Tag: Trinamool

Trinamool

  • BJP: সবংয়ের বিজেপি সমর্থিত নির্দল প্রার্থীর স্বামীকে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: সবংয়ের বিজেপি সমর্থিত নির্দল প্রার্থীর স্বামীকে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের একদিন আগে উত্তপ্ত হয়ে উঠল পশ্চিম মেদিনীপুরের সবং। বিজেপি (BJP) সমর্থিত নির্দল প্রার্থী সোনালী সিং ঘোড়াইয়ের স্বামী অরুণ ঘোড়াইকে মেরে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার রাত প্রায় এগারোটা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সবং থানার ১২ নম্বর বুড়াল অঞ্চলের কেরুর এলাকায়। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    বৃহস্পতিবার কোলাঘাট থেকে বিজেপি সমর্থিত (BJP) নির্দল প্রার্থী সোনালী সিং ঘোড়াইয়ের স্বামী অরুণ ঘোড়াই গাড়ি নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে কেরুর এলাকায় তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি তপন হাজরার নেতৃত্বে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁর পথ আটকায়। হাতে বোমা,বন্দুক,লাঠি,রড,নিয়ে তাঁরা দাঁড়িয়েছিলেন। প্রথমে বচসা হয়। পরে, তাঁকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করা হয় এবং তাঁর হাত-পা ভেঙে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পরবর্তীতে এই ঘটনার খবর পেয়ে গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে সবং গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় সবং থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। ইতিমধ্যে এলাকা থমথম রয়েছে। এই ঘটনায় সবং থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    কী বললেন আক্রান্ত নির্দল প্রার্থীর স্বামী?

    বিজেপি সমর্থিত নির্দল প্রার্থী সোনালীদেবী বলেন, আমি বিজেপি (BJP) সমর্থিত নির্দল প্রার্থী হয়েছি। আমার স্বামী খুবই পরিশ্রম করছেন। তাতে তৃণমূল আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। তাই, আমার স্বামীর উপর ওরা হামলা চালিয়েছে। স্বামীকে প্রাণ নাশের চেষ্টা করেছে তৃণমূল। থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আমরা চাই, যে বা যারা এই হামলা চালিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানাচ্ছি।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি তপন হাজরা বলেন, আমাদের কোনও সমর্থক মেরেছে  বলে আমার জানা নেই। এই অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে মিথ্যে। এসব অভিযোগ করে কোনও লাভ হবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: শান্তিপুরে বিজেপি প্রার্থীর বাড়িতে পাঠানো হল সাদা থান কাপড়, অভিযুক্ত তৃণমূল

    BJP: শান্তিপুরে বিজেপি প্রার্থীর বাড়িতে পাঠানো হল সাদা থান কাপড়, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বামফ্রন্টের আমলে বিরোধী দলের প্রার্থীদের বাড়িতে সাদা থানা পাঠানো হত। গোঘাট, গড়বেতা, কেশপুরে এই ধরনের ঘটনা ঘটত। এবার সেই একই কায়দায় বিজেপি (BJP) মণ্ডল সভাপতি তথা পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী চঞ্চল চক্রবর্তীর বাড়িতে পাঠানো হল সাদা থান কাপড়। সঙ্গে রয়েছে গীতা মিষ্টি এবং ধূপকাঠি। প্রার্থীর অভিযোগ তার পরিবারকে আতঙ্কিত করতেই শাসকদল তৃণমূল এই ঘটনা ঘটিয়েছে। নির্বাচনের আগের দিন এই ঘটনা ঘিরে রীতিমতো চাঞ্চল্য এলাকায়। ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার শান্তিপুর থানার ফুলিয়া এলাকায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এই ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে শান্তিপুর থানার পুলিশ।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    রাত পোহালেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। এবারের নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই গোটা রাজ্য জুড়ে বিরোধীরা বিভিন্ন সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগ তুলেছে রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে। কোথাও বিরোধীদের প্রার্থীকে মারধর, বাড়ি ভাঙচুর, আবার কোথাও অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব করার অভিযোগ তুলেছে বিরোধী শিবির। ঠিক সেই রকমই শান্তিপুরের ২৮ নম্বর সমিতির বিজেপি (BJP) প্রার্থী চঞ্চল চক্রবর্তীর বাড়ির সামনে সাদা কাপড়ের থান, মিষ্টি, গীতা এবং তুলসি পাতা ফেলে যাওয়াই নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) প্রার্থী?

