Tag: Trinamool

Trinamool

  • BJP: বাড়িতে বোমাবাজি, আক্রান্ত বিজেপি বিধায়কের ভাই, বাবা সহ তিন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: বাড়িতে বোমাবাজি, আক্রান্ত বিজেপি বিধায়কের ভাই, বাবা সহ তিন, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার রানাঘাট দক্ষিণ কেন্দ্রের বিজেপি (BJP) বিধায়ক মুকুটমণি অধিকারীর বাড়িতে বোমাবাজি। গুরুতর জখম বিধায়কের ভাই এবং বাবা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তাঁরা। এই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার সকাল থেকে কৃষ্ণগঞ্জ থানার সামনে চলছে বিজেপির বিক্ষোভ। অন্যদিকে, হামলার প্রতিবাদে নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জের মাজদিয়া রাজ্য সড়কে মাজদিয়ার ভাজনঘাট মোড়ে বিজেপির পক্ষ থেকে টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করা হয়। বিজেপি বিধায়ক মুকুটমনি অধিকারী নেতৃত্বে এই বিক্ষোভ চলে। 

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার গভীর রাতে আচমকাই বিজেপির (BJP) বিধায়ক মুকুটমণি অধিকারীর বাড়ি এবং আশপাশের বেশ কিছু বাড়িতে বোমাবাজি শুরু হয়। বোমার আঘাতে রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন মুকুটমণি অধিকারীর ভাই অনুপম অধিকারী এবং তাঁর বাবা ভূপাল অধিকারী। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এসে বোমাবাজি করে পালায়। এমনিতেই পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার পর থেকে রাজ্য জুড়ে বিজেপি সহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীরা শাসকদলের হাতে আক্রান্ত হচ্ছেন। কোথাও প্রার্থীদের জোর করে মনোনয়নপত্র তুলে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে, আবার কোথাও মারধর করা হয়েছে। সেই কারণেই আদালতের নির্দেশে দীর্ঘ টালবাহানার পর কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট পরিচালনা করার নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনী জেলায় জেলায় রুটমার্চ শুরু করলেও সন্ত্রাসের খবর উঠে আসছে একাধিক জায়গা থেকে। এবার বিজেপি বিধায়কের বাড়িতেই বোমাবাজির ঘটনায় জেলা জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) বিধায়ক?

    এ বিষয়ে বিজেপির (BJP) বিধায়ক মুকুটমনি অধিকারী বলেন, রবিবার রাতে বেশ কিছু দুষ্কৃতী এসে বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজি করে। আশপাশেও তারা বোমা ছোড়ে। বোমার আঘাতে জখম হন আমার ভাই,বাবা এবং আরও এক বিজেপি নেতা। এই ঘটনার পিছনে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা জড়িত রয়েছে। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, কৃষ্ণগঞ্জ থানার আইসি আমাদের কথা দিয়েছিলেন এই এলাকায় কোনও সন্ত্রাস হতে দেবেন না। তা সত্ত্বেও এই ধরনের ঘটনা ঘটে গেল। আর এই ঘটনার পিছনে পুরোপুরি দায়ী প্রশাসন এবং তৃণমূল। যত দ্রুত সম্ভব অভিযুক্তদের গ্রেফতার না করা হলে থানার সামনে বিক্ষোভ-আন্দোলন চলবে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের জেলা নেতা সনৎ চক্রবর্তী বলেন, পুরো ঘটনাটি তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে নির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই ওই এলাকায় বিজেপির প্রার্থী বাছাই নিয়ে ঝামেলা চলছিল। আর রবিবারের রাতের ঘটনা পুরোটাই বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। এর সঙ্গে তৃণমূল কোনভাবেই জড়িত নয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: পঞ্চায়েতে বুথে প্রার্থী দিতে পারল না তৃণমূল, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হল বিজেপি

    BJP: পঞ্চায়েতে বুথে প্রার্থী দিতে পারল না তৃণমূল, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন উলট পুরাণ। জলপাইগুড়ি জেলার বিভিন্ন ব্লকে যখন তৃণমূলের ২৯ জন পঞ্চায়েত সদস্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন, সেখানে মেটেলি ব্লকের সামসিং পঞ্চায়েতে উল্টো চিত্র ধরা পড়ল। মেটেলি ব্লকের মাটিয়ালি হাট গ্রাম পঞ্চায়েতের ২১/৮ নম্বর বুথে প্রার্থী দিতে পারল না তৃণমূল। এই বুথে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন বিজেপির (BJP) পঞ্চায়েত প্রার্থী ধনরাজ তামাং। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজেপির এই জয়ের জন্য গেরুয়া আবির দিয়ে রীতিমতো উচ্ছ্বাস পালন করলেন বিজেপির নেতাকর্মীরা।

