Tag: Trinamool Congress

Trinamool Congress

  • Mithun Chakraborty: “বিজেপির ভিড় দেখে মুখ্যমন্ত্রীর মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে”, তোপ মিঠুনের, রোড শোয়ে জনজোয়ার

    Mithun Chakraborty: “বিজেপির ভিড় দেখে মুখ্যমন্ত্রীর মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে”, তোপ মিঠুনের, রোড শোয়ে জনজোয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার শিলিগুড়িতে মিঠুন চক্রবর্তীর (Mithun Chakraborty) রোড শোয়ে জনজোয়ার। এদিন বেলা ১২ নাগাদ দার্জিলিং লোকসভা আসনে বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তার সমর্থনে শিলিগুড়ির গুরুং বস্তি থেকে চম্পাসারি মোড় পর্যন্ত রোড শো করেন মিঠুন চক্রবর্তী। তাঁকে সামনে থেকে দেখার জন্য এদিন সকাল থেকেই রাস্তার দু’ধারে নানা ভাষা, বর্ণ ও বয়সের মানুষ প্রতীক্ষায় ছিলেন। মিঠুন চক্রবর্তীর কনভয় ঢুকতেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন জনতা। আর জনতার এই উন্মাদনা দেখে মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, সবখানেই বিজেপির মিটিং, মিছিলে প্রচুর ভিড় হচ্ছে। আর বিজেপির এই ভিড় দেখে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাথা খারাপ হয়ে যাচ্ছে।

    মমতার গর্দার বলার জবাব দিলেন মিঠুন (Mithun Chakraborty)

    এদিন শিলিগুড়ির রোড শো থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও কুণাল ঘোষকে আক্রমণ করেন মিঠুন চক্রবর্তী। বিজেপির সমর্থনে প্রচার শুরু করার পর থেকেই মিঠুন চক্রবর্তীকে (Mithun Chakraborty) নিশানা করেছে তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আক্রমণ করতে গিয়ে মিঠুন চক্রবর্তীকে গর্দার বলেছেন। এদিন এই প্রসঙ্গে মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, হ্যাঁ, আমি গর্দার, সর্দার সবই। বিজেপির মিটিং মিছিলের ভিড় দেখে মুখ্যমন্ত্রীর মাথা খারাপ হয়ে যাচ্ছে। যতদিন যাবে  বিজেপির মিটিং মিছিলে ভিড় দেখে মুখ্যমন্ত্রীর মাথা আরও খারাপ হবে। তৃণমূলের রাজ্য নেতা কুণাল ঘোষও তাঁকে আক্রমণ করেছেন। সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কুণাল ঘোষ একটা নর্দমা। ওর নাম নেবেন না। ওর নাম নিলে দিন খারাপ যায়।

    আরও পড়ুন: এবছর কি আপনার প্রথম ভোট? তাহলে জেনে নিন ভোটকেন্দ্রে কী কী করণীয়?

    রাজু বিস্তা জিতবে, বললেন মিঠুন

    লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয় তথা আসন পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। এদিন রোড শো’র ফাঁকে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, আমি চার জায়গায় প্রচারে গিয়েছি, সবখানে মানুষের কাছ থেকেই পজিটিভ রেসপন্স পাচ্ছি। মানুষ বিজেপিকে চাইছে। এদিন শিলিগুড়িতেও যেভাবে মানুষের মধ্যে উন্মাদনা দেখলাম তাতে আমি নিশ্চিত বিজেপি সব জায়গাতেই জিতবে। আর রাজু বিস্তা গত পাঁচ বছরে এখানে যে কাজ করেছে তাতে দার্জিলিং লোকসভা আসনে যোগ্য প্রার্থী রাজু। এবারও বিপুল ভোটে জিতবে রাজু।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: ১০০ দিনের কাজের টাকা আত্মসাৎ! তৃণমূল নেতাদের আটকে বিক্ষোভ বঞ্চিতদের

    South 24 Parganas: ১০০ দিনের কাজের টাকা আত্মসাৎ! তৃণমূল নেতাদের আটকে বিক্ষোভ বঞ্চিতদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০০ দিনের প্রকল্পের টাকা হাতানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে। বঞ্চিতরা এনিয়ে সরব হয়েছিলেন। এবার টাকা ফেরতের দাবিতে তিন তৃণমূল নেতাকে বুধবার গভীর রাত পর্যন্ত আটকে রাখলেন বঞ্চিত শ্রমিকরা। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কুলপিতে। ভোটের মুখে তৃণমূলের থেকে সাধারণ মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। এই ঘটনা জ্বলন্ত উদাহরণ। এমনই দাবি বিজেপি নেতৃত্বের।

    সালিশিসভায় তৃণমূল নেতাদের আটকে রাখা হয় (South 24 Parganas)

