Tag: Trinamool

Trinamool

  • High Court: নাবালিকাকে অপহরণ সিকিমে, ধর্মান্তরণ করে বিয়ে! হাইকোর্টে প্রশ্নের মুখে পুলিশ

    High Court: নাবালিকাকে অপহরণ সিকিমে, ধর্মান্তরণ করে বিয়ে! হাইকোর্টে প্রশ্নের মুখে পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিকিম থেকে এক দশম শ্রেণির ছাত্রীকে অপহরণ করার অভিযোগ ওঠে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার পিংলার তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতির ভাগ্নের বিরুদ্ধে। অপহরণের পাশাপাশি নাবালিকা ওই ছাত্রীকে বিয়ের আগে জোর করে ধর্মান্তরণ করা হয় বলে অভিযোগ। এখানেই শেষ নয়, নাবালিকাকে সাবালিকা প্রমাণ করতে জন্ম শংসাপত্র থেকে শুরু করে যাবতীয় নথি জালিয়াতি করার অভিযোগ উঠেছে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা উঠেছে কলকাতা হাইকোর্টেও (High Court)।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (High Court)

    মামলাকারীর আইনজীবী তন্ময় বসুর বক্তব্য, পিংলা থানা এলাকার বাসিন্দা বছর ১৫ র নাবালিকা যখন রোজ স্কুলে যেত‌, তখন প্রায়ই তাকে উত্তপ্ত করত অসিউর রহমান নামে এক যুবক। সে পিংলার অঞ্চল সভাপতির ভাগ্নে। বেশ কয়েকবার তাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। স্থানীয় অঞ্চল সভাপতির ভাগ্নের হাত থেকে বাঁচাতে বাধ্য হয়েই মেয়েকে পিংলা থেকে সিকিমে মামার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় তার পরিবার। কিন্তু, তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি। অভিযোগ, সিকিম থেকেই ওই নাবালিকাকে অপহরণ করা হয়। গত ১৮ জুন অপহরণের অভিযোগ আনা হয় পরিবারের তরফে। কিন্তু, তিন মাসেও হারানো মেয়েকে উদ্ধার করতে না পেরে বাধ্য হয়ে কলকাতা হাইকোর্টের (High Court) দ্বারস্থ হন নাবালিকার বাবা।

    আদালত কী নির্দেশ দিল?

    এক সপ্তাহের মধ্যে ওই নিখোঁজ নাবালিকাকে উদ্ধার করে সিডব্লিউসি-র হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বিচারপতি তপব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ। আগামী ৬ অক্টোবর মামলার পরবর্তী শুনানি। আদালতের (High Court) আরও নির্দেশ, নাবালিকার পরিবারকে সম্পূর্ণ পুলিশি নিরাপত্তা দিতে হবে। নাবালিকা ও তার পরিবারের যদি কোনও ক্ষতি হয়, তার জন্য দায়ী থাকবে পিংলা থানার পুলিশ। মামলাতেই হাইকোর্টের কোপে পড়তে হয় পিংলা থানার পুলিশকে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, পুলিশ কি কাউকে আড়াল করছে! নাকি কাউকে বাঁচাতে চুপ রয়েছে! না হলে, তিন মাস কোনও তদন্ত হয়নি কেন? আদালতে পুলিশের নতুন তথ্য জমা পড়তেই চাঞ্চল্য ছড়ায়। দেখা যায়, পনেরো বছরের নাবালিকাকে সাবালিকা করতে তার জন্মশংসাপত্র থেকে শুরু করে যাবতীয় নথি জালিয়াতি করা হয়েছে। আগামী শুনানিতে এনিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে আদালত।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: বীরভূমে কি কেষ্ট-রাজ খতম! একের পর এক সরিয়ে ফেলা হচ্ছে ছবি

    Anubrata Mondal: বীরভূমে কি কেষ্ট-রাজ খতম! একের পর এক সরিয়ে ফেলা হচ্ছে ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচারকাণ্ডে এখন জেলবন্দি তৃণমূলের বীরভূম জেলার সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। বছরখানেক ধরেই তিনি জেলার বাইরে। দলের রাশ এখন কেষ্ট বিরোধী হিসেবে জেলায় পরিচিত কাজ সেখের হাতে। অনুব্রতকে (Anubrata Mondal) কি সত্যিই ঝেড়ে ফেলতে চাইছে দল? একের পর এক ঘটনায় কার্যত সেই তত্ত্বেই পড়ছে সিলমোহর। এতদিন বীরভূম জেলায় একাধিক জায়গায় তার নাম, ছবি মুছে ফেলা কিংবা ছবি ব্যবহার না করা হলেও কেষ্টর খাসতালুক বোলপুরে কখনও হয়নি। এবার বোলপুরে সেটাই ঘটল।

    ঠিক কী হয়েছে বোলপুরে? (Anubrata Mondal)

    বীরভূমের বেতাজ বাদশা ছিলেন অনুব্রত (Anubrata Mondal)। গ্রেফতারির পরও একুশের বিধানসভা ভোটের পর জেলা তৃণমূলের পোস্টার বয় ছিলেন অনুব্রত মণ্ডলই। তাঁক সামনে রেখে নির্বাচনী বৈতরনী পার করার চেষ্টা করেছিল দল। এখন সেই কেষ্ট কিনা দলে ব্রাত্য হয়ে পড়ছেন। বোলপুর থানার বাহিরী পঞ্চায়েতের তৃণমূল কার্যালয়ে এতদিন জ্বল জ্বল করত অনুব্রত মণ্ডলের ছবি। সেই ছবি মুছে ফেলা হয়েছে আগেই। এবার ফাঁকা দেওয়ালে পুরানো ছবির অস্তিত্বটুকুও মুছে ফেলা হল। যেটা বোলপুরের মাটিতে এতদিন ভাবা যেত না। অনুব্রতের সেই ছবির জায়গায় বোলপুরের বাহিরী পঞ্চায়েতের তৃণমূল কার্যালয়ের দেওয়ালে এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও কাজল শেখের ছবি দেওয়া ব্যানার লাগিয়ে দেওয়া হয়। আর যা নিয়েই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।