    বিজেপির বিরুদ্ধে কেউ প্রার্থী দেয়নি

    জানা যায়, সামসিং ইয়ংটং টিজির বড়ি লাইনের বাসিন্দা ধনরাজ তামাং। মাটিয়ালি হাট গ্রাম পঞ্চায়েতের ৮ নম্বর আসনে তিনি এবার বিজেপির (BJP) প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা করেন। এই আসনটি তফশিলি উপজাতির জন্য সংরক্ষিত। কিন্তু এই আসনে তৃণমূল সহ অন্য কোনও দলেই আর মনোনয়ন জমা দেয়নি। তাই বিজেপি প্রার্থী ধনরাজ তামাং বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন। বিজেপির এই বিজয় উল্লাস অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির মেটেলি আপার মন্ডলের সাধারণ সম্পাদক সুভাষ সার্কি, সহ-সভাপতি ঋতুরাজ শর্মা, নিলম প্রধান,পুনম রানা, বিজেপির শ্রমিক নেতা জমির ওরাও সহ বিজেপির কর্মী ও সমর্থকরা।

    কী বললেন জয়ী বিজেপি (BJP) প্রার্থী?

    বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে ধনরাজ তামাং জানান, গোটা রাজ্য জুড়ে তৃণমূলের যে দুর্নীতি সামনে এসেছে, তার বিরুদ্ধে মানুষ সরব হয়েছে। তাছাড়া এই গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল কোনও উন্নয়নই করেনি। মানুষ তেমনভাবে পরিষেবা শেবনি। এই সমস্ত কারণে এই বুথে তৃণমূল প্রার্থী দিতে আর সাহস করেনি। পাশাপাশি তিনি জানান, এই গ্রাম পঞ্চায়েত গতবার তৃণমূলের দখলে ছিল, কিন্তু এবার মানুষ তৃণমূলের সঙ্গে নেই বুঝেই তারা প্রার্থী দেয়নি। যদিও বা দিত তাহলে তার জমানত বাজেয়াপ্ত হত।

    কী বললেন বিজেপির (BJP) জেলা নেতৃত্ব?

    জেতার পর মেটেলি ব্লকের বিজেপির (BJP) সাধারণ সম্পাদক সুভাষ সার্কি জানান, তাঁরা একটি আসন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছেন। মানুষের ভোটে তাঁরাই এবার ব্লকের দুটি গ্রাম পঞ্চায়েতই দখল  করবেন। আগামী দিনে লোকসভা ভোটেও মানুষ বিজেপির সাথেই থাকবে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এই বিষয়ে তৃণমূলের মেটেলি ব্লক সভাপতি জোসেফ মুন্ডা বলেন, দলীয় প্রার্থীকে আমরা মনোনয়ন জমা করার জন্য নির্দিষ্ট ফর্ম পূরণ করে দিয়েছিলাম। কিন্তু, কেন আমাদের দলীয় প্রার্থী মনোনয়ন জমা করেননি সেটা ভোটের পর আমরা দলগতভাবে দেখব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: অভিষেকের নির্দেশে জেলে উপ প্রধান, পঞ্চায়েত ভোটে নেই তৃণমূল প্রার্থী

    Panchayat Election: অভিষেকের নির্দেশে জেলে উপ প্রধান, পঞ্চায়েত ভোটে নেই তৃণমূল প্রার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল প্রার্থী ছাড়াই পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election) লড়াই হবে পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক ব্লকের পদুমপুর- ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের মিরিকপুর ১৫ নম্বর বুথে। মিরিকপুর আসনের বিদায়ী তৃণমূল সদস্য তথা গ্রাম-পঞ্চায়েতের বিদায়ী উপপ্রধান সুকুমার নায়ক বর্তমানে জেলবন্দি। তাঁর পরিবর্তে সেখানে তৃণমূলের হয়ে কেউই মনোনয়ন জমা করেননি। তাই, এই আসনে এবার তৃণমূল প্রার্থী ছাড়াই লড়াই হতে চলেছে।

    কেন তৃণমূল প্রার্থী দেয়নি?

