Tag: Trinamool

Trinamool

  • BJP: ঘাটালে বিজেপির জয়ী প্রার্থীর বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: ঘাটালে বিজেপির জয়ী প্রার্থীর বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি (BJP) জয়ী প্রার্থীর বাড়ি লক্ষ্য করে প্রথমে ঢিল, তারপর বোমা ছোঁড়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটালের সুলতানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাইতিচক গ্রামে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    সুলতানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে কাকলি কুড়েল নামে বিজেপি (BJP)  প্রার্থী জয়ী হন। জয়ী হওয়ার পর থেকেই শাসক দলের পক্ষ থেকেই হুমকি দেওয়া হয়। ঘাটাল ব্লকের ২১ টি আসন বিশিষ্ট এই সুলতানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে ভোটের ফলাফল ত্রিশঙ্কু হয়। তৃণমূল-১০ টি,বিজেপি-১০ টি ও নির্দল-১ টি করে আসনে জয়ী হয়। ফল, ঘোষণার পরই ঘাটাল ব্লকে বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের গোপন ডেরায় রেখেছিল বিজেপি। দিন দুয়েক আগে সুতলানপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বাইতিচক গ্রামের বাড়িতে ফিরে আসেন বিজেপির এই জয়ী প্রার্থী কাকলি কুড়েল। আর তারপরই শনিবার সন্ধ্যা ৭ টা নাগাদ বিজেপি প্রার্থীর বাড়ি লক্ষ্য করে প্রথমে বেশ কয়েকবার ঢিল ছোঁড়া হয়। তারপরই রাত নাগাদ বোমা ছোঁড়া হয় বোম ফাটার আওয়াজ পাওয়া যায়। বোমার আওয়াজ পেয়ে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসে পরিবারের সদস্য থেকে শুরু করে প্রতিবেশীরা। ঢিল ছোঁড়ার জেরে প্রার্থীর টালির ছাউনির কিছু অংশ ভেঙে যায়। ঘটনার খবর পেয়ে প্রার্থীর বাড়িতে যান স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রামে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

    কী বললেন বিজেপির (BJP) জয়ী প্রার্থী?

    বিজেপির (BJP) জয়ী প্রার্থী কাকলি কুড়েল বলেন, ভোটে জয়ী হওয়ার পর থেকেই তৃণমূল লাগাতার হুমকি দিচ্ছিল বলে অভিযোগ। এতদিন বাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে ছিলাম। গ্রামে ফিরতেই বাড়ি লক্ষ্য করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বোমাবাজি করে। আসলে ওরা সন্ত্রাস করে আমাদের এলাকা ছাড়া করতে চাইছে। এই ঘটনায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। যদিও এবিষয়ে স্থানীয় তৃনমূল নেতৃত্ব পুরো ঘটনা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: দলীয় নেতা খুনে রবিবার ইসলামপুরে ১২ ঘণ্টার বনধ ডাকল বিজেপি, কেমন প্রভাব পড়ল?

    BJP: দলীয় নেতা খুনে রবিবার ইসলামপুরে ১২ ঘণ্টার বনধ ডাকল বিজেপি, কেমন প্রভাব পড়ল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তোলাবাজির প্রতিবাদ করায় শনিবার দুষ্কৃতীদের হামলায় খুন হন বিজেপি যুব মোর্চার নগর মণ্ডল কমিটির সম্পাদক অসীম সাহা। এই ঘটনার প্রতিবাদে রবিবার ইসলামপুরে ১২ ঘণ্টার বনধ ডাকল বিজেপি নেতৃত্ব। তাদের দাবি, অসীম সাহাকে রাজনৈতিক স্বার্থে ইচ্ছাকৃতভাবে খুন করা হয়েছে। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। অভিযুক্তদের কঠোরতম শাস্তি এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার দাবিতেই বনধের ডাক দেওয়া হয়েছে।

    কী বললেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার?