    ছাঁটাই-পর্ব চলছে ক’দিন ধরেই

    দুদিন আগেই নানুরের হোসেনপুরে অনুব্রতের ছবি মুছে ফেলা হয়েছিল। তার আগে দুবরাজপুরে একটি দুয়ারে সরকারের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী, অভিষেকের সঙ্গে কাজল সেখের ছবি শোভা পেলেও ঠাঁয় হয়নি কেষ্টর ছবি। সম্প্রতি, পঞ্চায়েতে স্থায়ী সমিতি গঠনেও জেলা তৃণমূলের পর পর পদক্ষেপ দেখে প্রশ্ন উঠেছিল অনুব্রত ছোঁয়া কি এড়াতে চাইছে তৃণমূল? কারণ-কাজল শেখের হাতে জেলার রাশ যাওয়ার পরই একের পর এক অনুব্রত অনুগামীদের এক ঘরে করে দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসছে। স্থায়ী সমিতিতে বহু বছর ধরে থাকা সদস্য হওয়া সত্ত্বেও অনুব্রত অনুগামী হিসেবে পরিচিতরা এবার স্থায়ী সমিতিতে জায়গা পাননি। গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে সপ্তাহখানেক আগেই খয়রাশোল এর ব্লক সভাপতি কাঞ্চন অধিকারী পদ থেকে পদত্যাগ করেন। তিনি অনুব্রত ঘনিষ্ঠ বলেই জেলায় পরিচিত। পার্টি অফিস থেকে ছবি মুছে ফেলার পাশাপাশি কেষ্ট ঘনিষ্ঠদের ধীরে ধীরে ডানা ছাঁটা শুরু হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Anubrata Mondal: ইডি-র নজরে এবার মার্বেল মোড়া তৃণমূলের কার্যালয়, কেষ্ট ঘনিষ্ঠ চারজনকে দিল্লিতে তলব

    Anubrata Mondal: ইডি-র নজরে এবার মার্বেল মোড়া তৃণমূলের কার্যালয়, কেষ্ট ঘনিষ্ঠ চারজনকে দিল্লিতে তলব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার কাণ্ডে ধৃত বীরভূম জেলায় তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) এখন তিহার জেলে রয়েছেন। দিল্লিতে এই মামলার বিচার চলছে। এরমধ্যে অনুব্রতের ‘ঘনিষ্ঠ’ হিসাবে পরিচিত বোলপুর শহরের ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার শিবনাথ রায় সহ চার জনকে দিল্লিতে তলব করেছে ইডি। ৩ অক্টোবর থেকে এক সপ্তাহের মধ্যে দিল্লিতে ইডির সদর দফতরে তাঁদের হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। যা নিয়ে বীরভূম জেলাজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    কেন ইডি-র তলব? (Anubrata Mondal)

    পাঁচ বছর আগে রথযাত্রার দিন বোলপুর শহর তৃণমূলের কার্যালয়ের উদ্বোধন করেছিলেন বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal) । তিন তলা ভবনটির অধিকাংশ ঘর শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত। মেঝেয় দামি মার্বেল। রয়েছে ফলস সিলিং। বিল্ডিং জুড়ে বসানো রয়েছে সিসি ক্যামেরা। ঝাঁ চকচকে পার্টি অফিস দেখে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একবার অনুব্রত উত্তর দিয়েছিলেন, ‘২০১৩ সালে আমি এই বাড়ি ন্যায্য মূল্যে কিনেছিলাম।’ এবার সেই বাড়িই এ বার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) নজরে! কার টাকায় এই বিলাসবহুল দলীয় অফিস তৈরি হল, তারই তদন্তে কেন্দ্রীয় সংস্থা। সূত্রের খবর, ভবন তৈরিতে কয়েক কোটি টাকা খরচের উৎস কী, তা তদন্ত করে দেখতে চায় ইডি। সেই সূত্রেই  কোন পথে এত টাকা এসেছিল, মূলত সেটা জানতেই এই চার জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে ইডি। ওই দলীয় কার্যালয়ে থাকা মা কালীর বিপুল অঙ্কের গয়নাও তদন্তকারীদের নজরে রয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, বোলপুরের বিশাল দলীয় কার্যালয়টি প্রথমে তৃণমূল নেতা তথা কাউন্সিলার শিবনাথ রায় এবং বোলপুর পুরসভার তিন কর্মীর নামে কেনা হয়েছিল। পরে অনুব্রতের তৈরি করে দেওয়া ট্রাস্টের নামে সেটি হস্তান্তর করা হয়। শিবনাথ-সহ ওই চার জনকেই তলব করা হয়েছে।

    অনুব্রত (Anubrata Mondal) ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কাউন্সিলার কী বললেন?