    সম্প্রতি নবজোয়ার কর্মসূচিতে এসে পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকের পদুমপুর গ্রাম-পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সুকুমার নায়কের নামে নানা অনিয়ম-বেনিয়মের অভিযোগ শুনেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ক্ষুব্ধ অভিষেকের নির্দেশে তমলুক থানায় অভিযোগ জমা হয়। গ্রেফতার হন সুকুমার। বর্তমানে জেলবন্দি রয়েছেন তিনি। তাই মনোনয়ন জমা করা হয়নি তৃণমূলের তরফে। তাই পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী ছাড়াই লড়াই হতে চলেছে তমলুকের পদুমপুরের মিরিকপুর ১৫ নম্বর বুথে। লড়াইয়ে আছেন বিজেপির লক্ষ্মণ গুড়িয়া, সিপিএমের শ্রীকান্ত পাল, আম প্রতীকের নির্মল কুইল্যা এবং বটগাছ চিহ্নে পূর্ণচন্দ্র তুঙ্গ। প্রসঙ্গত, এই বুথের ২০০৩ সাল থেকে টানা চারবার গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) দল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীকেই প্রার্থীরা জয়ী হয়েছিলেন। কিন্তু ২০২৩-এ এসে তার ছেদ পড়ল। এ বিষয়ে তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, এই আসনে তৃণমূলের হয়ে কেউ মনোনয়ন না জমা করলেও, দলের দুই কর্মী নির্দল হিসেবে মনোনয়ন জমা করেছিলেন। তাঁদের একজনকে ঘাসফুলের প্রতীকও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সজল মাজি নামের ওই প্রার্থী শেষ পর্যন্ত তাঁর মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ফলে, তৃণমূলের কেউ সেখানে প্রার্থী হতে পারেননি।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    পদুমপুর- ১ অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি দীপনারায়ণ সাহু বলেন, ‘ সুকুমার নায়েক গ্রেফতার হয়েছেন। যা সাধারণ তৃণমূলকর্মীরা মেনে নিতে পারেননি। নেতা জেলবন্দি থাকায় অন্য কেউও প্রার্থী হতে চাননি। নির্দল প্রার্থী নির্মল কুইলা আমাদের দলেরই সদস্য। ফলে, ভোটে কোন অসুবিধা হবে না। গ্রাম-পঞ্চায়েত আমাদের দখলেই থাকবে।’ তৃণমূলের তমলুক সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সৌমেন মহাপাত্র বলেন, তৃণমূল প্রার্থী দেয়নি এটা ঠিক নয়। আসলে দলের পক্ষ থেকে পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) একজন প্রার্থী দিয়েছিল। কিন্তু, কোনও কারণে সেটা বাতিল হয়ে গিয়েছে। আমাদের নির্দল প্রার্থী রয়েছে। দল তাকে সমর্থন করবে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির তমলুক সাংগঠনিক জেলা সভাপতি তপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। নির্দল প্রার্থী দাঁড় করিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে। প্রকৃত ভোট (Panchayat Election) হলে বিজেপি প্রার্থী জয়ী হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূলকে উৎখাত করার হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূলকে উৎখাত করার হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূলকে শূন্য করার ডাক দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শনিবার নদিয়ার কল্যাণী বিধানসভার ঘোড়াগাছা স্কুল মাঠে ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনের বিজেপির জনসভায় যোগ দিয়ে এই হুঁশিয়ারি দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার পঞ্চায়েত স্তরে উন্নয়নের জন্য প্রচুর টাকা দেয়। কিন্তু, তৃণমূল পঞ্চায়েতে সেই উন্নয়ন থেকে সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত করেছে। তাই, এবার প়ঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূলকে হারাতে হবে।

    তৃণমূলের বহিষ্কার নিয়ে কী বললেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)?

    পঞ্চায়েত ভোটের আগে তৃণমূল থেকে নির্দলে দাঁড়ানো প্রার্থীদের দল থেকে বহিষ্কার করা নিয়ে শুভেন্দুকে (Suvendu Adhikari) প্রশ্ন করলে তিনি খোঁচা দিয়ে বলেন, তৃণমূলের আবার বহিষ্কার! স্যান্ডো গেঞ্জির আবার পকেট, যেদিন গরুর গাড়িতে হেডলাইট ব্যবহার হবে আর স্যান্ডো গেঞ্জিতে পকেট ব্যবহার হবে সেদিনই দলটার অস্তিত্ব থাকবে। যে দলটা দুর্নীতিতে রেকর্ড গড়েছে, গরু চোর, কয়লা চোর, চাকরি চোর সেই দলটার অস্তিত্ব আছে কি না সেটাই প্রশ্ন। এই পশ্চিমবাংলায় এই সরকারের বিরুদ্ধে যে প্রতিবাদ করবে সে নওশাদ সিদ্দিকি হোক বা অম্বিকা রায় হোক তাঁর জীবনে সংশয় তৈরি হবে। এই জনসভায় উপস্থিত ছিলেন বিজেপি বিধায়ক অম্বিকা রায় সহ জেলা বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বরা। প্রথমেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একের পর এক নিশানা করেন শুভেন্দু অধিকারী। এরপর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বদেরকেও নিশানা করেন শুভেন্দু।