    বিজেপি (BJP) প্রার্থী চঞ্চল চক্রবর্তীর বক্তব্য, শাসক দল বোঝাতে চাইছে আমি খুন হয়ে যেতে পারি। এর আগেও আমাকে একাধিকবার বিভিন্ন হুমকি দেখানো হয়েছে। কিন্তু, আমি ছাত্র জীবন থেকে রাজনীতি করি। আমি এইসব হুমকিতে ভয় পাই না। তবে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবে পরিবার কিছুটা হলেও আতঙ্কিত রয়েছে। এই ঘটনার পিছনে পুরোপুরি শাসক দল জড়িত। বিজেপি প্রার্থী মা মীরা চক্রবর্তী বলেন, সকালে কয়েকজন এলাকারই মহিলা চিৎকার চেঁচামেচি করে আমাকে ডাকতে থাকে। আমি গেটের বাইরে গিয়ে দেখি ওইসব জিনিসপত্র পড়ে রয়েছে। যেহেতু আমার ছেলে বিজেপি করে। এবার ও ভোটে দাঁড়িয়েছে, সেই কারণেই এই ঘটনা ঘটিয়েছে তৃণমূল।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এই ঘটনার পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের প়ঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল প্রার্থী উৎপল বসাক। তিনি বলেন, তৃণমূল কখনও এই শিক্ষা লাভ করেনি। আমরা কোনও গণ্ডগোল কিংবা ঝামেলায় বিশ্বাসী নই। এই এলাকায় বিজেপি (BJP) একটা ভোটও পাবে না, সেটা বুঝেই নিজেরাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে।। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনো সম্পর্ক নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘রাজ্যের পুলিশ তৃণমূলের পার্টি ক্যাডারের থেকেও অধম’’! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘‘রাজ্যের পুলিশ তৃণমূলের পার্টি ক্যাডারের থেকেও অধম’’! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের পুলিশ তৃণমূলের পার্টি ক্যাডারের থেকেও অধম। বৃহস্পতিবার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ঝাড়গ্রামের সাঁকরাইলে দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এই মন্তব্য করেন। এদিন তিনি জেলা পরিষদের ১১ নম্বর আসনের বিজেপি প্রার্থী শুভঙ্কর মাহাতোর পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন।এই ক্যান্সার আক্রান্ত শুভঙ্করবাবুকে দুদিন আগে থানার ওসি মারধর করেন। আক্রান্ত পরিবারের পাশে থাকার তিনি বার্তা দেন।

    দলীয় প্রার্থীকে হামলা প্রসঙ্গে কী বললেন শুভেন্দু(Suvendu Adhikari)?

    আক্রান্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার পর শুভেন্দু বলেন, বিষয়টি খুবই নিন্দনীয়। দেশ জুড়ে নিন্দার ঝড় বইছে। দলীয় প্রার্থী দুরারোগ্য ক্যান্সার রোগী। এই ওসি যেভাবে একজন জেলা পরিষদের প্রার্থীকে আক্রমণ করেছে, তাতে প্রমাণিত হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পুলিশ নিরপেক্ষ নয়। তারা পার্টির ক্যাডারের থেকেও অধম। শুভঙ্কর মাহাতোকে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিতে এখানে চাপ দেওয়া হয়েছিল। সাঁকরাইল ব্লকের ২০১৮ সালে বিজেপি পঞ্চায়েত সমিতি এবং অধিকাংশ গ্রাম পঞ্চায়েত দখল করেছিল। এখানে বিজেপির জনসমর্থন অনেক বেশি। কিন্তু, এই একজন দলদাস ওসিকে দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর ভাইপো যে গুন্ডামি করাচ্ছে,  সেটা এখানে আমরা দেখেছি। এই তোলামূলের ওসি, মমতা পুলিশ দুটো মিথ্যে মামলা করেছে। আমি জেলা সভাপতিকে দায়িত্ব দিয়ে যাচ্ছি মামলার কপিগুলো তুলবে এবং বিজেপি প্রার্থীর স্ত্রী হাইকোর্টে রিট পিটিশন করবে। মমতা পুলিশের বিরুদ্ধে যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেওয়া হবে। শুভঙ্কর মাহাতো একজন কুড়মি সমাজের মানুষ। তার উপর পুলিশের এই হামলা চালানোর ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। অভিযুক্ত ওসিকে শুধু সাসপেন্ড নয় যাতে গ্রেফতার করা হয় তারজন্য যা যা  করা দরকার তা করা হবে।

    জঙ্গলমহলে পুলিশি অত্যাচার নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু?

    তপসিয়ায় শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, পুলিশ দিয়ে অত্যাচার করছে। মিথ্যা মামলা করছে। এভাবে জঙ্গলমহলকে দমিয়ে রাখা যায় না। জঙ্গলমহল প্রতিবাদী মানুষের জায়গা।  জঙ্গলমহলে যত অত্যাচার হবে তত প্রতিরোধ হবে। নয়াগ্রামে বিজেপির সভায় শুভেন্দু অধিকারি বলেন,‘সিপিএমের তিনতলা পাকা বাড়ি। তার সঙ্গে কম্পিটেশন করে চোর তৃণমূলও তিনতলা পার্টি অফিস বানিয়েছে। ছাদ থেকে পতাকা নাড়াচ্ছেন। নয়াগ্রামের আইসি দাঁড়িয়েছেন। পুলিশের আসকারায় এসব হচ্ছে। জঙ্গলমহলে পুলিশিরাজ চলবে না।’

    মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু ?

    মাওবাদী তকমা দিয়ে সাধারণ মানুষের উপর পুলিশি অত্যাচারের বামফ্রন্টের আমলের সেই দিন ফিরিয়ে আনতে চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কারণ, তাঁর সঙ্গে মানুষ নেই। কর্মসংস্থান দিতে পারেননি। মানুষের পেটে ভাত, হাতে কাজ দিতে পারেননি। ৫০০ টাকা দিয়ে কারো সংসার চলে না। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে এর থেকে অনেক বেশি মহিলারা টাকা পান। সেই জায়গায় ভোটের জেতার জন্য অত্যাচার একমাত্র রাস্তা। একটা পানীয় জলের কাছে আড়াইশো মহিলা বালতি নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন। জল দিতে পারেনি, গ্রাম দখল করা ছাড়া বিকল্প কিছু নেই। জঙ্গলমহলের ছেলেরা ওড়িশা এবং ঝাড়খন্ডে গিয়ে  কাজ করে। মুখ্যমন্ত্রী কাজ দিতে পারেনি। জঙ্গলমহলের কোনও বাড়িতে পুরুষ মানুষ থাকে না। পুরো পঞ্চায়েত চুরি করেছে। শৌচালয়ের টাকা মেরেছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার এত হকদার একটাও প্রকৃত লোক পায়নি।

    পঞ্চায়েতে  ক্ষমতায় আসলে বিজেপির পদক্ষেপ নিয়ে কী বললেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)?

