Tag: Trinamool

Trinamool

  • BJP: ভোটে হারতেই শান্তিপুরে জয়ী বিজেপি প্রার্থীকে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: ভোটে হারতেই শান্তিপুরে জয়ী বিজেপি প্রার্থীকে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটে জেতার কারণে বিজেপি প্রার্থীকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দিল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন একাধিক বিজেপি কর্মী। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার শান্তিপুর থানার বেলঘড়িয়া ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের গবাচ্চর এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনা চলে যায় শান্তিপুর থানার পুলিশ। যাতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা না ছাড়ায় সেই কারণে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোটের দিন থেকেই এলাকায় অশান্তি বাধানোর চেষ্টা করছিল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। ভোটের দিনও ওই এলাকার বিজেপি প্রার্থী গৌরাঙ্গ বিশ্বাসকে মারধরের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার ভোটের ফলাফলে গ্রাম পঞ্চায়েতে ওই এলাকায় গৌরাঙ্গ বিশ্বাস জিতে যান। অন্যদিকে ওই এলাকারই বিজেপির প়ঞ্চায়েত সমিতি প্রার্থী কামনা বিশ্বাস জয় লাভ করেন। ভোটের ফলাফল বের হওয়ার পর থেকেই এলাকায় তাণ্ডব শুরু করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। বুধবার সকালে হঠাৎ কয়েকজন তৃণমূল কর্মী এলাকায় চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করেন। সেখানেই  বিজেপি প্রার্থী এবং বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে বচসা বাধে। এরপরেই আচমকা গৌরাঙ্গ বিশ্বাসের মাথায় বাঁশ দিয়ে বাড়ি মারে তৃণমূল কর্মীরা। পাশাপাশি ওই এলাকার বিজেপির জয়ী পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থীর স্বামী সমীর বিশ্বাসকেও মারধর করা হয়। বিজেপির অন্যান্য কর্মীদের উপর হামলা চালানো হয়। তড়িঘড়ি তাদের উদ্ধার করে শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বর্তমানে চিকিৎসাধীন বিজেপি প্রার্থী সহ আরও বেশ কয়েকজন।

    কী বললেন আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থীর পরিবারের লোকজন?

    এ বিষয়ে বিজেপি প্রার্থী গৌরাঙ্গ বিশ্বাসের মেয়ে পিপাসা বিশ্বাস বলেন, ভোটের পর থেকে তৃণমূল এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছিল। ভোটের দিনও ছাপ্পা ভোট মেরেছে এবং বোমাবাজি করেছে এলাকায়। এদিন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী পুতুল বিশ্বাস হেরে যাওয়ার কারণে আচমকা আমার বাবার উপর ওরা হামলা চালায়। মাথায় আঘাত করে। এর পাশাপাশি অন্য দলীয় নেতা কর্মীদের ওরা মারধর করে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এই ঘটনার কথা অস্বীকার করেছেন পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী পুতুল বিশ্বাস। তাঁর বক্তব্য, গৌরাঙ্গ বিশ্বাসের পরিবার তাদের উপর হামলা করেছে। তৃণমূল কোনও হামলা চালায়নি। ওরা আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: জয়ী প্রার্থীদের দেওয়া হচ্ছে না সার্টিফিকেট, মালদায় রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ বিজেপির

    BJP: জয়ী প্রার্থীদের দেওয়া হচ্ছে না সার্টিফিকেট, মালদায় রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জয়ী প্রার্থীদের সার্টিফিকেট না দেওয়ার অভিযোগ তুলে রাজ্য সড়ক অবরোধ ও ভোট গণনা কেন্দ্রের সামনে অবস্থান-বিক্ষোভ করল বিজেপি (BJP)। আর সেই বিক্ষোভ অবস্থানে সামিল হলেন উত্তর মালদার এমপি খগেন মুর্মু, বিধায়ক সহ বিজেপি কর্মীরা। তৃণমূলের দালাল চোর বিডিও স্লোগান তুলে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    জেলা পরিষদের ৩ নং আসনে দিপালী বলা এবং ৪ নং আসনে সোনালী টুডু এবং ৫ নং আসনে তারাশঙ্কর রায় নামে বিজেপি প্রার্থীরা তৃণমূলকে হারিয়ে জয়লাভ করেছেন। অথচ তাঁদের কাউকে জয়ীর সার্টিফিকেট দেওয়া হয়নি। বিষয়টি জানাজানি হতেই বিজেপির (BJP) কর্মী-সমর্থকরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। হবিবপুর ব্লকের মালদা নালাগোলা রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন বিজেপি কর্মীরা। অবরোধের জেরে রাজ্য সড়ক দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী আসে এবং পথ অবরোধ উঠিয়ে দেয়। এবং পরে বুলবুলচণ্ডি জিএসভি হাইস্কুলে ভোট গণনা কেন্দ্রের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ করেন বিজেপি কর্মীরা। এরপরে মালদা জেলা পরিষদের ৩ নং আসনের দিপালী বলা এবং ৫ নং আসনের তারাশঙ্কর রায়কে জয়ী হওয়ার সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়। তবে, মালদা ৪ নং আসনের সোনালী টুডুকে জয়ী হওয়ার সার্টিফিকেট না দেওয়ার জন্য দীর্ঘক্ষণ ধরে বিজেপির পক্ষ থেকে অবস্থান বিক্ষোভ করা হয়।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) সাংসদ?