    বোমা বিস্ফোরণ নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বোমা বিস্ফোরণে মৃত্যু হয় এক সংখ্যালঘু পরিবারের যুবকের। এই নিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতদিন থাকবেন, সংখ্যালঘু ভাইদের এইভাবে প্রাণ দিতে হবে। তবে, সংখ্যালঘুরা আসতে আসতে সেটা বুঝতে পারছেন। কারণ, তৃণমূল সংখ্যালঘুদের ভোট ব্যাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করেছে। আর সেটা বুঝতে পেরেই তারা তৃণমূল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে।

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: দল ছাড়লেন তৃণমূল সংখ্যালঘু সেলের মালদা জেলার চেয়ারম্যান, কেন জানেন?

    Malda: দল ছাড়লেন তৃণমূল সংখ্যালঘু সেলের মালদা জেলার চেয়ারম্যান, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল থেকে মুখ ফেরাচ্ছেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ। দলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাঁরা সরব হচ্ছেন। পঞ্চায়েত নির্বাচনের ঠিক আগেই দল ছাড়লেন তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের মালদা (Malda) জেলার চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম। তাঁর মতো দাপুটে নেতা ভোটের মুখে দল ছেড়ে দেওয়ায় তৃণমূল চরম বেকায়দায় পড়়বে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    কেন দল ছাড়লেন?

    তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের মালদা (Malda) জেলার চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম একা দল ছেড়েছেন, এমন নয়। তিনি ছাড়াও কালিয়াচক-২ নম্বর ব্লক মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী মীনাক্ষি মণ্ডল, মালদা জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সম্পাদক হায়দার আলি বিশ্বাস, বুথ সভাপতি সোহেল রানা সহ একাধিক পদাধিকারীই তৃণমূল ছাড়ার কথা ঘোষণা করেন। তাঁদের প্রত্যেকেরই রাজ্যের মন্ত্রী তথা মোথাবাড়ির বিধায়ক সাবিনা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ। সাবিনা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে একনায়কতন্ত্র চালানোর অভিযোগ এনে তাঁরা সকলে দলত্যাগ করার কথা ঘোষণা করেছেন। সম্প্রতি সংখ্যালঘু সেলের জেলা সভাপতি সহ বহু পদাধিকারী গণ ইস্তফা দিয়েছিলেন। তবে, তাঁরা দলত্যাগ করেননি। দলে থেকেই দলের বিরুদ্ধে সরব হচ্ছেন। কিন্তু, এবার দলত্যাগ করলেন সংখ্যালঘু‌ সেলের চেয়ারম্যান সহ একাধিক পদাধিকারী।

    কী বললেন তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের মালদা (Malda) জেলার চেয়ারম্যান?

    তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের মালদা (Malda) জেলার চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বলেন, ‘ভালোবেসেই তৃণমূল করতে এসেছিলাম। কিন্তু, দলটা দুর্নীতিতে ভরে গিয়েছে। আর কিছুদিন এই দল করলে আমাদেরকেও সাধারণ মানুষ চোর চোর বলে ডাকবে। আর মোথাবাড়়ির বিধায়ক সাবিনা ইয়াসমিন দলে একনায়কতন্ত্র চালাচ্ছেন। তাঁর সঙ্গে দল করা যায় না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নবজোয়ার কর্মসূচিতে এসে যে সব কথা বলে গিয়েছেন তা দলের কেউ মানছেন না। ফলে, এই দলের নীতি, আদর্শ বলে কিছু নেই। তাই, আমাদের মতো মানুষের পক্ষে এই দল করা সম্ভব নয়। তাই, পদ ছাড়ার পাশাপাশি দলও আমরা ত্যাগ করলাম।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: ‘মার্ডার কেসের আসামিও দলের টিকিট পেয়েছেন,’ বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়ক

    Panchayat Election: ‘মার্ডার কেসের আসামিও দলের টিকিট পেয়েছেন,’ বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের রেজিনগরের রবিউল ইসলাম, ভরতপুরের হুমায়ুন কবীর, হুগলির মনোরঞ্জন ব্যাপারীর পর এবার বেসুরো আরও এক তৃণমূল বিধায়ক। এবার পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) তাঁর তালিকা অনুযায়ী প্রার্থী করেনি দল। এমনটাই অভিযোগ প্রাক্তন মন্ত্রী তথা দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিমের তৃণমূল বিধায়ক গিয়াসউদ্দিন মোল্লার। আর তাঁর পছন্দমতো সব প্রার্থী না করায় দলের বিরুদ্ধে কার্যত ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন তিনি। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বিধায়কের বেসুরো মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    কী বলেছেন তৃণমূল বিধায়ক?

    পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election) দিনক্ষণ ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অশান্তির খবর প্রকাশ্যে আসছে। একাধিক জায়গায় তৃণমূলের কোন্দল সামনে চলে এসেছে। প্রার্থী পছন্দ না হওয়ায় একাধিক দাপুটে নেতা মুখ খুলেছেন দলের বিরুদ্ধে। সেই তালিকায় নতুন সংযোজন মগরাহাটের গিয়াসউদ্দিন মোল্লা। তিনি বলেন,” যাঁরা প্রার্থী হয়েছেন এবার, তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগই রাজনীতির সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই। এমনকী মার্ডার কেসের আসামিও টিকিট পেয়েছে। আমি ৪৯ হাজার ভোটে জিতেছি। কিন্তু এবার প্রার্থী হয়েছে ৫০-৫০। অর্থাৎ আমার প্রার্থী ৫০ শতাংশ। বাকি অন্যদের।” এর আগেও একাধিকবার বেঁফাস মন্তব্য করেছেন তিনি। কখনও দিদির সুরক্ষা কবজ কর্মসূচিতে গিয়ে  দলের বিরুদ্ধেই কথা বলেছেন, আবার কখনও বা এসডিপিও  এবং পুলিশ কর্মীকে দু পয়সার চাকর বলেও কটাক্ষ করেছেন তিনি। আর এদিন অভিমানের সুরে গিয়াসউদ্দিন বলেন, “আমার উপর হয়তো দল আর ভরসা করতে পারছে না। আমি তালিকা দিয়েছিলাম। পরে দেখলাম সেখানে ৫০ শতাংশ প্রার্থীর নাম রয়েছে। বাকি ৫০ শতাংশের সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই, তাদের দল টিকিট দিয়েছে।” তবে, এবার তাঁর তালিকার বাইরে যাঁরা প্রার্থী হয়েছেন তাঁদের হয়ে প্রচারে যাবেন কি না তা নিয়ে স্পষ্ট করে তিনি কোনও কিছু মন্তব্য করেননি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: জেলা সভাপতির সামনেই তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর হাতাহাতি, এল পুলিশ

    Panchayat Election: জেলা সভাপতির সামনেই তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর হাতাহাতি, এল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) আসন বণ্টন নিয়ে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটল তৃণমূলের আসানসোল জেলা কার্যালয়ে। খোদ জেলা সভাপতির সামনেই তৃণমূলের দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বচসা হয়। পরে, দুপক্ষই হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। আর এই ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। শেষ পর্যন্ত পুলিশি হস্তক্ষেপে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীকে সরিয়ে ফেলা হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। পঞ্চায়েত ভোটের আগে এই ঘটনায় শাসক দলের গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। আর জেলা কার্যালয়ের বাইরে রাস্তার মধ্যে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে হাতাহাতির ঘটনায় সাধারণ মানুষ হাসাহাসি করেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভার রানীগঞ্জ ব্লকের জিমারি গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) আসন বণ্টন নিয়ে গন্ডগোলের সূত্রপাত। শনিবার রাতে দলীয় প্রতীক দেওয়ার জন্য প্রার্থীদের ডাকা হয়েছিল। কিন্তু, আসন বণ্টন নিয়ে রানীগঞ্জ গ্রামীণ এলাকার তৃণমূল ব্লক সভাপতি দেবনারায়ণ দাসের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন রানীগঞ্জ গ্রামীণ অঞ্চলের আরেক তৃণমূল নেতা অর্জুন সিং। অর্জুন সিং এবং তাঁর অনুগামীরা যে আসন পেয়েছেন, তা তাঁদের ইচ্ছামতো হয়নি বলেই তাঁরা জেলা সভাপতির কাছে নালিশ জানাতে আসেন। আর তখনই দেবনারায়ণ দাসের সঙ্গে তাঁর প্রথমে বচসা হয় এবং দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি বেধে যায়। উত্তেজনা এতটাই ছড়ায় যে দলীয় অফিস থেকে বাইরে এসে রাহালেন মোড়ের মাথাতে দু পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি বাধে। খবর পেয়ে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে থাকা আসানসোল দক্ষিণ থানা থেকে পুলিশ ছুটে এসে দুপক্ষকে সরিয়ে দেয়। এই ঘটনায় আসানসোলের সংখ্যালঘু তৃণমূল সেলের নেতা শাহিদ পারভেজ আক্রান্ত হন।

    কী বললেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি?

