Tag: Trinamool Congress

Trinamool Congress

  • Sukanta Majumdar: ‘‘তৃণমূলে মুষল পর্ব, পিসিকে ল্যাং মেরে চেয়ার পেতে চাইছেন অভিষেক’’, তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘‘তৃণমূলে মুষল পর্ব, পিসিকে ল্যাং মেরে চেয়ার পেতে চাইছেন অভিষেক’’, তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্লাইং কিস নিয়ে তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষকে এবং সিবিআই অভিযানে বামেদের ‘ঝান্ডু বাম’ বলে তীব্র কটাক্ষ করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে দশটা নাগাদ উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরের গুমা রেলগেট লাগোয়া একটি জায়গায় বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযান কর্মসূচিতে যোগদান করেন তিনি। নতুন সদস্য হতে আসা কয়েকজনের নাম নিজের হাতে রেজিস্ট্রেশন করে দেন। এরপর তিনি অশোকনগরের সেনডাঙা এলাকায় একই ধরনের আরও একটি কর্মসূচিতে যোগদান করেন। তার আগে গুমায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে তুলোধনা করেন।  

    অভিষেক-মমতাকে তোপ (Sukanta Majumdar)

    রাজ্যে শাসক দলে অভিষেক ও মমতাপন্থী তৃণমূল নেতাদের মধ্যে যখন কাদা ছোড়াছুড়ি হচ্ছে, সে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘‘একটা পার্টি মরে যাওয়ার আগে এমনটা হয়। যদু বংশ ধ্বংস হওয়ার আগে মুষল পর্ব শুরু হয়েছিল। তৃণমূলেও এমনটাই চলছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভাবছেন দেহত্যাগ করার আগে পদত্যাগ করবেন না। আর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) পিসিকে ল্যাং মেরে চেয়ার পেতে চাইছেন। আমরা মোরগ লড়াই দেখছি, আর নারদ নারদ বলছি।’’

    আরও পড়ুন: ‘‘পশ্চিমবঙ্গ চলছে কিং জং উনের শাসনের মতো’’, বেলডাঙাকাণ্ডে মমতাকে আক্রমণ গিরিরাজের

    নির্মল ঘোষ নিয়ে সরব

    এক মহিলাকে নির্মল ঘোষের ফ্লাইং কিস প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘‘এটাই তৃণমূলের কালচার। যে মহিলাকে নির্মলবাবু এমনটা করছেন, তিনি সম্ভবত বার ড্যান্সার। আরজি করকাণ্ডে নির্ভয়ার দেহ হাইজ্যাক করে তাড়াতাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল এই নির্মল ঘোষের বিরুদ্ধে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন যে আমি এত মহিলাকে টিকিট দিয়েছি। তাঁরা মহিলাকে কী নজরে দেখছেন বা কী উদ্দেশ্যে রাজনীতিতে নিয়ে আসছেন, এই সমস্ত নেতাদের দেখে তো বোঝাই যাচ্ছে।’’

    বামেদের অভিযানকে কটাক্ষ

    বামেদের আরজি করকাণ্ডের তদন্ত নিয়ে সিবিআই অফিস অভিযানের প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘‘ বামেরা এখন ‘ঝান্ডু বাম’ হয়ে গিয়েছে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে যখন কোনও আন্দোলন সংগঠিত হয়, তখন বাম, অতি বাম এবং ঝান্ডু বামেরা ঢুকে গিয়ে আন্দোলনকে স্তিমিত করে দেয়। যখন অরাজনৈতিক আন্দোলনের মধ্যে রাজনীতি ঢুকে গেল, তখনই আরজি করের আন্দোলন আস্তে আস্তে কমে গেল।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: “মমতা বড় নাকি ভাইপো, তৃণমূলে এখন এটাই সব থেকে চিন্তার বিষয়”, তোপ দিলীপের

    Dilip Ghosh: “মমতা বড় নাকি ভাইপো, তৃণমূলে এখন এটাই সব থেকে চিন্তার বিষয়”, তোপ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাকদ্বীপে বিজেপির পক্ষ থেকে সদস্যপদ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে পুলিশ মন্ত্রী করার যে দাবি উঠেছে সেই দাবি নিয়ে সেখানে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন, এর মধ্যে দিয়েই পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে তৃণমূলের (Trinamool Congress) মধ্যে দুটি গোষ্ঠী তৈরি হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশমন্ত্রী যে ব্যর্থ তা পরিষ্কার হয়ে গেল। তাই তাঁর পদত্যাগ করা দরকার।

    মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত (Dilip Ghosh)

