Tag: Trinamool Congress

Trinamool Congress

  • Halisahar: ক্ষমতার দম্ভ! জন্মাষ্টমীতে প্রকাশ্যে পর পর গুলি চালালেন তৃণমূল কাউন্সিলর

    Halisahar: ক্ষমতার দম্ভ! জন্মাষ্টমীতে প্রকাশ্যে পর পর গুলি চালালেন তৃণমূল কাউন্সিলর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জন্মাষ্টমীর রাতে প্রকাশ্যে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল কাউন্সিলের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে হালিশহর (Halisahar) পুরসভা এলাকায়। অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলরের নাম অশোক যাদব। তিনি পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। প্রকাশ্যে এভাবে গুলি চালানোর ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Halisahar)

    সোমবার ছিল জন্মাষ্টমী উৎসব। হালিশহর (Halisahar) পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে স্থানীয়দের উদ্যোগে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানে আয়োজন করা হয়। সেই অনুষ্ঠানে স্থানীয় তৃণমূল (Trinamool Congress) বিধায়ক সুবোধ অধিকারী, স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর অশোক যাদব থেকে শুরু করে দলের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও এলাকার কয়েকশো সাধারণ মানুষও সেখানে হাজির ছিলেন। জন্মাষ্টমী উৎসবে মেতে ওঠেন এলাকার মানুষ। অনুষ্ঠান চলাকালীন আচমকা তৃণমূল কাউন্সিলর শূন্যে দু রাউন্ড গুলি চালান বলে অভিযোগ। প্রকাশ্যে এভাবে গুলি চালানোর ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়।

    ‘‘আবদার রাখতেই গুলি চালিয়েছি’’

    বিরোধীদের অভিযোগ, এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতেই পরিকল্পিতভাবে তৃণমূল কাউন্সিলর এভাবে প্রকাশ্যে গুলি চালিয়েছেন। যদিও তৃণমূল কাউন্সিলর অশোক যাদবের সাফাই, তিনি আবদার রাখতেই নাকি গুলি চালিয়েছেন! অশোক যাদব বলেন,  ‘‘এ বছর আমি রিভলভরের লাইসেন্স পেয়েছি। এটা কোনও বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র নয়। আমার ওয়ার্ডের দলের ছেলেরা আমাকে অনুরোধ করেন, জন্মাষ্টমী উপলক্ষে ফায়ার করার জন্য। ওরা বাজি ফাটাচ্ছিল, সঙ্গে ফায়ার করার জন্য অনুরোধ করে। তার জন্য আমাকে টাকাও দিতে চেয়েছিল। আমি তাদের কাছে কোনও টাকা পয়সা নিইনি। শুধু ওয়ার্ডের ছেলেদের আবদার রাখতেই আমি পর পর দু’রাউন্ড শূন্যে ফায়ার করেছি। কোনও সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করার জন্য এ কাজ আমি করিনি। আর আমি ১২.০৫ মিনিট নাগাদ ফায়ারিং করি। তখন সেখানে খুব বেশি লোকজনও ছিল না। ফলে, ভয় দেখানোর কোনও প্রশ্নই নেই।’’

    আরও পড়ুন: ‘‘শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ দমন নয়’’, মমতাকে সুপ্রিম-নির্দেশ মনে করালেন রাজ্যপাল

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি নেতা সন্দীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘আসলে ওই তৃণমূল নেতার কাছে রিভলভর রয়েছে তা সকলকে জানাতে হবে। তাই, এভাবে তিনি প্রকাশ্যে গুলি চালালেন। এই ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনের ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।’’ অন্যদিকে, হালিশহর (Halisahar) পুরসভার চেয়ারম্যান শুভঙ্কর ঘোষ বলেন, ‘‘আমি প্রকাশ্যে গুলি চালানোর ভিডিও দেখেছি। কেন তিনি এভাবে গুলি চালালেন তা জানি না। বিষয়টি নিয়ে আমি তাঁর সঙ্গে কথা বলব। তাছাড়া প্রশাসন বিষয়টি দেখছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Asansol: টিএমসিপি-র জঙ্গি আন্দোলনে পদত্যাগ করলেন কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য!

    Asansol: টিএমসিপি-র জঙ্গি আন্দোলনে পদত্যাগ করলেন কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের ছাত্র সংগঠনের জঙ্গি আন্দোলনের জের। কার্যত বাধ্য হয়ে পদত্যাগ করলেন আসানসোলের (Asansol) কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার ইমেল মারফত আচার্য তথা রাজ্যপালকে ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রের খবর, পদত্যাগপত্র গ্রহণও করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। আর তৃণমূল সরকার পরিচালিত এই রাজ্যে আর চাকরি করতে চান না তিনি। শুধু বিশ্ববিদ্যালয় নয়, রাজ্য ছেড়েই তিনি চলে যাচ্ছেন।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Asansol)