    ঘটনার কথা স্বীকার করেছেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। তিনি বলেন, বহু দলীয় কর্মী টিকিট চান। কিন্তু, আসন সংখ্যা সীমাবদ্ধ। তাই সবাইকে টিকিট দেওয়া যায় না। ফলে কেউ অবস্থান করছেন, কেউ কান্নাকাটি করছেন। আমরা আমাদের দলের মধ্যে থেকে সবাইকে বোঝাবো। আমাদের বিশ্বাস, পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) আবার সবাই দলের হয়েই লড়াই করবে। দেওয়াল লিখন সম্পূর্ণ হয়ে গেলেই এই লড়াই থেমে যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: টাকার বিনিময়ে প্রার্থী করেছে মন্ত্রী, নির্দলে দাঁড়ালেন তৃণমূলের নেত্রী

    Panchayat Election: টাকার বিনিময়ে প্রার্থী করেছে মন্ত্রী, নির্দলে দাঁড়ালেন তৃণমূলের নেত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টাকার বিনিময়ে পঞ্চায়েতের (Panchayat Election) প্রার্থী পদে টিকিট বিলি করেছেন তৃণমূলের মন্ত্রী তথা মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরের বিধায়ক তাজমুল হোসেন। এমনটাই অভিযোগ করলেন শাসক দলের হরিশ্চন্দ্রপুর-২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভানেত্রী জুবেদা বিবি এবং তাঁর স্বামী ব্লকের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল হক। শুক্রবার রাতে সাংবাদিক বৈঠক করে এমনই গুরুতর অভিযোগ করলেন তাঁরা। এমনকী মন্ত্রীর ভাই সহ একাধিক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে টিকিট দেওয়ার নাম করে টাকা তোলার অভিযোগ করেছেন তাঁরা। পাশাপাশি তাঁরা জানিয়েছেন এ বছর নির্দল হিসেবেই পঞ্চায়েতে তাঁরা লড়াই করবেন। পঞ্চায়েত ভোটের আগে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তরফ থেকে এই অভিযোগ ওঠায় চরম অস্বস্তিতে পড়েছে শাসক দল।

    কী বললেন তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ নেতানেত্রীরা?

    সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির সভানেত্রী জুবেদা বিবি বলেন, লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে মন্ত্রী তাজমুল হোসেন এবং তাঁর ভাই জেলার সাধারণ সম্পাদক জম্বু রহমান সহ তাঁদের অনুগামীরা অযোগ্যদের প্রার্থী করেছে। আমি গত পাঁচ বছরের সভানেত্রী থাকাকালীন এলাকায় প্রচুর উন্নয়নের কাজ হয়েছে। তা সত্ত্বেও এবার আমাদের টিকিট দেওয়া হয়নি। তাই, আমাদের অঞ্চল থেকে  নির্দল হয়ে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। অন্যদিকে, জুবেদার স্বামী তথা ব্লকের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল হক বলেন, মন্ত্রী তাজমুল হোসেন তাঁর ভাই জম্বু রহমান সহ একাধিক নেতা পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election) প্রার্থী পদের জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা দাবি করেছেন প্রার্থীদের কাছ থেকে। ১০ থেকে ২০ লক্ষ টাকায় টিকিট বিক্রি হয়েছে। সমস্ত টাকা মন্ত্রীর পকেটে ঢুকেছে। আমরা টাকা দিতে পারিনি বলে আমাদেরকে প্রার্থী করা হয়নি। একটা সময় আমরা এলাকায় সক্রিয় তৃণমূল বলেই পরিচিত ছিলাম। এখন অযোগ্যদেরকে টাকার বিনিময়ে টিকিট দিচ্ছেন মন্ত্রী ও তাঁর অনুগামীরা। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ করছি।  

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    পঞ্চায়েত সমিতির সভানেত্রীর দাবি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন মন্ত্রী তজমুল হোসেন। তিনি পাল্টা বলেন, আশরাফুল কে এবং তাঁর কী পরিচয়? ওদের কথার কোনও ভিত্তি নেই। ওরা নির্দল হলেও পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) কোনও প্রভাব পড়বে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।                                                                                                                                                                  