    দক্ষিণ ২৪ পরনার (South 24 Parganas) কুলপির করঞ্জলী পঞ্চায়েতের কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রামে একশো দিনের মজুরি আত্মসাতের অভিযোগ তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি স্বপন মাঝির বিরুদ্ধে আগেই উঠেছিল। টাকা না পাওয়া শ্রমিকদের টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন অভিযুক্ত ওই তৃণমূল নেতা। কিন্তু, একশো দিনের কাজের মজুরি না পাওয়া শ্রমিকদের নিয়ে সালিশিসভা করা হয়। সেই সভায় মজুরির হিসেব নিয়ে গরমিল প্রকাশ্যে আসে। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সালিশিসভা। পরে, দীর্ঘক্ষণ আটক থাকলেন তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি, বুথ সভাপতি সহ তিন নেতা। নেতাদের ঘিরে চলে বিক্ষোভ ও টানাহ্যাঁচড়া। পরে, খবর পেয়ে কুলপি থানার বিশাল বাহিনী গ্রামে ঢোকে। নেতাদের উদ্ধার করতে গেলে বাধা দেয় গ্রামবাসীরা। পরে গভীর রাতে পুলিশের উপস্থিতিতে দ্রুত বকেয়া মজুরি মেটানোর প্রতিশ্রুতি পেয়ে বিক্ষোভ ওঠে।

    আরও পড়ুন: এবছর কি আপনার প্রথম ভোট? তাহলে জেনে নিন ভোটকেন্দ্রে কী কী করণীয়?

    বঞ্চিত শ্রমিকদের কী বক্তব্য?

    বঞ্চিত শ্রমিকদের অভিযোগ, অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকার পর সেই টাকা আত্মসাৎ করেছেন তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি স্বপন মাঝি। অনেককে আবার টাকা দিতে চাপ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ, প্রকৃত শ্রমিকরা মজুরি পাননি। তাই বিক্ষোভ দেখানো হয়। উল্লেখ্য, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে এই গ্রামে একশো দিনের কাজের প্রকল্পে বেশ কিছু কাজ হয়। সেই কাজের মজুরি দীর্ঘদিন আটকে ছিল। গত মাসে রাজ্য সরকার শ্রমিকদের বকেয়া মজুরি মিটিয়ে দেয়। সেই টাকা শাসকদল ঘনিষ্ঠ বেশ কিছু শ্রমিকের অ্যাকাউন্টে ঢুকলেও প্রায় শতাধিক শ্রমিক টাকা পায়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: ভোটের মুখে ভাটপাড়ায় শ্যুটআউট, গুলিবিদ্ধ তৃণমূল কর্মী, কোন্দল প্রকাশ্যে

    North 24 Parganas: ভোটের মুখে ভাটপাড়ায় শ্যুটআউট, গুলিবিদ্ধ তৃণমূল কর্মী, কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আগে ফের শ্যুটআউটের ঘটনা ঘটল উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) ভাটপাড়ায়। এখানকার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে গুলিবিদ্ধ হন এক যুবক। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জখম যুবকের নাম পিন্টু চৌহান। তিনি তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত। হামলাকারীও তৃণমূল ঘনিষ্ঠ বলে বিজেপির দাবি। এই ঘটনায় ভাটপাড়়ায় তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে। ভোটের আগে প্রকাশ্যে গুলি চালানোর ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (North 24 Parganas)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে ভাটপাড়া (North 24 Parganas) পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের ১৩ নম্বর গলির ধর্মশালা এলাকায় মতি ভবন স্কুলের কাছে ওই যুবকের ওপর দুষ্কৃতীরা হামলা চালায়। আক্রান্ত যুবক তৃণমূল কর্মী। হামলাকারীরা তাঁর পরিচিত। প্রথমে কোনও একটি বিষয় নিয়ে বচসা হয়। এরপরই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। গুলিবিদ্ধ ওই যুবক গুরুতর আহত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। আপাতত কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ওই যুবক। নিমেষে থমথমে হয়ে যায় গোটা চত্বর। সঙ্গে সঙ্গে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ। এলাকাবাসীদের সঙ্গে কথা বলে, ঠিক কী ঘটেছিল তা বোঝার চেষ্টা করছেন পুলিশকর্মীরা। ভোটের মুখে এই রক্তক্ষরণের ঘটনায় ফের ভয়ের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে এলাকাবাসীর মনে। এদিকে গুলি চালানোর ঘটনার পর থেকেই এলাকা থেকে পলাতক হামলাকারীরা। পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    আরও পড়ুন: শক্তিপুরে রাম নবমীর শোভাযাত্রায় হামলা, বোমাবাজি একাধিক বাড়ি-দোকান ভাঙচুর, আক্রান্ত পুলিশও