    বেশ কিছু দিন ধরেই তৃণমূলের ছাত্র সংগঠন টিএমসিপি পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে (Asansol) কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। তৃণমূল ছাত্র পরিষদ-এর অভিযোগ, ছাত্র ভর্তির টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আইনি লড়াইয়ের খাতে খরচ করা হয়েছে। ব্যয় হওয়া প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা কখন, কোথায়, কী কারণে খরচ করা হয়েছে, তা শ্বেতপত্র প্রকাশ করে উপাচার্যকে জানাতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে ওই টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি জানানো হয়। টিএমসিপির জঙ্গি আন্দোলন এমন জায়গায় পৌঁছয় যে, কয়েক সপ্তাহ ধরে বাড়িতে বসেই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ করছিলেন উপাচার্য দেবাশিসবাবু। এ নিয়ে তিনি চিঠি দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্যপালকে। গত ১৬ অগাস্ট প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে এক বার বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছিলেন উপাচার্য। কিন্তু, ফের আন্দোলনের মুখে পড়েন। দেবাশিসবাবুর অভিযোগ, “বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকতেই সেদিন কয়েক জন বহিরাগত ঢুকে শাসিয়েছিল, আরজি কর বানিয়ে দেব!” ওই বিষয়ে নিয়ে থানায় অভিযোগও করেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু, পুলিশের পক্ষ থেকে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। পদত্যাগ প্রসঙ্গে টিএমসিপি-র পশ্চিম বর্ধমানের জেলা সভাপতি অভিনব মুখোপাধ্যায় বলেন, “উনি ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন। ইস্তফাপত্র গৃহীতও হয়ে গিয়েছে। কিন্তু আমরা মনে করি, লক্ষ লক্ষ টাকা তছরুপ হয়েছে তাঁর আমলে। সেই হিসেব না দিয়ে আন্দোলন এড়াতে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে চলে গেলেন!”

    আরও পড়ুন: ব্র্যান্ড ভ্যালু হারানোর ভয়! মিছিলে নেই, মেয়ের সঙ্গে মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদ সৌরভের

    কী বললেন পদত্যাগী উপাচার্য?

    দেবাশিসবাবু বলেন, “আন্দোলনের জেরে বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে কাজ করতে পারছিলাম না। ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ করতে হচ্ছিল। তাই ইস্তফাই দিলাম। রাজ্যপাল পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন।” এই রাজ্যে আর থাকতে চান না বলে জানান পদত্যাগী উপাচার্য। তিনি বলেন, “ভিনরাজ্যে একটি ‘ভালো অফার’ পেয়েছি। সেখানে চলে যাব।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bankura: আরজি কর কাণ্ডে আন্দোলনকারী ডাক্তারদের ‘হাত মুচড়ে’ দেওয়ার নিদান তৃণমূল সাংসদের!

    Bankura: আরজি কর কাণ্ডে আন্দোলনকারী ডাক্তারদের ‘হাত মুচড়ে’ দেওয়ার নিদান তৃণমূল সাংসদের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর গায়ে কালি লাগানোর চেষ্টা হলে হাত মুচড়ে দেওয়ার নিদান দিলেন বাঁকুড়ার (Bankura) তৃণমূল সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী। বিরোধীদের মদত দেওয়ার অভিযোগ তুলে হুঁশিয়ারি দিতে দেখা গেল পুলিশের একাংশকেও। আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের জনরোষের মুখে পড়ার সম্ভাবনার কথা শোনা গেল সাংসদের মুখে। তাঁর এই বক্তব্যে নিন্দার ঝড় উঠেছে। আরজি কর কাণ্ড নিয়ে দলের নেতা-মন্ত্রীরা আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। দোষীদের শাস্তি দাবি করছেন। সেখানে নেত্রীর ‘গুড বুকে’ থাকার জন্য আন্দোলনকারীদের হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি। এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    ঠিক কী বলেছেন তৃণমূল সাংসদ? (Bankura)

    আরজি করের ঘটনায় সাধারণ মানুষের আন্দোলনে উত্তাল সারা দেশ। এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিকভাবে বেশ বেকায়দায় পড়ে একই দাবি তুলে পথে নেমেছে তৃণমূল। দলীয় নির্দেশে রবিবার সন্ধ্যায় বাঁকুড়ার (Bankura) হিন্দু হাইস্কুল ময়দান থেকে মাচানতলা পর্যন্ত মূলত মহিলাদের নিয়ে মিছিল করে তৃণমূলের বাঁকুড়া জেলা নেতৃত্ব। মিছিল শেষে মাচানতলায় আকাশ মুক্ত মঞ্চ সভা হয়। সভামঞ্চ থেকে সাংসদ বলেন, ‘‘মণিপুরে যখন মহিলাদের ওপর অত্যাচার হয় তখন সিপিআইএম কোথায় ছিল? আজ মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করে নাইট শো-র সিনেমা দেখার মতো করে মহিলাদের রাস্তায় নামানো হচ্ছে। এভাবে মুখ্যমন্ত্রীর গায়ে কালি লাগানোর চেষ্টা হলে তৃণমূল কর্মীরা আপনাদের হাত মুচড়ে দেবে।’’ বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজে আন্দোলনকারী জুনিয়ার চিকিৎসকদের সতর্ক করে সাংসদ বলেন, ‘‘কর্মবিরতির নামে অনেক জুনিয়র চিকিৎসক বেড়াতে যাচ্ছেন। অনেকে বাড়ি যাচ্ছেন। আপনারা ডাক্তারি করতে এসেছেন, রাজনীতি করতে নয়। তাই আপনারা পরিষেবা স্বাভাবিক রাখুন। হাসপাতালে রোগী মারা যেতে শুরু করলে গ্রাম-গঞ্জ থেকে দলে দলে লোক হাসপাতালে ছুটে আসবে। জনরোষ তৈরি হবে। তখন আমরা সামলাতে পারব না।’’ সভামঞ্চ থেকে পুলিশের একাংশকেও হুঁশিয়ারি দেন সাংসদ। তিনি বলেন, ‘‘পুলিশের একাংশ সাপের মুখেও চুমু খাচ্ছেন, আবার ব্যাঙের মুখেও চুমু খাচ্ছেন। মিটিং মিছিল করতে দিয়ে বিরোধীদের মদত দিচ্ছেন। আমাদের কর্মীরা সব নজর রাখছে। মনে রাখবেন আপনাদের রাজ্য সরকারের অধীনে কাজ করতে হবে।’’