    বিরোধী দলনেতা বলেন, জঙ্গলমহলে আমাদের পঞ্চায়েত সদস্যদের জয়ী করুন। মানুষের পঞ্চায়েত হবে। গ্রাম সংসদের সভায় বসে উপভোক্তা কারা হবেন তা ঠিক করা হবে। সে যদি তৃণমূল, সিপিএমের লোক পাওয়ার যোগ্য হয়, তবে তিনিও পাবেন। পঞ্চায়েতে কোনও রাজনীতি হবে না। আমরা সেটা নিশ্চিত করব। গতবারে মানুষ বিজেপিকে ভোট দিয়েছিল। এসপিকে দিয়ে ফলাফল বদলে দেওয়া হয়েছে। ভাঙা গড়ার খেলা করে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: লোকসভা, বিধানসভার পর এবার লক্ষ্য জেলা পরিষদ দখল, আলিপুরদুয়ারে ঝাঁপাল বিজেপি

    BJP: লোকসভা, বিধানসভার পর এবার লক্ষ্য জেলা পরিষদ দখল, আলিপুরদুয়ারে ঝাঁপাল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত লোকসভা এবং বিধানসভার পর গেরুয়া শিবিরের কাছে এবার পাখির চোখ আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদ। আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের ১৮ টি আসনের মধ্যে সবকটিতেই এবার প্রার্থী দিয়েছে বিজেপি (BJP)। ২০১৮ সালে একটিমাত্র আসনে জয়ী হয়েছিল বিজেপি প্রার্থী। তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে ছিল ১৭ টি আসন। যদিও গেরুয়া শিবিরের নেতাদের অভিযোগ, ২০১৮ সালে ভোট  লুট হয়েছে, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া থেকে ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা দেওয়া হয়েছে।

    কী বললেন বিজেপির (BJP) জেলা সভাপতি?

    বিজেপির (BJP) শক্ত ঘাঁটি আলিপুরদুয়ার জেলায় গত লোকসভা ভোটে বিজেপির সাংসদ জন বারলা জয়ী হয়ে পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হয়েছেন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জেলার পাঁচটি বিধানসভা আসনের সবকটিতে জয়ী হন বিজেপির প্রার্থীরা। জেলার বিধায়ক সব বিজেপির দখলে থাকলেও জেলার উন্নয়নের কাজে রাজ্য থেকে প্রশাসনের বিরুদ্ধে বারবার অসহযোগিতার অভিযোগ করেছেন বিজেপির সাংসদ ও বিধায়করা। গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে জেলা পরিষদ ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের মাধ্যমেই সরাসরি মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ থাকায়, এবারে গেরুয়া শিবির জেলা পরিষদকে টার্গেট করে ময়দানে নেমেছে। জেলা পরিষদ দখল হলেই অধিকাংশ গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি দখলে আসবে। বিজেপির এক বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল শাসক দলে নাম লেখালেও তাঁর সঙ্গে দলের কোনও অনুগামী, এমনকী কার্যকর্তারাও কেউ দল ছাড়েননি। বিজেপির জেলা সভাপতি ভূষণ মোদক বলেন, এবারে মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারলে আলিপুরদুয়ার জেলা পরিষদের সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়ী হবেন বিজেপি প্রার্থীরা। তাঁরাই বোর্ড গঠন করবেন।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    লোকসভা ও বিধানসভা ভোটেও পরপর ধাক্কা খেয়ে শাসকদল  ঘুরে দাঁড়াতে ভোট ময়দানে ঝাঁপিয়েছে। আলিপুরদুয়ারে নিচু তলার বিজেপির (BJP) কর্মী-সমর্থক থেকে সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও বিজেপির প্রতি ঝোঁক একটা রয়ে গিয়েছে। ফলে, শাসক দলের উন্নয়নকে হাতিয়ার করে যতই প্রচার চালাক না কেন, শেষ পর্যন্ত মানুষের ভোট কার বাক্সে যায়, সে দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল। তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি প্রকাশ চিক বরাইক বলেন, বিজেপির সাংসদ-বিধায়কদের কার্যকলাপ দেখে বিরক্ত জেলার মানুষ। তাই ভোটে ওদেরকে মোক্ষম জবাব দেবেন ভোটাররা। জেলা পরিষদ তৃণমূলেরই দখল থাকবে।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: পঞ্চায়েতকে ঘিরে কংগ্রেস-তৃণমূলের সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল রানিনগর