    ইসলামপুরে বিজেপির বনধ ডাকার পরই শনিবার রাতে তড়িঘড়ি সাংবাদিক সম্মেলনের ডাক দেয় ইসলামপুর জেলার পুলিশ। শনিবার গভীর রাতে ইসলামপুর থানায় জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কার্তিকচন্দ্র মণ্ডল থানার আইসি সন্দীপ চক্রবর্তীকে নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ইসলামপুর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কার্তিকচন্দ্র মণ্ডল বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে টাকা-পয়সা লেনদেনের ঘটনা থেকেই তর্ক শুরু হয়, তারপরেই এই ঘটনা ঘটে। যদিও এখনও পর্যন্ত লিখিত কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি। ঘটনা ঘটার প্রায় ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যেই অভিযুক্ত মহঃ সাহিলকে গ্রেফতার করা হয়েছে।লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তাকে ইসলামপুর আদালতে পেশ করা হবে। অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। অপরদিকে, বিজেপির আনা তোলাবাজি ও তৃণমূলের মদতের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ভিত্তিহীন অভিযোগ। এই ঘটনার সাথে রাজনৈতিক কোনও ব্যাপার নেই। টাকাপয়সা লেনদেন সংক্রান্ত বিষয় থাকতে পারে। তা আমরা তদন্ত করে দেখছি। পাশাপাশি, এদিন বিজেপির ডাকা ১২ ঘন্টা ইসলামপুর বনধের বিষয়ে তিনি বলেন, “পুলিশ মোতায়েন থাকবে। আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জোরপূর্বক বনধ কোথাও করতে দেওয়া হবে না।”

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল?

    ইসলামপুর শহরের বীজহাট্টি এলাকায় রতন সাহা নামে এক বস্ত্র ব্যবসায়ীর কাছে দীর্ঘদিন ধরে মহঃ তফিক নামে এক যুবক মিথ্যা গল্প সাজিয়ে বকেয়া টাকার নাম করে ওই ব্যবসায়ীকে চাপ দিতে শুরু করে বলে অভিযোগ। ওই যুবক কিছুদিন আগে তার কিছু বন্ধুবান্ধবকে নিয়ে ওই বস্ত্র ব্যবসায়ীর কাছে টাকা আদায়ের জন্য দোকানে এসে ঝামেলা সৃষ্টি করে। ওই বস্ত্র  ব্যবসায়ীকে দেখে নেওয়ার হুমকিও দেয় অভিযুক্তরা। শনিবার  সকালে ওই বস্ত্র ব্যবসায়ীর দোকানে মহঃ সাহিল নামে অপর এক যুবক তোলা চাইতে আসে। তোলা নিয়ে ঝামেলার সৃষ্টি করে। তখন দোকান মালিকের ভাগ্নে তথা বিজেপি নেতা অসীম সাহা সেখানেই ছিলেন। তিনি তোলাবাজির প্রতিবাদ করায় তাঁকে চাকু দিয়ে একাধিক জায়গায় আঘাত করে বলে অভিযোগ। তাঁকে বাঁচাতে গেলে এই ঘটনায় স্থানীয় অপর এক যুবক আহত হয়। এরপর ওই অভিযুক্ত ওই যুবক ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয়। আহতদের উদ্ধার করে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। আহত অসীমের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করা হয়। পরবর্তী সময়ে শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে মৃত্যু হয় অসীম সাহার। শনিবার বিজেপির পক্ষ থেকে ৩১ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির সহ-সভাপতি সুরজিৎ সেন জানিয়েছেন, যেভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে দলীয় নেতাকে খুন হতে হল তা অত্যন্ত দুঃখের। আমরা সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন করেছিলাম বনধ সফল করার জন্য। মানুষ আমাদের ডাকে সাড়া দিয়েছে। গভীর রাতে বনধের নোটিশ দেওয়ার কারণে অনেকেই হয়তো বনধের খবর জানে না। তাই তারা রাস্তায় নেমেছে। আমরা সাধারণ মানুষের দাবিতে ও তাদের সুরক্ষার দাবিতে শান্তিপূর্ণ বনধ ডেকেছি। আমরা রাস্তা অবরোধ করে পিকেটিং করে বনধ আরও জোরালো করতে পারতাম। কিন্তু সাধারণ মানুষের কথা ভেবে আমরা তা করছি না।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • BJP: তোলাবাজির প্রতিবাদ করায় ইসলামপুরে বিজেপি নেতাকে খুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: তোলাবাজির প্রতিবাদ করায় ইসলামপুরে বিজেপি নেতাকে খুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তোলাবাজির প্রতিবাদ করতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের হাতে খুন হলেন এক বিজেপি (BJP) নেতা। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজদপুরের ইসলামপুর এলাকায়।  পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম অসীম সাহা। তিনি বিজেপি যুব মোর্চার নগর কমিটির সম্পাদক ছিলেন। পাশাপাশি তিনি ইসলামপুরে বস্ত্র ব্যবসায়ী রতন সাহার ভাগ্নে। বিজেপি নেতা খুন হওয়ার প্রতিবাদে দলীয় নেতা কর্মীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁদের অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হামলায় এই খুনের ঘটনা ঘটেছে।  পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার দাবি তুলে ইসলামপুরের শিবডাঙ্গী এলাকায় বিজেপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে ৩১ নং জাতীয় সড়ক অবরোধ করে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভে সামিল হন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে ইসলামপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশের সঙ্গে বাগ-বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা। ঘণ্টাখানেক বিক্ষোভের পর অবরোধ তুলে নেন আন্দোলনকারীরা।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