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং বলেন, হামলাকারী তৃণমূল নেতাদের ঘনিষ্ঠ। এলাকার সকলেই তা জানেন। এখন কেন হামলা চালানো হল তা বলতে পারব না। এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপি জড়িত নয়। আসলে এসব করে তৃণমূল নিজেদের কোন্দল ঢাকতে চাইছে। অন্যদিকে, তৃণমূল প্রার্থী পার্থ ভৌমিক বলেন, হামলাকারীরা বিজেপি করে। আক্রান্ত যুবক তৃণমূল কর্মী। তৃণমূল করা যাবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়। এরপরই গুলি চালিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ram Navami 2024: অর্জুনের গড়ে রাম নবমীর শোভাযাত্রায় জনজোয়ার, ব্যাপক উচ্ছ্বাস রাম ভক্তদের

    Ram Navami 2024: অর্জুনের গড়ে রাম নবমীর শোভাযাত্রায় জনজোয়ার, ব্যাপক উচ্ছ্বাস রাম ভক্তদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রার্থী হওয়ার পর অর্জুন সিংয়ের হাত ধরে তৃণমূল ছেড়়ে বিজেপিতে যোগদানপর্ব লেগেই রয়েছে। বারাকপুর লোকসভার একাধিক বিধানসভায় তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে ধস নামিয়েছে তৃণমূল। এই আবহে রাম নবমীতে (Ram Navami 2024) কেমন আয়োজন করা হবে তার দিতে তাকিয়েছিলেন সকলে। বুধবার অর্জুনের নেতৃত্বের রাম নবমীর শোভাযাত্রায় ভিড় উপচে পড়ল।

    রামভক্তদের ভিড়ে বারাকপুর শিল্পাঞ্চল অবরুদ্ধ হয়ে যায় (Ram Navami 2024)

    বুধবার বিকেলে ভাটপাড়ার আর্য সমাজ মোড় থেকে কাঁকিনাড়া বাজার হয়ে হনুমান মন্দির পর্যন্ত বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতৃত্বে রাম নবমীর (Ram Navami 2024) মিছিল হয়। সেই মিছিলে আবির খেলা, বাজি ফাটানো, ডিজে বাজতে থাকে। এক দেড় কিলোমিটার পথ ওই মিছিল যেতে সময় নেয় প্রায় ঘণ্টা দুয়েক। রাস্তার দু’ধারে তৃণমূল এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে ক্যাম্প তৈরি করে পানীয় জল, লাড্ডু দেওয়ার ব্যবস্থা করে। সংখ্যালঘু এলাকার উপর দিয়ে যখন মিছিল যায় অশান্তি এড়াতে ব্যারিকেড করে পুলিশ। বিকেল চারটে থেকে শ্যামনগরে চৌরঙ্গী মোড় থেকে বীজপুর পর্যন্ত পাড়া রোড যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। চরম দুর্ভোগে পরে মানুষ। সমস্ত কল্যাণী হাইওয়ে দিয়ে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। বিকেলের পরে টিটাগড় এলাকায় রামনবমীর তিনটে মিছিল হয়। গোটা বারাকপুর শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায় এদিন রামনবমীর পুজো হয়। হনুমানজির পতাকায় মুড়ে দেওয়া হয় গোটা শিল্পাঞ্চলকে।

    আরও পড়ুন: সুকান্তর খাসতালুকে রাম নবমীতে তৃণমূল নেতাদের মুখে ‘জয় শ্রীরাম’ বুলি, হতবাক বালুরঘাটবাসী

    কী বললেন বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং?

    বিজেপি নেত্রী তথা আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়ালকে সঙ্গে নিয়ে ভাটপাড়ায় রামনবমীর শোভাযাত্রায় অংশ নেন বারাকপুর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং। সেই শোভাযাত্রায় রাম ভক্ত অনেকের হাতেই অস্ত্র দেখা গিয়েছে। অস্ত্র হাতে মিছিল নিয়ে প্রশ্নের জবাবে বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং বলেন, রাম নবমীতে মানুষের ভিড় প্রমাণ করে দিয়েছে সকলেই রামের সঙ্গেই রয়েছে। তাই, এখন তৃণমূল নেতারা রাম নাম জপছেন। অপরদিকে আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিব্রেওয়াল বলেন, ভাটপাড়ায় এটা আমার প্রথমবার আসা নয়। ২০২১ সালে ভোট পরবর্তী হিংসার সময়ে এখানকার অত্যাচারিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। তাঁর দাবি, অর্জুন দা মনেপ্রাণে বিজেপিতেই ছিলেন। এদিনের শোভাযাত্রায় হাজির ছিলেন তৃণমূল থেকে সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া প্রিয়াঙ্গু পান্ডে, প্রাক্তন কাউন্সিলর সোহন প্রসাদ চৌধুরী, মন্নু সাউ প্রমুখ। মিছিলের পেছনে ছিলেন ভাটপাড়া পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান দেবজ্যোতি ঘোষ। তিনি গোটা মিছিলের পেছনে থেকে সকলকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, আদালত বলেছে অস্ত্র না নিয়ে মিছিল করতে। আমি বিশ্বাস করি আস্তে আস্তে মানুষের শুভবুদ্ধির উদয় হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ram Navami 2024: তৃণমূল প্রার্থীর খাসতালুকে সুকান্তর নেতৃত্বে দাপিয়ে রাম নবমীর মিছিল রাম ভক্তদের

