Tag: Tuhin A Sinha

  • CJP Protests: বিদেশি অর্থে অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগ, ‘আরশোলা’ পার্টিকে নিশানা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    CJP Protests: বিদেশি অর্থে অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগ, ‘আরশোলা’ পার্টিকে নিশানা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা ছড়াতে বিদেশি বিভিন্ন সংস্থা এবং ভারতবিরোধী নেটওয়ার্কের কাছ থেকে বেআইনি অর্থ সংগ্রহের অভিযোগ উঠল ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র বিরুদ্ধে (CJP Protests)। অভিযোগ তুলেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং স্বয়ং। তাঁর দাবি, বিদেশি অর্থপুষ্ট স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, গোপন রাজনৈতিক নেটওয়ার্ক এবং ভারতবিরোধী শক্তির মদতে (Pakistan Linked Funding) সরকারের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত প্রচার চালানো হচ্ছে।

    বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ! (CJP Protests)

    সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জিতেন্দ্র সিং দাবি করেন, ককরোচ জনতা পার্টির কার্যকলাপ বৃহত্তর একটি ষড়যন্ত্রের অংশ। তাঁর অভিযোগ, বিদেশি অর্থপুষ্ট বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, গোপন রাষ্ট্রীয় তৎপরতায় যুক্ত ব্যক্তিরা এবং ভারতবিরোধী শক্তি একযোগে সরকারের বিরুদ্ধে জনমত তৈরির চেষ্টা করছে।

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বক্তব্য, “তাদের বেআইনি ও অননুমোদিত বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ জোগানো হচ্ছে, যার মধ্যে দেশের ভিতরে ও বাইরে সক্রিয় ভারতবিরোধী সংগঠনও রয়েছে। বিদেশি অর্থপুষ্ট স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং ভারতবিরোধী শক্তিগুলি পরিকল্পিতভাবে এই প্রচার চালাচ্ছে। অভিজিৎ দীপকে আমেরিকাভিত্তিক অনুদানকারীদের কাছ থেকে অর্থ পেয়েছেন এবং আশুতোষ রাঙ্কা পাকিস্তানি রাজনীতিকদের কাছ থেকে অর্থ পেয়েছেন।”

    বিজেপির মুখপাত্র তুহিন এ সিনহাও ককরোচ জনতা পার্টির বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, উৎসবের মরশুমে দেশের রাজধানীতে অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলা তৈরি করতেই সাম্প্রতিক বিক্ষোভ কর্মসূচিগুলি পরিকল্পিতভাবে সংগঠিত করা হয়েছিল।

    বিদ্রোহের পরিস্থিতি তৈরির লক্ষ্য!

    সিনহার কথায়, “গত এক মাস ধরে ককরোচ জনতা পার্টির কর্মকাণ্ডের মূল লক্ষ্য ছিল বিদ্রোহের পরিস্থিতি তৈরি করা। উৎসবের মরশুমে দেশের রাজধানীতে অরাজকতা ছড়ানোর চেষ্টা চলেছে। এর পিছনে যে অসৎ উদ্দেশ্য এবং পরিকল্পিত অভিসন্ধি ছিল, তা স্পষ্ট।”

    এর আগে নিষিদ্ধ খালিস্তানপন্থী সংগঠন শিখস ফর জাস্টিসের প্রধান গুরপতবন্ত সিং পান্নুন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিবাদ আন্দোলনে ১০ লাখ মার্কিন ডলার আর্থিক সহায়তার কথা ঘোষণা করেছেন বলে খবর প্রকাশ্যে এসেছিল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের বিরুদ্ধে পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধকৌশলের অংশ হিসেবেই এই আর্থিক সহায়তার কথা বলা হয়েছিল বলে (CJP Protests) জানা গিয়েছে।

    এদিকে, বিক্ষোভ ঘিরে আইনি পদক্ষেপও শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবার ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে পুলিশের অপরাধ দমন শাখা। তাঁদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা অমান্য, অনুমতি ছাড়া যন্তর মন্তরে প্রবেশ এবং অনধিকার প্রবেশের অভিযোগ রয়েছে।

    পুলিশি পদক্ষেপ

    বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রতিবাদে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ধারাবাহিকভাবে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন সংগঠনের সদস্যরা। সেই (Pakistan Linked Funding) বিক্ষোভের জেরেই পুলিশের এই পদক্ষেপ বলে জানা গিয়েছে।

    এর আগে অক্টোবর মাসেও সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করা হয়েছিল। পরে ৫০ হাজার টাকা করে মুচলেকা দিয়ে তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়। তবে পুলিশের অভিযোগ, মুক্তির ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁরা যন্তর মন্তরের বন্ধ ফটক টপকে প্রবেশ করে (CJP Protests) মুচলেকার শর্ত ভঙ্গ করেন।

     

LinkedIn
Share