Tag: Trinamool Congress

Trinamool Congress

  • Paschim Medinipur: দলীয় কর্মীকেই ধান তুলতে বাধা! তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতির ফতোয়ায় কোন্দল প্রকাশ্যে

    Paschim Medinipur: দলীয় কর্মীকেই ধান তুলতে বাধা! তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতির ফতোয়ায় কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঠেই পড়ে রয়েছে পাঁচ বিঘা জমির ধান। সেই ধান কাটা যাবে না তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতির অনুমতি ছাড়া! এবার এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই জেলাজুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ঘটনাটি  ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের (Paschim Medinipur)  শালবনি ব্লকের শালবনি ৩ নম্বর অঞ্চলের সিদাডিহি গ্রামে। তৃণমূল কর্মীকে তৃণমূল নেতারই ফতোয়া দেওয়ার ঘটনায় দলের গোষ্ঠীকোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    অভিযোগ জানিয়েও কাজ হয়নি (Paschim Medinipur) 

    পশ্চিম মেদিনীপুরের (Paschim Medinipur) সিদাডিহি গ্রামে বাড়ি কৃষক তথা তৃণমূলের আদি কর্মী চিরঞ্জীব খানের। তিনি বলেন, প্রায় এক মাস বিঘা পাঁচেক জমির ধান কাটতেই দিচ্ছেন না দলেরই নেতা তথা অঞ্চল সভাপতি অসিত ঘোষ। ধান কাটার জন্য আগে অনুমতি নিতে হবে, তবেই ঘরে উঠবে ধান। ফলে মাঠের ধান পেকে গেলেও তা মাঠেই পড়ে রয়েছে। বারবার আমি ধান কাটার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলেই হুমকি দিচ্ছেন অঞ্চল সভাপতি। জেলা নেতৃত্ব থেকে পুলিশ প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানালেও কোনও সুরাহা হয়নি। ব্লক নেতৃত্ব নেপাল সিংহ সরাসরি ঘটনা স্বীকার না করলেও তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি সঠিক কী ঘটেছে জানা নেই, তবে আমরা অভিযোগ পাওয়ার পরেই উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি। শুনেছি তিনি কিছু ধান বাড়িতে তুলেছেন। বিষয়টি জানার চেষ্টা করছি।’ অভিযুক্ত তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি অসিত ঘোষ বলেন, এই ধরনের ফতোয়া কাউকে দেওয়া হয়নি। তিনি আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ করছেন। আমি চাই, পুলিশ ঘটনার তদন্ত করে দেখুক।

    জেলা তৃণমূলের সভাপতি কী বললেন?

    পশ্চিম মেদিনীপুর (Paschim Medinipur) জেলা তৃণমূল সভাপতি সুজয় হাজরা বলেন, এরকম ঘটনা ঘটে থাকলে তিনি জেলা কার্যালয়ে এসে অভিযোগ জানান। আমাদের দল বা আমাদের নেত্রী এমন দলবিরোধী কাজে বিশ্বাসী নয়। তিনি যে দলেরই কর্মী হোন না কেন অন্যায় বরদাস্ত করা হবে না। ওই ব্যক্তি তাঁর চাষের ধান যাতে বাড়িতে তুলতে পারেন আমরা তাঁর ব্যবস্থা করব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: বিজেপি-র মিটিংয়ে দলীয় নেতার উপর হামলা, ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Cooch Behar: বিজেপি-র মিটিংয়ে দলীয় নেতার উপর হামলা, ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি মিটিংয়ে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। শনিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহারের (Cooch Behar) দিনহাটা এলাকায়। দলের মণ্ডল সভাপতি ঈশ্বর দেবনাথকে চাকু দিয়ে হামলা চালানো হয়। আক্রান্ত তিনজনকে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Cooch Behar)

