Tag: Trinamool Congress

Trinamool Congress

  • Balurghat: বকেয়া বিল পেতে তৃণমূলের পুর-চেয়ারম্যানকে ১০ লক্ষ টাকার কাটমানি ঠিকাদারের! বিজেপির বিক্ষোভ

    Balurghat: বকেয়া বিল পেতে তৃণমূলের পুর-চেয়ারম্যানকে ১০ লক্ষ টাকার কাটমানি ঠিকাদারের! বিজেপির বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বকেয়া বিল পেতে পুরসভার চেয়ারম্যানকে দিতে হয়েছে ১০ লক্ষ টাকা কাটমানি। বিদ্যুৎ দফতরের এক ঠিকাদার সংস্থার কর্তার এমন অভিযোগকে কেন্দ্র করে সরগরম হয়ে উঠেছে বালুরঘাট (Balurghat) শহরের রাজনীতি। ওই ঠিকাদার সংস্থার সঙ্গে পুরসভার চেয়ারম্যান ঘনিষ্ঠ এক এমআইসি-র কথোপকথন প্রকাশ্যে এসেছে। হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট ও একটি অডিও ক্লিপ জনসমক্ষে এনেছে ওই ঠিকাদার সংস্থা। যদিও সেই অডিও ক্লিপিংয়ের সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম।

    বিক্ষোভ বিজেপি-র (Balurghat)

    শনিবার বালুরঘাট (Balurghat) শহরের বেশ কিছু এলাকায় পথবাতি কয়েক ঘণ্টা বন্ধ থাকা নিয়ে ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়া তোলপাড়। নেটিজেনদের একাংশের অভিযোগ ছিল, বালুরঘাট শহরে লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ব্যাপক ভরাডুবির শাস্তি হিসেবেই বালুরঘাট পুরসভা এভাবে পথবাতি বন্ধ করেছে। আর এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই উঠে এল কাটমানি তত্ত্ব। মঙ্গলবার কাটমানি নিয়ে বালুরঘাট পুরসভা ঘেরাও করে বিক্ষোভ ও ডেপুটেশন দেয় বিজেপি। এই বিষয়ে বিজেপির জেলা সহ সভাপতি বাপি সরকার বলেন, বালুরঘাট পুরসভা তো দুর্নীতির আঁতুরঘর হয়ে গেছে। ওখানে তো সব কাজেই কাটমানি দিতে হয়। আমরা এই সব নিয়ে আমরা বালুরঘাট পুরসভায় বিক্ষোভ ও ডেপুটেশন দিলাম।

    আরও পড়ুন: “সুরক্ষা কবচ কোনও মাদুলি নয়”, রেল দুর্ঘটনায় মন্তব্য নিয়ে মমতাকে তুলোধনা সুকান্তর

    মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছেন ব্যবসায়ী

    ওই ঠিকাদার সংস্থার কর্তা সৌমেন সরকার বলেন, ‘খিদিরপুর শ্মশানের চুল্লির কাজের ও অন্য যে সব কাজ করেছি, তার বকেয়া দীর্ঘদিন আটকে রাখা হয়েছে। ওই টাকার পেমেন্ট পেতেই চেয়ারম্যানের নির্দেশে দুই দফায় দশ লক্ষ টাকা দিয়েছি। তবুও, আজ পর্যন্ত আমার কাজের বকেয়া টাকা পরিশোধ দেওয়া হয়নি। তাই, আমি কর্মীদের বেতন দিতে পারিনি। তাঁরা গত শনিবার দিন কাজ করেননি। তাই আমি ফোন করে ওই কাটমানির টাকা ফেরত চেয়েছি। আমি আর পুরসভায় কাজ করব না। মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েও বিষয়টি জানিয়েছি।’

    পুরসভার এমআইসি কী বললেন?

    এই বিষয়ে এমসিআইসি বিপুলকান্তি ঘোষ বলেন, ‘ওই এজেন্সি কাজ বন্ধ করে রেখেছিল বলে তাঁকে ফোন করেছিলাম। কিন্তু, তিনি নাকি চেয়ারম্যানকে ১০ লক্ষ টাকা দিয়েছেন। সেই টাকা ফেরানোর দায়িত্ব আমাকে নিতে বলছেন। আমি তাঁকে চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলতে বললে তিনি রাজি হননি। অর্ধসমাপ্ত অডিও ক্লিপ তিনি ভাইরাল করেছেন।’

    পুরসভার চেয়ারম্যান কী বললেন?

