Tag: Trinamool

Trinamool

  • Arambagh: আরামবাগের খানাকুল-২ পঞ্চায়েত সমিতিতে প্রথম বোর্ড গড়ল বিজেপি, কর্মীদের উচ্ছ্বাস

    Arambagh: আরামবাগের খানাকুল-২ পঞ্চায়েত সমিতিতে প্রথম বোর্ড গড়ল বিজেপি, কর্মীদের উচ্ছ্বাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলকে হারিয়ে আরামবাগের (Arambagh) খানাকুল-২ পঞ্চায়েত সমিতিতে বোর্ড গঠন করল বিজেপি। শুধু আরামবাগ নয়, হুগলি জেলায় প্রথম বিজেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বোর্ড গঠন করল। যদিও বোর্ড গঠনের আগেই একটু উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। পরে, তা মিটে যায়। খানাকুল-২ পঞ্চায়েত সমিতিতে মোট ৩৩ টি আসন রয়েছে। এরমধ্যে তৃণমূল জয়ী হয় ১৫ টি আসনে। আর বাকি ১৮ টি আসনের দখল নেয় বিজেপি। সেই কারণে এদিন সকাল থেকে বোর্ড গঠনের জন্য পঞ্চায়েত সমিতির অফিস চত্বরে প্রচুর বিজেপি কর্মী সমর্থক জমায়েত হন। প্রথমদিকে সামান্য উত্তেজনা হওয়ার পর বিজেপি বোর্ড গঠন করে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Arambagh)

    এদিন আরামবাগের (Arambagh) খানাকুল-২ পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ড গঠন ঘিরে সকাল থেকেই চাপা উত্তেজনা ছিল। ঘটনার সূত্রপাত, ব্লক অফিসে একটি অচেনা গাড়ি ঢোকাকে কেন্দ্র করে। অচেনা গাড়ি দেখে হঠাৎ করে বিজেপি কর্মীরা বাধা দেন। সেই পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ লাঠিচার্জ করতেই বিজেপি কর্মীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। বিজেপি কর্মীরা পুলিশের লাঠিচার্জের প্রতিবাদ করেন। বিজেপি কর্মীরা প্রতিরোধ গড়ে তুলতেই বাধ্য হয়েই পিছু হটতে হয় পুলিশকে। যদিও পরে, শান্তিপূর্ণভাবে বোর্ড গঠন হয়। প্রথম পঞ্চায়েত সমিতি দখল করে বিজেপি কর্মীরা উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি বিধায়ক সুশান্ত ঘোষ বলেন, এই খানাকুলে তৃণমূল এতদিন সন্ত্রাস কায়েম করে রেখেছিল। এবার মানুষ বিজেপির উপর আস্থা রেখেছে। এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করবে নতুন বিজেপি বোর্ড। অন্যদিকে, বিজেপি রাজ্য সম্পাদক বিমান ঘোষ বলেন, পুলিশ শাসক দলের হয়ে কাজ করছে। আমাদের কর্মীরা পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ড গঠন করতে গিয়েছিল, সেখানে পুলিশ তাদের ওপর অমানবিকভাবে বিনা দোষে লাঠি চালিয়েছে। বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। শাসক দল চেয়েছিল পুলিশকে দিয়ে বোর্ড গঠন বানচাল করে পঞ্চায়েত সমিতি দখল নেবে। কিন্তু, আমাদের কর্মীরা মার খেয়েও এক ইঞ্চি জমি ছাড়েনি। তাই, এতদিন পর আমরা বোর্ড দখল করলাম।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    আরামবাগ (Arambagh) সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সহ-সভাপতি স্বপন নন্দী বলেন, বিজেপির বাধায় আমাদের কর্মীরা যেতে পারেনি। যাওয়ার পর ওরা যে পরিস্থিতি তৈরি করেছিল তাতে কর্মীরা বাধ্য হয়ে ফিরে আসে। তবে পুলিশের উপর হামলা করেছে বলে জানতে পারছি। এ ঘটনা খুবই নিন্দনীয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: মালদার হবিবপুরে সংখ্যাগরিষ্ঠ বিজেপি, বোর্ড গঠন বাতিল করল প্রশাসন