    শনিবার দুপুরে কোচবিহারের (Cooch Behar) দিনহাটায় বিজেপির মিটিংয়ে ছিল। সেখানে মণ্ডল সভাপতি ঈশ্বর দেবনাথের নেতৃত্বে কর্মী, সমর্থকরা হাজির হয়েছিলেন। বৈঠক চলার পরই আচমকাই তৃণমূলের নেতৃত্বে হামলা চালানো হয়। কর্মীদের মারধর করার পাশাপাশি চেয়ার ভাঙচুর করা হয়। মণ্ডল সভাপতি করতে গেলে তাঁকে চাকু হামলা চালানো হয়। এই ঘটনায় আহত হন মণ্ডল সভাপতি ঈশ্বর দেবনাথ ও সংশ্লিষ্ট  এলাকার বিজেপির সম্পাদক অর্জুন চক্রবর্তী। যদিও পরে, পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। তবে, তৃণমূলের এই হামলার প্রতিবাদে হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি নেতা অজয় কর বলেন, তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা কর্মীরা বুঝে গিয়েছে যে তারা রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে। তাই, আমাদের দলীয় মিটিং দেখেই ওরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ছে। আমাদের মিটিংয়ে এভাবে হামলা চালিয়ে আমাদের মনোবল কোনওভাবেই ভাঙতে পারবে না। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনের কাছে আর্জি জানাব। অবিলম্বে তাদের গ্রেফতার না করা হলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামব।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    বিজেপির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা আমীর আলম। তিনি বলেন, দিনহাটার ঝুড়িপাড়া এলাকা দিয়ে আমরা কয়েকজন মিলে যাচ্ছিলাম, সেই সময় বিজেপি কর্মীরা আমাদের পথ আটকে মারধর শুরু করে। আমরা ওদের মিটিংয়ে কোনও হামলা চালাইনি। ওরা নিজেরা চেয়ার ভেঙে আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে। আমরা চাই, পুলিশ ঘটনার তদন্ত করলেই বুঝতে পারবে তারা হামলা চালিয়েছে। নিজেদের হামলার ঘটনা ঢাকতে বিজেপি এখন নাটক করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তুতি বৈঠকে সোমনাথ-অর্জুন দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে

    North 24 Parganas: মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তুতি বৈঠকে সোমনাথ-অর্জুন দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তুতি বৈঠকে জগদ্দলের তৃণমূলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম-সাংসদ অর্জুন সিং দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে চলে এসেছে। শনিবার বিকেলে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) মধ্যমগ্রাম জেলা পার্টি অফিসে প্রস্তুতি বৈঠক ছিল। জেলা নেতৃত্বের সামনে এই কোন্দল সামনে আসায় রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    বৈঠকের মাঝ পথে বেরিয়ে যান অর্জুন (North 24 Parganas)

    মুখ্যমন্ত্রী আসছেন জেলায়। সেই জন্য শনিবার বিকেলে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) মধ্যমগ্রাম জেলা পার্টি অফিসে বৈঠক ছিল। বেলা তিনটে থেকে পাঁচটা পর্যন্ত বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। বেলা তিনটে নাগাদ অর্জুন সিং আসেন। কিছুক্ষণ পর বৈঠক শুরু হয়। সাড়ে তিনটে নাগাদ সোমনাথ শ্যাম বৈঠকে ঢোকেন। বৈঠকে ঢোকার কয়েক মিনিটের মধ্যে অর্জুন বৈঠক ছেড়ে বেরিয়ে যান।  প্রসঙ্গত, সোমনাথ-অর্জুনের কোন্দল নতুন নয়। তবে, তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদব খুন হওয়ার পর থেকেই দুজনের দ্বন্দ্ব আরও প্রকাশ্যে  চলে আসে। ভিকি যাদব খুনে জড়িত সন্দেহে ২১ ডিসেম্বর অর্জুনের ভাইপো পাপ্পুকে পুলিশ গ্রেফতার করে। ভিকি খুনে অন্যতম অভিযুক্ত পঙ্কজ সিংয়ের সঙ্গে সোমনাথ শ্যামের ছবি দিয়ে অর্জুন অনুগামীরা সোমনাথ শ্যামকে গ্রেফতারির দাবি জানান। অন্যদিকে, ভিকি যাদবের খুনের ঘটনায় পলাতক অভিযুক্তের সঙ্গে অর্জুন-পুত্র তথা ভাটপাড়ার বিধায়ক পবন সিংহের ছবি প্রকাশ্যে এনেছিলেন সোমনাথ শ্যাম। অর্জুনের দাবি, ওই ছবি সুপার ইম্পোজ করা হয়েছে। সোমনাথ শ্যাম পাল্টা বলেন, অর্জুন  অপরাধীদের গাড়িতে নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, তথ্য প্রমাণ দিয়ে অভিযোগ করলে ভাল হয়।

    কী বললেন অর্জুন সিং?

