Tag: Trinamool leader

Trinamool leader

  • Cooch Behar: “এখান থেকে পদ্মফুলের কোনও প্রচার হবে না”, দিনহাটায় তৃণমূল নেতার হুঁশিয়ারি

    Cooch Behar: “এখান থেকে পদ্মফুলের কোনও প্রচার হবে না”, দিনহাটায় তৃণমূল নেতার হুঁশিয়ারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আগে, প্রচারে গিয়ে বিজেপিকে ভোট দিলে দেখে নেবো বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূলে নেতা। লোকসভার ভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়ে গিয়েছে। নির্বাচনের আচরণবিধি লাগু হয়েছে। ইতিমধ্যে কোচবিহারে (Cooch Behar) তৃণমূল নেতার দৌরাত্ম্যের খবর উঠে এসেছে। ব্লকের তৃণমূল নেতা বলেন, “এখান থেকে পদ্মফুলের কোনও প্রচার হবে না।” দিনহাটার চওড়া বাজারে কোনও ব্যবসায়ী যদি বিজেপিকে ভোট দেন, তাহলে ফল ভুগতে হবে বলে মন্তব্য করেন এই তৃণমূল নেতা। ঘটনায় সরব হয়েছে বিজেপি।

    কোন তৃণমূল নেতা হুমকি দেন (Cooch Behar)?

    গতকাল মঙ্গলবার লোকসভা ভোটের প্রচার করতে গিয়ে দিনহাটা (Cooch Behar) ব্লক তৃণমূল নেতা বিশু ধর বিজেপিকে ভোট দিলে ফল খারাপ হবে বলে হুমকি দেন। যদিও এই এলাকা উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহের পরিচিত বলে জানা যায়। তৃণমূল প্রার্থী জগদীশ বসুনিয়ার সমর্থনে প্রচারে যান। দোকানে দোকানে গিয়ে হুমকি দিয়ে নেতা বিশু ধর বলেন, “বিজেপিকে ভোট দেওয়ার পর যদি বিপদে পড়েন, তাহলে আমাদের কাছে যাবেন না, নিশীথ প্রামাণিকের বাড়ি যাবেন। এখানে কোনও পদ্ম ফুলের হয়ে প্রচার করা যাবে না। কেউ যদি মনে করেন এটা হুঁশিয়ারি, তাহলে হুঁশিয়ারিই এটা। উদয়নের দরজা সব সময় খোলা। বর্তমান বিজেপির এমপিকে একদম পাওয়া যায় না। যে কাজ করবে না, তাঁকে ভোট দেওয়া যাবে না।”

    বিজপির বক্তব্য?

    ব্লক (Cooch Behar) তৃণমূল নেতা বিশু ধর আরও বলেন, “এলাকার ভোট অন্য কোথাও পড়লে আমরা দেখে নেবো। আগের বারের ভোটে ৭০০০ ভোটে হেরেছি আমরা। এই চাওড়া বাজারে থাকতে গেলে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে পাশে দাঁড়াতে হবে। যদি একটিও ভোট বাইরে যায় তাহলে আমরা পাশে থাকব না।” ঘটনায় স্থানীয় বিজেপি নেতা সমালোচনা করে বলেন, “ভোটের আগে থেকেই এলাকার মানুষকে উত্তপ্ত করা হচ্ছে। মানুষের মনে ভয় ঢোকানো হচ্ছে। তৃণমূল নরকের কিট ছাড়া আর কিছুনা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: এ যেন অন্য  সন্দেশখালি, বাঁধের গা থেকে উধাও ইট! অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    Sandeshkhali: এ যেন অন্য সন্দেশখালি, বাঁধের গা থেকে উধাও ইট! অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন ঠিক আরেক সন্দেশখালির খোঁজ মিলল দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। সেখানেও দুর্নীতির অভিযোগে সরব এলাকাবাসী। এলাকার মানুষের অভিযোগ, পুই তেঁতুলতলায় রায়মঙ্গল নদীর বাঁধের গা থেকে উধাও হয়ে যাচ্ছে একের পর এক ইট। রায়মঙ্গলের এক পাশে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) এবং অপর পাশে গোসাবা। সেখানে মূলত অভিযোগ, বাঁধের ইট নদীবাঁধকে রক্ষার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু তা কার্যত দিনে দিনে উধাও হয়ে যাচ্ছে। এলাকার মানুষের অভিযোগ, “এলাকায় কালোবাজারি চলছে। প্রকাশ্য দিনেদুপুরে চুরি হচ্ছে ইট।”