    Murshidabad: পঞ্চায়েতকে ঘিরে কংগ্রেস-তৃণমূলের সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল রানিনগর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের রানিনগর থানার চাকরানপাড়ায় পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কংগ্রেস-তৃণমূল সংঘর্ষে উত্তপ্ত এলাকা। কংগ্রেস ও তৃণমূল উভয় পক্ষই উভয় পক্ষের বিরুদ্ধে বোমা ছুড়ে হামলার অভিযোগ তুলেছে। অভিযোগ পাল্টা অভিযোগে অগ্নিগর্ভ এলাকা।

    কী ঘটেছে

    পঞ্চায়েত সমিতির কংগ্রেস প্রার্থী রোজিনা বিবির বাড়িতে বোমা হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রীত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি কংগ্রেস প্রার্থী রোজিনা বিবির আত্মীয়দের বেশ কয়েকটি বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগও উঠেছে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চাকরানপাড়া এলাকায় বৃহস্পতিবার রাতে হঠাৎই একের পর এক বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। সেই সঙ্গে ইট, পাটকেল ছোঁড়ার অভিযোগ উঠেছে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। তার পাশাপাশি বাড়ি-ঘর ভাংচুর, লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে। হামলার সময় আতঙ্কিত হয়ে কংগ্রেস প্রার্থী তাঁর স্বামীকে নিয়ে ভয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান বলে জানা গেছে। অপর দিকে তৃণমূলের এক নেতার বাড়িতে কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বোমা মারার অভিযোগ উঠেছে।

    কংগ্রেস প্রার্থীর এবং তৃণমূলের বক্তব্য (Murshidabad) 

    বিরোধী দল করার জন্য শাসক দল দুষ্কৃতীদের দিয়ে এমন হামলা করছে বলে দাবি করেন কংগ্রেস প্রার্থী রোজিনা বিবি। এলাকায় যাতে ভোটের প্রচার না করা হয়, তাই বাড়িতে বোমা মারা হয় বলে অভিযোগ করেন কংগ্রেস প্রার্থী। আবার তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী মহিউদ্দিন সেখের বাড়িতে (Murshidabad) দলীয় সভা চলছিল, সেই সময় কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বোমা ছুড়ে হামলা চালায় বলে অভিযোগ শাসক দলের। তৃণমূল কর্মীর বাড়ি লক্ষ্য করেও বেশ কয়েকটি বোমা ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থল থেকে যাদের বোমা মেরে পালাতে দেখা যায়, তাদের মধ্যে আছে আনারুল, ছাত্তার, ইব্রাহিম, মইদুল আরও অনেকে। তৃণমূলের অভিযোগ, এই ব্যাক্তিরা প্রথমে তৃণমূল করত কিন্তু বর্তমানে কংগ্রেস এবং সিপিএম করে। এদের প্রত্যেকের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে।  

    প্রশাসনের ভূমিকা

    সংঘর্ষের ঘটনার পর এলাকায় পৌঁছায় রানিনগর (Murshidabad) থানার পুলিশ প্রশাসন। পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রশাসন জানিয়েছে, দোষীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বিরোধীদের ভয় দেখাতে এমন সন্ত্রাস বলে দাবি কংগ্রেস নেতৃত্বের। এই পরিস্থিতিতে চূড়ান্ত নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও দাবি করেছেন এলাকার মানুষ ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Attack: পঞ্চায়েতে প্রার্থী বাছাইয়ের বৈঠকের পরই হামলা! গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু দুজনের, জখম একাধিক কর্মী, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে, কোথায় জানেন?

    Attack: পঞ্চায়েতে প্রার্থী বাছাইয়ের বৈঠকের পরই হামলা! গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু দুজনের, জখম একাধিক কর্মী, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী বাছাইকে কেন্দ্র করে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে উত্তাল হয়ে উঠল চোপড়া। প্রার্থী বাছাইয়ের বৈঠকের পর প্রকাশ্যে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। আর এই ঘটনায় তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে আসে। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটে উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া থানার চুটিয়াখোর গ্রাম পঞ্চায়েতের দিঘাবানা এলাকায়। দলীয় কর্মীদের হামলায় (Attack) গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হল দুজন তৃণমূল কর্মীর। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম ফয়জুল রহমান (৫৪) এবং হাসু মহম্মদ (৪৫)। ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফয়জুলের মৃত্যু হয়। হাসু মহম্মদকে হাসপাতাল নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যু হয়। এছাড়া বেশ কয়েকজন জখম হন। তাঁদের দলুয়া ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় চোপড়া থানার বিশাল পুলিশবাহিনী।