    বৈঠকের মাঝ পথেই বেরিয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে অর্জুন বলেন, এখানে মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে প্রস্তুতি বৈঠক হচ্ছিল। তাই এসেছিলাম। সোমনাথের সঙ্গে দ্বন্দ্ব প্রসঙ্গে অর্জুন বলেন, রাজনৈতিক জীবনে এই ধরনের দ্বন্দ্ব কখনও দেখেনি। দলের বিষয়টি দেখা উচিত। দল দেখলেই ভালো। আমি বিজেপির সাংসদ কিনা,সেটা মুখ্যমন্ত্রী-ই বলবে। বারাকপুর-দমদম সাংগঠনিক জেলার সভাপতি যদি হস্তক্ষেপ করতেন তাহলে এই বিতর্ক এবং দ্বন্দ্ব এড়ানো যেত। সেটা হয়নি। তাই, শীর্ষ নেতৃত্ব বিষয়টি দেখে যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sisir Adhikari: শিশির অধিকারীকে ‘গুরুদেব’ সম্বোধন, শো-কজ করা হল তৃণমূল চেয়ারম্যানকে

    Sisir Adhikari: শিশির অধিকারীকে ‘গুরুদেব’ সম্বোধন, শো-কজ করা হল তৃণমূল চেয়ারম্যানকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুলের অনুষ্ঠানে গিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বাবা সাংসদ শিশির অধিকারীকে ‘গুরুদেব’ সম্বোধন করেন কাঁথি পুরসভার তৃণমূলের চেয়ারম্যান সুবলকুমার মান্না। প্রকাশ্য মঞ্চে তিনি শিশির অধিকারীকে (Sisir Adhikari) সম্বোধন করে কার্যত চরম বিপাকে পড়েছেন। কারণ, তৃণমূলের পক্ষ থেকে তাঁকে শো-কজ করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Sisir Adhikari)

    জানা গিয়েছে, ২১ ডিসেম্বর কাঁথির একটি স্কুলের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন কাঁথি পুরসভা তৃণমূলের চেয়ারম্যান সুবলকুমার মান্না। সেখানে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন কাঁথির বর্ষীয়ান সাংসদ তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বাবা শিশির অধিকারী (Sisir Adhikari)। সুবলবাবু সকলের সামনে শিশিরবাবুর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, বাবা, মা আমাকে জন্ম দিয়েছেন। এরপর রাজনীতিতে পথ চলা থেকে এই জায়গায় উঠে আসা সম্ভব হয়েছে গুরুদেব শিশির অধিকারীর জন্য। শুক্রবার সেই ভিডিও এবং প্রণাম করার ছবি মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায়। এরপর নড়েচড়ে বসে জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কাঁথির পুরপ্রধান সুবলকুমার মান্নাকে শো-কজ করেন কাথি সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি পীযূষকান্তি পণ্ডা। তারপরেই কাঁথির রাজনীতিতে শুরু হয় তোলপাড়।

    তৃণমূলের চেয়ারম্যান কী বললেন?

    শো-কজ প্রসঙ্গে সুবলবাবু বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকারের একটি স্কুলে আমাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। সেখানে গিয়ে দেখি শিশির অধিকারী (Sisir Adhikari) বসে রয়েছেন। আমি তো অসম্মান করতে পারি না।  আর  তিনি (তৃণমূলের জেলা সভাপতি) শো-কজ করার কে? আমাকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শো-কজ করেছে, সেটা আমি জানিও না। চিঠি দিয়ে জানাবেন, তারপরে উত্তর দেওয়া হবে। মানুষকে মানুষ ভাবে না। কীভাবে বয়স্কদের সঙ্গে বলতে হয় তা তিনি জানেন না। 

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    জেলা বিজেপি নেতা অসীম মিশ্র বলেন, ‘দুজন প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন। কাঁথির বর্ষীয়ান সাংসদ তথা অভিভাবক শিশির অধিকারীকে (Sisir Adhikari) কাঁথি পুরপ্রধান সুবল মান্না সৌজন্যতা জানিয়েছেন! এখানে কোনও রাজনীতি খোঁজার দরকার নেই। বয়স্ক রাজনীতিককে প্রণাম করছেন, শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: সমবায় ব্যাঙ্কে কোটি টাকার বেশি আর্থিক তছরুপে জড়িত তৃণমূল নেতা

