিশ ও ভূমি রাজস্ব দফতর কোনও সহযোগিতা না করায় অবশেষে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে গিয়ে অভিযোগ জানানোর হুমকি দিয়েছেন কালিয়াচকের পোদ্দার পরিবারের সদস্যরা। প্রদীপ পোদ্দার নামে পরিবারের এক সদস্য বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী বলছেন যে জমি দখল করা যাবে না। সেখানে তৃণমূলের লোকজনই আমাদের জমি জোর করে দখল করছেন। আমরা প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছি। কিন্তু, লাভ হচ্ছে না।”

    আরও পড়ুন: “এত সহজে সরানো যাবে না”, নামফলক সরাতেই শওকতকে বার্তা আরাবুলের

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    এদিকে দলের গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ সামনে আসতেই রীতিমতো অস্বস্তিতে পড়ে গিয়েছে জেল তৃণমূল   (Trinamool Congress) নেতৃত্ব। তৃণমূলের জেলার সহ-সভাপতি শুভময় বসু বলেন, “অভিযোগ প্রমাণিত হলে দল কোনও ভাবেই পাশে থাকবে না”। অভিযুক্ত তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা বরজাহা শেখ বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা ভিত্তিহীন।”  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি নিয়ে বাঁকুড়ায় তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর কাজিয়া প্রকাশ্যে

    Bankura: ২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি নিয়ে বাঁকুড়ায় তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর কাজিয়া প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি নিয়ে বাঁকুড়া  (Bankura) পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বনাম দলের ওন্দা ব্লক সভাপতির মধ্যে প্রকাশ্যে লড়াই শুরু হয়ে গিয়েছে। ব্লক সভাপতি এবং পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নিজেদের উদ্যোগে প্রস্তুতি সভা করেছেন। কিন্ত, কেউ অন্য গোষ্ঠীর নেতা-কর্মীদের ডাকেননি। আর এই ঘটনায় তৃণমূলের কোন্দল (TMC Conflict) একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Bankura)

    বাঁকুড়ার (Bankura) ওন্দা বিধানসভা একসময় ছিল তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিধানসভাটি তৃণমূলের হাতছাড়া হলেও ২০২৩-এর পঞ্চায়েত নির্বাচনে ওন্দা পঞ্চায়েত সমিতি তৃণমূলের দখলেই থাকে। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পদে বসেন ওন্দার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অরুপ খাঁ-র ভাইপো অভিরূপ খাঁ। তৃণমূলে একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিরূপ খাঁ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হতেই তৃণমূলের ব্লক সভাপতি উত্তম বিটের সঙ্গে শুরু হয় বিবাদ। ২১ জুলাইয়ের আগে যা একেবারে প্রকাশ্যে চলে আসে।  জানা গিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যায় ওন্দায় তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক ও নিজের অনুগামীদের নিয়ে ২১ শে জুলাইয়ের প্রস্তুতি সভা করেন ওন্দা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অভিরূপ খাঁ। এই ঘটনায় তৃণমূলের ব্লক সভাপতিদের ডাকা হয়নি।

    আরও পড়ুন: “এত সহজে সরানো যাবে না”, নামফলক সরাতেই শওকতকে বার্তা আরাবুলের

    ব্লক সভাপতির কী বক্তব্য?

    তৃণমূলের ব্লক সভাপতি উত্তম বিট বলেন, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি প্রস্তুতি সভা করেছেন কি না তা তাঁর জানা নেই। দলে কোনও কোন্দল (TMC Conflict) নেই। তবে, দলের ব্লক নেতৃত্বকে বাদ দিয়ে এভাবে দলীয় কর্মসূচি করার অধিকার অন্য কারও নেই। ওন্দার সাংগঠনিক কোনও পদে না থেকেও প্রাক্তন বিধায়ক সংগঠনে অযথা নাক গলানোর চেষ্টা করছেন। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ওন্দা ব্লকে তৃণমূলের সংগঠনকে শেষ করার চেষ্টা করছেন।

    পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি কী বললেন?

    পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অভিরূপ খাঁ বলেন, দলের ব্লক সভাপতি ২১ শে জুলাইয়ের যে প্রস্তুতি সভা করেছেন তাতে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সহ কর্মাধ্যক্ষদের কাউকে ডাকা হয়নি। তাই আলাদাভাবে আমাদের প্রস্তুতি বৈঠক করতে হয়েছে। ফলে, সভাপতির নীতি আমরা শুধু মেনে চলেছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: বারাকপুরে যুবককে রাস্তায় ফেলে লোহার রড দিয়ে হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী

    Barrackpore: বারাকপুরে যুবককে রাস্তায় ফেলে লোহার রড দিয়ে হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আড়িয়াদহে রাস্তায় ফেলে এক যুবককে গণপিটুনি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল নেতা জয়ন্ত সিংয়ের বিরুদ্ধে। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার বারাকপুরে (Barrackpore) এক যুবককে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে। জখম যুবক আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Barrackpore)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২ জুলাই রাতে বারাকপুরের (Barrackpore) সদর বাজার এলাকার যুবক রাতে বাড়ি ফিরছিলেন। বারাকপুর উড়ালপুরের কাছে বুড়িরবাজার এলাকায় তৃণমূল কর্মী সাদ্দামের নেতৃত্বের তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়। লোহার রড দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করা হয়। সাদ্দামের সঙ্গে থাকা তার অনুগামীরাও ওই যুবককে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক পেটান। জখম যুবকের পরিবারের লোকজন বলেন, রাতেই ছেলে বাড়ি ফিরে আসছে না দেখে খোঁজ খবর শুরু করি। কিন্তু, কোনওভাবেই আমরা তার হদিশ পাচ্ছিলাম না। পরে, এক পরিচিতের মাধ্যমে জানতে পারি, বুড়িবাজার এলাকায় সাদ্দামের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়েছে। বুড়িবাজার এলাকায় এসে দেখি ও রাস্তাতেই পড়ে রয়েছে। ওর মাথা দিয়ে গল গল করে রক্ত বের হচ্ছে। যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিল। আমরা সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে বিএন বসু হাসপাতালে ভর্তি করি। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে আরজি কর হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। কেন এভাবে হামলা চালালো তা বুঝতে পারছি না। আমরা পুলিশের কাছে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানাচ্ছি।

    আরও পড়ুন: “এত সহজে সরানো যাবে না”, নামফলক সরাতেই শওকতকে বার্তা আরাবুলের

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    বারাকপুর পুরসভার চেয়ারম্যান উত্তম দাস বলেন, এটা ঘটনাটি বারাকপুর পুরসভার মধ্যে হয়েছে। তবে, এই পুরসভা এলাকার কেউ নয়। কারণ, জখম যুবকের বাড়ি সদর বাজারে। আর সাদ্দাম তৃণমূল (Trinamool Congress) কর্মী হলেও তার বাড়ি সদর বাজার এলাকায়। এলাকাটি উত্তর বারাকপুর পুরসভার মধ্যে পড়ে। এই ঘটনার আমরা তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। হামলাকারীদের (Trinamool Congress) অবিলম্বে গ্রেফতার করার দাবি জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “এক মিনিটের নির্দেশ পেলেও সেটা বড় পাওনা”, কোর্টের রায় নিয়ে বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “এক মিনিটের নির্দেশ পেলেও সেটা বড় পাওনা”, কোর্টের রায় নিয়ে বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালতের কাছে আমার নীতিগত লড়াই ছিল, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রাজভবনের সামনে পাঁচ দিন বসে নাটক করলেও ১৪৪ ধারা থাকে না। রাজভবনে ধর্নায় এক মিনিটের অনুমতি দিলেও সেটা আমার কাছে বড় পাওনা ছিল। আদালত আমাকে চার ঘণ্টার নির্দেশ দিয়েছে, এটা বড় পাওনা। ১৪ তারিখে রাজভবনে প্রতিবাদে বসা নিয়ে তৃণমূল এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    বুধবার বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) নদিয়ার রানাঘাট দক্ষিণ বিধানসভার উপ-নির্বাচনের প্রার্থী মনোজ কুমার বিশ্বাসের সমর্থনে প্রচারে আসেন। প্রচার শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন আগামী ১৪ তারিখে প্রায় ২০০ জন শহিদ পরিবার এবং ৩০০ জন অত্যাচারী পরিবারকে নিয়ে রাজভবনের সামনে প্রতিবাদে বসব। তাঁর রাজভবনে বসা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তরজা চলছিল। রাজ্য প্রশাসনের অনুমতি না পেয়ে অবশেষে আদালতের দ্বারস্থ হন শুভেন্দু অধিকারী। এরপরেই আদালত শুভেন্দু অধিকারীকে চার ঘণ্টার প্রতিবাদে বসার অনুমতি দেয়। সেই প্রসঙ্গে এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেন তিনি। তিনি বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রাজভবনের সামনে পাঁচ ঘণ্টা অনশনে নাটক করলেও তখন ১৪৪ ধারা জারি থাকে না।

    আরও পড়ুন: গণপিটুনির নায়ক তৃণমূল নেতা জয়ন্ত সিং, জুয়া-সাট্টা, মধুচক্র কোনটায় নেই তিনি!

