Tag: Trinamool

Trinamool

  • BJP: তৃণমূলের সন্ত্রাস,পশ্চিম মেদিনীপুরে ঘরছাড়া শতাধিক বিজেপি কর্মী, ঠিকানা দলীয় কার্যালয়

    BJP: তৃণমূলের সন্ত্রাস,পশ্চিম মেদিনীপুরে ঘরছাড়া শতাধিক বিজেপি কর্মী, ঠিকানা দলীয় কার্যালয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফল প্রকাশের ৭২ ঘণ্টা পর থেকেই তৃণমূলের লাগামছাড়া সন্ত্রাসের কারণে জেলা জুড়ে বাড়ছে ঘরছাড়াদের সংখ্যা। ঘরছাড়া বিজেপি (BJP) কর্মীদের বর্তমানে ঠিকানা বিভিন্ন এলাকার বিজেপি কার্যালয়। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় ফলপ্রকাশের পর ঘরছাড়া হতে হয়েছে ৫০০রও বেশি বিজেপি নেতাকর্মীকে। বর্তমানে মেদিনীপুর জেলা পার্টি অফিসে রয়েছেন ২৬ জন ঘরছাড়া। এদের মধ্যে কেউ পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী, কেউ পোলিং এজেন্ট কেউবা আবার এলাকায় সক্রিয় বিজেপি কর্মী হিসেবে পরিচিত। নিত্যদিন মেদিনীপুর জেলা পার্টি অফিসে বাড়ছে আশ্রিতদের সংখ্যা। ঘরছাড়াদের তালিকায় এমন মানুষও আছে যারা ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনের পর দীর্ঘদিন ঘরছাড়া ছিলেন, হাইকোর্টের রায়ে দীর্ঘদিন পর ঘরে ফিরেছিলেন তাঁরা। পঞ্চায়েত নির্বাচন মিটতেই ফের তৃণমূলের সন্ত্রাসের জেরে ঘর ছাড়তে হয়েছে তাঁদের।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    জেলা বিজেপির (BJP) মুখপাত্র অরূপ দাস বলেন, ছাপ্পা মেরে, ভোট লুট করে তৃণমূল ক্ষমতা দখল করেছে। ভোট জেতার পর থেকেই শুরু হয়েছে সন্ত্রাস। ফলে, বিজেপি কর্মীরা নিজেদের এলাকায় থাকতে পারছেন না। এই ঘরছাড়া দলীয় কর্মীদের ঘরে ফেরাতে ফের হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যেই রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে গোটা বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে।

    কী বললেন জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এলাকায় সন্ত্রাসের অভিযোগকে কার্যত নস্যাৎ করে দিয়েছে জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। জেলা তৃণমূলের সভাপতি সুজয় হাজরা বলেন, নির্বাচন পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সময়ে কোথাও কোনও সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটেনি। বিজেপির কোনও কর্মী ঘরছাড়া থাকলে সরাসরি আমার কাছে আবেদন করলেই হবে। আবেদন পেলে আমি নিজে গিয়ে ঘরে ফিরিয়ে দিয়ে আসব। আসলে ভোটের পর বিজেপি (BJP) এসব করে মানুষের সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না। বরং, এসব করে মানুষের কাছে ওদের ভাবমূর্তি খারাপ হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Sukanta Majumdar: বালুরঘাট গণনা কেন্দ্র থেকে চুরি সিসিটিভি, অভিযোগ বিডিও-র,  ট্যুইট সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: বালুরঘাট গণনা কেন্দ্র থেকে চুরি সিসিটিভি, অভিযোগ বিডিও-র, ট্যুইট সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ভোটের গণনা কেন্দ্র থেকেই সিসিটিভি ও তার সঙ্গে মেমরি কার্ড চুরি হয়ে গিয়েছে। এমনই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে বালুরঘাট কলেজে। পঞ্চায়েত ভোটে গণনা হয়েছিল ১১ জুলাই। ১২ জুলাই বালুরঘাট সদরের বিডিও বালুরঘাট থানায় সিসিটিভি চুরির লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিডিওর করা এই অভিযোগকে ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে শোরগোল শুরু হয়েছে।

     বিজেপি রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) বিডিওর অভিযোগ নিয়ে ট্যুইট করেছেন

    ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ভোটের গণনা কেন্দ্র করা হয়েছিল বালুরঘাট কলেজ। সেই গণনা কেন্দ্রের কেবি-৫ রুম থেকে চুরি গিয়েছে সিসিটিভি এবং তার মেমরি কার্ড। এমন অভিযোগ গত ১২ তারিখে বালুরঘাট থানায় দায়ের করেছেন বালুরঘাটের বিডিও অনুজ শিকদার। বিডিওর করা অভিযোগ সামনে আসতেই সরব বিজেপি। ইতিমধ্যে এনিয়ে রবিবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার টুইট করেছেন। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট হিলির জেডপি ১৩ মণ্ডলে কারচুপি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। যদিও এনিয়ে বালুরঘাট ব্লকের বিডিও সহ জেলা পুলিশ প্রশাসনের আধিকারিকরা কেউ সংবাদ মাধ্যমের ফোন ধরেননি। প্রসঙ্গত, গণনার দিন বিকেলে গণনায় কারচুপি হয়েছে, এই অভিযোগ করে জেলাশাসকের দফতরের সামনে ধর্নায় বসেন  সুকান্তবাবু। পরে রাত বারোটা থেকে ভোর সাড়ে চারটা পর্যন্ত গণনা কেন্দ্রের সামনেই দাঁড়িয়ে থাকেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁর অভিযোগ ছিল গণনা কেন্দ্রে ব্যাপক কারচুপি করা হচ্ছে এবং সেটা প্রশাসনিক আধিকারিকদের উপস্থিতিতেই। এই ঘটনার পর সিসিটিভি চুরি যাওয়ার যে তথ্য সামনে এসেছে তাকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতর।

    কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) ?

    এই বিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, বিডিও নিজেই অভিযোগ করেছে যে গণনা কেন্দ্র থেকে সিসিটিভি ও মেমরি কার্ড চুরি হয়ে গিয়েছে। ভয়টা এই কারণেই ওই সিসিটিভিতে সে ভিডিওগুলো আছে সেটা বেরোলে ধরা পরে যাবে, তৃণমূল গণনার নামে লুট করেছে। আমি বাধ্য হয়েছিলাম রাত ২ টার সময় গণনা কেন্দ্রর ২০০ মিটার দূরে গিয়ে দাঁড়াতে। লুট চলছে কতক্ষণ দেখা সম্ভব। আমরা বিষয়টি নিয়ে আদালতে যাব এবং আদালত সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে চাইতে পারে। তাই আগেভাগেই সেগুলিকে হারিয়ে যাওয়ার কথা বলছেন ব্লক উন্নয়ন আধিকারিক।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    অন্যদিকে জেলা তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিরোধীদের করা অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তৃণমূলের জেলার সহ সভাপতি সুভাষ চাকি বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল কোনও ভাবেই জড়িত নয়। ওরা আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: চাপড়ায় বিজেপি কর্মীকে বন্দুকের বাঁট দিয়ে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: চাপড়ায় বিজেপি কর্মীকে বন্দুকের বাঁট দিয়ে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা রাজ্য জুড়ে ঘটেই চলেছে। ভোটে তৃণমূল জয়ী হওয়ার পরও বিরোধীদের উপর হামলা চালানোর ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে বিজেপি (BJP) কর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন। পাশাপাশি তৃণমূল কোনও বুথে হারলেও নিজের আধিপত্য দেখাতে এলাকায় সন্ত্রাসের বাতাবরণ তৈরি করছে। নদিয়ার চাপড়ায় ঘোষপাড়া এলাকাতেই ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় এক বিজেপি কর্মীকে বন্দুকের বাঁট দিয়ে মেরে মুখ ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। যদিও হামলা চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

    কী বললেন আক্রান্ত বিজেপি (BJP) কর্মী?