    কসবার গুলিকাণ্ডে অনুপ্রবেশকারী দুষ্কৃতীদের প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “ বিহার থেকে কিভাবে দুষ্কৃতীরা বাংলায় ঢুকল, তাও কি বিজেপি দেখবে। এটা পুলিশের ব্যর্থতা ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর ব্যর্থতা।”  এর পাশাপাশি একাধিক বিষয় নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে তিনি কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর বোঝা দরকার মানুষের কাছে তাঁর আর গ্রহণযোগ্যতা নেই। তাঁর নিজে থেকে পদত্যাগ করে নেওয়াটাই ভালো হবে।” একইসঙ্গে অশান্ত মণিপুর প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, “মণিপুরের ঘটনা দীর্ঘদিনের। এর আগেও একাধিক মানুষের প্রাণ গিয়েছে। যেহেতু মণিপুর এবং মায়ানমারের মধ্যে কোনও কাঁটাতার নেই, সেই কারণেই এই ঘটনা।”  

    আরও পড়ুন: ২৫ হাজার কার্ডের নম্বর এক! রাজ্যে বিপুল ডুপ্লিকেট ভোটার কার্ড আবিষ্কার কমিশনের

    পুলিশরা তৃণমূলের ক্যাডার!

    ই এম বাইপাস সংলগ্ন এলাকায় জমি দখল নিয়ে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “তৃণমূলের কালচারই হচ্ছে জমি হাতানো,  গরু পাচার, কয়লা পাচার করা। সরকারি জমি আবার কখনও বা সাধারণ মানুষের জমি জায়গা বাড়ি সমস্ত কিছুই দখল করে নিয়ে দাদাগিরি করা। আর তার জন্য পুলিশদের তৃণমূল ক্যাডার হিসেবে ব্যবহার করেছে। আর যে কারণেই কখনও জমিদখলকে কেন্দ্র করে কখনও বা পুকুর দখলকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গোষ্ঠীর মধ্যে গুলি চলছে, বোমাবাজি হচ্ছে। তৃণমূলের মধ্যে এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বড় হবে, নাকি ভাইপো বড় হবে সেটাই এখন ওদের সবথেকে চিন্তার বিষয়। আর যে কারণেই ভাইপোকে পুলিশ মন্ত্রী করার দাবি জানিয়েছেন ওদের দলের নেতারা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: বীরভূমে কাজল শেখের অনুগামীদের হাতে মার খেলেন কেষ্ট-অনুগামীরা! তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    Birbhum: বীরভূমে কাজল শেখের অনুগামীদের হাতে মার খেলেন কেষ্ট-অনুগামীরা! তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রক্তাক্ত বীরভূমের (Birbhum) নানুর। কাজল শেখ গোষ্ঠীর অনুগামীদের হামলায় আক্রান্ত হলেন অনুব্রত মণ্ডলের অনুগামীরা। আর এই ঘটনায় তৃণমূলের (Trinamool Congress) দলীয় কোন্দল ফের প্রকাশ্যে চলে এসেছে। অনুব্রত জেলায় থাকা অবস্থায় তাঁর অনুগামীদের এভাবে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা নিয়ে জেলা জুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Birbhum)

    তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল তিহার জেলে থাকার সময় কাজল শেখের অনুগামীদের দাপাদাপির সাক্ষী ছিলেন বীরভূমবাসী (Birbhum)। বার বার আক্রান্ত হয়েছেন অনুব্রত অনুগামীরা। অনুব্রত জেলায় ফিরতে বুকে বল পেয়েছিলেন তাঁর অনুগামীরা। সম্প্রতি তৃণমূল কার্যালয়ে কোর কমিটির বৈঠক হয়েছে। কোর কমিটির বৈঠকের নির্যাস অনুযায়ী, অনুব্রত মণ্ডলের ক্ষমতা কিছুটা হলেও খর্ব হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই আরও বেশি অক্সিজেন পেয়েছে অনুব্রতর বিরোধী গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত কাজল শেখ গোষ্ঠী। জানা গিয়েছে, রবিবার নানুরের বাহিরিতে চায়ের দোকানে এক ব্যক্তি বসেছিলেন। তখনই কাজল শেখের অনুগামীরা সেখানে যান। দোকানের মধ্যে কোনও একটি বিষয়কে কেন্দ্র তাঁর সঙ্গে ঝামেলা বাঁধে। তখনই ওই ব্যক্তির ওপর কাজল শেখের অনুগামীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হন অনুব্রতর মণ্ডলের বেশ কয়েকজন অনুগামীও। আক্রান্তদের উদ্ধার করে ইতিমধ্যেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে আটক কিংবা গ্রেফতার করা হয়নি।

    আরও পড়ুন: ব্যাট হাতে প্রস্তুত শীত! কলকাতায় ১৮ ডিগ্রি, পুরুলিয়ায় ১২, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    শুরু হয়েছে তরজা

    কাজল শেখের অনুগামী তথা বাহিরির (Birbhum) পঞ্চায়েত প্রধান জানাচ্ছেন, সম্পূর্ণই পারিবারিক বিবাদ। তা থেকেই হাতাহাতি। অন্যদিকে, আক্রান্তদের অভিযোগ, কাজল শেখের অনুগামীরা সম্পূর্ণ পরিকল্পিতভাবেই হামলা চালিয়েছে। এই প্রসঙ্গে অনুব্রত ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত তৃণমূল নেতা জামশেদ আলি খানের বক্তব্য, হামলার জেরে বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন। প্রশাসন অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনত পদক্ষেপ গ্রহণ করুক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারকে প্রাণনাশের হুমকি, দলবল নিয়ে হাসপাতালে দাপালেন তৃণমূল নেতা!