    চোপড়া নিয়ে মুখ খুললেন শুভেন্দু

    চোপড়াকাণ্ড নিয়ে মুখ খুললেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, চোপড়ায় যা হয়েছে তা দেশবাসীর কাছে লজ্জার। তৃণমূলের মদতেই এসব হয়েছে। ভোটের পর থেকেই বিজেপি  (BJP) কর্মীদের ওপর হামলা হচ্ছে। বহু কর্মী ঘরছাড়া। হিংসার রাজনীতি করছে তৃণমূল। অন্যদিকে, জগন্নাথ সরকার প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, পার্লামেন্টে বিশেষ কাজে তিনি ব্যস্ত রয়েছেন। এখানে বিতর্কের কোনও জায়গা নেই। প্রচার তিনি শুরু করেছেন প্রচার তিনিই শেষ করবেন। আর এই বিধানসভার মানুষ বিজেপির (BJP) সঙ্গে রয়েছেন। এবার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী বিপুল ভোটে জয়লাভ করবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shyamnagar: শ্যামনগরে বিজেপির মহিলা কর্মীকে বিবস্ত্র করে মাথায় ধারালো অস্ত্রের কোপ, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Shyamnagar: শ্যামনগরে বিজেপির মহিলা কর্মীকে বিবস্ত্র করে মাথায় ধারালো অস্ত্রের কোপ, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাথাভাঙার পর এবার শ্যামনগর (Shyamnagar)। বিজেপি মহিলা কর্মীকে বিবস্ত্র করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। বুধবার এই ঘটনায় রীতিমতো উত্তেজনা ছড়ায় শ্যামনগরের কাউগাছি এলাকায়। আক্রান্ত মহিলা বিজেপি কর্মীকে উদ্ধার করে বারাকপুর বিএন বসু মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Shyamnagar)

    স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আক্রান্ত মহিলা বিজেপি কর্মীর বাড়ি শ্যামনগরের (Shyamnagar) কাউগাছি এলাকায়। তিনি সক্রিয় বিজেপি কর্মী হিসেবে পরিচিত। গত ভোটেও দলের হয়ে তিনি প্রচুর খেটেছিলেন। ভোটের আগে তৃণমূলের পক্ষ থেকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। তিনি সেসব তোয়াক্কা না করেই বিজেপির হয়ে কাজ করে গিয়েছেন। ৪ জুন ভোটের ফল বের হওয়ার পরই এলাকার তৃণমূল কর্মীরা রুদ্রমূর্তি ধারণ করেন। ওই বিজেপি কর্মীর ওপর হামলা চালানো হয়েছিল। পরে, এলাকায় তাঁকে একঘরে করে দেওয়া হয়। বাড়িতে পরিবার নিয়ে তিনি একাই থাকতেন। তিনি আয়ার কাজ করেন। কিন্তু, এই ঘটনার পর তাঁর কাজ করতে গিয়ে সমস্যা হত। আর তাঁর স্কুল পড়ুয়া মেয়ে রয়েছে। সে আতঙ্কে স্কুল পর্যন্ত যেতে পারত না। ফলে, চরম আতঙ্কের মধ্যে তাঁরা ছিলেন। বুধবার পাড়ার ট্যাপ থেকে তিনি জল আনতে যান। সেই সময় পাড়ার অন্যরা সেখানে দাঁড়িয়েছিলেন। সকলেই তৃণমূলের কর্মী-সমর্থক। ট্যাপে জল নিতে বাধা দেওয়া হয়। এরপর এই জল নেওয়াকে কেন্দ্র করে বচসার শুরু। এরপরই মহিলা বিজেপি কর্মীকে প্রকাশ্যে বিবস্ত্র করে বেধড়ক মারধর করা হয়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়। গল গল করে তাঁর মাথা দিয়ে রক্ত বের হতে থাকে। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে, তাঁর বাড়ির লোকজন উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। প্রসঙ্গত, কোচবিহারের মাথাভাঙাতেও বিজেপির (BJP) সংখ্যালঘু নেত্রীকে বিবস্ত্র করে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠেছিলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনা নিয়ে রাজ্য উত্তাল হয়ে ওঠে। এই ঘটনার রেশ মিটতে না মিটতেই এবার শ্যামনগরের তৃণমূলের নির্মম অত্যাচারের ঘটনা ফের প্রকাশ্যে এল।