    উত্তর মালদার বিজেপি (BJP) সাংসদ খগেন মুর্মু বলেন, মালদা জেলা পরিষদের একাধিক আসনে দলীয় প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। অথচ তাঁদের জয়ী হওয়ার সার্টিফিকেট দেওয়া হচ্ছে না। এটা কাম্য নয়। কারণ, আমরা সার্টিফিকেট না পেয়ে জয়ী হচ্ছে বলতে পারছি না। তৃণমূলের কথা শুনে প্রশাসন যা খুশি তাই করছে। এসব মেনে নেওয়া যায় না। আমরা এর বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানিয়েছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mamata Banerjee: মুখ্যমন্ত্রীর বউমাকে হারিয়ে পঞ্চায়েত সমিতিতে বাজিমাত বিজেপির

    Mamata Banerjee: মুখ্যমন্ত্রীর বউমাকে হারিয়ে পঞ্চায়েত সমিতিতে বাজিমাত বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) মামার বাড়ি কুসুম্বা গ্রামে পঞ্চায়েতে ধরাশায়ী হয়েছিল তৃণমূল। এবার পঞ্চায়েত সমিতির আসনও তৃণমূলের থেকে ছিনিয়ে নিল বিজেপি। আর তৃণমূল প্রার্থী তথা মুখ্যমন্ত্রীর মামাতো ভাইয়ের স্ত্রী পম্পা মুখোপাধ্যায়কে হারিয়ে বিজেপি প্রার্থী সুদেষ্ণা মুখোপাধ্যায় জয়ী হন। অথচ এই পঞ্চায়েত সমিতিতে বরাবরই তৃণমূলের দাপট ছিল।

    ভোটে হেরে কী বললেন মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) মামাতো ভাইয়ের স্ত্রী?

    রামপুরহাট-১ ব্লকের কুসুম্বা গ্রাম পঞ্চায়েতের কুসুম্বা গ্রামে মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) মামার বাড়ি। এই পঞ্চায়েতে মোট ২১টি আসন রয়েছে। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে অধিকাংশ আসনেই তৃণমূল জয়ী হয়েছিল। এমনকী মুখ্যমন্ত্রীর মামার বাড়ি কুসুম্বা গ্রামে তিনটি আসন রয়েছে। গতবার সবকটি তৃণমূলের দখলে ছিল। এবার এই গ্রামের তিনটি বুথের মধ্যে দুটি আসনেই বিজেপি প্রার্থী জয়ী হয়। মঙ্গলবার রাতে গণনার পর বিজেপি প্রার্থী জয়ী হন। জানা গিয়েছে, ৬ ভোটে জয়ের খবর পেয়ে আনন্দে মেতেছিলেন পম্পাদেবী। কিছুক্ষণ পর খবর পান, তিনি ৩৬ ভোট পরাজিত হয়েছেন। এরপর ফের তিনি রামপুরহাট কলেজের গণনা কেন্দ্রে পৌঁছন। এনিয়ে গণনা কেন্দ্রে চাপা উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। বিজেপির কাছে ৩৬ ভোট পরাজিত হন মুখ্যমন্ত্রীর মামাতো ভাইয়ের স্ত্রী পম্পা মুখোপাধায়। ওই আসনে বিজেপির সুদেষ্ণা মুখোপাধ্যায় জয়লাভ করেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর আত্মীয় পম্পা মুখোপাধ্যায় বলেন, আমি জিতেছিলাম। তারপর শুনছি, আমি হেরে গিয়েছি। আমি ফের গণনার দাবি জানাচ্ছি। এই ঘটনা নন্দীগ্রামের মতো হয়ে গেল।

    কী বললেন জয়ী বিজেপি প্রার্থী?