    Malda: মালদার হবিবপুরে সংখ্যাগরিষ্ঠ বিজেপি, বোর্ড গঠন বাতিল করল প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পর্যাপ্ত পুলিশকর্মী না থাকার কথা জানিয়ে সোমবার বাতিল হয়ে গেল পূর্ব নির্ধারিত মালদার (Malda) হবিবপুর পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ড গঠন। পঞ্চায়েত সমিতিতে সংখ্যা গরিষ্ঠতা না থাকা তৃণমূলকে সন্তুষ্ট করতেই এমন সিদ্ধান্ত বলে বিজেপির অভিযোগ। এদিন পূর্ব নির্ধারিত সময়ে বোর্ড গঠনের জন্য বিজেপির লোকজন হবিবপুর ব্লক প্রশাসনের কার্যালয়ে এসে বোর্ড গঠন স্থগিতের নোটিশ টাঙানো দেখে ক্ষুব্ধ হন। হবিবপুর পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ড গঠনের তারিখ পিছিয়ে দেওয়ার অর্ডার জারি করা হয়েছে। এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    এদিন বেলা এগারোটা নাগাদ বিজেপি সমর্থকরা মালদার (Malda) হবিবপুর বিডিও অফিসে গিয়ে জানতে পারে, আজ বোর্ড গঠন হচ্ছে না। পঞ্চায়েত সমিতির বোর্ড গঠন স্থগিত করা হয়েছে জানতে পেরে ব্লক জুড়ে শোরগোল পড়ে যায়। বিজেপি সমর্থকরা বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। পরে, ঘটনাস্থলে পুলিশ আসে। প্রশাসনের তরফ থেকে তাদেরকে বোঝানো হয়। অবশেষে নোটিশ হাতে করে তারা ফিরে যায়। জানা গিয়েছে, হবিবপুর পঞ্চায়েত সমিতিতে মোট আসন ৩৩ টি। বোর্ড গঠনের জন্য প্রয়োজন ১৭ জন সদস্যের। নির্বাচনের ফলাফলের নিরিখে বিজেপি- ১৭, তৃণমূল- ১৩, সিপিআইএম- ২ এবং কংগ্রেস- ১ টি আসনে জয়ী হয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, মালদার (Malda) হবিবপুর পঞ্চায়েত সমিতিতে মহিলা তফশিলি জাতি সংরক্ষিত একটি আসনে বিজেপি’র এক বিজয়ী প্রার্থী সুলেখা সিংহের জাতিগত শংসাপত্র ভুয়ো বলে বাতিল করা হয়েছে তৃণমূলকে সন্তুষ্ট করতে। এদিন বিজেপির বিধায়ক জয়েল মুর্মু ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পঞ্চায়েত সমিতিতে বিজেপির বিজয়ী প্রার্থী সুলেখা সিংহের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ বঞ্চিত করার ষড়যন্ত্র করে তাঁর জাতিগত শংসাপত্র বাতিল করেছে প্রশাসন। তৃণমূলকে খুশি করতেই এই ব্যবস্থা। সোমবার বোর্ড গঠনের ভোট ছিল। এদিন আমরা এসে দেখি, বেলা সাড়ে এগারোটা নাগাদ ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত পুলিশ না থাকার কথা উল্লেখ করে বোর্ড গঠন স্থগিত রাখার নোটিশ টাঙাচ্ছে। এদিন বোর্ড গঠনের দিন ধার্য করেছিল প্রশাসন। তাহলে কেন পুলিশি ব্যবস্থা আগে নেওয়া হয়নি। আসলে বিজেপি যাতে বোর্ড গঠন করতে না পারে এটা সেই চক্রান্ত। এর বিরুদ্ধে প্রয়োজনে আমরা আদালতে যাব।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্বের?

     স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, বিষয়টি পুরোপুরি প্রশাসনিক। তাই, এর সঙ্গে দলের কোনও যোগ নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: মুর্শিদাবাদে তৃণমূলকে হারিয়ে ১০টি পঞ্চায়েতে বোর্ড গড়ল বিজেপি

    Murshidabad: মুর্শিদাবাদে তৃণমূলকে হারিয়ে ১০টি পঞ্চায়েতে বোর্ড গড়ল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংখ্যালঘু অধ্যুষিত মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলায় বাজিমাত করল বিজেপি। তৃণমূলের খাসতালুকেই এখন গেরুয়া বাহিনীর দাপট। ২০১৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপির আসন সংখ্যা প্রায় দূরবীন দিয়ে দেখতে হত। এখন সেখানে জেলার একাধিক ব্লকেই বিজেপি প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। বহু পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করেছে বিজেপি। যা এতদিন ভাবা যেত না। বহু জায়গায় বোর্ড গঠন করতে পেরে বিজেপি কর্মীরাও চাঙ্গা।

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলায় কটি পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করল বিজেপি?

    এই জেলায় (Murshidabad) লোকসভার তিনটি আসন রয়েছ। এর মধ্যে দুটি তৃণমূলের এবং বিধানসভায় ২২ টি সিটের মধ্যে ২০ টি তৃণমূলের। সেখানে কী করে বিজেপি এতগুলি সিট পেল সেই নিয়ে মুর্শিদাবাদ জেলায় চলছে চুলচেরা বিচার। ভরতপুর বিধানসভার টেঁয়া-বদ্যিপুর, বহরমপুর ব্লকের হাতিনগর গ্রাম প়ঞ্চায়েত, বেলডাঙ্গা বিধানসভার মহুলা গ্রাম পঞ্চায়েত, বড়ঞা ব্লকের কুরুন্ননুন, বেলডাঙ্গা-১ ব্লকের চৈতন্যপুর-২, বহরমপুর ব্লকের রাঙামাটি চাঁদপাড়া, বেলডাঙ্গা-২ ব্লকের রামনগর বাছড়া, বেলডাঙ্গা-২ ব্লকের কামনগর, বড়ঞার বিপ্রশেখর গ্রাম পঞ্চায়েত, কল্যাণপুর-১ পঞ্চায়েত এলাকায় বিজেপির প্রধান নির্বাচিত হয়েছে। বিজেপির উপ প্রধানও হয়েছে বেশ কয়েকটি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়।

    কী বললেন কংগ্রেস নেতৃত্ব?