    South 24 Parganas: সমবায় ব্যাঙ্কে কোটি টাকার বেশি আর্থিক তছরুপে জড়িত তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমবায় ব্যাঙ্কের কোটি টাকারও বেশি তছরুপের অভিযোগ উঠল এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) রায়দিঘির খাড়ি এলাকায়। সমবায় ব্যাঙ্কের নাম ‘ইউনিয়ন লার্জ সাইজ প্রাইমারি এগ্রিকালচার কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড’। ওই সমবায় ব্যাঙ্কটির কাছেই কাশীনগর ব্যাঙ্কের একটি শাখা রয়েছে। অভিযোগ, শাখার ইনচার্জ মোহনলাল হালদার আর্থিক তছরুপ করেছেন। অভিযুক্ত মোহনলাল আবার কাশীনগর পশ্চিমপাড়ার তৃণমূলের বুথ সভাপতি ছিলেন। আর শাসক দলের নেতা বলেই পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করার সাহস দেখায়নি বলে অভিযোগ বিরোধীদের।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (South 24 Parganas)

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর,  দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ওই সমবায় ব্যাঙ্কে হাজার দু’য়েক গ্রাহক আছেন। ২০২২-২৩ আর্থিক বর্ষে অডিট রিপোর্টের পরেই তৃণমূল নেতা মোহনলালের বিরুদ্ধে প্রায় ১ কোটি ১১ লক্ষ টাকা তছরুপের অভিযোগ ওঠে। দুর্নীতির সঙ্গে স্থানীয় আরও কিছু তৃণমূল নেতা জড়িত বলে বাসিন্দাদের অভিযোগ। বিষয়টি জানতে পেরে সরব হন আমানতকারী ও শেয়ার হোল্ডাররা। সমবায়ের জেনারেল ম্যানেজার শ্রীকৃষ্ণ মণ্ডল বিভাগীয় দফতরে অভিযোগ জানান। পরে পুলিশেরও দ্বারস্থ হন তিনি। পুলিশ জানিয়েছে, আর্থিক দুর্নীতি ধরা পড়ার পরে মোহনলাল ১০ লক্ষ টাকা ফেরত দিয়েছিলেন। বাকি টাকা ফেরাতে পারেননি। মোহনলাল হালদারের সঙ্গে কোনওভাবে যোগাযোগ করা যায়নি।

    ব্লক প্রশাসনের আধিকারিক কী বললেন?

    মথুরাপুর-২ বিডিও নাজির হোসেন বলেন, মাস দেড়েক আগে ৩-৪ জন গ্রাহক ওই আর্থিক দুর্নীতির বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। সেই মতো জেলা থেকে তদন্তের পরে আর্থিক তছরুপ ধরা পড়েছে। এক কোটির বেশি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। পুলিশ সমস্ত বিষয়টি তদন্ত করছে।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) রায়দিঘির তৃণমূলের বিধায়ক অলোক জলদাতা বলেন, মোহনলাল এক সময় তৃণমূলের বুথ সভাপতি ছিলেন। এখন দলের কোনও দায়িত্বে নেই। সমবায় ব্যাঙ্কে টাকা তছরুপ করা ঠিক হয়নি। সাধারণ মানুষের টাকা ফেরত দেওয়া উচিত। না হলে কঠোর শাস্তি পাওয়া দরকার। প্রশাসন কঠোর হাতে ব্যবস্থা নিক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: বাইক থেকে নামিয়ে তৃণমূল নেতাকে বেধড়ক মারলেন দলেরই কর্মীরা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    Murshidabad: বাইক থেকে নামিয়ে তৃণমূল নেতাকে বেধড়ক মারলেন দলেরই কর্মীরা, কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনের বেলায় প্রকাশ্যে শহর তৃণমূলের সভাপতিকে বেধড়ক পেটাচ্ছেন দলেরই অন্য গোষ্ঠীর লোকজন। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) জঙ্গিপুর পুরসভা এলাকায়। আক্রান্ত তৃণমূল নেতার নাম ফিরোজ শেখ। তিনি জঙ্গিপুর তৃণমূলের শহর কমিটির সভাপতি এবং পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলারও। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে প্রথমে জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে বহরমপুরে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। জঙ্গিপুরের তৃণমূল জেলা সভাপতি খলিলুর রহমান বলেন, আমাকে ফোন করে জানিয়েছেন ভাইস চেয়ারম্যান। হামলা যারাই করুক ঠিক হয়নি।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) জঙ্গিপুর পুরসভায় চেয়ারম্যানের সঙ্গে তৃণমূল কাউন্সিলারদের একাংশের মতবিরোধ চলছে। দলের মধ্যেও এই নিয়ে চর্চা রয়েছে। পুরপ্রধানের বিরোধী গোষ্ঠীর সঙ্গে ওঠাবসা রয়েছে ফিরোজের। জানা গিয়েছে, শুক্রবার বেলা তিনটে নাগাদ দুয়ারে সরকার শিবির থেকে এক জনের বাইকে চড়ে ফিরোজ রঘুনাথগঞ্জ থেকে জঙ্গিপুর পুরসভায় যাচ্ছিলেন। জঙ্গিপুর শহরের ‘কিছুক্ষণ’ লজের পাশে একটি প্রাথমিক স্কুলের সামনে তৃণমূলেরই জন ১৫ কর্মী সমর্থক বাঁশ, লাঠি, লোহার রড ইত্যাদি নিয়ে অতর্কিতে ফিরোজ ও তাঁর সঙ্গীর মোটরবাইক আটকে হামল চালায়। ফিরোজ বাইকের পিছনে বসেছিলেন। তাঁকে বাইক থেকে নামিয়ে বেধড়ক পেটানো হয়। চোখের সামনে তৃণমূল নেতা প্রকাশ্যে মারতে দেখে সাধারণ মানুষও আতঙ্কিত হয় পড়েন। জঙ্গিপুর পুরসভায় তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে এক গোষ্ঠীর হাতে এই ভাবে দিনেদুপুরে আক্রান্ত হলেন দলের শহর সভাপতি। এই ঘটনায় শহর জুড়ে উত্তেজনা তৈরি হয়, কারণ ফিরোজ এলাকায় যথেষ্ট প্রভাবশালী ও দাপুটে কাউন্সিলার।