    কুসুম্বা গ্রামে ৩১ নম্বর এবং ৩২ নম্বর আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি। ৩১ নম্বর আসনে মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) মামা ভোটার। সেই বুথেও বিজেপি জয়ী হয়েছে। এবার মুখ্যমন্ত্রীর আত্মীয় পরাজিত হলেন। বিজেপির জয়ী প্রার্থী সুদেষ্ণা মুখোপাধ্যায় বলেন, ভোটের সম্পূর্ণ ফল না জেনেই তৃণমূল জিতে গিয়েছে বলে নাচতে নাচতে ওরা বাড়ি চলে যায়। কিন্তু, বাস্তবে গণনার পর দেখা যায়, আমরা ৩৬ ভোটে পঞ্চায়েত সমিতিতে জয়ী হয়েছি। গত ১৫ বছর ধরে মানুষ ওদের দেখেছে। মানুষ আর ওদের মেনে নিতে পারছে না। তৃণমূলকে হারানোর জন্য মানুষ তৈরি ছিল। মানুষের ভালোবাসায় আমি জয়লাভ করেছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: এগরার খাদিকুলে বিস্ফোরণের জের, তৃণমূলকে হারিয়ে পঞ্চায়েতে বাজিমাত বিজেপির

    BJP: এগরার খাদিকুলে বিস্ফোরণের জের, তৃণমূলকে হারিয়ে পঞ্চায়েতে বাজিমাত বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবৈধ বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ কাণ্ডে ১২ জনের মৃত্যু হয় পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরা থানার খাদিকুল গ্রামে। বিস্ফোরণের প্রতিবাদে এলাকার মানুষের জনরোষ এবার গিয়ে পড়ল ভোটের বাক্সে। খাদিকুল গ্রামে এবার জয়লাভ করল বিজেপি (BJP)। শুধু তাই নয়, সাহাড়া গ্রাম পঞ্চায়েত তৃণমূলের হাত থেকে ছিনিয়ে নিল বিজেপি। খাদিকুলে ৮২ ভোটে জয়ী হলেন বিজেপি প্রার্থী পুষ্পলতা সাউ। আর তিনি হারিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী শান্তিলতা দাসকে। তিনি এলাকায় দাপুটে তৃণমূল নেত্রী হিসেবে পরিচিত। পাশাপাশি তিনি সাহাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের দু’বারের প্রাক্তন প্রধান। শান্তিলতা দাসকে শিপুর গ্রামসভাতে ৮২ ভোটে পরাজিত করল বিজেপি। এই শান্তিলতা দাসের বিরুদ্ধেই দুর্নীতির অভিযোগ তুলে অনাস্থা এনেছিল নির্দল এবং তৃণমূল। পরে নির্দলের প্রধান হন তিনি। এবার এই পঞ্চায়েত বিজেপি দখল করল। ১৭ টি আসনের সাহাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ১২ টি আসনে জয়লাভ করেছে বিজেপি।

    কী বললেন বিজেপির (BJP) জয়ী প্রার্থী?

    বিস্ফোরণে ভয়াবহ ভাবে অগ্নিদগ্ধ কারখানার মালিক কৃষ্ণপদ বাগ ওরফে ভানুর মৃত্যু হয় ওড়িশার এক বেসরকারি নার্সিংহোমে চিকিৎসাধীন অবস্থায়। এলাকার সক্রিয় তৃণমূল নেতা ভানু বাগের কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় মৃত শ্রমিকদের পরিবারের লোকজন ও এলাকার মানুষ সে সময় বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গেলে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয় তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য নেতৃত্ব মানস ভুঁইয়া, দোলা সেন সহ একাধিক নেতাকে। মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন বিরোধী দলনেতার শুভেন্দু অধিকারী, সাংসদ দিলীপ ঘোষ সহ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। বিজেপির (BJP) জয়ী প্রার্থী পুষ্পলতা সাউ বলেন, তৃণমূল প্রচার করেছিল উন্নয়নের নিরিখে ভোট হবে। মুখ্যমন্ত্রী নিজে এসে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দিয়েছিলেন। কিন্তু, এত কিছু করেও তৃণমূল এই আসন ধরে রাখতে পারল না। কারণ, দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূলকে শিক্ষা দিতে এলাকার মানুষ জোট বেঁধেছিল। এই জয় এলাকার মানুষের জয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: গণনা শেষ হতেই বিজেপি প্রার্থীর বাড়ি ভাঙচুর করে আগুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: গণনা শেষ হতেই বিজেপি প্রার্থীর বাড়ি ভাঙচুর করে আগুন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের ফল বের হওয়ার পর বারাকপুর-১ ব্লকের কাউগাছি-১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে বিজেপি (BJP) প্রার্থীর বাড়িতে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এমনকী আগুন লাগানো হয়েছে বলেও অভিযোগ। পরে, বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। পাশাপাশি বেলে শংকরপুরে সিপিএমের পার্টি অফিসে ভাঙচুর চালানোর ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতা?