    ইট পাচারে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা (Sandeshkhali)

    স্থানীয় (Sandeshkhali) মানুষদের অভিযোগ, এলাকার তৃণমূল নেতা বাঁধের ইট খুলে বিক্রি করছেন। কোনও সময় গ্রামের বাইরে আবার কোনও সময় খোলা বাজারে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে এই ইট। কার্যত এলাকায় কালোবাজারি চলছে। আর এই কাজের নেতৃত্ব দিচ্ছেন গ্রামের তৃণমূল নেতা নিত্যানন্দ চক্রবর্তী। তিনি আবার এলাকার তৃণমূল নেতা রঞ্জন মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ বলেও জানা গিয়েছে। এলাকার বাসিন্দা দেবব্রত মণ্ডল জানিয়েছেন, “রঞ্জনবাবু তো এসেছিলেন এলাকায়, তাঁদের নির্দেশে ইটগুলো তুলে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। স্থানীয় ক্লাবেও কিছু ইট পাচার করা হয়েছে। আমরা প্রতিবাদ করতে গেলে আমাদের মারবে।”

    তৃণমূল নেতার বক্তব্য

    স্থানীয় তৃণমূল নেতা নিত্যান্দ চক্রবর্তী সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, “পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে ওই ইটগুলি রাস্তা নির্মাণের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। কোনও ইট বিক্রি করা হয়নি। সবটাই পাবলিকের কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। টাকা নিয়ে ইট দেওয়ার অভিযোগ মিথ্যা।” অপর দিকে রঞ্জন মণ্ডল বলেন, “আমার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ মিথ্যা। বিক্রি যে করা হয়েছে তার প্রমাণ দিতে বলুন। আমি রাজনীতিতে আসার আগে আমার যা সম্পত্তি ছিল আর এখন যা সম্পত্তি হয়েছে সেই বিষয়ে হিসেব নিলেই সব বোঝা যাবে। মানুষের সেবা করা আমার অপরাধ হয়ে গিয়েছে।” অপর দিকে এলাকার বিধায়ক সুব্রত মণ্ডল বলেন, “আমি এমন কোনও খবর পাইনি। এখানে গোষ্ঠী কোন্দলের কোনও বিষয় নেই।”

    তৃণমূলের রাজত্বে মানুষের ক্ষোভে এই পুই তেতুলতলা এখন নতুন এক সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) পরিণত হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: ‘অনেক মধু আছে, তাই দাঁড়়াতে চাইছেন’, দলীয় বিধায়ককে কেন বললেন চিরঞ্জিৎ?

    North 24 Parganas: ‘অনেক মধু আছে, তাই দাঁড়়াতে চাইছেন’, দলীয় বিধায়ককে কেন বললেন চিরঞ্জিৎ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলেরই এক বিধায়কের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন তৃণমূলের সেলিব্রিটি বিধায়ক চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী। দলীয় বৈঠকে প্রকাশ্যে তাঁর ক্ষোভের কথা জানালেন বারাসতের বিধায়ক। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তর ২৪ পরগনায় (North 24 Parganas) তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?(North 24 Parganas)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনা (North 24 Parganas) জেলা পরিষদের সভা কক্ষে ১৪ ডিসেম্বর তৃণমূলের কোর কমিটির বৈঠক ছিল। সেখানে শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে বারাসতের বিধায়ককে নিয়ে বেশ কিছু অনুযোগ করেছেন অশোকনগরের বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামী। তিনি শীর্ষ নেতৃত্বকে জানান, বারাসতে নেতৃত্বের অভাব রয়েছে। সেখানকার নাগরিকরা নিজেদের অভিযোগ জানাতে পারছেন না। পরিষেবা দেওয়ার মত জনপ্রতিনিধি বা নেতা সেখানে নেই। এতে নাগরিকরা ক্ষুব্ধ হচ্ছেন। এতে সার্বিকভাবে তৃণমূলেরই ক্ষতি হচ্ছে। যদিও পরে বিধায়ক নারায়ণ গোস্বামীকে এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, যা বলার কোর কমিটির আলোচনায় বলব।

    নারায়ণ গোস্বামীকে নিয়ে এ কী বললেন চিরঞ্জিৎ?

