Tag: Trishul

Trishul

  • Kausani: জঙ্গলের ফাঁক দিয়ে হিমালয়ের তুষারধবল শৃঙ্গ দর্শন যেন এক স্বর্গীয় অভিজ্ঞতা

    Kausani: জঙ্গলের ফাঁক দিয়ে হিমালয়ের তুষারধবল শৃঙ্গ দর্শন যেন এক স্বর্গীয় অভিজ্ঞতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুমায়ুন হিমালয়ের এক অন্যতম জনপ্রিয় এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত পর্যটন কেন্দ্র হল এই কৌশানি (Kausani)। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৮৯০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত এই কৌশানির রূপে মুগ্ধ হয়ে স্বয়ং মহাত্মা গান্ধী বলেছিলেন, এমন সুন্দর জায়গা থাকতে মানুষ কেন সুইজারল্যান্ড যায়? হিন্দি সাহিত্যের বিশিষ্ট কবি সুমিত্রা নন্দন পন্থের জন্মভূমি এই কৌশানি। কৌশানি থেকে পাইন, ফার, দেওদারের জঙ্গলের ফাঁক দিয়ে নন্দাদেবী, ত্রিশূল, পঞ্চচুল্লী, নন্দাকোট প্রভৃতি হিমালয়ের তুষারধবল শৃঙ্গগুলি দর্শন করা এক স্বর্গীয় অভিজ্ঞতা। শান্ত, নির্জন, স্নিগ্ধ এই কৌশানি থেকে প্রায় ৩২০ কিমি বিস্তৃত হিমালয়ের অনবদ্য শোভা অবলোকন করা এক অনন্য অনুভূতির সঞ্চার করে মনে।

    দেখে নিন গান্ধীজির আশ্রম (Kausani)

    একই সঙ্গে দেখে নেওয়া যায় গান্ধী অনাসক্ত আশ্রম। ১৯২৯ সালে মহাত্মা গান্ধী এই আশ্রমে বেশ কিছুদিন অতিবাহিত করেন। এই আশ্রমে বসেই তিনি লেখেন গীতার অনাসক্তি যোগ। এরপর দেখে নেওয়া যায় গান্ধীজির অন্যতম প্রিয় শিষ্যা সরলা বেনের প্রতিষ্ঠিত কস্তুরবা গান্ধী আশ্রম। এখানে মহিলাদের তৈরি বিভিন্ন হস্তজাত জিনিসের প্রদর্শনী ও বিক্রয় হয়। এরপর দ্রষ্টব্য কবি সুমিত্রা নন্দন পন্থ সংগ্রহশালা। খোলা থাকে সকাল ১০ টা ৩০ থেকে বিকেল ৪ টা ৩০ অবধি। সোমবার বন্ধ (Kausani)। একই সঙ্গে দেখে নেওয়া যায় পিঙ্গালকোটের চা বাগান, প্রায় ৫ কিমি দুরের পিনাঠ বা পিনাথ, সাড়ে পাঁচ কিমি দূরের বুদা পিনাথ প্রভৃতি। সবকটি স্থানের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যই মনোমুগ্ধকর।

    যাবেন কীভাবে, থাকবেন কোথায়? (Kausani)

    যাতায়াত–আলমোড়া থেকে সরাসরি বাস আসছে কৌশানি। দূরত্ব প্রায় ৩২ কিমি। সময় লাগে প্রায় দেড় ঘণ্টা। আলমোড়া থেকে আসছে শেয়ার জিপ। এছাড়াও সরাসরি বাস আসছে প্রায় ১১৭ কিমি দূরের নৈনিতাল থেকেও। তবে সবচেয়ে ভালো আলমোড়া অথবা নৈনিতাল থেকে গাড়ি নিয়ে বা প্যাকেজ ট্যুরে ঘুরে নেওয়া। এতে অনেক ঝক্কি-ঝামেলার হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়।
    থাকা-খাওয়া–কৌশানিতে রয়েছে কুমায়ুন মণ্ডল বিকাশ নিগম বা কেএমভিএন (KMVN)-এর ট্যুরিস্ট রেস্ট হাউস (TRH)। ফোন-(০৫৯৬২) ২৫৮০০৬। এছাড়াও এখানে আছে বেশ কিছু ভালো মানের থাকা ও খাওয়ার বেসরকারি হোটেল (Kausani)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Trishul: নির্বাচন কমিশনে তিন প্রতীকের তালিকা জমা উদ্ধব গোষ্ঠীর, প্রথম পছন্দ ত্রিশূল!