    তৃণমূল কাউন্সিলার শিবনাথ বলেন, ইডির সমন পেয়েছি। তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় কেনার সময় অনুব্রত আমাদের কয়েক জনকে বেশ কিছু জায়গায় সই করিয়েছিলেন। আমার মনে হয় তার জন্যই ডেকে পাঠানো হয়েছে। তদন্তে সবরকমভাবে সহযোগিতাও করব। তবে এত তাড়াতাড়ির মধ্যে দিল্লি যাওয়া সম্ভব নয় বলে ই-মেল করে জানিয়েছি ইডি-কে।

    রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তরজা

    সিপিএমের জেলা সম্পাদক গৌতম ঘোষ বলেন, যা কালো টাকা বা যা বেআইনি সম্পদ, তার সবটা অনুব্রত একা নয়, সবাই মিলেই করেছেন। সুতরাং সত্য উদ্ঘাটন করতে গেলে সকলকেই জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। বিজেপির বোলপুর সংগঠনিক জেলা সভাপতি সন্ন্যাসীচরণ মণ্ডলের দাবি, অনুব্রতের অনুগামীরা কালো টাকার সঙ্গে যুক্ত আছেন। শুধু সময়ের অপেক্ষা। আরও বহু জনকে ডাকবে। তৃণমূলের জেলা সহ- সভাপতি মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, বোলপুরের জেলা পার্টি অফিসের ট্রাস্টি সম্পর্কে কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য ওই চার জনকে ডাকা হয়েছে বলে জেনেছি। বিরোধীরা ভিত্তিহীন অভিযোগ করছেন।

    অন্যদিকে, ইডি-র নজরে পার্টি অফিস থাকার পাশপাশি  নানুরের হোসেনপুরের পরে এ বার বোলপুরের বাহিরি-পাঁচশোয়া এলাকায় দলীয় কার্যালয়ে। সেখানে অনুব্রতের নাম ও ছবি আগেই মোছা হয়েছিল বলে খবর। সেই চুনকাম করা অংশের উপরে সম্প্রতি সাঁটানো হয়েছে তৃণমূলে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও নবনির্বাচিত জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখের ছবি। এমন ঘটনায় ফের তৃণমূলের অন্দরে চর্চা শুরু হয়েছে, দলের জেলা সভাপতি থাকা সত্ত্বেও কি অনুব্রতের অস্তিত্ব ধীরে ধীরে  মুছে ফেলতে চাইছে দল?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: বীরভূমে তৃণমূল কার্যালয় থেকে মুছে ফেলা হল অনুব্রতের ছবি, কীসের ইঙ্গিত?

    Anubrata Mondal: বীরভূমে তৃণমূল কার্যালয় থেকে মুছে ফেলা হল অনুব্রতের ছবি, কীসের ইঙ্গিত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বীরভূম জেলার বেতাজ বাদশা অনুব্রত মণ্ডল। সেই অনুব্রত মণ্ডলই (Anubrata Mondal) কি না দলের মধ্যে ব্রাত্য হয়ে পড়ছেন। এমনিতেই গরু পাচার দুর্নীতি মামলায় গত এক বছরের বেশি সময় ধরে তিনি তিহারে রয়েছেন। দুর্নীতির অভিযোগ থাকলেও খাতায় কলমে তিনি এখনও জেলা সভাপতির পদে বহাল। কিন্তু, বীরভূমের সংগঠনের হাল ধরতে ময়দানে নেমেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে, সময়ের সঙ্গে বদলাচ্ছে তৃণমূলের জেলা সংগঠনের কর্তৃত্বের রাশ। অনুব্রত ‘বিরোধী’ নানুরের কাজল শেখ এখন দলের গুরুত্ব পেয়েছেন। তিনি জেলা পরিষদের সভাধিপতিও। সেই কাজলের খাসতালুক নানুরেই অবাককাণ্ড। জেলায় তৃণমূলের অন্দরে কেষ্ট জমানা শেষ হয়ে কি কাজল সেখের জমানা শুরু হয়েছে?

    ঠিক কী হয়েছে নানুরে? (Anubrata Mondal)