    রবিবার উত্তর ২৪ পরগনা (North 24 Parganas) জেলা গ্রন্থমেলায় এসে নারায়ণ গোস্বামী প্রসঙ্গে চিরঞ্জিৎ বলেন, আমায় মমতা যদি আর না দাঁড় করায় (বিধানসভা ভোটে), তা হলে হয়ত ও (নারায়ণ) ঢুকবে। তাই এক পা এগিয়ে রাখল।  বারাসত কেন্দ্রই পছন্দের নারায়ণের? তিনি তো এমনিতেই বিধায়ক। চিরঞ্জিতের ব্যাখ্যা, ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে তাঁর কেন্দ্র থেকেই ভোটে লড়তে চেয়েছিলেন নারায়ণ। নারায়ণ হয়তো চাইছেন ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটে বারাসত থেকে দাঁড়াতে। তাই হয়ত নেতৃত্বের কাছে এ সব বলছেন। বারাসতে অনেক ব্যবসায়ী আছে। এখানে অনেক মধু আছে। তাই এখান থেকে দাঁড়াতে চায় ও।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    শাসকদলের বিধায়ক বনাম বিধায়কে এই দ্বন্দ্বে কটাক্ষের সুযোগ হাতছাড়া করেনি গেরুয়া শিবির।  বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়ের বলেন, তৃণমূল নিজেদের গোষ্ঠীকোন্দলে জেরবার। মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক দুর্নীতিকাণ্ডে জেলে। এ দিকে বিধায়ক বিধায়ককে আক্রমণ করছেন। এর ‘ফল’ লোকসভা নির্বাচনে পাবে তৃণমূল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Burdwan: দোতলা বাড়িতে থেকেও তৃণমূল নেতা ১০০ দিনের শ্রমিক, পেলেন ‘অভিষেকের টাকা’!

    Burdwan: দোতলা বাড়িতে থেকেও তৃণমূল নেতা ১০০ দিনের শ্রমিক, পেলেন ‘অভিষেকের টাকা’!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এলাকায় পড়ল পোস্টার। আর সেটাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম বর্ধমানের (Burdwan) কাঁকসা মলানদিঘি এলাকায়। যে তৃণমূল নেতার নামে পোস্টার পড়েছে তাঁর নাম সুকুমার সাহা। তাঁর স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা কাঁকসা পঞ্চায়েত সমিতির দু’বারের সদস্য। এক সময় পঞ্চায়েত সমিতির স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষও ছিলেন তিনি।

    পোস্টারে কী লেখা রয়েছে? (Burdwan)

    তৃণমূল নেতার নামে দেওয়া পোস্টারে লেখা রয়েছে, ‘৮ লক্ষ টাকার গাড়ির মালিক জব কার্ডধারী, ভাঁওতাবাজ তৃণমূল নেতা সুকুমার সাহা গরিব মানুষের টাকা আত্মসাৎকারী।’ আবার কোনও পোস্টারে ব্লক সভাপতি যে টাকা দিচ্ছেন সুকুমারকে, সেই ছবিও রয়েছে। এ রকম পোস্টার পশ্চিম বর্ধমানের (Burdwan) কাঁকসার মলানদিঘি হাটতলা, পেট্রল পাম্পের সামনে-সহ বিভিন্ন জায়গায় সাঁটানো রয়েছে। আর এই পোস্টার সামনে আসতেই এলাকায় চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে।

    কেন পোস্টার?

    সুকুমারের দোতলা পাকা বাড়ি রয়েছে। হাটতলা এলাকায় প্রসাধনী সামগ্রীর একটি দোকানও রয়েছে। তিনি আবার ১০০ দিনের প্রকল্পের শ্রমিক। কয়েক মাস আগে একশো দিনের বকেয়া টাকা চেয়ে তৃণমূলের দিল্লির কর্মসূচিতেও যোগ দিয়েছিলেন সুকুমার। কিছুদিন আগে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, কেন্দ্র টাকা না দিলে, দলের তরফেই একশো দিনের বকেয়া টাকা সংশ্লিষ্ট শ্রমিকদের দেওয়া হবে। সেই মতো তাঁকেই সম্প্রতি অর্থ সাহায্য করা হয়েছে। তৃণমূল নেতা সুকুমার সাহাকে টাকা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন দলের ব্লক সভাপতি ভবানী ভট্টাচার্য। বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকার মানুষ প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন। এলাকার (Burdwan) মানুষের বক্তব্য, তৃণমূল নেতা লক্ষ লক্ষ টাকার মালিক। ১০০ দিনের প্রকল্পে যে দুর্নীতি হয়েছে তা জ্বলন্ত হল এই ঘটনা।

    কী সাফাই দিলেন তৃণমূল নেতা?

