Tag: Trinamool

Trinamool

  • Khardah: ‘চেয়ারপার্সন কাজ করতে দিচ্ছেন না’, সরব তৃণমূল কাউন্সিলার, খড়দাতে কোন্দল প্রকাশ্যে

    Khardah: ‘চেয়ারপার্সন কাজ করতে দিচ্ছেন না’, সরব তৃণমূল কাউন্সিলার, খড়দাতে কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের খড়দাতে (Khardah) তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসে পড়ল। কয়েকদিন আগে কাউন্সিলার মধুরিতা গোস্বামীকে মেরে পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল প্রাক্তন কাউন্সিলারের অনুগামীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে প্রয়াত ও প্রাক্তন বিধায়ক কাজল সিনহার স্ত্রী চেয়ারম্যান পরিষদের সদস্য নন্দিতা সিনহা এবার সরাসরি কাজ করতে না দেওয়ার অভিযোগ তুললেন পুরসভার চেয়ারপার্সন নীলু সরকারের বিরুদ্ধে। যা নিয়ে যথেষ্ট অস্বস্তি তৈরি হয়েছে শাসক দলের অন্দরে। তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীকোন্দলে সরগরম খড়দা বিধানসভা এলাকা। খড়দা বিধানসভার প্রাক্তন বিধায়ক প্ৰয়াত কাজল সিনহার মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রী নন্দিতা সিনহাকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খড়দা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী মনোনীত করেন। ভোটে জয়ী হওয়ার পরই এবার চেয়ারপার্সনের সঙ্গে তাঁর সংঘাত প্রকাশ্যে চলে আসায় দল চরম বিড়ম্বনায় পড়েছে।

    তৃণমূল কাউন্সিলারের কী অভিযোগ? (Khardah)

    চেয়ারম্যান পরিষদের সদস্য নন্দিতা সিনহা বলেন, আমি পুরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার এবং চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল হিসাবে শিক্ষার দায়িত্বে আছি। মানুষের ভোটে আমি জয়ী হয়েছি। কিন্তু আমাকে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না। মিড ডে মিলে কোনও কাজ বেরোলে সেই কাজ যদি আমি কাউকে দিই চেয়ারপার্সন তা মেনে নেন না। কোনও দফতরকেই ডিস্টার্ব করছেন না। কিন্তু, আমার সঙ্গে কেন এমন করছেন সেটা জানি না। চক্রান্ত করেই এটি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। আসলে চক্রান্ত করে রাজনীতির কেরিয়ারে আমাকে চেপে দেওয়া হচ্ছে। আমি কাজ করতে পারছি না। আমাকে কাজ করতেও দেওয়া হচ্ছে না।

    চেয়ারপার্সনের কী বক্তব্য?

    এ ব্যাপারে সংবাদ মাধ্যমে কোনও কথা বলতে চাননি খড়দা (Khardah) পুরসভার চেয়ারপার্সন নীলু সরকার। যা বলার দলের অভ্যন্তরে বলবেন বলে তিনি জানিয়েছেন। বিষয়টি বিধায়ক শোভন দেব চট্টোপাধ্যায়ের নজরে এসেছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, খড়দা পুরসভার চেয়ারপার্সন এবং উল্টোদিকে কাউন্সিলরদের একটি গোষ্ঠী আড়াআড়িভাবে বিভক্ত।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি নেতা জয় সাহা বলেন, একজন দলের কাউন্সিলার, সরাসরি তারই দলের পুরপ্রধানের দিকে কাজ করতে না দেওয়ার অভিযোগ তুলছেন। কাজ করতে না দিলে এলাকার উন্নয়ন কী করে হবে? সারা পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের এখন একটাই কালচার। একা খাবো।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘রাজ্যে সব থেকে বড় গুন্ডা হচ্ছে মমতার পুলিশ, তৃণমূলের ক্যাডার হিসেবে কাজ করে,’ বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘রাজ্যে সব থেকে বড় গুন্ডা হচ্ছে মমতার পুলিশ, তৃণমূলের ক্যাডার হিসেবে কাজ করে,’ বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজ্যে সব থেকে বড় গুন্ডা হচ্ছে পুলিশ। তারা তৃণমূলের ক্যাডার হিসেবে কাজ করে। বুধবার রাতে দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাটে নির্যাতিতা পরিবারের সঙ্গে দেখা করার পর রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) একথা বলেন। এরপর তিনি হঁশিয়ারি দিয়ে পুলিশ আধিকারিকদের বলেন, সবকটা অফিসারকে দেখে রাখছি সময় হলে সঠিক জবাব দেব।

    মগরাহাটে ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল?

    পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত ৩ অক্টোবর। ওইদিন মগরাহাট থানার মধুসূদনপুর গ্রামের বছর ৭৫-এর এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে সাত বছর বয়সী এক নাবালিকাকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি জানাজানি হতেই পুলিশে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে পরিবার। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ রাতেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। ৪ তারিখ আদালতে পাঠায়। অভিযুক্তের তিনদিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই ৮ অক্টোবর স্থানীয় তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য হারুন রশিদ সরদারের একটি বাড়িতে থাকা ভাড়াটেদের ১২ টি ঘর ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে গেলে পুলিশের উপরও হামলা করা হয় বলে অভিযোগ। এক পুলিশ কর্মী আহতও হন। বিধায়কের বাড়ি ঘেরাও করে উত্তেজিত জনতা। এক পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়িতে চলে ব্যাপক ভাঙচুর। ক্ষোভে ফুঁসছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট। সেই এলাকা পরিদর্শনে যান বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। যে সমস্ত স্থানীয় মানুষজনদের বাড়ি ভাঙচুর হয়েছে তাদের বাড়ি পরিদর্শনের পাশাপাশি নির্যাতিত নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

    মগরাহাটের ঘটনা নিয়ে কী বললেন বিরোধী দলনেতা? (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, ভাঙচুরের ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে তৃণমূল। আর এই ধর্ষণের সঙ্গেও তৃণমূল নেতা জড়িত রয়েছে। ভাঙচুর চালানো হয়েছে সাধারণ মানুষ ও বিজেপি কর্মীদের বাড়ি। অন্যদিকে, এলাকার মানুষজনের অভিযোগ জানিয়ে বলেন, ডায়মন্ডহারবারের এসডিপিও মিতুন কুমার দে-এর নেতৃত্বেই পুলিশ প্রশাসন একাধিক বাড়িতে হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে। এসব শুনে বিরোধী দলনেতা বলেন, পশ্চিমবঙ্গে জঙ্গলরাজ চলছে। এখানে ভাইপোর কথায় পুলিশ ওঠা বসা করে। যেভাবে বেছে বেছে মগরাহাটের দলিত পরিবারের ওপরে হামলা চালিয়েছে পুলিশ প্রশাসন তার তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাই। আগামীদিনে এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে যাব আমি।

    রুজিরাকে ইডি তলব প্রসঙ্গে কী বললেন শুভেন্দু?

    নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে অভিষেক পত্নী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইডির দফতরে তলব নিয়ে তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, একে একে সবকটাকেই ধরবে। এরা সাধারণ মানুষের টাকা খেয়েছে, আদালত এদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করুক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Khardah: তৃণমূল কাউন্সিলারকে মেরে পা ভাঙল প্রাক্তন কাউন্সিলারের অনুগামীরা, কেন জানেন?

    Khardah: তৃণমূল কাউন্সিলারকে মেরে পা ভাঙল প্রাক্তন কাউন্সিলারের অনুগামীরা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কাউন্সিলারকে মেরে পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠল প্রাক্তন কাউন্সিলারের অনুগামীদের বিরুদ্ধে। বুধবার চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে খড়দা (Khardah) পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডে। আক্রান্ত তৃণমূল কাউন্সিলার মধুরিতা গোস্বামী মুখোপাধ্যায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Khardah)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পুজোর আগে হাইমাস্ট লাগানো নিয়ে গন্ডগোলের সূত্রপাত। প্রাক্তন কাউন্সিলর সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায়ের অনুগামীরা যে জায়গায় হাইমাস্ট লাগাতে চাইছেন, বর্তমান কাউন্সিলার তা মানতে রাজি নন। এই নিয়ে এদিন দুপুরে গন্ডগোল বাঁধে। এদিন হাইমাস্ট লাগানোর জন্য কর্মীরা আসলে প্রাক্তন কাউন্সিলর অনুগামীরা কাজ বন্ধ করে দেয়। এই নিয়ে বর্তমান কাউন্সিলরের সঙ্গে বচসা বাধে। এরপরেই প্রাক্তন কাউন্সিলর অনুগামীরা বর্তমান কাউন্সিলরের ভাইকে মারধর করে বলে অভিযোগ। তাকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হন বর্তমান কাউন্সিলর। তাকে মারধোর করে পা ভেঙে দেওয়া হয়। কাউন্সিলারের শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ। এরপরে হামলাকারীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে, তৃণমূল কাউন্সিলার খড়দা (Khardah) থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। বারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, অভিযোগ হয়েছে। হামলার ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনা তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    আক্রান্ত তৃণমূল কাউন্সিলারের কী বক্তব্য?