    হামলা নিয়ে পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান কী বললেন?

    তৃণমূল পরিচালিত জঙ্গিপুর পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সন্তোষ চৌধুরি বলেন, পুরপ্রধানের সঙ্গে চলতে থাকা বিবাদের জেরে তাঁর অনুগামীরা  এই হামলা চালিয়েছে। ফিরোজ তাদের চিনেছে এবং নামধামও বলেছে। এই মুহূর্তে হাসপাতালে অক্সিজেন চলছে তাঁর। পুলিশ, দলের সভাপতি খলিলুর রহমান সহ সকলকেই এই হামলার কথা জানানো হয়েছে। পুলিশকে বলা হয়েছে যেখানে এই ঘটনা ঘটেছে সেখানে সিসি ক্যামেরা রয়েছে। কারা ছিল এই হামলায় তাদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে গ্রেফতার করা হোক।

    তৃণমূলের চেয়ারম্যান কী বললেন?

    পুরসভার চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম অবশ্য বলেন, কে মেরেছে, কেন মেরেছে কিছুই জানি না। বাড়ি থেকে হাসপাতালে যেতাম ফিরোজকে দেখতে। শুনলাম তাঁকে বহরমপুরে রেফার করা হয়েছে। কোনও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নেই তৃণমূলের কাউন্সিলরদের মধ্যে। সবটাই মিথ্যে দোষারোপ করা হচ্ছে।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bankura: বিষ্ণুপুর মেলায় দাপট দেখাল তৃণমূল! উদ্বোধনে আকাশে উড়ল ঘাসফুল লোগো

    Bankura: বিষ্ণুপুর মেলায় দাপট দেখাল তৃণমূল! উদ্বোধনে আকাশে উড়ল ঘাসফুল লোগো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩৬তম বাঁকুড়ার (Bankura) বিষ্ণুপুর মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আকাশে উড়ল শাসক দল তৃণমূলের লোগো। আর এই ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী থাকলেন ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হাজার হাজার মানুষ। বৃহস্পতিবার বিকেলে বাঁকুড়ার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, বিষ্ণুপুরের মহকুমা শাসক থেকে অন্যান্য সরকারি আধিকারিকদের উপস্থিতিতেই  সম্পূর্ণ  সরকারি অর্থ ব্যয়ে এই মেলায় সুকৌশলে শাসক দলের প্রচার করা হয়েছে বলে অনেকে অভিযোগ করছেন।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Bankura)

    বাঁকুড়ার (Bankura) বিষ্ণুপুর মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রশাসনের কর্তারা হাজির ছিলেন। তৃণমূলের জেলা পরিষদের সভাধিপতি অনুসূয়া রায় সহ একাধিক জনপ্রতিনিধি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। মেলায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হরেকরকম বাজি ওড়ানো হয়। সঙ্গে বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে ফোমের ফ্লাইং লোগো ওড়ানোর ব্যবস্থা করা হয়। সেই যন্ত্র থেকেই বিষ্ণুপুর মেলার লোগোর পাশাপাশি তৃণমূলের লোগো উড়তে দেখা যায়। তৃণমূলের লোগো মেলার মাঠে ওড়ানো হয়েছে, একথা স্বীকার করেছেন ওই কাজে দায়িত্বপ্রাপ্ত বেসরকারি সংস্থার কর্মী নিজেই। এদিন মেলার উদ্বোধনী ‘ফ্লাইং লোগো’ হিসেবে ‘বিষ্ণুপুর মেলা ও তৃণমূলের লোগো’ আকাশে ওড়ানো হয়েছে বলে তিনি স্পষ্টতই স্বীকার করেন।