    আরও পড়ুন: গণপিটুনির নায়ক তৃণমূল নেতা জয়ন্ত সিং, জুয়া-সাট্টা, মধুচক্র কোনটায় নেই তিনি!

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    জগদ্দলের তৃণমূল বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম বলেন, এটা পারিবারিক কোনও গন্ডগোলের কারণে ঘটেছে। পরে, রাজনীতির রং লাগানো হয়েছে। এসব করে বিজেপি (BJP) তৃণমূলকে বদনাম করতে চাইছে। অন্যদিকে, বিজেপির মহিলা মোর্চার রাজ্যনেত্রী ফাল্গুনী পাত্র বলেন, দলীয় ওই কর্মীকে ভোটের পর থেকে তৃণমূল একঘরে করে রেখেছিল। বিজেপি করার অপরাধেই এই হামলা। আমরা দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: সরকারি জমিতে তৃণমূলের মদতে বেআইনি নির্মাণ! কাজ বন্ধ করলেন মন্ত্রী

    South 24 Parganas: সরকারি জমিতে তৃণমূলের মদতে বেআইনি নির্মাণ! কাজ বন্ধ করলেন মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ত দফতরের জমি দখল করেই চলছিল দোকান নির্মাণ। স্থানীয় পঞ্চায়েত উদ্যোগী হয়ে সেই কাজ করছিল। কিন্তু, নেওয়া হয়নি পূর্ত দফতরের অনুমতি। ফলে, বেআইনিভাবে গজিয়ে উঠছিল দোকান। মুখ্যমন্ত্রী সরকারি জমি দখল নিয়ে কড়া নির্দেশ দেওয়ার পর হুঁশ ফিরল সকলের। বিষয়টি জানতে পেরে তড়িঘড়ি দোকান তৈরির কাজ বন্ধের নির্দেশ দিলেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) গঙ্গাসাগরের কচুবেড়িয়া জেটিঘাটে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (South 24 Parganas)

    বেশ কয়েক মাস আগে গঙ্গাসাগরের (South 24 Parganas) সৌন্দর্যায়ন ও রাস্তা চওড়া হওয়ার জন্য বেশ কিছু অস্থায়ী দোকানদারকে তুলে দেওয়া হয় কচুবেড়িয়া জেটিঘাটে এলাকা থেকে। দোকানদারদের পুনর্বাসনের জন্য মুড়িগঙ্গা ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে পূর্ত দফতরের জায়গায় অবৈধভাবে চলছিল এই নির্মাণ কাজ। দোকানদারদের থেকে কাটমানি নেওয়া হত বলে জানা গিয়েছে। তাতে, দোকান পিছু ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত দর উঠেছিল। তৃণমূলের (Trinamool Congress) স্থানীয় পঞ্চায়েতের উপ-প্রধান শিবশঙ্কর রক্ষিত বলেন, রাস্তা চওড়ার জন্য বহু ব্যবসায়ীকে উচ্ছেদ করা হয়। তাই, তাদের পুনর্বাসন দেওয়ার জন্যই ওই স্টলগুলি তৈরি করা হচ্ছিল। এখন তা বন্ধ করে দেওয়া হল। পরে, বৈঠক করেই এই বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তবে, এই বিষয় নিয়ে গঙ্গাসাগর বকখালি সুন্দরবন অথরিটির চেয়ারম্যান সন্দীপ কুমার পাত্র বলেন, এই নির্মাণ কার্য আমরা আপাতত বন্ধ রাখতে বলেছি, প্রশাসনিক বৈঠকের পরই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন: গণপিটুনির নায়ক তৃণমূল নেতা জয়ন্ত সিং, জুয়া-সাট্টা, মধুচক্র কোনটায় নেই তিনি!