    আক্রান্ত তৃণমূল কাউন্সিলার মধুরিতা গোস্বামী মুখোপাধ্যায় বলেন, বিধায়ক আমার ওয়ার্ডের তিনটে হাইমাস্ট আলো লাগাতে দিয়েছিলেন। পুজোর আগে সেই আলো লাগানোর কথা। আমরা তিনটের জায়গাও পছন্দ করেছি। আজ সেই আলো লাগাতে গিয়ে গন্ডগোল বাধে। প্রাক্তন কাউন্সিলারের অনুগামীরা আমার ভাইকে প্রথমে মারধর করে। আমি বাঁচাতে গেলে ওরা শ্লীলতাহানি করে। এরপর আমাকে বেধরক মারধর করে আমার পা ভেঙে দেয়। প্রাক্তন কাউন্সিলার একজন তোলাবাজ। আমার ওয়ার্ডেই তোলাবাজি বন্ধ করে দিয়েছি, এটাই আমার অপরাধ। সব থেকে আমি অবাক হয়েছি, ঘটনার পর খড়দা (Khardah) পুরসভার চেয়ারপার্সন নিলু সরকারকে আমি ফোনে অভিযোগ জানিয়েছি। তাঁকে আমার কাছে আসার জন্য অনুরোধ করেছি। কিন্তু তিনি আমার সঙ্গে একবারও দেখাও করলেন না। পা ভেঙ্গে ঘরের মধ্যে পড়ে রয়েছি অথচ পুরসভার চেয়ারপার্সন তিনি আমার বাড়ি আসার প্রয়োজন বোধ করলেন না। আমার প্রশ্ন তিনি কি তাহলে প্রাক্তন কাউন্সিলারের পক্ষে লোক? ওই সমস্ত বিষয়টি স্থানীয় বিধায়ক, সাংসদ সকলকে জানিয়েছে।

    প্রাক্তন কাউন্সিলারের কী বক্তব্য?

    প্রাক্তন কাউন্সিলার সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় বলেন, কাউন্সিলারের আনা অভিযোগ পুরোপুরি ভিত্তিহীন। আসলে হাইমাস্ট আলো লাগানোর একটা জায়গা নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছিল। একটি ক্লাবের সঙ্গে হয়েছিল। ক্লাবের ছেলেরা মাঠের মধ্যে হাইমাস্ট লাগাতে চেয়েছিল, আর কাউন্সিলর রাস্তার পাশে লাগাতে চেয়েছিল। এই নিয়ে গন্ডগোল। সেখানে আমি ঘটনাস্থলে ছিলামই না। আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: বিজেপির রাজ্য সভাপতির বাড়ি যাওয়ার রাস্তা বেহাল, সংস্কারের উদ্যোগ নেই তৃণমূল পুরসভার