    সুকুমারবাবু বলেন, ২০১০ থেকে আমার ‘জব কার্ড’ রয়েছে। তখন থেকে একশো দিনের শ্রমিক হিসাবে কাজ করি আমি। মাটির বাড়িতে বাস করি আমি। যে দোতলা বাড়ির কথা বলা হচ্ছে, সেটি আমার মামাদের। আমার বাবা দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টে (Burdwan) কাজ করতেন। বর্তমানে আমার দাদা ডিএসপিতে কাজ করেন। আমি শ্রমিক।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    পোস্টার প্রসঙ্গে বিজেপির কাঁকসা ৪ নম্বর মণ্ডলের সহ- সভাপতি সপ্তম দাস বলেন, আসলে তৃণমূলের চুরির জন্য যাঁরা একশো দিনের টাকা পাচ্ছেন না, তাঁরা ক্ষোভে এই কাজ করেছেন। এটা ওদের গোষ্ঠী কোন্দল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: রেলের ওয়াগন চুরির অভিযোগে জেলও খেটেছেন তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক সোহরাব আলি!

    Asansol: রেলের ওয়াগন চুরির অভিযোগে জেলও খেটেছেন তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক সোহরাব আলি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সোহরাব আলির বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা। সোহরাবের স্ত্রী আবার আসানসোল (Asansol) পুরনিগমের কাউন্সিলর। এর পাশাপাশি বার্নপুরের এক প্রোমোটার ইমতিয়াজ আলির বাড়িতেও পৌঁছে গিয়েছেন তাঁরা। তবে, ঠিক কী কারণে তল্লাশি অভিযান চলছে, তল্লাশি চালিয়ে আয়কর দফতরের আধিকারিকরা কী পেলেন তা জানা যায়নি।

    কে এই সোহরাব আলি? (Asansol)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আসানসোলের (Asansol) হীরাপুরের শেখ আলির ছেলে সোহরাব আলি। শেখ আলি পেশায় গাড়ির চালক হলেও তাঁর মূল ব্যবসা ছিল লোহার। সেই সূত্র ধরেই সোহরাব আলি লোহার কারবারে নামেন। তবে, সেই ব্যবসার আড়ালে ধরমপুরে বেআইনি ব্যবসা-সহ বার্নপুরে রেল ওয়াগন ভাঙা, ইস্কো কারখানায় লোহার স্ক্র্যাপের বেআইনি ব্যবসা-সহ নানা অভিযোগ ছিল সোহরাবের বিরুদ্ধে। আবার রাজনীতিতেও সোহরাবের ‘উত্থান’ চমকপ্রদ। লোকসভা ভোটে কখনও নির্দল প্রার্থী হয়েছেন, কখনও লালুপ্রসাদের হাত ধরে আরজেডিতে নাম লিখিয়ে বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এক সময় পুরভোটে নির্দল প্রার্থী হয়ে সিপিএমের তাহের হুসেনকে হারিয়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হন। পরে আরএসপিতে যোগদান করেন। ১৯৯৫ সালে আরপিএফ একটি মামলা দায়ের করে। সেই মামলায় নাম জড়ায় তাঁর। কুড়ি বছর ধরে মামলা চলেছিল। ২০১১ সালে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে রানিগঞ্জের বিধায়ক হন। অভিযোগ উঠেছিল, রেলের ওয়াগন চুরি করেছেন সোহরাব। সেই মামলায় ২০১৫ সালে সাজা পান তিনি। তবে বিধায়ক থাকার জন্য একদিনেই জামিনে মুক্তি মেলে তাঁর। এরপর আর টিকিট পাননি সোহরাব। পরবর্তীকালে প্রোমোটারি ব্যবসা শুরু করেন তিনি। তাঁর এই আর্থিক প্রতিপত্তির হিসাব নিকেশ দেখতেই গোয়েন্দাদের হানা বলে মনে করা হচ্ছে।