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    এলাকার সাধারণ মানুষ বলেন, ভেসেল বন্ধ থাকলে ছয় থেকে সাত ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। ওই এলাকায়  সরকারিভাবে কোনও যাত্রীশেড নেই। খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। বারে বারে তৃণমূলের (Trinamool Congress) স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধানকে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। আর দোকান বিক্রি করে শুধুমাত্র ব্যবসা করবে বলে নদী বাঁধ এলাকায় এই নির্মাণ কার্য চালাচ্ছে তারা।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    নদী বাঁধ এলাকায় এই কংক্রিটের নির্মাণ করা যায় কি না তা নিয়েও  প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। এই বিষয় নিয়ে বিজেপির মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার কনভেনার অরুনাভ দাস বলেন, সর্বত্র এইভাবে শাসকদলের নেতা-কর্মীরা প্রশাসনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে অবৈধ নির্মাণ করে চলেছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ আদতে নাটক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: শিলিগুড়িতে সরকারি জমি দখল করে তৃণমূল নেতার ভেড়ি, দখল নিল প্রশাসন

    Siliguri: শিলিগুড়িতে সরকারি জমি দখল করে তৃণমূল নেতার ভেড়ি, দখল নিল প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেবাশিস প্রামাণিকের পর এবার কি রঞ্জন শীলশর্মার পালা? সরকারি জমি দখল ও জমির অবৈধ কারবারের অভিযোগে ফুলবাড়ির বেতাজ বাদশা,সদ্য বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা দেবাশিস প্রামাণিক সম্প্রতি গ্রেফতার হয়েছেন। তারপর মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে দখল হয়ে যাওয়া সরকারি জমি পুনরুদ্ধারে  ঝাঁপিয়ে পড়েছে ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দফতর। সেই অভিযানে মঙ্গলবার গজলডোবায় ঝুলন্ত সেতুর পাশে আট বিঘা জমি দখলমুক্ত করে সরকারি সাইন বোর্ড টাঙিয়ে দেওয়া হয়। এই জমি শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর রঞ্জন শীল শর্মা দখল করেছিলেন। সেখানে ভেরি তৈরি করেছিলেন তিনি। একটি ঘরও ছিল। সেখানে নিয়মিত দলের নেতারা আসতেন। সেই জমি প্রশাসন দখল করে নেওয়ায় তাতে গুঞ্জন শুরু হয়েছে, এবার কি তাহলে রঞ্জন শীলশর্মার গ্রেফতার হওয়ার পালা?

    কেন পদক্ষেপ? (Siliguri)

    লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরপরই মুখ্যমন্ত্রী সরকারি জমি দখল ও জমি মাফিয়ারাজের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। জমির অবৈধ কারবার বছরের পর বছর ধরে চলে আসছে। তাহলে এতদিন কেন নীরব ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী? এই প্রশ্নে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকায় তৃণমূলের ভরাডুবি হয়েছে। শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার ৪৭ টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৪৬ টি ওয়ার্ডেই বিজেপির থেকে তৃণমূল অনেকটা পিছিয়ে। মেয়র সহ তৃণমূল কাউন্সিলরদের ওয়ার্ডেও একচেটিয়া ভোট পেয়ে বিজেপি বড় লিড নিয়েছে। বাদ নেই এই নেতার ওয়ার্ডও। এটা মুখ্যমন্ত্রী মেনে নিতে পারেননি। তাই, এলাকার শীর্ষ নেতা ও কাউন্সিলরদের অবৈধ কারবারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে সকলকে বার্তা  দিতে চাইছেন বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    আরও পড়ুন: গণপিটুনির নায়ক তৃণমূল নেতা জয়ন্ত সিং, জুয়া-সাট্টা, মধুচক্র কোনটায় নেই তিনি!

     কে এই রঞ্জন শীলশর্মা?

    জানা গিয়েছে, রঞ্জন শীলশর্মা শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের দীর্ঘদিনের কাউন্সিলর। পেশায় তিনি প্রাথমিক স্কুল শিক্ষক। এলাকায় তাঁর বিশাল প্রভাব-প্রতিপত্তি। একবার দলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে নির্দল প্রার্থী হিসেবে জিতে কাউন্সিলর হয়েছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে জমির অবৈধ কারবার করা ও মদত দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু, তাতে রঞ্জনের কোনও সমস্যা হয়নি। বরাবরই তিনি ডাকাবুকো নেতা হিসেবে পরিচিত। গৌতম দেবের বিরুদ্ধে পুরসভার বোর্ড মিটিংয়ে তৃণমূল (Trinamool Congress) কাউন্সিলর হয়েও তিনি বারবার সরব হয়েছেন। তিনি সব সময় নিজের সিদ্ধান্তেই চলেন। প্রকাশ্যে দলের মেয়রের সমালোচনা করতে তাঁর গলা কাপে না। তাই সরকারি জমি প্রশাসন ফিরিয়ে পরও তিনি নির্বিকার। তিনি শুধু বলেন, সরকারের জমি সরকার নিয়েছে।