    South 24 Parganas: অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারকে প্রাণনাশের হুমকি, দলবল নিয়ে হাসপাতালে দাপালেন তৃণমূল নেতা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসপাতালে ঢুকে দাদাগিরি করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতার বিরুদ্ধে। প্রাণ নাশের হুমকি দেওয়া হল অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারকে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার।

    ঠিক কী অভিযোগ? (South 24 Parganas)

    অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার সৌরভকুমার দাস বলেন, “তৃণমূলের এক পঞ্চায়েত সদস্য বহিরাগতদের নিয়ে এসে আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। তৃণমূল নেতার সঙ্গে ছিলেন হাসপাতালের চুক্তিভিত্তিক সাফাইকর্মী এবং নিরাপত্তা রক্ষীদের একাংশ। আসলে ডিউটি রস্টারে রদবদল হলেও চুপ করে থাকা, কাউকে না জানিয়ে একজনের ডিউটি অন্যজন করা, কাজে না এসেও বেতনের বিলে সই করা, ওয়ার্ডে আয়াকে ঢুকতে দেওয়ার মতো একাধিক ক্ষেত্রে চাপ সৃষ্টি করা হয় আমার ওপরে। ৭-৮ মাস ধরে সিকিউরিটি স্টাফের রস্টারটা আমি চাইছিলাম। পাচ্ছিলাম না। কারণ সেটা দেখে বিল সই করতে হয়। ওদের দাবি, ওরা ডিউটি না করলেও বকেয়া স্লিপে আমাকে সই করে দিতে হবে। একজনের ডিউটি আরেকজন করবে, সেসব মেনে নিতে হবে। কিন্তু, আমি মাথা নত না করায় এদিন হুমকি দেওয়া হয়। আমাকে বলেছে, আপনার অত রোস্টার দেখার দরকার নেই। আয়াদের হাসপাতালের ভিতরে ঢুকতে দিতে হবে। বেশি নিয়ম দেখালে কী করে ক্যানিং থেকে বের হন, দেখে নেব।”

    আরও পড়ুন: কোড অফ কনডাক্টকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চলছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার-জব কার্ডের ফর্ম ফিলাপ

    কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    অভিযুক্ত স্থানীয় তৃণমূল নেতা দিঘিরপারা গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের সদস্য তন্ময় দাস। তিনি ক্যানিং পশ্চিম বিধানসভার তৃণমূলের বিধায়ক পরেশরাম দাসের ঘনিষ্ঠ। গোটা ঘটনার কথা দক্ষিণ ২৪ পরগনার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিককে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন ওই আধিকারিক। ঘটনা খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক। যদিও এই বিষয় ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক ও তৃণমূলের রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক শওকত মোল্লা বলেন, “হাসপাতালে যদি এমন হুমকি দেওয়ার ঘটনা ঘটে থাকে, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। চিকিৎসক মানে ভগবানের সমতুল্য। তৃণমূল এইরকম হুমকির রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। প্রশাসন সঠিক তদন্ত করুক এবং এই ঘটনার সঙ্গে যারা যুক্ত রয়েছে তাদের দলমত নির্বিশেষে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘বিজেপিকে ভোট দেওয়ায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ করলে ৭ দিনে টাকা উদ্ধার’’, আশ্বাস শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘বিজেপিকে ভোট দেওয়ায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ করলে ৭ দিনে টাকা উদ্ধার’’, আশ্বাস শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপনির্বাচনকে (By Election 2024) কেন্দ্র করে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। রবিবার তৃণমূল প্রার্থীর হয়ে প্রচারে বেরিয়ে শাসক দলকে ভোট না দিলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা বন্ধ করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে বাঁকুড়ার তালডাংরার এক সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে। সেখানেই প্রচারে গিয়ে পালটা হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। 