    নানুর থানার হোসেনপুর গ্রামে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের ঢোকার মুখে দেওয়ালে দীর্ঘদিন ধরে একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অন্যদিকে অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) ছবি আঁকা ছিল। ঠিক পাশের দেওয়ালে অনুব্রত মণ্ডল জিন্দাবাদ লেখা ছিল। আর সেই লেখা এবং ছবিও মুছে ফেলা হয়েছে। যদি তা কে করেছে বা কারা করেছে কেউ কিছু বলতে পারছে না। প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই এই জেলায় একটি দুয়ারে সরকার শিবিরের আগে হোর্ডিংয়ে তৃণমূল নেত্রীর সঙ্গে কাজল সেখের ছবি ছিল। সেখানে কেষ্ট মণ্ডলের ঠাঁই হয়নি। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা হয়েছিল। এবার ফের দলীয় কার্যালয় থেকে তাঁর ছবি মুছে ফেলা হল। বীরভূমে অনুব্রত জমানা যে শেষ হতে বসেছে তা এই দুটি ঘটনা তার জ্বলন্ত প্রমাণ।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    একসময়ের অনুব্রত (Anubrata Mondal) ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত নানুরের ব্লক সভাপতি সুব্রত ভট্টাচার্য। অনুব্রত জমানা শেষ হলেও এখনও তিনি স্বপদে বহাল রয়েছেন। দলের মধ্যে এই ধরনের ঘটনায় তিনিও বিব্রত। কিন্তু, তার বেশি আস্ফালন করার কোনও জায়গা নেই। তাই, বিষয়টি জানার পরই তিনি বলেন, আমি বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব। আর সামনেই দুর্গাপুজো, তাই হয়তো কেউ মুছে ফেলেছে। নতুন করে করা হবে। এর বেশি তিনি কিছু বলতে চাননি।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    শুক্রবার নানুনের হোসেনপুরে তৃণমূল পার্টি অফিসের ছবি পোস্ট করেছেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা। সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, জোড়া-ফুলের দলীয় কার্যালয়ের বাইরের দেওয়ালের একদিকে রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। তার পাশে অনুব্রতের (Anubrata Mondal) ছবির জায়গায় রং লেপা রয়েছে। অনুপম হাজরা বলেন, নানুরের হোসেনপুর গ্রামের তৃণমূল কার্যালয়ে অনুব্রত মণ্ডলের ছবি মুছে ফেলা হল। দিদিমণি তো আগেই মুছে দিয়েছেন মন থেকে,এবার দেওয়াল থেকে মোছা শুরু হল। তৃণমূলে একটাই নীতি – চুরি করে যতদিন তুমি পার্টিকে দিতে পারবে ততদিন তুমি ‘ভালো ছেলে’ আর ধরা পড়লেই পার্টি তোমাকে চেনে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: বিজেপিকে জেতানোর অপরাধ! কেটে দেওয়া হল বাঁশের সাঁকো, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Arambagh: বিজেপিকে জেতানোর অপরাধ! কেটে দেওয়া হল বাঁশের সাঁকো, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েক মাস আগেই আরামবাগে বিজেপি কাউন্সিলারের ওয়ার্ড বলে রাস্তা সংস্কার না করার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বুধবার রাতে বনগাঁয় বিজেপি করার অপরাধে এক দলীয় কর্মীর উপর হামলা এবং ছেলে বাঁচাতে গিয়ে খুন হন মা। নৃশংস এই ঘটনায় অভিযুক্ত তৃণমূল। এসব ঘটনার মধ্যে এবার পঞ্চায়েতে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার কারণে যোগাযোগের বাঁশের সাঁকো কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে আরামবাগের  (Arambagh) খানাকুল-২ ব্লক এলাকার নতিবপুর-১ ও ২ পঞ্চায়েত এলাকায়। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Arambagh)

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে আরামবাগের (Arambagh) খানাকুল-২ ব্লক এলাকার নতিবপুর-১ পঞ্চায়েতে তৃণমূল জয়লাভ করে। নতিবপুর-২ পঞ্চায়েত দখল করে বিজেপি। এই দুই গ্রামপঞ্চায়েতের মাঝখান দিয়ে বয়ে গিয়েছে মুণ্ডেশ্বরী নদী। তার উপরই বাঁশের সাঁকো। সেই সাঁকো রাতের অন্ধকারে নদীতে জল বাড়ার সুযোগ নিয়ে ভেঙে দেওয়া হয়েছে। সেই সাঁকোই করাত দিয়ে কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠল শাসকদলের স্থানীয় নেতা- কর্মীদের বিরুদ্ধে। খানাকুলের বালিগোড়ি গ্রামে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্ষোভে ফুঁসছেন এলাকার লোকজন। বিজেপিকে ভোট দেওয়ার কারণে এমনটা ঘটানো হয়েছে বলে দাবি এলাকাবাসীর। ঘটনাস্থলে যান বিজেপির বিধায়ক। এলাকা ঘুরে তিনিও তৃণমূলকে কাঠগড়ায় তোলেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গ্রামের মানুষ যাতায়াত করতে পারছেন না। বুড়ো-বাচ্চাদের নিয়ে আরও সমস্যা হচ্ছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    খানাকুলের বিজেপি বিধায়ক সুশান্ত ঘোষ বলেন, এখানে বিজেপির পঞ্চায়েত। মানুষের কাছে ভুল বার্তা দিতেই এসব করছে। স্থানীয় কিছু তৃণমূল নেতাও তাতে জড়িত রয়েছে। রাতের অন্ধকারে ব্রিজের একটা অংশ কেটে দেওয়া হয়। আর তার জেরেই জলের হালকা স্রোতে বাকিটা ভেসে যায়। আমিও ওখানে গিয়ে দেখেছি, চারপাশে কাঠের গুঁড়ো ছড়ানো। মেশিন দিয়ে ওই ব্রিজটি কাটা হয়েছে। খানাকুল থানার ওসিকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জানিয়েছি।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের ব্লক সম্পাদক বিপ্লব লহরী বলেন, সুশান্ত ঘোষ এটা নিয়ে রাজনীতি করছেন। আসলে ব্রিজটি ভগ্নপ্রায়ই ছিল। ডিভিসি জল ছেড়েছে। সেই জলের তোড়ে ব্রিজটিকে ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছে। তৃণমূল এসব কেন করতে যাবে? রাজনীতি করতে বিজেপ এসব করছে। তৃণমূল কোনওদিনই এসব চায় না।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bongaon: বিজেপি করা অপরাধ! ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে খুন হলেন মা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Bongaon: বিজেপি করা অপরাধ! ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে খুন হলেন মা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি করার অপরাধে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে। বিজেপি কর্মীর মাকে পিটিয়ে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনায় বনগাঁর (Bongaon) ঠাকুরনগরের মানিকহীরা গ্রামে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম কানন রায়। তাঁর ছেলের নাম জয়ন্ত রায়। তিনি এলাকায় বিজেপি কর্মী হিসেবে পরিচিত। হামলাকারী তৃণমূল কর্মীর নাম সমীর মল্লিক। তিনি বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতি নিরুপম রায়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Bongaon)  