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    তৃণমূলের বাঁকুড়া (Bankura) জেলা পরিষদের সভাধিপতি অনুসূয়া রায় বলেন, মেলার মধ্যে তৃণমূলের লোগো উড়েছে বলে আমাদের জানা নেই। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব। এবিষয়ে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে নাম লেখানো বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ন’দিন ধরে সরকারি ব্যবস্থাপনায় মেলা চলছে। তৃণমূলের লোগো আকাশে ওড়ানো ঠিক নয় স্বীকার করেও বিষয়টি তাঁর জানা নেই দাবি করেই দায় এড়িয়েছেন এই ‘দলবদলু’ বিধায়ক।

    তৃণমূল আর প্রশাসন সমার্থক, কটাক্ষ বিজেপির

    পুরো বিষয়টি শাসক দলের ‘নির্লজ্জতার পরিচয়’, দাবি বিজেপির। বিজেপির বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার মুখপাত্র দেবপ্রিয় বিশ্বাস বলেন, ‘সরকারি টাকায় মোচ্ছব হচ্ছে। এখন প্রশাসন আর তৃণমূল সমার্থক। এখন বিষ্ণুপুর মেলায় তৃণমূলের লোগো উড়ছে, ক’দিন পর ওই দলটাই হাওয়ায় উড়ে যাবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে, দলের বিধায়ককেই গ্রেফতারের দাবি অর্জুন অনুগামীদের!

    Barrackpore: তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব চরমে, দলের বিধায়ককেই গ্রেফতারের দাবি অর্জুন অনুগামীদের!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাটপাড়ায় তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদব খুনে জড়িতে সন্দেহে সাংসদ অর্জুন সিংয়ের ভাইপো পাপ্পু সিংকে গ্রেফতার করার পর থেকেই সরগরম বারাকপুর শিল্পাঞ্চলের রাজনীতি। শুক্রবার পাপ্পুকে বারাকপুর (Barrackpore) মহকুমা আদালতে তোলা হয়। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৪ দিনের আবেদন জানানো হয়। বিচারক ৫ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ভিকি যাদব খুনে অন্যতম অভিযুক্ত পঙ্কজ সিং, ইফতিকার আলম শুক্রবার আদালতের তোলা হয়েছিল। বিচারক এই দুজনকেও চার দিনের পুলিশ হেপাজতের  নির্দেশ দিয়েছেন। পঙ্কজ এবং পাপ্পুকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।  

    বিধায়ক সোমনাথ শ্যামকে গ্রেফতারের দাবি জানালেন অর্জুন অনুগামীরা

    বৃহস্পতিবার বারাকপুরে (Barrackpore) গোয়েন্দা দফতরে পুরানো একটি মামলায় তদন্তের স্বার্থে হাজিরা দিতে এসে পাপ্পু সিং গ্রেফতার হন। তারপরই পরেই অর্জুন সিংয়ের অনুগামীরা রীতিমতো ক্ষোভে ফেটে পড়েন। রাতেই জগদ্দল, ভাটপাড়া এলাকায় তৃণমূল বিধায়ক সোমনাথ শ্যামের  সঙ্গে সাংসদ অর্জুন সিংয়ের অনুগামীদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। যদিও পুলিশ প্রশাসনে কড়া নজরদারি থাকায় রাতে বড় কোনও গন্ডগোল হয়নি। তবে শুক্রবার সকালে ভাটপাড়ার অর্জুন সিংয়ের খাস তালুক মজদুর ভবনের সামনে পাপ্পু সিং এর অনুগামীরা সোমনাথ শ্যামের গ্রেফতারের দাবিতে সরব হন। বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, ভিকি যাদব খুনের অন্যতম অভিযুক্ত পঙ্কজ সিং সোমনাথের ঘনিষ্ঠ। জন্মদিনের পার্টিতে সোমনাথ সিং পঙ্কজকে কেক খাওয়াতে দেখা গিয়েছে। পাপ্পুকে গ্রেফতার করা হলে এই খুনের ঘটনায় সোমনাথকে গ্রেফতার করতে হবে।

    বারাকপুর (Barrackpore) আদালতে দিনভর কী হল?

