Tag: Tripura cm

Tripura cm

  • Tripura: কম সময়ে কলকাতা থেকে ত্রিপুরা! শীঘ্রই চালু হচ্ছে মৈত্রী সেতু ও আগরতলা-আখাউড়া রেল যোগ 

    Tripura: কম সময়ে কলকাতা থেকে ত্রিপুরা! শীঘ্রই চালু হচ্ছে মৈত্রী সেতু ও আগরতলা-আখাউড়া রেল যোগ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীঘ্রই চালু হতে চলেছে সাব্রুমের মৈত্রী সেতু। পাশাপাশি আগরতলা-আখাউড়া রেলওয়ে সংযোগ চালু করা হবে খুব শীঘ্রই। সম্প্রতি একথা জানালেন, ত্রিপুরার (Tripura) মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। তিনি বলেন, “সরকার রাজ্যে শান্তি ও সম্প্রীতির বজায় রাখার জন্য কাজ করে চলছে। যা অনেক বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করছে। আমরা প্রথম পর্যায়ে যাত্রী চলাচল শুরু করে মৈত্রী সেতু (Maitri Setu) চালু করতে প্রস্তুত। সাব্রুম ল্যান্ড কাস্টম স্টেশনে ইমিগ্রেশনসহ প্রয়োজনীয় সব সুবিধা রাখা হয়েছে। এবার ট্রেন চলাচল শুরুর চূড়ান্ত তারিখ ঠিক করবে দিল্লি ও ঢাকা। এতে সার্বিকভাবে লাভবান হবে রাজ্য।”

    উত্তর-পূর্বের উন্নতি

    নির্বাচন প্রক্রিয়া প্রায় শেষের পথে। এরপর নতুন সরকার গঠিত হবে। উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলির উন্নয়নে অ্যাক্ট ইস্ট পলিসিতে জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। হিরা মডেল অনুসরণ করে ত্রিপুরার (Tripura) বিকাশ দ্রুত এগিয়ে চলছে, বলে জানালেন সেখানকার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। খুব শীঘ্রই মৈত্রী সেতু (Maitri Setu) চালু হবে। সেই সঙ্গে আগরতলা- আখাউড়া রেল সংযোগের ট্রায়াল ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং এই প্রকল্পও খুব শীঘ্রই শুরু হবে বলে জানান তিনি। এই রেলপথ চালু হলে কলকাতা থেকে অনেক কম সময়ে ত্রিপুরা চলে যাওয়া যাবে।

    আরও পড়ুন: ১২ নয়, ১৩ মাসে হয় এক বছর! জানুন সেই বিচিত্র দেশের কথা

    মৈত্রী সেতু

    চালু হতে চলেছে মৈত্রী সেতু (Maitri Setu)। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী মাসেই চালু হবে ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে মৈত্রী সেতু। ১.৯ কিলোমিটার এই সেতুর মাধ্যমে ত্রিপুরার (Tripura) সঙ্গে যোগাযোগ হবে বাংলাদেশের। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে যাতায়াত করার আরেকটা পথ খুলে যাবে। সেইসঙ্গে ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে বাড়বে বাণিজ্য। ত্রিপুরা এবং উত্তরপূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির মধ্যে বাড়বে আমদানি এবং রফতানি। ওই এলাকার রাজ্যগুলির সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের যোগাযোগ সহজ হবে। এই সেতু আগেই উদ্বোধন করা হয়েছে। ২০২১ সালের মার্চ মাসে মৈত্রী সেতুর উদ্বোধন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরত্বে ত্রিপুরার (Tripura) সাব্রুম। বাংলাদেশের সঙ্গে সাব্রুম অঞ্চলকে সংযুক্ত করেছে মৈত্রী সেতু। দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ওই সেতুর উদ্বোধন করলেও বেশ কিছু কাজ বাকি ছিল। এখন তা প্রায় শেষ। এবার বাস্তবে এই সেতু ব্যবহার শুরু হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pratima Bhoumik: প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী পাবে ত্রিপুরা?