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, জয়ন্তবাবুর পরিবারের সকলেই বিজেপি সমর্থক। আর এই বিজেপি দল করার অপরাধে প্রায়ই তাঁর বাড়ির উদ্দেশে গালিগালাজ করত সমীর মল্লিক নামে অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী। বুধবার সন্ধ্যাতেও গালিগালাজ করতে করতে যাচ্ছিলেন তিনি। জয়ন্তবাবু তার প্রতিবাদ করলে সমীর মল্লিক তাঁর ওপর চড়াও হন। বেধড়ক মারধর করতে থাকে। ছেলেকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন বৃদ্ধা মা ও বাবা। তাঁদেরও মারধর করেন সমীর। এমনকী জয়ন্তবাবুর স্ত্রীকেও মারধর করা হয়। জয়ন্তবাবুর মাকে বাঁশ দিয়ে বেধড়ক পেটানো হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই ঘটনায় এলাকার মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁরা বনগাঁ (Bongaon) সাংগঠনিক জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতি নিরুপম রায়ের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। যদিও ঘটনার পরই অভিযুক্ত হামলাকারীকে গ্রেফতার করেছে গাইঘাটা থানার পুলিশ।

    কী বললেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী?

    মৃতার ছেলে তথা বিজেপি কর্মী জয়ন্ত রায় বলেন, বিজেপি করাটা আমাদের অপরাধ। সমীর নামে এই তৃণমূল কর্মী এর আগেও আমাদের বহুবার গালিগালাজ করেছে। বুধবার আমি প্রতিবাদ করেছিলাম বলে ও এভাবে আমার বাড়ির সকলের উপর হামলা চালিয়েছে। আমার মাকে তো খুন করে দিল। আমরা অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    এদিন বিজেপির বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি দেবদাস মণ্ডল বলেন, যে বুথে এই ঘটনাটি ঘটেছে সেই বুথে সব থেকে বেশি ভোট পেয়েছিল বিজেপি। আজকে আমরা কোন রাজ্যে বাস করছি যেখানে একজন তৃণমূলের যুব নেতা নিজে দাঁড়িয়ে থেকে খুন করিয়ে দিল। আমরা অবিলম্বে  দাবি জানাচ্ছি। এই বাংলায় শাসন বলে কিছু নেই ক্রিমিনাল গুন্ডাদের রাজত্ব চলছে। নিরূপমের নেতৃত্বে ওই বিজেপি কর্মীর মা খুন হয়েছ। সবার আগে নিরুপমকে গ্রেফতার করা দরকার ছিল।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    বনগাঁ (Bongaon) সাংগঠনিক জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতি নিরুপম রায় বলেন, কাল রাতে একটা ঘটনা ঘটেছে মানিকহীরা দেশপাড়ায়। সমীর মল্লিক নামে তৃণমূল কংগ্রেসের এক কর্মী এলাকার বিজেপির কর্মীদের সঙ্গে মারামারিতে এক বিজেপি কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। সব মৃত্যুই বেদনার। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে। আইন আইনের পথে চলছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sodepur: এ কী কাণ্ড! সোদপুরে একসঙ্গে ঝান্ডা হাতে আন্দোলনে সিপিএম-তৃণমূল, হতবাক এলাকাবাসী

    Sodepur: এ কী কাণ্ড! সোদপুরে একসঙ্গে ঝান্ডা হাতে আন্দোলনে সিপিএম-তৃণমূল, হতবাক এলাকাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলি জেলাজুড়ে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের হোর্ডিং ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছিল। হোর্ডিংয়ে একসঙ্গে মমতা-অধীর, অভিষেক-সুজনের ছবি। তৃণমূল এবং সিপিএম নেতৃত্ব এই হোর্ডিংয়ের দায় নিতে অস্বীকার করেছেন। কারণ, রাজ্যে সিপিএমের মূল শত্রু তৃণমূল এবং বিজেপি। সেখানে তৃণমূলের শীর্ষ নেতা-নেত্রীর সঙ্গে দলের রাজ্য নেতাদের ছবি থাকায় সিপিএম নেতৃত্ব অস্বস্তিতে পড়ে হোর্ডিং ছিঁড়ে ফেলার নিদান দিয়েছে কর্মীদের। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতে এবার বারাকপুরের সোদপুর (Sodepur) স্টেশনে রেল হকারদের উচ্ছেদের প্রতিবাদে রাজ্যের দুই যুযুধান প্রতিপক্ষ তৃণমূল ও সিপিএমের শ্রমিক সংগঠন রেলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে একসঙ্গে মিছিল করল। সোদপুর প্ল্যাটফর্মে তৃণমূল সিপিএমের একসঙ্গে ঝান্ডা নিয়ে এই প্রতিবাদের ঘটনা দেখে হতবাক নিত্যযাত্রী থেকে সকল রেলযাত্রী।

    কেন আন্দোলন? (Sodepur)