    এ বিষয়ে কংগ্রেসের মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার মুখপাত্র জয়ন্ত দাস বলেন,  বিজেপির সাহায্য নিয়ে তৃণমূল বোর্ড গঠন করছে। স্বাভাবিক কারণে এই জেলায় কিছু কিছু জায়গায় স্থানীয় রাজনীতির উপর ভিত্তি করে অনেক কিছু হয়েছে। তাই বিজেপিও বেশ কয়েকটি বোর্ডে ক্ষমতায় এসেছে। তবে, মানুষ তৃণমূল থেকে মুখ ফেরাচ্ছে এটা তার জ্বলন্ত প্রমাণ।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির জেলা নেতা লাল্টু দাস বলেন, ২০১৮ সালে পঞ্চায়েতে আমাদের অধিকাংশ জায়গায় দলীয় প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারেনি। ২০২৩ এর পঞ্চায়েত নির্বাচনে মোদিজির উন্নয়নকে মানুষ বিশ্বাস করেছে। তৃণমূলের একচেটিয়া রাজকে তছনছ করে বিজেপিকে চেয়েছে। যার ফলে জেলায় (Murshidabad) বিজেপির এইরকম রেজাল্ট হয়েছে। জেলায় দশটি পঞ্চায়েতে বিজেপির প্রধান রয়েছে। আর আটটা উপপ্রধান রয়েছে। পঞ্চায়েত সমিতিতে ৩৭ জন জয়ী হয়েছে। জেলায় ৩৭৮ টি গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য এবার জয়ী হয়েছে। সংখ্যালঘু জেলায় বিজেপির উপর আস্থা বাড়ছে এই ঘটনা তা প্রমাণ করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Alipurduar: আলিপুরদুয়ারে তৃণমূলের হামলায় বিজেপি কর্মীর চোখ নষ্ট, বাড়ি ভাঙচুর

    Alipurduar: আলিপুরদুয়ারে তৃণমূলের হামলায় বিজেপি কর্মীর চোখ নষ্ট, বাড়ি ভাঙচুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি কর্মীকে মেরে চোখ নষ্ট করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) জেলার কুমারগ্রাম বিধানসভার ভাটিবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের থানুপাড়া এলাকায়। জখম ওই বিজেপি কর্মীর নাম হরিশ চন্দ্র  দাস। আলিপুরদুয়ার জেলা সদর হাসপাতাল থেকে ওই বিজেপি কর্মীকে স্থানান্তরিত করে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ ?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আলিপুরদুয়ারের (Alipurduar)   থানুপাড়া এলাকা জুড়ে বিজেপির দলীয় পতাকা লাগানো ছিল। শনিবার রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ তৃণমূল কর্মীরা সেই পতাকা খুলে দিচ্ছিল বলে অভিযোগ। বিষয়টি জানতে পেরে থানুপাড়ার বাসিন্দা সাধারণ বিজেপি কর্মী হরিশ চন্দ্র  দাস পতাকা খোলাতে বাধা দেন। পতাকা খোলাতে বাধা দিলেই তাঁর ওপর তৃণমূল কর্মীরা চড়াও হয়। সেসময় এলাকার আরও দুজন বিজেপি কর্মী বাড়ি থেকে বেড়িয়ে এই ঘটনার প্রতিবাদ করেন। তৃণমূলীরা তাঁদের উপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ। এক বিজেপি কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। আর তৃণমূলের হামলায় বিজেপি কর্মী হরিশ দাসের বাঁ চোখে গুরুতর চোট লাগে। এরপরই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। বিজেপি কর্মীরা তাঁকে আলিপুরদুয়ার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে, রবিবার সকালে জেলা সদর হাসপাতাল থেকে ওই বিজেপি কর্মীকে শিলিগুড়ির উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।  

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির কুমারগ্রাম বিধানসভার বিধায়ক মনোজ ওরাও বলেন,  অত্যন্ত গরিব সাধারণ বিজেপি কর্মী হরিশ দাসের একটি চোখ নষ্ট করে দিয়েছে তৃণমূলীরা। আমরা এর শেষ দেখে ছাড়ব। ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ জানানো হয়েছে। প্রয়োজনে আমরা আদালতের দ্বারস্থ হব। ওই এলাকায় আমাদের বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর করেছে তৃণমূল। বিজেপির অভিযোগ, স্থানীয় বিজেপি কর্মী কার্তিক চন্দ্র রায়ের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। তাঁর বাড়িতে ইট,পাথর দিয়ে ঢিল ছোঁড়া হয়েছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূল কংগ্রেস অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। আলিপুরদুয়ার (Alipurduar) জেলা তৃণমূলের সহ সভাপতি প্রবীর দত্ত বলেন,এটা একটা পারিবারিক বিবাদ। এই পারিবারিক বিবাদের ঘটনাকে রাজনৈতিক রঙ দিতে চাইছে বিজেপি। এই ঘটনায় বিজেপির নোংরা রাজনীতি প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: জলপাইগুড়িতে বোর্ড গঠনের পরই তৃণমূলের জয়ী সদস্যদের গণইস্তফা, কেন জানেন?