    ঠিক কী বলেনছেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    এদিন বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে এক জনসভায় শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘‘বিনপুরের সিভিক ভলান্টিয়ারের ছবি দিয়েছি আমি। বিনপুর থানার সিভিক ভোট চাইতে যাচ্ছে। বলছে, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ করে দেব। ওর বাপের টাকা? সরকারের টাকা। আমার জেলায় ১৫টা বিধানসভায় হেরেছে। সৌমিত্র খাঁ জিতেছে। আমাদের এলাকায় একটা মা দিদি বোনের কোনও ভাতা – টাকা – বন্ধ করার ক্ষমতা ওরা দেখাতে পারেনি। আর তালডাংরায় বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য যদি একজন মহিলার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ হয়, তাহলে শুধু হোয়াটসঅ্যাপে অ্যাকাউন্ট নম্বরটা দেবেন। সুদ সহ টাকা ৭ দিনের মধ্যে যদি আদায় করতে না পারি, বিরোধী দলনেতা আর কোনও দিন আপনাদের কাছে ভোট চাইতে আসবে ন।’’

    সিভিককে তোপ

    এক্স হ্যান্ডেলে কয়েকটি ছবি পোস্ট করে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) লিখেছেন, ‘‘ইনি ভীম মণ্ডল। বাঁকুড়ার জেলার ইন্দপুর থানার সিভিক ভলান্টিয়ার। দেখা যাচ্ছে, তিনি তালডাংরা বিধানসভা এলাকায় তৃণমূল প্রার্থীর হয়ে প্রচার করছেন। বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, ভোট না দিলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন এই সিভিক ভলান্টিয়ার। ওর বাপের টাকা? এটা সরকারের টাকা।’’

    কমিশনে বিজেপি

    বাঁকুড়া জেলা বিজেপির তরফে বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকে জানিয়ে দ্রুত পদক্ষেপের আর্জি জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দফতরের আধিকারিককে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যদিও ইন্দপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি রেজাউল খাঁ বলেন, ‘‘আমাদের লোক সবাই। শুধু সিভিক ভলান্টিয়ার কেন? আমাদের লোক, একজন হাইস্কুলের মাস্টার। প্রাইমারি স্কুলের মাস্টার। আশাকর্মী। সবাই আমাদের লোক। মিথ্যা অভিযোগ। আমাদের দলের ছেলেরা প্রচারে বেরিয়েছিল। রাস্তায় দেখা পেয়েছে। তাঁদের সঙ্গে দাঁড়িয়ে কথা বলেছে। ব্যস, এটুকুই। অন্য কিছু নয়। বাঁকুড়ার পুলিশ সুপার জানান, সিভিক ভলান্টিয়ার প্রচার করছেন, এমন কোনও তথ্য আসেনি।’’ ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ারের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tab Scam: সরকারের দেওয়া ট্যাব কেনার ১০ হাজার টাকা গায়েব! একের পর এক স্কুলে একই ঘটনা কীভাবে?

    Tab Scam: সরকারের দেওয়া ট্যাব কেনার ১০ হাজার টাকা গায়েব! একের পর এক স্কুলে একই ঘটনা কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল সরকারের (Trinamool Congress) দেওয়া ট্যাব (Tab) কেনার টাকা দিচ্ছে রাজ্য সরকার। পূর্ব বর্ধমানের পড়ুয়াদের জন্য পাঠানো সেই ট্যাবের টাকা চলে গিয়েছে উত্তর দিনাজপুরের কয়েকটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। গায়েব হওয়া টাকা কোথায় গেল, তার তদন্তে নেমে এমনটাই জানতে পারল জেলা পুলিশ প্রশাসন। একাধিক স্কুলে এই অভিযোগ সামনে এসেছে। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে উঠেছে অভিযোগ। তবে শিক্ষকরা এই দায় ঠেলছেন সংশ্লিষ্ট দফতরের দিকেই।

    কতজন পড়ুয়া টাকা পাননি? (Tab)