    Sukanta Majumdar: বিজেপির রাজ্য সভাপতির বাড়ি যাওয়ার রাস্তা বেহাল, সংস্কারের উদ্যোগ নেই তৃণমূল পুরসভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা স্থানীয় সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের বাড়ি বলেই বেহাল রাস্তা সংস্কারে উদ্যোগ নেই তৃণমূল পরিচালিত বালুরঘাট পুরসভার। এমনই অভিযোগ বিজেপির। বালুরঘাট পুরসভার ২২ এবং ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যবর্তী রাস্তার বেহাল অবস্থা। খাদিমপুর এলাকার সন্ধ্যা সিনেমা হল থেকে খাদিমপুর গার্লস স্কুল পর্যন্ত রাস্তার পিচ উঠে গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) বাড়ির যাতায়াতের এই রাস্তার সবচেয়ে ভগ্নদশা। কিন্তু, তা সংস্কারে পুর কর্তৃপক্ষের কোনও হেলদোল নেই।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    দীর্ঘদিন রাস্তা সংস্কার না হওয়া এবং পুরসভার পক্ষ থেকে বাড়ি বাড়ি পানীয় জলের সংযোগ দেওয়ায় বালুরঘাট শহরের বিভিন্ন রাস্তা বেহাল হয়ে পড়ে। বালুরঘাট পুরসভা থেকে পুজোর আগে রাস্তা মেরামতির কাজ শুরু হলেও এখনও সংস্কারের কাজে হাত দেওয়া হয়নি খাদিমপুরের এই রাস্তা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, খানাখন্দে ভরা এই রাস্তায় প্রায়শই দুর্ঘটনা ঘটে। এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করে খাদিমপুর গার্লস স্কুল, খাদিমপুর বয়েজ স্কুল  এবং কবিতীর্থ বিদ্যানিকেতনের ছাত্রছাত্রীরা। এলাকায় রয়েছে একটি সিনেমা হলও। রাস্তার অবস্থা বেহাল হওয়ায় প্রায় প্রতিদিন দুর্ঘটনা ঘটে এই রাস্তায়। আমরা চায় দ্রুত এই রাস্তা সংস্কার করা হোক।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    এই বিষয়ে বিজেপির বালুরঘাট শহরর সভাপতি সমীর প্রসাদ দত্ত বলেন, এই রাস্তার গলির মুখে রয়েছে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) বাড়ি। আর ঠিক একারণেই এই রাস্তা সংস্কারে অনীহা বালুরঘাট পুরসভার। এই রাস্তাতে তিনটি হাই স্কুল রয়েছে। স্কুলের ছাত্র ছাত্রীরা যাতায়াত করার সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। পুজোর আগে বালুরঘাট পুরসভা যদি রাস্তা সংস্কার করতে না পারে তাহলে আমরা আন্দোলোনে নামব।

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    যদিও, বালুরঘাট পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর প্রদীপ্তা চক্রবর্তী বলেন, বালুরঘাটের বিভিন্ন ওয়ার্ডের রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। খাদিমপুরের রাস্তার কাজ‌ও করা হবে। বিজেপির রাজ্য সভাপতির বাড়ি বলে রাস্তা সংস্কার করা হচ্ছে না, এই অভিযোগ ঠিক নয়। পুজোর আগেই কাজ হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: পুলিশের সামনেই বিজেপি নেতার গাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Cooch Behar: পুলিশের সামনেই বিজেপি নেতার গাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি নেতার উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছ কোচবিহারের (Cooch Behar) দিনহাটা এলাকায়। আক্রান্ত বিজেপি নেতার নাম জয়দীপ ঘোষ। কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা রয়েছে তাঁর। তারপরও বিজেপি নেতার গাড়ি ভাঙচুর করে দুষ্কৃতীরা।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Cooch Behar)

    মঙ্গলবার কোচবিহারের (Cooch Behar) দিনহাটা-২ ব্লকের শুকারুরকুঠি গ্রাম পঞ্চায়েতে দলীয় কর্মসূচি ছিল। সেই কর্মসূচি সেরে জয়দীপবাবু গাড়ি করে বাড়ি ফিরছিলেন। শুকারুরকুঠি থেকে দিনহাটায় ফেরার পথে নটকোবারি বাজার এলাকায় একদল দুষ্কৃতী তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। ওই বিজেপি নেতার গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। কোচবিহারের এই বিজেপি নেতা কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন। জয়দীপ ঘোষের গাড়ি নটকোবারি বাজার এলাকায় ঢুকতেই একদল দুষ্কৃতী তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে অতর্কিতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলের অদূরেই পুলিশকর্মীরা থাকলেও, পুলিশ পরিস্থিতি সামলাতে সেই সময় কোনও পদক্ষেপ করেনি বলেও ক্ষোভ উগড়ে দিচ্ছেন বিজেপি নেতা।

    কী বললেন আক্রান্ত বিজেপি নেতা?