    Jalpaiguri: জলপাইগুড়িতে বোর্ড গঠনের পরই তৃণমূলের জয়ী সদস্যদের গণইস্তফা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের মাদারের সঙ্গে যুব সংগঠনের বিবাদ। যার জেরে মাদার সংগঠনের নির্বাচিত সদস্য সদস্যাসহ অঞ্চল সভাপতি গণ ইস্তফা দিলেন। ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার ময়নাগুড়ি ব্লকের বার্ণিশ অঞ্চলে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে অঞ্চলে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এল। সব মিলিয়ে প্রায় ১০০ জন দলীয় বিভিন্ন পদ থেকে  ইস্তফা দিয়েছেন। 

    কেন ইস্তফা?

    জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ময়নাগুড়ি বার্ণিশ গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট ২৪ টি আসনের মধ্যে ১৮ টি আসনে জয় পেয়ে গ্রাম পঞ্চায়েতের দখল নেয় তৃণমূল। গত বৃহস্পতিবার বোর্ড গঠনের দিন এই গ্রামপঞ্চায়েতে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠির সংঘর্ষ হয়। ওই দিন রাতে তৃণমূলের কার্যালয়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটে। দলের এক অংশের অভিযোগ, প্রধান পদের জন্য অঞ্চল কমিটির থেকে সর্বসন্মতিক্রমে বৈঠক করে ৩ জনের নাম জেলা নেতৃত্বের কাছে পাঠানো হলেও সেই তালিকার বাইরে থাকা বিগত দশ বছরের প্রধান কল্যাণী তরফদার দেবনাথকে প্রধান করার জন্য জেলা নেতৃত্বের থেকে খামবন্ধ চিঠি দিয়ে অঞ্চলে নাম পাঠানো হয়। কিন্তু,কল্যাণী তরফদার দেবনাথকে প্রধান পদে মানতে নারাজ ছিলেন অধিকাংশ তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য। বোর্ড গঠনের দিন পুলিশ ও ব্লক প্রশানের উপস্থিতিতে কয়েক জন তৃণমূলের নেতা ও কর্মী বেআইনিভাবে অঞ্চল অফিসের ভিতর প্রবেশ করে কল্যাণী তরফদার দেবনাথকে প্রধান পদে সমর্থন করার জন্য হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি চাপ সৃষ্টি করে বলে অভিযোগ। ওই দিন যুব তৃণমূলের ছত্রছায়ায় থাকা এক অংশের হাতে প্রকাশ্যে আক্রান্ত হন অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি দেবদুলাল বৈদ্য। মারধর করা হয় এক পঞ্চায়েত সদস্যের দাদা ক্ষুদিরাম রায় ও এক পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যের স্বামী সদানন্দ সরকার সহ বেশ কয়েকজনকে। এর প্রতিবাদে ময়নাগুড়ি রোড দুর্গাবাড়িতে জড়ো হন বার্ণিশ অঞ্চল তৃণমূল নেতৃত্বের একটি বড় অংশ। তাদের সঙ্গে এই অঞ্চলের শতাধিক তৃণমূল কর্মী উপস্থিত ছিলেন। সেখানে অঞ্চলের মোট ২১ জন বুথ সভাপতির প্রত্যেকে, তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হওয়া ১৪ জন পঞ্চায়েত সদস্য, ৩ জন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য, অঞ্চল কমিটির ৪২ জন সদস্যের প্রত্যেকে দল থেকে পদত্যাগ করেন। জেলা নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ও অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি নিগ্রহের সঙ্গে যুক্তদের শাস্তির দাবিতে  বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মীরা।

    কী বললেন ইস্তফা দেওয়া জয়ী সদস্য এবং তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের নব নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্যা অভিযোগ করেন, “দলের কিছু কর্মী আমাকে প্রতিনিয়ত বাড়িতে গিয়ে ধর্ষণের হুমকি ও আমার স্বামীকে খুনের হুমকি দিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এভাবে দল করা যায় না। তাই ইস্তফা দিলাম।” বার্ণিশ অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি দেবদুলাল বৈদ্য। দেবদুলালবাবু বলেন, “জন্মলগ্ন থেকে তৃণমূল করছি। এত বছরে বিরোধীরা পর্যন্ত আমার বিরুদ্ধে কোনওদিন কোনও দুর্নীতির অভিযোগ করেনি। সেখানে দলের কিছু কর্মীর হাতে প্রকাশ্যে হেনস্থা হওয়ায় মানসিকভাবে অত্যন্ত বিদ্ধস্ত অবস্থায় আছি। আমার নিজেরই কোনও নিরাপত্তা নেই। কর্মীদের নিরাপত্তা দেব কীভাবে? তাই দলীয় পদ থেকে ইস্তফা দিলাম। গণ ইস্তফার ঘটনায় জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলা জুড়়ে চর্চা শুরু হয়েছে।”

    কী বললেন তৃণমূলের জেলা সভানেত্রী?