    জানা গিয়েছে, পূর্ব বর্ধমানের ৫২২ জন পড়ুয়া ট্যাবের (Tab) টাকা পায়নি। সে নিয়ে তদন্ত চলছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। রাজ্য সরকারের ‘তরুণের স্বপ্ন’ প্রকল্পে একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়ারা এককালীন দশ হাজার টাকা পায় ট্যাব কেনার জন্য। পুজোর ছুটির আগেই রাজ্যের স্কুলগুলি নির্দিষ্ট পোর্টালে আবেদন জানিয়েছে। পূর্ব বর্ধমান সিএমএস হাইস্কুলে চলতি বছরে ওই স্কুলের ৪১২ জন পড়ুয়ার জন্য ট্যাবের টাকার আবেদন করা হয় বলে জানান প্রধান শিক্ষক মিন্টু রায়। কিন্তু, ২৮ জন পড়ুয়া জানায়, তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সেই টাকা ঢোকেনি। খোঁজ নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষই জানতে পারেন, অভিযোগ সঠিক। ঘটনাক্রমে শিক্ষা দফতর এবং সাইবার থানায় অভিযোগ জানানো হয়। প্রধানশিক্ষক বলেন, “গত ২১ এবং ২২ অক্টোবর, দু’দিন ফোন করে স্কুলের ১৭ জন পড়ুয়া আমাদের জানিয়েছে যে, তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ট্যাবের ১০ হাজার টাকা ঢোকেনি। স্কুলের পক্ষ থেকে গোটা বিষয়টি জানানো হয় ডিআই, অতিরিক্ত জেলাশাসক (শিক্ষা) এবং ডিপিওকে। ডিআইয়ের পরামর্শে সাইবার থানাতেও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।” পাশাপাশি স্কুলের পক্ষ থেকে মোট ২৮ জন পড়ুয়াকে ব্যাঙ্কে গিয়ে খোঁজখবর নিতে বলা হয়েছিল। ব্যাঙ্কে গিয়ে পড়ুয়ারা জানতে পারে, তাদের ট্যাবের টাকা অন্য ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে চলে গিয়েছে। এ নিয়ে তদন্তের পর বুধবার জেলা প্রশাসনের তরফে জানা গিয়েছে, শুধু বর্ধমান সিএমএস হাইস্কুলই নয়, জেলার আরও কয়েকটি স্কুল মিলিয়ে মোট ৫২২ পড়ুয়া তাঁদের ট্যাবের টাকা পায়নি। এ-ও জানা গিয়েছে, ওই সমস্ত টাকা উত্তর দিনাজপুরে কয়েকটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে।

    আরও পড়ুন: আমেরিকার নয়া প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে অভিনন্দন হাসিনার, কৌশলী বার্তা আওয়ামী লিগের

    জেলাশাসক কী বললেন?

    পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক আয়েশা রানি বলেন, “ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে বলে নির্দিষ্ট কয়েকটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছে। টাকা (Tab) পায়নি এমন পড়ুয়াদের বিস্তারিত তালিকা তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে কার গাফিলতিতে এমনটা হল, সেটাও জানার চেষ্টা চলেছে। কেউ দোষী হলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    পূর্ব মেদিনীপুরেও বঞ্চিত পড়ুয়ারা!

    পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মোট চারটি স্কুলে একই ঘটনা। মোট ৬৪ জন পড়ুয়ার ট্যাব (Tab) কেনার টাকা গায়েব! অভিযোগ, তরুণের স্বপ্ন প্রকল্পের টাকা চুরি করেছে সাইবার অপরাধীরা! চণ্ডীপুর থানার মুরাদপুরের বিবেকানন্দ বিদ্যাপীঠ, দিবাকরপুর হাইস্কুল, নন্দকুমার থানার ব্যবত্তারহাট আদর্শ হাইস্কুল ও মহিষাদলের নাটশাল হাইস্কুলে একই অভিযোগ সামনে আসছে। এই চার স্কুল মিলিয়ে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির মোট ৬৪ জন পড়ুয়া একই পরিস্থিতির শিকার। হিসেব বলছে, প্রতারিত পড়ুয়ার সংখ্যা যদি ৬৪ হয়, তাহলে মাথাপিছু ১০ হাজার টাকা অর্থাৎ মোট ৬ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা হ্যাকারদের অ্যাকাউন্টে চলে গিয়েছে। এই ঘটনায় ওই চার উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের বিরুদ্ধে তমলুক থানায় এফআইআর দায়ের করেছেন ডিআই (মাধ্যমিক)।

    বাংলার শিক্ষা পোর্টাল সুরক্ষিত নয়

    জেলার এক স্কুলের প্রধান শিক্ষক (Tab) বসন্ত কুমার ঘড়াইয়ের দাবি, দফতরকে নিতে হবে দায়। তিনি বলেন, “বাংলার শিক্ষা পোর্টাল খুব একটা সুরক্ষিত নয়। আধার লিঙ্ক নেই। ফলে যে কোনও অ্যাকাউন্ট নম্বর আর আইএফসি কোড দিলেই টাকা চলে যাচ্ছে।” তাঁর দাবি, নাম না মিললে টাকা পাঠানো হবে না, এমন ব্যবস্থা করা হোক। দফতরকে আরও সতর্ক নিতে হবে, দায় নিতে হবে বলেই দাবি করেছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA: ময়নায় বিজেপি নেতা খুন, কোমরে দড়ি পরিয়ে তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করল এনআইএ

    NIA: ময়নায় বিজেপি নেতা খুন, কোমরে দড়ি পরিয়ে তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করল এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি নেতাকে খুনের (BJP Leader Murder) অভিযোগে পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নায় (Moyna) এনআইএ-র হাতে গ্রেফতার হলেন এক তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা। বিজেপি নেতাকে খুনের ঘটনায় আদালতের নির্দেশে তদন্তভার হাতে নেয় এনআইএ (NIA)। তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। তারপরই গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। বিজেপি নেতা খুনের ঘটনায় পুলিশ আগেও একাধিক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করলেও এই প্রথম কোনও অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    ঠিক কী অভিযোগ? (NIA)