    আরও পড়ুন: ২২ অগাস্ট স্বাস্থ্য ভবন ঘেরাও, আরজি কর কাণ্ডে লাগাতার ধর্না বিজেপির

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Incident: আরজি কর কাণ্ডে শান্তনু-সুখেন্দুর পর ‘বিদ্রোহী’ সাবিনাও, পায়ের তলার মাটি সরছে তৃণমূলের!

    RG Kar Incident: আরজি কর কাণ্ডে শান্তনু-সুখেন্দুর পর ‘বিদ্রোহী’ সাবিনাও, পায়ের তলার মাটি সরছে তৃণমূলের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর কাণ্ড (RG Kar Incident) নিয়ে দেশজুড়়ে আন্দোলন চলছে। শাসক দলের অন্দরে এবার এই অন্যায় নিয়ে একের পর এক সাংসদ, মন্ত্রীরা মুখ খুলছেন। শান্তনু সেন আগেই আরজি করের চক্র নিয়ে সরব হয়েছেন। তাঁর মেয়ের ওপর কী নির্যাতন হয়েছে তা নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলেছেন। পাশাপাশি মমতার পুলিশ যখন আন্দোলনকারীদের কন্ঠরোধ করার চেষ্টা চালাচ্ছে, সেই সময় প্রকাশ্যেই আন্দোলনকারীদের সমর্থন করেছেন তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায়। এবার সেই সুখেন্দু শেখরের পাশে দাঁড়ালেন সাবিনা ইয়াসমিন। রবিবার মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আরজি করে তরুণী চিকিৎসক খুনের ঘটনার জুনিয়র চিকিৎসকদের প্রতিবাদ মঞ্চে এসেছিলেন রাজ্যের সেচ ও উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। মুখ খুললেন তিনিও। বলা যেতে পারে, আরজি কর কাণ্ড নিয়ে এক এক করে বিদ্রোহী হয়ে উঠছেন তৃণমূলের নেতা-সাংসদ-মন্ত্রীরা। শান্তনু-সুখেন্দুর পর এবার সাবিনাও আন্দোলনকারীদের সমর্থন করলেন। পায়ের তলার মাটি সরছে, বুঝতে পারছে মমতা সরকার। এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    কঠোর থেকে কঠোর শাস্তির দাবি মন্ত্রীর (RG Kar Incident)

    মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন জানান, সবাই সবার মতো করে আন্দোলন (RG Kar Incident) করছে, এটা এমন একটা ইস্যু সবাই সবার মতো করে বলছেন। সকলেরই দাবি বিচার হোক, আজকে সমস্ত জুনিয়র চিকিৎসকরা বিচারের দাবিতে বসে আছেন। হাসপাতালের পরিষেবা ব্যাহত হয়ে রয়েছে। অন্যদিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চিকিৎসকদের বিরাট অংশ আজকে পরিষেবা থেকে বঞ্চিত আছে। নিশ্চয়ই তাঁরা চাইবেন, তাঁদের সহপাঠীর এই মর্মান্তিক পরিণতি ঘটিয়েছে যারা, তাদের ফাঁসি হোক। সাবিনা বলেন, ‘‘যে যার মতো থেকে বলছে আমরাও আমাদের মতো থেকে আন্দোলন করছি। এখানে একটা ঘটনা ঘটেছে, আমরা সাপোর্ট করছি না। আমি একজন মহিলা, আমি তা সমর্থন করতে পারি না। আমিও দুই কন্যা সন্তানের মা। আমি এই ঘটনাকে কখনওই সমর্থন করতে পারি না। আমরা চাই, দোষীদের কঠোর থেকে কঠোরতর শাস্তি হোক। এই আন্দোলন শান্তিপূর্ণ আন্দোলন, একটা পথ দেখাবে ভবিষ্যতে।’’ সাবিনা আরও বলেন, ‘‘কোনও মেয়ে বা কোনও মহিলা যেন ধর্ষণের শিকার না হয়। এমন একটা কড়া আইন হওয়া উচিত যাতে কেউ একবার ধর্ষণ করতে গেলে তার শরীর কাঁপে। এটা আমি মনে করি। সিবিআইকে বলব যে প্রকৃত তথ্য অবিলম্বে সামনে আসুক। কারণ, আমাদের দিদি প্রথম দিন থেকেই বলেছিলেন যে, রবিবারের মধ্যে যদি আমরা না পারি রাজ্য সরকার তাহলে আমরা সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেব। ভারতবর্ষের সংবিধান প্রত্যেক নাগরিককে বাক স্বাধীনতা দিয়েছে। সুতরাং আমি যা বলার বলছি, আরেকজন যা বলার বলবে। প্রত্যেকেরই বাক স্বাধীনতা আছে। আমি আমার বক্তব্যে অনড় আছি।’’

