Tag: Trinamool Congress

Trinamool Congress

  • Dakshin Dinajpur: নাবালিকাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার জেলা তৃণমূলের নেতা

    Dakshin Dinajpur: নাবালিকাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার জেলা তৃণমূলের নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাবালিকাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার হলেন দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক প্রতুল মৈত্র। শনিবার রাতেই দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারি থানার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন তিনি। তিনি আবার গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতের সরকারি আইনজীবীও। শনিবার গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালত চত্বর থেকেই তৃণমূলের এই জেলা পদাধিকারী তথা আইনজীবীকে গ্রেফতার করা হয়। জেলা পুলিশ সুপার চিন্ময় মিত্তাল বলেন, বংশীহারি থানায় দায়ের হওয়া একটি পকসো মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। তবে, তদন্তের স্বার্থে সবটা এখনই বলা সম্ভব নয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Dakshin Dinajpur)

    দলীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পকসো মামলায় ধৃত প্রতুল মৈত্র গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালতের এডিশনাল পাবলিক প্রসিকিউটর। সরকারি আইনজীবীর পাশাপাশি তিনি দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সাধারণ সম্পাদক পদেও রয়েছেন। গঙ্গারামপুরের এক নাবালিকাকে শ্লীলতাহানি মামলায় শনিবার রাতে বংশীহারী থানার পুলিশ গ্রেফতার করে। গঙ্গারামপুরের এক নাবালিকার বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ওই সরকারি আইনজীবীকে গ্রেফতার করে। জানা গিয়েছে, শনিবার বিকেলে বুনিয়াদপুরের গঙ্গারামপুর মহকুমা আদালত থেকেই বংশীহারী থানার পুলিশ সরকারি আইনজীবী প্রতুল মৈত্রকে থানায় নিয়ে যায়। রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বেশি রাতে তাকে বংশীহারী থেকে হরিরামপুর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। বংশীহারী থানার পুলিশ তার বিরুদ্ধে পকসো, চাইল্ড প্রোটেকশন অ্যাক্ট সহ বিভিন্ন ধারায় মামলা রুজু করে। রবিবার তাঁকে আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁর জামিন বাতিল করে দুদিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    জেলা তৃণমূলের সহ সভাপতি সুভাষ চাকী বলেন, সরকারি আইনজীবীর বিরুদ্ধে এই ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক। ঘটনার সত্যতা কতটা রয়েছে তা কোর্টে বিচার্য বিষয়। এমনকী অপরাধী যে দলেরই হোক না কেন, আইন আইনের পথেই চলবে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি-র জেলার সহ সম্পাদক বাপি সরকার বলেন, তৃণমূলের নেতা আবার আইনজীবী হয়ে এই ধরনের ঘটনায় জড়িত। এটা অত্যন্ত লজ্জার বিষয়। অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dev: ভোটে কি দাঁড়াবেন না দেব! তিন সরকারি পদ থেকে ইস্তফা, জেলাজুড়ে শোরগোল

    Dev: ভোটে কি দাঁড়াবেন না দেব! তিন সরকারি পদ থেকে ইস্তফা, জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলীয় বৈঠকে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, এবারের লোকসভা ভোটে ঘাটাল থেকে টলিউডের হিরো দেবকেই (Dev) (দীপক অধিকারী) প্রার্থী করতে চান তিনি। দলনেত্রীর নির্দেশ থাকলে তিনিও যে ভোটে লড়তে প্রস্তুত, অভিনেতা-সাংসদ সেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। কিন্তু, ওই ইঙ্গিত দেওয়ার মাসখানেকের মধ্যেই তিনটি সরকারি পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ায় এবার লোকসভা ভোটে কি তিনি দাঁড়াবেন না তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    তিনটি সরকারি পদ থেকে ইস্তফা (Dev)

    লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিলেন দেব (Dev)। শুধু তা-ই নয়, ঘাটাল রবীন্দ্র শতবার্ষিকী মহাবিদ্যালয়ের পরিচালন সমিতির সভাপতি ও বীরসিংহ উন্নয়ন পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদ থেকেও ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। এতেই জল্পনা তৈরি হয়েছে, তিনটি সরকারি কমিটি থেকে পদত্যাগের মধ্য দিয়ে কি লোকসভা ভোটে লড়তে না চাওয়ারই বার্তা দিলেন সাংসদ? যদিও এই বিষয়ে সাংসদ দেব এর প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।  মমতার নির্দেশ আসার আগে দেব বলেছিলেন, ‘যদি সম্ভব হয়, ২০২৪- এর লোকসভা ভোটে আর দাঁড়াতে চাই না।’ পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় দলের একাংশের বক্তব্য ছিল, ঘাটালের প্রাক্তন বিধায়ক শঙ্কর দলুইয়ের সঙ্গে ‘বিবাদে’র জেরেই রাজনীতি সম্পর্কে ‘বীতশ্রদ্ধ’ হয়ে পড়েছেন দেব। যদিও সাংসদ সে কথা কখনওই নিজের মুখে স্বীকার করেননি। দলেরও কেউ এ ব্যাপারে প্রকাশ্যে কিছু বলেননি। তবে, ইস্তফাপত্র দেওয়ার পিছনে তৃণমূলের কোন্দল রয়েছে কি না তা নিয়ে চর্চা চলছে।

    বিজেপির ভয়ে পদত্যাগ!

    তিনটি সরকারি কমিটি থেকে দেবের ইস্তফার সিদ্ধান্ত নিয়ে বিজেপি  বিধায়ক শীতল কপাট বলেন, ‘এটা তো হওয়ারই ছিল। কারণ এতগুলো পদ নিয়ে বসে আছেন, চালাতে পারছেন না। এটা একটা কারণ হতে পারে। অন্য একটি কারণ, দীর্ঘদিন পর হয়তো বুঝতে পেরেছেন, তৃণমূল মানে চোর, আর চোর মানেই তৃণমূল। সেই অনুভূতি থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিতে চাইছেন। হতে পারে, লোকসভা নির্বাচনে আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না। বর্তমানে তিনি তৃণমূলকে হয়তো ঘৃণা করতে শুরু করেছেন। আর শেষ সময় বুঝতে পারছেন, বিজেপি আসছে, কৈফিয়ত দিতে হবে। বিজেপির ভয়ে পদত্যাগ করলেন।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘মমতার ধরনায় কেউ যাচ্ছেন না!’ বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘মমতার ধরনায় কেউ যাচ্ছেন না!’ বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর ধরনা মঞ্চে কেউ যাচ্ছেন না। ওখানে নাটক চলছে। শনিবার পূর্ব মেদিনীপুরের মেচেদায় দলীয় সভায় এমনই মন্তব্য করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) । একইসঙ্গে শেখ শাহজাহান ইস্যুতে মুখ খুললেন। ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে রাজ্যপালকে এইআইআর করার তিনি আবেদন জানালেন। সবমিলিয়ে তৃণমূলকে তুলোধনা করলেন শুভেন্দু।

    ধরনা মঞ্চে কেউ যাচ্ছে না! (Suvendu Adhikari)

    এদিন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, ‘সকালবেলা তিনি পুলিশকে নিয়ে মর্নিংওয়াক করছেন। ওটা পুলিশের ধরনা। বাংলার মানুষের কাছে এসব নাটক করে আরও কোনও লাভ হবে না।  আগেও এসব অনেক হয়েছে। এখন যেটা করা হচ্ছে, সেটা মানুষকে দেখানো ছাড়া আর কিছু নয়। শুভেন্দু দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের জন্য সাংগঠনিক স্তরে কর্মীদের পরামর্শ দিতে গিয়েছিলেন। সাংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ক্যাগ রিপোর্টের ওপর রাজ্যপালের উচিত এফআইআরের নির্দেশ দেওয়া। আগামী ৬ তারিখ বিধানসভায় ক্যাগ রিপোর্টের ওপর আলোচনার দাবি জানাব। বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন দাবি জানিয়ে আসছি। রাজ্য সরকার তাতে কোনও গুরুত্ব দেয়নি।

    শাহজাহান নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু?