    এই বিষয়ে জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলা তৃণমূলের সভানেত্রী মহুয়া গোপ বলেন, “দলের শীর্ষ নেতৃত্বের থেকে প্রধান, উপ প্রধানদের নাম পাঠানো হয়েছে। জেলা নেতৃত্বের থেকে কিছু ঠিক হয়নি। এই নিয়ে বিভিন্ন ব্লকে কর্মীদের মধ্যে অনেক বিভ্রান্তি আছে। যে সমস্যা রয়েছে তা দলের সৈনিকদের দলের অভ্যন্তরে আলোচনা করে মিটিয়ে নেওয়া উচিত। দলের ভাবমূর্তিকে রাস্তায় নিয়ে এসে এইভাবে প্রতিবাদ করা শোভা পায় না।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Raiganj: তৃণমূলের জেলা পরিষদ প্রার্থীর ‘উইনিং সার্টিফিকেট’ বাতিল করল রায়গঞ্জ আদালত, কেন জানেন?

    Raiganj: তৃণমূলের জেলা পরিষদ প্রার্থীর ‘উইনিং সার্টিফিকেট’ বাতিল করল রায়গঞ্জ আদালত, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের এক জেলা পরিষদ প্রার্থীর ‘উইনিং সার্টিফিকেট’ বাতিল করল রায়গঞ্জ (Raiganj) জেলা আদালত। ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল রাজনৈতিক মহলে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার হেমতাবাদের ২০ নম্বর জেলা পরিষদ আসনে। এই আসনে জয়ী হন তৃণমূলের প্রার্থী সেলিমা খাতুন। এই আসনের বিজেপি প্রার্থী রমা বর্মন তৃণমূলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।

    কেন তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে মামলা?

    জানা গিয়েছে, তৃণমূল প্রার্থী সেলিমা খাতুন জলসম্পদ দফতরের (গ্রুপ ডি) চুক্তিভিত্তিক কর্মচারি। পঞ্চায়েত আইনে কোনও সরকারি দফতরের গ্রুপ ডি পদে চুক্তিভিত্তিক কর্মীরা ভোটে দাঁড়াতে পারবে না বলে জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। সেই মতো বিজপির পক্ষ থেকে রায়গঞ্জ (Raiganj) জেলা আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়। শুক্রবার রায়গঞ্জ জেলা আদালতের বিচারপতি পার্থপ্রতিম চক্রবর্তী ওই তৃণমূল প্রার্থীর ‘উইনিং সার্টিফিকেট’ কোথাও দেখাতে কিংবা জমা করতে পারবে না বলে রায় দেন। আইনজীবী উৎপল কুমার বাগচী বলেন, ‘হেমতাবাদ ২০ নং জেলা পরিষদ আসনের তৃণমূল প্রার্থী সেলিমা খাতুন জলসম্পদ দফতরের গ্রুপ ডি ক্যাজুয়াল স্টাফ। সে পঞ্চায়েত নির্বাচনে অংশ নিতে পারে না, এই মর্মে মামলা দায়ের করে রমা বর্মন। জেলা আদালতের বিচারপতি ওই প্রার্থীর উইনিং সার্টিফিকেট কোথাও ব্যবহার করতে পারবে না বলে রায় দিয়েছেন। কার্যত তা বাতিল করা হল।’

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য অভিজিৎ যোশি বলেন, ‘মনোনয়ন জমা করার সময় আমরা জানতে পারি নির্বাচন কমিশনের যে গাইডলাইন, তাতে বলা আছে কোনও সরকারি কর্মচারি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। আমরা জানতে পারি তৃণমূল প্রার্থী একজন গ্রুপ ডি কর্মী। সরকারি কর্মচারি হয়ে নমিনেশন ফাইল করেছেন, তখন আমরা রায়গঞ্জে (Raiganj) আদালতের দ্বারস্থ হই। তারই স্থগিতাদেশ হয়েছে। নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্ক্রুটিনিতেও কি করে বিষয়টি ধরা পড়লো না এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে তৃণমূলের যোগ-সাজসের অভিযোগ আনেন তিনি।

    তৃণমূলের জয়ী প্রার্থীর স্বামী কী বললেন?