    আরও পড়ুন: ২২ অগাস্ট স্বাস্থ্য ভবন ঘেরাও, আরজি কর কাণ্ডে লাগাতার ধর্না বিজেপির

    প্রসঙ্গত, আরজি কর কাণ্ডে কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল ও প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের গ্রেফতারি চেয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়। তাঁর সেই বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছেন জোড়াফুলেরই নেতা কুণাল ঘোষ। তবে এরপরেও নিজের বক্তব্য থেকে একচুলও সরছেন না বর্ষীয়ান তৃণমূল সাংসদ। এবার সাবিনাও আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়ালেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Udayan Guha: ‘মধ্যরাত দখলের’ কর্মসূচিকে কটাক্ষ! উদয়নের ‘অশ্লীল রসিকতা’য় শোরগোল

    Udayan Guha: ‘মধ্যরাত দখলের’ কর্মসূচিকে কটাক্ষ! উদয়নের ‘অশ্লীল রসিকতা’য় শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উদয়ন আছেন উদয়নেই! কখনও তিনি সদলে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিককে মারতে তেড়ে যান। কখনও আবার ‘যেমন ভোট, তেমন কাজ’ বলে বিরোধীদের প্রচ্ছন্ন হুমকি দেন। সেই তিনিই এবার কুৎসিত মন্তব্য করলেন মহিলাদের সম্পর্কে। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনার প্রতিবাদে পথে নামছেন মহিলারা। বুধবার রাতে রাজ্যজুড়ে ‘মধ্যরাত দখলের’ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও এই অরাজনৈতিক কর্মসূচি ঘিরে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। আর মেয়েদের এই অরাজনৈতিক আন্দোলনে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী তথা দিনহাটার বিধায়ক তৃণমূলের (দলবদলু, ফরওয়ার্ড ব্লক থেকে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন) উদয়ন গুহ। রাজনৈতিক মহলের মতে, তাই ফেসবুক পোস্টে ‘কুৎসিত রসিকতা’। তাঁর (Udayan Guha) ফেসবুক পোস্ট ঘিরে তোলপাড় রাজ্য। 

    সোশ্যাল মিডিয়ায় কী লিখেছেন মন্ত্রী? (Udayan Guha)

    মহিলাদের এই আন্দোলনের প্রস্তুতি-পর্বের ঢেউ ছড়িয়েছে রাজ্যের সর্বত্র। আন্দোলন সফল করতে কোমর কষে নেমে পড়েছেন মহিলারা। জোটবদ্ধ হয়ে প্রতিবাদ সভায় যাবেন বলে ঠিক করেছেন তাঁরা। অরাজনৈতিক একটি আন্দোলনের আঁচ যে এত ব্যাপক হতে পারে, তা কল্পনাও করতে পারেননি তৃণমূলের নেতারা। উত্তরবঙ্গ জুড়েও এই আন্দোলন নিয়ে চলছে জোর চর্চা। স্বাভাবিকভাবে এই আন্দোলনকে হেয় প্রতিপন্ন করে তৃণমূল কোম্পানির নয়নের মণি হতে চাইছেন তৃণমূলের এই মন্ত্রী। এমনই অভিযোগ বিরোধীদের। ফেসবুক পোস্টে উদয়ন (Udayan Guha) লেখেন, “দিনহাটার কেউ কেউ কাল (বুধবার) রাতের দখল নিতে চাইছেন। আমার সমর্থন থাকল। তবে, স্বামীর অত্যাচার থেকে বাঁচতে রাতে ফোন করবেন না।” মহিলাদের আন্দোলনকে কটাক্ষ করতেই মন্ত্রীর এই ধরনের পোস্ট বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের। 

    আরও পড়ুন: ‘ধর্ষণের বাংলা চাইনা চাইনা’, কলকাতায় আজ ধিক্কার মিছিলের ডাক বিজেপির

    সরব বিজেপি

    উদয়নের (Udayan Guha) এই বেফাঁস মন্তব্যকে হাতিয়ার করেছে বিজেপি। রাজ্য বিজেপির (BJP) এক্স হ্যান্ডল (সাবেক টুইটার) থেকে রাজ্যের মন্ত্রীর পোস্টের স্ক্রিনশট দিয়ে লেখা হয়েছে, “নারীবিদ্বেষী পোস্ট তৃণমূলের মন্ত্রীর। আরজি করে ধর্ষণ এবং হত্যার ভয়াবহতার মধ্যে শক্তিকে জোরদার করতে রাজ্যের মানুষ যখন আজ (বুধবার) রাস্তায় নেমে শঙ্খ বাজানোর পরিকল্পনা করছে, তখন উদয়ন গুহ অশ্লীল রসিকতা করেছেন!” বিজেপির এ-ও অভিযোগ,” মন্ত্রী গার্হস্থ্য হিংসার মতো ঘটনাকে তুচ্ছ বলে মনে করেন। তাই রাত দুপুরে নির্যাতনের শিকার হয়ে কোনও মহিলা যদি জনপ্রতিনিধি বলে উদয়নের সাহায্য চান, তাঁদের সরাসরি ‘না’ বলে দেবেন মন্ত্রী।” বিজেপির  (BJP) কটাক্ষ নিয়ে উদয়নের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁর সংক্ষিপ্ত জবাব, “আমি কোনও নারীবিদ্বেষী মন্তব্য করিনি।” বিজেপি এক্স হ্যান্ডলে কী প্রতিবাদ জানিয়েছে দেখে নিন।

    Sexist remarks by TMC Minister Udayan Guha.

    When the people of West Bengal are planning to hit the streets tonight and blow conch shells to raise the Shakti within amidst the RG Kar rape and murder horror, Udayan Guha resorts to vulgar jokes!