    প্রাক্তন বিধায়কের বাড়িতে কম্পিউটার, ল্যাপটপ ও প্রিন্টার মেশিন নিয়ে ঢোকেন আধিকারিকরা

    লোহা ব্যবসায়ী ইমতিয়াজ আলমের হিসাব রক্ষক পঙ্কজ আগরওয়ালের বাড়ি এবং রেশন দোকানে হানা দিয়েছে আয়কর দফতর। এই মুহূর্তে প্রাক্তন বিধায়ক সোহরাব আলির বাড়িতে আধিকারিকরা কম্পিউটার, ল্যাপটপ ও প্রিন্টার মেশিন নিয়ে ঢোকেন। তবে, কী কারণে এই সব নিয়ে যাওয়া হয়েছে তা স্পষ্ট নয়। পাশাপাশি ব্যবসায়ী ইমতিয়াজ আলমের ঘনিষ্ঠ সুজিত সিং-এর বাড়ি এবং আর এক ব্যবসায়ী মহেন্দ্র শর্মার অফিসে হানা দেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Raiganj:  বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজেপি করা যাবে না, অধ্যাপককে নিদান তৃণমূল নেতার

    Raiganj: বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজেপি করা যাবে না, অধ্যাপককে নিদান তৃণমূল নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক অধ্যাপকের দিকে মারমুখী হয়ে তেড়ে যাওয়া ও গালিগালাজ করার অভিযোগ উঠল এক অশিক্ষক কর্মীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ওই অশিক্ষক কর্মী তৃণমূল শিক্ষাবন্ধু সমিতির সভাপতি। বুধবার এ ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে উত্তর দিনাজপুর রায়গঞ্জ (Raiganj) বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Raiganj)

    বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার বিকেলে রায়গঞ্জ (Raiganj)  বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক দেবাশিস বিশ্বাস ক্যাম্পাসে এক অশিক্ষক কর্মীর সঙ্গে কথা বলছিলেন। সেই সময় হঠাৎই বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃণমূল শিক্ষাবন্ধু সমিতির সভাপতি তপন নাগ এসে ওই অশিক্ষক কর্মীর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ। তার প্রতিবাদ করতে গেলে অধ্যাপক দেবাশিস বিশ্বাসের দিকে মারমুখী হন, পাশাপাশি অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করতে শুরু করেন বলে অভিযোগ। বিজেপি, আরএসএস ইউনিট বিশ্ববিদ্যালয়ে খোলা যাবে না বলে তৃণমূলের ওই নেতা অধ্যাপককে প্রকাশ্যে হুমকি দেন। পরবর্তীতে বচসা ক্রমশ বাড়লে উত্তেজনার সৃষ্টি হয় বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে। চিৎকার চেঁচামেচি শুনে অন্যান্য অধ্যাপকরা ছুটে আসেন। অধ্যাপকদের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। গোটা ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয় বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে। এবং এ হেন আচরণ কাম্য নয় বলেই মনে করছেন শিক্ষা মহল।

    অধ্যাপক কী বললেন?

    অধ্যাপক দেবাশিস বিশ্বাস বলেন, আমি এক অশিক্ষক কর্মীর সঙ্গে কথা বলছিলাম। সেই সময় তৃণমূল নেতা তপন নাগ এসে প্রথমে সেই অশিক্ষক কর্মীকে উল্টোপাল্টা  কথা বলা শুরু করে এবং হুমকি দেয়। তার আমি প্রতিবাদ করলে আমার দিকে মারমুখী হয় ও গালিগালাজ শুরু করে। যা কোনও ভাবেই কাম্য নয়।

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করলেন অভিযুক্ত তৃণমূল শিক্ষাবন্ধু সমিতির সভাপতি তপন নাগ। তিনি বলেন, এক সহকর্মীর সঙ্গে গল্প করার সময় ওই অধ্যাপক আমাকে বাজে কথা বলেন। আমি তার শুধু প্রতিবাদ করেছি। আর কিছু করিনি। তিনি আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: মা ও মেয়ের দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্যকর তথ্য, অপহরণ ও খুনের হুমকি দিতেন তৃণমূল নেতা!