    প্রার্থী বাছাইয়ের বৈঠকের পর কেন গুলি চলল? Attack

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে কে প্রার্থী হবে তা নিয়ে এদিন দিঘাবানা এলাকায় বৈঠক ছিল। সেই বৈঠকে কে এবার প্রার্থী হবে তা নিয়ে চর্চা শুরু হয়। প্রার্থী ঠিক করার জন্য কোর কমিটির সদস্যরা আসেন। বহু আলোচনার পর দুজনের নাম ঠিক হয়। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য নাসিরের এক অনুগামীকে প্রার্থী হিসেবে ঠিক করা হয়। আর শামসুল রহমান নামে অন্য এক তৃণমূল কর্মীর নাম ঠিক হয়। মৃত তৃণমূল কর্মী ফয়জুলের ভাই শামসুল। কিন্তু, বৈঠকের এই সিদ্ধান্ত নাসির ও তাঁর অনুগামীদের পছন্দ হয়নি। বৈঠক শেষ হওয়ার পর সকলেই বেরিয়ে আসেন। শামসুলের অনুগামীরা উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন। যেটা নাসির ও তাঁর অনুগামীরা সহ্য করতে পারেনি। মৃত তৃণমূল কর্মীর ভাই মহম্মদ আব্বাস বলেন, নাসিররা একজনের নাম পাঠাতে চেয়েছিল। কিন্তু, বৈঠকে কোর কমিটির নেতারা দুটি নাম নিয়ে যান। সেটা নাসির ও তার দলবলের পছন্দ হয়নি। বৈঠক শেষে সকলেই বাড়ি ফিরছিলাম। সবাই আনন্দে ছিলাম। আচমকা রাস্তায় উঠতেই নাসির ও তার লোকজন হামলা (Attack)  চালায়। আমাদের লক্ষ্য করে এলোপাথারি গুলি চালানো শুরু করে। সূত্রের খবর, বুথ কমিটির বৈঠকে পঞ্চায়েতের প্রার্থী নিয়ে দুই শিবিরের বচসা হয়। তখনকার মতো মিটেও যায়। কিন্তু, বাড়ি ফেরার সময় বাইরের কিছু দুষ্কৃতী এসে ফয়জুল ও হাসু মহম্মদকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। সেখানেই দুজনেই রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন। গুলি লাগে আরও কয়েকজনের। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, এগুলি সবই ছড়রা গুলি।

    কী বললেন মৃত তৃণমূল কর্মীর ছেলে? Attack

    মৃত তৃণমূল কর্মীর ছেলে কাদের রহমান বলেন, বুথের মিটিং দেখতে এসেছিল বাবা। এবার পঞ্চায়েতে যে প্রার্থী হবে তার দিকে বাবার সমর্থন রয়েছে। এটাই অপরাধ। এরজন্যই বাবাকে ওরা প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে দিল। আরও অনেকের গুলি লেগেছে। বাবা মাটিতে পড়ে যেতেই আমরা ছুটে যাই। রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করি। সেখানেই বাবার মৃত্যু হয়। যাদের গুলিতে আমার বাবার প্রাণ গেল, তারা সবাই তৃণমূলের অন্য গোষ্ঠীর মদতপুষ্ট। এলাকায় তৃণমূল এখন দুটি শিবিরে ভাগ হয়ে গিয়েছে।

    কী বললেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি? Attack

    গোষ্ঠীকোন্দলকে কেন্দ্র করে শাসক দলের মুখ পুড়েছে। দলের একাংশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মৃত পরিবারের লোকজন। এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূলের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল বলেন, ঘটনার খবর পেয়েছি। কি কারণে এই ঘটনা ঘটেছে তা এখনও জানা যায়নি। গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    বিজেপির সহ সভাপতির কী বক্তব্য? Attack

    বিজেপির সহ সভাপতি সুরজিত্ সেন বলেন, প্রার্থী নিয়ে নিজেদের মধ্যে মারামারি করছে। দলীয় কর্মী খুন হয়ে যাচ্ছে। পঞ্চায়েত ভোট আসার আগে এই ধরনের ঘটনা আরও ঘটবে। আর পঞ্চায়েত ভোট কতটা শান্তিপূর্ণ হবে তা বোঝাই যাচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cattle Smuggling: তৃণমূলের পতাকাই কি গরু পাচারের পাসপোর্ট?

    Cattle Smuggling: তৃণমূলের পতাকাই কি গরু পাচারের পাসপোর্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনে শাসক দলের প্রতীক থাকলে যেন সাত খুন মাফ। রাস্তায় পুলিশও গায়ে হাত দেওয়ার সাহস দেখাবে না। রাজ্যে ঘাসফুল পতাকার মাহাত্ম্যই আলাদা। আর এই পতাকা ব্যবহার করেই দেদার অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে অনেকেই। এমনই অভিযোগ বিরোধীদের। তবে, বিরোধীদের আনা সেই অভিযোগ এবার সত্যি প্রমাণিত হয়েছে। এই যেমন সোদপুর ট্রাফিক মোড়ে চারচাকা গাড়িতে করে গরু নিয়ে যাওয়ার (Cattle Smuggling) জন্যই তৃণমূলের প্রতীক ব্যবহার করা হয়েছে। গাড়িতে করে একটি মাত্র গরু নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। পাচার না অন্য কোথাও নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তা ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের কর্তারা খতিয়ে দেখছেন। কিন্তু, বিরোধীদের প্রশ্ন, মাত্র একটি গরু চারচাকা গাড়ি করে নিয়ে যেতেও কী শাসক দলের প্রতীক ব্যবহার করতে হবে। পাচারকারীরা কী ধরেই নিয়েছে এই পতাকা থাকলে সাত খুন মাফ। এসব পাচার করতে রাস্তায় কোনও ঝক্কি পোহাতে হবে না। কিন্তু, শেষ রক্ষা হল না

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Cattle Smuggling)

    জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে একটি দুধ সাদা গাড়ি সোদপুর ট্রাফিক মোড় ধরে যাচ্ছিল। গাড়ির পিছনের দিকে কালো কাচ তোলা ছিল। সামনের দিকে তৃণমূলের পতাকা গাড়ির উইন্ডস্ক্রিনের নিচে রাখা ছিল। ফলে, বাইরে থেকে দেখলে মনে হতেই পারে একজন শাসক দলের কোনও হোমড়াচোমরা গাড়ির মধ্যে রয়েছেন। ফলে, গাড়ি আটকানোর ক্ষমতা কারও নেই। এই ভেবেই চালক গাড়ি চালাচ্ছিলেন। কিন্তু, গাড়ির চালচলন দেখেই সোদপুর ট্রাফিক গার্ডের কর্মীদের সন্দেহ হয়। তাঁরা গাড়িটিকে আটকানোর চেষ্টা করেন। তৃণমূলের পতাকা ব্যবহার করে রক্ষা হচ্ছে না দেখে অগত্যা চালক গাড়ির গতি বাড়িয়ে দেন। কিন্তু, জনবহুল বিটি রোডে বেশি দূর গাড়ি যেতে পারেনি। পুলিশের তাড়া খেয়ে রাস্তার ডিভাইডারে গিয়ে ধাক্কা মারে। পুলিশ গিয়ে সঙ্গে সঙ্গে দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িটিকে ধরে ফেলে। যদিও ততক্ষণে গাড়ির মধ্যে থাকা চালক এবং খালাসি বা পাচারকারি গাড়ি ফেলে রেখে পগার পার। আর গাড়ি খুলতেই পুলিশের চক্ষু চড়কগাছ। চারচাকা গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল গরু (Cattle Smuggling)। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, গরুটিকে পাচার করার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তবে, গাড়ি করে গরুটিকে কোথায় থেকে নিয়ে এসে কোথায় পাচার করা হচ্ছিল তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    এই নিয়ে কী বলছেন তৃণমূল নেতা। খড়দহ যুব তৃণমূলের সভাপতি দিব্যেন্দু চৌধুরী বলেন, একটি গরু চার চাকা গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের দলের পতাকা ব্যবহার করা হয়েছে। এটা পরিকল্পিতভাবেই করা হয়েছে। আসলে আমাদের দলকে কালিমালিপ্ত করার জন্যই এসব করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে। আমরা চাই, ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটন হোক।

    আর বিজেপি নেতৃত্ব এই ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছেন। এই বিষয়ে বিজেপি নেতা কিশোর কর বলেন, গরু পাচার (Cattle Smuggling), বালি পাচার সব কিছুই তৃণমূলের মদতেই ঘটছে। পাচারকারীরাও নিজেদের শাসক দলের কর্মী ভাবছেন। আমরা বার বার অভিযোগ করে এসেছি। এবার সেটাই প্রমাণিত হল। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি। আর এই ঘটনার সঙ্গে যে বা যারা জড়িত রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Tapan Dutta Murder: তপন দত্ত হত্যা মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ বহাল রাখল হাইকোর্ট

    Tapan Dutta Murder: তপন দত্ত হত্যা মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ বহাল রাখল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালতে বড় ধাক্কা খেল তৃণমূল সরকার। পরিবেশ কর্মী তপন দত্ত হত্যা মামলায় (Tapan Dutta Murder Case) সিবিআই তদন্তের (CBI Probe) নির্দেশ বহাল। সিঙ্গল বেঞ্চের রায় বহাল রাখল কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। এই মামলা নিম্ন আদালত, কলকাতা হাই কোর্ট এমনকি, সুপ্রিম কোর্টেও উঠেছে। কিন্তু এখনও সুবিচার পাননি নিহত তপনের স্ত্রী প্রতিমা দত্ত। গত ৯ জুন তপন দত্ত খুনের মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে গিয়েছিল রাজ্য সরকার এবং অন্যতম অভিযুক্ত ষষ্ঠী গায়েন। কিন্তু সেই আবেদন শুক্রবার খারিজ করে দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ।  

    আরও পড়ুন: পিএফআইকে সাড়ে ৫ কোটি টাকা জরিমানার নির্দেশ কেরল হাইকোর্টের

    ২০১১ সালের ৬ মে গুলিতে প্রাণ হারান। এই ঘটনায় তৃণমূলের ১৩ জন স্থানীয় তৃণমূল নেতার নাম জড়ায়। তারপর থেকেই অস্বস্তিতে তৃণমূল সরকার। এক দশক কেটে গেলেও এই ঘটনায় কোনও সুবিচার হয়নি। অভিযুক্তরা আজও শাস্তি পায়নি। এতদিন এই তদন্তের ভার ছিল সিআইডির ওপর। রাজ্য সরকারের এই গোয়েন্দা সংস্থা তদন্তের পর জানায়, জলাজমি ভরাটের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিলেন বলেই তপনবাবুকে খুন হতে হয়েছে। ২০১১ সালের ৩০ অগাস্ট সিআইডি মামলার চার্জশিট পেশ করে। চার্জশিটে হাওড়ার একাধিক তৃণমূল নেতার নাম ছিল।

    আরও পড়ুন: কেন্দ্রের টাকা নয়ছয়, শুভেন্দুর চিঠি নির্মলাকে, আরটিআই পত্রবোমা রাজ্যকেও

    শুরুতে তপন দত্ত খুনের মামলায় রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৎকালীন তৃণমূলের জেলা সভাপতি  অরূপ রায় সহ ১৩ জনের নামে অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। কিন্তু পরে ওই মামলার চার্জশিট থেকে ৮ জনের নাম বাদ দিয়েছিল সিআইডি। এরপরই আদালতের দ্বারস্থ হন তপন দত্তের স্ত্রী প্রতিমা দত্ত।  