    প্রদীপবাবু এলাকায় সক্রিয় বিজেপি (BJP) কর্মী। চাপড়ার ঘোষপাড়া এলাকায় দলীয় প্রার্থীদের হয়ে তিনি প্রচুর খেটেছেন। এই এলাকায় বিজেপি প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। শনিবার রাতে শিবানী হালদার নামে নব নির্বাচিত বিজেপি সদস্যার বাড়িতে তিনি দেখা করতে যান। সেই সময় তৃণমূল কর্মীরা দল বেঁধে এসে তাঁর উপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ। প্রদীপবাবু বলেন, এই এলাকায় দলের হয়ে আমি নেতৃত্ব দিই। তিনজন বিজেপি প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। এটা তৃণমূলের ছেলেরা মেনে নিতে পারছে না। তাই, আমি দলীয় পঞ্চায়েত সদস্যার সঙ্গে দেখা করতে গেলে তৃণমূলের লোকজন দল বেঁধে এসে হামলা চালায়। আমাকে বেধড়ক মারে। আমি মাটিতে পড়ে গেলে ওরা বুকে লাথি মারে। আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে মুখে বেধড়ক মারে। আমার মুখ ফেটে যায়। জানা গিয়েছে, ঘটনার পর পরই গুরুতর জখম অবস্থায় চাপড়া গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    বিজেপির (BJP) উত্তরের জেলা সভাপতি অর্জুন বিশ্বাস বলেন, গোটা রাজ্য জুড়ে বিজেপির একাধিক পঞ্চায়েত দখল নেওয়ার কারণে তৃণমূলের পায়ের তলার মাটি সরে যাচ্ছে। সেই কারণে আতঙ্কিত করতে বিজেপি কর্মীদের মারধর করছে তৃণমূল। আর তাদের সাহায্য করছে প্রশাসন।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    অন্যদিকে ঘটনার কথা অস্বীকার করে কৃষ্ণনগর সাংগঠনিক তৃণমূলের জেলা সভাপতি কল্লোল খাঁ বলেন, গোটা রাজ্য জুড়ে তৃণমূলের জয় দেখে নিজের দলীয় কর্মীদের মারধর করে তৃণমূলকে বদনাম করার চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি (BJP)। প্রশাসন তদন্ত করছে, নিশ্চয় সঠিক ঘটনা সামনে আসবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: ভোটে হার তৃণমূল প্রার্থী স্ত্রীর, বিজেপি কর্মী বাবাকে খুন করার অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে

    BJP: ভোটে হার তৃণমূল প্রার্থী স্ত্রীর, বিজেপি কর্মী বাবাকে খুন করার অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের ফল ঘোষণার পর স্ত্রী হেরে যেতেই বাবাকে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল ছেলের বিরুদ্ধে। রবিবার সকালে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মালদার বামনগোলা ব্লকের মদনাবতীর কয়নাদিঘি গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম বুরন মুর্মু। তিনি বিজেপি (BJP) কর্মী হিসেবে পরিচিত। অভিযুক্ত ছেলের নাম বিপ্লব মুর্মু। ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    বাবাকে কেন খুন করল ছেলে?

    অভিযুক্ত বিপ্লবের বউ তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী। পঞ্চায়েত ভোটে বউয়ের হারের পর যাবতীয় রাগ গিয়ে পড়ে বাবার উপর। আর তার জেরেই বাবাকে গলায় দড়ি দিয়ে  ঝুলিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল ছেলের বিরুদ্ধে।  এই ঘটনায় জানাজানি হতেই কয়নাদিঘি গ্রামে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিপ্লব মুর্মুর স্ত্রী পঞ্চায়েত নির্বাচনে ১৯ নম্বর বুথে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। কিন্তু, বাবা বিজেপি (BJP) প্রার্থীর হয়েই খাটছিলেন। বউমাকে জেতানোর জন্য কোনও চেষ্টা করেননি বলে অভিযোগ। প্রকাশ্যে বিজেপি প্রার্থীকে জেতানোর জন্য় সবরকম চেষ্টা করেন। ফলে, ভোটের আগে থেকেই বাবার এই আচরণ ভালভাবে মেনে নেননি বিপ্লব। তবুও, ভোটের ফলাফলের জন্য তিনি অপেক্ষা করেছিলেন। আর ভোটের ফলাফল ঘোষণা হলে দেখা যায় ওই বুথে জয়লাভ করেছেন বিজেপি প্রার্থী। তারপর থেকেই বাবা বুরন মুর্মুর ওপর যাবতীয় আক্রোশ গিয়ে পড়ে ছেলে বিপ্লবের। অভিযোগ, সেই আক্রোশের বশেই নিজের বাবাকে খুন করে দড়ি দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। ওই ঘটনার পরেই তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছে বিজেপি নেতৃত্ব। অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করা হয়েছে। যদিও খুনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: “আমতাকে বগটুই করার চেষ্টা করেছিল তৃণমূল”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “আমতাকে বগটুই করার চেষ্টা করেছিল তৃণমূল”, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসায় তৃণমূলের তাণ্ডব দেখল হাওড়ার আমতার মানুষ। শনিবার আমতা সেই কাঁকরোল গ্রামে তৃণমূলের সন্ত্রাসের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এক সপ্তাহের মধ্যে জয়পুর থানা ঘেরাও করার ডাক দিলেন তিনি। দলের দুই প্রার্থীদের সঙ্গে তিনি কথা বললেন। একইসঙ্গে পরিবারের বাচ্চাদের বই কেনার জন্য এবং কিছুটা পরিবারের আর্থিক সমস্যা সামলে নেওয়ার জন্য তাঁদের কিছুটা আর্থিক সাহায্য করলেন তিনি।