    শেখ শাহজাহানকে ফের নোটিশ দেওয়ার প্রসঙ্গে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ‘মমতার পুলিশ তার আদরের’ দুলালকে আড়াল করছে। প্রশাসনিক ক্ষেত্রে যেভাবে আড়াল করা হচ্ছে, তা পশ্চিমবঙ্গের কাছে লজ্জাজনক। সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা জেলা পরিষদ সদস্য পরিষদ সদস্য উত্তম সর্দার ফোনে বলছেন, ২০০ লোক নিয়ে গ্রাম ঘিরতে হবে। রামন্দির নিয়ে যারা উৎসাহ প্রকাশ করছেন, তাদের মারধর করতে হবে। আসলে লোকসভা নির্বাচন যত সামনে আসছে, তৃণমূলের পায়ের তলার মাটি হারিয়ে যাচ্ছে। তাই, তৃণমূল নেতাদের মস্তিষ্ক থেকে বিভিন্ন বিদ্বেষমূলক পন্থা বেরিয়ে আসছে। কীভাবে বিজেপি কর্মীদের শায়েস্তা করতে হবে, তার ফন্দি করছেন। কিন্তু, তৃণমূল জানে না, বিজেপি কর্মীরা মজবুত সংগঠনের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছেন। কিছু করতে আসলে চিন্তাভাবনা করে আসতে হবে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: কেষ্ট গড়ে তৃণমূলে ভাঙন! শতাধিক কর্মী যোগ দিলেন বিজেপিতে

    Birbhum: কেষ্ট গড়ে তৃণমূলে ভাঙন! শতাধিক কর্মী যোগ দিলেন বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত মণ্ডলের গড়ে বড়সড় ধাক্কা খেল তৃণমূল। বীরভূমের (Birbhum) দুবরাজপুরে শতাধিক কর্মী-সমর্থক তৃণমূল সহ অন্যান্য দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করলেন। বিজেপি বিধায়ক অনুপ কুমার সাহা তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন। লোকসভা ভোটের আগে কেষ্ট গড়ে তৃণমূলের ভাঙন নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    শতাধিক কর্মী যোগ দিলেন বিজেপিতে (Birbhum)

    এমনিতেই গোষ্ঠী কোন্দলে জর্জরিত কেষ্ট গড় বীরভূম (Birbhum)। কাজল শেখ দায়িত্ব নেওয়ার পর অনুব্রত অনুগামীদের কোণঠাসা করে দেওয়া হয়েছিল। এমনকী দলীয় কার্যালয় থেকে অনুব্রতের নাম মুছে ফেলা হয়েছিল। দলের অন্দরে এই নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছিল। দলীয় সুপ্রিমোর নির্দেশে কেষ্টকে ফের গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি কাজল শেখকে জেলার কোর কমিটি থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়। নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের মধ্যে এদিন দুবরাজপুর পুরসভা এলাকায় শতাধিক কর্মী-সমর্থক তৃণমূল সহ অন্যান্য দল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন। যোগদানকারীদের বক্তব্য, তৃণমূল দুর্নীতিগ্রস্ত দল। দলে কোনও গুরুত্ব নেই। তাই, গেরুয়া শিবিরে যোগদান করলাম। এলাকায় উন্নয়ন করবে বিজেপি।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপি বিধায়ক অনুপ কুমার সাহা বলেন, এই যোগদানে লোকসভা ভোটের আগে কিছুটা হলেও আমাদের সংগঠনের শক্তি বৃদ্ধি হল। এখানে তৃণমূলের প্রতি মানুষ আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। আর এখন তো শাসক দলে গোষ্ঠী কোন্দলে জর্জরিত। টাকা ছাড়া নেতারা কোনও কাজ করে না। দলীয় কর্মীরা সমস্যায় পড়লে পাশে থাকে না। এমনকী মিথ্যা মামলায় পুলিশ ফাঁসালেও দল কোনও প্রতিবাদ করে না। তৃণমূল থেকে এই কর্মীরা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল। আর বিধায়ক হিসেবে এলাকায় যে কাজ করেছি তাতে এলাকার মানুষ আমাদের দলের ওপর আস্থা রেখেছে। আগামীদিনে আরও বহু কর্মী আমাদের দলে যোগ দেওয়ার জন্য লাইন দিয়ে রয়েছে।  