    তৃণমূল এবং সিপিএম দুই দলেরই শ্রমিক সংগঠনের কর্মী সমর্থকরা সোদপুরে (Sodepur) একসঙ্গে দলীয় ঝান্ডা এবং ব্যানার হাতে স্টেশন চত্বরে প্রতিবাদ মিছিল করেন। যা নিয়ে রীতিমতো চর্চা শুরু হয়েছে। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নিচু তলায় সিপিএম এবং তৃণমূলকর্মীরা যে কাছাকাছি আসতে পারেন এই ঘটনাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল। ‘ইন্ডিয়া’ জোটে তৃণমূল থাকায় সিপিএম সমন্বয় কমিটিতে থাকল না, অথচ সোদপুর রেল স্টেশনের হকার ইউনিয়নের সিপিএম কর্মীরা তৃণমূলের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রেলের বিরুদ্ধে স্লোগান দিলেন, মিছিল করলেন। দুপক্ষই একসঙ্গে রেলের বিরুদ্ধে রীতিমতো জেহাদ ঘোষণা করলেন। প্রসঙ্গত, শিয়ালদা মেন লাইনের প্রত্যেকটি রেল স্টেশনে বহুবার হকার উচ্ছেদের নোটিশ দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ। কয়েকটি জায়গায় রেল পুলিশ অভিযানও চালিয়েছে। এছাড়াও পুনর্বাসন না দিয়ে উচ্ছেদ করা যাবে না, এটা জানিয়ে লাগাতার স্টেশন গুলিতে আন্দোলনও চালিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলির শ্রমিক সংগঠন। তৃণমূলের পক্ষ থেকে পরিষ্কার বলে দেওয়া হয়েছে, সুষ্ঠু পুনর্বাসন ছাড়া উচ্ছেদ করা যাবে না। একই দাবিতে সোদপুর রেলস্টেশনে প্রতিবাদ মিছিল হয়। কিন্তু, সেই মিছিল রাজ্য রাজনীতির এক বিরল চিত্র দেখা যায়।

    কী বললেন সিপিএম নেতৃত্ব?

    শাসক বিরোধী একসঙ্গেই মিছিল করেছেন বলেই কার্যত স্বীকার করে নেয় উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সিটুর নেত্রী গার্গী চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রেই শ্রমিক সংগঠন একসঙ্গে প্রতিবাদ করে। যেভাবে রেলস্টেশন থেকে হকারদের উচ্ছেদ করে দেওয়া হচ্ছে তার প্রতিবাদে এবং হকাররা নিজেদের রুটি রুজির দাবিতে এক হয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে। তাই অনেক রকম ঝান্ডা থাকতে পারে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এই প্রসঙ্গে বারাকপুর দমদম সাংগঠনিক জেলা আইএনটিটিইউসি সভাপতি সোমনাথ শ্যাম বলেন, সোদপুরে (Sodepur) প্রতিবাদ কর্মসূচি আমাদের পূর্ব ঘোষিত ছিল। সেই অনুযায়ী হকারদের স্বার্থে আইএনটিটিইউসি একাধিক দাবি নিয়ে মিছিল করেছে। অন্য রাজনৈতিক দলের শ্রমিক সংগঠনও একইদিনে একইস্থানে মিছিল করেছে। এখানে একসঙ্গে রাজনৈতিক কর্মসূচি করার কোন ব্যাপার নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: ‘মমতা-সুজন-অধীর-অভিষেক-সেলিম’ এক ব্যানারে, হুগলিজুড়ে পোস্টারে চাঞ্চল্য

    Hooghly: ‘মমতা-সুজন-অধীর-অভিষেক-সেলিম’ এক ব্যানারে, হুগলিজুড়ে পোস্টারে চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামান্য একটি রাজনৈতিক নেতাদের ছবি সহ ব্যানার। আর সেই ব্যানার নিয়ে তোলপাড়় হুগলি (Hooghly) জেলার রাজনীতি। জেলার একাধিক প্রান্তেই ওই ব্যানার কে বা কারা টাঙিয়েছে। আর সেই ব্যানারকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।

    কী রয়েছে ব্যানারে? (Hooghly)  

    লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে বিরোধীরা ইন্ডিয়া জোট গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তবে, সেই জোটের স্লোগান, ব্যানার, ফেস্টুন, প্রচারের ইস্যু কী হবে তা কিছুই ঠিক হয়নি। ব্যানারে কাদের ছবি ব্যবহার করা হবে, কাদের হবে না সেই বিষয়ে কোনও স্পষ্ট কোনও বার্তা নেই। এরমধ্যেই হুগলি (Hooghly)  জেলায় একটি ব্যানারে দেখা গেল, এক ফ্রেমের মধ্যে মমতা- অভিষেক-সনিয়া-রাহুল-সেলিম-সুজন সকলের মুখ একসঙ্গে শোভা পাচ্ছে ব্যানারে। বাংলার রাজনীতিতে এমন ছবি বিরল। তৃণমূল-বাম-কংগ্রেস সব দলের নেতাদের মুখ একসঙ্গে। এক ব্যানারে। শুধু তাই নয়, একই ব্যানারে লেখা রয়েছে ‘ইনক্লাব’, ‘জয় বাংলা’ ধ্বনিও। বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ‘ইন্ডিয়া’ জোটে সামিল হওয়ার ডাক দেওয়া হয়েছে সেখানে। হুগলি জেলার বিভিন্ন জায়গায় এমন ব্যানার লাগানো হয়েছে। চাঁপদানী, ভদ্রেশ্বর, পোলবা-সহ অনেক জায়গায় দেখা গিয়েছে মমতা-সেলিম- অধীরদের ছবি নিয়ে এই ব্যানার। কিন্তু কারা ছড়াল এসব? ব্যানার দেখে তা বোঝার উপায় নেই। কারণ, কোনও দল বা কোনও সংগঠনের নাম সেখানে উল্লেখ নেই। শুধু ইন্ডিয়ার সমর্থনে প্রচার করা হয়েছে।