    সেলিমা খাতুনের স্বামী মজিবুর রহমান বলেন, আমার কাছে এ ধরনের কোনও তথ্য এখনও পৌঁছায়নি। এ বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। আমার স্ত্রীর নমিনেশন যদি অবৈধ হত তাহলে তা  স্ক্রুটিনিতেই ধরা পড়ত। তাঁকে উইনিং সার্টিফিকেট নির্বাচন কমিশন দিয়ে দিয়েছে। বিজেপি যেখানে ভোটে লড়াই জিততে পারে না সেখানে হয়তো আমাদেরই কিছু লোক তাদের সঙ্গে মিলে এ সমস্ত অপপ্রচার ছড়াচ্ছে। আর যদি সত্যিই কোর্টের এমন কোনও নির্দেশ আমার কাছে আসে তাহলে আমরাও আইনি পথে লড়ব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gram Panchayat Election: বোর্ড গঠনের দিন বিজেপি বিধায়কের গাড়ি ভাঙচুর, কাঠগড়ায় তৃণমূল, প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ

    Gram Panchayat Election: বোর্ড গঠনের দিন বিজেপি বিধায়কের গাড়ি ভাঙচুর, কাঠগড়ায় তৃণমূল, প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হুগলি জেলার খানাকুলে বিজেপি (BJP) বিধায়কের উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভাঙচুর করা হয়েছে বিধায়কের গাড়ি। ঘটনাটি ঘটেছে খানাকুলের কিশোরপুর ১ নম্বর পঞ্চায়েতের সামনে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চা়ঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Gram Panchayat Election)

    খানাকুলের কিশোরপুর-১ নং পঞ্চায়েতে মোট আসন সংখ্যা ১৩ টি। তার মধ্যে তৃণমূলের দখলে ৮ টি। আর বিজেপি জয়ী হয় ৫ টি আসনে। সেই জয়ী প্রার্থীদের শপথ গ্রহণ করাতে গিয়েছিলেন খানাকুলের বিজেপি বিধায়ক সুশান্ত ঘোষ। অভিযোগ, সেখানেই তৃণমূল নেতা নঈমুল হকের নেতৃত্বে বিধায়ককে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। ইট ছোঁড়া হয়। সেই ইটের আঘাতে জখম হন বেশ কয়েকজন বিজেপি (BJP) কর্মী। পাশাপাশি বিধায়কের গাড়ির কাঁচ ভেঙে যায়। তারপরেই জয়ী প্রার্থীদের নিয়ে খানাকুল থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভ বসেন বিজেপি বিধায়ক। দোষীদের গ্রেফতারের দাবি করা হয়। যতক্ষণ পর্যন্ত গ্রেফতার না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত এই অবস্থান বিক্ষোভ চলবে। পাশাপাশি আরামবাগ -গরেরঘাট ও কলকাতা,তারকেশ্বর ১৬/২০ রুটে খানাকুল বাসস্টপে রাস্তার ওপর টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ শুরু করেন।

    কী বললেন বিজেপি বিধায়ক?

    বিজেপি (BJP) বিধায়ক সুশান্ত ঘোষ বলেন, দলীয় জয়ী প্রার্থীদের (Gram Panchayat Election) নিয়ে যাওয়ার সময় ওরা এই হামলা চালিয়েছে। তৃণমূল বোর্ড গঠনের দিনই সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করেছে। আসলে এলাকায় ওরা তাণ্ডব করতেই এই হামলা চালিয়েছে। আমরা ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি। এই ঘটনায় যে বা যারা জড়িত রয়েছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূল নেতা নঈমুল হক বলেন, বিজেপি (BJP) বিধায়ক আমাদর দলের জয়ী প্রার্থী নিজের দলে টানার চেষ্টা করছিলেন। সেটা এলাকার মানুষ বুঝতে পেরে প্রকাশ্যে প্রতিরোধ করেছে। সাধারণ মানুষ সরব হয়েছে। এরসঙ্গে তৃণমূলের কোনও সংযোগ নেই। ওরা আমাদের নামে এসব অভিযোগ করে মানুষের সহানুভূতি পাওয়ার চেষ্টা করছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Krishna Nagar: নদিয়ায় বিজেপির প্রধানকে অপহরণ, অভিযুক্ত তৃণমূল, প্রতিবাদে জাতীয় সড়়ক অবরোধ

    Krishna Nagar: নদিয়ায় বিজেপির প্রধানকে অপহরণ, অভিযুক্ত তৃণমূল, প্রতিবাদে জাতীয় সড়়ক অবরোধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বোর্ড গঠনের পর বিজেপির (BJP) নির্বাচিত প্রধানকে অপহরণ করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে কৃষ্ণনগর-২ নম্বর (Krishna Nagar) ব্লকের ধুবুলিয়া-১ নম্বর পঞ্চায়েত এলাকায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

    ঠিক কী অভিযোগ?