    সিঙ্গল বেঞ্চে এই মামলা চলাকালীন বিচারপতি প্রশ্ন তুলেছিলেন, সিআইডি তদন্তে কেন আটজনের নাম বাদ দেওয়া হল? মামলাকারীর সিআইডি তদন্তের প্রতি অনাস্থা অনেকাংশেই যুক্তিসঙ্গত মনে হয়েছিল আদালতের। তাই  সিঙ্গল বেঞ্চের তরফে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।  

    এরপর ওই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত ষষ্ঠী গায়েন ও রাজ্য সরকার সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়। তবে তাতেও বড় ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। সিবিআই  তদন্তের নির্দেশই বহাল রাখল ডিভিশন বেঞ্চ। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

     

     

  • Suvendu Slams Mamata: “বৃথা চেষ্টা, একটা বিগ জিরো…”, মমতার দিল্লি সফরকে কটাক্ষ শুভেন্দুর 

    Suvendu Slams Mamata: “বৃথা চেষ্টা, একটা বিগ জিরো…”, মমতার দিল্লি সফরকে কটাক্ষ শুভেন্দুর 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (Presidential Election) ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিরোধীদের একজোট করার প্রচেষ্টায় বৈঠককে অপ্রাসঙ্গিক বলে কটাক্ষ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বিধানসভার অধ্যক্ষ বিরোধী দলনেতা, মুখ্য সচেতকসহ সাত বিজেপি বিধায়ককে সাসপন্ড করেছেন। সেই কারণে বিধানসভার বাইরে ধর্না দেন বিজেপি বিধায়করা। সেখানেই শুভেন্দু বলেন, “ওই বৈঠকের কোনও গুরুত্ব নেই। জগনমোহন রেড্ডি, কে চন্দ্রশেখর রাও এবং নবীন পট্টনায়েকের মতো গুরুত্বপূর্ণ নেতারা বৈঠকে যাচ্ছেন না।”

    রাজ্য থেকে বিজেপির মনোনীত প্রার্থীই বেশি ভোট পাবেন বলে নিশ্চিত শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “গতবার বিজেপির ৩ বিধায়ক থাকলেও এই রাজ্য থেকে রামনাথ কোবিন্দ ১৩ জনের ভোট পেয়েছিলেন। এবার বিজেপির ৭০ জন বিধায়ক। গতবার ২ সাংসদ রাজ্য থেকে এনডিএ প্রার্থীকে ভোট দিয়েছিলেন, এবার অন্তত ১৮ জনের ভোট ঝুলিতে আসবে। সংখ্যাটা ১৮-র বেশিও হতে পারে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের গণনার দিন সবাইকে লাড্ডু খাওয়াব।”

    আরও পড়ুন: ‘ছাপ্পাশ্রী’ পুরস্কার দেওয়া হোক, আচার্য বিল নিয়ে মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    তৃণমূলনেত্রীর প্রচেষ্টাকে ‘বিগ জিরো’ বলেও এদিন কটাক্ষ করেন বিরোধী দলনেতা।  বলেন,”উনি ১০ বছর ধরে দেশের নেত্রী হওয়ার বৃথা চেষ্টা করছেন।”  

    কেন্দ্রের প্রকল্পের নাম পরিবর্তন করা নিয়েও এদিন মমতাকে একহাত নেন শুভেন্দু। প্রশ্ন করেন “স্টিকার লাগানোর ব্যবসা কতদিন চালাবেন?”
    হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আগে ‘প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা’ লিখতে হবে, তারপরেই কেন্দ্রীয় সাহায্য পাওয়া যাবে। আগে লিখতে হবে ‘জলজীবন মিশন’, তারপর পুলক রায় টাকা পাবেন। রাজ্যের দেওয়া নাম ‘জলস্বপ্ন’-এ টাকা দেওয়া হবে না।” 

    আরও পড়ুন: বিরোধীহীন অধিবেশন চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী? প্রশ্ন শুভেন্দুর

    এছাড়া এদিন আর্থিক তছ্রুপের অভিযোগে রাজ্য সরকারের দিকে আঙুল তোলেন শুভেন্দু। তিনি বলেন,”রাজ্য সরকার তিন বছর ধরে কেন্দ্রের পাঠানো টাকার হিসেব দেয়নি। পশ্চিমবঙ্গ বনদপ্তর একটা নারকেল গাছ কেনে ৪২ টাকা দিয়ে। আর কিষাণ কল্যাণী ফার্ম আড়াইশো টাকা করে ৩২ কোটি টাকার নারকেল গাছ সরবরাহ করেছে এমজিএনআরইজিএ প্রকল্পে। এ ব্যাপারে বিভাগীয় তদন্ত হচ্ছে। পরে আর্থিক  তছরুপের তদন্ত হবে।”     

     

  • Mahua Moitra: মহুয়ার ‘কালী’ মন্তব্যের জের, এফআইআর দায়ের, পথে বিজেপি, সমালোচনার ঝড়