  • TMC: তৃণমূলের জেলা কমিটিতে এবার ঠিকাদারদেরই রমরমা! বেজায় ক্ষুব্ধ নিচুতলার কর্মীরা

    TMC: তৃণমূলের জেলা কমিটিতে এবার ঠিকাদারদেরই রমরমা! বেজায় ক্ষুব্ধ নিচুতলার কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঠিকাদার-আবৃত তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) জেলা কমিটি। আর পঞ্চায়েত ভোটের আগে এই কমিটি আলিপুরদুয়ারের শাসকদলের অন্দরে এখন মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বছরখানেক আগে তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ধূপগুড়ির সভায় ঠিকাদারদের সম্পর্কে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন। অনেকেই শাসকদলের প্রভাব খাটিয়ে পঞ্চায়েত এলাকায় ঠিকাদারি চালাত বলে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছেও আলিপুরদুয়ার জেলা থেকে অভিযোগ গিয়েছিল। অভিষেক জেলায় এসে স্পষ্ট বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, ঠিকাদারি করলে দল করা যাবে না। ফলে, দলের নিচুতলার নেতাকর্মীরা অনেকেই আশায় ছিলেন, ঠিকাদারমুক্ত এবং স্বচ্ছ ভাবমূর্তির নেতাদেরকেই এবারে দলের জেলা কমিটিতে ঠাঁই দেওয়া হবে। আর বাস্তবে নতুন কমিটি দেখে কর্মীরা হতবাক। নিচুতলার কর্মীদের বক্তব্য, এই ঠিকাদারদের দলে নেওয়ার অর্থ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ অমান্য করা। এতে দলের ভাবমূর্তি খারাপ হবে। সাধারণ মানুষের কাছে আমাদের প্রশ্নের মুখে পড়তে হবে।

    জেলা কমিটিতে কতজন ঠিকাদার রয়েছে, জানেন?

    ১২৭ জনের জেলা কমিটিতে আলিপুরদুয়ার শহর এলাকারই প্রায় ১০ জনের মতো প্রতিষ্ঠিত ঠিকাদার ঠাঁই পেয়েছেন। এছাড়াও নামে-বেনামে ছোটখাট আরও কুড়িজন মতো ঠিকাদার রয়েছেন গ্রামাঞ্চলে, যাঁরা শাসকদলের প্রভাব খাটিয়ে নিজেদের ব্যবসাকেই মূলত ফুলেফেঁপে তুলেছেন। তৃণমূলের (TMC) জেলা কমিটিতে ভাইস প্রেসিডেন্ট থেকে জেলার সাধারণ সম্পাদক ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদ পেয়েছেন ঠিকাদাররা। আর জেলা কমিটিতে ঠিকাদারদের পদ দেখে নিচুতলার কর্মীদের মধ্যে একটা চাপা ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। পঞ্চায়েত ভোটের আগে ওই হতাশা শাসকদলকে আরও অনেকটাই বিপাকে ফেলতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। দলের ভাইস প্রেসিডেন্ট হয়েছেন চিন্ময় ভট্টাচার্য। তিনি পেশায় একজন প্রতিষ্ঠিত ঠিকাদার। চিন্ময়বাবু বলেন, নিজের পেশাকে অস্বীকার করতে পারি না। তবে, দল যে দায়িত্ব দিয়েছে, তা নিষ্ঠার সঙ্গেই পালন করব।

    জেলা কমিটিতে ঠিকাদার থাকা নিয়ে কী বললেন তৃণমূলের (TMC) জেলা সভাপতি?

    তৃণমূলের (TMC) আলিপুরদুয়ারের জেলা সভাপতি প্রকাশ চিকবরাইক বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। তিনি বলেন, বিভিন্ন পেশার মানুষ দলের জেলা কমিটিতে রয়েছেন। এনিয়ে কোথাও কোনও বিরোধ নেই। প্রশ্ন হচ্ছে, দলের যুবরাজ ঠিকাদারদের দলে না নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে গিয়েছিলেন, জেলা নেতৃত্ব সে কথা কি বেমালুম ভুলে গিয়েছেন।

    এই প্রসঙ্গে কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির বিধায়ক মনোজ টিগ্গা কটাক্ষ করে বলেছেন, তৃণমূল (TMC) দলটাই তো এখন ঠিকাদারদের দ্বারা পরিচালিত। তারাই লুটেপুটে খাবে, সাধারণ মানুষের কোনও লাভ হবে না। এই নতুন কমিটি তার জ্বলন্ত প্রমাণ। সাধারণ মানুষের জন্য এই দল আর কাজ করবে না। এটা ব্যবসাদার, ঠিকাদারদের পার্টিতে পরিণত হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Barrackpore: উলট পুরাণ, তৃণমূলের ডাকাবুকো নেতারাও খুন হওয়ার আশঙ্কায় কমিশনারেটের দ্বারস্থ!