     ইসলামপুর শহরের বীজহাট্টি এলাকায় রতন সাহা নামে এক কাপড় ব্যবসায়ীর কাছে দীর্ঘদিন ধরে মহঃ তফিক নামে এক যুবক মিথ্যা গল্প সাজিয়ে বকেয়া টাকার নাম করে জোর করে টাকার জন্য ওই ব্যবসায়ীকে চাপ দিতে শুরু করে বলে অভিযোগ। ওই যুবক কিছুদিন আগে তার কিছু বন্ধু বান্ধবকে নিয়ে ওই কাপড় ব্যবসায়ীর কাছে টাকা আদায়ের জন্য দোকানে এসে ঝামেলা সৃষ্টি করে। ওই কাপড় ব্যবসায়ীকে দেখে নেওয়ার হুমকিও দেয় অভিযুক্তরা। শনিবার  সকালে ওই কাপড় ব্যবসায়ীর দোকানে মহঃ সাহিল নামে অপর এক যুবক আবার টাকা আদায়ের জন্য ঝামেলা সৃষ্টি করে। তখন দোকানেই ছিলেন রতনবাবুর ভাগ্নে তথা বিজেপি (BJP) নেতা অসীম সাহা। তিনি তোলাবাজির প্রতিবাদ করায় তাঁকে চাকু দিয়ে একাধিক জায়গায় আঘাত করে বলে অভিযোগ। তাকে বাঁচাতে গেলে এই ঘটনায় স্থানীয় অপর এক যুবক জখম হন। এরপর অভিযুক্ত ওই যুবক দলবল নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয়। আহতদের উদ্ধার করে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। জখম বিজেপি নেতা অসীমবাবুর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাঁকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। পরবর্তী সময়ে শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে মৃত্যু হয় অসীম সাহার। ইসলামপুর থানার পুলিশ তদন্ত নেমে অভিযুক্ত মহঃ সাহিলকে  গ্রেফতার করে।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    বিজেপি (BJP) নেতার মৃত্যুর খবরে শোকের ছায়া নেমে আসে গোটা এলাকা জুড়ে। এ ঘটনায় প্রতিবাদে এলাকার সমস্ত দোকানপাট বন্ধ রাখা হয় ইসলামপুর ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে। অপরদিকে স্থানীয় বিজেপির যুব নেতা রথীন দাস বলেন, নিহত অসীম সাহা বিজেপির যুব নগর কমিটির সম্পাদক পদে ছিলেন। তোলাবাজির প্রতিবাদ করায় তাঁকে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হাতে খুন হতে হল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: ‘তৃণমূলের সন্ত্রাসের জেরে ভিন রাজ্যে বিজেপির বহু জয়ী সদস্য,’ বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লা

    BJP: ‘তৃণমূলের সন্ত্রাসের জেরে ভিন রাজ্যে বিজেপির বহু জয়ী সদস্য,’ বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সন্ত্রাস চলছে। তাই পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপির বহু জয়ী সদস্য প্রাণ বাঁচাতে ভিন রাজ্যে আশ্রয় নিয়েছে। শনিবার শিলিগুড়িতে একথা বলেন আলিপুরদুয়ারের বিজেপি (BJP) সাংসদ কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জন বার্লা। শিলিগুড়িতে রোজগার মেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে এসেছিলেন জন বার্লা। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি। পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূলের ভোট লুট ও সন্ত্রাস নিয়ে সরব হন। তিনি বলেন, ভোট ঘোষণা হতেই তৃণমূল সন্ত্রাস শুরু করেছিল। এখনও সেই সন্ত্রাস চলছে। দিনে দুপুরে খুন-ধর্ষণ, শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটেই চলেছে রাজ্য জুড়ে। প্রশাসন বলতে কিছু নেই। এসপি, ডিএম, বিডিওরা সব তৃণমূলের দলদাস হয়ে কাজ করছে। তাই পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপির বহু জয়ী সদস্য অসম, বিহার ও ওড়িশায় আশ্রয় নিয়েছেন প্রাণ বাঁচাতে।

    নির্বাচনে প্রশাসনিক আধিকারিকদের ভূমিকা নিয়ে কী বললেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী?

    কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বলেন, পঞ্চায়েত ভোটে বিজেপিকে (BJP) হারাতে তৃণমূল ভোট লুট করেছে। তাতেও নিশ্চিত হতে পারেনি। তাই ভোটের পর থেকেই গণনার আগে পর্যন্ত রাতের অন্ধকারে পুলিশ প্রশাসনকে ব্যবহার করে স্ট্রং রুমের ব্যালট বাক্স বদল করেছে তৃণমূল। গণনাতেও কারচুপি করেছে। বিডিও সহ প্রশাসনিক আধিকারিকরা পকেট ব্যালট পেপার নিয়ে ঘুরেছেন। তৃণমূল প্রার্থীরা পিছিয়ে থাকলে সেখানে সেই ব্যালট গুঁজে দিয়ে বিজেপিকে হারিয়েছে।

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর অধীনে ভোট হলে একটি আসনে তৃণমূল জয়ী হত না, কেন বললেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী?

    বিজেপি সাংসদ জন বার্লা বলেন, বিজেপি এই পঞ্চায়েত নির্বাচনে উত্তরবঙ্গের সব আসনেই জিতত। কেননা গত লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে বিজেপি সব আসনেই তৃণমূলের থেকে বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে ছিল। একথা জানিয়ে জন বার্লা বলেন, উত্তরবঙ্গে বিজেপির (BJP) সাতজন সাংসদ রয়েছে। তাই কেন্দ্রীয় বাহিনীর পুরো তত্ত্বাবধানে আবার পঞ্চায়েত ভোট হলে তৃণমূল একটাও আসনে জিততে পারবে না। ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে জেলে পাঠিয়েছিলেন। আমি জেলের ভেতরে থাকা সত্ত্বেও আলিপুরদুয়ারে একটাও পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদ তৃণমূল জিততে পারেনি। সব বিজেপির দখলে ছিল। এবারও যদি অবাধ ও নিরপেক্ষ ভোট হতো তাহলে তৃণমূল কোনও আসনে জিততে পারত না। এটা বুঝতে পেরেই তৃণমূল ভোট লুট ও গণনায় কারচুপি করে জিতেছে। তবে আগামী দিনে মানুষ এর জবাব দেবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: হাওড়ার মঙ্গলাহাট তুলে দেওয়ার চক্রান্ত হচ্ছে, অগ্নিকাণ্ডের পর সরব বিজেপি নেতৃত্ব

    BJP: হাওড়ার মঙ্গলাহাট তুলে দেওয়ার চক্রান্ত হচ্ছে, অগ্নিকাণ্ডের পর সরব বিজেপি নেতৃত্ব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়া ময়দানের মঙ্গলাহাটে চক্রান্ত করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন ব্যাবসায়ীরা। ইতিমধ্যেই পোড়া মঙ্গলাহাটের বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। শুক্রবার দুপুরে বিজেপির (BJP) হাওড়া জেলা সদরের সভাপতি মনিমোহন ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে একদল বিজেপি নেতা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    বিজেপির (BJP) রাজ্য সম্পাদক উমেশ রায় বলেন, এই হাটে ব্যবসায়ীদের থেকে মোটা টাকা তোলা হয়। আর ব্যবসায়ীদের কোনও স্বার্থ দেখা হয় না। এই হাটে কোনও অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা নেই। যার ফলে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। দলের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের জন্য আমরা ক্ষতিপূরণের দাবি জানাচ্ছি। এর পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের  ব্যবসা করার জায়গা দিতে হবে। বিজেপির হাওড়া জেলা সদরের সভাপতি মনিমোহন ভট্টাচার্য অভিযোগ করেন, মঙ্গলাহাটের বেচাকেনার দিন বদল করা হচ্ছে। এই হাটকে তুলে দেওয়ার চক্রান্ত চলছে। তিনি এর জন্য সরাসরি তৃণমূলকে দায়ী করেন।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এদিন সকালে দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু এবং রাজ্যের সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায় আলাদাভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁরা জানিয়েছেন, কী কারণে আগুন লাগল তা নিয়ে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা তদন্ত করবেন। তাতে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানা যাবে। তোলাবাজির অভিযোগ নিয়ে অরূপ রায়ের বক্তব্য, কোনও অভিযোগ থাকলে পুলিশ তদন্ত করে দেখবে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    কী বললেন মঙ্গলহাটের মালিক?