    জানা গিয়েছে, এদিন সকালেই পাপ্পু সিংকে কোর্ট লকআপে নিয়ে আসা হয়। বেলা বাড়তে আদালতের সামনে অর্জুন অনুগামী ও পাপ্পু সিং এর অনুগামীদের ভিড় বাড়তে শুরু করে। পাপ্পুর গ্রেফতারের প্রতিবাদে রীতিমতো তারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তৃণমূল কর্মীদের ভিড়ে আদালতের সামনের এস এন ব্যানার্জি রোড অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। পাপ্পু সিংকে মুক্তির দাবিতে তৃণমূল কর্মীরা বেশ কিছুক্ষণ রাস্তা অবরোধ করেন। যার জেরে রাস্তা দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। যদিও অপ্রতিকর ঘটনা এড়াতে ঘটনাস্থলে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়। বিশেষ করে রিভার সাইড রোডে প্রচুর স্কুল রয়েছে। স্কুলের ছেলেমেয়েদের অনেকটা ঘুরে যেতে হয়। দুপুরের  দুটো নাগাদ মামলাটি আদালতে ওঠে। বিচারক ছিলেন রাহুল ভট্টাচার্য। পাপ্পু সিংয়ের হয়ে প্রায় শতাধিক আইনজীবী সওয়াল করেন। আইনজীবীদের বক্তব্য, পাপ্পুকে অবৈধভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিচারক রাহুল ভট্টাচার্য তদন্তকারী অফিসারের কাছে বিষয়টি বিস্তারিত জানতে চান। তদন্তকারী আধিকারিক জানান, ভিকি যাদব খুনের ঘটনায় ১২ ই ডিসেম্বর পাপ্পু সিং যুক্ত থাকার বিষয়টি সামনে আসে। তাই ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানানো হয়। সন্ধ্যা পর্যন্ত পেন্ডিং রাখার পর সন্ধ্যা ৬ টা নাগাদ বিচারক পাপ্পু সিংকে পাঁচ দিনে পুলিশ হেফাজত নির্দেশ দেন।

    কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম?

    এদিকে সোমনাথ শ্যাম বলেন, আগেও বলেছি এখনও বলছি পাপ্পু তার কাকাকে (অর্জুন সিং) জিজ্ঞেস না করে কোনও কাজ করে না। পুলিশি তদন্তে পাপ্পু জড়িত থাকার অভিযোগেই গ্রেফতার করা হয়েছে। তাই, এই খুনের পিছনে অর্জুন সিংহের হাত রয়েছে। আমরা তার গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।

    সাংসদ অর্জুনের কী বক্তব্য?

    অর্জুন সিং বলেন, পাপ্পু গ্রেফতার করে কর্মীদের মনোবল ভেঙে দেওয়া যাবে না। তৃণমূলে ক্ষতি করা যাবে না। অর্জুন সিংয়ের কোনও ক্ষতি করতে পারবে না। রোজ পাপ্পু সিং তৈরি করার ক্ষমতা আমার রয়েছে। আমরা পাপ্পুর জন্য আইনি লড়াই লড়ব। মিথ্যা সব সময় মিথ্যায় প্রমাণিত হয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: মহিলাকে কুপ্রস্তাব দিয়ে অপহরণের চেষ্টা! তৃণমূল নেত্রীর ছেলেকে গণপিটুনি

    North 24 Parganas: মহিলাকে কুপ্রস্তাব দিয়ে অপহরণের চেষ্টা! তৃণমূল নেত্রীর ছেলেকে গণপিটুনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মা তৃণমূল নেত্রী বলে এলাকায় দাপিয়ে বেড়ান ছেলে। এবার এক মহিলাকে কুপ্রস্তাব ও অপহরণের চেষ্টার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যার ছেলের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বাগদার আষাঢ় বাজার এলাকায়। অভিযুক্ত তৃণমূল নেত্রীর ছেলের নাম মিঠুন বালা। আর তাঁর মায়ের নাম মাধুরী বালা। তিনি সিন্দ্রনী গ্রাম পঞ্চায়েতের মাগুরকোনা গ্রামের তৃণমূল সদস্যা।

    ঠিক কী অভিযোগ? (North 24 Parganas)  

    উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) আষাঢ় বাজারে বিউটি পার্লার বন্ধ করে ফিরছিলেন এক মহিলা। সেই মহিলাকে কুপ্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ ওঠে মিথুন বালার বিরুদ্ধে। পরে, গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের পাশ থেকে মহিলাকে গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়ারও নাকি চেষ্টা করেন মিঠুন। মহিলা চিৎকার শুরু করেন। সেই সময় তাঁর চিৎকার বন্ধ করার জন্য মহিলাকে মারধরও করা হয়। যদিও মহিলার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসেন। চোখের সামনে মহিলার সঙ্গে অভব্য আচরণ করতে দেখে উত্তেজিত জনতা মিঠুনকে ধরে গণপিটুনি দেয়। তৃণমূল নেত্রীর ছেলেকে মারধরের মুহূর্তের ভিডিও এখন সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল। মিঠুনের নামে বাগদা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতা। সেই অনুযায়ী তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

    অভিযুক্ত যুবক কী সাফাই দিলেন?

    মিঠুন বলেন, আমার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আসলে আমাকে ফোন করে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। আমি কথা বলতে গেলে আচমকা মারধর শুরু করে। আমার বিরুদ্ধে পুরোপুরি মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। আমার মা যেহেতু তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা, সেই কারণেই মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। আমি কাউকে অপহরণ বা মারধর করিনি।

    রাজনৈতিক ষড়ষন্ত্র, দাবি স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যার

    এই ঘটনাকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলেই দাবি সিন্দ্রানি গ্রাম পঞ্চায়েতের পঞ্চায়েত সদস্যা মাধুরী বালার। তিনি বলেন, রাজনৈতিক কারণে পুরোপুরি মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করে দেখুক। আমার ছেলে দোষী হলে তার বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তা আমি মেনে নেব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনলেন ১২ জন তৃণমূল কাউন্সিলার, কেন জানেন?

    North 24 Parganas: চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনলেন ১২ জন তৃণমূল কাউন্সিলার, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টাকি পুরসভায় ভাইস চেয়ারম্যান এবং চেয়ারম্যানের মধ্যে দ্বন্দ্ব বহুদিন ধরেই চলছিল। যত দিন যাচ্ছে, সেই সম্পর্কের আরও অবনতি হয়েছে। এবার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতি, বেআইনিভাবে জমি হস্তান্তর-সহ একাধিক কেলেঙ্কারির অভিযোগ আনলেন ভাইস চেয়ারম্যান। শুধু অভিযোগ নয়, উত্তর ২৪ পরগনা (North 24 Parganas) বসিরহাট মহকুমার টাকি পুরসভার চেয়ারম্যান সোমনাথ মুখোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক গাজি-সহ তৃণমূলের ১২ জন কাউন্সিলার অনাস্থা প্রস্তাব আনলেন। বৃহস্পতিবার অনাস্থা প্রস্তাব ঘিরে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে এল।

    মহকুমা শাসকের দফতরে জমা পড়ল অনাস্থা প্রস্তাব (North 24 Parganas)

    উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) টাকি পুরসভায় মোট আসন সংখ্যা ১৬টি। এর মধ্যে ১৪টি আসন তৃণমূলের দখলে রয়েছে। আর ২টি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি। ১৪টি আসনের মধ্যে ১২জন তৃণমূল কাউন্সিলার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছে। স্বাভাবিকভাবে চেয়ারম্যান আসন সংখ্যার বিচারে সংখ্যালঘু হয়ে পড়েছেন। ফলে, সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ দিতে না পারলে চেয়ারম্যানের সরে যাওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা। তবে, অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে ভাইস চেয়ারম্যান কোনও মন্তব্য করতে চাননি। টাকি পুরসভা তৃণমূলের কাউন্সিলারদের মধ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে এল এদিন। বসিরহাট মহকুমা শাসকের দফতরে অনাস্থা প্রস্তাব পেশ করলেন ভাইস চেয়ারম্যান-সহ ১২ জন তৃণমূল কাউন্সিলার। ইতিমধ্যে উত্তর ২৪ পরগনা জেলাশাসক  শরৎ কুমার দ্বিবেদীর দফতরে তা পাঠানো হয়েছে। এই নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়ে গিয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বসিরহাট বিজেপির সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তাপস ঘোষ বলেন, ‘টাকি পৌরসভায় একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। সেখানে বেআইনিভাবে জমি হস্তান্তর থেকে চুরি করে সরকারি জমি দখল করা, এমনকী স্বজনপোষণ-সহ একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। তৃণমূলের এক পক্ষের বিরুদ্ধে আর এক পক্ষ অনাস্থা এনেছে। এবার আপনারাই ভাবুন এই দলটা কেমন। আমরা চাই, দুর্নীতিমুক্ত টাকি পুরসভা।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share