    বিজেপির (BJP) বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সন্দীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ফল বের হওয়ার পরই তৃণমূলের হার্মাদ বাহিনী এলাকায় তাণ্ডব চালাতে শুরু করে। আমাদের দলীয় প্রার্থী মৌসুমী মিত্রের বাড়িতে ভাঙচুর করে ওরা আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। আসলে বিজেপি বহু জায়গায় দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। তাতেই তৃণমূল এসব করে বেড়াচ্ছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক বলেন, বিজেপির (BJP) অভিযোগ ভিত্তিহীন। বিজেপি প্রার্থীর বাড়িতে রাজনৈতিক কারণে কোনও ভাঙচুর করা হয়নি। এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। আর বেলে শংকরপুর এলাকায় সিপিএমের কার্যালয়ে ভাঙুচর হয়েছে। তবে, সেটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা। আর এই ধরনের ঘটনা ঘটবে না।

    বিজেপি (BJP) প্রার্থীকে গণনা কেন্দ্র থেকে গলা ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়ার অভিযোগ

    বারাকপুর মহকুমায় পানপুর মাখনলাল ও ঘোলা শশীভূষণ স্কুলে মঙ্গলবার সকাল থেকে ভোট গণনা শুরু হয়। পানপুরে মামুদপুর গণনাকেন্দ্র কিছুক্ষণের জন্য বেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিজেপি প্রার্থী বরুণ সরদার দাবি করেন, যেসব ব্যালটে প্রিসাইডিং অফিসারের পুরো সই নেই, সেগুলি বাতিল করতে হবে। এই নিয়ে তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে বিতণ্ডা বেধে যায়। নৈহাটি টাউন তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সনৎ দে অভিযোগ করেন, তিনি মদ খেয়ে বেলেল্লাপনা করছেন। এই নিয়ে গণনা কেন্দ্রের মধ্যেই অশান্তি বেধে যায়। পরে তৃণমূল নেতাদের কথা মতো পুলিশ ওই বিজেপি প্রার্থীকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে গণনা কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: বিজেপির ক্যাম্প অফিসে হামলা, কর্মীদের বেধড়ক মার, গাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: বিজেপির ক্যাম্প অফিসে হামলা, কর্মীদের বেধড়ক মার, গাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঁকুড়ার শালতোড়ার নেতাজি কলেজের ভোট গণনা কেন্দ্রে বিজেপির (BJP) ক্যাম্প অফিসে বিধায়কের সামনেই কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। বিজেপির লোকজনের গাড়ি এবং মোটর বাইক ভাঙচুর করা হয়। ইট, পাথর ছোড়ে তৃণমূল দুষ্কৃতীরা। কয়েকজনকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পুলিশের সামনে হামলা চালানো হলেও তারা কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    নিয়ম মেনেই বিজেপির (BJP) কর্মী-সমর্থকরা গণনা কেন্দ্রে ছিলেন। আর গণনা কেন্দ্র থেকে প্রায় ৪০০ মিটার দূরে বিজেপির পক্ষ থেকে ক্যাম্প অফিস করা হয়। সেখানে বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউড়ি সহ বহু বিজেপি কর্মী-সমর্থক মজুত ছিলেন। ক্যাম্প অফিসের পাশে রাখা ছিল গাড়ি, একাধিক বাইক। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের বক্তব্য, আচমকা দল বেঁধে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা আমাদের উপর চড়াও হয়। আমাদের বেধড়ক পেটায়। আমাদের গাড়ি, বাইকে ভাঙচুর চালায়। ওরা কার্যত এলাকায় তাণ্ডব চালায়।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) বিধায়ক?