     মঙ্গলহাটের মালিক শান্তিরঞ্জন দে বলেন, এই হাট নিয়ে অনেকগুলি মামলা চলছে। আমার বিরুদ্ধে যে আগুন লাগানোর অভিযোগ উঠেছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি এই ধরনের কোনও কাজ করিনি। এর পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, শট সার্কিট থেকেও আগুন লাগতে পারে।

    ব্যবসায়ীদের কী বক্তব্য?

    ব্যাবিসায়ীদের অভিযোগ,এই হাটের মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গণ্ডগোল চলছিল। ৩৬ বছর আগে একবার এই হাটে আগুন ধরে যায়। তারপর থেকে এটিকে পোড়া হাট নামেই চেনেন সকলে। এই পোড়া হাট ছাড়াও আরও প্রায় ১১ টি হাট ভবন আছে এখানে। সেই সব ভবনেও আগুন নেভানোর কোনও পরিকাঠামো নেই। এসব নিয়ে বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব সরব হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: রায়দিঘিতে পরাজিত বিজেপি প্রার্থীর ভেড়িতে দিল বিষ, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: রায়দিঘিতে পরাজিত বিজেপি প্রার্থীর ভেড়িতে দিল বিষ, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সদ্য পঞ্চায়েত নির্বাচনে হেরে যাওয়া বিজেপি (BJP) প্রার্থীর মাছের ভেড়িতে বিষ দেওয়ার অভিযোগ উঠল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। আর পুকুরে বিষ দেওয়ার কারণে প্রায় দেড় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি।  ঘটনাটি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার রায়দিঘি বিধানসভার কন কন দিঘি গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৪৬ নম্বর বুথের আড়িয়াপাড়া এলাকায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

     পঞ্চায়েত নির্বাচনে সুপর্ণা  মণ্ডল বিজেপির প্রার্থী হয়ে শাসকদলের পুষ্পিতা মাঝির কাছে হেরে যায়। হঠাৎ করে বুধবার রাতে দুষ্কৃতীরা বিজেপি প্রার্থীর ভেড়িতে বিষ দিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার সকালে ভেড়িতে গিয়ে বিজেপি প্রার্থীর শ্বশুর দেখতে পান, ভেড়িতে প্রচুর মাছ মরে ভেসে উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হতেই দলমত নির্বিশেষে  কয়েক শতাধিক মানুষ ঘটনাস্থলে আসেন। দুষ্কৃতীদের শাস্তির দাবিতে রাস্তায় দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ করেন।  তবে ভোটে হারার পর পুকুরে বিষ পড়লেও বিরোধী দলের দিকে আঙুল তুলতে নারাজ পরাজিত প্রার্থী এবং পরিবারের লোকজন। 

    কী বললেন পরাজিত বিজেপি (BJP) প্রার্থী?

    পরাজিত বিজেপি (BJP) প্রার্থী সুপর্ণা মণ্ডল বলেন, ভোটে হেরে যাওয়ার পর ভেড়িতে এভাবে বিষ দিয়ে মাছ মেরে দেবে তা ভাবতে পারছি না। যে বা যেসব দুষ্কৃতী এসব কাজ করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    বিজেপি নেতা সুব্রত বর বলেন, দলীয় প্রার্থী হেরে যাওয়ার পর তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই কাজ করেছে। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি। ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। যে বা যারা এই ঘটনায় যুক্ত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

    কী বললেন তৃণমূল প্রার্থী?