    বৃহস্পতিবার কৃষ্ণনগরের (Krishna Nagar) ধুবুলিয়া-১ নম্বর পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন ছিল। পঞ্চায়েত নির্বাচনে ধুবুলিয়া-১ নম্বর পঞ্চায়েতের ২১টি আসন রয়েছে। এর মধ্যে ১১টিতে জয় লাভ করে বিজেপি। ৮ টি পায় তৃণমূল। ২টি আসনে সিপিএম জয়লাভ করে। সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকার কারণে বৃহস্পতিবার শাসকদলের হাত থেকে পঞ্চায়েত ছিনিয়ে নিয়ে বোর্ড গঠন করে বিজেপি। অভিযোগ,বোর্ড গঠনের পর বিজেপির নির্বাচিত পঞ্চায়েত প্রধান পঞ্চায়েত ভবন থেকে বাইরে বেরিয়ে আসার সময়  জোরপূর্বক অপহরণ করার অভিযোগ ওঠে শাসকদল  তৃণমূল কংগ্রেসের লোকজনের বিরুদ্ধে। বিজেপি মনোনীত প্রধানকে অপহরণের পরেই উত্তেজিত হয়ে পড়েন উপস্থিত বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা। যার ফলে উভয়পক্ষের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে তীব্র বচসার সৃষ্টি হয়। এবং ধুবুলিয়ায় ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। পাশাপাশি পুলিশ প্রশাসনের চোখের সামনে তৃণমূলের লোকজন এই  কাণ্ড ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করে বিজেপি। এছাড়াও খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রমণের শিকার হতে হয় সংবাদ কর্মীদের। দুর্বৃত্তদের হাতে মার খেয়ে মোবাইল ফোন ভেঙে যায় একজন সংবাদকর্মীর। এছাড়াও সংবাদ কর্মীদের মারধর করার অভিযোগ ওঠে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। সবটাই পুলিশের সামনে ঘটলেও পুলিশ নির্বিকার ভূমিকা পালন করেছে বলে অভিযোগ ওঠে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে। পরে, এদিন বিকেলের পর বিজেপির প্রধানকে গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বিজেপির (BJP) প্রধান গৌতম সরকার বলেন, বোর্ড গঠনের পর আমাকে নিয়ে টানাটানি হয়। তাতে আমার চোট লাগে। তারপর আমার আর কিছু মনে নেই।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব? (Krishna Nagar)  

    বিজেপি (BJP) নেতা সৈকত সরকার বলেন, বিজেপি বোর্ড গঠন করেছে বলে ওরা আমাদের প্রধানকে অপহরণ করেছিল। তৃণমূলের সন্ত্রাসের প্রতিবাদে আমরা রাস্তা অবরোধ করেছিলাম। আমরা অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তি দাবি জানাচ্ছি।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস বলেন, বিজেপি (BJP) সংখ্যগরিষ্ঠতা পেলেও ওরা ভোটাভুটিতে হেরে যাচ্ছিল দেখে এসব নাটক করেছিল। অপহরণের ঘটনায় তৃণমূল জড়িত নয়। ওদের সবই বানানো গল্প।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Board: খেজুরিতে বোর্ড গঠনে বোমাবাজি, গুলিবিদ্ধ ৩ বিজেপি কর্মী, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Panchayat Board: খেজুরিতে বোর্ড গঠনে বোমাবাজি, গুলিবিদ্ধ ৩ বিজেপি কর্মী, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি-২ ব্লকের নিজ কসবা এলাকায় পঞ্চায়েতে বোর্ড (Panchayat Board) গঠনকে কেন্দ্র করে এলাকা রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। বিজেপির জয়ী প্রার্থী সহ দলীয় কর্মী সমর্থকদের লক্ষ্য করে ব্যাপক বোমাবাজি এবং গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। তিনজন বিজেপি কর্মী গুলিবিদ্ধ হন বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি সামাল দিতে এসে গণ্ডগোলের মধ্যে পড়ে একাধিক পুলিশ কর্মী জখম হন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    নিজ কসবা গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট আসন সংখ্যা ২৮টি। তারমধ্যে তৃণমূল পেয়েছে ১২টি আসন। আর বিজেপি পেয়েছে ১৬টি আসন। বৃহস্পতিবার এই পঞ্চায়েতে বোর্ড (Panchayat Board) গঠনের দিন ধার্য করা হয়। সেই মতো বিজেপি এবং তৃণমূলের জয়ী প্রার্থীরা দলীয় কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে পঞ্চায়েত অফিসের সামনে জমায়েত হন। উত্তরদিকে তৃণমূল কর্মীরা জমায়েত হন। আর দক্ষিণদিকে জমায়েত হন বিজেপি কর্মীরা। প্রথমে দুই দলের কর্মীদের নিয়ে বচসা শুরু হয়। সেটা বাড়তে বাড়তে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। পরে,  পঞ্চায়েত অফিসের সামনে ব্যাপক বোমাবাজি করা হয়। চলে গুলিও। বিজেপির জয়ী প্রার্থীর স্বামী সহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন থাকায় পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে পুলিশ কর্মীও জখম হন। পরে, ভোটাভুটিতে বিজেপি বোর্ড গঠন করে। বিজেপির জয়ী সদস্য মৌসুমী মণ্ডল প্রধান নির্বাচিত হন।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি বিধায়ক শান্তনু প্রামাণিক বলেন, তৃণমূলই এদিন জমায়েত করে এলাকায় সন্ত্রাস করেছে। আমাদের কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে। ৩ জন কর্মী আমাদের গুলিবিদ্ধ হয়েছে। আমরা  হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি। আহত তিন বিজেপি কর্মীকে শিল্যাবেড়িয়া প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় মোতায়ন করা হয়েছে বিরাট পুলিশ বাহিনী। জখম একাধিক পুলিশ কর্মীকে জনকা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি দেবাশিস দাস বলেন, বোর্ড (Panchayat Board) গঠনের দিনে বিজেপি গণ্ডগোল পাকানোর জন্য ব্যাপক জমায়েত করেছিল। ওরাই এলাকায় বোমাবাজি, গুলি চালিয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল কোনওভাবেই যুক্ত নয়।