    শালতোড়ার বিজেপি (BJP) বিধায়ক চন্দনা বাউরি বলেন, বিজেপির লোকজন গণনা কেন্দ্র থেকে ৪০০ মিটার দূরে ক্যাম্পে বসেছিলেন। আচমকা তৃণমূল কংগ্রেসের গুন্ডা বাহিনী বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের ওপর চড়াও হয়। পুলিশের সামনেই হামলা চালানো হয়। বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউরির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ায়  চন্দনা দেবী হামলার হাত থেকে বাঁচেন।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের শালতোড়ার ব্লক সভাপতি সন্তোষ মণ্ডল বলেন, চন্দনা বাউরির আনা সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন। আসলে বিজেপির (BJP) নিজেদের দলীয় কোন্দল তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে চাপাতে চাইছে। বরং ওরাই আমাদের কয়েকজনের ওপর হামলা করে। পাথর ছোঁড়ে। তৃণমূল এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। নিজেদের কোন্দল ঢাকতে তৃণমূলের উপর ওরা এখন দায় চাপাচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mamata Banerjee: মুখ্যমন্ত্রীর মামার বাড়ি কুসুম্বায় তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে জয়ী বিজেপি

    Mamata Banerjee: মুখ্যমন্ত্রীর মামার বাড়ি কুসুম্বায় তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে জয়ী বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) মামার বাড়ি কুসুম্বা গ্রামে ধরাশায়ী হল তৃণমূল। অথচ এতদিন এই গ্রামে তৃণমূলের একচেটিয়া আধিপত্য ছিল। মুখ্যমন্ত্রীর নিজেরও নজরে রয়েছে তাঁর মামার বাড়ি। সেখানেই ঘাসফুলকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছেন এলাকার মানুষ। এই গ্রামে এবার পদ্মফুলের জয় জয়কার।

    মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) মামার বাড়ির গ্রামে কটি আসন দখল করল বিজেপি?

    রামপুরহাট-১ ব্লকের কুসুম্বা গ্রাম পঞ্চায়েতের কুসুম্বা গ্রামে মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) মামার বাড়ি। এখনও এই গ্রামে তাঁর মামার বাড়ির লোকজন সপরিবারের রয়েছেন। এই পঞ্চায়েতে মোট ২১টি আসন রয়েছেন। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে অধিকাংশ আসনেই তৃণমূল জয়ী হয়েছিল। এমনকী মুখ্যমন্ত্রীর মামার বাড়ি কুসুম্বা গ্রামে তিনটি আসন রয়েছে। গতবার সবকটি তৃণমূলের দখলে ছিল। এবার এই গ্রামের তিনটি বুথের মধ্যে দুটি আসনেই বিজেপি প্রার্থী জয়ী হল। মুখ্যমন্ত্রীর মামার বাড়়ির গ্রামে এভাবে পদ্মফুল ফোটায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কী বললেন জয়ী বিজেপি প্রার্থীরা?

    কুসুম্বা গ্রামে ৩১ নম্বর এবং ৩২ নম্বর আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি। ৩১ নম্বর আসনে মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) মামা ভোটার। সেই বুথেও বিজেপি জয়ী হয়েছে। জয়ী বিজেপি প্রার্থী গঙ্গাধর হাজরা বলেন, লোকসভা ভোটে আমাদের বিনা কারণে তৃণমূল জেল খাটিয়েছিল। এলাকার মানুষ তার সাক্ষী। এই ঘটনা তারা মেনে নিতে পারেনি। আর রাজ্যজুড়ে তৃণমূল যা দুর্নীতি করেছে তার বিরুদ্ধে মানুষ এই রায় দিয়েছে। আমার স্ত্রী পাশের বুথে দাঁড়িয়েছিল। সেই বুথেই মুখ্যমন্ত্রীর মামার বাড়়ি। সেই বুথেও আমার স্ত্রী তৃণমূলকে হারিয়ে জয়ী হয়েছে। আর এভাবে তৃণমূলকে হারাতে পেরে খুব ভাল লাগছে। মানুষের জন্য কাজ করব। মানুষের রায়ে জয়ী হয়েছি। কোনও অবস্থাতেই আমরা তৃণমূলে যাব না। ৩১ নম্বর আসনের বিজেপি জয়ী প্রার্থী অর্চনা হাজরা বলেন, এই জয়, মানুষের জয়। মানুষ দুর্নীতির বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর গ্রামে তৃণমূলকে হারাতে পেরে আমাদের খুব ভাল লাগছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: তোলা হল কেন্দ্রীয় বাহিনী, জ্ঞান হারালেন বিজেপি সাংসদ, শান্তিপুরে গণনা বন্ধ