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: তৃণমূল বিধায়কের অনুগামীদের বেধড়ক মার, অভিযুক্ত প্রাক্তন ব্লক সভাপতি

    Murshidabad: তৃণমূল বিধায়কের অনুগামীদের বেধড়ক মার, অভিযুক্ত প্রাক্তন ব্লক সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলা সফর শেষ করে চলে যাওয়ার পরই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে এল মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রেজিনগরে। বিধায়ক অনুগামীদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে প্রাক্তন ব্লক সভাপতির বিরুদ্ধে। বেশ কয়েকজন তৃণমূল কর্মী গুরুতর জখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। থানায় অভিযোগ হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রেজিনগর বিধানসভার বেলাডাঙা-২ ব্লকের পূর্ব চক্রের ব্লক সভাপতি ছিলেন আতাউর রহমান। তাঁর সঙ্গে তৃণমূল বিধায়ক রবিউল আলমের গন্ডগোল লেগেই ছিল। তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশে রবিউল জেলার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পান। এরপরই আতাউরকে ব্লক সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় বলে দলের অন্দরে চর্চা রয়েছে। ফলে, আতাউর এই বিষয় নিয়ে চরম ক্ষুব্ধ। তাই, বিধায়কের সঙ্গে এলাকার কোনও কর্মী তৃণমূল করবে না বলে আতাউর ও তাঁর অনুগামীরা হুমকি দিতে থাকেন।আর এটা নিয়ে বিধায়কের সঙ্গে তৃণমূলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতির বিবাদ চলছিল বিগত বেশকিছু দিন ধরে। শুক্রবার রাতে সেই বিবাদ চরম আকার ধারণ করে। জানা গিয়েছে, বিধায়ক রবিউল আলম চৌধুরীর লোকজনদের উপর আচমকা হামলা চালায় প্রাক্তন ব্লক সভাপতি আতাউর রহমানের অনুগামীরা। অতর্কিতে তাঁদের উপর চড়াও হয়ে ধারালো অস্ত্র ও লোহার রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় গুরুতর জখম হন বিধায়কের চারজন অনুগামী। প্রথমে তাঁদেরকে সেখান থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় বেলডাঙা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। পরে, সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় একজনকে ইতিমধ্যে স্থানান্তরিত করা হয়েছে বহরমপুরের মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। ঘটনায় রেজিনগর বিধায়কের পক্ষ থেকে যথারীতি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে থানায়। পাশাপাশি অভিযোগের ভিত্তিতে সম্পূর্ণ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে রেজিনগর থানার পুলিশ। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।

    আক্রান্তরা কী বললেন?

    আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীদের বক্তব্য, আমরা বিধায়কের নেতৃত্বের দল করি। বিধায়কের পার্টি অফিসে বসি। এটাই আমাদের অপরাধ। তাই, প্রাক্তন ব্লক সভাপতি আতাউর ও তাঁর অনুগামীরা আমাদের উপর চড়াও হয়। আমাদের বেধড়ক মারধর করে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘লোকসভার ফল বেরলেই রাজ্যে বিজেপি সরকার’, বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘লোকসভার ফল বেরলেই রাজ্যে বিজেপি সরকার’, বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিএএ ইস্যুকে সামনে রেখে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তুলোধনা করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এমনকী লোকসভা ভোটের ফল বের হওয়ার পর তৃণমূল সরকারের স্থায়িত্ব নিয়ে তিনি মুখ খুললেন। শুক্রবার চুঁচুড়ায় এসে রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ করলেন শুভেন্দু।

    কী বললেন শুভেন্দু? (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “ফেব্রুয়ারি মাসে পশ্চিমবঙ্গের ২ কোটি বাঙালি হিন্দুর ১৯৪৫ সাল থেকে লড়াই সফল হতে চলেছে। কারণ, যে বাঙালি হিন্দুরা ধর্মীয় কারণে বাংলাদেশ থেকে উৎপীড়িত হয়ে এসেছেন, এক কাপড়ে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে এসেছেন, তাঁদের সহনাগরিকত্ব দেওয়া নরেন্দ্র মোদীর কমিটমেন্ট। অমিত শাহর তৈরি করা আইন কার্যকর হতে চলেছে। আর তাতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আতঙ্কিত। তাঁর (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) কাছে খবর আছে, সিএএ পোর্টাল চালু হতে চলেছে। আইন তো আগেই হয়ে গিয়েছে। রুল ফ্রেম হয়ে গিয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসেই তা কার্যকরের দিকে যাচ্ছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। তিনি ভাবছেন, আমার সিটগুলো সব গেল। কারণ, এখানে ৩৫টি আসন বিজেপি জেতা মানে, মমতা ধপ! তার পরের দিন বিজেপি সরকার।” সিএএ আইন যে এই মাসেই কেন্দ্রীয় সরকার কার্যকরী করতে চলেছে তা বিরোধী দলনেতা এদিন আবারও তা স্পষ্ট করে দেন। আর সিএএ কার্যকরী হলে রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে জোর ধাক্কা দেওয়া যাবে বলে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।

    সিএএ নিয়ে সওয়াল করেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    রাম মন্দির উদ্বোধনের পর পরই লোকসভা ভোটের মুখে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ঘিরে ফের বাংলার রাজনীতিতে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে। ২৮ জানুয়ারি কাকদ্বীপের এক সভা থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বনগাঁর বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর বলেছিলেন, “গ্যারান্টি দিচ্ছি, সাত দিনের মধ্যে সিএএ লাগু হবে।” ফলে, এই বিষয নিয়ে ফের চর্চা শুরু হয়। আর এদিন বিরোধী দলনেতা ফের সিএএ ইস্যুতে জোর সওয়াল করেছেন। ফলে, বাংলায় সিএএ কার্যকরী হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা বলে ওয়াকিবহল মহল মনে করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Raiganj: তৃণমূলের মদতেই সক্রিয় বালি মাফিয়ারা! কী করছে পুলিশ-প্রশাসন?

    Raiganj: তৃণমূলের মদতেই সক্রিয় বালি মাফিয়ারা! কী করছে পুলিশ-প্রশাসন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালি মাফিয়াদের দৌরাত্ম্য অব্যাহত উত্তর দিনাজপুর জেলায়। দিনে দুপুরে নদীগর্ভ থেকে তোলা হচ্ছে বালি। রায়গঞ্জের (Raiganj) নাগর নদী থেকে দেদার বালি উত্তোলনের অভিযোগ। প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দিনে দুপুরে বাহিন গ্রাম পঞ্চায়েতের নাগর নদী থেকে চলছে অবৈধ বালি পাচার। দিনের পর দিন নদীর বক্ষ থেকে রমরমিয়ে চলছে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন। রাতের অন্ধকারে ট্রাক্টরে বালি পাচারের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে নাগর নদী থেকে ট্রাক্টরে চলছে দেদার বালি পাচার। গোটা ঘটনায় প্রশাসনের বিরুদ্ধে উদাসীনতার অভিযোগে সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