    ২০২৩ সালের ১ মে বাকচার গোড়ামহল গ্রামে বিজেপির বুথ সভাপতি বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইঞাকে বাড়ির কাছ থেকে অপহরণ করে খুনের (BJP Leader Murder) অভিযোগ ওঠে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। বিজয়ের স্ত্রী লক্ষ্মীরানি বাকচা অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি মনোরঞ্জন হাজরা-সহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। ময়না থানার পুলিশ অভিযুক্ত ন’জনকে গ্রেফতার করেছিল। তবে চার্জশিটে অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েকজনের নাম তারা বাদ দেয়। এতে কয়েকজন আদালতে জামিন পান। এমন অবস্থায় বিজয় ভুঁইয়ার পরিবার ওই মামলার তদন্তে পুলিশের ওপর আস্থা না রেখে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে (NIA) দ্বায়িত্ব দেওয়ার জন্য কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন।

    এপ্রিলে তদন্তভার নেয় এনআইএ

    চলতি বছর এপ্রিলে হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত মামলাটির তদন্তভার জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-কে দেন। আর সেই তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ ওঠে নবকুমারের বিরুদ্ধে। এরপরই খুনের (BJP Leader Murder) ঘটনায় পলাতক তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করে এনআইএ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে, মঙ্গলবার রাত ৮টা নাগাদ এনআইএ (NIA) প্রতিনিধিরা নবকুমার মণ্ডল নামে ওই নেতাকে গোড়ামহল গ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানা গিয়েছে। কোমরে দড়ি পরিয়ে তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করে এনআইএ। বুধবার তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে এনআইএ বিশেষ আদালতে তোলা হবে বলেই জানা যাচ্ছে।

    আরও পড়ুন: ভোটে কারচুপি মার্কিন মুলুকে! ট্রাম্পের অভিযোগে শোরগোল আমেরিকায়

     গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান কী বললেন?

    স্থানীয় সূত্রের খবর, গ্রামে নবকুমারের মুদির দোকান রয়েছে। তিনি এলাকায় তৃণমূলের নেতা হিসেবে পরিচিত। খুনের মামলার অধিকাংশ অভিযুক্ত পলাতক ছিলেন। সেই তালিকায় ছিলেন নবকুমারও। তবে তিনি কয়েকদিন আগে বাড়িতে ফেরেন। খবর পেয়ে মঙ্গলবার বিকেলে এনআইএ ওই অভিযান চালায়। বাকচা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সঞ্জিৎ ভৌমিক বলেন, ‘‘কেন্দ্রীয় এজেন্সি (NIA) গ্রেফতার করেছে। বিজয়বাবুর খুনের ঘটনায় (BJP Leader Murder) যাঁদের নোটিশ পাঠিয়েছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা, তাঁদের অনেকেই গিয়েছেন হাজিরা দিতে। অনেকেই যাননি। তাঁদের খুঁজে বের করছে এজেন্সি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: উপনির্বাচনের আগে ‘দানা’য় ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়ির তালিকা তৈরির নির্দেশ, কমিশনে নালিশ বিজেপির

    BJP: উপনির্বাচনের আগে ‘দানা’য় ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়ির তালিকা তৈরির নির্দেশ, কমিশনে নালিশ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কমিশনের নির্দেশকে তোয়াক্কা না করেই ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’য় (Cyclone Dana) ক্ষতিগ্রস্তদের বাড়ি মেরামতির জন্য ‘হাউস বিল্ডিং গ্রান্ট’ প্রকল্পের উপভোক্তাদের তালিকা তৈরির নির্দেশ দিয়েছে বাঁকুড়ার ইন্দপুর ব্লক প্রশাসন। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিডিও-র তরফে সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েতে পাঠানো ওই নির্দেশিকায় নির্বাচনী বিধিভঙ্গ হয়েছে, এই দাবি তুলে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি (BJP)। অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট ব্লকের বিডিওর বরখাস্ত দাবিও করেছে পদ্ম শিবির।

    ঠিক কী অভিযোগ? (BJP)

    আগামী ১৩ নভেম্বর বাঁকুড়ার তালডাংরা বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। উপনির্বাচন উপলক্ষে গোটা বাঁকুড়া জেলায় লাগু হয়েছে আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধি। আর এই সময়ের মধ্যে গত ২৮ অক্টোবর ইন্দপুরের বিডিও সুমন্ত ভৌমিকের তরফে পঞ্চায়েতে পঞ্চায়েতে পাঠানো একটি চিঠিকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ঘুর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িগুলি যাচাই করে দেখে ‘হাউস বিল্ডিং গ্রান্ট’ প্রকল্পের উপভোক্তাদের বেছে তার তালিকা আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি উপভোক্তাদের কাছে থেকে প্রয়োজনীয় নথি এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিশদ তথ্য নিয়ে ব্লক প্রশাসনের কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পঞ্চায়েতগুলিকে। যাকে ঘিরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। 