    বিরোধী দলনেতাকে (Suvendu Adhikari) কী বললেন আক্রান্তরা?

    প্রসঙ্গত,বৃহস্পতিবার গভীর রাতে আমতার  জয়পুর থানার অমরাগোড়ী অঞ্চলের  কাঁকরোল গ্রামে দুই মহিলা বিজেপি প্রার্থীর ঘরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। অভিযোগ ওঠে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। একটি দোকান সহ মোট ৬টি ঘর সম্পূর্ণ  ভস্মীভূত হয়ে যায়। ভোটের ফল বের হওয়ার পর পরই শুরু হয় তৃণমূলীদের তাণ্ডব। ঘটনার পর থেকেই চরম আতঙ্কে রয়েছেন আক্রান্ত পরিবারের লোকজন। এদিন গ্রামে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আক্রান্ত পরিবারের লোকজনের সঙ্গে দেখা করতে যান। তাঁকে সামনে পেয়ে পায়ে ধরে বিচারের আকুতি জানান আক্রান্তরা। আক্রান্তদের সবরকমভাবে পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি।

    আমতাকে বগটুই করার চেষ্টা তৃণমূলের, অভিযোগ বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari)?

    বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, আমতায় আরও একটা বগটুই করার চেষ্টা হয়েছে। কপাল ভাল, তাই অত বড় ক্ষতি হয়নি। শীঘ্রই এ নিয়ে আইনি লড়াইয়েও নামা হবে। সুর চড়ালেন শাসকদলের বিরুদ্ধে। আওয়াজ তুললেন ছাপ্পা ভোট, ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়েও। তিনি বলেন, বিজেপি করার অপরাধে কী করেছে দেখুন। আমি এদের নিয়ে সোমবার রিট-পিটিশন দাখিল করব।

    গ্রামবাসীদের নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    এদিকে শুভেন্দুকে (Suvendu Adhikari)  কাছে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন আক্রান্ত পরিবারের লোকজনেরা। ছুটে আসেন গ্রামবাসীরাও। তাঁদের দেখিয়েই শুভেন্দু বলেন, গোটা গ্রাম আজ এসেছে। আমরা কাউকে ডাকিনি। এদের ভোট লুট হয়ে গিয়েছে। এদের কাউকে কাউন্টিংয়ের দিন ঢুকতে দেয়নি। প্রহসনের ছাপ্পার পঞ্চায়েত ভোট হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: বোর্ড মিটিংয়ে ডাকেনি তৃণমূল, গলায় প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে বিজেপি কাউন্সিলারের অভিনব প্রতিবাদ

    BJP: বোর্ড মিটিংয়ে ডাকেনি তৃণমূল, গলায় প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে বিজেপি কাউন্সিলারের অভিনব প্রতিবাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুরসভার একমাত্র বিজেপি (BJP) কাউন্সিলার। তাই, বোর্ড মিটিংয়ে না ডাকার প্রয়োজন মনে করেনি তৃণমূল। তৃণমূলের এই অপমান মুখ বুজে সহ্য করেননি আরামবাগ পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি কাউন্সিলার বিশ্বজিৎ ঘোষ। তিনি অভিনব কায়দায় প্রতিবাদ জানান। যা নিয়ে আরামবাগ শহর জুড়ে ব্যাপত চর্চা শুরু হয়েছে।

    কীভাবে তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানালেন বিজেপি (BJP)  কাউন্সিলার?