    Siliguri: মা ও মেয়ের দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্যকর তথ্য, অপহরণ ও খুনের হুমকি দিতেন তৃণমূল নেতা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়িতে (Siliguri) মা এবং মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় নাম জড়াল স্থানীয় তৃণমূল নেতার। মৃতদেহ উদ্ধার হওয়া ঘর থেকেই সুইসাইড নোট মেলে। তাতেই তৃণমূল নেতার নাম পাওয়া গিয়েছে। পরিবারের লোকজনের অভিযোগ পেয়ে পুলিশ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনায় অভিযোগ দায়ের করেছে।

    সুইসাইড নোটে কী রয়েছে? (Siliguri)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩ ডিসেম্বর শিলিগুড়ি পুরনিগমের ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের শিলিগুড়ি (Siliguri) শান্তিনগর এলাকায় একই বাড়ি থেকে জোড়া দেহ উদ্ধার হয়। শোওয়ার ঘরের বিছানার উপর এক তরুণীর দেহ মেলে। মায়ের দেহ উদ্ধার হয় ঝুলন্ত অবস্থায়। ঘটনার তদন্তে নেমে সুইসাইড নোট পায় পুলিশ। সেখানে আত্মহত্যার কারণ হিসাবে রয়েছে জমি সংক্রান্ত সমস্যার কথা। সেখানে তৃণমূলের দার্জিলিং জেলা কমিটির অন্যতম সম্পাদক প্রসেনজিৎ রায়ের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি তৃণমূল কর্মী সুনীল দাস, সুজিতকুমার ঘোষ, সুভাষ দাস, প্রদীপকুমার চৌধুরীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। ওই চিঠির উপর ভিত্তি করে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে।

    বাড়িতে লোক পাঠিয়ে হুমকি দিতেন তৃণমূল নেতা, সরব মৃতের স্বামী

    মৃতের স্বামী সাধন সরকারের অভিযোগ, বছরখানেক আগে প্রসেনজিতের কাছ থেকে একটি জমি কিনেছিলাম। সেই জমি প্রসেনজিৎ নিজেই ডিসপুট ল্যান্ড তৈরি করে আরও টাকা চান আমার কাছে। এ নিয়ে সমস্যা চলছিল। অনেক দিন ধরে প্রসেনজিৎ তাঁর দলবলকে ওই বাড়িতে পাঠাতেন। ওই লোকজনের কাছে আগ্নেয়াস্ত্র থাকত। বার বার টাকার চাপ দেওয়া হয়। দেওয়া হয় প্রাণে মারার হুমকিও। বাড়িতে বিবাহযোগ্য মেয়ে ছিল। এ নিয়ে আমার স্ত্রী বেশ কয়ে কয়েক মাস ধরেই চিন্তিত ছিল। মাঝে আমাকে আমার স্ত্রীকে অপহরণ বা তুলে নিয়ে গিয়ে আটকে রাখা হবে বলে হুমকি দেওয়া হত। এগুলো সহ্য করতে না পেরে ওরা নিজেদের শেষ করে দিয়েছে। আর প্রসেনজিতের মতো বড় নেতার সঙ্গে লড়াইয়ের ক্ষমতা আমার নেই। থানায় জানিয়েছি ঠিকই। কিন্তু, আদৌ কোনও লাভ হবে কি না জানা নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: চেম্বারে অসুস্থ যুবতীকে শ্লীলতাহানি, অভিযুক্ত চিকিৎসক তৃণমূল নেতা

    North 24 Parganas: চেম্বারে অসুস্থ যুবতীকে শ্লীলতাহানি, অভিযুক্ত চিকিৎসক তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসুস্থ যুবতীকে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের এক নেতার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বনগাঁর গাইঘাটা এলাকায়। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার নাম সুব্রত সরকার। তিনি স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির প্রাক্তন সভাপতি ছিলেন। ইতিমধ্যেই ওই নির্যাতিতা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (North 24 Parganas)  

    শনিবার সন্ধ্যায় জ্বরে আক্রান্ত এক যুবতী তাঁকে চেম্বারে দেখাতে যান। অভিযোগ, সেখানে ওই যুবতীর অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে তাঁকে শ্লীলতাহানি করেন তৃণমূল নেতা তথা এলাকার হাতুড়ে চিকিৎসক। ওই যুবতী কোনওরকমে তাঁর চেম্বার থেকে ছুটে পালিয়ে যান। বাড়িতে এসে সকলকে তৃণমূল নেতার কুকীর্তির কথা তুলে ধরে। বিষয়টি জানাজানি হতেই স্বভাবতই এই ঘটনা ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে এলাকায়। শনিবার রাতেই উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) গাইঘাটা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই নির্যাতিতা যুবতী। খবর পেয়ে সুব্রত সরকারের চেম্বারের সামনে ভিড় করে গ্রামের লোকেরা। তাঁর শাস্তির দাবিতে এলাকাবাসী বিক্ষোভ দেখান।

    কী বললেন  নির্যাতিতা?