    আরও পড়ুন: এআই ব্যবহার করেই কাশ্মীরে নিকেশ ৩ জঙ্গি, রহস্য ফাঁস করল সেনা

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভোটের আগে তপ্ত বাঁকুড়ার রাজনীতি। নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগ তুলে কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছে বিজেপি (BJP)। দলের বাঁকুড়া সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুনীলরুদ্র মণ্ডল বলেন, “এলাকার কাঁচা বাড়ির বাসিন্দাদের সরকারি প্রকল্পে পাকা বাড়ি দেওয়ার দাবিতে আমরা বারবার ইন্দপুরের বিডিও-র দ্বারস্থ হয়েছি। তখন তিনি কাঁচা বাড়ির বাসিন্দাদের না দিয়ে সেই ঘর দিয়ে দিয়েছেন তৃণমূল ঘনিষ্ঠদের। এখন তৃণমূলকে উপনির্বাচনে জেতানোর লক্ষ্যে নির্বাচনী বিধি ভেঙে সরকারি প্রকল্পের বাড়ি দেওয়ার ব্যাপারে তোড়জোড় শুরু করছেন। আমরা কমিশনে অভিযোগ জানানোর পাশাপাশি ওই বিডিওকে বরখাস্ত করার দাবি জানিয়েছি।” এ নিয়ে বিডিও আলাদা করে কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: নাবালিকাকে অপহরণের অভিযোগে গ্রেফতার বালুরঘাটের ‘বাহুবলী’ তৃণমূল নেতা

    Balurghat: নাবালিকাকে অপহরণের অভিযোগে গ্রেফতার বালুরঘাটের ‘বাহুবলী’ তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক নাবালিকাকে নির্যাতনকাণ্ডে পলাতক দক্ষিণ দিনাজপুরের আইএনটিটিইউসি’র প্রাক্তন জেলা সভাপতি তথা বাহুবলী নেতা রাকেশ শীল। তাঁর বিরুদ্ধে নাবালিকাকে নির্যাতনের মামলায় হুলিয়া জারি করেছে আদালত। এবার ওই নাবালিকাকেই অপহরণের অভিযোগে জেলে যেতে হল বালুরঘাটের (Balurghat) তৃণমূলের আরও এক বাহুবলী নেতা লগিন দাসকে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Balurghat)

    বালুরঘাটের (Balurghat) রাজনৈতিক মহলে লগিন দাস অত্যন্ত দাপুটে নেতা হিসেবেই পরিচিত। তিনি ২০১৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে সদলবলে তৃণমূলে যোগ দিয়ে তৃণমূলের (Trinamool Congress) ভাটপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হন। তাঁর স্ত্রী মনোরমা দাস জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ নির্বাচিত হন। এছাড়াও বালুরঘাট পুরসভার কাজকর্মেও তাঁর প্রভাব ছিল অনস্বীকার্য। তিনি জেলা ঠিকাদার সংস্থার দীর্ঘদিনের সম্পাদকও ছিলেন। ফলে একদিকে ব্যবসা, অন্যদিকে রাজনীতিতে প্রতিপত্তি, লগিন দাসকে বেতাজ বাদশা করে তুলেছিল। তাঁর বিরুদ্ধেে খুন, জলা জমি ভরাট ইত্যাদি নানা মামলা রয়েছে। এরই মধ্যে গত জুলাই মাসে হিলির এক নাবালিকাকে অপহরণ ও মারধরের মামলা তাঁর বিরুদ্ধে হয়েছিল। ওই নাবালিকার করা পস্কো মামলায় ইতিমধ্যেই পলাতক রয়েছে আরও এক বাহুবলী নেতা। ওই নাবালিকারই দাদা ও বউদির করা পৃথক দুটি মামলাতে অন্যান্য অভিযুক্তদের সঙ্গে ওই মামলায় লগিন দাসও অভিযুক্ত। ওই মামলাতেই লগিন দাসকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: বদলে গেল সময়, ২০২৫-এর একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষা শুরু কখন

    বিজয়া সম্মিলনী থেকে ফিরতেই গ্রেফতার

    বালুরঘাট (Balurghat) শহর তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র ও রাজ্য নেত্রী জয়া দত্তের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিজয়া সম্মিলনী। ওই অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত হন তৃণমূলের প্রাক্তন প্রধান তথা বাহুবলী নেতা লগিন দাস। বিজয়া সম্মিলনী থেকে বাড়ি ফিরতেই তাঁকে গ্রেফতার করল বালুরঘাট থানার পুলিশ। রাতেই তাঁকে হিলিতে নিয়ে যাওয়া হয়। হিলি থানার দুটি মামলায় গ্রেফতার করা হয় লগিন দাসকে। তাঁকে বালুরঘাট জেলা আদালতে নিয়ে আসা হয়। আগামী ৮ নভেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতক তরজা