    Mahua Moitra: মহুয়ার ‘কালী’ মন্তব্যের জের, এফআইআর দায়ের, পথে বিজেপি, সমালোচনার ঝড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিতর্কিত মন্তব্যের জের। গোটা দেশে প্রবলভাবে সমালোচিত তৃণমূলের (Trinamool) সাংসদ (MP) মহুয়া মৈত্র (Mahua Moitra)। মঙ্গলবার মা কালীকে (Smoking Kali Controversy) নিয়ে একটি বিবৃতি দেন সাংসদ। কিন্তু সেই মন্তব্যের দায় নেয়নি দল। অভিমান হয়েছে মহুয়ার। দলকে সোশ্যাল মিডিয়ায় আনফলো করেছেন তিনি। এবার মহুয়ার বিরুদ্ধে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ৫৬ টি এফআইআর দায়ের হল। রবীন্দ্র সরোবর থানা থেকে শুরু করে বউবাজার থানা প্রতিটি জায়গাতেই মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে বিজেপি।

    আরও পড়ুন: ‘স্মোকিং কালী’ বিতর্ক, হাত ছাড়ল দল, তৃণমূলকে আনফলো মহুয়ার  

    দেবী কালী নিয়ে মন্তব্যের জেরে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি ৷ তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র কালীকে নিয়ে অপমানজনক মন্তব্য করেছেন, এই অভিযোগে অবিলম্বে তাঁর গ্রেফতারির দাবি জানিয়েছে বিজেপি ৷ এই নিয়ে বউবাজার থানায় ডেপুটেশন দিয়েছে বিজেপির মহিলা মোর্চা।

    সাংসদ মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে আজ বিজেপির তরফে বউবাজার থানায় ডেপুটেশন জমা দেওয়া হয় । পাশাপাশি মোট ৫৬ টি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। লালবাজার সূত্রের খবর, সেই সময় সংশ্লিষ্ট থানার ওসি না থাকায়, আজ বিকেলে বিজেপির তরফে জানানো অভিযোগগুলির নম্বর তাদের দেওয়া হবে। এ দিন বিজেপির মহিলা মোর্চার নেতৃত্বে ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ মহিলা মোর্চার সভানেত্রী তনুজা চক্রবর্তী। কালী নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য মহুয়া মৈত্রকে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে বলে দাবি করেছেন বিজেপির মহিলা কর্মীরা৷ এ দিন বিজেপির মহিলা মোর্চার প্রেসিডেন্ট তনুজা চক্রবর্তী জানান, “আমরা গোটা রাজ্যজুড়েই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করব।”

    লীনা মণিমেকলাইয়ের একটি তথ্যচিত্র ‘কালী’র পোস্টার নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। এতে মা কালীকে সিগারেট খেতে দেখা গিয়েছে। এই পোস্টারে দেবী কালীর হাতে এলজিবিটি সম্প্রদায়ের একটি রঙিন পতাকাও দেখা যায়। এই পোস্টার বিতর্কের মাঝেই মহুয়া বলেন, “আমার কাছে মা কালী মাংসভোজী, মদ পান করা একজন দেবী।” মহুয়ার এই মন্তব্যের পরেই তাঁর পাশ থেকে সরে যায় তৃণমূল। সামাজিক মাধ্যমে বিবৃতি দিয়ে বলে,  মন্তব্যের দায় দলের নয়। এই ঘটনার পরেই তৃণমূলের অফিসিয়াল হ্যান্ডেল ট্যুইটারে আনফলো করেন মহুয়া। 

    মহুয়ার মন্তব্যে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিক্রিয়া, “সবসময় হিন্দু ধর্মকে অপমান করে তৃণমূল। আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব। নূপুর শর্মার বিরুদ্ধে আমাদের সরকার ব্যবস্থা নিয়েছে। আশা করি এক্ষেত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও পদক্ষেপ নেবেন।”       

    বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এই প্রসঙ্গে বলেছেন, মহুয়া মৈত্রের মন্তব্য থেকে তৃণমূল দায় এড়াতে পারে না। তৃণমূল যদি সমর্থন না করে, তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। মহুয়াকে সাসপেন্ড করা উচিত দল থেকে।

    কৃষ্ণনগরের সাংসদ এদিন শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করেন। বিপদ বুঝে নিজের মতামত থেকে সরে এসে একটি ট্যুইট করে লেখেন, ‘আমি কালীর উপাসক। কোনও কিছুতে ভয় পাই না।’ ট্যুইটে মহুয়া আরও লেখেন, ‘জয় মা কালী! যে দেবীকে বাঙালি পুজো করে, সেই দেবী নির্ভীক এবং শান্ত।’  

    [tw]


    [/tw]

    [tw]


    [/tw]

    সাংসদের বিরুদ্ধে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার অভিযোগে মামলা করা হয়েছে ভোপালেও। মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান মহুয়ার মন্তব্যে আপত্তি তোলার পরেই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান বলেছেন, “মহুয়া মৈত্রের বক্তব্যে হিন্দু ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লেগেছে এবং হিন্দু দেব-দেবীর অবমাননা কোনও ভাবেই সহ্য করা হবে না।” এরপরই ভোপাল ক্রাইম ব্রাঞ্চ ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৯৫এ ধারায় মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে একটি এফআইআর নথিভুক্ত করেছে। এফআইআর নথিভুক্ত হওয়ার খবর জানান ক্রাইম ব্রাঞ্চের ডেপুটি কমিশনার শৈলেন্দ্র চৌহান।   

    মহুয়ার এই দুর্দিনে তিনি কাছে পাননি বন্ধু দল কংগ্রেসকেও। কংগ্রেস নেতা অভিষেক মনু সিংভি (Avishek Singhvi) সাংসদের এই মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন।    

LinkedIn
Share