    পুরসভার বোর্ড মিটিং এ ডাকা হয়নি তাঁকে বলে দাবি বিজেপির (BJP) এই কাউন্সিলারের। গলায় প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে পুরসভা চত্বরে ঘুরে অভিনব প্রতিবাদ জানালেন তিনি। পুরসভায় বোর্ড মিটিং চলাকালীন গলায় প্ল্যাকার্ড পড়ে সারা পুরসভার বিভিন্ন দফতর ঘুরে ঘুরে তাঁর ক্ষোভের কথা সকলের কাছে তিনি পৌঁছে দেন তিনি। প্ল্যাকার্ডে লেখা রয়েছে, ‘বিরোধী দলের কাউন্সিলর হওয়ার সুবাদে আরামবাগ পুরসভার বোর্ড মিটিং-এ ডাকা হয়নি কেন? জবাব চাই জবাব দাও।’

    কী বললেন বিজেপি (BJP) কাউন্সিলার?

    এবারের পুর নির্বাচনে ১৯ টি ওয়ার্ডের মধ্যে তৃণমূল পেয়েছে ১৮ টি এবং বিজেপি পেয়েছে ১ টি ওয়ার্ড। বিজেপি (BJP) কাউন্সিলার বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, পুর বোর্ড যেদিন থেকে গঠন করা হয়েছে, তারপর থেকে যত বোর্ড মিটিং হয়েছে কোনওটাতেই আমাকে ডাকা হয়নি। পাশাপাশি পুরসভার সভাকক্ষে  শুক্রবার বোর্ড মিটিং হয়েছে। সেখানে ১৮ টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা থাকলেও আমাকে ডাকা হয়নি।  তারই প্রতিবাদে এদিন অভিনব প্রতিবাদ জানালাম।

    কী বললেন পুরসভার চেয়ারম্যান?

    এই প্রসঙ্গে পুরসভার চেয়ারম্যান সমীর ভাণ্ডারি বলেন, এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। ডাকা হয়নি নয়, তিনি আসেন না বোর্ড মিটিংয়ে। না এসে আপনাদের কাছে যাচ্ছে, গিয়ে এইসব বলছে। প্রসঙ্গত, পুরবোর্ড গঠনের পর অনেক ক্ষেত্রেই পুরসভার কাজ থেকে বিরোধী কাউন্সিলারদের বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠে আসে বিভিন্ন জেলা থেকে। অনেক ক্ষেত্রেই পুরসভার কোনও জনহিতকর না গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে বিরোধী কাউন্সিলরের মতামত নেওয়া হয় না, বিরোধীদের বোর্ড মিটিংয়ে ডাকা হয়না বলে অভিযোগ করা হয়। সেরকমই এক অভিযোগ এবার দেখা গেল আরামবাগ পুরসভাতেও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: গড়বেতায় বিজেপির কর্মীকে পার্টি অফিসের ভিতরে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: গড়বেতায় বিজেপির কর্মীকে পার্টি অফিসের ভিতরে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় ভোট পরবর্তী হিংসা অব্যাহত। ফের বিজেপির (BJP) পোলিং এজেন্টকে তুলে নিয়ে এসে মারধরের অভিযোগ উঠল শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সবং, দাঁতনের পর এবার ঘটনাস্থল গড়বেতার মায়তা অঞ্চলের খুনবেড়িয়া। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তবে, এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার হয়নি। শাসক শিবির যাই বলুক না কেন একের পর এক অভিযোগে শাসকদলের অন্তরে অস্বস্তি যে ক্রমে বাড়ছে তা বলাই বাহুল্য। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

    তৃণমূলের বিরুদ্ধে কী ঠিক কী অভিযোগ?

    শুক্রবার সন্ধ্যায় বিজেপির (BJP) পোলিং এজেন্ট বরুণ রুইদাসকে তৃণমূলের পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে ব্যাপক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। আশঙ্কা অবস্থায় ওই বিজেপি কর্মীকে উদ্ধার করে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় গড়বেতা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে শুক্রবার গভীর রাতে ওই বিজেপি কর্মীকে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। রাতেই বিজেপি কর্মীকে দেখতে হাসপাতালে পৌঁছায় রাজ্য বিজেপির সহ-সভাপতি সমিত দাস সহ জেলা বিজেপি নেতৃত্ব।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    বিজেপির (BJP) রাজ্য সহ সভাপতি সমিত দাস বলেন, বিজেপি পোলিং এজেন্টের কাছে পিকনিকের টাকা চাওয়া হয়। সেই টাকা না দেওয়ায় দলীয় কর্মীর উপর হামলা চালানো হয়। আর আক্রান্ত কর্মী জল চাইলে তাঁর মুখে প্রস্রাব করে দেওয়া হয়। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি। আমরা অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    যদিও সম্পূর্ণ অভিযোগ অস্বীকার করেছে শাসক দল তৃণমূল। জেলা তৃণমূলের কো-অর্ডিনেটের তথা বিধায়ক অজিত মাইতি বলেন, ভোট পরবর্তী হিংসার নামে আষাঢ়ে গল্প ফাঁদছে বিজেপি (BJP)। পাড়াগত বা পারিবারিক গণ্ডগোল হলেও তৃণমূলের নাম দিয়ে চালানোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এভাবে বিভিন্ন এলাকায় প্ররোচনা তৈরি করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: বিজেপিকে ভোট দেওয়া বহু বৈধ ব্যালট পড়ে নদীর ধারে, ভোটে জিতল তৃণমূল, বিতর্ক