    বালুরঘাট (Balurghat) পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র বলেন, ‘ওই ঠিকাদার সংস্থার মালিক সম্ভবত মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছেন। নইলে তিনি সব ব্যাপারেই ষড়যন্ত্র কেন খোঁজেন। তাঁকে যে কাজ দেওয়া হয়েছিল তা তিনি করেননি। তাই ডিফল্টার হিসেবে আমরা চিহ্নিত করব না কেন, সেই চিঠি দিয়েছি। ওই এজেন্সির মালিকের কোনও বিল বকেয়া নেই। গত দুই মাসের বিলও ট্রেজারিতে পাঠানো আছে। আসলে ওই চিঠি দেওয়ার পরই মনগড়া কথা বলছেন তিনি। আমি শহরের বাইরে কাজে আছি। ফিরেই তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • TMC Conflict: দলীয় কাউন্সিলরকে গুলি করে খুনের হুমকি দিলেন পার্থ ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা সৌরভ সিং

    TMC Conflict: দলীয় কাউন্সিলরকে গুলি করে খুনের হুমকি দিলেন পার্থ ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা সৌরভ সিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমনাথ শ্যাম ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর অভিমুন্য তেওয়ারির সঙ্গে প্রকাশ্য বচসায় জড়িয়ে পড়লেন পার্থ ভৌমিক ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা সৌরভ সিং। এবারে সাংসদ পার্থ ভৌমিকের নির্বাচনী এজেন্ট ছিলেন তিনি। এছাড়াও তার আরেকটি পরিচয় আছে, তিনি প্রাক্তন সাংসদ অর্জুন সিংয়ের ভাইপো। সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে ভাটপাড়া পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডে। এই ঘটনায় তৃণমূলের গোষ্ঠী (TMC Conflict) কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে আসে।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রদ্যুৎ পাল নামে এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে টাকা-পয়সা লেনদেন নিয়ে একটি গন্ডগোল চলছিল তৃণমূল নেতা সৌরভ সিংয়ের। জানা গিয়েছে, তৃণমূল নেতা সৌরভ সিং এলাকার এক ব্যবসায়ী প্রদ্যুৎ পালকে ২০২০ সালে ১০ লক্ষ টাকা ধার দিয়েছিলেন। আর সেই টাকা চেয়ে ব্যবসায়ীকে ফোন করেন সৌরভের এক পরিচিত। ওই ব্যক্তির সঙ্গে বচসাও হয় ব্যবসায়ীর। এরপরই সোমবার সৌরভ ওই ব্যবসায়ীর বাড়িতে চলে আসেন। বিষয়টি জানাতে পেরে স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর অভিমুন্য তেওয়ারিও সেখানে হাজির হন। এরপরই সৌরভের সঙ্গে অভিমুন্য তেওয়ারি প্রকাশ্যে বচসায় জড়িয়ে পড়েন। পুলিশের সামনেই দুই তৃণমূল নেতা একে অপরকে গালিগালাজ করেন। যদিও তৃণমূলের নেতাদের এই কাদা ছোড়াছুড়ি (TMC Conflict) দেখে লোকে হাসহাসি করেন। ব্যবসায়ী বলেন, সৌরভের কাছে আমি টাকা পাই। উলটে ও আমার বাড়িতে এসে মেরে ফেলার হমকি দিয়ে যাচ্ছে। এটা ঠিক নয়।

    আরও পড়ুন: শিলিগুড়িতে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা, কাঞ্চনজঙ্ঘায় ধাক্কা মালগাড়ির, মৃত ৮, জখম ৬০

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    তৃণমূল নেতা (TMC Conflict) সৌরভ সিং বলেন, ব্যবসায়ী কোনও টাকা পান না। আমি টাকা পাই। ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে রয়েছে বর্তমান কাউন্সিলর অভিমুন্য তেওয়ারি। এখানে ট্রাক বা ছোট গাড়িতে যত মাল সাপ্লাই হয়, সেখান থেকে পাঁচ হাজার টাকা করে প্রতি গাড়ি কমিশন খান তৃণমূল কাউন্সিলর। এর পিছনে বড় বড় মাথা আছে। বিষয়টি সাংসদ পার্থ ভৌমিককে আমি জানিয়েছি। অন্যদিকে, কাউন্সিলর অভিমুন্য তেওয়ারি বলেন, সৌরভ আমাকে গুলি করে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছে। আমি থানায় অভিযোগ জানিয়েছি। আমি আতঙ্কে রয়েছি।

    কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    বিষয়টি জানার পর পরই জগদ্দলের বিধায়ক সেমনাথ শ্যাম ঘটনাস্থলে যান। তিনি বলেন, আমি এলাকায় কোনও অশান্তি ছড়াতে দেব না। কাউন্সিলরকে গালিগালাজ করা ঠিক নয়। আমার জগদ্দল এলাকায় এসব চলবে না। আর কেউ খুন করার হুমকি দিয়ে থাকলে তা ঠিক করেনি।  সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: বৈঠক শেষ করে দিলীপ ঘোষ যেতেই পাটি অফিসে হামলা, কর্মীদের মার, বাইক ভাঙচুর

    Dilip Ghosh: বৈঠক শেষ করে দিলীপ ঘোষ যেতেই পাটি অফিসে হামলা, কর্মীদের মার, বাইক ভাঙচুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বৈঠক শেষ করে এলাকা ছাড়তেই হামলা চালাল তৃণমূল। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে দুর্গাপুর স্টিল টাউনশিপের বি-জোন এলাকায়। দলীয় কার্যালয়ে থাকা বিজেপি কর্মীদের মারধর করা হয়েছে। কয়েকটি বাইক ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই হামলা করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Dilip Ghosh)

    লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর রবিবার দুর্গাপুরে যান বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। রাতে দুর্গাপুর স্টিল টাউনশিপের বি-জোন এলাকায় বিজেপি’র কার্যালয়ে স্থানীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠক শেষে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) সহ প্রায় সব নেতা-কর্মীরা চলে যান। অভিযোগ, কার্যালয়ে উপস্থিত থাকা কয়েকজন কর্মীর ওপর চড়াও হয় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। কার্যালয়ে সামনে থাকা দু থেকে তিনটি বাইক ভাঙচুর করে। জখম এক বিজেপি কর্মী বলেন, দিলীপদা বৈঠক শেষ করে চলে যাওয়ার পর আমরা কয়েকজন কার্যালয়ে বসেছিলাম। আচমকা তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা দল বেঁধে এসে হামলা চালায়। আমাকে বেধড়ক মেরেছে। বুকে, পেটে গুরুতর চোট লেগেছে। কার্যালয় থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় ওরা আমাদের বাইকগুলি ভাঙচুর করে। আমরা খুব আতঙ্কে রয়েছি। হামলার বিষয়টি জেলা নেতৃত্বকে জানিয়েছি।

    আরও পড়ুন: শিলিগুড়িতে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা, কাঞ্চনজঙ্ঘায় ধাক্কা মালগাড়ির, মৃত ৫, জখম বহু যাত্রী

    হামলা নিয়ে দিলীপ ঘোষ কী বললেন?

    সোমবার সকালে সিটিসেন্টারের চতুরঙ্গ ময়দানে প্রাতঃভ্রমণে বের হন বিজেপি (BJP) নেতা দিলীপ ঘোষ। এলাকার প্রবীণ নাগরিকদের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করেন। পরে, দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, নির্বাচনের প্রচারে প্রথম এই চতুরঙ্গ ময়দানে এসেছিলাম। আবার এখানকার সিনিয়র সিটিজেনদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলাম। রবিবার রাতে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করে বেরিয়ে আসার পরই দুষ্কৃতীরা হামলা চালায়। কয়েকটি বাইক ভাঙচুর করে। আমরা কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেছি। পুলিস প্রশাসনকে  সব কিছু বলা হয়েছে। আস্তে আস্তে এই সব বন্ধ হয়ে যাবে। কারণ, মানুষ এই সব চায়না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Election Result 2024: উত্তরবঙ্গে তৃণমূলের ভরাডুবি! সরকারি পদ গেল সৌরভের, ঘুম ছুটেছে নেতাদের

    Election Result 2024: উত্তরবঙ্গে তৃণমূলের ভরাডুবি! সরকারি পদ গেল সৌরভের, ঘুম ছুটেছে নেতাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোচবিহার বাদ দিলে উত্তরবঙ্গ জুড়ে ভরাডুবি হয়েছে তৃণমূলের। ভোটের (Election Result 2024) ফল বের হওয়ার পর দলের এমন হাল খুঁজতে উত্তরবঙ্গে যান মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। দলীয় নেতা-কর্মীদের সতর্ক করে আসেন তিনি। এরপরই উত্তরবঙ্গের এক দাপুটে নেতাকে সরকারি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। আর দলের এই সিদ্ধান্তে পদ হারানোর ভয়ে ঘুম ছুটেছে একাধিক নেতার।

    উত্তরবঙ্গে ভরাডুবি, পদ গেল সৌরভের (Election Result 2024)