    Ram Navami 2024: তৃণমূল প্রার্থীর খাসতালুকে সুকান্তর নেতৃত্বে দাপিয়ে রাম নবমীর মিছিল রাম ভক্তদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার বালুরঘাট শহরে রাম নবমী (Ram Navami 2024) উদযাপন কমিটির উদ্যোগে বর্ণাঢ্য মিছিলের আয়োজন করা হয়। যেখানে প্রায় হাজার দুয়েক রাম ভক্ত অংশগ্রহণ করেন। মিছিলে নানা রকমের ট্যাবলো নিয়ে শহর পরিদর্শন করেন। এই মিছিলকেই অভ্যর্থনা জানান বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এই মিছিল শুরু হয় বিজেপি মোড় থেকে এবং সাড়ে তিন নম্বর মোড়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ফুল ছিটিয়ে মিছিল কে অভ্যর্থনা জানান। অবশ্য এই মিছিলে পা মেলান  বালুরঘাটের বিধায়ক অশোক লাহিড়ী সহ অন্যান্য জেলা নেতৃত্ব।

    তৃণমূল প্রার্থীর গড়ে দাপিয়ে রাম নবমীর মিছিল করলেন রাম ভক্তরা (Ram Navami 2024)

    পাশাপাশি তৃণমূলের প্রার্থী বিপ্লব মিত্রর বাড়ির এলাকায় রাম নবমী (Ram Navami 2024) অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বিজেপির প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার। গঙ্গারামপুরে বাড়ি তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্রর, আর গঙ্গারামপুর পুরসভার চেয়ারম্যান বিপ্লব মিত্রর ভাই প্রশান্ত মিত্র। সেই গঙ্গারামপুরে রাম নবমীর বিশাল শোভাযাত্রায় হাজারখানেক রাম ভক্তর সঙ্গে পায়ে হেঁটে সামিল হন সুকান্ত মজুমদার। জেলার বুনিয়াদপুরের সভা থেকে তিনি বলেন, আজ রাম নবমীর দিনে আপনাদেরকে বলছি রামকে ভোট দিন, রাবনকে ভোট দেবেন না।

    রামকে নিয়ে কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তি ভুল বোঝাচ্ছে

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন,আজ রামের জন্মদিন। আজকের দিনে সমস্ত সমাজের মানুষ রাম নবমী (Ram Navami 2024) পালন করে ও রামকে শ্রদ্ধা জানান। কিছু রাজনৈতিক ব্যাক্তি উস্কানি দিয়ে ভোট ব্যাংকের জন্য এই সব করে। কিন্তু, মানুষ উস্কানিতে পা দেবে না।আজ আমি জেলার বিভিন্ন এলাকায় রাম নবমীর শোভাযাত্রায় পা মেলালাম। গতবারের রাম নবমীর উদাহরণ তুলে ভোটের আগে বিভাজনের রাজনীতি তৃণমূলের। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত বলেন, রামকে নিয়ে দেশের কারও সমস্যা নেই। কিছু পার্টির নেতাদের সমস্যা আছে। রাম তো এই দেশের আদর্শ। সবাই চেনে রামকে, অন্য ধর্মের মানুষেরা সম্মান করেন রামকে। কিন্তু, কিছু রাজনৈতিক ব্যাক্তি কিছু লোককে ভুল বুঝিয়ে রাখতে চায়।

    আরও পড়ুন: সুকান্তর খাসতালুকে রাম নবমীতে তৃণমূল নেতাদের মুখে ‘জয় শ্রীরাম’ বুলি, হতবাক বালুরঘাটবাসী

    অসমে উস্কানি দিচ্ছেন মমতা

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অসমে গিয়ে বলেন আপনাদের উপর অত্যাচার হলে আপনারা বাংলায় আসুন এই প্রসঙ্গে সুকান্ত জানান,এইটা উস্কানিমূলক বক্তব্য। অহমীয়া ও বাঙালিদের মধ্যে একটি গন্ডগোল বাধানোর চেষ্টা করছে। গন্ডগোল হলে তো বাঙালিরা বিপদে পড়বে। অসমে বাঙালিরা ভালোই আছেন। তারা আমাদের সমস্ত ধরণের সাহায্যে পায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ram Navami 2024: রাম নবমীর শোভাযাত্রায় বিজেপি প্রার্থীর সঙ্গে পা মেলালেন তৃণমূল নেত্রী!