    নির্যাতিতা যুবতীর অভিযোগ, কয়েকদিন ধরে মাঝে মধ্যে জ্বর আসছিল। সন্ধেয় ওই চিকিৎসকের কাছে আমি গিয়েছিলাম। সেই সময় চেম্বারে কেউ ছিল না। দেখানোর পর আমি টাকা দিতে যাই। তিনি টাকা না নিয়ে আমার সঙ্গে অভব্য আচরণ করেন। বাধা দিতে গেলে জোর করে আমার হাত ধরে নিজের দিকে টানার চেষ্টা করেন। কোনওভাবে বেরিয়ে এসে বাড়িতে সমস্ত ঘটনা জানাই।

    যুবতীর পরিবার ও প্রতিবেশীদের কী বক্তব্য?

    যুবতীর পরিবার ও প্রতিবেশীদের বক্তব্য, ‘অভিযুক্ত সুব্রত সরকার এর আগেও এমন বেশ কিছু ঘটনা ঘটিয়েছেন। অর্থের জোরে ক্ষমতা জোরে ঘটনাগুলো ধামাচাপা দিয়েছে। এবার তাঁর শাস্তি চাই। নাহলে আরও অনেকের তিনি এভাবে সর্বনাশ করবেন।’

    কী বললেন অভিযুক্ত চিকিৎসকের পরিবারের লোকজন?

    এদিকে অভিযুক্তের পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, তৃণমূল নেতা বলেই তাকে ফাঁসানো হচ্ছে। এইসব ঘটনার সঙ্গে তিনি কোনওভাবেই যুক্ত নন। তাঁকে বদনাম করার জন্য এসব মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।

    এই ঘটনা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এই ঘটনা সামনে আসতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়ে গিয়েছে। স্থানীয় বিজেপির বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি দেবদাস মণ্ডল বলেন, ওই অভিযুক্ত এলাকায় দাপুটে তৃণমূলে নেতা হিসেবেই পরিচিত। এটাই তৃণমূলের সংস্কৃতি। আমরা অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। এদিকে বনগাঁর এক তৃণমূল নেতা বলেন, কারও বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি করার অভিযোগ উঠলে, পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। আইন আইনের পথে চলবে। দল এই ধরনের কাজকে সমর্থন করে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Rape: ছাত্রীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ, অধরা অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা, কী করছে পুলিশ?

    Rape: ছাত্রীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ, অধরা অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা, কী করছে পুলিশ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলেজ ছাত্রীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ (Rape) করার অভিযোগ উঠল স্থানীয় এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, ওই তৃণমূল নেতা ও তার এক সঙ্গী ওই ছাত্রীর নগ্ন ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় আতঙ্কিত দক্ষিণ ২৪ পরগনার মন্দির বাজার থানার কেচারকুড় গ্রামের নির্যাতিতা ওই কলেজ ছাত্রী। 

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Rape)  

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল দশটা নাগাদ ব্যাঙ্কে যায়। সেখানে তার প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করেন ওই যুবতী। সেই সময় কেচারকুড় এলাকার দুই যুবক সাহারুল হালদার ও স্থানীয় তৃণমূল নেতা ইউনুস হালদার ওই কলেজ ছাত্রীকে জোর করে তুলে নিয়ে গিয়ে সেকেন্দারপুর মোড়ে নিজের একটি ফাঁকা বাড়িতে তোলে। প্রেমিককে একটি ঘরে আটকে রেখে অন্য একটি ঘরের মধ্যে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ (Rape) করা হয় বলে অভিযোগ। পরে, তার নগ্ন ছবি মোবাইলে তুলে নিয়ে হুমকি দেয়। বিষয়টি কাউকে জানানো হলে তার নগ্ন ছবি ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এমনকী তাদের ব্ল্যাকমেইল করে টাকাও নেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ওই কলেজ ছাত্রীকে তাদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করতে হবে, না হলে নগ্ন ছবি ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। ঘটনায় নির্যাতিতা কলেজ ছাত্রীর মেডিকেল পরীক্ষা করানোর পাশাপাশি আদালতে গোপন জবানবন্দীর জন্য পেশ করে পুলিশ।

    কী বললেন নির্যাতিতা?