    ব্যানার নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    কোনও রাজনৈতিক দলই ব্যানার লাগানোর দায় নিচ্ছে না। তৃণমূলের হুগলি (Hooghly) জেলা সভাপতি অরিন্দম গুঁইন বলছেন, ইন্ডিয়া জোট শক্তিশালী হোক, এটা আমরা সবাই চাই। বিজেপিকে আটকাতে হলে ইন্ডিয়া জোটকে শক্তিশালী করতে হবে। তবে, এই পোস্টার বা ব্যানার কারা লাগাচ্ছে, সেটা আমাদের জানা নেই। আমাদের দলের কেউ করেনি এটা বলতে পারি। ইন্ডিয়া জোটের সমর্থনে এই পোস্টারের দায় নিতে নারাজ বামেরাও। সিপিএম জেলা সম্পাদক দেবব্রত ঘোষ বলছেন, আমাদের নেতৃত্বের অনুমতি ছাড়া ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। আমাদের কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছি, যেখানে এই ধরনের পোস্টার দেখবে, যেন সেগুলি ছিঁড়ে দেওয়া হয়। কংগ্রেসের হুগলি জেলা সহ সভাপতি দেবব্ৰত চট্টোপাধ্যায় বলেন, ইন্ডিয়া জোট হওয়ার পর বিজেপি ভয় পেয়ে গিয়েছে। যাতে এই সমঝোতা ভেঙে যায়, সেই চেষ্টা করছে বিজেপি। সিপিএম ও কংগ্রেস কর্মীদের বিভ্রান্ত করে নিজেদের হাত শক্ত করার চেষ্টা করছে বিজেপি। বিভিন্ন জায়গায় পোস্টার লাগাচ্ছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    এদিকে ব্যানার বিতর্কে বিজেপি আবার খোঁচা দিতে শুরু করেছে তৃণমূল-সিপিএম-কংগ্রেসকে। পদ্ম শিবিরের হুগলি (Hooghly)  সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক সুরেশ সাউ বলছেন, বেঙ্গালুরুতে যখন এদের শীর্ষ নেতৃত্বরা বৈঠক করেছিল, তখনই রাজ্যের মানুষের কাছে এদের আসল ছবি পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল। এদের দিল্লিতে একরকম মুখোশ, পশ্চিমবঙ্গে আরেকরকম মুখোশ। এই ব্যানার নিয়ে সাধারণ মানুষের এতটুকু মাথাব্যথা নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: মন্ত্রী-পুরপ্রধানের দ্বন্দ্বে অস্বস্তিতে শাসকদল, সরকারি অনুষ্ঠানে তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    Cooch Behar: মন্ত্রী-পুরপ্রধানের দ্বন্দ্বে অস্বস্তিতে শাসকদল, সরকারি অনুষ্ঠানে তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মন্ত্রী উদয়ন গুহের সঙ্গে পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষের কোন্দল নিয়ে দলের অন্দরে চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। শুধু দলের সাংগঠনিক বিষয়ে নয় সরকারি অনুষ্ঠানের কর্মসূচিতে শাসকদলের জেলার দুই শীর্ষ নেতার দ্বন্দ্ব একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে। যা নিয়ে কোচবিহার (Cooch Behar) জেলাজুড়ে চরম অস্বস্তিতে তৃণমূল।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Cooch Behar)

    শিলান্যাস হচ্ছে কোচবিহার (Cooch Behar) পুর এলাকার বেশ কিছু রাস্তার কাজ। আর সেখানেই আরও একবার প্রকাশ্যে আসল রাজ্যের মন্ত্রী উদয়ন গুহ ও পুরপ্রধান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ-এর দ্বন্দ্ব। অভিযোগ, উদ্বোধনী ব্যানার থেকে শুরু করে চিঠিতে নাম নেই কোচবিহারের পুরপ্রধান রবীন্দ্রনাথ ঘোষের। রাজ্য সরকারের উদ্যোগে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের আর্থিক সহযোগিতায় কোচবিহার পুর এলাকার ১৮টি রাস্তার কাজের শিলান্যাস করলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী উদয়ন গুহ। শনিবার উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দফতরের কোচবিহার দফতরের সামনে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শিলান্যাস কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। শিলান্যাস অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক পবন কাদিয়ান, জেলা সভাধিপতি সুমিতা বর্মন, কোচবিহার পুরসভার উপ-পুরপ্রধান আমিনা আহমেদ। শনিবারই সেই অনুষ্ঠান ছিল। স্বাভাবিকভাবে সেই অনুষ্ঠানে পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ যাননি। যদিও অনুষ্ঠানে থাকার আমন্ত্রণ অনেক কাউন্সিলার পাননি বলেও অভিযোগ উঠছে। ফলে, সেই কাউন্সিলারও অনুষ্ঠানে যাননি। একটি সরকারি অনুষ্ঠানেও তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল এভাবে প্রকাশ্যে আসায় রীতিমতো অস্বস্তি শাসক শিবিরে। কোচবিহার জেলার দুই হেভিওয়েট নেতার এই অন্তর্দ্বন্দ্ব আসন্ন ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে কতটা প্রভাব ফেলবে সেটা সময়ের অপেক্ষা।

    মন্ত্রীর কী বক্তব্য?

    মন্ত্রী উদয়ন গুহ বলেন, চলতি মাসের ৪ তারিখ চিঠি দিয়ে সবিস্তারে জানানো হয়েছিল পুরপ্রধান রবীন্দ্রনাথ ঘোষকে। এমনকী শনিবারের অনুষ্ঠান নিয়েও তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। পুর এলাকায় কাজ হবে অথচ পুরপ্রধানকে জানানো হবে না, এটা কখনওই হতে পারে না।

    পুরসভার চেয়ারম্যান কী বললেন?