    শুক্রবার এক নির্দেশিকায় শিলিগুড়ি জলপাইগুড়ি ডেভেলপমেন্ট অথরিটি বা এসজেডিএ এর চেয়ারম্যানের পদ থেকে অপসারণ করা হয়েছে সৌরভ চক্রবর্তীকে। অতিরিক্ত জেলাশাসককে সেই পদ সামলানোর কথা বলা হয়েছে। এ নিয়ে প্রবল হইচই শুরু  হয়েছে দলের অন্দরেই। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এবার লোকসভা ভোটে কোচবিহারে জয় মিলেছে। দক্ষিণ দিনাজপুরে অল্প ভোটে (Election Result 2024) হেরেছে দল। কিন্তু, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিংয়ে চূড়ান্ত খারাপ ফলের জেরে কাটাছেঁড়া শুরু হয়েছে দলের অন্দরেই। শিলিগুড়ি পুরভোটে ৩৭টি ওয়ার্ডে জিতেছিল দল। কিন্তু, লোকসভায় কার্যত একটি ওয়ার্ড বাদে সব ওয়ার্ডে হেরেছে তৃণমূল। জলপাইগুড়িতেও চূড়ান্ত হতাশাজনক ফল হয়েছে। সৌরভ চক্রবর্তী বলেন, দল কেন সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা বলতে পারব না। তাছাড়া আমি শুধু একা নয়, দলের অনেক নেতার এলাকাতেই খারাপ ফল হয়েছে। সময় হলে তা স্পষ্ট হয়ে যাবে।

    আরও পড়ুন: ভরদুপুরে সিনেমার কায়দায় বেলঘরিয়ায় ব্যবসায়ীর গাড়ি লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি

    কাজ করে ফল দেখাও, নাহলে পদ ছাড়তে হবে

    শিলিগুড়িতে জেলা তৃণমূলের (Trinamool Congress) মুখপাত্র বেদব্রত দত্ত বলেন, “দলনেত্রীর নির্দেশ থাকলেও একদল নেতার বিলাসবহুল জীবনযাত্রা, সম্পত্তির বৃদ্ধি ভালভাবে নিচ্ছেন না মানুষ। তাই উত্তরে হার। আসলে অভিষেকের পারফরমেন্স থিয়োরির প্রয়োগ দরকার এখানেও। হয় কাজ করে ফল দেখাও, নাহলে পদ ছাড়তেই হবে।” মেয়র গৌতম দেব বলেন, “আমি সৌরভের অপসারনের বিষয়টি জানতাম না। তবে, অভিষেকের পারফরমেন্স থিয়োরি ঠিক সিদ্ধান্ত। আমাদের পারফর্ম করতেই হবে। উত্তরের এই এলাকায় আমরা খারাপ ফল করেছি। নেতাদের সম্পত্তি বৃদ্ধি, জীবনযাত্রা পাল্টে যাওয়া, সবই দল নজরে রেখেছে এটুকু বলতে পারি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Election Result 2024: দাঁইহাটে ধরাশায়ী তৃণমূল, চেয়ারম্যান-কাউন্সিলর দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে

    Election Result 2024: দাঁইহাটে ধরাশায়ী তৃণমূল, চেয়ারম্যান-কাউন্সিলর দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব বর্ধমানে বিপুল ভোটে (Election Result 2024) জয়লাভ করেছে তৃণমূল। এখন তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের আনন্দ উল্লাস করে উৎসব পালন করা দরকার। কিন্তু, ভোটের ফল মিটতেই একেবারেই অন্যচিত্র ধরা পড়ল দাঁইহাটে। লোকসভায় জয়ী হলেও এই পুসভায় তৃণমূলকে হারিয়ে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। আর তারপরই পুরসভার চেয়ারম্যান প্রদীপ রায়ের সঙ্গে তৃণমূল কাউন্সিলরদের একাংশের বিরোধ একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। যা নিয়ে এলাকায় রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।