    Barrackpore: উলট পুরাণ, তৃণমূলের ডাকাবুকো নেতারাও খুন হওয়ার আশঙ্কায় কমিশনারেটের দ্বারস্থ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এলাকার সাধারণ মানুষকে যাদের রক্ষা করার কথা, ভাটপাড়া এলাকার তৃণমূলের সেই ডাকাবুকো জনপ্রতিনিধিরা চরম আতঙ্কে ভুগছেন। প্রকাশ্যে পোস্টার গলায় ঝুলিয়ে বারাকপুর পুলিশ কমিশনারের কাছে তাঁরা নিজেদের উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। মূলত দলেরই অন্য গোষ্ঠীর (সাংসদ অর্জুন সিংয়ের অনুগামী) দিকে তাঁরা আঙুল তুলেছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। বারাকপুরের (Barrackpore) পুলিশ কমিশনার অলোক রাজোরিয়া বলেন, ‘কয়েকজন এসে স্মারকলিপি দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ শুনেছি। সব কিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে’।

    নতুন করে অশান্তির আশঙ্কা তৃণমূল নেতা-কর্মীদের (Barrackpore)

    পাশাপাশি জগদ্দল, ভাটপাড়া অঞ্চলে নতুন করে অশান্তি পাকানোর অভিযোগ তুলে সোমবার বিকেলে বারাকপুর (Barrackpore) পুলিশ কমিশনারের অফিসের সামনে গলায় ফেস্টুন ঝুলিয়ে মৌন প্রতিবাদ জানালেন জগদ্দল বিধানসভা অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিরা। সেখানে জগদ্দলের তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদব খুনে মাস্টারমাইন্ডকে অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়। ওই দলে ছিলেন নিহত তৃণমূল কর্মী ভিকি যাদবের মা নীলম দেবীও। গত কয়েক মাসে জগদ্দল, ভাটপাড়া অঞ্চলে খুন এবং আক্রান্তদের ছবি সহযোগে গলায় ফেস্টুন ঝুলিয়ে বিক্ষোভকারীরা প্রশ্ন তোলেন, এবার টার্গেট কি আমি? বিক্ষোভকারীদের তরফে ছয় জনের একটি প্রতিনিধিদল পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে একটি স্মারকলিপিও জমা দেন। যেখানে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায়, সেখানে শাসক দলেরই লোকজন অশান্তির আশঙ্কায় পুলিশ কমিশনারের অফিসে বিক্ষোভ প্রদর্শনের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    বিক্ষোভকারী জনপ্রতিনিধি কী বললেন?

    বিক্ষোভকারীদের দলে ছিলেন জগদ্দল বিধানসভার অধীন ভাটপাড়া পুরসভার ১৮ জন কাউন্সিলার, চারটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৯৮ জন সদস্য, দুজন জেলা পরিষদ সদস্য এবং সাত জন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য সহ ওই এলাকার তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। ওই প্রতিনিধি দলের সদস্য তথা ভাটপাড়া পুরসভার কাউন্সিলার বিপ্লব মালো বলেন, ২০১৯ সাল পরবর্তী সময়ে যেভাবে বিজেপির বাহিনী (সেই সময় অর্জুন সিং বিজেপিতে ছিলেন) ভাটপাড়া, জগদ্দল জুড়ে অশান্তি পাকিয়েছিল, একই ভাবে গত ছয়-আট মাস ধরে নতুন করে অশান্তি পাকিয়ে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। সম্ভাব্য কিছু জায়গার নাম আমরা পুলিশ কমিশনারকে দিয়েছি, যেখান থেকে দুস্কৃতীরা বেরিয়ে অশান্তি পাকাচ্ছে। পুলিশ কমিশনার আশ্বাস দিয়েছেন যারা জড়িত তাদের সকলকেই ধরা হবে’।

    তৃণমূল বিধায়ক কী বললেন?

    জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম বলেন, ‘দলের কর্মীরা আতঙ্কিত। তাই তাঁরা পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন। আমি এতে অন্যায়ের কিছু দেখছি না। আশা করি মেঘনা জুটমিল লাইন সহ যে যে এলাকা থেকে অশান্তি পাকানো হচ্ছে, পুলিশ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে’।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share