    কোচবিহার (Cooch Behar) জেলার বিজেপি নেতা জয়দীপ ঘোষ বলেন, কর্মসূচি থেকে ফেরার পথে কিছু মানুষ জমায়েত হয়ে আক্রমণ করে এবং গাড়ি ভাঙচুর করে। তারা ভাবছে, এভাবে বিজেপিকে আটকাবে। কিন্তু এভাবে বিজেপিকে আটকানো যাবে না। যে দুষ্কৃতীরা হামলা চালিয়েছে, তারা তৃণমূল আশ্রিত। কোনওভাবে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তারক্ষী বাহিনীর সাহায্যে ঘটনাস্থল থেকে নিরাপদে বেরিয়ে এসেছি। থানায় অভিযোগ করেছি। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    হামলা প্রসঙ্গে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি দীপক ভট্টাচার্য বলেন, সাধারণ মানুষরা একশো দিনের কাজের টাকা পাচ্ছেন না, তাঁদের ক্ষোভ-রাগের বহিঃপ্রকাশ হয়েছে। তাঁরা বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। মহিলারা হাতে ঝাঁটা নিয়ে বিজেপির নেতাকে তাড়া করেছেন। আর ওই বিজেপি নেতা এসব ঢাকতে ওই বিজেপি নেতা তৃণমূলের ঘাড়ে দোষ চাপানোর চেষ্টা করছেন। তাঁর আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: মিটিং সেরে বাড়ি ফেরার পথে বিজেপি বুথ সভাপতিকে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Paschim Medinipur: মিটিং সেরে বাড়ি ফেরার পথে বিজেপি বুথ সভাপতিকে বেধড়ক মার, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিজেপির বুথ সভাপতিকে মারধর করার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল পশ্চিম মেদিনীপুর (Paschim Medinipur) জেলার চন্দ্রকোনা-২ ব্লকের বান্দিপুর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ভোতাখালি এলাকায়। জখম বিজেপি কর্মীর নাম বাবলু দোলই। তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Paschim Medinipur)

    বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে পশ্চিম মেদিনীপুরের (Paschim Medinipur) ঘনরামপুর বুথে ৬ টি বুথকে নিয়ে সাংগঠনিক বৈঠক ছিল, ভোতাখালি ২৮২ নং বুথের বিজেপির বুথ সভাপতি বাবলু দোলই ঘনরামপুর বুথে মিটিং সেরে বাড়ি ফিরছিলেন। সেসময় রাস্তায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা তাঁকে ঘিরে ধরে এবং কেনো এলাকায় বৈঠক করছিল তা জানতে চায়? এরপরই উভয়ের মধ্যে বচসা থেকে বিজেপির বুথ সভাপতির উপর চড়াও হয়ে মারধর করে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। ঘটনায় জখম বুথ সভাপতিকে উদ্ধার করে চন্দ্রকোনা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ঘাটাল মহকুমা হাসপাতাল স্থানান্তরিত করা হয়।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    এবিষয়ে বিজেপির চন্দ্রকোনা-২ ব্লকের কনভেনার রাজীব পাল বলেন, সাংগঠনিক বৈঠক সেরে বাড়ি ফেরার পথে তাদের বুথ সভাপতির উপর অতর্কিতে আক্রমণ করে মারধর করে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। বিজেপিকে এভাবে আটকানো যাবেনা,বুথ সভাপতি হাসপাতাল থেকে ফিরলেই থানায় লিখিত অভিযোগ করা হবে বলে জানান তিনি।

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    অপরদিকে, তৃণমূলের দিকে তোলা বিজেপির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বান্দিপুর-২ অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি নীলকমল পন্ডিত। পাল্টা তিনি বিজেপির বিরুদ্ধে এলাকায় উস্কানি দিয়ে অশান্তি সৃষ্টির অভিযোগ তুলে বলেন, বিজেপির বুথ সভাপতি মদ্যপ অবস্থায় ছিল। বাড়ি ফেরার পথে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করলে স্থানীয় মানুষ প্রতিবাদ করেন। তাদের উপর চড়াও হয় ওই বুথ সভাপতি। স্থানীয় মানুষ তাকে ধরে দুতিন থাপ্পড় দিয়ে সরিয়ে দেন। এতে তৃণমূলের কেউ জড়িত নই। মিথ্যা অভিযোগ করছেন বিজেপির বুথ সভাপতি, দাবি তৃণমূল নেতার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: প্রধানের কাছে ত্রিপল চেয়ে তৃণমূল কর্মীর জুটল মার, শাসক দলের কীর্তি দেখে তাজ্জব এলাকাবাসী