    নির্যাতিতা বলেন, বাড়ি ফিরে সমস্ত বিষয়টি পরিবারের লোকজনকে জানাই। ঘটনার পর মন্দির বাজার থানায় অভিযুক্ত দুই ব্যক্তি সারুল হালদার ও ইউনুস হালদারের  বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। আদালতে সমস্ত কিছু জানিয়েছি। কিন্তু, ঘটনার পর তিনদিন হয়ে গেল পুলিশ কোনও ব্যবস্থাই নিচ্ছে না। ঘটনার পর থেকে তারা পলাতক। ওরা তৃণমূল করে বলে কি পুলিশ কোনও পদক্ষেপ নেবে না। আমাদের দাবি, অভিযুক্তদের ফাঁসি দেওয়া হোক।

    কী বললেন অভিযুক্ত স্থানীয় তৃণমূল নেতার স্ত্রী?

    অবশ্য এই ঘটনায় অভিযুক্ত স্থানীয় তৃণমূল নেতা ইউনুস হালদারের স্ত্রী বলেন, যেহেতু আমার স্বামী তৃণমূল কংগ্রেস করেন, তাই চক্রান্ত করে  স্বামীকে ফাঁসানো হচ্ছে। ছাত্রীর পরিবারের লোকজন আইএসএফের কর্মী সমর্থক। এই সব ধর্ষণের (Rape) ঘটনায় আমার স্বামী জড়িত নয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: ইছাপুরে দিনেরবেলায় প্রকাশ্যে তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি, এলাকায় আতঙ্ক

    TMC: ইছাপুরে দিনেরবেলায় প্রকাশ্যে তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি, এলাকায় আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনের বেলায় প্রকাশ্যে বারাকপুর মহকুমার ইছাপুরে শ্যুটআউটের ঘটনা ঘটল। এক তৃণমূল (TMC) কর্মীকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালানোর অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। পুলিশ জানিয়েছে, জখম তৃণমূল কর্মীর নাম রবীন দাস। এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে এলাকাবাসী প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,  রবীনবাবু ইছাপুর এলাকায় তৃণমূলের (TMC) সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত। তিনি ইমারতি দ্রব্যের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি মাঝেমধ্যেই বাজার থেকে ফুল কিনে বাড়িতে দিয়ে কাজে বের হতেন। বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টা নাগাদ তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে ২১ নম্বর রেল গেটের কাছে ফুল কিনতে গিয়েছিলেন। আচমকা তিনজন দুষ্কৃতী তাঁকে ঘিরে ধরে। কোনও কিছু বুঝে ওঠার আগেই রবীনবাবুকে লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা এলোপাথাড়ি গুলি করে বলে অভিযোগ। তাঁর শরীরে তিনটে গুলি লাগে। একটি গুলি হাতে লাগে। পেট ছুঁয়ে আর একটি গুলি বেরিয়ে যায়। আর অন্যটি পীঠের শিড়়দাঁড়ার পাশে লাগে। এমনিতেই সকালের দিকে ২১ নম্বর রেল গেটের কাছে বাজারে লোকজনের ভিড় লেগে থাকে। আর অফিস টাইম হওয়ায় ভিড় অনেকটাই বেশি ছিল। আচমকা গুলির শব্দ শুনে বাজারে থাকা লোকজন ছুটে পালাতে শুরু করে। দুষ্কৃতীরা বাইকে করে না পায়ে হেঁটে এসেছিল তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার পর পরই তৃণমূল কর্মী মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এরপরই দুষ্কৃতীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে, স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে বারাকপুর বিএন বসু মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) বিধায়ক?

    দলীয় কর্মী গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পেয়ে হাসপাতালে যান জগদ্দলের তৃণমূল (TMC) বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম। তিনি বলেন, রবীনের ডাকনাম ডন। এলাকায় তিনি সক্রিয় তৃণমূল কর্মী। কী কারণে দুষ্কৃতীরা তাঁকে এভাবে গুলি করল তা বুঝতে পারছি না। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করে দেখছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share