    নদী ভাঙনের আশঙ্কা (Raiganj)

    বালি পাচারের অভিযোগ এই প্রথম নয়। এর আগেও রায়গঞ্জের (Raiganj) নাগর  নদী থেকে  প্রশাসনের চোখে ফাঁকি দিয়ে বালি উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছিল। মাঝে পুলিশ প্রশাসন কিছুটা নড়েচড়ে বসায় সাময়িক গা ঢাকা দিয়েছিল বালি মাফিয়ারা। কিন্তু, ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে তারা। স্থানীয় বাসিন্দাদের  অভিযোগ, ভোর রাত থেকেই নৌকা ও  ট্রাক্টর দিয়ে নদী থেকে অবৈধভাবে উত্তোলন করা হচ্ছে বালি। ট্রাক্টরে বালি লোড করে একে একে পাচার করা হচ্ছে মোটা টাকার বিনিময়ে। গ্রামবাসীদের আরও অভিযোগ, প্রশাসনের কাছে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন বন্ধ করার জন্য একাধিকবার আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু, কোনও কাজ হয়নি। এরফলে একদিকে যেমন সরকারি রাজস্ব ক্ষতি হচ্ছে, তেমনই নদী ভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপির জেলা সভাপতি বাসুদেব সরকার বলেন, “প্রশাসন ও পুলিশের একাংশ এবং তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা কর্মীদের মদতেই সক্রিয় বালি মাফিয়ারা। আর সেই জন্যই দিনের পর দিন অবৈধভাবে বালি উত্তোলনের ঘটনা ঘটলেও পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না।”

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী বলেন, “বিজেপি মিথ্যা কথা বলছে। বালি পাচারের কিছু অভিযোগ পেয়েছি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছি।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Contai Municipality: শিশিরকে ‘গুরুদেব’ বলার মাশুল! সরল সুবল, কাঁথির চেয়ারম্যান হলেন অখিল পুত্র

    Contai Municipality: শিশিরকে ‘গুরুদেব’ বলার মাশুল! সরল সুবল, কাঁথির চেয়ারম্যান হলেন অখিল পুত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুষ্ঠান মঞ্চে সাংসদ শিশির অধিকারীকে প্রণাম করে ‘রাজনৈতিক গুরু’ বলে আখ্যা দেওয়ায় মাশুল গুনতে হয়েছিল কাঁথি পুরসভার (Contai Municipality) চেয়ারম্যান সুবল মান্নাকে। প্রথমে শোকজ এবং পরে তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা আনা হয়েছিল। এরপরই তিনি কাঁথি পুরসভার চেয়ারম্যান থেকে সরে যান। ওই পদে কে চেয়ারম্যান হবে তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়। মন্ত্রী অখিল গিরির পুত্রকে নিয়ে দলে চর্চা শুরু হয়েছিল। অবশেষে দলের পক্ষ থেকে মন্ত্রী পুত্রের ওপর আস্থা রাখা হয়। নিয়ম মেনে এবার সেই কাঁথি পুরসভার চেয়ারম্যান হলেন মন্ত্রী অখিল গিরির পুত্র সুপ্রকাশ গিরি।

    চেয়ারম্যান হিসেবে শপথ নিলেন সুপ্রকাশ (Contai Municipality)

    বৃহস্পতিবার তৃণমূলের ১৬ জন এবং একজন নির্দল কাউন্সিলরের উপস্থিতিতে সুপ্রকাশ গিরিকে চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। কাউন্সিলরদের উপস্থিতিতে এদিন তাঁকে চেয়ারম্যান হিসেবে শপথ বাক্য পাঠ করান কাঁথির মহকুমা শাসক সৌভিক ভট্টাচার্য। সুপ্রকাশবাবু এতদিন পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যানের পদ সামলেচ্ছেন। তবে, তিনি এবার চেয়ারম্যান হওয়ার কারণে ভাইস চেয়ারম্যান পদ খালি হয়ে যায়। দলের নির্দেশ মেনে ওই পদের জন্য ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে কাউন্সিলর নীরঞ্জন মান্নার  নাম ঘোষণা করা হয়। তবে, এদিন তিনি শপথ গ্রহণ করেননি।