    BJP: তোলা হল কেন্দ্রীয় বাহিনী, জ্ঞান হারালেন বিজেপি সাংসদ, শান্তিপুরে গণনা বন্ধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অধিকাংশ গ্রাম পঞ্চায়েত আসনেই বিজেপি (BJP) প্রার্থী এগিয়ে ছিলেন। আর এর পরই প্রশাসনের চাপে রহস্যজনক কারণে গণনা কেন্দ্র থেকে তুলে নেওয়া হল কেন্দ্রীয় বাহিনী। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার শান্তিপুর ব্লকের ফুলিয়া বালিকা বিদ্যামন্দিরে। আর কেন্দ্রীয় বাহিনী চলে যেতেই স্ট্রং রুমের ভিতরে শুরু হয় তৃণমূলীদের তাণ্ডব। বহিরাগতরা এসে গণনা কেন্দ্রের ভিতরে কার্যত দাপিয়ে বেড়ায়। বিজেপির এক মহিলা প্রার্থীকে বেধড়ক মার দেওয়া হয়। ব্যালট বাক্স লুট চলে। কেন্দ্রীয় বাহিনী তুলে নেওয়ার প্রতিবাদে ভোট কর্মীরা কার্যত কাজ বন্ধ করে দেন। বন্ধ হয়ে যায় ভোটের গণনা। তৃণমূলীদের তাণ্ডবের প্রতিবাদে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা গণনা কেন্দ্রে বিক্ষোভ দেখান।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) কর্মীরা?

    বিজেপি (BJP) কর্মীদের বক্তব্য, এদিন সকাল থেকে সব কিছুই ঠিকঠাক ছিল। গণনায় অধিকাংশ আসনেই বিজেপি প্রার্থীরা জয়ী হয়ে যাচ্ছিলেন। আর সেটাই তৃণমূল মেনে নিতে পারল না। প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সরিয়ে নেওয়া হল। এর পরই বহিরাগতরা গণনা কেন্দ্রের দখল নেয়। ভিতরে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা কার্যত তাণ্ডব চালায়। বিজেপির মহিলা প্রার্থীকে মারধর করা হয়। আমরা এই ঘটনার প্রতিবাদেই বিক্ষোভ দেখাই।

    গণনাকেন্দ্রে অসুস্থ হয়ে পড়লেন বিজেপি সাংসদ

    গণনা কেন্দ্রের সামনে পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে বলতে হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে ফেললেন বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। তড়িঘড়ি তাঁকে ধরে ফেলেন তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরা। কোলে তুলে দৌড়াতে দৌড়াতে হাসপাতালে নিয়ে গেলেন তাঁকে। নদিয়ার শান্তিপুর ব্লকের ফুলিয়া বালিকা বিদ্যালয়ের স্ট্রং রুমে অভিযোগ ওঠে সেখানকার কেন্দ্রীয় বাহিনী সরিয়ে দেওয়া হয়। তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনীরা রাজ্য পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে ভোট লুট করার চেষ্টা চালাচ্ছিল। সেই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলর আসেন বিজেপি (BJP) সাংসদ জগন্নাথ সরকার। গণনা কেন্দ্রের বাইরে সে বিষয়ে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রুপান্তর সেনগুপ্ত এবং এসডিপিও-র সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলছিলেন তিনি। এরপর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি।

    কী বললেন ভোট কর্মীরা?

    এদিন সকাল থেকেই গণনা কেন্দ্রের ভিতরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে গণনা চলছিল। বেশ কিছুক্ষণ গণনা হওয়ার পর দফায় দফায় প্রশাসনের আধিকারিক, পুলিশ প্রশাসনের কর্তারা কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কথা বলেন। বহুবার আলোচনার পর আচমকাই কেন্দ্রীয় বাহিনী গণনা কেন্দ্র ছেড়ে চলে যায়। আর বিষয়টি জানাজানি হতেই ভোট কর্মীরা গণনা বন্ধ রেখে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ভোট কর্মীদের বক্তব্য, আচমকা কী করে, কার নির্দেশে এভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনী তুলে নেওয়া হল? এখন কার্যত বহিরাগতরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এই অবস্থায় গণনা করা সম্ভব নয়। আমাদের পরিবার রয়েছে। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তাই, কাজ বন্ধ রেখেছি। কেন্দ্রীয় বাহিনী ছাড়া গণনা করব না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, পা ভাঙল প্রার্থীর, গণনা কেন্দ্রে ঢুকতে বাধা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, পা ভাঙল প্রার্থীর, গণনা কেন্দ্রে ঢুকতে বাধা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ধমানের কাটোয়া ১ নম্বর ব্লকের গণনা কেন্দ্রের সামনেই বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক পেটানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এমনকী আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে বিজেপি (BJP) কর্মীদের এলাকাছাড়া করে দেওয়া হয়। ফলে, বিজেপি কর্মীরা কেউ গণনা কেন্দ্রে ঢুকতে পারেননি। এই ঘটনার প্রতিবাদে বিজেপি নেতৃত্ব আক্রান্ত কর্মীদের নিয়ে মঙ্গলবার সকাল থেকে কাটোয়া থানায় অবস্থান-বিক্ষোভ করছেন। অন্যদিকে, সিপিএম কর্মীদেরও মারধর ও গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    বিজেপির (BJP) পূর্ব বর্ধমান জেলার সাধারণ সম্পাদিকা সীমা ভট্টাচার্য বলেন, ভোটের দিন তৃণমূল বহু বুথে ছাপ্পা মেরে ভোট লুট করেছে। তাতেও শান্তি হয়নি। এদিন ওরা আমাদের কাউকে গণনা কেন্দ্রে ঢুকতে দেয়নি। মোবাইল ভেঙে দেওয়া হয়েছে। ওরা কার্যত তাণ্ডব চালিয়েছে। দোষীদের শাস্তির দাবিতেই আমরা অবস্থান-বিক্ষোভে সামিল হয়েছি। পাশাপাশি আমরা পুনর্নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছি।