    Murshidabad: প্রধানের কাছে ত্রিপল চেয়ে তৃণমূল কর্মীর জুটল মার, শাসক দলের কীর্তি দেখে তাজ্জব এলাকাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলের প্রধানের কাছে ত্রিপল চাইতে গিয়ে এরকম ভয়ানক পরিণতি হবে তা স্বপ্নেও ভাবেননি মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সাগরদিঘি ব্লকে গোবর্ধনডাঙা এলাকার বাসিন্দা শিলু মণ্ডল। যারা ভোট দিয়ে পঞ্চায়েতে ক্ষমতায় এনেছিলেন, সেই অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে দলের পঞ্চায়েত প্রধানের নেতৃত্বে এভাবে হামলা চালানোর ঘটনা ঘটবে তা এলাকার মানুষও ভাবেননি। স্বাভাবিকভাবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক দিন ধরে ভারী বৃষ্টির কারণে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) গোবর্ধনডাঙা অঞ্চলের কয়েকটি মাটির বাড়ি ভেঙে পড়ে। ক্ষতিগ্রস্তরা স্থানীয় তৃণমূল কর্মী শিলু মণ্ডলকে বিষয়টি জানান। তিনি প্রধানকে ফোন করে ত্রিপলের জন্য আবেদন জানান। প্রধানের স্বামী স্বপন হাঁসদা ফোন তুলে তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এতে দুপক্ষের মধ্যে বচসা হয়। এরপরই প্রধান ও তাঁর স্বামী দলবল এনে ওই তৃণমূল কর্মীকে পাড়ার সকলের সামনে বেধড়ক মারধর করেন বলে অভিযোগ। এমনকী তাঁর স্ত্রী মমতা মণ্ডল স্বামীকে বাঁচাতে গেলে তাঁকেও বেধড়ক পেটানো হয়।

    আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীর কী বক্তব্য?

    আক্রান্ত তৃণমূল কর্মী শিলু মণ্ডল বলেন, সামান্য ত্রিপলের জন্য এভাবে প্রধান দলবল নিয়ে এসে হামলা চালাবে তা ভাবতে পারিনি। এলাকার মানুষের জন্য আমি কাজ করেছি। এটাই আমার অপরাধ। যাদের ভোট পেয়ে তৃণমূল বোর্ড গঠন করল তারা এভাবে হামলা চালাল। দলীয় নেতৃত্বকে জানিয়েছি। থানায় অভিযোগ জানিয়েছি।

    অভিযুক্ত প্রধানের কী বক্তব্য?

    পঞ্চায়েত প্রধান পার্বতী হাঁসদা বলেন, আমি টোটো করে বাড়ি ফিরছিলাম। রাস্তা আটকে আমাকে ওরা ত্রিপল চাওয়ার কথা বলে। আমি পঞ্চায়েতে আবেদন জানাতে বলি। কিন্তু, ওরা তা না শুনে আমার উপর চড়াও হয়। আমার স্বামী বাধা দিতে গেলে তাঁকে ওরা মা়রধর করে। আসলে ওরা মদের ঠেক চালায়। আমি তার প্রতিবাদ করেছিলাম বলে ওরা এসব মিথ্যা অভিযোগ করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: পঞ্চায়েতে বিজেপি প্রার্থী হওয়া অপরাধ! বন্ধ করে দেওয়া হল নিকাশি ব্যবস্থা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    South 24 Parganas: পঞ্চায়েতে বিজেপি প্রার্থী হওয়া অপরাধ! বন্ধ করে দেওয়া হল নিকাশি ব্যবস্থা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী হওয়ার অপরাধ! প্রায় এক মাস ধরে নিকাশি ব্যবস্থা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) পাথরপ্রতিমা ব্লকের পূর্ণচন্দ্রপুর শ্রী নারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের  শ্রীনারায়ণপুর ছয়েরঘেরি এলাকায়। এ যেন হাতে না মেরে জলে ডুবিয়ে মারার পরিকল্পনা। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (South 24 Parganas)

    পরিবার ও দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনা (South 24 Parganas) জেলার পাথরপ্রতিমা ব্লকের পূর্ণচন্দ্রপুর শ্রী নারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের  শ্রীনারায়ণপুর ছয়েরঘেরি এলাকায় গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে অন্নপূর্ণা হালদার নামে গৃহবধূ বিজেপির প্রার্থী হয়ে পঞ্চায়েত ভোটে প্রার্থী হয়েছিলেন। যদিও পরে তিনি পরাজিত হন। গৃহবধূ এবং তাঁর পরিবারের লোকজনের অভিযোগ, বর্তমান শাসকদলের মদতে জল নিকাশি ব্যবস্থা হঠাৎ করে এক তৃণমূলের এক নেতা মাটি ফেলে বন্ধ করে দেন। তাঁদের দাবি জায়গাটি ছিল তাঁদের, দীর্ঘদিন মামলা করে তাঁরা জয়ী হন। যার ফলে তারা এই পথ দিয়ে আর জল যেতে দেবেন না। আর তার ফলেই প্রায় এক মাস ধরে জলের তলায় ওই বিজেপি প্রার্থীদের তিনটি পরিবার সহ+ বিরোধী রাজনৈতিক দলের আরও ১৯ টি পরিবার। বারবার পঞ্চায়েতকে জানিয়ে কোনও কাজ হয়নি। বাড়ির উঠান থেকে ঘরের মেঝেতে পর্যন্ত প্রায় এক হাঁটু জল, অনেক বাড়িতে ভেড়ি দিয়ে জল তুলতে হচ্ছে প্রতিদিন। এমনকী গরুর গোয়াল, মুরগির খোঁয়ার পর্যন্ত জলে ডুবে আছে। প্রতিদিন বাড়ির বয়স্ক মানুষ থেকে ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা অসুস্থ হয়ে পড়ছে। জলে অসহায়ের মত দিন কাটাতে হচ্ছে তাঁদের।