    Ram Navami 2024: রাম নবমীর শোভাযাত্রায় বিজেপি প্রার্থীর সঙ্গে পা মেলালেন তৃণমূল নেত্রী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট বড় বালাই। অবশেষে রামকে আঁকড়ে ধরল তৃণমূল। বুধবার শিলিগুড়িতে (Siliguri) বিজেপি প্রভাবিত রামনবমী মহোৎসব কমিটির মিছিলে বিদায়ী সাংসদ তথা দার্জিলিংয়ের বিজেপি প্রার্থী রাজুর বিস্তার সঙ্গে হাঁটলেন দার্জিলিং জেলা (সমতল) তৃণমূলের সভানেত্রী পাপিয়া ঘোষ। রাজু বিস্তা একা নন। সেই মিছিলে ছিলেন শিলিগুড়ি মহকুমার বিজেপির তিন বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ, আনন্দময় বর্মন ও দুর্গা মুর্মু। সবাইকে চমকে দিয়ে সেই মিছিলে পা মেলালেন পাপিয়া ঘোষ। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের ধারণা, লোকসভা নির্বাচনের দোরগোড়ায় ধসে যাওয়া ভোট ব্যাঙ্ক মেরামতের মরিয়া চেষ্টাতেই এদিন পাপিয়া ঘোষ বিজেপির রাম নবমীর মিছিলে হাঁটতে বাধ্য হয়েছেন।

    ঠিক কী ঘটল? (Siliguri)

    এদিন সকাল থেকে শিলিগুড়িতে (Siliguri) রাম নবমীকে ঘিরে ছিল বাঁধ ভাঙা উচ্ছ্বাস। রামভক্তদের একের পর এক মিছিলে সরগরম হয়ে ওঠে গোটা শহর। আরএসএস প্রভাবিত রাম নবমী মহোৎসব কমিটির মিছিল তারই একটি। এই মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন রাজু বিস্তা, বিজেপির তিন বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ,  আনন্দময় বর্মন ও দুর্গা মূর্মু। ছিলেন বিজেপির একাধিক নেতা।  শহরের কেন্দ্র স্থল এয়ারভিউ মোড়ে সেই মিছিলেই  পা মেলাতে দেখা গেল দার্জিলিং জেলা( সমতল) তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী পাপিয়া ঘোষ, জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি নির্ণয় রায় সহ তৃণমূলের বেশ কয়েকজন নেতাকে। দু’পক্ষকই একে অপরকে উত্তরীয় পরিয়ে, প্রসাদ বিনিময় করেন। বিজেপি বিরোধিতায় এই রামনবমী ও রাম নাম নিয়ে সুর চড়িয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাম নাম শুনে তাঁকে মেজাজ হারাতেও দেখা গিয়েছে।  তাই এদিন রাম নামে সব ছুৎমার্গ ভুলে পাপিয়া ঘোষ বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে হাঁটায় শহরে চাঞ্চল্য ছড়ায়। বিস্মিত হন সাধারণ মানুষ। তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের একাংশের কাছে এটা প্রত্যাশিত। তাদের বক্তব্য, রাম নাম ও রাম নবমী নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর দলের আচরণে তৃণমূলের ভোটেব্যাঙ্কে বড় ধস নেমেছে। ভোটের মুখে রাম নবমী নিয়ে সেই অবস্থান ধরে রাখলে বিপদ বাড়বে। সেটা বুঝতে পেরেই ড্যামেজ কন্ট্রোলের জন্য এদিন পাপিয়া ঘোষ বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে রাম নবমীর মিছিলে হাঁটেন।

    আরও পড়ুন: সুকান্তর খাসতালুকে রাম নবমীতে তৃণমূল নেতাদের মুখে ‘জয় শ্রীরাম’ বুলি, হতবাক বালুরঘাটবাসী

     কী বললেন বিজেপি প্রার্থী?

    দার্জিলিংয়ের বিদায়ী সাংসদ এবারেরও বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তা পাপিয়া ঘোষের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, অবশেষে তৃণমূলের বোধোদয় হয়েছে। তৃণমূল বুঝতে পেরেছে রাম নাম ছাড়া সব কিছু অসম্পূর্ণ। ধর্ম নিয়ে আমরা রাজনীতি করি না। এদিন সাধারণ মানুষের উচ্ছ্বাসই বলে দিচ্ছে ভারত দ্রুত রাম রামরাজ্যে পরিনত হতে চলেছে।

     রাম কারও একার নয়, বললেন তৃণমূল নেত্রী

    পাপিয়া ঘোষ বলেন, রাম কারও একার নয়। আমরা হিন্দু, আমরাও রামের ভক্ত। এদিন সকাল থেকে রামের পুজো দিয়েছি। আমরা ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করি না। তাই রাম নবমীর মিছিলে কে আছে দেখিনি। রামভক্ত হিসেবেই রামনবমীর মিছিলে হেঁটেছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ram Navami 2024: সুকান্তর খাসতালুকে রাম নবমীতে তৃণমূল নেতাদের মুখে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি, হতবাক বালুরঘাটবাসী