    He trivializes domestic violence… pic.twitter.com/ivku5jBDur

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: মন্দির তৈরিতে বিজেপি কর্মীদের বাধা দিল তৃণমূল! বাড়ি ভাঙচুর, হামলা

    South 24 Parganas: মন্দির তৈরিতে বিজেপি কর্মীদের বাধা দিল তৃণমূল! বাড়ি ভাঙচুর, হামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচন মিটে গেলেও রাজনৈতিক অশান্তি অব্যাহত। এর আগেও একাধিকবার বিরোধীদের ওপর আক্রমণের খবর সামনে এসেছে। এবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) মথুরাপুরের লক্ষ্মীনারায়ণপুর দক্ষিণ গ্রাম পঞ্চায়েতের কৃষ্ণরামপুরে সকাল থেকেই বিজেপি কর্মী-‌সমর্থকদের বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (South 24 Parganas)

    শুক্রবার সকালে বিজেপির (BJP) কর্মী-সমর্থকরা কৃষ্ণরামপুরে (South 24 Parganas) একটি মন্দির তৈরি করছিলেন। মন্দির করতে তৃণমূলের নেতাদের অনুমতি নিতে হবে। বিজেপি কর্মীরা সেটা করেননি। এটাই অপরাধ! আর অনুমতি ছাড়া মন্দির তৈরি করার জন্য তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বাঁশের লাঠি, রড নিয়ে বিজেপি কর্মী-‌সমর্থকদের ওপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। তাঁদের মারধর করা হয়। ভয়ে বিজেপি কর্মী-‌সমর্থকরা বাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকে এই এলাকার প্রায় ৪০টি বিজেপি সমর্থিত বাড়িতে একাধিকবার হামলা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের কর্মী-‌সমর্থকদের বিরুদ্ধে। পুলিশকে জানিয়েও কোনও সুরাহা হয়নি। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে  যখন মন্দির ভাঙার ঘটনা ঘটছে, তখন এই বাংলায় মন্দির তৈরিকে কেন্দ্র করে এইভাবে বিজেপি কর্মীদের ওপর আক্রমণ কীসের ইঙ্গিত দিচ্ছে, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন? জানা গিয়েছে, এই ঘটনায় মথুরাপুর থানার পুলিশ উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে গোটা বিষয়ের তদন্তের শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: আজ দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে নাগ পঞ্চমী, জানুন পৌরাণিক কাহিনী

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    মথুরাপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মানবেন্দ্র হালদার বলেন, বিষয়টি জমি নিয়ে পারিবারিক বিবাদ। এরসঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই। বিজেপি রাজনীতির রং দেওয়ার চেষ্টা করছে। অন্যদিকে, মথুরাপুর ১ নম্বর ব্লকের বিরোধী দলনেতা প্রবীর বৈদ্য বলেন, এই ছবিটা শুধুমাত্র মথুরাপুরের নয়, গোটা রাজ্য জুড়েই তৃণমূলের দুষ্কৃতী বাহিনীরা বিজেপির (BJP) ওপরে হামলা চালাচ্ছে। এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই। মন্দির তৈরিতেও তৃণমূল বাধা দিচ্ছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না। তৃণমূলের লোকজন হামলা চালানোর পর উল্টে আমাদের কর্মীদের মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। এটা মেনে নেওয়া যায় না। হামলাকারীদের সকলকে গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Titagarh: মমতার দেওয়া পুজোর অনুদানের টাকা ঢুকল তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামীর অ্যাকাউন্টে!

    Titagarh: মমতার দেওয়া পুজোর অনুদানের টাকা ঢুকল তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামীর অ্যাকাউন্টে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গা পুজোয় সরকারি অনুদান দেওয়া নিয়ে বড়সড় দুর্নীতি সামনে এল। সরকারি অনুদানের টাকা তৃণমূল (Trinamool Congress) কাউন্সিলরের স্বামীর অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে টিটাগড় (Titagarh) পুরসভা এলাকায়। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই বিজেপি সরব হয়েছে। এমনকী, হাইকোর্টে যাওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিরোধী দল।

    ঠিক কী অভিযোগ?(Titagarh)

    মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া পুজোর অনুদানের টাকা টিটাগড় (Titagarh) বিবেকনগর পুজো কমিটির বদলে কমিটির জেনারেল সেক্রেটারির ব্যক্তিগত কোম্পানির অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে বলে অভিযোগ। পুজো কমিটির সেক্রেটারির নাম দেবব্রত ভট্টাচার্য। তিনি আবার তৃণমূল কাউন্সিলর মৌসুমী ভট্টাচার্যের স্বামী। তাঁর কোম্পানির অ্যাকাউন্টে সরকারি টাকা ঢুকেছে। দেবব্রত বলেন, “কারও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট না থাকলে জেনারেল সেক্রেটারির ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে ঢোকে। সেখান থেকে খরচ করা হয়। এটা সর্বজনীন। যদি প্রোটোকল না থাকত, আমাকে তো চেক দিতই না ট্রেজারি থেকে। আমাকে ম্যালাইন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।”