    BJP: বিজেপিকে ভোট দেওয়া বহু বৈধ ব্যালট পড়ে নদীর ধারে, ভোটে জিতল তৃণমূল, বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট গ্রহণ এবং গণনা, দুটোই সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। এমনকী ফলাফলও ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। কিন্তু, তারপরও নদীর ধারে পাওয়া গেল বিজেপি (BJP) ও বামেদের ভোট দেওয়া বৈধ ব্যালট পেপার। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জ ব্লকের গণনা কেন্দ্র থেকে কুড়ি মিটার দূরে আত্রেয়ী নদীর ধারে। বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমারগঞ্জের গণনা কেন্দ্র থেকে ২০০ মিটার দূরে নদীর ধারে প্রায় ৪০টি ব্যালট পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সাদা কাগজের এই ব্যালটে অধিকাংশই বিজেপি প্রার্থীর ওপর ছাপ মারা রয়েছে। রেজাল্ট অনুযায়ী এই বুথে বিজেপি ৩৪১টি, তৃণমূল ৬৯৭টি, সিপিএম ৭২টি ভোট পেয়েছে। জয়ী ঘোষণা করা হয়েছে তৃণমূলের প্রার্থীকে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ব্যালট উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন জেলা পরিষদের বিজেপি প্রার্থী  ও স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব।

    কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি?

    এই বিষয়ে বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, এই ঘটনা থেকে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে স্ট্রং রুমে ব্যালট পরিবর্তন করা হয়েছে। বিজেপিতে ছাপ দেওয়া ব্যালট বক্স থেকে বের করে নদীতে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এইভাবে মানুষের মতামতকে যেভাবে তৃণমূল কেড়ে নিয়েছে তা মেনে নেওয়া যায় না। তৃণমূলকে খেসারত দিতে হবে।

    কী বললেন বিডিও?

    এবিষয়ে কুমারগঞ্জের বিডিও ছেয়াং তামাং বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের দ্বারা কড়া নিরাপত্তার সঙ্গে ভোটগ্রহণ করা হয়েছে। এমনটা হওয়ার কথা না। এটা রাজনৈতিক দলেরই কেউ বানাতে পারে। তবে পুরো ঘটনাটি আমরা যাচাই করে দেখব।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এবিষয়ে কুমারগঞ্জ তৃণমূল ব্লক সভাপতি উজ্জ্বল বসাক বলেন, ভোট গণনার দুদিন পেরিয়ে গিয়েছে। এতদিন ব্যালট পেপার দেখা যায়নি। দুদিন পরে ব্যালট পেপার উদ্ধার হচ্ছে। আমাদের মনে হয় এটা বিজেপির চক্রান্ত। বিজেপি (BJP) যে অভিযোগ তুলছে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