    Trishul: নির্বাচন কমিশনে তিন প্রতীকের তালিকা জমা উদ্ধব গোষ্ঠীর, প্রথম পছন্দ ত্রিশূল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন আন্ধেরি পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে লড়বে মহারাষ্ট্রের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শিবসেনার (Shiv Sena) একনাথ শিন্ডে শিবির। লড়াইয়ের ময়দানে রয়েছে শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে শিবিরও। তবে বিবদমান এই দু পক্ষই শিবসেনার আসল প্রতীক তির-ধনুক ব্যবহার করতে পারবে না বলে শনিবারই সাফ জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এর পর উদ্বব ঠাকরে শিবিরের তরফে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে তিনটি প্রতীক। একটি ত্রিশূল (Trishul), দ্বিতীয়টি উদীয়মান সূর্য এবং তৃতীয়টি জ্বলন্ত মশাল। দলের তিনটি নামও জমা দেওয়া হয়েছে এদিন। এগুলি হল, শিবসেনা (বালাসাহেব ঠাকরে), শিবসেনা (প্রবোধঙ্কর ঠাকরে) এবং শিবসেনা (উদ্ধব বালাসাহেব ঠাকরে)।

    সূত্রের খবর, উদ্ধব ঠাকরে শিবিরের প্রথম পছন্দ শিবসেনা বালাসাহেব ঠাকরে নামটিই। দ্বিতীয় পছন্দের তালিকায় রয়েছে শিবসেনা উদ্ধব বালাসাহেব ঠাকরে। প্রতীকের ক্ষেত্রেও এই গোষ্ঠীর প্রথম পছন্দ ত্রিশূল (Trishul)। তা না পাওয়া গেলে উদ্ধব গোষ্ঠীর দ্বিতীয় পছন্দ উদীয়মান সূর্য। মজার বিষয় হল, নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে ফ্রি সিম্বলের যে তালিকা গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে দেওয়া হয়েছিল, তাতে উদ্ধব শিবিরের পছন্দের কোনও প্রতীকটাই এই মুহূর্তে নেই। ৩ নভেম্বর আন্ধেরি পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন। ওই নির্বাচনে জিততে মরিয়া উদ্ধব ঠাকরে শিবির। তাই তড়িঘড়ি দলের প্রতীক ও সম্ভাব্য নামের তালিকা নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছে উদ্ধব গোষ্ঠী। এদিকে, সোমবার দুপুর পর্যন্তও শিবসেনার একনাথ শিন্ডে শিবির প্রতীকের কোনও তালিকা তৈরি করে উঠতে পারেনি বলে সূত্রের খবর। শিন্ডে শিবির জানিয়েছে, তারা শিবসেনার প্রতীক তির-ধনুক পাওয়ার দাবি জানাবে।

    আরও পড়ুন : এবার ভাঙন শিবসেনা পরিবারে, শিন্ডে শিবিরে উদ্ধবের ভাইপোও!

    বিজেপির সঙ্গে জোট গড়া নিয়ে মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে বিবাদ বাঁধে শিবসেনারই একনাথ শিন্ডের। পরে অনুগামীদের নিয়ে আসামে আশ্রয় নেন শিন্ডে। সংখ্যা গরিষ্ঠতা হারানোয় পতন হয় উদ্ধব ঠাকরে সরকারের। মহারাষ্ট্রের তখতে বসেন শিন্ডে। তার পর থেকে দু পক্ষই দাবি করে চলেছে তারাই আসল শিবসেনা। এই লড়াইয়ে জল ঢালতেই আপাতত শিবসেনার প্রতীক তির-ধনুক কোনও পক্ষই ব্যবহার করতে পারবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এর পরেই তৎপরতা শুরু হয় উদ্ধব ঠাকরে শিবিরে। জমা দেওয়া হয় ত্রিশূল (Trishul) সহ তিন প্রতীকের তালিকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share