    দেবব্রতর স্ত্রী কাউন্সিলর মৌসুমি ভট্টাচার্য বলেন, “যে সমস্ত পুজো কমিটির অ্যাকাউন্ট নেই, সেক্রেটারি বা কারও ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে টাকা আসে। টিটাগড় থানা থেকে এবার একটা অর্ডার এসেছে, ২০২৩ সাল পর্যন্ত যে সমস্ত পুজো কমিটি নিজেদের অ্যাকাউন্টে টাকা নিত, ২০২৪ থেকে তা হবে না। পুজো কমিটির অ্যাকাউন্টেই টাকা নিতে হবে। গতবার নিয়ম ছিল। অনেকে বিষয়টার ভিতরে ঢুকছে না। ভাবছে সেক্রেটারির অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে, সেক্রেটারি টাকা নিয়ে নিয়েছে। কিন্তু, সবটাই ভুল। সঙ্গে সঙ্গে পুজোর অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: পরপর মন্দিরে হামলা, নেতাকে হত্যা! বাংলাদেশে ফের টার্গেট হিন্দুরা

    দলীয় কাউন্সিলরও সরব হয়েছেন

    কাউন্সিলর বা তাঁর স্বামী যা সাফাই দিন না কেন, তা মানতে নারাজ দলেরই একাংশ। এ প্রসঙ্গে বিবেকনগরের পুজো কমিটির সঙ্গে এক সময় যুক্ত এবং টিটাগড় (Titagarh) পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতা প্রশান্ত চৌধুরী বলেন “আমাদের প্রতিটা পুজো কমিটির সঙ্গে দীর্ঘদিন আমি জড়িত। প্রতিটি পুজো কমিটিরই ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট আছে। ২০২১ সাল পর্যন্ত এই পুজোর সঙ্গেও ছিলাম। ২০২২ থেকে আমি খুব একটা জড়িত নই। যেহেতু অন্য জায়গায় কাউন্সিলর হয়েছি, সেখানে পুজো হয়। এটা কী করে হল আমার মাথায় আসছে না। একটা কোম্পানির অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে দেখলাম।”

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চালু করা দুর্গাপুজোর ক্লাবগুলিকে সরকারি টাকা অনুদান দেওয়ার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই সরব বিজেপি। দীর্ঘদিন ধরেই এর প্রতিবাদ করে আসছে বিজেপি। গেরুয়া শিবির, একাধিকবার দাবি করেছে, দুর্গাপুজোর আড়ালে এভাবে দলের একাংশের তুষ্টিকরণ করা হচ্ছে। সেই দাবি যে অমূলক নয়, তার প্রমাণ ফের একবার মিলল এদিন। এ প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা তথা আইনজীবী কৌস্তভ বাগচী বলেন, ‘‘সরকারি অনুদানের টাকা এভাবে ব্যক্তিগত কারও অ্যাকাউন্টে ঢুকতে পারে না। এর তদন্ত হওয়া দরকার। আমি সংশ্লিষ্ট দফতরে চিঠি দেব। হাইকোর্টে মামলাও দায়ের করব।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: ‘‘বিজেপি কখনও বাংলাকে ভাগ করতে চায় না, মিথ্যা বলছে তৃণমূল’’, সাফ জবাব দিলীপের

    BJP: ‘‘বিজেপি কখনও বাংলাকে ভাগ করতে চায় না, মিথ্যা বলছে তৃণমূল’’, সাফ জবাব দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলা ভাগের চেষ্টার অভিযোগকে সামনে রেখে আগামী সোমবার সরকার পক্ষের তরফে বিধানসভায় নিন্দা প্রস্তাব আনা হচ্ছে। বিজেপিকে বাংলা ভাগের মদতদাতা বলে প্রমাণ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে মমতা সরকার। তবে সরকারের এমন প্রচেষ্টা কতটা সফল হবে, সে নিয়ে সন্দিহান রাজনৈতিক মহল। এই আবহে তীব্র প্রতিবাদ জানালেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তিনি বলেন, ‘‘বিজেপি (BJP) কখনও কোনওদিন বাংলাকে ভাগ করতে চায় না। মানুষকে বিভ্রান্ত করে মিথ্যা কথা বলছে রাজ্যের বর্তমান সরকার তৃণমূল কংগ্রেস। যাঁরা বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলিকে মদত দেয়, তাঁরা বিজেপির (BJP) সম্পর্কে মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে। কামতাপুরি আন্দোলন থেকে গোর্খাল্যান্ডকে যাঁরা সমর্থন করেছিল তাঁরাই এখন বিজেপির (BJP) সম্পর্কে মানুষকে মিথ্যা কথা বলছে। বিজেপি কখনও বাংলাকে ভাগ করতে চায় না।’’

    প্রস্তাবে উল্লেখ সুকান্ত মজুমদারের নামও

    বিধানসভার অধিবেশন পরিচালনা বিধির ১৮৫ নম্বর ধারায় এই প্রস্তাব আনা হচ্ছে বলে খবর। ইতিমধ্যে বিধানসভার বুলেটিনে আজ তা প্রকাশিত হয়েছে। বাংলা ভাগের অপচেষ্টা করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে ওই প্রস্তাবে। এই ধরনের উদ্যোগ থেকে বিরত থাকার জন্য বিধানসভা রাজ্য সরকারের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে অনুরোধ করছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। প্রস্তাবের শেষ অংশে রাজ্যের সকল শ্রেণির ঐক্য, সংহতি, শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষার স্বার্থে পশ্চিমবঙ্গকে অটুট রাখার জন্য সকল স্তরের জনগণের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। নাম না করে সুকান্ত মজুমদারের কথাও প্রস্তাবে বলা হয়েছে। উত্তর-পূর্বের সঙ্গে সংযুক্ত করা রাজ্য ভাগের নামান্তর বলা হয়েছে শাসক শিবিরের আনা প্রস্তাবে। নাম না করে উল্লেখ করা হয়েছে নিশিকান্ত দুবের মন্তব্যও। এমন প্রস্তাব যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তা বুঝতে বাকি থাকছে কারও।