    এই প্রসঙ্গে তৃণমূলের জয়ী প্রার্থী  পুষ্পিতা মাঝি বলেন, আমাদের দল এমন জঘন্য কাজ করতে পারে না। ভোট যুদ্ধে হার-জিত আছে, তাই বলে কাউকে পুকুরে বিষ দিতে হবে এমন কথা আমি স্বপ্নেও ভাবতে পারেন না। তবে, যে বা যারা  করেছে তাদের চিহ্নিত করে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হোক। এটাই প্রশাসনের কাছে আমাদের আবেদন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: ঘোড়া কেনাবেচায় মরিয়া তৃণমূল! ঘাটালে গোপন ডেরায় বিজেপির জয়ী সদস্যরা

    BJP: ঘোড়া কেনাবেচায় মরিয়া তৃণমূল! ঘাটালে গোপন ডেরায় বিজেপির জয়ী সদস্যরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টাকার প্রলোভন আর ভয় দেখিয়ে বিজেপির (BJP) টিকিটে জয়ী পঞ্চায়েত সদস্যদের দলে টানতে পারে তৃণমূল! ঘোড়া কেনাবেচার ভয়ে ঘাটাল ব্লকের ২৫ জন জয়ী প্রার্থীকে সরানো হল গোপন ডেরায়। ঘটনা ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। সবমিলিয়ে ঘোড়া কেনাবেচা প্রসঙ্গে রীতিমতো সরগরম ঘাটালের মাটি।

    কেন এই সিদ্ধান্ত নিল বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে ফল প্রকাশের পর দেখা যায় ঘাটাল ব্লকের ইড়পালা, সুলতানপুর, মনোহরপুর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতে ২৫ টি আসন দখল করেছে বিজেপি (BJP)। দল ভাঙিয়ে শাসকদল যাতে বোর্ড গঠন করতে না পারে সেই কারণেই ২৫ জন জয়ী পঞ্চায়েত সদস্যকেই গোপন ডেরায় সরালো বিজেপি নেতৃত্ব। এই সব পঞ্চায়েতে বিজেপির জয়ী প্রার্থীরা বড় ফ্যাক্টর। বোর্ড গঠনে তাঁদের বড় ভূমিকা রয়েছে। মোটা টাকার লোভ দেখিয়ে জয়ী সদস্যদের কিনে নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবার ভয়ও দেখানো হচ্ছে। আর এই আশঙ্কা থেকে দলের জয়ী প্রার্থীদের গোপন ডেরায় রেখেছে বিজেপি।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    বিজেপি (BJP) বিধায়ক শীতল কপাট বলেন, নির্বাচন পরবর্তী সময়ে এলাকায় সন্ত্রাস ছড়িয়েছে শাসক দল তৃণমূল। একাধিক বিজেপির জয়ী প্রার্থীর বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে। এখনও ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে। প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে জয়ী প্রার্থীদের। পাশাপাশি টাকার প্রলোভন দেখানো হচ্ছে। আর সেই কারণেই তাদের অন্যত্র সরানো হয়েছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    বিজেপির (BJP) এই অভিযোগ মানতে নারাজ শাসক দল তৃণমূল। তৃণমূল নেতা দিলীপ মাজি বলেন, ঘোড়া কেনাবেচায় বিশ্বাস করে না শাসক দল। মানুষ যে রায় দিয়েছে তা মাথা পেতে নিয়েছে তৃণমূল। তাই দল ভাঙিয়ে পঞ্চায়েত গড়ার কোনও প্রশ্নই আসে না। তবে কোনও বিজেপি নেতা যদি লিখিতভাবে শাসক দলে যোগদানের ইচ্ছা প্রকাশ করে, তবে দলে নেওয়া হবে তাদের! এ বিষয়টিও কার্যত স্পষ্ট করে দিয়েছেন‌ তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: পাঁচলার জয়েন্ট বিডিওকে কালো গোলাপ আর মিষ্টির প্যাকেট কেন দিলেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: পাঁচলার জয়েন্ট বিডিওকে কালো গোলাপ আর মিষ্টির প্যাকেট কেন দিলেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনে যথেচ্ছ লুট, ছাপ্পা, অনিয়ম করেছে তৃণমূল। আর এসব অপকর্মে মদত দিয়েছে ব্লক প্রশাসন। এমনই অভিযোগ এনে এবার বিডিও অফিসে কালো গোলাপ ফুল এবং মিষ্টির প্যাকেট বিতরণ করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোমবার হাওড়া জেলার পাঁচলা বিডিও অফিস থেকে এই কর্মসূচি শুরু করেন তিনি। সারা রাজ্যে এই কর্মসূচি চলবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।