    দাঁইহাট পুরসভায় ধরাশায়ী তৃণমূল! (Election Result 2024)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দাঁইহাট পুরসভায় ১৪টি ওয়ার্ড রয়েছে। কোথাও কোনও বিরোধী সদস্য নেই এক জনও। শহরে শক্তপোক্ত সংগঠন রয়েছে, এমন দাবি করে না প্রধান বিরোধী দল বিজেপিও। তবুও, এই শহরে লোকসভা ভোটে (Election Result 2024) বিজেপি প্রায় আড়াই হাজার ভোটে পিছনে ফেলেছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলকে। লোকসভা ভোটের পর ১৩ জুন প্রথম পুরবোর্ডের বৈঠক ডেকেছিলেন চেয়ারম্যান। কিন্তু, তিনি-সহ মাত্র তিন জন সদস্য হাজির হয়েছিলেন বৈঠকে। কোরাম না হওয়ায় শেষপর্যন্ত বৈঠক বাতিল করেন চেয়ারম্যান। দলীয় সূত্রের খবর, বৈঠকে বাকিদের অনুপস্থিতির বিষয়টি তিনি দলীয় নেতৃত্বকে জানিয়েছেন। জানা গিয়েছে, এর আগে দুপক্ষের বিরোধ প্রকাশ্যে এসেছিল। পরে, তা মিটে যায়। এবার ফের দ্বন্দ্ব সামনে চলে এসেছে।

    আরও পড়ুন: ভরদুপুরে সিনেমার কায়দায় বেলঘরিয়ায় ব্যবসায়ীর গাড়ি লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি

    ভোটে হারের জন্য চেয়ারম্যান দায়ী!

    শহরে দলের ভোট-বিপর্যয়ের জন্য পুরপ্রধানকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন বৈঠকে অনুপস্থিত তৃণমূলের পুরপ্রতিনিধিরা। শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অসীম ঘোষ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দলজিৎ মণ্ডল বলেন, “চেয়ারম্যান সিপিএম থেকে আমাদের দলে এসে সহজেই পদ পেয়েছেন। তাই এখনও তৃণমূল হয়ে উঠতে পারেননি। তিনি বরাবরই দলীয় কাউন্সিলরদের উপেক্ষা করে বিরোধীদের হয়ে কাজ করে চলেছেন। ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি লোকসভা ভোটে (Election Result 2024) বিজেপি প্রার্থীর হয়ে কাজ করেছেন। আমরা এর প্রতিবাদ করলেও তিনি কথা শোনেননি। পুরপ্রধানের জন্যই আজ শহরে ন’টি ওয়ার্ডে বিজেপি এগিয়ে গিয়েছে। দলীয় নেতৃত্ব সবই জানেন।”

     সরে যাওয়ার আগে ওঁদের সব দুর্নীতি ফাঁস করে দেব

    চেয়ারম্যান প্রদীপ রায় বলেন,  “আমি সিপিএম থেকে তৃণমূলে এসেছিলাম উন্নয়নের কাজ করব বলে। পদের জন্য নয়। তৃণমূল কাউন্সিলরদের একাংশের বক্তব্য, আমি নাকি বিজেপির হয়ে কাজ করছি। দলের ক্ষতি হবে বলে ভোটের আগে এ নিয়ে কিছু বলিনি। কিন্তু, এখন বলতে বাধ্য হচ্ছি, ওঁরা দলবিরোধী কাজ করে চলেছেন। আমি সরে যাওয়ার আগে ওঁদের সব দুর্নীতি ও দলবিরোধী কাজ সাংবাদিক বৈঠক করে বলে যাব। এ সব দলীয় নেতৃত্বকে আগেই জানিয়ে রেখেছি।”

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    দাঁইহাট শহর তৃণমূল সভাপতি রাধানাথ ভট্টাচার্য বলেন, “চেয়ারম্যান বিজেপির হয়ে ভোটে কাজ করেছেন, এ কথা মানতে পারছি না। এ ভাবে আকচাআকচি না করে বিষয়টি মিটিয়ে নেওয়া উচিত কাউন্সিলদের।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে বিজেপি কর্মীকে মারধর, তৃণমূলের ঝান্ডা ধরার হুমকি

    Durgapur: পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে বিজেপি কর্মীকে মারধর, তৃণমূলের ঝান্ডা ধরার হুমকি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে বিজেপি কর্মীকে মারধর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। ভোট পরিবর্তী হিংসার ঘটনাটি ঘটেছে দুর্গাপুরের (Durgapur) নিউ টাউনশিপ থানায় ভ্যাম্বে কলোনি এলাকায়। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর নাম রঞ্জিত অধিকারী। তিনি বিজেপির পোলিং এজেন্ট ছিলেন। ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    তৃণমূলের ঝান্ডা ধর, নাহলে এলাকা ছাড় (Durgapur)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিজেপির ওই পোলিং এজেন্টকে তৃণমূল কার্যালয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে দলীয় দুই কর্মী অভিজিৎ ঘোষ, শতদল রায়ের বিরুদ্ধে। সেখানেই তৃণমূল করার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয়। পাশাপাশি বিজেপি কর্মীকে মারধর করে বলে অভিযোগ। তৃণমূলের দুই কর্মী অভিজিৎ ঘোষ, শতদল রায় সহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে দুর্গাপুরের (Durgapur) নিউ টাউনশিপ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী রঞ্জিত অধিকারী বলেন,” নির্বাচনের ফলাফলের পর থেকেই আমাদের বাড়িতে এসে হুমকি দিয়ে যেত তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে আমাকে যাওয়ার জন্যও বলা হত। আমি না যাওয়াই বাড়ি থেকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে তুলে নিয়ে যায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। দলীয় কার্যালয়ে বলা হয়, তৃণমূলের ঝান্ডা ধরতে হবে, নাহলে এলাকা ছাড়তে হবে। সেখানে মারধরও করা হয়।”