    কী বললেন বিজেপি কর্মী?

    বিজেপি কর্মী অন্নপূর্ণা হালদার বলেন, পঞ্চায়েতে বিজেপি প্রার্থী হওয়া অপরাধ। তারজন্যই পরিকল্পিতভাবে তৃণমূল এই কাজ করেছে। প্রশাসনের কাছে দরবার করেও লাভ হচ্ছে না। এলাকায় যে ভাবে জল জমে রয়েছে তাতে ডেঙ্গির উপদ্রব হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। খুব দুশ্চিন্তায় রয়েছি।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূল নেতা রবীন্দ্রনাথ মৌলি বলেন, এই ধরনের অভিযোগ ঠিক নয়। কারণ, এই ধরনের নোংরা রাজনীতি তৃণমূল করে না। জল নিকাশি নিয়ে যে সমস্যা হয়েছে তা খতিয়ে দেখে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bhatpara: বোর্ড মিটিংয়ে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানালেন অধিকাংশ কাউন্সিলার, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    Bhatpara: বোর্ড মিটিংয়ে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানালেন অধিকাংশ কাউন্সিলার, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাটপাড়া (Bhatpara) পুরসভার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কাউন্সিলারদের একাংশ বিক্ষুব্ধ ছিলেন। এর আগে একাধিকবার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন কাউন্সিলারদের একাংশ। এবার জমি কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠল ভাটপাড়া পুরসভার চেয়ারম্যান রেবা রাহার বিরুদ্ধে। যা নিয়ে ভাটপাড়া পুরসভায় তৃণমূলের কাউন্সিলাররা আড়াআড়িভাবে বিভক্ত হয়ে গিয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হতে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Bhatpara)

    বোর্ড মিটিংয়ে আলোচনা করে সবার সম্মতি না নিয়ে ভাটপাড়া (Bhatpara) পুরসভার জমি সাহু একাডেমি নামে একটি সংগঠনকে এক টাকার বিনিময়ে  লিজে দেওয়ার অভিযোগ চেয়ারম্যান রেবা রাহার বিরুদ্ধে। নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধির চরিতার্থ করতে গোপনে আর্থিক লেনদেনর বিনিময়ে এই অবৈধ হস্তান্তর হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের ।এই কাটাপুকুর মাঠ ভাটপাড়া পুরসভার স্পোর্টস অ্যাকাডেমি তৈরির জন্য চিহ্নিত করা হয়েছিল,৮০ লক্ষ টাকা খরচ করে এই কমপ্লেক্সকে সাজিয়েছিলেন তৎকালীন ভাটপাড়া পুরসভার চেয়ারম্যান অর্জুন সিং। তাহলে কেন একটি বেসরকারি সংস্থার হাতে এই জমি তুলে দেওয়া হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে চেয়ারম্যানকে চিঠি দেন কাউন্সিলার গোপাল রাউত, ভাইস চেয়ারম্যান দেব্যজ্যোতি ঘোষ, নূর এ আলম,অরুণ ব্রহ্ম, জিতু সাউ এর মত পুর প্রতিনিধিরা। এই জমির পরিমান প্রায় তিন একর, যার আনুমানিক বাজার মূল্য ২০ কোটি টাকা, সেই জমি কেন এক টাকার বিনিময়ে তুলে দেওয়া হবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ওই পুর প্রতিনিধিরা। স্কুল তৈরির জন্য সাহু একাডেমিকে আগেই সাত কাঠা জমি দেওয়া হয়েছিল। তাহলে পুরো জমি দেওয়ার অর্থ কী? যদিও এই বিষয়ে পুরসভার চেয়ারম্যানের প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    কী বললেন পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান?