    কোচবিহার (Cooch Behar) পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ নিজের পুর এলাকায় রাস্তা শিলান্যাসের বিষয়ে কিছু জানেন না বলে এড়িয়ে গেলেন। তিনি বলেন, সরকারি অনুষ্ঠানের বিষয়ে আমি জানি না। কোথায় কী হচ্ছে আমি জানিনা! তাছাড়া আমাকে এই বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arambagh: নবজোয়ারের পর আরামবাগে বহু পঞ্চায়েত হাতছাড়া তৃণমূলের, ক্ষমতা দখল বিজেপির

    Arambagh: নবজোয়ারের পর আরামবাগে বহু পঞ্চায়েত হাতছাড়া তৃণমূলের, ক্ষমতা দখল বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নবজোয়ার কর্মসূচির পর আরামবাগ (Arambagh) মহকুমায় পঞ্চায়েত নির্বাচনে নতুন করে শক্তি বাড়িয়েছে বিজেপি। আর গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে দুর্বল হয়ে পড়েছে তৃণমূল। তৃণমূলের দখলে থাকা পঞ্চায়েত সমিতি দখল করেছে বিজেপি। একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েতেও বিজেপি ঝান্ডা উড়েছে। পাশাপাশি তৃণমূল বোর্ড গড়লেও সেখানে পঞ্চায়েতের সদস্য সংখ্যার নিরিখে তৃণমূলকে সমান টক্কর দিয়েছে বিজেপি। ফলে, আরামবাগে যুবরাজের নবজোয়ারের ফানুস অনেকটাই চুপসে গিয়েছে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    বিধানসভার পর থেকেই আরামবাগে (Arambagh) শুরু হয় বিজেপির জয়যাত্রা

    ২০১৬ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত এই মহকুমা (Arambagh) শাসক দল তৃণমূলই সব জায়গায় ক্ষমতায় ছিল। গোটা মহকুমা একেবারেই  বিরোধীশূন্য হয়ে পড়ে। এরমধ্যেই গত পঞ্চায়েত নির্বাচন ২০১৮ সালে এই মহকুমাতেই একমাত্র বিরোধী দল হিসাবে জায়গা করে নেয় বিজেপি। তারপর থেকেই ধীরে ধীরে বিজেপির উত্থান শুরু হয়।  ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে মাত্র ১ হাজার ২০০ ভোটে জয়লাভ করেন আরামবাগ লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল সাংসদ শ্রীমতি অপূর্ব পোদ্দার। তারপর থেকেই আরামবাগে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে বিজেপির সংগঠন। ২০২১সালে আরামবাগ মহকুমার খানাকুল, আরামবাগ, পুরশুড়া, গোঘাট বিধানসভায় বিজেপি জয়লাভ করে। পঞ্চায়েত ভোটের আগে আরামবাগে নবজোয়ার কর্মসূচিতে যোগ দেন যুবরাজ। আরামবাগের ভালিয়া এলাকায় একটি সভাও করেন। এই মঞ্চ থেকেই আরামবাগ মহাকুমার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের হাজারো প্রতিশ্রুতি দিয়ে গিয়েছিলেন। এলাকায় বহু সমস্যার সমাধানের জন্য তিনি সাধারণ মানুষকে তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট দেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু, তাতে খুব বেশি লাভ হয়নি। কারণ, যেখানে সুষ্ঠুভাবে ভোট হয়েছে বিজেপি ভাল ফল করেছে। এমনই দাবি বিজেপি নেতৃত্বের।

    আরামবাগে পঞ্চায়েত স্তরে কেমন ফল করেছে বিজেপি?

    ২০১৮ সালে এই মহকুমায় (Arambagh) পঞ্চায়েত স্তরে কোনও গ্রাম পঞ্চায়েত দখল তো দূরের কথা বিজেপির কোনও সদস্যই ছিল না। ২০২৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে সেই চিত্রটাই বদলে গিয়েছে। ২০২৩ সালে এই পঞ্চায়েত নির্বাচনে শুধু পঞ্চায়েত সদস্য নয় একেবারে ত্রিস্তর বিজেপি শক্তিবৃদ্ধি করেছে বিজেপি। পঞ্চায়েত পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদে আরামবাগ মহকুমায় মোট ১৫টি গ্রাম পঞ্চায়েত, খানাকুল-২ পঞ্চায়েত সমিতি দখল করেছে। জেলা পরিষদের আরামবাগের খানাকুলে এই প্রথম দুটি আসন পেয়েছে বিজেপি।  খানাকুল-১ গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল বোর্ড গড়লেও ২৩টি আসনের মধ্যে বিজেপির আসন সংখ্যা ১১টি।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, তৃণমূলের যুবরাজ দুর্নীতির টাকায় গরু,কয়লা,বালি সহ অন্যান্য বেআইনি কারবারের টাকায় নবজোয়ার কর্মসূচি করেছিল। তার ফল জিরো হয়েছে। ফলেই তার জ্বলন্ত প্রমাণ। কারণ, এই মহকুমায় যেখানে মানুষ ভোট দিতে পেরেছে সেখানে বিজেপি জয়লাভ করেছে। আগামী লোকসভা নির্বাচনে শুধু আরামবাগ মহকুমা নয়, সারা রাজ্যে বিজেপির খুব ভালো ফল হবে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি স্বপন নন্দী বলেন, নবজোয়ারের মাধ্যমে বিজেপির বিভিন্ন দুর্নীতি ও কারচুপি মানুষ বুঝতে পেরেছে। আমাদের যুবরাজ সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তা মানুষের কাছে তুলে ধরেছিল। বিজেপি কোনও ফ্যাক্টর নয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share