     আতঙ্কে তৃণমূলের অন্য কাউন্সিলররা

    জলপাইগুড়ি লোকসভা আসনে তৃণমূল (Trinamool Congress) প্রার্থী নির্মল চন্দ্র রায়কে তিনি এগিয়ে রাখতে পারেননি। লোকসভা নির্বাচনে এই ব্যর্থতাকে হাতিয়ার করে এবার বিতর্কিত রঞ্জন শীলশর্মাকেও কি কোনও কোনও তৃণমূল নেতার স্বার্থে ছেটে ফেলা হবে? এ প্রশ্ন দলের অন্দরে। আর এই প্রশ্নেই শিলিগুড়ি পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলররা এখন রীতিমত আতঙ্কে রয়েছেন। কেননা এবারের লোকসভা নির্বাচনে অধিকাংশ কাউন্সিলরই তৃণমূল প্রার্থীকে লিড দিতে পারেননি। আর অনেকের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অনৈতিক কাজের অভিযোগও রয়েছে। ফলে, কার ওপর এবার রোষ পড়ে সেদিকে তাকিয়ে রয়েছে সকলে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: সালিশি সভার আগে তৃণমূল নেতার সামনে পিটিয়ে খুন, শোরগোল

    Balurghat: সালিশি সভার আগে তৃণমূল নেতার সামনে পিটিয়ে খুন, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোপড়াকাণ্ডের রেশ এখনও কাটতে না কাটতেই আবার সালিশি সভার আগেই একজনকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। আর সেটা হয়েছে খোদ তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের সামনেই। চা়ঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বালুরঘাটের (Balurghat) কুমারগঞ্জ থানা এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম জটু বর্মন(৫৪)। তাঁর বাড়ি কুমারগঞ্জ ব্লকের রামকৃষ্ণ গ্রাম পঞ্চায়েতের গোবত্ত গ্রামে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক। 

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Balurghat)

    ঘটনার সূত্রপাত মঙ্গলবার দুপুরে। জোটুবাবু তাঁর দাদার জমির ওপর দিয়ে ট্র্যাক্টর নিয়ে গিয়েছিলেন। কেন তাঁর জমির ওপর দিয়ে ট্র্যাক্টর নিয়ে যাবেন? এনিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে একদফা বচসা হয়। রাতে সেই বচসা বড় আকার ধারণ করে। এনিয়ে গ্রামে সালিশি সভার আয়োজন করা হয়। সেখানে এলাকার তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য  জব্বার আলি মণ্ডল হাজির হন। সালিশি সভা শুরুর আগেই ফের সেই প্রসঙ্গ ওঠে। এরপরই জটুবাবুকে মারধর করা হয়। গোটা ঘটনাটিই ঘটে পঞ্চায়েত সদস্যের সামনে। অভিযোগ, দাদা কালীপদ বর্মন ও তাঁর স্ত্রী দীপালি ও তাঁর দুই ছেলে মিলে জটুবাবুকে বেধড়ক মারধর করে। শাবল দিয়ে মারা হয় তাঁর বুকে ও পায়ে। বাম পা ভেঙে যায় তাঁর। বুকেও আঘাত লাগে। চিৎকার শুনে ছুটে আসেন স্থানীয়রা। জটুবাবুকে তড়িঘড়ি উদ্ধার করে প্রথমে কুমারগঞ্জ, পরে বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। যদিও এই ঘটনা নিয়ে পঞ্চায়েত সদস্যের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

    আরও পড়ুন: গণপিটুনির নায়ক তৃণমূল নেতা জয়ন্ত সিং, জুয়া-সাট্টা, মধুচক্র কোনটায় নেই তিনি!