    মুর্শিদাবাদে বুথে গড়াগড়ি খাচ্ছে বিরোধীদের ভোট দেওয়া ব্যালট পেপার

     মুর্শিদাবাদ-জিয়াগঞ্জ ব্লকের তেঁতুলিয়া পঞ্চায়েতের ইন্দ্রডাঙ্গা বেসিক প্রাইমারি স্কুলে ১৬০ নম্বর বুথে বৈধ ব্যালট পেপার গড়াগড়ি খাচ্ছে। ব্যালট পেপারে ভোটারের চিহ্ন দেওয়া জ্বলজ্বল করছে। এই সব বৈধ ব্যালট ছাড়াই কী করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভোটের ফলাফল ঘোষণা করা হল, তা নিয়ে বিরোধীরা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    গত ৮ জুলাই পঞ্চায়েত নির্বাচন হয়েছে এবং তার ফলাফল ঘোষণা কার্যত সারা হয়ে গিয়েছে। এরপরেও চারিদিকে গণনা পর্বে হিংসা এবং অনিয়মের অভিযোগ উঠে এসেছে। যার ফলে ভোটের ফল ঘোষণা হওয়া সত্বেও, আদালতের রায়ের দিকে জিতেও তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে। ফল ঘোষণার পর তেঁতুলিয়া পঞ্চায়েতের ইন্দ্রডাঙ্গা বেসিক প্রাইমারি স্কুলে ১৬০ নম্বর বুথে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বহু ব্যালট পেপার। বেশ কিছু ব্যালট পেপারে প্রার্থীদেরকে ভোট দেওয়া হয়েছে। আবার কিছু নতুন ব্যালট পেপার যেগুলি ভোটে ব্যাবহার করা হয়নি, সেরকম বহু ব্যালটও পড়ে রয়েছে। কিন্তু, প্রত্যেকটি ব্যালট পেপারে প্রিসাইডিং অফিসারের সই রয়েছে।

    কী বললেন সিপিএম নেতৃত্ব?

    সিপিএমের এজেন্ট সফিকুল হাসান বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন এই এলাকার সব বুথ তৃণমূলের দখলে ছিল। বুথে তৃণমূল ছাপ্পা মারে। তখনই কি সিপিএমের প্রার্থীর ব্যালট পেপারগুলি বাইরে বার করে নতুন ব্যালট পেপারগুলিতে ছাপ মেরে ব্যালট বক্সে ভরা হয়। আমাদের প্রশ্ন, কী করে সিপিএম প্রার্থীকে ভোট দেওয়া ব্যালট পেপারগুলি বাইরে এরকম ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকল? তাহলে বিডিও সাহেব গণনার দিন কী করে ব্যালট পেপারের হিসাব ঠিক করলেন। কার ভিত্তিতে ফলাফল ঘোষণা করা হল?

    কী বললেন বিডিও?

    এই বিষয়ে বিডিও প্রসন্ন মুখোপাধ্যায়কে ফোনে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, আমার কাছে এরকম কোনও অভিযোগ নেই। যদি কেউ অভিযোগ করত তাহলে আমি অবশ্যই বলতে পারতাম। তবুও, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করেছে তৃণমূল, প্রধানের দৌড়ে এগিয়ে বিজেপি

    BJP: পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করেছে তৃণমূল, প্রধানের দৌড়ে এগিয়ে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিকল্পনা ছিল সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন নিয়ে ফের তৃণমূল পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন করবে। সেই মতো দলীয় নেতা কর্মীরা পঞ্চায়েত ভোটের প্রচুর পরিশ্রম করলেন। ভোটের ফল বের হওয়ার পর সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনও পেল তৃণমূল। সংখ্যালঘিষ্ঠ হয়েছে বিজেপি (BJP)। কিন্তু, প্রধান কে হবে তা নিয়ে আরামবাগের সালেপুর ১ নং পঞ্চায়েতের তৃণমূল নেতাদের এখন মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে।

    কেন এমন পরিস্থিতি?

    বেশি আসন পেয়েও আপাতত প্রধানের আসন দখল নিতে পারল না তৃণমূল। সংরক্ষিত আসনের গেড়োয় পড়ে চরম বিপাকে এখন শাসক দল। কম আসন পেয়েও প্রধানের আসনে বসার সম্ভাবনা বিজেপির (BJP) জয়ী প্রার্থীর। আরামবাগের সালেপুর ১ নং পঞ্চায়েতের মোট আসন সংখ্যা ১৬ টি। তারমধ্যে ১০টি আসনে জয়লাভ করেছে তৃণমূল। আর বাকি ৬ টি আসন দখল করে নিয়েছে বিজেপি। বিজেপির থেকে শাসক দলের প্রার্থীরা বেশি আসনে  জয়ী হলেও প্রধানের আসন দখল নিতে পারছে না শাসক দল। সংরক্ষিত আসনের কারণেই সমস্যা তৈরি হয়েছে। ওই পঞ্চায়েতের প্রধানের আসনটি এসটি মহিলা সংরক্ষিত। আর তৃণমূলের এসটি মহিলা যে প্রার্থী দাঁড়িয়েছিলেন তিনি পরাজিত হয়েছেন। নিয়ম অনুযায়ী, বিজেপির জয়ী প্রার্থী পূর্ণিমা মাণ্ডি প্রধান হওয়ার সমস্ত যোগ্যতা রয়েছে। আইন অনুযায়ী তিনি প্রধান পদের একমাত্র দাবিদার। যাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    জেলা তৃণমূল নেতা স্বপন নন্দী বলেন, এটা একেবারে আইনের বিষয়। দলীয় নেতৃত্বকে এই বিষয়টি জানানো হয়েছে। তারা এই বিষয়ে যে নির্দেশ দেবে সেই মতো পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তবে, বিজেপির জয়ী প্রার্থীকে প্রধান করে বোর্ড গঠন করা নিয়ে দলের অন্দরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    কী বললেন প্রধানের দৌড়ে এগিয়ে থাকা সদ্য জয়ী বিজেপি (BJP) সদস্যা?