    রাজ্য সরকার বঞ্চনা করেছে উত্তরবঙ্গকে (BJP)

    এনিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘উত্তরবঙ্গের উন্নয়নে কেন্দ্রীয় সরকার করেছে, সড়ক থেকে হাসপাতাল সবকিছুই বানিয়েছে। অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গকে বঞ্চনা করেছে রাজ্য সরকার। সুকান্তদা উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের জন্য নয়া মডেল সামনে রেখেছেন। বিজেপি কখনও বাংলাভাগের পক্ষে নয়, কখনও কোথাও কোনও সংকল্পপত্রে বিজেপি তা উল্লেখ করেনি। আমরা বাংলাকে পাকিস্তানের কাছ থেকে ছিনিয়ে এনেছি। যারা বাংলাকে ভাগ করেছে, তারাই এখন রাজ্যের জন্য প্রেম দেখাচ্ছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “হিসেব দাও, টাকা নাও”, রাজ্যসভায় তৃণমূল সাংসদকে মুখের মতো জবাব অমিত শাহের

    Amit Shah: “হিসেব দাও, টাকা নাও”, রাজ্যসভায় তৃণমূল সাংসদকে মুখের মতো জবাব অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০০ দিনের প্রকল্প থেকে আবাস যোজনা— সব ক্ষেত্রেই বার বার কেন্দ্রীয় সরকার বঞ্চনা করছে। অর্থ বরাদ্দ করছে না বলে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দলের সাংসদ, বিধায়করা সরব হয়েছেন। বাস্তবে এই সব প্রকল্পে ভুরি ভুরি দুর্নীতি হয়েছে। ভুয়ো মাস্টার রোল তৈরি করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে। ফলে, এই সব প্রকল্পের সঠিক হিসেব দিলেই টাকা মিলবে বলে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকী, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও বার বার একথা বলেছেন। এই পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গকে আর্থিক বঞ্চনা করা হয়েছে দাবি তুলে বুধবার রাজ্যসভায় ফের একবার সরব হন তৃণমূল সাংসদ সাকেত গোখলে। যদিও তাঁর প্রশ্নের পর পরই মুখের ওপর মোক্ষম জবাব দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)।

    কী বলেছেন তৃণমূল সাংসদ?

    মঙ্গলবার ভোরে, টানা বৃষ্টির জেরে ভয়াবহ ধস নেমেছে কেরলে। তছনছ হয়ে গিয়েছে ওয়েনাড় জেলার একাধিক গ্রাম। সেই বিপর্যয়ের প্রেক্ষিতে, বুধবার রাজ্যসভায় ফের কেন্দ্রীয় বাজেটে থাকা বন্যা প্রসঙ্গ ওঠে। প্যাকেজ থেকে বাংলাকে বঞ্চিত করার প্রসঙ্গ তোলেন রাজ্যসভার (Rajya Sabha) তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সাকেত গোখলে। তিনি বলেন, “বন্যাত্রাণে থাকা রাজ্যগুলির তালিকায় কেরল ও পশ্চিমবঙ্গকে যোগ করা যায় কিনা তা কেন্দ্রীয় সরকারকে বিষয়টি দেখার জন্য বলছি।” একইসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী তহবিলের ২৫ শতাংশ দেয় রাজ্য সরকার। তাও, কোনও বিপর্যয়কে কেন্দ্রীয় সরকার জাতীয় বিপর্যয় ঘোষণা না করলে, সেই তহবিলের মাত্র ১০ শতাংশ ব্যবহার করতে পারে রাজ্য। রাজ্যগুলিকে এই তহবিলের ২৫ শতাংশ খরচ করার অধিকার দেওয়ার দাবি জানিয়েছি।”

    আরও পড়ুন: ধর্মান্তরণ রুখতে আইন করা উচিত অন্য রাজ্যগুলোরও, বললেন ভিএইচপি কর্তা

    পশ্চিমবঙ্গকে ৪,৬১৯ কোটি দেওয়া হয়েছে (Amit Shah)