    Ram Navami 2024: সুকান্তর খাসতালুকে রাম নবমীতে তৃণমূল নেতাদের মুখে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি, হতবাক বালুরঘাটবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন উলটপুরাণ। জয় শ্রীরাম বলার জন্য কনভয় থামিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মেদিনীপুরে এক যুবকের দিকে তেড়ে গিয়েছিলেন। এবার সেই তৃণমূল দলের নেতাদের গলায় জয় শ্রীরাম ধ্বনি। সুকান্তর খাসতালুকে রাম নবমীর (Ram Navami 2024) দিন তৃণমূলের নেতাদের রাম নাম জপতে দেখে বালুরঘাটবাসী হাসাহাসি করছেন।

    তৃণমূল নেতাদের গলায় গেরুয়া উত্তরীয়, জয় শ্রীরাম স্লোগান (Ram Navami 2024)

    বুধবার সকাল সকাল গলায় গেরুয়া উত্তরীয়, মুখে জয় শ্রীরাম ধ্বনি দিয়ে বালুরঘাট পুরসভার তৃণমূলের চেয়ারম্যান অশোক মিত্র, এমসিআইসি বিপুল ঘোষ এবং টাউন তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি প্রীতম রাম মণ্ডল রাম নবমীর (Ram Navami 2024)  মিছিলে হাঁটেন। শহরের মানুষ সকালে এই দৃশ্য দেখে কিছুটা চমকে ওঠেন। অনেককে বলতে শোনা যায়, ভেবেছিলাম তৃণমূল নেতারা দল বদল করল না তো। পরে, দেখি তৃণমূলে থেকেই রাম নাম জপছেন। কারণ, গলায় গেরুয়া উত্তরীয় পরে, মুখে জয় শ্রীরাম ধ্বনি সাধারণত বিজেপি  কর্মী সমর্থকদের দেখা যায়। আজ রাম নবমী উপলক্ষে সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু, তৃণমূল কংগ্রেসের বালুরঘাট শহরের শীর্ষস্থানীয় নেতানেত্রীদের গলায় গেরুয়া উত্তরীয় এবং মুখে জয় শ্রীরাম ধ্বনি দেখে অবাক বালুরঘাটের সাধারণ মানুষ।

    আরও পড়ুন: অযোধ্যায় জন-জোয়ার! রাম নবমী উপলক্ষে রামলালার মন্দিরে শুরু পূজা-অর্চনা

    ভূতের মুখে রাম নাম, কটাক্ষ সুকান্তর

    রাম নবমী উপলক্ষে রাম নবমী উদযাপন কমিটির মিছিলে অংশগ্রহণ করলেন তৃণমূল নেতৃত্ব। সেই মিছিল থেকে উঠল জয় শ্রীরাম ধ্বনি। তৃণমূলের এ হেন আচরণকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাট (Balurghat) লোকসভা আসনের প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, বেড়াল ঠেলায় না পড়লে গাছে ওঠে না। আগে রাম নবমীতে ছুটি ছিল না। এখন তৃণমূল নেত্রী রাম নবমীতে ছুটি ঘোষণা করেছেন। এই বালুরঘাট পুরসভা এলাকায় মাদার টেরেসার মূর্তি বসিয়ে এলাকার নাম পরিবর্তন করতে চেয়েছিল। আজ তারাই রাম নাম বলছে। এটা কিছুটা ভূতের মুখে রাম নামের মতো শুনতে লাগলেও লক্ষণ ভালো।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূলের জেলার সহ সভাপতি সুভাষ চাকি বলেন, এটা তৃণমূলের কোনও শোভাযাত্রা না। এই শোভাযাত্রাটা সাধারণ মানুষ করেছিল, সেখানে তৃণমূলের কিছু নেতা হেঁটেছেন। জয় শ্রীরাম তাঁরা বলেননি। তৃণমূল এর সঙ্গে যুক্ত নয়। মানুষ এর উত্তর ভোটের ব্যালট বক্সে দেবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: তৃণমূলের কথা শুনছে না পুলিশ! ওসি-র বিরুদ্ধে তোপ দেগে কমিশনে যাচ্ছেন বিধায়ক

    Murshidabad: তৃণমূলের কথা শুনছে না পুলিশ! ওসি-র বিরুদ্ধে তোপ দেগে কমিশনে যাচ্ছেন বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পদাধিকার বলে পুলিশ মন্ত্রীও। এবার সেই পুলিশের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সামশেরগঞ্জের বিধায়ক আমিরুল ইসলাম। ভোটের মুখে পুলিশের বিরুদ্ধে শাসক দলের বিধায়কের সরব হওয়ার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়়েছে। যদিও বিরোধীদের বক্তব্য, পুলিশ তৃণমূলের কথা না শুনলেই নেতারা মেনে নিতে পারছে না। আসলে মানুষ সরে গিয়েছে। এবার দলদাস পুলিশও তৃণমূল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে।

    তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ (Murshidabad)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) ও ঝাড়খণ্ডের সীমান্তবর্তী পাকুড় স্টেশন থেকে বাড়ি ফেরার পথে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামীকে আটক করে পুলিশ। কয়েক জন শ্রমিককে ট্রেনে তুলে দিয়ে দোগাছি সাকারঘাট ডিবিএসের রাস্তা দিয়ে রাতে বাড়ি ফিরছিলেন দোগাছি গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যার স্বামী ইউসুফ শেখ। ইউসুফ শ্রমিকদের বিভিন্ন জায়গায় কাজে পাঠানোর কাজ করেন। অর্থাৎ, লেবার কন্ট্রাক্টর। তাঁকে ওই দিন সামশেরগঞ্জ থানার এএসআই-এর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ‘তুচ্ছ কারণে’ হেনস্থা করেন বলে অভিযোগ। এক পুলিশ আধিকারিক এবং থানার গাড়ির চালক এবং চার সিভিক ভলান্টিয়ার তাঁকে মারধর করেন বলে অভিযোগ।

    আরও পড়ুন: অযোধ্যায় জন-জোয়ার! রাম নবমী উপলক্ষে রামলালার মন্দিরে শুরু পূজা-অর্চনা

    পুলিশের বিরুদ্ধে কী বললেন বিধায়ক?

    এই ঘটনার পর পুলিশ-প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন বিধায়ক আমিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, দলীয় পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামীকে পুলিশ বেধড়ক মারে। মারের চোটে ওই যুবকের চোখের পাশে এবং শরীরের নানা অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আসলে সরকারি বিরোধী কাজ করছেন ওসি প্রশান্ত ঘোষ। সমাজবিরোধীদের মদত দেওয়া হচ্ছে। এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ করব।

    পুলিশ-প্রশাসন কী সাফাই দিয়েছে?

    বিধায়ক আমিরুল এবং আক্রান্তের পরিবারের অভিযোগকে উড়িয়ে দিয়েছে শামসেরগঞ্জ থানার পুলিশ। তারা জানিয়েছে, ইউসুফ শেখ নামে ওই ব্যক্তি মত্ত অবস্থায় মোটর বাইক চালাচ্ছিলেন। পুলিশকে দেখে অযথা ‘পাসিং লাইট’ দেওয়ার পাশাপাশি পুলিশের গাড়ির চালককে গালাগাল করেন। পুলিশের উদ্দেশে কুরুচিকর মন্তব্য করেন। তার পরেই তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jhargram: “দলীয় প্রার্থীকে গাড়ি থেকে নামিয়ে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারা হল”, বললেন বিজেপি নেতা

    Jhargram: “দলীয় প্রার্থীকে গাড়ি থেকে নামিয়ে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারা হল”, বললেন বিজেপি নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়গ্রামের (Jhargram) বিজেপি প্রার্থীর কনভয় থামিয়ে তাঁকে মারধর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার সাঁকরাইল ব্লকের রগড়া অঞ্চলের কাঠুয়াপালে ওই ঘটনায় বিজেপি প্রার্থী প্রণত টুডু গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। প্রথমে তাঁকে সাঁকরাইলের ভাঙাগড় গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। পরে, ঝাড়গ্রাম মেডিক্যালে রেফার করা হয়। তৃণমূল অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Jhargram)

    মঙ্গলবার সাঁকরাইল ব্লকের (Jhargram) বিভিন্ন এলাকায় প্রচার ছিল বিজেপি প্রার্থীর। দুপুরে রোহিণী মন্দিরে পুজো দিয়ে কাঠুয়াপাল গ্রামে যাচ্ছিলেন প্রণত। সেখানে এক কর্মীর বাড়িতে দুপুরের খাওয়ার আয়োজন ছিল। অভিযোগ, তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে প্রথমে বোমা ফাটানো হয়। এরপরই তৃণমূলের রগড়া অঞ্চল সভাপতি পঞ্চানন দাসের নেতৃত্বে তৃণমূলের লোকজন তেড়ে এসে প্রণতের গাড়ি থামান বলে দাবি। তাঁর সঙ্গী, জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত রায়ের দাবি, “আচমকা তৃণমূলের পতাকা নিয়ে কিছু লোক প্রার্থীর কনভয় থামিয়ে গালিগালাজ শুরু করে। ওই পথ দিয়ে যাওয়া চলবে না বলে ফতোয়া দেয়। এরপর প্রণতবাবুকে কলার ধরে টেনে হিঁচড়ে গাড়ি থেকে নামিয়ে কিল, চড়, ঘুসি মারা হয়। লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারা হল। তাঁর বুকে আঘাত করা হয়।” বিজেপি কর্মীরা প্রণতকে উদ্ধার করতে এগিয়ে এলে তাঁদের লক্ষ্য করেও ইট ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ইটের আঘাতে এক পুলিশকর্মী জখম হন। জয়ন্তের অভিযোগ, “তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতির নেতৃত্বে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। যে কর্মীর বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজের ব্যবস্থা ছিল, সেখানেও তৃণমূলের লোকজন বাধা দেয়।” প্রতিবাদে কাঠুয়াপালের রাস্তায় কিছুক্ষণ অবস্থান-বিক্ষোভ করেন বিজেপি কর্মীরা। পরে, সাঁকরাইল থানার সামনে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখানো হয়। সন্ধ্যায় ঝাড়গ্রাম শহরের পাঁচ মাথা মোড় সহ একাধিক জায়গায় অবরোধ চলে। রাতে সাঁকরাইল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন জেলা বিজেপির সভাপতি তুফান মাহাত। অভিযোগপত্রে তুফান জানিয়েছেন, হামলাকারীরা প্রণতকে জাত তুলে গালিগালাজ করেছে।