    আরও পড়ুন: শনি সকালেও ঘামছে শহরবাসী, আজ বিকেল থেকে বৃষ্টি! কী বলছে হাওয়া অফিস?

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বর্ধমান-দুর্গাপুর (Durgapur) বিজেপির সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক অভিজিৎ দত্ত বলেন,”দিকে দিকে আমাদের কর্মীরা ঘরছাড়া এবং আক্রান্ত। রঞ্জিতকেও পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয়। পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।” এদিকে পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সহ সভাপতি উত্তম মুখোপাধ্যায় বলেন,”এইসব বিজেপির নাটক। বাংলা থেকে বিদায় হয়ে গিয়েছে ওরা। তাই, তৃণমূলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: “আমার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর পেটে লাথি মারল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

    Cooch Behar: “আমার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর পেটে লাথি মারল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোচবিহারে (Cooch Behar) বিপুল ভোটে জয়লাভ করার পর বিজেপি কর্মীদের ওপর বারবার হামলা চালানোর অভিযোগ উঠছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এবার ভোট পরবর্তী হিংসায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দিনহাটা। বিজেপি করার অপরাধে অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে লাথি মারার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। গুরুতর জখম অবস্থায় ওই মহিলাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

     বিজেপি কর্মীর বাড়িঘর ভাঙচুরে অভিযুক্ত তৃণমূল (Cooch Behar)

    স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিজেপি করার অপরাধে দিনহাটা (Cooch Behar) -২ নম্বর ব্লকের নিগমনগর এলাকায় বাপ্পা বিশ্বাস নামে এক বিজেপি কর্মীর বাড়িতে চড়াও হয়ে ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। বাড়িতে ঢুকে হামলা চালানোর সময়েই বিজেপি কর্মীর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর পেটে লাথি মারার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য সহ অন্যান্য তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে। গুরুতর জখম অবস্থায় ওই মহিলা বিজেপি কর্মীকে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিজেপি কর্মীর স্ত্রী বীনা হেমব্রমের বলেন, গভীর রাতে স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্য সহ বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী আমাদের বাড়িতে ঢুকে অবাধে ভাঙচুর চালায়। আমার স্বামী বিজেপির কর্মী বলে তাঁর ওপর চড়াও হয়। আমি তাঁকে বাঁচাতে গেলে আমার ওপর হামলা চালায়। আমি মেঝেতে পড়ে যায়।

    আরও পড়ুন: শনি সকালেও ঘামছে শহরবাসী, আজ বিকেল থেকে বৃষ্টি! কী বলছে হাওয়া অফিস?

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি  (BJP) কর্মী বাপ্পা বিশ্বাস বলেন, আমার স্ত্রী ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা, এটা জানার পরেও তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁর পেটে লাথি মারল। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় অভিযুক্তদের নাম উল্লেখ করে দিনহাটা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। তবে, সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। তৃণমূল কংগ্রেসের দিনহাটা ২ নম্বর ব্লকের সভাপতি দীপক ভট্টাচার্য বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস কোনওভাবেই জড়িত নয়। বিজেপি কর্মীরা নিজেদের বাড়িঘর ভেঙে এইসব নাটক এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি করার চেষ্টা করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: বসিরহাটে দোকানে ঢুকে তৃণমূল কর্মীকে গুলি, হামলাকারীর বাড়ি ভাঙচুর করে আগুন

    North 24 Parganas: বসিরহাটে দোকানে ঢুকে তৃণমূল কর্মীকে গুলি, হামলাকারীর বাড়ি ভাঙচুর করে আগুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপুল ভোটে জয়ের পরও অশান্ত উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বসিরহাট। জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে বসিরহাটের বাঁশতলা এলাকায় আলতাফ মালি নামে এক তৃণমূল কর্মীকে গুলি করার অভিযোগ ওঠে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এছাড়া একজন তৃণমূল কর্মীকে বেধড়ক মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনার পর রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা এলাকায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (North 24 Parganas)  