    বিডিওকে কালো গোলাপ ও মিষ্টির প্যাকেট দেওয়া প্রসঙ্গে কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    সোমবার বেলা দেড়টা নাগাদ হাওড়ার পাঁচলা বিডিও অফিসে যান শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। বিডিও এদিন অফিসে সেই সময় উপস্থিত ছিলেন না। বিডিওকে না পেয়ে জয়েন্ট বিডিওকে একটি কালো গোলাপ এবং একটি মিষ্টির প্যাকেট তুলে দেন শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু অধিকারী জয়েন্ট বিডিওকে বলেন, আপনারা পশ্চিমবঙ্গের গণতন্ত্র রক্ষা করেছেন। তার জন্য এই ফুল আর মিষ্টি দিয়ে গেলাম। পরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘এরা এত সুন্দর গণনা করেছে, মমতাময়ী নির্মমতাকে সব ভোট লুট করে উপহার দিয়েছে। চৌর্য বৃত্তির কাজে যুক্ত গোটা পশ্চিমবাংলার বিডিওরা।’ আগামী দিনে অন্যান্য জায়গাতেও বিজেপি নেতৃত্ব কালো গোলাপ ফুল এবং মিষ্টির প্যাকেট বিডিওদের হাতে তুলে দেবে বলে তিনি জানান।

    ভোটে কারচুপি নিয়ে কী বললেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল কর্মীরা ছাড়াও সরকারি আধিকারিকদের একাংশ কারচুপিতে যুক্ত ছিলেন বলে মনে করছেন তিনি। ভোটে কারচুপি করতে তাঁরা অনেকটা সাহায্য করেছেন। তবে, গোলাপ ও মিষ্টি বিতরণ কোনও পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি ছিল না। হঠাৎই এদিন হাওড়া জেলার পাঁচলা অফিসে গিয়ে হাজির হন শুভেন্দু অধিকারী। বিষয়টি নিয়ে উপস্থিত জয়েন্ট বিডিও কিছু বলতে চাননি। শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বিডিও অফিসে যাওয়ার পর তাঁকে দু একবার বসার জন্য অনুরোধ করা হয়। তবে তিনি গোলাপ ও মিষ্টি দিয়েই বিডিও অফিস ছেড়ে বেরিয়ে যান। জানা গিয়েছে, এদিন তিনি এলাকায় তৃণমূলের সন্ত্রাসে আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে আসেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: জয়ী হওয়ার পর থেকে শান্তিপুরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ বিজেপির দুই সদস্য

    BJP: জয়ী হওয়ার পর থেকে শান্তিপুরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ বিজেপির দুই সদস্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের ফল ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ বিজেপির (BJP) দুই জয়ী প্রার্থী। তাঁরা হলেন তারাবাবু রায় এবং সুস্মিতা মুন্ডা। খোঁজ না মেলায় তীব্র আতঙ্কে দিন কাটছে দুই প্রার্থীর পরিবারের লোকজনদের। অভিযোগ, তাঁদের রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়ার পিছনে রয়েছে তৃণমূল। নদিয়ার শান্তিপুর থানার বাবলা গ্রাম পঞ্চায়েতের খাসপাড়া এলাকায় এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কী বললেন জয়ী বিজেপি (BJP) সদস্যদের পরিবারের লোকজন?