    মৃতের পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    জটুবাবুর ছেলে সনাতন বর্মন বলেন, ‘জ্যাঠার ফাঁকা জমির ওপর দিয়ে ট্র্যাক্টর নিয়ে যাওয়ার জন্যই বাবাকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। জমিতে কোনও ফসল থাকলে আলাদা ব্যাপার ছিল।  ঝগড়ার পর বাবাকে বাড়ি থেকে বের করে শাবল দিয়ে মারধর করা হয়। স্থানীয় তৃণমূলের (Trinamool Congress) গ্রাম পঞ্চায়েতের সামনে এই ঘটনা ঘটেছে। এনিয়ে অভিযোগ দায়ের করব। ওদের দৃষ্টান্তমূল্য শাস্তির দাবি করছি।’

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এবিষয়ে তৃণমূলের (Trinamool Congress) জেলা সহ সভাপতি সুভাষ চাকি বলেন, ঘটনাটি সত্যি। এরমধ্যে কোনও রাজনৈতিক রং নেই। তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য মীমাংসা করার জন্য গিয়েছিলেন। পারিবারিক গন্ডগোল। এই বিষয়ে বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, এইটা দুঃখজনক ঘটনা। এই সালিশি সভার নাম করে ডেকে তাঁকে খুন করা হয়েছে কি না তা তদন্ত করে দেখা হোক। তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যর সামনে খুন হয়েছে। এইটা তদন্ত সাপেক্ষ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Madan Mitra: “দুর্নীতির জন্য বহু ওয়ার্ডে তৃণমূল পিছিয়ে”, কামারহাটি নিয়ে বিস্ফোরক মদন

    Madan Mitra: “দুর্নীতির জন্য বহু ওয়ার্ডে তৃণমূল পিছিয়ে”, কামারহাটি নিয়ে বিস্ফোরক মদন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের দলের দখলে থাকা কামারহাটি পুরসভার বিরুদ্ধেই বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র (Madan Mitra)। বেহাল পুর পরিষেবা নিয়ে পুরসভাকেই কাঠগ়়ড়ায় দাঁড় করালেন তিনি। একইসঙ্গে দুর্নীতি নিয়েও তিনি সরব হয়েছে। আর এভাবে প্রকাশ্যে শাসক দলের দখলে থাকা পুরসভার বিরুদ্ধে মুখ খোলায় তৃণমূলের কোন্দল ফের প্রকাশ্যে চলে এসেছে।  

    ঠিক কী বলেছেন মদন? (Madan Mitra)

    কামারহাটি পুরসভার পরিষেবা নিয়ে মদন মিত্র (Madan Mitra) বলেন, “সারা কামারহাটিতে চলাফেরার আর জায়গা নেই। আবর্জনায় ভরে গিয়েছে। পুকুর বুজিয়ে বাড়ি হচ্ছে। অবৈধ বহুতল হচ্ছে। রোজ অভিযোগ আসছে। এ আর পোষাচ্ছে না।” দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যানের ওয়ার্ডে পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। শুধু চেয়ারম্যানের ওয়ার্ড নয়, কামারহাটি পুরসভার ৩৫টি ওয়ার্ডের বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডে কম ভোট পেয়েছে তৃণমূল। এই প্রসঙ্গে এদিন মুখ খোলেন মদন। তিনি বলেন, “কয়েকটি ওয়ার্ডে বেশি ভোট না পেলে কামারহাটি পুরসভা এলাকায় তৃণমূল প্রার্থী সৌগত রায় পিছিয়ে পড়তেন। আর এরজন্য দায়ী কামারহাটিতে ব্যাপক দুর্নীতি। এই দুর্নীতির জন্য বহু ওয়ার্ডে তৃণমূল পিছিয়ে রয়েছে। প্রধানত দুটি অভিযোগ উঠে আসছে। পুকুর বুজিয়ে বাড়ি। আর চারতলা বাড়ির অনুমোদন করিয়ে ৬ তলা বাড়ি হচ্ছে। রোজ অভিযোগ আসছে।”

    আরও পড়ুন: রাজ্যের থেকে কেড়ে নেওয়া হোক পুলিশের দায়িত্ব, বাংলায় ৩৫৫ ধারা জারির দাবি শুভেন্দুর

    কামারহাটির পুর চেয়ারম্যান কী বললেন?