    Pratima Bhoumik: প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী পাবে ত্রিপুরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্বিতীয়বারের জন্য ত্রিপুরার (Tripura) কুর্সিতে ফিরেছে বিজেপি (BJP)। তবে কে বসবেন মুখ্যমন্ত্রীর তখতে, তা ঠিক করতে রবিবার বৈঠকে বসছেন বিজেপি নেতৃত্ব। তবে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহার পাশাপাশি আরও একটি নাম ভেসে আসছে মুখ্যমন্ত্রী পদে। তিনি প্রতিমা ভৌমিক (Pratima Bhoumik), কেন্দ্রীয় সোশ্যাল জাস্টিস অ্যান্ড এমপাওয়ামেন্ট দফতরের প্রতিমন্ত্রী। এদিনের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী পদে তাঁর নাম নির্বাচিত হলে, তিনিই হবেন ত্রিপুরার প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, প্রতিমাকে মুখ্যমন্ত্রী পদে বসানোর লক্ষ্যে ধনপুর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়।

    প্রতিমা ভৌমিক (Pratima Bhoumik)…

    মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন সিপিএমের মানিক সরকার দীর্ঘদিন এই ধনপুর আসন থেকে জয়ী হয়েছিলেন। ১৯৯৮ থেকে ২০২৩ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত তিনি ছিলেন ওই কেন্দ্রের বিধায়ক। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর ওই কেন্দ্রে এবার জয়ী হয়েছেন পদ্ম-প্রার্থী প্রতিমা (Pratima Bhoumik)। শনিবার মোদি-স্তুতি শোনা গিয়েছে প্রতিমার গলায়। তিনি বলেন, এক সময় উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলি আইডেনটিটি ক্রাইসিসে ভুগছিল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই রাজ্যগুলিকে আইডেনটিটি দিয়েছেন।

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, ৬০ আসনের ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে ৩২টিতে জয়ী হয়েছে বিজেপি। ভোট প্রাপ্তির হার প্রায় ৩৯ শতাংশ। ১৩টি আসনে জয়ী হয়ে এ রাজ্যে দ্বিতীয় হয়েছে তিপ্রা মথা পার্টি। ১১টি আসন পেয়েছে সিপিএম। মাত্র ৩টি আসন পেয়েছে কংগ্রেস। একটি আসনে জয়ী হয়ে রাজ্যে খাতা খুলেছে আইপিএফটি।

    আরও পড়ুুন: মাত্র ৫ আসনে জয়, নাগাল্যান্ডে টাকা উড়িয়ে জয়োৎসব এনপিপি-র

    ধনপুর কেন্দ্রে জয়ী বিজেপি প্রার্থী প্রতিমা ভৌমিক (Pratima Bhoumik) ত্রিপুরার দিদি নামে পরিচিত। তাঁর প্রাপ্ত ভোটের হার ৪২.২৫ শতাংশ। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিএমের কৌশিক চন্দকে ৩ হাজার ৫০০ ভোটে পরাজিত করে জয়ী হয়েছেন প্রতিমা। ধনপুর কেন্দ্রে আগেও লড়েছেন প্রতিমা। একবার ১৯৯৮ ও পরেরবার ২০১৮ সালে। দু বারই সিপিএমের মানিক সরকারের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি। এবার জয়ী হয়েছেন সিপিএম প্রার্থীকেই হারিয়ে। প্রসঙ্গত, এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি মানিক সরকার।

    বিজ্ঞানে স্নাতক প্রতিমা বিজেপি করছেন ১৯৯১ সাল থেকে। ব্লক, জেলা ও রাজ্যস্তরে খো খো-ও খেলেছেন এক সময়। তিনি বলেন, আমি দলের একজন অনুগত সৈনিক। দলের নির্দেশে আমি বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করেছি। দল আমার কাছে মায়ের মতো। দল যা বলবে, তাই করব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

LinkedIn
Share