    বিজেপি (BJP) সদস্যা পূর্ণিমাদেবী বলেন, এই পঞ্চায়েতে নিয়ম অনুযায়ী আমি প্রধানের দৌড়ে এগিয়ে রয়েছি। প্রধান হলে এই এলাকায় যে সব সমস্যার কথা আমরা জানি, সেই সমস্যা সমাধান এবং পঞ্চায়েত এলাকায় সার্বিক উন্নয়ন করার চেষ্টা করব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: পঞ্চায়েতে জেতার সার্টিফিকেট না দেওয়ায় সবংয়ে বিজেপি সদস্যাকে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: পঞ্চায়েতে জেতার সার্টিফিকেট না দেওয়ায় সবংয়ে বিজেপি সদস্যাকে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনে উইনিং সার্টিফিকেট দিতে রাজি না হওয়ায় বিজেপির (BJP) জয়ী প্রার্থীকে বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সবং ব্লকের ১৩ নম্বর বিষ্ণুপুর অঞ্চলের মকরানিচক এলাকায়। গুরুতর জখম অবস্থায় জয়ী বিজেপি সদস্য ফাল্গুনি বিজলি বেরাকে সবং গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সবং ব্লকের ১৩ নম্বর বিষ্ণুপুর অঞ্চলের মকরানিচক এলাকার বিজেপি (BJP) প্রার্থী ছিলেন ফাল্গুনিদেবী। এই পঞ্চায়েতে তৃণমূল ১৩টি আসনে জয়ী হয়। সঙ্গে মকরানিচক এলাকায় তৃণমূলকে হারিয়ে বিজেপি প্রার্থী ফাল্গুনিদেবী জয়ী হন। বুধবার রাতে মকরানিচক বুথ এলাকায় বিজেপির জয়ী পঞ্চায়েত প্রার্থী ফাল্গুনিদেবীর বাড়িতে এসে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বাড়িতে এসে মারধরের হুমকি দিয়ে যায়। তারপরে রাতে স্বামীর অনুপস্থিতিতে তৃণমূল লোকজন ফের চড়াও হয়। বিজেপির সদস্যের কাছে থেকে উইনিং সার্টিফিকেট চায় তারা। কিন্তু, দাবি মতো সার্টিফিকেট না দেওয়ায় বিজেপির ওই মহিলা পঞ্চায়েত প্রার্থীকে বেধড়ক মারধর করা হয়। বাড়িতে লুটপাট চালানো হয়। এমনকী মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা তড়িঘড়ি উদ্ধার করে। তাঁকে গুরুতর জখম অবস্থায় সবং গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনার পর উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। পরবর্তীতে ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় সবং থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। এই ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যে সবং থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    বিজেপি (BJP) নেতা নিতাইচাঁদ মণ্ডল বলেন, তৃণমূল এই পঞ্চায়েতে প্রচুর আসন পেয়েছে। তারপরও আমাদের জয়ী প্রার্থীর কাছে থেকে উইনিং সার্টিফিকেট ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। না দেওয়ায় ব্যাপক মারধর করা হয়েছে। আমরা দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের পক্ষ থেকে সম্পূর্ণ অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে তৃণমূলের সবং ব্লকের সহ-সভাপতি গণেশ প্রামাণিক বলেন, এই ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে থেকেই বিজেপির (BJP) কর্মীরাই আমাদের তৃণমূল কর্মীদের মারধর করছে। আজকেও কয়েকজন তৃণমূল কর্মীকে মারধর করেছে। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যে কথা সাজানো ঘটনা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share