    বিজেপি (Balurghat) জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, এরা সব নেতা নন, দুষ্কৃতী। তৃণমূলের ছত্রছায়ায় থেকে সমাজকে দূষিত করে চলেছে। এদের জায়গা জেলখানা। তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। আইন আইনের পথেই চলবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • By Election 2024: সিতাইয়ের তৃণমূল প্রার্থীর তফশিলি জাতি সার্টিফিকেট কি ভুয়ো? কমিশনে নালিশ

    By Election 2024: সিতাইয়ের তৃণমূল প্রার্থীর তফশিলি জাতি সার্টিফিকেট কি ভুয়ো? কমিশনে নালিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে যে ছ’টি জায়গায় উপনির্বাচন (By Election 2024) হচ্ছে তার মধ্যে অন্যতম কোচবিহারের (Cooch Behar) সিতাই বিধানসভা। এবার সেখানকার তৃণমূল (Trinamool Congress) প্রার্থী তথা জগদীশ বর্মা বসুনিয়ার স্ত্রী সঙ্গীতা রায়ের তফশিলি জাতি সার্টিফিকেট নিয়ে উঠল প্রশ্ন। তাঁর জাতিগত শংসাপত্র কি জাল? প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। হলফনামায় স্বামীর নামের জায়গায় বাবার নাম দিয়ে মনোনয়ন দাখিল করেছেন বলেও অভিযোগ।

    ঠিক কী অভিযোগ? (By Election 2024)

    সিতাই বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে (By Election 2024) তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন জগদীশ বর্মা বসুনিয়ার স্ত্রী সঙ্গীতা রায়। তিনি বর্তমানে সিতাই পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। পঞ্চায়েতের দেওয়া হলফনামায় তিনি তাঁর স্বামী হিসেবে জগদীশ বর্মা বসুনিয়ার নাম হলফনামায় জানিয়েছিলেন। অথচ সিতাই বিধানসভার উপনির্বাচনে তিনি স্বামীর নামের জায়গায় বাবার নাম দিয়েছেন। আর এই নিয়েই জলঘোলা হচ্ছে। বিরোধীরাও নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছে। সম্প্রতি রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা তাঁর হয়ে প্রচারে এসে সঙ্গীতা রায়কে তৃণমূলের সাংসদ জগদীশ বর্মা বসুনিয়ার স্ত্রী হিসেবেই সম্বোধন করে গিয়েছেন। এরপর হঠাৎ করে স্বামীর নামের জায়গায় বাবার নাম কেন লিখলেন সঙ্গীতা, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন বিরোধীরা। এর পাশাপাশি তাঁর তফশিলি জাতির সার্টিফিকেটটিও জাল বলে বিরোধীদের অভিযোগ।

    আরও পড়ুন: বদলে গেল সময়, ২০২৫-এর একাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষা শুরু কখন?

    কমিশনে নালিশ 

    সোমবার স্ক্রুটিনির সময় কংগ্রেসের পক্ষ থেকে রিটার্নিং অফিসারের কাছে সঙ্গীতার তফশিলি জাতির সার্টিফিকেটটি দেখানোর দাবি করা হয়। কিন্তু, আধিকারিকরা তা দেখাতে রাজি হননি বলে অভিযোগ। বিষয়টি নিয়ে আদালতে যাওয়ার চিন্তাভাবনা করছে বিজেপি। কংগ্রেসের তরফে ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর মনোনয়নপত্র নিয়ে রিটার্নিং অফিসারের (By Election 2024) কাছে অভিযোগ জমা দেন কংগ্রেস প্রার্থী ও তাঁর এজেন্ট। সোমবার দুপুরে মনোনয়নপত্র পরীক্ষার সময় মহকুমা শাসকের দফতরে এসে কংগ্রেস প্রার্থী হরিহর রায় সিনহা ও তাঁর এজেন্ট অভিযোগ জমা দেন বলে জানা গিয়েছে। সঙ্গীতা রায়ের এসসি সার্টিফিকেট নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তাঁরা। অবজার্ভারের উপস্থিতিতে সেই কাগজ দেখতে চাইলেও, অবজার্ভার চলে যাওয়ার পর তা তাঁদের দেখানো হয়নি বলে অভিযোগ। এই সমস্যার সমাধান না হলে হাইকোর্ট যাওয়ার হুমকিও দেন তাঁরা। বিজেপি প্রার্থী দীপক রায় বলেন, উপযুক্ত প্রমাণ সহ বিষয়টি সঠিক জায়গায় জানানো হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share