    বাবলা গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট আসন সংখ্যা ২৭। সেখানে ১৬ টি আসনে তৃণমূল জয়লাভ করেছে। আর ১১ টি আসনে বিজেপি জয়লাভ করে। এই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের আসনটি সংরক্ষিত। তফশিলি উপজাতি সম্প্রদায়ের সংরক্ষিত হওয়ার কারণে যে দুটি উপজাতির বুথ ছিল, সেই দুটিতে বিজেপি (BJP) জয়লাভ করেছে। সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়া সত্ত্বেও তৃণমূল সেখানে বোর্ড গঠন না করতে পারার আশঙ্কায় ভুগছে। অভিযোগ, সেই কারণেই ভোটের ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই বিজেপির ওই দুই সংরক্ষিত জয়ী প্রার্থীদের পরিবারকে কখনও টাকার প্রলোভন, কখনও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তার একটাই কারণ যে কোন উপায়ে ওই দুটি তফশিলি উপজাতি প্রার্থীর মধ্যে একজনকে তৃণমূলে যোগদান করাতে হবে। কিন্তু অভিযোগ ওঠে ভোটের ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই বাবলা অঞ্চলের এই দুটি বিজেপি প্রার্থী নিখোঁজ। কোথায় রয়েছেন তাঁরা, পরিবারের লোকজন কিছু জানেন না। সেই কারণে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন তাঁরা। বিজেপি জয়ী প্রার্থীর পরিবার লোকজনের বক্তব্য, যত দ্রুত সম্ভব প্রশাসন নিখোঁজ দুজনকে ঘরে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করুক। তাঁরা যাতে শান্তিতে নিরাপদে বসবাস করতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করুক প্রশাসন।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    পুরো ঘটনা অস্বীকার করেছেন বাবলা অঞ্চলের তৃণমূলের সভাপতি গোরাচাঁদ প্রামাণিক। তিনি বলেন, আমরা মানুষের রায় মাথা পেতে নিয়েছি। বাবলা পঞ্চায়েতের তৃণমূল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। বিজেপি (BJP) নিজেরাই তাদের প্রার্থীকে লুকিয়ে রেখে নাটক করছে। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কেউ জড়িত নয়। তবে, পঞ্চায়েতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েও বর্তমানে বোর্ড গঠন নিয়ে চরম আশঙ্কায় রয়েছে তৃণমূল। অন্যদিকে, বিজেপির দাবি, তারা পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন করবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: ঘাটালে তৃণমূলের বিজয় মিছিল থেকে হামলা, বিজেপি সমর্থকদের ক্লাবে ভাঙচুর

    BJP: ঘাটালে তৃণমূলের বিজয় মিছিল থেকে হামলা, বিজেপি সমর্থকদের ক্লাবে ভাঙচুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস অব্যাহত। তৃণমূল এলাকায় নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে ক্রমাগত বিরোধীদের উপর হামলা চালাচ্ছে। রবিবারই বিজেপি (BJP) সমর্থিত ক্লাবে তাণ্ডব চালাল তৃণমূলের লোকজন। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ঘাটাল ব্লকের কুঠিঘাট এলাকার এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    ভোটে জয়ী হওয়ার পর রবিবার বিকেলে কুঠিঘাট এলাকায় তৃণমূল কর্মীরা বিজয় মিছিল বের করেন। বিজয় মিছিল যাওয়ার রাস্তায় বিজেপি (BJP) কর্মী-সমর্থকদের একটি ক্লাব রয়েছে। বিজয় মিছিল থেকে তৃণমূলের লোকজন ওই ক্লাবে হামলা চালায়। ক্লাবের ভিতরে ভাঙচুর করা হয়। ক্লাবের ভিতরে থাকা ট্রফি থেকে সমস্ত সরঞ্জাম ভেঙে চুরমার করা হয়। ক্লাবে তাণ্ডব চালানোর পরই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) বিধায়ক?

    ঘাটালের বিজেপি (BJP) বিধায়ক শীতল কপাটের বক্তব্য, বিজেপি সমর্থকরা ওই ক্লাবে ওঠাবসা করেন। সেটা তৃণমূলের লোকজনের পছন্দ হয়নি। তাই, ভোটে জেতার পর সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করতেই পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে। ক্লাবের ভিতরে থাকা সমস্ত আসবাবপত্র ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। আমরা পুলিশকে অভিযোগ জানিয়েছি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামব। কারণ, এভাবে সন্ত্রাস চালিয়ে তৃণমূল আমাদের কর্মীদের মনোবল ভেঙে দিতে পারবে না।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    গোটা ঘটনায় অভিযুক্ত তৃণমূল। চরম অস্বস্তিতে পড়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যান ঘাটালের প্রাক্তন বিধায়ক শংকর দোলুই। দ্রুত সমস্যার সমাধানে আশ্বাস দেন তিনি। ক্লাব সদস্যের সঙ্গে শংকরবাবু কথা বলেন। তিনি বলেন, এই ঘটনায় কে বা কারা রয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কারণ, দলের কেউ করলে আমরা ব্যবস্থা নেব। কেউ শান্ত এলাকায় অশান্তি পাকানোর জন্য এসব করেছে। আমরা এসব সমর্থন করি না। এমনকী আগামী দিনে এই ধরনের ঘটনা আর হবে না। আর এই বিষয় নিয়ে পুলিশ-প্রশাসনের সঙ্গে আমি কথা বলব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share