    ২২ মাস ৭ দিন চেয়ারম্যান ছিলেন সুবল

    ২০২২ সালে পুরভোটে অধিকারীদের খাসতালুক বলে পরিচিত কাঁথি পুরসভার (Contai Municipality) নির্বাচন হয়। ২১টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৭টিতে জয়ী হয়ে কাঁথি পুরসভায় বোর্ড গঠন করে তৃণমূল। আর বিজেপি ৩টি এবং নির্দল পায় ১টি আসন। দীর্ঘদিনের তৃণমূল কর্মী সুবলবাবু। চেয়ারম্যান হিসেবে বর্ষীয়ান সুবল মান্নার নাম আসে রাজ্য তৃণমূল নেতৃত্বের কাছ থেকেই। চেয়ারম্যান হিসাবে চেয়ারে বসেন সুবলবাবু। চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি সেই পদে ২২ মাস ৭ দিন ছিলেন। তবে, সম্প্রতি শিশির অধিকারীকে ‘গুরুদেব’ বলে পা ছুঁয়ে প্রণাম করে অনাস্থা ভোটে সেই পদ খুইয়েছেন তিনি। দলীয় কাউন্সিলররা অনাস্থা আনেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Subhranshu Roy: বারাকপুরে ছত্রখান তৃণমূল, দলেরই দুই বিধায়ককে তুলোধনা করলেন মুকুলপুত্র

    Subhranshu Roy: বারাকপুরে ছত্রখান তৃণমূল, দলেরই দুই বিধায়ককে তুলোধনা করলেন মুকুলপুত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং-এর পাশে দাঁড়িয়ে জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম এবং বীজপুরের বিধায়ক সুবোধ অধিকারীকে হুঁশিয়ারি দিলেন মুকুলপুত্র শুভ্রাংশু রায় (Subhranshu Roy)। তাঁদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত বলে তিনি জানান। একই সঙ্গে ২০১৯ সালের আগে বীজপুরের বিধায়ক কোথায় ছিলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন শুভ্রাংশু। সোমনাথ-সুবোধ জুটিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মুকুলপুত্র। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের পাশাপাশি নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    ঠিক কী বলেছেন মুকুলপুত্র? (Subhranshu Roy)

    ৩০ জানুয়ারি কাঁচড়াপাড়ার বাবু ব্লকে রক্তদান শিবিরের মঞ্চ থেকে সাংসদ অর্জুন সিং-কে নিশানা করেছিলেন দুই বিধায়ক। শুধু তাই নয়, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ নিয়েও তাঁরা সরব হয়েছেন। ২০২৪ সালে আগের মতো তাণ্ডব চালালে তাঁর বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ পথে নামবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। এই দুই বিধায়কের নিশানায় ছিলেন মূলত অর্জুন সিং। দুই বিধায়কের বক্তব্য রাখার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই বুধবার তাঁর জবাব দিলেন বীজপুর কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক তথা কাঁচড়াপাড়ার উপ-পুরপ্রধান শুভ্রাংশু রায় (Subhranshu Roy)। তিনি অর্জুন সিংয়ের পাশে দাঁড়িয়ে বলেন, তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের হাত ধরে সাংসদ তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। তাই, তাঁর বিরুদ্ধে কথা বলার অর্থ দলীয় নেতৃত্ব তাঁরা চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন। বীজপুরের বিধায়ক সুবোধ অধিকারীর নাম না করে মুকুলপুত্র বলেন, যিনি বা যারা ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের পর তাণ্ডবের কথা বলছেন, তাঁরা তখন কোন দলে ছিলেন। তাঁর বলার উদ্দেশ্য হচ্ছে, বীজপুরের বর্তমান বিধায়ক তখন তো বিজেপিতে ছিলেন। অপরদিকে নাম না করেই জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যামকেও আক্রমণ করেন শুভ্রাংশু। তিনি বলেন, যিনি বড় বড় কথা বলছেন। তিনি তো তৃণমূল সম্পর্সে কিছুই জানেন না। আর ২০১৯ সালের উন্নয়নের কথা বলছেন, তার আগে তাহলে উন্নয়ন হয়নি। আমি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে বলছি, দল অনুমতি দিলে আমি তাঁদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াইয়ে প্রস্তুত। আর তিনি দুই বিধায়ককে পরামর্শ দেওয়ার ঢঙে বলেন, যা বলার দলের অভ্যন্তরে বলা উচিত। মঞ্চে দাঁড়িয়ে বলা ঠিক নয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: মমতার জেলা সফরের দিনই সুকান্তর হাত ধরে ৫০০ তৃণমূল কর্মী বিজেপিতে