    কী বললেন সিপিএম নেতৃত্ব?

    সিপিএম নেতাদের অভিযোগ, দলীয় কর্মীরা যখন গণনা কেন্দ্রে যাচ্ছিলেন, সেই সময় তৃণমূলের লোকেরা তাঁদের গাড়ি থামিয়ে মারধর করে। গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।

    গলসিতে বিরোধী প্রার্থীদের উপর হামলা চালাল তৃণমূল

    বুদবুদে ভোট গণনা কেন্দ্রে ঢুকতে বাধা। পা ভেঙে দেওয়া হল সিপিআইএম প্রার্থী তরুণপদ বাগদির। তিনি গলসি ১ নং ব্লকের পারাজ গ্রাম পঞ্চায়েতের রানাডি গ্রামের ১৭৪ নং বুথের পঞ্চায়েত প্রার্থী। তাছাড়াও শিড়রাই গ্রাম পঞ্চায়েতের পুরাতন গ্রামের কাজল মুন্সী নামে এক কংগ্রেস সমর্থককে মারধর করে পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এদিকে গলসি ১ ব্লকের পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের ৬৫ নং আসনের প্রার্থী জয়শ্রী বিষ্ণুকে পুলিশের সামনেই মেরে বার করে দিল তৃণমূলের লোকজন। এমনই অভিযোগ তাঁর। স্ট্রং রুম থেকে তাঁর ব্যাগ ও পরিচয়পত্র ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ।

    বর্ধমানেও বিজেপি (BJP) সহ বিরোধী এজেন্টদের ঢুকতে বাধা

    বর্ধমান ১ ব্লকের বিদ্যাসাগর উচ্চ বিদ্যালয়ের গণনা কেন্দ্রে সিপিএম, বিজেপি প্রার্থী এবং এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ। অভিযুক্ত তৃণমূল। পুলিশ সাহায্য করেছে না বলে অভিযোগ। গণনা কেন্দ্রের ভিতর পরিচয়পত্র ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন বিরোধীরা। হেনস্থার জেরে অসুস্থ হয়ে পড়লেন এক বিজেপির এজেন্ট। তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অসুস্থ ব্যক্তির নাম উজ্জ্বল ঘোষ। তিনি বাঘাড় ১ পঞ্চায়েতের নির্বাচনী এজেন্ট ছিলেন। বিজেপির ৩১ নং মণ্ডল সভাপতি রাজকুমার সাউ বলেন, ওনাকে গণনা কেন্দ্রের ভিতর থেকে বারবার বের করে দেওয়া হয়। চরম হেনস্থা করা হয়। তার জেরেই অসুস্থ হয়ে যান। ঘটনার পর বিডিও নিজের গাড়িতে করে তাঁকে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: তৃণমূলের বোমাবাজিতে আতঙ্কিত ভোটারদের বুথে নিয়ে গেলেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: তৃণমূলের বোমাবাজিতে আতঙ্কিত ভোটারদের বুথে নিয়ে গেলেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুনর্নির্বাচনের দিন পুলিশ-প্রশাসন নয়, তৃণমূলের হুমকিতে আতঙ্কিত গ্রামবাসীদের গ্রামে গিয়ে অভয় দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। সুকান্তবাবু স্বয়ং পাশে থাকায় বুকে বল নিয়ে গ্রামবাসীরা বুথে গিয়ে ভোট দিলেন। সোমবারই এই ঘটনার সাক্ষী থাকল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তপন ব্লকের আজমতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের দাউদপুর গ্রাম।

    কেন এলাকার ভোটাররা আতঙ্কিত ছিলেন?