    কামারহাটির (Kamarhati) পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহা বলেন, “বাড়ি বাড়ি আবর্জনা সংগ্রহের জন্য কর্মী রয়েছেন। গাড়ি রয়েছে। ফলে, আবর্জনা জমার কথা নয়। কিন্তু, বিধায়ক যখন বলেছেন কাউন্সিলরদের সঙ্গে এই বিষয়ে আমি ফের কথা বলব।” পুকুর বুজিয়ে বাড়ির প্রসঙ্গে পুর চেয়ারম্যান বলেন, “বোর্ড প্ল্যান ছাড়া বাড়ি হচ্ছে, আমার বিধায়ক জানেন। পুরসভার (Kamarhati) তরফেও নোটিস দেওয়া হয়েছে। আমরা থানায় অভিযোগ জানিয়েছি।”

    সরব বিজেপি নেতৃত্ব

    বিজেপি নেতা কিশোর কর বলেন, “আসলে ভাগ ঠিকমতো হচ্ছে না বলে দুর্নীতির কথা বলছেন। পুর (Kamarhati) এলাকায় যারা দুর্নীতি করে তারা কার লোক খোঁজ নিলেই জানা যাবে। এসব বলে কোনও লাভ নেই।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chopra Incident: জেলে রয়েছে দাদা, ভিডিও করা নিয়ে চোপড়ায় তাণ্ডব চালাচ্ছে জেসিবি-র ভাই

    Chopra Incident: জেলে রয়েছে দাদা, ভিডিও করা নিয়ে চোপড়ায় তাণ্ডব চালাচ্ছে জেসিবি-র ভাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোপড়াকাণ্ড (Chopra Incident) নিয়ে রাজ্যে তোলপাড় চলছে। এরই মাঝে চোপড়া নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। তৃণমূল নেতা জেসিবি-র হামলা চালানোর ভিডিও কে তুলেছে তা সন্দেহ করে এলাকায় সন্ত্রাস চালাচ্ছে ধৃত তৃণমূল নেতা তাজিমুল ইসলাম ওরফে জেসিবির ভাই গির আলম ও তার শাগরেদরা। গির আলমের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র থাকা ভিডিও সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল রয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Chopra Incident)

    চোপড়াকাণ্ডে (Chopra Incident) মূল অভিযুক্ত জেসিবি এখন জেলে রয়েছে। জানা গিয়েছে, জেসিবি-র ভাই গির আলম ও তার শাগরেদরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দিয়ে আসছে বলে অভিযোগ। কে বা কারা ভিডিও করেছেন, এমন সন্দেহ করে অনেকের বাড়ি ঘরে ইতিমধ্যে ভাঙচুরও চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। এমনকী অনেকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ভয়ে কুঁকড়ে রয়েছেন নির্যাতিতার পরিবার। অপরাধীদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে ভয় পাচ্ছেন আক্রান্ত যুবকের মা। ভয়ে জেসিবির বিরুদ্ধে মুখ খুলছে না। ছেলেকে মারধরের তিনি শাস্তিও চাইছেন না। তিনি বলেন, “যে ভিডিওটা করেছে, তার আমি শাস্তি চাই। ভাইরাল করে আমার ধর্মটা নষ্ট করেছে। আর আমার ছেলেকে কে মেরেছেন তাঁকে আমি চিনি না। যে ভাইরাল করেছে, তাকেই আমি চাই।”

    আরও পড়ুন: রাজ্যের থেকে কেড়ে নেওয়া হোক পুলিশের দায়িত্ব, বাংলায় ৩৫৫ ধারা জারির দাবি শুভেন্দুর

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    প্রসঙ্গত, রবিবার দুপুরেই প্রকাশ্যে আসে চোপড়ার ভিডিও। তাতেই জানা যায় এই জেসিবির (Trinamool Congress) কুকীর্তির কথা। মূল অভিযুক্ত জেসিবি গ্রেফতার হতেই প্রকাশ্যে আসছে একের পর এক অভিযোগ। পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময়ে এক সিপিএম নেতাকে গুলি করে খুনেরও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এর আগেও অনেক ঘটনা ঘটেছে। থানাতেও ওর বিরুদ্ধে একাধিক কেস রয়েছে। ওদের ভয়ে কেউ ওই রাস্তা দিয়ে যেতে পারত না। গোটা এলাকায় এমন ভয়ের পরিবেশ তৈরি করেছে, যে একজন মানুষও কথা বলতে না পারে। ওরা (Trinamool Congress) কয়েকজন সন্দেহ করেছে, যারা ভিডিও ভাইরাল করেছে, তাদের বাড়িতে ভাঙচুর করেছে। ওর ভাইসহ ওদের একটা গ্যাং আছে, তারা এই সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করে রেখেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share