    Sukanta Majumdar: মমতার জেলা সফরের দিনই সুকান্তর হাত ধরে ৫০০ তৃণমূল কর্মী বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সফরে এসেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এদিনই তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্কে থাবা বসাল বিজেপি। এদিন জেলার কুশমন্ডিতে এক জনসভা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। জনসভাতে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেন ৫০০ জন তৃণমূলকর্মী। তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন সুকান্ত মজুমদার। জেলাতে মুখ্যমন্ত্রীর জেলা সফরের দিন ৫০০ জন তৃণমূল কর্মী গেরুয়া শিবিরে যোগ দান করায় লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি কর্মীরা চাঙ্গা হয়ে উঠেছেন।

    মমতার সফরের দিনই দেওয়াল লিখন করেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)

    এদিন সুকান্ত (Sukanta Majumdar) ছাড়াও এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী,  প্রাক্তন জেলা সভাপতি শুভেন্দু সরকার সহ অন্যরা। মুখ্যমন্ত্রীর সফরের আগেই লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দেওয়াল লিখন শুরু করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার । মমতার প্রশাসনিক সভামঞ্চের প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে বিজেপির তরফে দেওয়াল লিখন  করা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট শহরের যুবশ্রী মোড় সংলগ্ন এলাকায় দেওয়াল লিখন শুরু করেন বিজেপি সাংসদ। ‘হীরক রানি বাই বাই, অনাচার থেকে মুক্তি চাই’, ‘মোদি সরকার আরও একবার’, এই সমস্ত স্লোগানকে সামনে রেখে রাজ্যজুড়ে দেওয়াল লিখন শুরু করেছে বিজেপি। 

    কী বললেন সুকান্ত? (Sukanta Majumdar)

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, এদিন জেলার বালুরঘাটে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এসেছেন। আর আমার সভা বালুরঘাট থেকে ৭০ কিলোমিটার দূরে হচ্ছে। মামদোবাজি পেয়েছে নাকি যে আমাদেরকে সভা করতে দেবে না। মুখ্যমন্ত্রী তো হেলিকপ্টার করে যাবেন। তাহলেই আমাদের সভা করলে ওনার সমস্যা কোথায়। আমরাও সভা করছি। আর  মুখ্যমন্ত্রীর জেলা সফরের দিন ৫০০ জন তৃণমূল কর্মী বিজেপিতে যোগদান করল। পাশাপাশি বালুরঘাটে দেওয়াল লিখন করা হয়। তৃণমূলের সভাতে বিজেপির বিধায়কদের ডাকা হয়নি বলে কোর্টে যাবার হুঁশিয়ারি দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। এই বিষয়ে এক যোগদানকারী বলেন, তৃণমূলে সন্মান ছিল না। বিজেপিতে এসে আমরা আত্মসন্মান ফিরে পেলাম।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share