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,  বাঁশতলা (North 24 Parganas) এলাকায় শুক্রবার সন্ধ্যায় আলতাফসাহেব একটি দোকানে বসেছিলেন। সেই সময় এক দুষ্কৃতী আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে দোকানে ঢুকে তৃণমূল কর্মীকে গুলি করে। এরপরই জনবহুল রাস্তায় আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে ছুটে পালায়। তার সঙ্গে আরও কয়েকজন দুষ্কৃতী আশপাশের এলাকায় দাঁড়িয়ে ছিল। একজন তৃণমূল কর্মীকেও মারধর করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে গুলিবিদ্ধ তৃণমূল কর্মীকে উদ্ধার করে বসিরহাট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে, অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনার প্রতিবাদে পিফা এলাকায় রাস্তার ওপরে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ-বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মী -সমর্থকরা। ঘটনার পর পুলিশ সিসি টিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে। আয়ুব গাজি নামে এক যুবক এই হামলার সঙ্গে জড়িত। তার বাড়ি শঙ্করপুর এলাকায়। উত্তেজিত জনতা আয়ুব গাজির বাড়িতে চড়াও হয়। তার দোকানপাট ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    তৃণমূলের (Trinamool Congress) অঞ্চল সভাপতি অহিদুল শাহজি বলেন, এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করছে বিরোধীরা। কোনও কারণ ছাড়াই দলীয় কর্মীকে গুলি করে খুন করার চেষ্টা করে। এরপরই স্থানীয় মানুষ একটু উত্তেজিত হয়ে পড়েছিল। পুলিশে অভিযোগ জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, বসিরহাটের বিজেপি সাংগঠনিক জেলার যুব মোর্চার সভাপতি পলাশ সরকার বলেন, বিরোধীরা এই হামলার সঙ্গে জড়িত নই। আসলে তৃণমূলের ক্ষমতা দখলের লড়াই। নিজেদের কোন্দলে এই ঘটনা ঘটেছে। এখন বিরোধীদের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: দলেরই পঞ্চায়েত সদস্যকে এলোপাথাড়ি কোপ, চলল গুলিও, অভিযুক্ত তৃণমূলের অন্যগোষ্ঠী

    Nadia: দলেরই পঞ্চায়েত সদস্যকে এলোপাথাড়ি কোপ, চলল গুলিও, অভিযুক্ত তৃণমূলের অন্যগোষ্ঠী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলেরই পঞ্চায়েত সদস্যকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের অন্য এক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। এমনকী গুলি চালানোর অভিযোগও উঠেছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যকে কৃষ্ণনগর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) তেহট্ট থানার বিনোদনগর গ্রামে। জখম ওই তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যর নাম লতিফ শেখ। এই ঘটনায় তৃণমূলের দলীয় কোন্দল ফের প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Nadia)

    এমনিতেই তেহট্টের (Nadia) বিনোদনগর গ্রামে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে অশান্তি লেগেই থাকে। জানা গিয়েছে, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে দলের টিকিট না পেয়ে আক্রান্ত লতিফ শেখ নির্দল প্রার্থী হয়ে পঞ্চায়েতে লড়াই করেছিলেন। ভোটের ফলাফলে দেখা যায় লতিফ শেখ তৃণমূল প্রার্থীকে পরাজিত করে জয়ী হন। এরপর তেহট্টের বিধায়ক তাপস সাহার হাত ধরে পুনরায় তৃণমূলে যোগদান করেন। এরপরেই শুরু হয় ওই এলাকায় গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর থেকেই ছোটখাটো গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব লেগেই থাকত ওই এলাকায়। শুক্রবার সকালে হঠাৎ  তৃণমূলের ওই সদস্যকে অপর গোষ্ঠীর তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এলোপাথাড়ি কোপ মারে। গুলিও চালায় বলে অভিযোগ। তাঁর সঙ্গে থাকা আরও দুজন কর্মী জখম হন। এরপর ঘটনাস্থল থেকে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা প্রথমে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যকে উদ্ধার করে তেহট্ট হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। বর্তমানে জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ওই আহত তৃণমূল (Trinamool Congress) কর্মী।

    আরও পড়ুন: বিজেপির ওপর আস্থায় গোঁসা, শহরের বরাদ্দ বন্ধ করলেন উদয়ন!

    আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীর প্রতিবেশী কী বললেন?

    অন্যদিকে, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় তেহট্ট থানার পুলিশ। পুলিশ এসে লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করে। পাশাপাশি যারা এই ঘটনায় অভিযুক্ত তাদের উদ্দেশ্যেও তদন্ত শুরু করে পুলিশ। যদিও এই ঘটনায় শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি। পঞ্চায়েত সদস্য লতিফ শেখের প্রতিবেশী নারায়ণ সাহা বলেন, “হঠাৎ আমি খবর পাই রক্তাক্ত অবস্থায় লতিফ পড়ে রয়েছে। প্রথমে পুলিশ এবং স্থানীয়দের সহায়তায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে আসি। সকালে কী ঘটনা ঘটেছিল তা আমি জানি না।” ভোট মিটে গেলেও এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আবারও নতুন করে অনেকটাই সমস্যায় ফেলেছে রাজ্যের শাসক দলকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Election Result 2024: কৃষ্ণনগরে দলের জয়ের পরও পদত্যাগ করলেন শহর তৃণমূলের সভাপতি!

    Election Result 2024: কৃষ্ণনগরে দলের জয়ের পরও পদত্যাগ করলেন শহর তৃণমূলের সভাপতি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কৃষ্ণনগর লোকসভায় বিপুল ভোটে (Election Result 2024) জয়লাভ করেছেন তৃণমূল প্রার্থী মহুয়া মৈত্র। তারপরও কৃষ্ণনগর শহর তৃণমূলের সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিলেন প্রদীপ ওরফে মলয় দত্ত। শাসক দলের নেতার এই পদত্যাগ দেওয়ার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কৃষ্ণনগর শহরে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করেছে বিজেপি (Election Result 2024)

    লোকসভা ভোটে কৃষ্ণনগর কেন্দ্রে জয়লাভ করেছে তৃণমূল। কিন্তু, কৃষ্ণনগর শহরে বিপর্যয় হয়েছে তৃণমূলের। তবে, এই শহরে শাসক দলের ভরাডুবি নতুন কিছু নয়। সেই ১৯৯৮ সাল থেকেই এই শহরে একটানা লিড পেয়ে আসছে বিজেপি। এবারও তার ব্যাতিক্রম হয়নি। প্রায় সাড়ে ২৮ হাজার ভোটে তৃণমূলকে পিছনে ফেলে লিড পেয়েছে বিজেপি। গত বারেও তৃণমূল প্রায় একই ভোটে পিছিয়ে ছিল। এবার কার্যত পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলেও তৃণমূল নেতারা পরিস্থিতি পাল্টাতে পারেননি। ভোটের ফল (Election Result 2024) বের হওয়ার পরই কৃষ্ণনগরের তৃণমূল প্রার্থী তথা সাংগঠনিক জেলা সভানেত্রী মহুয়া মৈত্রের ঘনিষ্ঠ অনেকে পুরপ্রতিনিধিদের একাংশের বিরুদ্ধে অন্তর্ঘাতের অভিযোগ তুলেছেন। এক তৃণমূল কাউন্সিলর বলেন, এবার  পরিস্থিতি অনেকটাই আমাদের দিকে ছিল। কিন্তু, প্রার্থীর ঘনিষ্ঠদের অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসই ডুবিয়েছে। জোটবদ্ধ হয়ে কাজ করলে ফল অন্য রকম হত। দলেরই একাংশের জন্য সেটা সম্ভব হয়নি।

    আরও পড়ুন: বিজেপির ওপর আস্থায় গোঁসা, শহরের বরাদ্দ বন্ধ করলেন উদয়ন!

    ইস্তফা প্রসঙ্গে কী বললেন তৃণমূল নেতা?

    তৃণমূল নেতা প্রদীপ দত্ত বলেন, অন্য বিধানসভায় দল ভালো ফল (Election Result 2024) করেছে। কিন্তু, আমরা তা পারিনি। আমরা সবরকমভাবে মানুষের কাছে যাওয়ার চেষ্টা করেছি। তারপরও মানুষ আমাদের খালি হাতে ফিরিয়েছেন। শহর তৃণমূলের সভাপতি হিসেবে এই দায় আমার। পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত একান্তই আমার। দলের ফল খারাপ হওয়ার পরও আর সভাপতি পদ আঁকড়ে থাকার নৈতিক অধিকার থাকে না। তাছাড়া, শহরে আরও অনেক যোগ্য নেতা আছেন। দল তাঁদের কাউকে দায়িত্ব দিয়ে সংগঠনকে মজবুত করুক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share