    জবাবে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “২০১৪ থেকে ২০২৪ – এই ১০ বছরে বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য পশ্চিমবঙ্গের ৬,২৪৪ কোটি টাকার দাবি আমরা মঞ্জুর করেছি। পশ্চিমবঙ্গ থেকে যেমন যেমন খরচের হিসেব আসে, আমরা টাকা দিয়ে দিই। হিসেব দিলেই টাকা দিয়ে দিই। এইভাবে ৪,৬১৯ কোটি টাকা দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু, সেখান থেকে হিসেব আসা নিয়ে সমস্যা আছে। আমি তো তা করতে পারি না। সেই হিসেব বাংলাকেই করতে হবে। হিসেব দিতে হয়। এটা তো সরকারের বিষয়। কোনও রাজনৈতিক দলের বিষয় নয়। সরকারের নিয়ম আছে, বিধি আছে, খরচের হিসেব রাখতে হয়, অডিট হয়। যদি কাউকেই না মানি, তাহলে তো কিছু সমস্যা হবেই। তবে, ধীরে ধীরে অভ্যাসের বদল হচ্ছে। উন্নতি হয়েছে। তাই, ৬,২৪৪ কোটি টাকার মধ্যে ৪,৬১৯ কোটি টাকা দিয়ে দেওয়া হয়েছে।” রাজ্যসভায় (Rajya Sabha) জবাবি বক্তৃতায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী তহবিলের ১০ শতাংশ নিজের ইচ্ছামতো খরচ করতে পারে সংশ্লিষ্ট রাজ্য। কিন্তু, ওই তহবিলের অর্থ যাতে অন্য কোনও প্রকল্পে খরচ করা না হয়, তার জন্যই বাকি ৯০ শতাংশ খরচ করার ক্ষেত্রে কেন্দ্রের গাইডলাইন মেনে চলতে বলা হয়েছে। সেই গাইডলাইন মেনে রাজ্যগুলি ওই ৯০ শতাংশও খরচ করতে পারে। তার জন্য কেন্দ্রের অনুমতি লাগে না।” তৃণমূল সাংসদের দাবি যে ভুল, এভাবেই অমিত শাহ ব্যাখ্যা করে দেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: মমতার নির্দেশকে অমান্য! শিলিগুড়িতে উচ্ছেদ অভিযানে বাধা তৃণমূল নেতার

    Siliguri: মমতার নির্দেশকে অমান্য! শিলিগুড়িতে উচ্ছেদ অভিযানে বাধা তৃণমূল নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশকে ফুৎকারে উড়িয়ে উচ্ছেদে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল শিলিগুড়ির (Siliguri) তৃণমূল নেতা দিলীপ বর্মনের বিরুদ্ধে। তিনি আবার শিলিগুড়ি পুরসভার মেয়র পরিষদ সদস্যও। সাধারণত এই ধরনের উচ্ছেদ অভিযানে বিরোধীরাও এই ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকেন, সেখানে তৃণমূল (Trinamool Congress) নেতার এই ভূমিকা দলের অন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে।

    হাজার টাকা ভাতা, রেশন লাগবে না (Siliguri)

    মঙ্গলবার শিলিগুড়ির (Siliguri) চম্পাসারি মোড়ে বাজার উচ্ছেদ অভিযানে যান শিলিগুড়ি পুরসভার কর্মীরা। তৃণমূল নেতা দিলীপ বর্মন সেই উচ্ছেদ অভিযানে বাধা দেন। উচ্ছেদ না করেই ফিরে যান পুরসভার কর্মীরা। ব্যবসায়ীরা সাফ বলেন, মাসে মাসে হাজার টাকা ভাতা, রেশন কিছুই লাগবে না। ডালরুটি খেয়েই আমাদের চলবে। ছেলেমেয়ে মানুষ করা ও সংসার চালাতে দোকান  করার জন্য একটু জায়গা ভিক্ষা চাই। 

    আরও পড়ুন: টয়োটা ফরচুনার, পাজেরো, জিপ কম্পাস, মারুতি জেন, তৃণমূল ব্লক সভাপতির গ্যারাজ যেন শো-রুম

    কী বললেন তৃণমূল নেতা?

    ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের দাবিতে সরব হয়ে উচ্ছেদ আটকে দেন দিলীপ বর্মন। ডাকাবুকো মেজাজে মেয়র গৌতম দেব ও  তৃণমূল কংগ্রেসকে কার্যত চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তৃণমূল নেতা বলেন, পুনর্বাসন দিয়েই উচ্ছেদ করতে হবে। তার জন্য আমি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে রাস্তায় বসব। এর জন্য দল আমাকে বাদ দিলে, কাউন্সিলর পদ কেড়ে নিলে আমি তা মেনে নেব। কিন্তু, ব্যবসায়ীদের জন্য এই লড়াই থেকে সরব না। আমি এখানে কাউন্সিলর হওয়ার পর ২০২২ সালে চম্পাসারিতে সাড়ে ১১ বিঘা জমি উদ্ধার করে দিয়েছি। সেই জমি আজও পুরসভা নিজের দখলে নেয়নি। একদিকে কেউ সরকারি জমি নিয়ে ব্যবসা করবে, অন্যদিকে উচ্ছেদের নামে গরিব মানুষকে পথে বসাবে, এটা আমি হতে দেব না। পুরসভার দায়িত্বে যিনি রয়েছেন এর দায় তাকে নিতে হবে।

    কী বলছেন ব্যবসায়ীরা?

    শিলিগুড়ি (Siliguri) চম্পাসারি মোড়ে এই বাজারে ১৩৯ জন ব্যবসায়ী রয়েছেন। কেউ ৩১ কেউ বা ৩৫ বছর ধরে এখানে দোকান করে আসছেন।  এদিন তাঁরা তৃণমূলের পতাকা নিয়েই পুরসভার অভিযানের প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।  শ্রীরাম সাহানি,মাম্পি সাহা, দুর্গাদেবীরা বলেন, পুনর্বাসন দিয়েই উচ্ছেদ করতে হবে। আমরা ডাল রুটি খেয়ে থাকতে চাই। দোকান করার মতো একটু জায়গা ভিক্ষা চাই।

     কী বললেন মেয়র?

    দলের মেয়র পরিষদ সদস্য এভাবে পুরসভার উচ্ছেদ অভিযানে বাধা দেওয়ায় কিছুটা হলেও চাপে পড়েছেন মেয়র (Trinamool Congress) গৌতম দেব। তিনি বলেন, জোর করে কিছু করব না। সকলের সঙ্গে আলোচনা করেই  উচ্ছেদ করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share