    হুগলির ফুরফুরায় পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন ঘিরে বোমাবাজি

    হুগলির জাঙ্গিপাড়ার ফুরফুরায় পঞ্চায়েত বোর্ড (Panchayat Board)  গঠন ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দেয়। জানা গিয়েছে, ফুরফুরার পঞ্চায়েত গেটে তালা ঝোলানো ছিল। আইএসএফ এই তালা দিয়েছে বলে অভিযোগ। পুলিশ তালা খুলতে গেলে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোঁড়া হয়। পরে, বোমাবাজি করার অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটানো হয়। আইএসএফের অভিযোগ, এই পঞ্চায়েতে আইএসএফ জয়ী হয়েছে। তৃণমূল দাবি করছে তারা জয়ী হয়েছে। বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এই অবস্থায় বোর্ড গঠন করা ঠিক নয়। তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, আইএসএফ এলাকায় সন্ত্রাসের বাতাবরণ তৈরি করে রেখেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Board: খানাকুলে তৃণমূলকে সংখ্যালঘু করে পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করল বিজেপি

    Panchayat Board: খানাকুলে তৃণমূলকে সংখ্যালঘু করে পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েতে তৃণমূলের বোর্ড (Panchayat Board) গঠন করা শুধু সময়ের অপেক্ষা ছিল। কারণ, হুগলির আরামবাগ মহকুমার খানাকুলের অরুন্ডা গ্রাম পঞ্চায়েতে সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল তৃণমূল। কিন্তু, বোর্ড গঠনের দিন এরকম রাজনৈতিক চমক তৃণমূল নেতৃত্ব আশা করেনি। বোর্ড গঠনের দিনই আচমকাই তৃণমূল  ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দান করল। আর তাতেই পঞ্চায়েত বাজিমাত করল তৃণমূল।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগেই বিজেপিতে যোগদান করেন ৩ জন তৃণমূলের জয়ী প্রার্থী। সংখ্যাগরিষ্ঠ থেকেও বোর্ড গঠন করতে পারল না তৃণমূল। এই পঞ্চায়েতের মোট আসন সংখ্যা ২৩ টি। তার মধ্যে বিজেপি ৯ টি আসনে জয়ী হয়েছিল। আর তৃণমূল পেয়েছিল ১৪টি আসন। কিন্তু,বৃহস্পতিবার বোর্ড গঠন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগেই চমক দেয় বিজেপি। তিন জন তৃণমূলের জয়ী প্রার্থী বিকাশ দাস, দেবাশিস সিং ও অসীমা কারক বিজেপির আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি বিমান ঘোষের হাত ধরে বিজেপিতে যোগদান করেন। তারপরই পাল্লা ভারী হয় বিজেপির। ৯ টি আসন থেকে বেড়ে দাঁড়ায় ১২ টি। আর তৃণমূলের আসন কমে দাঁড়ায় ১১ টি। তারপরেই প্রার্থীদের নিয়ে পঞ্চায়েতে বোর্ড (Panchayat Board) গঠনের জন্য হাজির হয় বিজেপি। পঞ্চায়েত মোড়ে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা জমায়েত করে রয়েছে। রয়েছে পুলিশও।

    বিজেপিতে যোগ দেওয়া জয়ী প্রার্থী কী বললেন?

    বিজেপিতে যোগ দেওয়া জয়ী প্রার্থী বিকাশ দাস দলেন, তৃণমূল দুর্নীতিগ্রস্ত দল। এই দলের সঙ্গে থাকা যায় না। আমরা এলাকায় উন্নয়নের স্বার্থে তৃণমূল ছেড়়ে বিজেপিতে যোগ দিলাম। কারণ, মানুষ বিজেপির সঙ্গে রয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি নেতা বিমান ঘোষ বলেন, আগে মুচলেকা দিয়েছে প্রার্থীরা, তারপর যোগদান করানো হয়েছে। আসলে তারা আমাদের দলকে ভালবেসে বিজেপিতে যোগ দিয়েছে। কোনও ভয় দেখানো হয়নি। তৃণমূল  দুর্নীতিগ্রস্ত দল। তাই, কেউ ওই দলের সঙ্গে থাকতে চাইছে না। বিজেপি এই পঞ্চায়েতে বোর্ড (Panchayat Board) গঠন করেছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূল নেতা দুখীরাম দলুই বলেন, টাকার লোভেই তারা বিজেপিতে গিয়েছে। দলকে ভালবাসলে ওদের তৃণমূলের ফিরে আসা দরকার। এভাবে দল বদল করে মানুষের আস্থা পাওয়া যায় না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share