    এই জেলার তপন ব্লকের আজমতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের দাউদপুর বুথে পুনর্নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নতুন করে অশান্তি তৈরি হয়। রাতভর গ্রামে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কতীরা বোমাবাজি করে বলে অভিযোগ। তৃণমূলের বাইক বাহিনীর দাপটে আতঙ্ক ছড়িয়েছে পুরো গ্রাম জুড়ে। এদিন সকালে আতঙ্কে ভোট কেন্দ্রে যেতে পারছিলেন না গ্রামের মানুষ। তাঁদের অভিযোগ, রাতভর তৃণমূলের বাইক বাহিনী এলাকায় তাণ্ডব চালিয়েছে। ভোট পর্যন্ত হয়তো কেন্দ্রীয় বাহিনী বা পুলিশের নিরাপত্তা থাকবে। কিন্তু পরবর্তী সময়ে তাদের নিরাপত্তার কী হবে? এই কথা ভেবেই তাঁরা ভোট দিতে যেতে চাইছিলেন না। খবর পেয়ে দাউদপুর গ্রামে এদিন যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। আতঙ্কিত ভোটারদের তিনি ভোট কেন্দ্রে ভোট দেওয়াতে নিয়ে যান। 

    বুথে বোমাবাজি, ছুটলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি

    গঙ্গারামপুরের রাঘবপুর ভোট কেন্দ্রে বোমাবাজি হওয়ায় ও বিজেপির ভোটারদের যেতে না দেওয়ায় সেখানেও যান সুকান্তবাবু। বুথ থেকে ৩০০ মিটার দূরে তাঁর কনভয় আটকে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরা বিক্ষোভ দেখায় বলে অভিযোগ। বিক্ষোভ চলে টানা প্রায় ৪০ মিনিট। আটকে থাকে সুকান্ত মজুমদারের কনভয়। রাস্তায় বসে পড়েন সাংসদ সুকান্ত মজুমদার। এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে পুলিশ। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরা পথ অবরোধ করে রাখেন। তৃণমূলের কর্মীদের সঙ্গে ব্যাপক ধস্তাধস্তি ও বাক-বিতণ্ডা হয়। এরপর গঙ্গারামপুর মহকুমার এসডিপিও দীপাঞ্জন ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে আসে। কেন্দ্রীয় বাহিনী ও জেলা পুলিশ একসাথে বিক্ষোভকারীদের বোঝাতে সমর্থ হয় এবং শেষ পর্যন্ত অবরোধ উঠে যায়। শুধুমাত্র রাঘবপুর নয়, শুকদেবপুর ও জয়দেবপুরে অভিযোগ পেয়ে সুকান্তবাবু গেলে তৃণমূলীরা তাঁকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। রাঘবপুরের পাশাপাশি নির্বাচনের হাল হকিকত খতিয়ে দেখতে গিয়ে এবং দলীয় কর্মী ও প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে যাওয়ার পথে কুশুমুন্ডিতে অবরোধ ও বিক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি।

    কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar)?

    এবিষয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, তৃণমূল সাধারণ মানুষদের আটকে রেখে তাদেরকে ভোট দিতে দিচ্ছে না। তপনের দাউদপুরে ও গঙ্গারামপুরের রাঘবপুরের একই ঘটনা করেছে তৃণমূল। পুলিশ-প্রশাসন কোনও কিছুই করছে না। নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। ভোটারদের ভোট দিতে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। তৃণমূলের তরফ থেকে এমনটা করা হচ্ছে। এনিয়ে যেখানে যেখানে অভিযোগ করার তা করেছি।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এনিয়ে তৃণমূলের জেলা সভাপতি মৃণাল সরকার বলেন, ভোট শান্তিতে হচ্ছে। কিন্তু বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ভোটারদের প্রভাবিত করতে বুথের ২০০ মিটারের মধ্যে ঢুকছেন। যা তিনি কখনও করতে পারেন না। তিনি শান্ত জায়গা অশান্ত করছেন। তিনি যাতে ভোটারদের প্রভাবিত করতে না পারেন, তার জন্য ক্ষুব্ধ জনতা সুকান্তকে (Sukanta Majumdar) আটকে দেয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share