    ভাটপাড়়া (Bhatpara) পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান দেবজ্যোতি ঘোষ বলেন, বোর্ড মিটিংয়ে কোনও আলোচনা না করেই এই জমি ওই সংস্থাকে কেন দেওয়া হল? এর পিছনে অন্য কোনও বিষয় রয়েছে। আমরা এই ঘটনার জন্য বোর্ড মিটিংয়ে আমরা সবাই প্রতিবাদ জানাই। বাধ্য হয়ে চেয়ারম্যান ওই সংস্থাকে জমি দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Khardah: খড়দায় তৃণমূল নেতার দাদাগিরি! জমি থেকে উচ্ছেদের হুমকি, আতঙ্কে ব্যবসায়ী

    Khardah: খড়দায় তৃণমূল নেতার দাদাগিরি! জমি থেকে উচ্ছেদের হুমকি, আতঙ্কে ব্যবসায়ী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতার দাদাগিরিতে আতঙ্কে রয়েছেন এক হোটেল ব্যবসায়ী। কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের ধারে ওই হোটেল ব্যবসায়ীকে জমি থেকে উচ্ছেদ করতে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতা শুকুর আলির বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে খড়দা (Khardah) বিধানসভার রহড়া থানার বন্দিপুর এলাকায়। ইতিমধ্যেই সন্দীপ ঘোষ নামে ওই হোটেল ব্যবসায়ী তৃণমূল নেতা শুকুর আলির নামে অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ এখনও পর্যন্ত কারও বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেয় নি। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক বলেন, অভিযোগ হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Khardah)

    খড়দার (Khardah) বন্দিপুর এলাকায় কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের ধারে সন্দীপ ঘোষের একটি হোটেল রয়েছে। হোটেলের পাশে তাঁদের পৈত্রিক জমি রয়েছে। অন্যান্য শরিকের সঙ্গে সেই জমি এখনও ভাগ হয়নি। অভিযোগ, সন্দীপবাবুর এক শরিক সেই জমি ওই তৃণমূল নেতাকে বিক্রি করে দেন। আর সেই জমি বিক্রি করাকে কেন্দ্র করে গন্ডগোলের সূত্রপাত। কারণ, জমি এখনও ভাগই হয়নি। ফলে, ওই জমির কে কোন দিক নেবে তা এখনো ঠিক হয়নি। কী করে সেই জমি কাউকে না জানিয়ে বিক্রি করে দেওয়া হল তা নিয়ে হোটেল ব্যবসায়ীর শরিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। আর শুকুর আলি জমি কেনার পরেই সামনের রাস্তার দিকে জায়গায় দখল করার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। আর সেটা নিয়েই হোটেল ব্যবসায়ীর সঙ্গে ঝামেলা।

    হোটেল ব্যবসায়ীর কী বক্তব্য?

    হোটেল ব্যবসায়ী সন্দীপ ঘোষ বলেন, শুকুর আলি তার স্ত্রীর নামেই এই জমি কিনেছেন। আমরা তাঁর কাছে সমাধানের জন্য গিয়েছিলাম। আমরা পারিবারিকের সমস্যার বিষয়টি সমাধান করে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিলাম। তিনি সমস্যার সমাধান না করে, উল্টে তিনি আমাদের জমি ছেড়ে দেওয়ার হুমকি দেন। এরমধ্যেই ওই তৃণমূল নেতার বেশ কয়েকজন অনুগামী জমি ছেড়ে দেওয়ার কথা বলে যায়। না হলে পরিস্থিতি ভাল হবে না বলে হুমকি দিয়ে যায়। চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি। পুলিশ প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছি। এখনও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।   মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছি। খড়দার (Khardah) বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের কাছে বিষয়টি দরবার করেছি। তিনি সমস্ত রকমভাবে সাহায্য করেছেন। কিন্তু, এই তৃণমূল নেতার দাদাগিরি বন্ধ হয়নি। ফলে, চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি।

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা কী বললেন?

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা শুকুর আলি বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ওই ব্যক্তি মনগড়া কথা বলছেন। পুলিশি তদন্তে সঠিক বিষয় উঠে আসবে। জমি থেকে কাউকে উচ্ছেদ করার জন্য হুমকি দেওয়া হয়নি। তিনি মিথ্যা অভিযোগ করছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share