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূলের রগড়া অঞ্চল সভাপতি পঞ্চানন দাস বলেন, “ওই এলাকায় ওদের পতাকা ধরার লোক নেই। বাইরের লোকজন নিয়ে অশান্তি করেছে।’ জেলা তৃণমূলের সধারণ সম্পাদক অজিত মাহাত বলেন, এলাকায় বিজেপির কোনও চিহ্ন নেই। ভোট পাবে না বলে এসব নাটক করেছেন প্রার্থী। যাতে প্রচারের আলোয় আসেন।

    জেলা প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    জেলা নির্বাচন আধিকারিক তথা জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা বসু বলছেন, “ঘটনাটি জেনে ওই এলাকায় ফ্লাইং সার্ভিলেন্স স্কোয়াড পাঠানো হয়। পুলিশের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।” তবে ওই ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Nisith Pramanik: ভোটের মুখে নিশীথের কনভয় থামিয়ে পুলিশের তল্লাশি, তৃণমূলের ষড়যন্ত্র দেখছে বিজেপি

    Nisith Pramanik: ভোটের মুখে নিশীথের কনভয় থামিয়ে পুলিশের তল্লাশি, তৃণমূলের ষড়যন্ত্র দেখছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গে সফরে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তৃণমূলকে তুলোধনা করলেন। দুর্নীতি ইস্যুতে শাসক দলকে কড়া আক্রমণ করলেন। মোদির সফরের দিনই তাঁর ক্যাবিনেটের গুরুত্বপূর্ণ দফতরের মন্ত্রী তথা কোচবিহারের (Cooch Behar) বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিকের কনভয় থামিয়ে পুলিশ দিয়ে তল্লাশির নামে হেনস্থা করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভোটের মুখে এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Cooch Behar)

    এদিন নিশীথ প্রামাণিক বাড়ি থেকে বেরিয়ে কোচবিহারের (Cooch Behar) দিকে যাচ্ছিলেন। মাঝপথে তাঁর কনভয় আটকানো হয়। তল্লাশিতে বাধা দেন নিশীথের নিরাপত্তারক্ষীরা। তাঁরা জানান, নিশীথ প্রামাণিক একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, তাঁর গাড়িতে এভাবে তল্লাশি চালানো যায় না। সে কথা না শুনে পুলিশ তল্লাশি শুরু করলে গাড়ি থেকে নেমে আসেন নিশীথ। নিশীথ প্রামাণিক দাবি করেন, কনভয় আটকে এভাবে তল্লাশি চালানো যায় কি না, সেই গাইডলাইন আনতে হবে, তবেই অনুমতি দেবেন তিনি। কারণ, গাইড লাইন ছাড়া অনুমতি দেওয়া হবে না। পুলিশ কথা শুনতে রাজি হননি। ফলে, বচসা বেধে যায়। বিজেপি প্রার্থী তল্লাশিতে তীব্র আপত্তি জানান। যদিও পুলিশের দাবি, এটা রুটিন তল্লাশি ছাড়া আর কিছু নয়।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    কী কারণে এই তল্লাশি চালানো হল, তা স্পষ্ট করেনি পুলিশ। শুধু জানানো হয়েছে, এটা রুটিন তল্লাশি। উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগে বেহালার ফ্লাইং ক্লাবে যখন অভিষেকের হেলিকপ্টারের ট্রায়াল রান চলছিল, সেই সময় তল্লাশি চালান আয়কর দফতরের আধিকারিকরা। এই ইস্যুতে আয়কর দফতরের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন অভিষেক। তা নিয়ে জলঘোলা হয়। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর গাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, এমনিতেই তৃণমূল থেকে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। মোদি কোচবিহারে এসে ঝড় তুলে গিয়েছেন। এবার ভোটের ঠিক আগেই এভাবে পুলিশ দিয়ে হেনস্থা করে দলীয় প্রার্থীর ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছেন। এসব করে কোনও লাভ হবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share